Tag: India US relation

India US relation

  • India US Relation: রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি, কী জানাচ্ছে দিল্লি

    India US Relation: রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি, কী জানাচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) সম্প্রতি দাবি করেছিলেন যে ভারত রাশিয়া থেকে আর তেল কিনবে না, কারণ ওয়াশিংটন মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির এই জ্বালানি সম্পর্ক নিয়ে চাপ বাড়িয়েছে। তবে শনিবারই নয়াদিল্লির তরফ থেকে এই দাবিকে অস্বীকার করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র মারফত এই খবরই মিলেছে (India US Relation)। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সূত্রে জানা গেছে যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দেশের কোনও তেল সংস্থা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করেনি। যদিও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও আসেনি, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, এমন কোনো পরিবর্তনের খবর নেই। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ এবং বর্তমানে রাশিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে তেল আমদানি করে।

    রাশিয়া থেকে তেল কিনছে দিল্লি

    কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় তেল পরিশোধন সংস্থাগুলি রাশিয়ান সরবরাহকারীদের কাছ থেকে তেল সংগ্রহ করেই চলেছে। রাশিয়া থেকে তেল সংগ্রহ করে যাওয়ার নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তকে জাতীয় স্বার্থের জন্যই পরিচালিত বলে অভিহিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই সূত্রগুলি। কেন্দ্রীয় সরকারের ওই সূত্রগুলির তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ হল রাশিয়া, যা প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার (India US Relation) প্রায় ১০% তেল উৎপাদন করে।

    ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায় ট্রাম্প (India US Relation)

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমি শুনেছি ভারত আর রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না। আমি জানি না এটা ঠিক কিনা, কিন্তু এটা একটা ভালো পদক্ষেপ। দেখা যাক কী হয়।” ঠিক তার আগের দিনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭০টি দেশের রফতানির উপরে শুল্ক আরোপ করে এবং ভারতের (India US Relation) উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায়। তবে ভারত যে কোনওভাবেই নতিস্বীকার করবে না, তা বুঝিয়ে দিয়েছে দিল্লি।

  • Trump’s Tariff on India: বিকল্প পথের সন্ধানে দিল্লি, ট্রাম্পের শুল্ক-বাণ নিয়ে চিন্তিত নয় ভারত

    Trump’s Tariff on India: বিকল্প পথের সন্ধানে দিল্লি, ট্রাম্পের শুল্ক-বাণ নিয়ে চিন্তিত নয় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ২৫% শুল্ক (Trump’s Tariff on India) এবং অতিরিক্ত শাস্তিমূলক ট্যারিফ ভারতীয় রফতানির উপর অগাস্টের প্রথম দিন থেকে কার্যকর হলেও, ভারত সরকার বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে এবং জানিয়েছে যে তারা কোনও প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিবর্তে, সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে হাঁটবে বলেই স্থির করেছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২৫ শতাংশ শুল্ক যে খুব একটা চিন্তার বিষয় এমনটা নয়। কারণ, চারপাশে তাকিয়ে দেখলে লক্ষ্য করা যাবে চিনের উপর শুল্ক চাপানো ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশের উপর ৩৫ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ায় চাপানো ১৯ শতাংশ। বাকি সব দেশেও গড়ে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ। যে গোষ্ঠীতে এখন ভারতও ‘এন্ট্রি’ নিয়েছে।

    ট্রাম্পের ঘোষণা

    ট্রাম্প বুধবার জানিয়েছেন, ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক (Trump’s Tariff on India) আরোপ করা হবে, এর পাশাপাশি আরও কিছু আর্থিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। ট্রাম্প ভারতের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পিছনে ব্রিকসকে (BRICS) অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এখনও আলোচনায় আছি। এর মধ্যে ব্রিকসের বিষয়টিও রয়েছে। এটি আমেরিকা বিরোধী দেশগুলির একটি দল এবং ভারত এর সদস্য। এটি ডলারের উপর আক্রমণ করতে চায় এবং আমরা কাউকে ডলারের উপর আঘাত হানতে দেব না।”

    উদ্বিগ্ন নয় ভারত

    সরকারি সূত্রে খবর, ট্রাম্প শুল্ক (Trump’s Tariff on India) চাপালেও ভারত এই বিষয়ে কোনও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ করছে না। বৃহস্পতিবার এক উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিক এই বিষয়ে বলেন, “নীরবতাই সবচেয়ে বড় উত্তর। আমরা যা করব, আলোচনার টেবিলেই করব। দেশের জন্য যা ভালো তাই করবে মোদি সরকার। অন্য দেশের কথা শুনে ভারতের বিদেশনীতি ঠিক হবে না। আর দেশের কৃষক ও ছোট ব্যবসাদারদের কোনও ক্ষতি হতে দেবে না সরকার।” বুধবার সমাজমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ভারত এবং রাশিয়া, দুই দেশের অর্থনীতিই মৃত। চাইলে এই দুই দেশ আরও অর্থনৈতিক অধোগতির পথে হাঁটতে পারে বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক মাস ধরে একটি বানিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। ট্রাম্প বহুবারই মার্কিন পণ্যের জন্য ভারতের বাজারে আরও প্রবেশাধিকার চেয়েছেন।

    কী বলছেন দেশের অর্থনীতিকরা

    এই শুল্ক (Trump’s Tariff on India) পদক্ষেপ নিয়ে যখন কিছু অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তখন ভারত সরকার একে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “যখন আমরা পরমাণু পরীক্ষা করেছিলাম, অনেক নিষেধাজ্ঞা এসেছিল। তখন আমরা ছোট অর্থনীতি ছিলাম। আজ আমরা আত্মনির্ভরশীল শক্তিশালী অর্থনীতি। এখন ভয়ের কিছু নেই।” ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষার সময় বিল ক্লিনটন প্রশাসন ভারতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিলেও তৎকালীন বাজপেয়ী সরকার পিছিয়ে যায়নি।

    কী বলছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, আমেরিকার এই ট্যারিফ (Trump’s Tariff on India) সিদ্ধান্ত ভারতের রফতানিকারকদের এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিশ্লেষণ করছে সরকার। তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রক বর্তমানে বিভিন্ন রফতানিকারক, শিল্পপতি, এমএসএমই এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোগপতি, ছোট-মাঝারি শিল্প এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই সরকার গ্রহণ করবে।

    বিকল্প পথের সন্ধান

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ভারতের কাছে একাধিক পথ খোলা আছে। সম্ভাব্য একটা পথ হল ট্রাম্পের সঙ্গে আবার দর-কষাকষিতে গিয়ে ওই শুল্ক (Trump’s Tariff on India) কমানো। আলাপ-আলোচনা অবশ্যই হবে, কিন্তু কতটা কমবে সেটা দেখার। দ্বিতীয় পথ হলো অন্য বিকল্প খোঁজা। জাপান ও ফ্রান্সের সঙ্গে তো বাণিজ্যিক দিক থেকে সম্পর্ক ভালো ছিল, এখন যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো। সেটাও কাজে লাগাতে চেষ্টা করবে ভারত। বাণিজ্যক্ষেত্রে যে ডেফিসিটটা (ঘাটতি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হবে সেটাকে অন্য দেশে পরিচালিত করাই এখন ভারতের মূল উদ্দেশ্য। অনেকে বলছেন, বিদেশ নীতির দিক থেকে ভারতের বাণিজ্যের জন্য অন্য দেশের প্রতি এতটা নির্ভরশীল হওয়ার দরকার নেই, অভ্যন্তরীণ দিক থেকে একটা ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার। ম্যানুফ্যাকচারিং এবং প্রোডাকশন সেক্টরের ওপর জোর দিয়ে ভারত যদি নিজেদের উৎপাদন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তাহলে যে কোনও দেশ ভারত থেকে পণ্য কিনতে বাধ্য হবে। যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারতের মূল লক্ষ্য।

  • India Defies US Pressure: ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে দেদার তেল কিনছে মোদির ভারত

    India Defies US Pressure: ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে দেদার তেল কিনছে মোদির ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ অগ্রাহ্য করে রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে ভারত (India Defies US Pressure)। বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের (Kpler) মতে, শুধু জুন মাসেই ভারত গড়ে প্রতিদিন ২২ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে রাশিয়া (Russian Oil) থেকে, যা গত দু’বছরে সর্বোচ্চ। রাশিয়া থেকে আমদানি করা এই তেলের পরিমাণ ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে যৌথভাবে দৈনিক গড় আমদানির চেয়েও বেশি। গত মে মাসে ভারত গড়ে প্রতিদিন ১৯.৬ লাখ ব্যারেল রাশিয়ান তেল আমদানি করেছিল।

    রাশিয়ান তেলের ওপর নির্ভরতা

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কায় ভারতীয় কোম্পানিগুলি রাশিয়ান তেলের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন ইরানের পার্লামেন্ট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সম্ভাবনার কথা ঘোষণা করে। হরমুজ প্রণালী একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথ, যা ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন এবং যার মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি করা হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতের রাশিয়ান তেল আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। ইউক্রেন- রাশিয়া সংঘাতের জেরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং পশ্চিমের অন্যান্য দেশগুলি মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যুদ্ধ শুরুর আগে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানিতে রাশিয়ার অংশ ছিল ১ শতাংশেরও কম। এখন সেই অংশটাই বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

    সবচেয়ে বড় ক্রেতা

    ভারত বর্তমানে রাশিয়ার উরাল-গ্রেড ক্রুড অয়েলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ২০২৫ সালের এ পর্যন্ত উরাল রফতানির ৮০ শতাংশই ভারত কিনেছে। বেসরকারি তেল সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও নয়ারা এনার্জি এই আমদানির নেতৃত্ব দিচ্ছে (India Defies US Pressure)। জানা গিয়েছে, ২৪ জুন পর্যন্ত ভারত মোট ২৪১ মিলিয়ন ব্যারেল উরাল ক্রুড আমদানি করেছে। রিলায়েন্স ও নয়ারা একসঙ্গে রাশিয়ার মোট উরাল রফতানির ৪৫ শতাংশ নিয়েছে। এদিকে, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের মতো সরকারি তেল সংস্থাগুলি প্রধানত আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা থেকে তেল আমদানি করে। বর্তমানে তারা কিছু পরিমাণে তেল আমদানি করছে আমেরিকা থেকে (Russian Oil)। প্রসঙ্গত, ভারতের জন্য রাশিয়ান তেলের ছাড়ও কমে গিয়েছে। আগে যেখানে প্রতি ব্যারেলে ৪ মার্কিন ডলার ছাড় পাওয়া যেত, এখন তা কমে হয়েছে ২ মার্কিন ডলার (India Defies US Pressure)।

  • Donald Trump: আমেরিকায় ট্রাম্প জয়ী হওয়ায় লাভবান হবে ভারত, বলছে রেটিং সংস্থা মুডিজ

    Donald Trump: আমেরিকায় ট্রাম্প জয়ী হওয়ায় লাভবান হবে ভারত, বলছে রেটিং সংস্থা মুডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আগামী ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মুডিজ রেটিংয়ের মতে, এর ফলে মার্কিন-চিন উত্তেজনা বাড়বে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগে সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতার কারণে ভারত (India) ও অন্য এশীয় দেশগুলির লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    কী বলছে মুডিজ (Donald Trump)

    গ্লোবাল রেটিং সংস্থা মুডিজের আশা, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত খাতে মার্কিন বিনিয়োগ কঠোর হওয়ার ফলে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের প্রবাহ আরও বেশি করে চিন থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। এতে আদতে উপকৃত হবে ভারত। এটি ইতিবাচক হতে পারে ভারতের অর্থনীতি ও আসিয়ান (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া গোষ্ঠীভুক্ত) দেশগুলির পক্ষে। এই পরিবর্তন চিনের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্দা ডেকে আনবে আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিতে। আমেরিকার এই পদক্ষেপের ফলে লাভবান হতে পারে ভারত ও আসিয়ান দেশগুলি। মুডিজ জানিয়েছে, ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন ও এক্সিকিউটিভ ক্ষমতার মাধ্যমে অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের একাধিক বিকল্প থাকবে।

    ট্রাম্পের কর সংস্কার প্রস্তাব

    মুডিজের আশা, ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন বাজেট, বাণিজ্য, জলবায়ু এবং অভিবাসন নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে। এগুলির সঙ্গে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতির বিস্তর ফারাক হবে। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প কর সংস্কার প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, সতেরো সালের ট্যাক্স কাটস অ্যান্ড জবস অ্যাক্ট স্থায়ী করা, কর্পোরেট ট্যাক্সের হার কমানো এবং আয়ের ওপর কর ছাড় দেওয়া। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিকল্পনাগুলি, নির্দিষ্ট ট্যারিফের সঙ্গে মিলিয়ে, বিশেষ করে চিনা পণ্যের ওপর উচ্চ হারে ট্যারিফ প্রয়োগ করলে, আমেরিকার ফেডারেল ঘাটতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস-জেএমএমের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন”, বার্তা মোদির

    মুডিজের দাবি, ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সুরক্ষামূলক বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করতে পারে। ট্রাম্পের এই নীতি আমদানির ওপর নির্ভরশীল খাতগুলির (উৎপাদন, প্রযুক্তি এবং খুচরা) জন্য ঝুঁকিবহুল হতে পারে। সংস্থার দাবি, সুরক্ষামূলক পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক সরবরাহ (India) শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং আমদানি করা উপকরণ ও পণ্যের ওপর নির্ভরশীল খাতগুলির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির তখতে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি নির্বাচিত হতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা। এঁদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও (Jake Sullivan)। মঙ্গলবার ফল ঘোষণা হয় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের। বুধবারই প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন বাইডেন। তখনই বাইডেন জানান, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান আসবেন ভারত সফরে। তাঁর সফর নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার বিশদে আলোচনা হয় বলেও খবর।

    হোয়াইট হাউসের বার্তা (Jake Sullivan)

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সদর দফতর হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন জুনিয়র আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর এবং এনডিএর ঐতিহাসিক জয়ের কারণে অভিনন্দন জানানো হয়েছে তাঁকে।’ আরও জানানো হয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের আসন্ন নয়াদিল্লি সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। দুই রাষ্ট্রনায়কের বিশ্বস্ত, কৌশলগত, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব-সহ মার্কিন-ভারত অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের নয়া সরকারকে যুক্ত করতে নয়াদিল্লিতে আসছেন জেক।’ 

    কবে আসছেন সুলিভান

    সুলিভান (Jake Sullivan) কবে ভারত সফরে আসছেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে শনিবার তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবে মোদি সরকার। তার পরের দুদিনও সম্ভবত ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তাই ওই সপ্তাহের শেষের দিকে নয়াদিল্লিতে আসতে পারেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বার্তালাপের পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ধু জো বাইডেনের কাছ থেকে ফোন কল পেয়ে আমি আপ্লুত। তাঁর অভিনন্দনবার্তা ও ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর উৎসাহ আমার কাছে মূল্যবান। আসন্ন বছরগুলিতে ভারত-মার্কিন বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আরও অনেক ল্যান্ডমার্কের সাক্ষী থাকবে। মানবতার কল্যাণ এবং বিশ্বের ভালোর জন্যই আমাদের অংশীদারিত্ব আরও জোরালো হবে।”

    আর পড়ুন: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    এদিকে, পৃথক একটি বিবৃতিতে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির চেয়ারম্যান, সেনেটর বেন কার্ডিন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সারা দেশে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ভোট দেওয়ায় যারপরনাই খুশি তিনি। বলেন, “তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও ভোট দিয়েছেন ভারতবাসী। এভাবে তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন (Jake Sullivan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউ টার্ন আমেরিকার! দিন কয়েক আগেই যে দেশ ভারতকে চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসিয়ে ‘জেনোফোবিক’ (বিদেশিদের ভয় পায় যারা) তকমা দিয়েছিল, সেই দেশের মুখেই কিনা ভারত-প্রশস্তি! ফিরে আসা যাক খবরে। সম্প্রতি ভারতে শেষ হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। রাত পোহালেই সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ-পর্ব।

    কী বললেন মার্কিন কর্তা? (India US Relation)

    তার আগে হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিউনিকেশনস অ্যাডভাইসার জন কিরবি বলেন, “ভারতের চেয়ে বেশি ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি আর কোথাও নেই। আপনারা জানেন, গণতন্ত্রের উৎসবে ভারতীয় জনগণের অংশগ্রহণকে আমরা প্রশংসা করি। তাদের ভোটদানের উদ্যম, ভবিষ্যতের সরকার নিয়ে তাদের আলোচনাও প্রশস্তি-যোগ্য। অবশ্যই, পুরো প্রক্রিয়াটিকে আমরা শুভেচ্ছা জানাই।” ভারতে চলতি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে (India US Relation) এক প্রশ্নের উত্তরেই এমন মন্তব্য করেন কিরবি। এদিন কিরবির মুখে মোদি-স্তুতিও শোনা যায়। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে বিশেষ করে বাইডেন প্রশাসনের গত তিন বছরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও পোক্ত হয়েছে।”

    ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা

    এরই কয়েক দিন আগে ভারতের গায়ে ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপান এবং ভারতকে ‘জেনোফোবিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, “এরা (ভারত ও জাপান) বিদেশিদের স্বাগত জানায় না। চিন এবং রাশিয়াও তা-ই করে। এই চার দেশের তুলনায় আমেরিকায় ইমিগ্রেশন বেশি।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তি ছিল, সেই কারণেই আমেরিকার অর্থনীতির ভিত এত পোক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই মন্তব্যের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন কিরবি।

    আর পড়ুন: চিনের সঙ্গে ব্যবসা! ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ মাথায় রাখতে উদ্যোগপতিদের ‘প্রস্তাব’ জয়শঙ্করের

    বলেন, “গত সফরে আমরা বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, জটিল এবং বর্তমানে চলছে এমন প্রযুক্তি নিয়ে আমরা একযোগে কাজ করছি, ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াডের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আমরা আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছি। ভারতও এর অংশীদার। আমরা মুখোমুখি আলোচনাও করছি। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যেও আমরা বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটি (ভারত) খুবই ভাইব্র্যান্ট, আমাদের অংশীদারিত্বও খুবই সক্রিয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ (India US Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন খুনের চেষ্টার নেপথ্যে রয়েছেন র-এর এজেন্ট। মার্কিন (India US Relation) এক দৈনিকে প্রকাশিত এই রিপোর্ট খারিজ করে দিল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, মার্কিন দৈনিকের অভিযোগ অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন।

    বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া (India US Relation)

    প্রতিবেদনটির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সংগঠিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অন্যদের নেটওয়ার্ক নিয়ে মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগের কথা আমাদের জানানো হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখতে ভারত সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই আবহে বিষয়টি সম্পর্কে অনুমানমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য একদমই সহায়ক নয়।”

    র-কে নিশানা

    সম্প্রতি মার্কিন (India US Relation) দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিক্রম যাদব নামে র-এর এক এজেন্ট নাকি পান্নুন হত্যার জন্য একটি হিট টিমকে টাকা দিয়েছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পরিকল্পনায় নাকি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন র-এর প্রধান সমন্ত গোয়েল। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও বিষয়টি জানতেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত।

    গত বছরের শেষের দিকেও পান্নুন খুনের চেষ্টায় যে ভারত জড়িত নয় তা জানিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন, “খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা খুনের ষড়যন্ত্রে ভারত যোগের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ দিলেই সরকার তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত।” আইনের শাসনের প্রতি তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও সেদিন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    পান্নুন খুনের চেষ্টায় ভারতকে দোষারোপ আগেও করা হয়েছিল। এর আগেও একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, পান্নুন হত্যার ছক নিয়ে মার্কিন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ভারত। সেই তদন্ত থেকেই জানা গিয়েছিল, র-এর এক প্রাক্তন এজেন্ট নাকি এই হত্যার ছক কষার নেপথ্যে থাকতে পারেন। যদিও ভারত সরকার নাকি এই ধরনের কোনও অভিযানের অনুমতি দেয়নি (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ মার্কিন রিপোর্টে করা হয়েছে, তাকে পক্ষপাতিত্বমূলক আখ্যা দিল ভারত (India US Relation)। শুধু তাই নয়, আমেরিকার এই অভিযোগ ভারত সম্পর্কে দুর্বল মূল্যায়ন বলেও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মণিপুরে হিংসার আগুন নেভার পর সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিপোর্টে।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (India US Relation)

    এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “রিপোর্টটি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) দারুণভাবে পক্ষপাতিত্বমূলক। ওরা যে ভারতকে বোঝেনি, এই রিপোর্টেই তা স্পষ্ট। আমরা একে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি না। আপনাদেরও (সাংবাদিকদের) বলছি, একে এত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।” সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে ‘২০২৩ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিসেস: ইন্ডিয়া’ শীর্ষক রিপোর্ট। এই রিপোর্টেই মণিপুরের সাম্প্রতিক হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, ফলাও করে তাও বলা হয়েছে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    তার পরেই বলা হয়েছে, এর পরিণতিতে মণিপুরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (India US Relation)। উল্লেখ্য যে, ঘটনাটিকে (মানবাধিকার লঙ্ঘনের) লজ্জাজনক আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। ফেব্রুয়ারি মাসে যে রিপোর্ট স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরে পরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মার্কিন রিপোর্টে বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে ১৪ ফেব্রুয়ারি আয়কর দফতর যে খানাতল্লাশি চালিয়েছিল, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের যেসব ইক্যুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, সেসবেরও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ‘মোদি’ পদবিকে অপমান করার যে অভিযোগ উঠেছিল তাও উঠে এসেছে মার্কিন রিপোর্টে। এই ঘটনার জেরে লোকসভার সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল রাহুলকে। পরে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয় রাহুলকে। এ প্রসঙ্গেরও অবতারণা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে। দিন কয়েক আগে টেসলার সিইও ইলন মাস্ক এমনই দাবি করেছিলেন (India US Relation)। এবার তাঁর সুরে সুর মেলাল আমেরিকাও। যদিও মাস্কের ঢের আগেই এই একই দাবি জানিয়েছিল জো বাইডেনের দেশ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৫। এই দেশগুলির প্রত্যেকেরই ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের দাবি (India US Relation)

    বাকি চার দেশ ভারতের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেও, চিনের ভেটোর জেরে প্রতিবারই ছিটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির তরফে যে ইস্তাহার (সঙ্কল্পপত্র) প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও বলা হয়েছে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে পরিণত করতে জোরদার চেষ্টা চালানো হবে। এহেন (India US Relation) আবহেই মাস্ক দাবি করলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত ভারতের। একই দাবি আবারও করল আমেরিকা।

    কী বললেন বেদান্ত প্যাটেল?

    বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ পেতে বাড়তি সমর্থন মিলেছে।” মাস্কের দাবির প্রেক্ষিতে বেদান্ত বলেন, “প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) এ ব্যাপারে আগেও বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রায় সব সাধারণ সভায়। সেক্রেটারি সে বিষয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা চাই নিরাপত্তা পরিষদ-সহ রাষ্ট্রসংঘের সব ক্ষেত্রে সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ আমরা বাস করছি একবিংশ শতাব্দীতে। রাষ্ট্রসংঘে সংস্কারের যে প্রয়োজন রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    জানুয়ারি মাসেই টেসলার সিইও মাস্ক বলেছিলেন, “নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ নেই, এটা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।” এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মাস্ক লিখেছিলেন, “কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোয় সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হল, যে সব দেশের হাতে প্রভূত ক্ষমতা রয়েছে, তারা তা ছাড়তে রাজি নয়। ভারতের মতো জনবহুল একটি দেশের নিরাপত্তা পরিষদে ঠাঁই না হওয়াটা আশ্চর্যের বিষয়। সামগ্রিকভাবে আফ্রিকারও স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার”, ফের জানালেন মার্কিন কর্তা

    India US Relation: “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার”, ফের জানালেন মার্কিন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। এই দেশ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। আমি বিশ্বাস করি দুই দেশের এই সম্পর্ক বজায় থাকবে।” সোমবার কথাগুলি বললেন (India US Relation) মার্কিন স্টেট দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি পড়েনি। পশ্চিম এশিয়ার আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধে মেঘ। এমতাবস্থায় ভারতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার’ অভিধায় ভূষিত করায় ভূরাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    মিলারের বক্তব্য (India US Relation)

    দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় কিছু দিন আগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তা (India US Relation) নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন এক মার্কিন কর্তা। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এদিন কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি এবং গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়েও প্রশ্ন করা হয় মিলারকে। তিনি বলেন, “আমরা এই বিষয়গুলির ওপর নজর রাখছি। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারিও। কর না দেওয়ায় কংগ্রেসের কয়েকটি অ্যাকাউন্ট যে ফ্রিজ করে দিয়েছে আয়কর দফতর, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে। দোরগোড়ায় নির্বাচন। কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনের মুখে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে কংগ্রেস।”

    ‘ভারত তার গণতন্ত্র নিয়ে গর্বিত’

    এই বিষয়গুলির অবসান স্বচ্ছ এবং আইনি পথে হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন মিলার। তিনি বলেন, “ভারত তার শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ানো এবং স্বাধীন গণতন্ত্র নিয়ে গর্বিত।” প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতারির পর মার্কিন স্টেট দফতরের তরফে যে মন্তব্য করা হয়েছিল, তাকে ‘অনভিপ্রেত’ বলা হয়েছিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে। ভারতের নির্বাচনে এবং লিগ্যাল প্রসেসে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ পুরোপুরি অনভিপ্রেত বলেও জানিয়ে দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে মাত দিতে বিজেপির বাজি শ্রমিক নেতা অভিজিৎ দাস

    রাশিয়া নির্ভরতা কমিয়ে সামরিক বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে ভারত যে সচেষ্ট হয়েছে, তাকেও সাধুবাদ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারত যে বিশ্ব নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে, তাও মেনে নিয়েছে জো বাইডেনের দেশ। মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেফরি ক্রুজ এক সময় বলেছিলেন, “গত কয়েক বছরে জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করে ভারত নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে তুলে ধরেছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের মোকাবিলা যে একমাত্র ভারতই করতে পারে, তাও প্রমাণ করেছে নয়াদিল্লি (India US Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share