Tag: India vs New Zealand

India vs New Zealand

  • Abhishek Sharma: এক ইনিংসেই ছক্কার ঝড়! রোহিত শর্মার বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন অভিষেক শর্মা

    Abhishek Sharma: এক ইনিংসেই ছক্কার ঝড়! রোহিত শর্মার বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন অভিষেক শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে বিধ্বংসী ব্যাটিং করে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিলেন তিনি। পূর্ণ সদস্য দেশের ব্যাটারদের মধ্যে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক ছক্কা হাঁকানোর নজির গড়লেন অভিষেক। মঙ্গলবার ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের (India vs New Zealand) বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৩৮ বলে ১১৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ২০২৬ সালে তাঁর মোট ছক্কার সংখ্যা দাঁড়াল ৮৫। এর আগে ২০২৩ সালে ৮০টি ছক্কা মেরে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন রোহিত শর্মা। সেই নজির টপকে নতুন ইতিহাস লিখলেন অভিষেক।

    ১৫ বলে অর্ধশতরান, ৩৫ বলে শতরান

    ব্যাট হাতে এ দিন কার্যত তাণ্ডব চালান বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার। মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। এরপর মাত্র ৩৫ বলেই পৌঁছে যান শতরানে। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি ছক্কা ও ৯টি চার। অভিষেকের এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ডের বোলিং বিভাগ। ১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল ভারত। ইনিংসের প্রথম ওভারেই জ্যাকব ডাফির বলে ২৬ রান তুলে নেয় ভারতীয় দল। মাত্র ১৫ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশীর সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে অভিষেক শুরু করেন ছক্কার বৃষ্টি।

    পাওয়ারপ্লেতে বিশ্বরেকর্ড ভারতের

    অভিষেক ও বৈভবের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে প্রথম ছয় ওভারেই ১১৮ রান তুলে নেয় ভারত। টি-টোয়েন্টি ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারে কোনও দলের এটাই সর্বোচ্চ রানের নজির বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মাত্র সাত ওভারে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুই ওপেনার। বৈভব ১৮ বলে ৪৫ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা। অন্যদিকে, অভিষেকও জুটিতে আটটি ছক্কা হাঁকান। বৈভব আউট হওয়ার পরেও অভিষেকের ঝোড়ো ব্যাটিং থামেনি। শেষ পর্যন্ত গ্লেন ফিলিপসের বলে আউট হওয়ার আগে নিজের ইনিংসকে স্মরণীয় করে রাখেন তিনি। শতরান পূর্ণ করার পর তাঁর পরিচিত মেডিটেশন ভঙ্গিতে উদ্‌যাপনও নজর কাড়ে। এদিন বল হাতেও নজির গড়েছেন ভারতের অর্শদীপ সিং। নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম সাইফার্টকে আউট করে এক ক্যালেন্ডার বছরে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৯টি উইকেট নেওয়ার নজির স্পর্শ করেন তিনি। এই রেকর্ডের পূর্ববর্তী মালিক ছিলেন আয়ারল্যান্ডের জশ লিটল।

    সিরিজ জিতে ইতিহাস ভারতের

    অভিষেকের ব্যাটিংয়ের দাপটে মাত্র ১৩.২ ওভারেই ১৯৯ রানের লক্ষ্য টপকে যায় ভারত। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নিশ্চিত করে ভারতীয় দল। এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ড্যারিল মিচেলের অপরাজিত ৮৯ রানের ইনিংসের সুবাদে ৩ উইকেটে ১৯৮ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। ৫২ বলে ৮৯ রান করেন মিচেল। ফিন অ্যালেনের অবদান ২৫ বলে ৪০ রান। বেভন জেকবস ২৩ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন। তবে নিউজিল্যান্ডের এই বড় রানও ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে যথেষ্ট হয়নি। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টানা তৃতীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের নজিরও গড়ল ভারত। এর আগে ২০২০ সালে ৫-০ ব্যবধানে এবং ২০২২ সালে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল ভারত।

  • India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শেষ হতেই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি ছেড়ে দেশের জার্সি পরতে দেখা যাবে কোহলি (Virat Kohli), গিলদের (Shubman Gill)। চলতি বছরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় দল (India Vs New Zealand)। যেখানে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বড় একটি সিরিজ খেলবে তারা। ৪০ দিনের সফরে মোট ১২ ম্যাচের এই সিরিজই হতে চলেছে কিউয়িদের মাটিতে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম সফর। এর মধ্যে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামবেন তারকা ক্রিকেটাররা। সবার নজর বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার দিকে। বুধবার পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজ

    নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর হতে চলেছে এই সিরিজ। নিউজিল্যান্ডের প্রধান ৫ ভেন্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টি-টোয়েন্টি, ৫ ওয়ান ডে ও ২ টেস্ট ম্যাচ খেলবেন স্যান্টনার, গ্লেন ফিলিপ্সরা। মোট ১২ ম্যাচের এই সফর আসলে কিউয়িদের ক্রিকেট ইতিহাসে সবথেকে বড় দ্বিপাক্ষিক সফর হতে চলেছে। অকল্যান্ডে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দুটি টেস্ট খেলা হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে। যেহেতু এই সিরিজের মধ্যে ওয়ান ডে ম্যাচও রয়েছে, তাই এই সিরিজে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে সমর্থকদের কাছে। ওয়ান ডে ম্যাচগুলি শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে। দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে। সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। তারপর ওয়ানডে সিরিজ এবং শেষে টেস্ট।

    ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময় আকর্ষণীয়

    নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখ্য বাণিজ্যিক কর্তা গ্লেন ক্রিচলি এই সিরিজ নিয়ে বলেন, “ক্রিকেটের দুনিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের মতো বড় আকর্ষণ খুব কমই আছে। আমরা চাই সমর্থকদের এমন অভিজ্ঞতা দিতে, যা তারা আগে পায়নি। শুধু খেলা নয়, ভারত-নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বন্ধনও উদ্‌যাপন করা হবে। বিরাট কোহলি, জশপ্রীত বুমরাহদের মতো তারকাদের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিশেষ ব্যাপার।” অন্যদিকে, আইসিসি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘আয়োজকরা ভারতের মুখোমুখি হবে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দু’টি টেস্ট ম্যাচে। মোট ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকে এই ১২ ম্যাচের সূচিটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সফর হতে চলেছে।’ উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ মরশুমের পর এই প্রথম নিউজিল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। যদিও কিউয়িরা সম্প্রতি দু’বার ভারত সফরে এসেছে। ২০২৪-২৫ মরশুমে ভারতকে হোয়াইটওয়াশও করেছে। নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার ইশ সোধি বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়ই উপভোগ করি। ওরা অসাধারণ দল। তারকা ও প্রতিভায় ভরপুর। সিরিজটা খুব কঠিন হতে চলেছে।”

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচি

    টি-টোয়েন্টি

    ২২ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৪ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৭ অক্টোবর, ওয়েলিংটন
    ৩০ অক্টোবর, অকল্যান্ড
    ১ নভেম্বর, হ্যামিল্টন

    ওয়ানডে

    ৪ নভেম্বর, অকল্যান্ড
    ৭ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ১০ নভেম্বর, হ্যামিল্টন
    ১৩ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই
    ১৫ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই

    টেস্ট

    ১৯-২৩ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ২৭ নভেম্বর-১ ডিসেম্বর, ক্রাইস্টচার্চ

  • T20 World Cup 2026: পাকিস্তানের ঝুলিতে মাত্র সাড়ে ৩ কোটি! বিশ্বসেরা হয়ে কত টাকা পুরস্কার পেল ভারত?

    T20 World Cup 2026: পাকিস্তানের ঝুলিতে মাত্র সাড়ে ৩ কোটি! বিশ্বসেরা হয়ে কত টাকা পুরস্কার পেল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুবনজয়ী ভারত। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ম্যাচে গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন সূর্যকুমার যাদবের টিম ইন্ডিয়া। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে সেলিব্রেশন। আসলে এই বিশ্বকাপ জয় (T20 World Cup 2026) বিশ্বক্রিকেটে ভারতের আধিপত্য আবারও শক্তপোক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করে দিল। একই সঙ্গে আর্থিকভাবেও লাভবান করল টিম ইন্ডিয়াকে। বিজয়ী দল হিসেবে ভারত পেয়েছে ২.৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার সমান। অর্থাৎ প্রতিযোগিতার মোট আর্থিক পুরস্কারের পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঢুকেছে টিম ইন্ডিয়ার পকেটে।

    কোনও দেশই খালি হাতে ফেরেনি

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা কোনও দেশই খালি হাতে ফেরেনি। যারা অংশ নিয়েছে, তারা প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পেয়েছে। যে দল যতটা এগোতে পেরেছে, তার পুরস্কারের অঙ্ক তত বেড়েছে। রবিবার আমেদাবাদের মাঠে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ফলে সবচেয়ে বেশি টাকা পেয়েছেন সূর্যকুমার যাদবেরা। কোনও দেশই খালি হাতে ফেরেনিএ বারের বিশ্বকাপের জন্য ১২০ কোটি টাকার পুরস্কার ধার্য করেছিল আইসিসি। প্রতিটি ধাপে টাকার অঙ্ক নির্দিষ্ট ছিল। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ যাওয়া দলগুলি পেয়েছে ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। যে দলগুলি সুপার এইট পর্বে বাদ গিয়েছে তারা পেয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, পাকিস্তান সাড়ে ৩ কোটি টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

    রেকর্ড অঙ্কের পুরস্কার

    এ বছর টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup) রেকর্ড অঙ্কের পুরস্কার দিল আইসিসি। ২০২৪ বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ১০০ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল আইসিসি। এবার সেটা ২০ শতাংশ বেড়ে ১২০ কোটি করা হয়েছে। পুরস্কার মূল্য বেড়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে চ্যাম্পিয়ন, সব দলেরই। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। তারা পেয়েছে ৭ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা। ফাইনালে রানার্স দল নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১৪ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। আর বিশ্বকাপ জিতে ভারত পেয়েছে ২৭ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা।

    বিশ্বকাপের পুরস্কার মূল্য (ICC Prize Money)

    চ্যাম্পিয়ন (ভারত)
    ২৭.৪৮ কোটি

    রানার্স আপ (নিউজিল্যান্ড)
    ১৪.৬৫ কোটি

    সেমিফাইনাল
    ৭.২৪ কোটি

    সুপার এইট
    ৩.৪৮ কোটি

    গ্রুপ পর্ব
    ২.২৯ কোটি

  • T20 World Cup 2026: “সাজঘরের ৩০ জনের বাইরে কাউকে আমার জবাবদিহির প্রয়োজন নেই”, বললেন গুরু গম্ভীর

    T20 World Cup 2026: “সাজঘরের ৩০ জনের বাইরে কাউকে আমার জবাবদিহির প্রয়োজন নেই”, বললেন গুরু গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল দ্রাবিড়ের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যখন তাঁকে কোচ করে আনা হয়েছিল, দ্রাবিড়ের সঙ্গে গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক নিয়ে মুচমুচে খবর ছড়িয়েছিল। যেভাবে দ্রাবিড়কে সরে যেতে হয়েছিল ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে, গম্ভীরকে যেভাবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর পদ থেকে ভাঙিয়ে এনে বসানো হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার কোচের চেয়ারে, অনেকে যার নেপথ্যে রাজনৈতিক যোগ দেখেছিলেন। কোচ হিসেবে প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পর গম্ভীর সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন সেই দ্রাবিড়কেই! ২০২৬ টি–২০ বিশ্বকাপ জয়ের (T20 World Cup 2026) পর যেন একরকম স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন গুরু গম্ভীর (Gautam Gambhir)। গত দু’বছর ধরে তাঁর কোচিং নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। জয় শাহের ঘনিষ্ঠ তাই কোচের পদে এমন কথাও শুনতে হয়েছিল। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে হার, সমালোচনা, সোশ্যাল মিডিয়ার চাপ—সব মিলিয়ে সময়টা সহজ ছিল না। কিন্তু বিশ্বকাপ জিতে টিম ইন্ডিয়ার হেডস্যার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কারুর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন তিনি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারা।

    জয়ের কৃতিত্ব চার জনকে

    এই বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব চার জনকে দিতে চান গম্ভীর। তবে তাঁরা কেউ দলের খেলোয়াড় বা সাপোর্ট স্টাফ নন। গম্ভীর নাম নিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, অজিত আগরকর ও জয় শাহের। ভারতীয় কোচ বলেন, “এই ট্রফি আমি উৎসর্গ করতে চাই রাহুল ভাই আর লক্ষ্মণ ভাইকে। ভারতীয় ক্রিকেটকে এই জায়গায় নিয়ে আসার নেপথ্যে রাহুল ভাই কি না করেছে। পাশাপাশি লক্ষ্মণ ভাইও চুপচাপ নিজের দায়িত্ব সামলেছে। সিওএ আছে বলেই ভারতের ক্রিকেট এত উন্নত। অজিতের কথাও বলব। এত সমালোচনার পরেও ও নিজের কাজ করে গিয়েছে।”

    জয় ভাই ফোন করেছিলেন

    তাঁর জীবনে জয় শাহের কতটা ভূমিকা রয়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন গম্ভীর। তিনি বলেন, “জয় ভাই আমাকে কোচের দায়িত্ব দিয়েছিল। এর আগে তো কোথাও কোচিং করাইনি। তার পরেও জয় ভাই ভরসা রেখেছিল। সেই ভরসা আজও আছে। নিউজিল্যান্ডের ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে চুনকামের পর একমাত্র জয় ভাই ফোন করেছে। আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। তাই এই সাফল্যের কৃতিত্ব ওদের।” ভারতীয় ক্রিকেটের দর্শন বদলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গম্ভীর। তিনি বলেন, “আমরা আর ১৬০ বা ১৭০ রান করার জন্য খেলি না। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। ঝুঁকি নিতে হবে। ঝুঁকি না নিলে সফল হওয়া যাবে না। তাতে ১০০ রানে অল আউটও হয়ে যেতে পারি। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে সেটাই হয়েছে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। চেষ্টা করতে হবে ২০০-র বেশি রান করার। সেই চেষ্টাই আমরা করছি।”

    আগে দল, পরে প্লেয়ার

    তিনি নিজে খেলোয়াড় জীবনে সবসময় দলের স্বার্থের কথা আগে ভেবেছেন। কোচ হিসাবেও সেই দর্শনেই বিশ্বাস করেন গম্ভীর। তিনি বলেন, “আমি মনে করি, আগে দল। পরে নিজের সাফল্য। আপনি যদি ৯৬ রান থেকে ১০০ করতে চার বল খেলেন, তা হলে আপনি দলের ২০ রানের ক্ষতি করলেন। ওই চার বলে চারটে ছক্কা হতে পারত। তাই যদি কেউ ৯৬ রান থেকে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয় তাতে আমার কোনও দুঃখ নেই। ওই ৯৬ আমার কাছে শতরানের সমান। এই দর্শন দলের সকলকে দিয়েছি। আমি ভাগ্যবান, দলের সকলে সেটা মেনেছে। আমরা সে ভাবেই খেলি। সকলেই দলকে আগে রাখে।”

    সমাজমাধ্যমে কাউকে জবাব দেব না

    বিশ্বকাপ জেতার পর সাংবাদিক বৈঠকে গম্ভীরকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর দলের সাজঘরের পরিবেশ কেমন। জবাবে গম্ভীর বলেন, “আশা করছি, এ বার সাজঘর নিয়ে জল্পনা বন্ধ হবে। দেখুন, সাজঘরের পরিবেশ ভালো ছিল বলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। বার বার সাজঘর নিয়ে কথা হয়েছে। আমাকে নিয়ে কথা হয়েছে। লেখালিখি হয়েছে। সমাজমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। আমি অবশ্য কাউকে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করিনি। সাজঘরের ওই ৩০ জনের বাইরে কাউকে আমার জবাবদিহির প্রয়োজন নেই।”

    খেলোয়ার ও কোচ হিসেবে বিশ্বজয়ের নজির

    গৌতম গম্ভীর ইতিহাসের পাতায় নাম লিখে ফেললেন। প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তিনি ডাবল জিতলেন। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন গম্ভীর। আবার এই ২০২৬ সালে গম্ভীর ভারতীয় দলের হেড কোচ। কোচ ও প্লেয়ার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ী আর নেই ভূভারতে। হেড কোচ হওয়ার আগে গৌতম গম্ভীর ছিলেন আইসিসি টুর্নামেন্টের সবথেকে সফল পারফরমার। ২০০৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে গম্ভীর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৪ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ২০১১ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনালে গম্ভীর ৯৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন। কোচ হয়ে আসার পরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার পরে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। প্রায় এক যুগের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির খরা কাটিয়েছিল ভারতীয় দল। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে গম্ভীরের ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরের এক কক্ষপথে পৌঁছে গিয়েছে।

    ‘‘কোচ সাহেব, আপনার হাসি আপনাকে খুবই মানিয়েছে’’

    ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে দলকে অভিনন্দন জানান। দীর্ঘদিন পর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। তিনি ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁর মুখের হাসি এই জয়ের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলোর একটি। ধোনি তাঁর বার্তায় বলেন, ‘‘আমেদাবাদে ভারতীয় দল ইতিহাস তৈরি করেছে।’’ তিনি দল, কোচিং স্টাফ এবং সব সমর্থকদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নেতৃত্বে দল যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা দেখতে খুবই আনন্দের। ধোনি লেখেন,“আমেদাবাদে ইতিহাস তৈরি হয়েছে। দল, সহকারী কর্মী এবং বিশ্বজুড়ে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সব সমর্থককে অনেক অভিনন্দন। তোমাদের সবাইকে খেলতে দেখা সত্যিই দারুণ আনন্দের। কোচ সাহেব, আপনার হাসি আপনাকে খুবই মানিয়েছে। হাসির সঙ্গে সেই তীব্র মনোভাব—দুটো মিলে অসাধারণ এক সমন্বয়। দারুণ কাজ করেছেন। সবাই এই সাফল্য উপভোগ করো।”

    সাদা বলের ক্রিকেটের রাজা

    তাঁকে নিয়ে কত কথা। কত আলোচনা। দেশজুড়ে তাঁকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেও গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। রবি-রাতের পরে বলাই যায় ভারতের হেডস্যর গৌতম গম্ভীর একই সঙ্গে নিন্দিত ও নন্দিত ব্যক্তি। এবার তাঁর জবাব দেওয়ার পালা। গম্ভীর কোচ বা ক্রিকেটার হিসেবে কোনও ফাইনাল হারেননি । আইপিএল হোক বা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ওয়ান ডে বিশ্বকাপ, টি-২০ বিশ্বকাপ – কখনও হারেননি গম্ভীর। সে ক্রিকেট কেরিয়ারে হোক বা কোচ হিসেবে। লাল বলের ক্রিকেটে না হলেও সাদা বলের ক্রিকেটের রাজা তিনি।

  • T20 World Cup 2026: বজরংবলীর প্রার্থনা, এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স! অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিশ্বজয়ের পর কী বললেন সূর্য?

    T20 World Cup 2026: বজরংবলীর প্রার্থনা, এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স! অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিশ্বজয়ের পর কী বললেন সূর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সূর্যকুমার যাদব। অধিনায়ক হিসাবে প্রথম বার বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) নেমেই চ্যাম্পিয়ন। তবে এখনই থামতে রাজি নন তিনি। এবার লক্ষ্য অলিম্পিক ক্রিকেটে প্রথম সোনাজয়। বিশ্বজয়ের রাতেই নিজের পরের দুই লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন সূর্য। বিশ্বকাপ জিতে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতই চমক দেন সূর্য (Surya Kumar Yadav)। মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তাঁকে আন্তর্জাতিক নারীদিবসের শুভেচ্ছা জানান। তার পর তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারত অধিনায়ক হিসেবে তাঁর পরের লক্ষ্য কী। তিনি বলেন, “সবে তো শুরু। এর পরের লক্ষ্য হল ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে সোনা জেতা। সেই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেটাও জিততে নামব।” একইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জানালেন ঈশ্বরের প্রতি। মাঠ থেকেই সোজা গুরু গম্ভীর ও আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ-র সঙ্গে গেলেন স্থানীয় বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিতে।

    প্রথম বারই অলিম্পিকে সোনা জয়

    ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হবে। প্রথম বারই সোনা জেতার লক্ষ্যে নামবেন সূর্য। পাশাপাশি দু’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কও হতে চান তিনি। পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও ২০২৮-এ। ততদিন নিজেকে ধরে রাখতে চান সূর্য। আমেদাবাদের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে সূর্য বলেন, “এই গল্পটা ২০২৪ সালে শুরু হয়েছিল। জয় ভাই তখন সচিব ছিলেন। উনি আমার উপর ভরসা দেখিয়েছিলেন। রোহিত ভাইও আমার হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন। তার পর থেকে অনেক পরিকল্পনা করেছি। অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ের অভ্যাস এবারও ধরে রেখেছি।”

    গুরু গম্ভীরে আস্থা, বুমরা জাতীয় সম্পদ

    সূর্য জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক খুব ভালো। ভারত অধিনায়ক বলেন, “গৌতি ভাইয়ের অধীনে আমি চার বছর খেলেছি। ওকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমাদের ভাবনা মেলে। আমরা দু’জনেই দলের ভালোর কথাই ভাবি। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গৌতি ভাইকে আমি চোখ বন্ধ করে ভরসা করি।” বিশ্বকাপ জিতে বুমরার কথা শোনা গিয়েছে সূর্যের মুখে। আগের দিন সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছিলেন, এক প্রজন্মে বুমরার মতো ক্রিকেটার একজনই আসে। আরও খানিকটা এগিয়ে গেলেন সূর্য। তিনি বললেন, “সঞ্জু আগের দিন বলেছিল, বুমরার মতো বোলার এক প্রজন্মে একজনই আসে। আমি বলব, বুমরা জাতীয় সম্পদ। ও জানে ওকে কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। আমাকে কিছু বলতে হয় না।”

    সাজঘরে বাক্‌স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ

    সূর্যের মতে, দলের প্রত্যেকে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রত্যেকের কথা আলাদা ভাবে শোনেন তিনি। অধিনায়ক বলেন, “গত দু’বছর ধরে এই কাজটাই করছি। একটা ভালো সাজঘর তৈরি করেছি। কারও কোনও সমস্যা থাকলে তাকে নৈশভোজে নিয়ে যাই। কথা শুনি। আমি প্রত্যেকের কথা শুনি। কারণ আমার মতে, প্রত্যেকের যদি বাক্‌স্বাধীনতা না থাকে, তা হলে সেই দল সফল হতে পারে না। তাই সকলের কথা শোনাটা জরুরি। সেই কারণেই ওরা আমার কথাও শোনে।” ক্রিকেটারের জীবনে সাফল্যের চেয়েও ব্যর্থতা বেশি আসে বলে মনে করেন সূর্য। তবে তার মধ্যেই এগিয়ে যেতে হয়। সূর্য বলেন, “জীবনে উত্থান-পতন হবেই। গত বছর একটাও অর্ধশতরান করতে পারিনি। আমারও কঠিন সময় গিয়েছে। কিন্তু নিজের উপর ভরসা রেখেছি। পরিশ্রম করেছি। সকলকেই সেটা করতে হবে। এটাই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র।”

    ট্রফি হাতে হনুমান মন্দিরে আরাধনা

    আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পাশেই রয়েছে হনুমান টেকরি মন্দির। সাংবাদিক বৈঠকের পর মাঠ থেকেই মন্দিরে বজরংবলীর আশীর্বাদ নিতে যান সূর্য। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুরু গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে ছিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তিন জন মিলে পুজো দেন। সূর্যের গলায় ছিল গাঁদা ফুলের মালা। পুজো দেওয়ার পর আবার স্টেডিয়ামে ফেরেন তাঁরা। সেখান থেকে দলের সঙ্গে হোটেল যান কোচ ও অধিনায়ক। ঈশ্বরের আশীষ নিয়েই আগামী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া সূর্য।

  • T20 World Cup 2026: সবরমতীর তীরে শাপমোচন! প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বজয়, কোন পথে টি-২০ চ্যাম্পিয়ন ভারত?

    T20 World Cup 2026: সবরমতীর তীরে শাপমোচন! প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বজয়, কোন পথে টি-২০ চ্যাম্পিয়ন ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিশপ্ত আমেদাবাদেই গৌরবের রাত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টি-২০ ক্রিকেটে ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (T20 World Cup 2026) টিম ইন্ডিয়া। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামেই তৈরি হল ইতিহাস। টি-২০ বিশ্বকাপে এর আগে কোনও দেশ পরপর দুবার চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ -পরপর দুবার বিশ্বসেরার মুকুট জিতে রেকর্ডবুক নতুন করে লিখল ভারত। গ্যালারির ভিআইপি বক্সে বসে যে গৌরব তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলেন টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী আগের দুই ভারত অধিনায়ক – মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রোহিত শর্মা। উপভোগ করলেন ৮৩-বিশ্বকাপজয়ী নেতা কপিল দেব। যুদ্ধ জয়ের উচ্ছ্বাস ধরা পড়ল দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের চোখে। স্মিত হাসি আইসিসি সভাপতি জয় শাহের মুখেও। আসলে ক্রিকেট বিশ্বে ভারত যে কেন শেষ কথা বলে তা ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন তিনি। স্টেডিয়ামের মিউজিক সিস্টেমে কখনও বাজতে থাকল ‘চক দে ইন্ডিয়া’, কখনও ‘লেহরা দো’। সঙ্গে এ আর রহমানের বিখ্যাত ‘বন্দেমাতরম’। যে গান ভারতীয় দলের থিম সং হয়ে গিয়েছে কার্যত। গলা মেলালেন স্টেডিয়ামে হাজির ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ।

    দৃঢ় সংকল্প, দলগত চেষ্টারই প্রতিফলন

    সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) নেতৃত্বাধীন ভারত কিউয়িদের হারাতেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স! আইসিসি মেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় দলকে অনেক অনেক অভিনন্দন! এই অসাধারণ জয় অসাধারণ দক্ষতা, দৃঢ় সংকল্প এবং দলগত চেষ্টারই প্রতিফলন। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দলের সকলে অসামান্য ধৈর্য ও সাহসের প্রদর্শন করেছে। এই জয় প্রতিটি ভারতীয়র হৃদয়কে গর্ব ও আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। সাবাশ, টিম ইন্ডিয়া!’ ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে বরাবরই উন্নয়নের চেষ্টা করেন। ক্রীড়াবিদদের উদ্বুদ্ধও করেন। ভারতের অ্যাথলিটরা যখন কোনও মাল্টি স্পোর্টস ইভেন্টে যান, তখনও পেপটক দেন মোদি। পাশাপাশি ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা বিশ্বমঞ্চে কোনও টুর্নামেন্টে অংশ নিলেই মোদি তাঁদের সঙ্গে দেখাও করেন। এ বার তাঁর নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল, শীঘ্রই তাঁর বাসভবনে সাক্ষাতের জন্য ডাক পড়তে পারে স্কাই ব্রিগেডের।

    টসে জিতেও হেরে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড

    হওয়ার কথা ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। কার্যত হয়ে দাঁড়াল একপেশে ম্যাচ। আমেদাবাদের পিচে টস জিতে যে কোনও অধিনায়ক চোখ বুজে ব্যাটিং নেবেন। ফাইনালের মতো ম্যাচে কে না রানের বোঝা বিপক্ষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চায়! মিচেল স্যান্টনার করলেন ঠিক উল্টোটা। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যুক্তি দিলেন, পিচে অল্প ঘাস রয়েছে। পেসারদের দিয়ে তিনি ভারতের টপ অর্ডারকে বিপদে ফেলতে চান। তা তো হলই না। উল্টে ভারতের ওপেনারেরা এমন ভাবে শুরু থেকে কিউয়ি বোলারদের পেটাতে লাগলেন যে কয়েক ওভার যেতে না যেতে নিশ্চিত ভাবেই হাত কামড়াতে শুরু করেছিলেন স্যান্টনার। দিনের প্রথম ৬ ওভারের শেষের ভারতের স্কোর ছিল ৯২/০। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাওয়ার প্লে-তে যুগ্ম সর্বোচ্চ। তা-ও আবার ফাইনাল ম্যাচে। সেখানে নিউ জিল্যান্ড পাওয়ার প্লে-তে তুলল ৫২ রান। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, তারা হারায় তিন-তিনটি উইকেট। সাজঘরে ফিরে যান দলের তিন সেরা অস্ত্র ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। ওখান থেকে ম্যাচ বার করা নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে কার্যত অসম্ভব ছিল। ভারতের জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা।

    ওস্তাদের মার শেষ রাতে

    গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই চর্চায় ছিল তাঁর ফর্ম। কিন্তু কথায় বলে, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। তাই যেন প্রমাণ করলেন অভিষেক শর্মা। তাঁর প্রতিটি ছয়, প্রতিটি চার এবং প্রতিটি উল্লাস ছিল নিন্দকদের প্রতি এক-একটি জবাব। জেকব ডাফিকে পর পর দু’টি চার মেরে শুরু। কী অবলীলায় একের পর এক শট খেললেন! লকি ফার্গুসনের মতো বোলারকে অনায়াসে পাঠিয়ে দিলেন মাঠের বাইরে। দেখে মনেই হয়নি তিনি এত দিন খারাপ ছন্দে ছিলেন। ২০২৩-এর এক দিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেননি অক্ষর। আগের ম্যাচে রান হজম করেছিলেন। অভিষেকের মতো ফাইনালে তিনিও যেন নেমেছিলেন সব কিছুর জবাব দিতে। দর্শকাসনে তাঁর পরিবার এবং পাড়াপড়শিদের অনেকে ছিলেন। প্রথম ওভারেই তিনি ফেরালেন অ্যালেনকে, যাঁকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল ভারতীয় শিবিরে। পরের ওভারে তিনি ফেরালেন গ্লেন ফিলিপসকে। অক্ষরের হাত থেকে বেরোল ‘স্লাইডার’, যা বাইরের দিকে ঘোরার বদলে ঢুকে এল ভেতরে। সোজা শট খেলতে গিয়েছিলেন ফিলিপস। সম্পূর্ণ বোকা বনে গেলেন কিউয়ি ব্যাটার। বল এসে ভেঙে দিল লেগ স্টাম্প। দু’টি উইকেট নেওয়ার পরেই দর্শকাসনের দিকে তাকিয়ে বিশেষ একটি উৎসব করতে দেখা গেল অক্ষরকে। তৃতীয় উইকেটটি পেলেন তৃতীয় ওভারে।

    বুম বুম বুমরা, স্বপ্নের ফর্মে সঞ্জু

    তাঁকে নিয়ে আর নতুন করে কী-ই বা বলার আছে। বড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন তিনি। রবিবার তাঁর সামনে মঞ্চ তৈরিই ছিল। সেটাকে কাজে লাগালেন পুরোদমে। অহমদাবাদ বুমরাহেরও ঘরের মাঠ। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁর বোলিং ফিগার ৪-০-১৫-৪। অর্থাৎ প্রতি ওভারে চারেরও কম রান দিয়েছেন। সঙ্গে চারটি উইকেট। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। বুমরা ছিলেন প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট। ২০২৬-ফাইনালে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ। সুপার এইট থেকে স্বপ্নের ফর্মে সঞ্জু। টানা তিন ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করলেন। স্পর্শ করলেন শাহিদ আফ্রিদি ও বিরাট কোহলির কীর্তি। আফ্রিদি ও কোহলি টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। সঞ্জুও সেই কীর্তিতে ভাগ বসালেন। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ২৪টি ছক্কা মেরেছেন স্যামসন। সেটিও রেকর্ড। কোনও এক বিশ্বকাপে এত ছক্কা কেউ মারেননি। প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টও সঞ্জু।

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, পরাস্ত ইতিহাস

    ২০২৬-এ এসে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হল। একই সঙ্গে ইতিহাসকেও পরাস্ত করল ভারত। কোনও দেশ এখনও পর্যন্ত তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কোনও দলই বিশ্বকাপ ডিফেন্ড করতে পারেনি। কোনও আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনটি রেকর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল সূর্যর ভারত। বিশ্বজয়ের উল্লাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ল গ্যালারি থেকে আমেদাবাদের রাজপথে। এই উচ্ছ্বাস-উল্লাস খুবই সংক্রামক। তা নিমেষে ছড়িয়ে পড়ল গোটা দেশ।

     

     

     

     

  • Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেখানে ২০২৫ শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। মাত্র সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও রবিবার এক নতুন ইতিহাস লিখলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের (IND vs NZ) প্রথম ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের (Most Runs In International Cricket) তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেন ভারতের এই কিংবদন্তি। ছাপিয়ে গেলেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারাকে। সামনে শুধুই ক্রিকেটের ঈশ্বর শচিন তেন্ডুলকর। অন্যদিকে, শচিন ৬৪৪ ইনিংস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরিয়েছিলেন। লিটল মাস্টারের থেকে ২০ ইনিংস কম খেলে ২৮ হাজারি ক্লাবে পৌঁছলেন ‘রান মেশিন’ কোহলি।

    বিরাট-ব্যাটে নজিরের পর নজির

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে’তে সর্বাধিক রান করা ভারতীয় ক্রিকেটার কে? উত্তরটা শচিন। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৪১ ইনিংসে ১,৭৫০ রান করেছিলেন তিনি। গড় ৪৬.০৫। এর মধ্যে ৫টি সেঞ্চুরি এবং ৮টি হাফসেঞ্চুরি। রবিবার লিটল মাস্টারের নজির ৯৪ রান করলেই ছাপিয়ে যেতে পারতেন ‘চেজমাস্টার’। কিন্তু তিনি আউট হলেন ৯৩ রানে। কিউয়িদের বিপক্ষে ৩৪ ইনিংসে কোহলির এখন ১,৭৫০ রান। অর্থাৎ এক্ষেত্রে শচিনকে স্পর্শ করলেন তিনি। রেকর্ড এবং বিরাট কোহলি যেন একে অপরের সমার্থক। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের একমাস পর ওয়ানডে’তে নেমেই ফের সুপারহিট কিং কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনবদ্য ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিলেন ‘ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট’। ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না বটে, তবে বরোদার ম্যাচের পর তাঁর নামের পাশে একাধিক নজির।

    সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান

    শচিন তেণ্ডুলকর: ৩৪,৩৫৭
    বিরাট কোহলি: ২৮,০৬৮
    কুমার সঙ্গকারা: ২৮,০১৬

    বিরাট-ব্যাটেই জয়

    রবিবার মূলত বিরাটের ইনিংসে ভর করেই ওডিআই সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে (IND vs NZ) এগিয়ে গেল ভারত। এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শুভমন গিল। কিউয়ি ইনিংসের শুরুটা ভালোই করেছিলেন কনওয়ে ও হেনরি। দুই ব্যাটারের মধ্যে ১১৭ রানের পার্টনারশিপ হয়। হর্ষিতের বলে ৬২ করে আউট হন হেনরি, ৫৬ রানে সাজঘরে ফেরেন কনওয়ে। ইয়ং মাত্র ১২ রানে আউট করেন সিরাজ। এর পর স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন ড্যারিল মিচেল (Daryl Mitchell)। ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। তবে তাঁকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩০০ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে সিরাজ, হর্ষিত ও প্রসিদ্ধ একজোড়া করে উইকেট নেন। কুলদীপ নেন একটি উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মাকে (Rohit Sharma) শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে দেখা যায়। কিন্তু ২৬ রানে আউট হন হিটম্যান। তারপর শুভমনের সঙ্গে স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন বিরাট। দু’জনের মধ্যে ১১৮ রানের পার্টনারশিপ হয়। গিল ৫৬ রানে আউট হলে বিরাটের সঙ্গে রানের রথে সওয়ার হন প্রত্যাবর্তনকারী শ্রেয়স আইয়ার। এক রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি মিস করলেও এদিন তাঁর ব্যাটিংয়ে প্রতিফলিত হয় আত্মবিশ্বাস। জাদেজা ব্যাট হাতে সফল না হলেও মাঝে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে ফের চমক দেন হর্ষিত রানা। তবে দায়িত্ব সহকারে দলকে ম্যাচ জেতান কেএল রাহুল।

    ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ

    যাঁকে আইডল মেনে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলেন, তাঁর রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রান করার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন কিং কোহলি। কুমার সাঙ্গাকারাকে টেক্কা দিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন বিরাট। তাঁর ঝুলিতে এখন রয়েছে ২৮,০৬৮ রান। সামনে সচিন তেন্ডুলকর। তাঁর ঝুলিতে ৩৪, ৩৫৭ রান। অল্পের জন্য শতরান মিস করলেও বিরাটের ব্যাট থেকেই এসেছিল ৯৩ রান। ৯১ বলের ইনিংসে আটটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকান বিরাট। খেলার শেষে তিনি বলেন, “আমি যখন আমার কেরিয়ারটা পেছন ফিরে দেখি তাহলে অসংখ্য মধুর স্মৃতি রয়েছে। ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ। অনেক কিছু পেয়েছি।” প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, “আমি বরাবরই নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতাম। নিজের ক্ষমতা যতটুকু তার মধ্যেই আরও পরিশ্রম করে নিজের উন্নতির চেষ্টা করতাম।” উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডেতে বিরাট করেছিলেন ৩০২ রান। গড় ১০০-র উপরে। তাছাড়াও ২০২৫ সালের ১৩ ইনিংসে মোট ৬৫১ রান করেছেন। গড় ৬৫.১০। যা একই ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক রানের নজির। এরপর বিজয় হাজারেতে প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের পর গুজরাটের বিরুদ্ধে ৬১ বলে ৭৭ রান করে যান বিরাট। একই ফর্ম বজায় থাকল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও।

LinkedIn
Share