Tag: India vs Sri Lanka

India vs Sri Lanka

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে প্রথম সোনা ভারতের! মাঠেই নেই নকভি, শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে দুরমুশ করে জয় মহিলা ক্রিকেট দলের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে প্রথম সোনা ভারতের! মাঠেই নেই নকভি, শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে দুরমুশ করে জয় মহিলা ক্রিকেট দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের হাত ধরে এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2026) প্রথম সোনা এল ভারতে। মহিলাদের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে হারিয়ে সোনা জিতল হরমনপ্রীত কৌররা। এই নিয়ে পরপর দুটো এশিয়ান গেমসে সোনা পেল ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। এই পদকের ফলে ভারতের মোট পদক সংখ্যা দাঁড়াল ৭। প্রথমে ব্যাট করে স্মৃতি মন্ধানা, শেফালি বর্মা ও রিচা ঘোষের দাপটে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রান করে ভারত। সেই রান তাড়া করা যে কঠিন হবে তা বোঝা গিয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা এ ভাবে আত্মসমর্পণ করবে তা ভাবা যায়নি। ভারতের চার স্পিনারের সামনে খেই হারাল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং আক্রমণ। ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অল আউট হয়ে গেল গোটা দল। স্মৃতি মান্ধানা প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ১১ হাজার রান করেন।

    অসম্মানের ভয়! মাঠেই এলেন না নকভি

    এদিন পুরো ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করে টিম ইন্ডিয়া। কোনও লড়াই দিতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। এই ম্যাচের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ক্রিকেট। যেখানে সোনা জিতল ভারত। রুপো ও ব্রোঞ্জ জিতল যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এশিয়ান গেমসেও এশিয়া কাপের ছবি দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ভারতের মহিলা দল এশিয়ান গেমসে সোনা জিতলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভি পুরস্কার দিতে আসবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। নকভি পুরস্কার দিতে এলে ভারত তা নেবে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছিল। কিন্ত আদতে সে সব কিছু হল না। নকভি এলেনই না। এশিয়ান গেমসের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের হারানোর পর দেখা যায় মাঠেই উল্লাস করছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। জাতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলেন হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধানা, রিচা ঘোষেরা। নিজেদের অনুভূতির কথাও বলেন তাঁরা। কিছু ক্ষণ পরেই শুরু হয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। পুরস্কার দেওয়ার জন্য নিশিন শহরের মেয়র, পুলিশ সুপার-সহ কয়েক জন আধিকারিক হাজির ছিলেন। তাঁরাই পদক পরিয়ে দেন। নকভি মাঠেই ছিলেন না।

    স্মৃতির সোনালি রেকর্ড

    ইতিহাসের পাতায় নাম তুললেন ভারতের মহিলা ক্রিকেট তারকা স্মৃতি মান্ধানা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর ফাইনালে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১১ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করলেন মান্ধানা। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে এই অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে স্মৃতির রান এখন ১১,০৬৬। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলতে নামার আগে ১১ হাজার রানের মাইলফলক থেকে মাত্র কয়েক রান দূরে ছিলেন মান্ধানা। ফাইনালে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। মাত্র ৪৫ বলে ৭৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ভারতীয় ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার এবং সাতটি ছক্কা। মান্ধানার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই বড় রানের ভিত গড়ে নেয় ভারত। চলতি মাসেই আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড নিজের নামে করেছিলেন মান্ধানা। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মিতালি রাজকে টপকে মহিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই রেকর্ডের মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক। ১১ হাজার আন্তর্জাতিক রান। তিন ফরম্যাটেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ব্যাটিংয়ের অন্যতম প্রধান ভরসা মান্ধানা। মহিলা টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি শীর্ষে রয়েছেন।

  • India Beats Sri Lanka: নবাগত পাড়িক্কাল, সুথারের দাপটে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে জয় ভারতের

    India Beats Sri Lanka: নবাগত পাড়িক্কাল, সুথারের দাপটে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জয়ের জন্যই যেন অপেক্ষা করছিলেন বরুণ দেবতা! শ্রীলঙ্কার শেষ উইকেট পতনের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঝেঁপে বৃষ্টি নামল গলে। তার আগে অবশ্য প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয় ভারত। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল শুভমন গিলরা। জয়ে বড় ভূমিকা রাখলেন তরুণ স্পিনার মানব সুতার। ভারতের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট তুলে নিলেন। ফলে ৩৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২০৬ রানে গুটিয়ে গেল শ্রীলঙ্কার ইনিংস। দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচে মোট ১০ উইকেট নিলেন মানব।

    মানব-ম্যাজিক

    শুরু থেকেই ভাল খেলছিল তারা। প্রত্যাশামতোই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জিতে নিল ভারত। বুধবার টেস্টের পঞ্চম দিনে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসের বাকি ছ’টি উইকেট ফেলে দিল তারা। টেস্ট জিততে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ৩৭২ রান। তাদের ইনিংস শেষ হয়ে যায় ২০৬ রানেই। ভারত জিতেছে ১৬৫ রানে। মানব সুতার এক ওভারে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শ্রীলঙ্কার শেষ চারটি উইকেট ফেলেন তিনিই। সারাংশ জৈন না মানব, কাকে প্রথম টেস্টে খেলানো হবে তা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। শেষমেশ শিকে ছেঁড়ে মানবের। সুযোগ পেয়েই আস্থার দাম রাখলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিলেন তিনি। এক সময় গলে রাজ করেছেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। সোমবার গল দেখল আর এক বাঁহাতি স্পিনারের দাপট। পঞ্চম দিনে লড়াই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দু’ওভারে চারটি উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে একাই শেষ করে দেন মানব।

    ভারতের জয়ের কারিগর

    ভারতের জন্য এই টেস্টের জয়ের সবথেকে ইতিবাচক বিষয়টি হল জয়ের কারিগররা। গিল, রাহুল বা জাডেজার মতো প্রতিষ্ঠিত মহাতারকারা নন, বরং এই ম্যাচে ভারতের জয়ের কারিগর দ্বিতীয় টেস্ট খেলা সুথার ও তৃতীয় টেস্টে মাঠে নামা দেবদত্ত পাড়িক্কাল (Devdutt Padikkal)। সুথার বোলিংয়ে ১০ উইকেট নেন, আর পাড়িক্কাল ব্যাট হাতে ম্যাচের দুই ইনিংসে ২০০-র অধিক রান করেন। তবে, টেস্ট জিতলেও ভারতের চিন্তা থাকবে শুভমন গিল এবং যশস্বী জয়সওয়ালের ফর্ম নিয়ে। শুভমন প্রথম ইনিংসে ১৬ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ রান করেন। যশস্বী দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৩২ এবং ০ রান করেছেন। দু’জনের খারাপ ফর্মের কারণে টপ অর্ডার বেশি অবদান রাখতে পারেননি। দেবদত্ত পডিক্কলের ইনিংসের সৌজন্যে বড় রান তোলা গিয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংও ভাল হয়নি ভারতের।

  • Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ক্রিকেট খেলাকে ভবিষ্যৎহীন পেশা মনে করতেন বাবা। ছেলেকে ডাক্তার বানানোর স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু সেই ছেলের জেদ, পরিশ্রম আর প্রতিভাই আজ তাঁকে এনে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেটের দরজায়। জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লার আকিব নবি গড়লেন ইতিহাস। ছোটবেলায় ক্রিকেট তারকা আকিব নবিকে (Auqib Nabi) তাঁর ভাইপো বিলাল আহমদ দার একদিন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘এত ক্রিকেট তারকার সঙ্গে খেলো, তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলো না কেন?’’ আকিবের উত্তর ছিল, ‘‘একদিন এমন জায়গায় পৌঁছব, যখন ওরাই আমার সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইবে।’’ বছর কয়েক পর সেই কথাই সত্যি হয়েছে।

    কাশ্মীর থেকে প্রথম টেস্টে ডাক (India Test Team)

    বছর ঊনত্রিশের অলরাউন্ডার আকিব নবি (Auqib Nabi) হলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম ক্রিকেটার, যিনি ভারতীয় টেস্ট দলে (India Test Team) ডাক পেলেন। জসপ্রীত বুমরাহর পরিবর্তে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি। সিরিজ শুরু ১৫ অগাস্ট। সংঘাত, দীর্ঘ শীত, তুষারপাত এবং সীমিত পরিকাঠামোর কারণে জম্মু-কাশ্মীরে ক্রিকেটের পথ বরাবরই কঠিন। ১৯৫৭ সালে BCCI-র সঙ্গে যুক্ত হলেও বর্তমানে গোটা অঞ্চলে মাত্র দু’টি বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে, দুটিরই সুযোগ-সুবিধা সীমিত।

    ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন বাবা

    বারামুল্লা জেলার একটি ছোট গ্রামে বড় হয়েছেন আকিব (Auqib Nabi)। তাঁর বাবা গুলাম নবি দার পেশায় স্কুল শিক্ষক। শুরুতে তিনি ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করতেন এবং ছেলেকে পড়াশোনা করে ডাক্তার হতে বলতেন। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি আকিবের অদম্য আগ্রহ দেখে শেষ পর্যন্ত বাবা মত বদলান। তিনি বুঝতে পারেন, নিজের পছন্দের পথে ছেলেকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।

    অনুশীলনের জন্য পাড়ি ৭০ কিমি

    ছোটবেলায় ভালো ক্রিকেট পরিকাঠামোর অভাবে আকিবকে (Auqib Nabi) প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে শ্রীনগরে নিয়মিত অনুশীলন করতে যেতে হতো। প্রথম ক্রিকেট ট্রায়ালে যাওয়ার সময় তাঁর নিজের একজোড়া স্পাইক জুতোটুকুও ছিল না। শৈশবের বন্ধু জুনেইদ দার জানান, তাঁদের এলাকায় পেশাদার ক্রিকেটের ধারণাই প্রায় ছিল না। পরিকাঠামোও ছিল অপ্রতুল। কিন্তু আকিব ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট নিয়ে ভীষণ একাগ্র ছিলেন। ভাইপো বিলালের কথায়, আকিব প্রতিদিন ভোরে জিমে যেতেন এবং তারপর সারাদিন অনুশীলন করতেন। প্রায় ১০ বছর ধরে এই রুটিন বজায় রেখেছিলেন তিনি।

    রঞ্জিতে শুরু সাফল্য

    ২০২০ সালে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেক হয় আকিবের। অভিষেকেই ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন তিনি। ২০২৪-২৫ মরশুমে ৪৪টি উইকেট নিয়ে প্রতিযোগিতার সেরা পেসার হন। তবে এত সাফল্যের পরেও জাতীয় স্তরে তাঁর পরিচিতি সেভাবে তৈরি হয়নি। বাবা গুলাম নবি বলেন, ভালো খেলেও স্বীকৃতি না পাওয়াটা কষ্টের ছিল। তবুও তিনি ছেলের সময় আসবে বলেই বিশ্বাস রেখেছিলেন।

    ৬০ উইকেটে বদলে গেল ভাগ্য

    পরের মরশুমে আকিব (Auqib Nabi) করেন তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। মাত্র ১০ ম্যাচে ৬০টি উইকেট নিয়ে রঞ্জি ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জম্মু-কাশ্মীর ৬৭ বছর পরে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি জেতে। এই পারফরম্যান্সের পর ৮.৪ কোটি টাকার আইপিএল চুক্তি পান দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে। আইপিএলে সুযোগ খুব বেশি না পেলেও, লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিকতা জাতীয় নির্বাচকদের নজরে আসে।

    পারভেজের গর্ব

    জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার তথা আকিবের (Auqib Nabi) দীর্ঘদিনের অধিনায়ক পারভেজ রসুল বলেন, আকিবের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা। রসুলের নিজেরও টেস্ট খেলার স্বপ্ন ছিল। তাই আকিবের টেস্ট ডাককে তিনি শুধু একজন ক্রিকেটারের সাফল্য হিসেবে দেখছেন না। তাঁর মতে, জম্মু-কাশ্মীরের বহু ক্রিকেটারের যে স্বপ্ন ছিল, নবির হাত ধরে তা বাস্তব হয়েছে।

    নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা

    রসুলের কথায়, অন্য জায়গার তুলনায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে ভারতীয় দলে পৌঁছনোর চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। সীমিত পরিকাঠামো, কম সুযোগ, দীর্ঘ শীত ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আকিব নিজের উপর বিশ্বাস রেখেছেন। তাঁর এই সাফল্য কাশ্মীরের নতুন প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করেন রসুল। তাঁর মতে, কোথা থেকে এসেছেন বা কী বাধার মুখে পড়েছেন, তা নয়- পরিশ্রম, মানসিক শক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছনো সম্ভব।

    বাবার গর্ব

    আজ বারামুল্লায় গুলাম নবি যেখানেই যান, মানুষ তাঁকে চিনে ফেলেন। অনেকে কাছে এসে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘‘ইনি আকিবের বাবা।’’ যে বাবা একসময় ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করে ছেলেকে ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন, আজ সেই ছেলের ইতিহাস গড়ার সাক্ষী হয়ে তাঁর একটাই অনুভূতি- অপরিসীম গর্ব।

LinkedIn
Share