Tag: india vs zimbabwe

india vs zimbabwe

  • T20 World Cup 2026: সুপার-সঞ্জুর ছন্দে ইডেনে উঠল মেক্সিকান ওয়েভ, ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

    T20 World Cup 2026: সুপার-সঞ্জুর ছন্দে ইডেনে উঠল মেক্সিকান ওয়েভ, ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন আগে যে ব্যাটারকে দেখে মনে হচ্ছিল, বেঞ্চে বসেই বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) শেষ হয়ে যাবে, সেই ব্যাটারই ভারতকে সেমিফাইনালে তুললেন। ইডেনে সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারাল ভারত (India vs West Indies)। ৯৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন সঞ্জু। ভাঙলেন কিং কোহলির রেকর্ডও। ক্রিকেটের নন্দন কাননে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সমীকরণ স্পষ্ট ছিল। দুই যুযুধান প্রতিপক্ষের মধ্যে জয়ী দলই সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করবে। সপ্তাহান্তের টানটান ম্যাচে সুপার সঞ্জুর দাপটে এই নিয়ে ষষ্ঠবার ভারত টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল।

    সঞ্জুর চওড়া ব্যাটেই শেষ চারে

    ১৯৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্য়ামসন এবং অভিষেক শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ভারত হারায় অভিষেক শর্মার উইকেট। অভিষেক ১১ বলে ১০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন ঈশান কিষানও। শুরুতেই জোড়া উইকেট হারিয়ে বেশ খানিকটা চাপে পড়ে যায় ভারত। ইডেনের গ্যালারিতে তখন নিস্তব্ধতা। ছোটদের মুখে হতাশা, বড়রা ব্যস্ত ভুল-ত্রুটি বাছতে। প্রশ্ন উঠছিল টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া নিয়েও। কিন্তু অধিনায়ক সূর্য যে ফিল্ডিং নিয়ে ভুল করেননি তা প্রমাণ করলেন সূর্য। দেখালেন ক্রিজে টিকে থাকলে এই পিচে ব্যাট করা বেশ সহজ। ঈশান কিষান ফিরতেই দলের হাল ধরেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং সঞ্জু স্যামসন। ২৬ বলে ঝকঝকে হাফসেঞ্চুরি বেরিয়ে এল সঞ্জুর ব্যাট থেকে। এরপরই তৃতীয় ধাক্কা খেল ভারত। ১৬ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান সূর্যকুমার যাদব। তবে ভারতের রানের গতি থামেনি। ১১ ওভার শেষে ১০০ রান পূরণ করে ফেলে। মিডল অর্ডারে কিছুটা হলেও ভরসা দিয়েছিলেন তিলক বর্মা। ১৫ বলে ২৭ রান করে তিনিও ফিরে যান। ১৭ রান করে আউট হয়ে যান হার্দিকও। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি ৯৭ রানে শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। চার বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জেতালেন টিম ইন্ডিয়াকে।

    অনেককে জবাব দেওয়ার ছিল সঞ্জুর

    কয়েক দিন আগে এই সঞ্জুকে খেলানো নিয়ে প্রশ্নের জবাব অধিনায়ক সূর্য বলেছিলেন, “আপনি চাইছেন আমি অভিষেককে বসিয়ে সঞ্জুকে খেলাই।” সেই কথার মধ্যে কোথাও একটি তাচ্ছিল্য মেশানো ছিল। ফলে অনেককে জবাব দেওয়ার ছিল সঞ্জুর। বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে মঞ্চ করে তুললেন তিনি। বুঝিয়ে দিলেন, সুযোগ পেলে তা কীভাবে কাজে লাগাতে হয়। এই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগ দেননি সঞ্জু। ক্রিকেটের পরিভাষায় ক্লিনিক্যাল ইনিংস যাকে বলে। ঝুঁকি নিয়ে একটিও শট খেলেননি। যখন বড় শট খেলেছেন, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। যত সময় গড়াচ্ছিল, তত ভারত জয়ের পথে এগোচ্ছিল। তার মধ্যে হার্দিকের ক্যাচ ফস্কান হোল্ডার। তত ক্ষণ ভাল ফিল্ডিং করছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু কঠিন সময়ে চাপ সামলাতে পারল না তারা। শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে দলকে জেতালেন সঞ্জু। ৫০ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকলেন। ১২ চার ও চার ছক্কা মারেন। ৩ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হলেও এই ইনিংস শতরানের থেকে কম নয়। দলকে জিতিয়েও কোনও বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখাননি সঞ্জু। পিচে হাঁটু মুড়ে বসে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলেন। হাতজোড় করে প্রণাম করলেন। তার পর মাঠ ছাড়লেন।

    ‘‘এই ইনিংসটা আমার কাছে গোটা পৃথিবী’’

    সেরার পুরস্কারটা নিতে এসে বললেন, ‘‘এই ইনিংসটা আসলে আমার কাছে গোটা পৃথিবী। যেদিন থেকে আমি খেলা শুরু করেছি, সেদিন থেকেই দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। এমন একটা ইনিংসের জন্যই আমি এতদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। এই যাত্রাটা এককথায় অসাধারণ। রাস্তায় অনেক চড়াই-উতরাই এসেছে। কখনও নিজের উপর সন্দেহ হয়েছে। আশঙ্কা দানা বেঁধেছিল, আদৌ দায়িত্ব পূরণ করতে পারব কি না? তবে আজ ঈশ্বর যেভাবে আমাকে আশীর্বাদ করেছেন, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ।’’ একইসঙ্গে, রোহিত-কোহলিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেন, ‘‘এই ফরম্য়াটে আমি অনেকদিন ধরে খেলছি। কোহলি, ধোনি, রোহিত শর্মাদের মতো কিংবদন্তীদের থেকে অনেককিছু শিখেছি। পরিস্থিতি অনুসারে কীভাবে খেলা বদলাতে হয়, তা জেনেছি। আজকের দিনটা আমার জীবনে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পরিস্থিতি অনুসারে ব্যাট করেছি। প্রত্যেকটা বলের মেরিট অনুসারে খেলেছি।’’

    ভাঙলেন কোহলির রেকর্ড

    ইডেনে রান তাড়া করতে নেমে একটি রেকর্ডও গড়লেন সঞ্জু। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দিন ভারতের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে সবচেয়ে বেশি রান ছিল বিরাট কোহলির দখলে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮২ রান করেছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড এই ম্যাচে ভেঙে দিলেন সঞ্জু। টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন সূর্য। ব্রেন্ডন কিং না থাকায় এই ম্যাচে হোপের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রস্টন চেজ। পাওয়ার প্লে-তে সাবধানি ব্যাটিং করেন দু’জনে। রান তোলার গতি খুব বেশি না থাকলেও উইকেট পড়েনি। তবে পড়তে পারত। জসপ্রীত বুমরার বলে ক্যাচ তোলেন চেজ। বলের নীচে পৌঁছেও গিয়েছিলেন অভিশেক শর্মা। কিন্তু সহজ ক্যাচ ফেলেন তিনি। সেই ক্যাচ ধরা নয়, ফস্কানো কঠিন। অভিষেক সেটাই করে দেখান। সুযোগ কাজে লাগান চেজ।

    বুমরার বলে বাজিমাত

    ওপেনিং জুটিতে ৬৮ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জুটি ভাঙেন বরুণ চক্রবর্তী। তাঁর বল পিছনের পায়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন হোপ। ৩৩ বলে ৩২ রান করেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কা মারলেও ১৭টি ডট বল খেলেন তিনি। হোপ আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন শিমরন হেটমায়ার। চলতি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ব্যাটার। শুরু থেকেই হাত খুলে শট মারতে শুরু করেন তিনি। এক ধাক্কায় দলের রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন তিনি। বাধ্য হয়ে বুমরার হাতে বল তুলে দেন সূর্য। অধিনায়ককে নিরাশ করেননি বুমরা। আউট করেন হেটমায়ারকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ব্যাটারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২৩ বল করেছেন বুমরা। আউট করেছেন ছ’বার। ১২ বলে ২৭ রানে আউট হন হেটমায়ার। দু’বল পরেই বুমরা ফেরান চেজকে। তিনি করেন ২৫ বলে ৪০ রান।

    সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি ভারতের সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৭৩ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। ১২ বছর পর সেই নজির ভাঙল। ১০ বছর পর একটি বদলাও নিল ভারত। ২০১৬ সালে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারতের বিরুদ্ধে ১৯২ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিদায় নিয়েছিল ভারত। সেই হারের বদলা ইডেনে নিল ভারত।

    সেমিফাইনালে কারা

    বিশের বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) খেতাব জয়ের থেকে চার দলই কেবল দুই জয় দূরে দাঁড়িয়ে। একদিকে যেখানে ভারত আর ইংল্যান্ড রেকর্ড তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে, সেখানে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবার বিশের বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া। চার সেমিফাইনালিস্ট। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সুপার এইটে গ্রুপ ১-র শীর্ষে শেষ করা দল গ্রুপ ২-র রানার্সের বিরুদ্ধে খেলবে এবং আরেক সেমিফাইনালে গ্রুপ ২-র শীর্ষে থাকা দল খেলবে গ্রুপ ১-র রানার্স আপের বিরুদ্ধে। এই সমীকরণ অনুযায়ী বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুম্বইয়ে ভারত মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের, আর ইডেনে নিউজিল্যান্ড খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেমিফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইডেনও। তবে, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ইডেন ছিল আপন ছন্দে। ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সঞ্জুর প্রতিটা শটে উঠেছে মেক্সিকান ওয়েভ। সূর্য-হার্দিকদের সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার উল্লাসে মেতেছে ইডেনের গ্যালারি।

  • T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। এসআইআর লিস্ট নিয়ে আমজনতার আগ্রহ অন্তত শনিবার চোখে পড়েনি। ময়দান চত্বরে একটাই আলোচনা, কীভাবে মিলবে রবিবার ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (India vs West Indies )ম্যাচের টিকিট। রবিবার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’। এই ম্যাচে যে জিতবে, সে পা রাখবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সেমিফাইনালে। ম্যাচের ফলাফল কী হবে, সেটা তো সময়ই বলবে। কিন্তু তা বলে দর্শকদের জন্য বিনোদনের কমতি থাকছে না। এই হাইভোল্টেজ, ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। কিন্তু এই উন্মাদনার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে টিকিট কালোবাজারি চক্রও। ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়।

    ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য মুখিয়ে ইডেন

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বড়় জয়ের পরেও নিরাপদ নয় ভারতের সেমিফাইনালে ওঠা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অবশ্যই জিততে হবে ভারতকে। সেই ম্যাচ যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ছিটকে যাবে ভারত। তবে জিতে গেলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত ভারতের। লেজার শো থেকে দেশাত্মবোধক গান, রবিবার সবই থাকছে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। মাঠে সূর্যকুমার-অভিষেকদের ব্যাট থেকে রানের ফুলঝুরি দেখার জন্য মুখিয়ে ক্রিকেটভক্তরা। কিন্তু ইডেন কোনওভাবেই খালি হাতে ফেরাবে না দর্শকদের। থাকছে লেজার শো। এছাড়া দেশাত্মবোধক গানও থাকছে। যার মধ্যে একটা বাংলা ভাষায়। বাজবে ‘ধুরন্ধর’-এর গান। এখানেই শেষ নয়। দর্শকদের উন্মাদনার জন্য স্লোগান উঠবে ‘বন্দে’। দর্শকরা উত্তর দেবেন ‘মাতরম’।

    টিকিটের দেদার কালোবাজারি

    ইডেনের ম্যাচে টিকিটের দেদার কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার লোয়ার টিয়ারের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার টাকায়। শনিবার টাকার অঙ্কটা ৫০ হাজারে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়াও আপার টিয়ারের টিকিট বিক্রির খবর পাওয়া গিয়েছে ২০-২৫ হাজার টাকায়।

    দু’টি বিশেষ মেট্রো

    ম্যাচ শেষের পর দর্শকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ব্লু লাইনে দু’টি বিশেষ মেট্রো চালানো হবে। এই পরিষেবাগুলি চলবে এসপ্ল্যানেড–দক্ষিণেশ্বর এবং এসপ্ল্যানেড–শহিদ ক্ষুদিরাম রুটে। দু’টি মেট্রোই রাত ১১টা ১৫ মিনিটে এসপ্ল্যানেড থেকে ছাড়বে এবং পথে সমস্ত স্টেশনে থামবে। বিশেষ এই পরিষেবার ক্ষেত্রে টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে শুধুমাত্র এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে। ফলে ম্যাচ শেষে দর্শকরা সেখান থেকেই টিকিট কেটে সহজে মেট্রো ধরতে পারবেন।

    বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তা

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে ভারতের সবচেয়ে চিন্তার কারণ বরুণ চক্রবর্তী এবং শিবম দুবের অফ ফর্ম। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, এই বিশ্বকাপে বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় দল। খোদ সূর্যকুমার নিজেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। আসলে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মাত্র দুই ওভার বল করেছেন শিবম দুবে। দিয়েছেন ৪৭ রান। ওদিকে বরুণ চক্রবর্তী এবং অক্ষর প্যাটেল দুই জনেই ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। দিয়েছেন ৩৫ রান। মাথায় রাখতে হবে, অক্ষর প্রথম দিকে দারুণ বল করছিলেন। তবে শেষে গিয়ে তিনিও ভাল রান দেন। আর সূর্যও এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। প্রথমে ব্যাট করে তাই স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলাই লক্ষ্য ভারতের।

     

     

     

     

  • T20 World Cup 2026: শেষ চারের ভাগ্য নির্ধারণ ইডেনে! এবার চিন্তা বোলিং, জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে কী বললেন ভারত অধিনায়ক?

    T20 World Cup 2026: শেষ চারের ভাগ্য নির্ধারণ ইডেনে! এবার চিন্তা বোলিং, জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে কী বললেন ভারত অধিনায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেনে ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামাতে পারলেই টি-২০ বিশ্বকাপের (2026 ICC Men’s T20 World Cup) শেষ চারে পৌঁছে যাবে ভারত। চিপকে জিম্বাবোয়েকে ৭২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া (India vs Zimbabwe)। ভারতের সামনে সেমিফাইনালে ওঠার একটাই রাস্তা। কলকাতায় ম্যাচ জিততে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। পয়েন্টের বিচারেই উঠে যাবে শেষ চারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জিতে প্রথম দল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহস্পতিবার দুপুরেই নিজেদের জায়গা পাকা করেছে। ভারতের সামনে এবার সুযোগ। তবে, বৃষ্টি হলে বা কোনও কারণে ম্যাচ ভেস্তে গেলে নেট রান রেটের বিচারে ওয়াংখেড়েতে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    সেমির পথে সূর্যরা, কারা প্রতিপক্ষ

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার ৮-এর প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে হারের ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৭৬ রানের এই পরাজয় তাদের নেট রান রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছিল। অঙ্ক ছিল, টিম ইন্ডিয়াকে তাদের দুটি ম্যাচই জিততে হবে, এবং তাও বড় ব্যবধানে। গ্রুপ – ১ পয়েন্ট টেবিলে ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, ছিটকে গিয়েছে জিম্বাবোয়ে। দুটো দলই ২টো করে ম্য়াচ খেলেছে। এবার তৃতীয় ম্য়াচটা নিজেদের মধ্যেই খেলতে হবে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারণ করতে কোনও সমস্যা হবে না। গ্রুপের বাকি ২ দল অর্থাৎ ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজও ২টো ম্য়াচ খেলেছে। তৃতীয় ম্য়াচে এই ২ দলকে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। আপাতত দুটো দলের কাছেই ২-২ পয়েন্ট রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে জিততে চাইবে। যে দলই জিতুক না কেন, ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে। কিন্তু এই ম্যাচ কোনও কারণে ভেস্তে গেলে রান রেট ভালো থাকায় সেমিফাইনালে চলে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেমিফাইনালে পৌঁছলে মুম্বই-এর ওয়াংখেড়েতে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। কারণ, নিয়ম অনুসারে গ্রুপ-এ-র শীর্ষে থাকা দল খেলবে গ্রুপ ২-এর দুই নম্বরে থাকা দল। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এক নম্বর ধরে রাখার সম্ভাবনা দক্ষিণ আফ্রিকার। সেক্ষেত্রে গ্রুপ-২-এর দুই নম্বরে থাকা দলের মুখোমুখি হবে তারা।

    ইডেনের লড়াই নিয়ে কী ভাবছেন সূর্য

    রবিবার, ১ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে টিম ইন্ডিয়া। তাও আবার ইডেন গার্ডেন্সে। সেই ম্যাচ নিয়ে ইতিমধ্যেই কথাবার্তা, আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। টিম ইন্ডিয়া অধিনায়ক সূর্যকুমার কি ইতিমধ্যেই ক্যারিবিয়ান দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন? সূর্য জানাচ্ছেন, ‘‘দেখুন আমাদের ইতিবাচক হওয়া ছাড়া তো আর কোনও বিকল্প নেই। আমরা কলকাতায় পৌঁছাই, তারপরেই সেখানে বসে ওই ম্যাচ নিয়ে ঠিকঠাকভাবে পরিকল্পনা তৈরি করব। আপাতত একদিনের ছুটি, আর সফরও করতে হবে আমাদের, সেই সঙ্গে বিশ্রামও নেওয়াটা জরুরি।’’ চিপকে খেলার শেষে সূর্যকুমার বলেন, ‘‘আমার মনে হয় আমরা সবকিছু পিছনে ফেলেই আসতে চেয়েছিলাম। লিগ পর্বে বা অমদাবাদে শেষ ম্যাচে আমরা কী করেছি, তা নিয়ে আমরা খুব বেশি ভাবিনি। আমাদের ভিডিও বিশ্লেষক সমস্ত ব্যাটার এবং বোলারদের জন্য একটি স্লাইড তৈরি করেছিলেন। সেখানে বিগত কয়েক বছর ধরে আমরা কী করেছি তা তুলে ধরেছিলেন। আমরা সেটি দেখেছি, এখান থেকে অনেক পজিটিভিটি পেয়েছি এবং স্পষ্টতা নিয়ে এখানে এসেছি। তার ফল মিলেছে।’’

    চিন্তায় ভারতীয় বোলিং

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতের ব্যাটাররা ভালো করলেও ইডেনে নামার আগে ভারতের বোলিং কিন্তু রীতিমতো চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াল। যা স্বীকারও করে নিলেন সূর্যকুমার, তিনি বলেন, ‘‘সত্যি বলতে, আমরা বলের সঙ্গে আরও কিছুটা ক্লিনিকাল হতে পারতাম। কিন্তু দিনের শেষে, জয় মানে জয়। আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এটি গ্রহণ করব। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের সঙ্গে খেলতে গেলে আমরা বেশ কিছু স্ক্রু টাইট করেই যাব। আমি জিম্বাবোয়ের ব্যাটারদের কাছ থেকে কোনও কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। আমার মনে হয় তারা সুন্দর ব্যাট করেছে। হ্যাঁ, উইকেট ভালো ছিল, পাওয়ারপ্লেতে সময় নিয়ে, তাঁরা যেভাবে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তাতে করে স্মার্টলি খেলার গতি বাড়িয়েছিল – তা চিত্তাকর্ষক ছিল। কৃতিত্ব তাঁদেরও। বোলিংয়ের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে কিছু বিকল্প নিয়ে আমরা আরও একটু বুদ্ধিমান হতে পারতাম। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সাহসী হতে হবে।’’ সূর্য বুঝিয়েই দিলেন যে তিনি ভার্চুয়াল কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে নামার আগে বোলিং নিয়ে সামান্য হলেও চিন্তিত।

    টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের সর্বোচ্চ

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এদিন রানের পাহাড় গড়ে ভারত। টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সিকন্দর রাজা। প্রথমে ফিল্ডিং করে নিতে চেয়েছিল জিম্বাবোয়ে। যাতে রাতের শিশিরের সমস্যা এড়াতে পারেন বোলাররা। তবে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবোয়ে বোলিংকে দুরমুশ করলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। বৃহস্পতিবার অভিষেক শর্মার সঙ্গে ইনিংস ওপেন করেন সঞ্জু স্যামসন। ভারতকে শুরুতেই চালকের আসনে বসিয়ে দেন দুই ওপেনার। সঞ্জু বড় রান পাননি। তবে ১৫ বলে ২৪ রান করে ইনিংসের গতিটা শুরুতেই ফিফথ গিয়ারে বেঁধে দেন। মাত্র ২২ বলে ৪৮ রান যোগ করেন দুই ওপেনার। এরপর সঞ্জু ফিরলেও অভিষেক ও ঈশান কিষাণ মিলে ধ্বংসলীলা চালান। টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার অভিষেক শর্মার টুর্নামেন্ট কাটছিল দুঃস্বপ্নের মতো। টানা তিন ম্যাচে শূন্য। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৫। অবশেষে সুপার এইটের দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দে ফিরলেন বাঁহাতি ব্যাটার। ২৬ বলে হাফসেঞ্চুরি। ৩০ বলে ৫৫ রান করলেন। ২৪ বলে ৩৮ ঈশান কিষাণের। দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ বলে ৭২ রান যোগ করলেন দুজনে। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে তাণ্ডব চালালেন তিলক বর্মা (১৬ বলে অপরাজিত ৪৪ রান), হার্দিক পান্ডিয়া (২৩ বলে অপরাজিত ৫০ রান), সূর্যকুমার যাদবরা (১৩ বলে ৩৩ রান)। ২০ ওভারের শেষে ভারতের স্কোর ২৫৬/৪। টি-২০ বিশ্বকাপে যা ভারতের রেকর্ড। ২০০৭ সালে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে ডারবানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১৮/৪ তুলেছিল ভারত।

    প্রয়াত রিঙ্কু সিং-এর পিতা

    শেষরক্ষা হল না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই প্রয়াত হলেন রিঙ্কু সিং-এর বাবা খাচান্দ্র সিং। ভারতীয় শিবির থেকে ছুটি নিয়ে গত মঙ্গলবার হাসপাতাল ভর্তি বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। পর দিনই ফিরে আসেন। গ্রেটার নয়ডার হাসপাতালে রিঙ্কুর বাবা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। গত কয়েক দিনে তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসকরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। খাচান্দ্র মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর সাপোর্ট ও ‘কন্টিনিউয়াস রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি’-তে ছিলেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চেন্নাইয়ের জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে রিঙ্কু হঠাৎ শিবির ছেড়ে চলে যান। বাবাকে দেখে রিঙ্কু দ্রুত চেন্নাই ফিরে আসেন। যদিও বৃহস্পতিবারের ম‍্যাচে তিনি প্রথম একাদশে ছিলেন না। শুধু পরিবর্ত হিসেবে ফিল্ডিং করেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলিতে রিঙ্কুকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।

  • T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (2026 ICC Men’s T20 World Cup) বৃহস্পতিবার সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচ (India vs Zimbabwe) খেলতে নামছে ভারত। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার ৮-এর প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে হারের ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৭৬ রানের এই পরাজয় তাদের নেট রান রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে। এখন, টিম ইন্ডিয়াকে তাদের দুটি ম্যাচই জিততে হবে, এবং তাও বড় ব্যবধানে।

    সেমিফাইনালের সম্ভাবনা

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের সঙ্গে সঙ্গে, টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেটেরও উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে, যার ফলে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে গিয়েছে। তবে, ভারতের জন্য প্রত্যাবর্তন সম্ভব। এর জন্য, তাদের বাকি দুটি ম্যাচে সেমিফাইনালের হিসেব-নিকেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। টিম ইন্ডিয়া যদি বাকি সুপার ৮ ম্যাচগুলিতে বড় জয় অর্জন করে, তাহলে সেমিফাইনালের দৌড়ে থাকার সুযোগ তাদের রয়েছে। ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে এবং ১৯০ রানের বেশি করে, তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে অলআউট করতে হবে এবং ৬০ রানের বেশি রানে জিততে হবে। তবে, ৮০ বা তার বেশি রানের জয়ই সেরা বলে বিবেচিত হবে। ভারত যদি লক্ষ্য তাড়া করে, অর্থাৎ পরে ব্যাট করে তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং ১০ থেকে ১২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

    দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং

    বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগেই ভারতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং। তবে তিনি এই ম্যাচে খেলবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট হয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক (Sitanshu Kotak) জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধেতেই ফের দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু। তিনি বৃহস্পতিবার চিপকে (Chepauk) থাকবেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে, তাহলে তিনি খেলবেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ভারতীয় দল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন রিঙ্কু। তাঁর বাবা খানচাঁদ সিং (Khanchand Singh) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে টিম ম্যানেজমেন্ট রিঙ্কুকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়। বাড়ির পরিস্থিতি সামলে চেন্নাইয়ে ফিরছেন রিঙ্কু।

    চিপকে চাপে ভারত

    সোমবার মুম্বইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে এমনিতেই চাপে ছিল ভারত। তার উপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বিশাল জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেটের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ভারতের পরবর্তী ম্যাচ বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। একই দিনে অন্য ম্যাচে আমেদাবাদে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ম্যাচের ফলাফলের উপর অনেকটাই নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য। তবে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিতে চাইবেন গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেক্ষেত্রে সবকিছু ভুলে রানে ফিরতে হবে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষাণদের। ভারতের ব্যাটিং তেজই চিপকে ফের সূর্যোদয় ঘটাতে পারে টিম ইন্ডিয়ার।

LinkedIn
Share