Tag: India

India

  • Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির যেখানে হাঁড়ির হাল, সেখানে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছ ভারত (Indian Economy)। বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। দেশ যে অচিরেই জাপানকে সরিয়ে চতুর্থ স্থান দখল করবে, সে বিষয়ে আশাবাদী অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশ।

    কী বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট (Indian Economy)

    এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়ে দিল ভারতের অর্থনীতি এবং ফাইনানসিয়াল সিস্টেম দাঁড়িয়ে রয়েছে মজবুত ভিতের ওপর। ভারতের এই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ২৭ জুন প্রকাশ করে ২৯তম ফাইনানসিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট (Indian Economy)। সেখানেই জানা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতির ভিত্তি যথেষ্ঠ মজবুত। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই রিপোর্টেই প্রকাশ, ভারতের তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, বাড়ছে লভ্যাংশ। এর পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণভাবে হ্রাস পেয়েছে নন পারফর্মিং অ্যাসেটসের পরিমাণ।

    ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও এবং নেট নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও একধাক্কায় কমে গিয়েছে অনেকখানি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হ্রাসের পরিমাণ যথাক্রমে ২.৮ এবং ০.৬ শতাংশ। যার জেরে মজবুত হয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, ক্যাপিটেল টু রিস্ক-ওয়েট অ্যাসেটস রেসিও এবং কমন ইক্যুয়ালিটি টায়ার ওয়ান রেসিও দাঁড়িয়ে রয়েছে যথাক্রমে ১৬.৮ শতাংশ এবং ১৩.৯ শতাংশে।

    আর পড়ুন: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    নন-ব্যাঙ্কিং ফাইনানসিয়াল কোম্পানিগুলির পারফরম্যান্সও চোখ ধাঁধানো। এদের ক্যাপিটেল টু রিস্ক ওয়েড অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ২৬.৬ শতাংশে, গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশে। মার্চের শেষে রিটার্ন অন অ্যাসেটসের পরিমাণ হয়েছে ৩.৩ শতাংশ। এই সব পরিসংখ্যানই জানিয়ে দেয় ভারতীয় অর্থনীতির মজবুত ভিতের কথা।

    ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের চতুর্থ বা শেষ ত্রৈমাসিকে এই প্রথমবার ভারতের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে ৫.৭ বিলিয়ন ডলার, যেটাকে অন্যভাবেও বলা যায় যে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে জিডিপির ০.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধি পূর্বতন ত্রৈমাসিকের তুলনায় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সেইসময়ে (Indian Economy) কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সে ডেফিসিট ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Geneva: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    Geneva: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছর আগে নিখোঁজ হওয়া প্রিয়া কুমারীর (priya kumari) উদ্ধারের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের (UNHRC) কাছে সহায়তা চাইল সিন্ধি ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার জেনেভা (Geneva) থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিন্ধি ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুফি মুনাওয়ার লাঘারি এই ঘোষণা করেন। 

    কে এই প্রিয়া কুমারী? (priya kumari)

    পাকিস্তানে বসবাসকারী এক হিন্দু মেয়ে প্রিয়া কুমারী (priya kumari), যার বয়স মাত্র ৬ বছর, বিগত ৩ বছর ধরে নিখোঁজ সে। পাকিস্তানের সুক্কুর সিন্ধুর কাছে সাংঘারায় নিজের বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় প্রিয়া। এই ঘটনায় তাঁর বাবা এক মুসলিম ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ এনেছেন। জানা গিয়েছে, প্রিয়াকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ৩ বছর আগে, ১৯ আগস্ট মহরমের দিন। প্রিয়া তাঁর বাবার সঙ্গেই বাড়িতে বসে ছিল, তাঁর বাবা জল আনতে ঘরের ভিতরে যান। বাইরে এসে দেখেন, মেয়ে নেই। এবার সেই নিখোঁজ প্রিয়ার খোঁজেই জাতিসংঘের কাছে আবেদন করল সিন্ধি ফাউন্ডেশন। 

    স্বাধীন তদন্ত শুরুর অনুরোধ 

    এ প্রসঙ্গে মুনাওয়ার লাঘারি জানান, নিখোঁজ হওয়া নাবালিকা মেয়েটি (priya kumari) পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দ্বারা সমর্থিত সিন্ধুর শক্তিশালী শাহদের অবৈধ হেফাজতে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু প্রিয়া নয়, বিগত দেড় বছর ধরে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে নিখোঁজ রয়েছে আরও বেশ কয়েকজন মহিলা। যা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট উদ্বেগের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিষয়টির ওপর একটি আন্তর্জাতিক স্বাধীন তদন্ত শুরু করার জন্য অবিলম্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের হস্তক্ষেপের অনুরোধ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বৈদেশিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিল ভারত

    যুবতী মহিলাদের অপহরণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি 

    মুনাওয়ার লাগারি জানান যে সিন্ধি ফাউন্ডেশন 8ই জুলাই প্রিয়া কুমারী এবং অন্যান্য সিন্ধি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং যুবতী মহিলাদের অপহরণ এবং সেইসাথে তাদের জোর করে ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করার পরিকল্পনা করছে৷ জেনেভায় (Geneva) ইউএনএইচআরসি ভবনের সামনে ব্রোকেন চেয়ার ভাস্কর্যের চারপাশে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে তিনি ইউএনএইচআরসির কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করবেন, যেখানে সিন্ধুতে সিন্ধিদের বিরুদ্ধে সংগঠিত নৃশংসতা সম্পর্কে অবহিত করবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: বৈদেশিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিল ভারত

    India: বৈদেশিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যে এবার নতুন সিদ্ধান্ত নিল ভারত। জানা গিয়েছে সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে এবার থেকে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের (Training of Foreign Military) ব্যবস্থা করছে ভারত (India)। নৌযান হোক কিংবা পদাতিক দক্ষতা। অস্ত্র চালোনা থেকে ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন কিংবা সুপারসনিক ফাইটার জেটের মত দায়িত্বগুলি পরিচালনা করার জন্যই মূলত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। 

    কীভাবে হবে প্রশিক্ষণ? (Training of Foreign Military) 

    উদাহরণ স্বরূপ বলা জেতে পারে যে, ঠিক যেভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ওমান, কাতার এবং বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় দেশগুলিতে চলমান সামরিক আউটরিচের অংশ হিসাবে ৭৬ জন সৌদি ক্যাডেট এখন কোচিতে সাউদার্ন নেভাল কমান্ডে (SNC) সমুদ্র প্রশিক্ষণ (Training of Foreign Military) শুরু করেছে, ঠিক সেভাবেই প্রশিক্ষণ দেবে ভারত (India)। জানা গিয়েছে, রয়্যাল সৌদি নেভাল ফোর্সেস (RSNF) এর কিং ফাহাদ নেভাল একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা চার সপ্তাহের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রথম প্রশিক্ষণ স্কোয়াড্রনে যোগ দিয়েছে।  
    এ প্রসঙ্গে এক কর্মকর্তা বলেছেন, “পাঠ্যক্রমের একেবারে ভীত সীম্যানশিপ ক্রিয়াকলাপ থেকে শুরু করে হারবার পর্বের সিমুলেটর-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ পর্যন্ত সবই শেখানো হবে।” গত বছর মে-জুন মাসে প্রথম ৫৫ জন ক্যাডেটকে প্রশিক্ষন দেওয়ার পর এটি দ্বিতীয় আরএসএনএফ ব্যাচ। 

    আরও পড়ুন: ধূলোয় উড়ত সোনা! কোলারে ফের সোনার খনি চালুর চিন্তা কেন্দ্রের

    সামরিক সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে বিশেষ সিদ্ধান্ত ভারতের 

    এ প্রসঙ্গে অন্য একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রতি বছর ১০০ টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় ৩,১০০ জন বিদেশী কর্মীকে প্রশিক্ষণ (Training of Foreign Military) দেয়, যার মধ্যে আফ্রিকান দেশগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি মিজোরামের প্রতিষ্ঠানগুলিকেও বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে ভারত। আসলে এধরনের প্রশিক্ষণগুলি প্রদানের মাধ্যমেই ভারত (India) এশিয়ান দেশগুলির সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক গভীরতর করে চলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mizoram: মাদকবিরোধী দিবসে ১৫৪ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল মিজোরাম পুলিশ! গ্রেফতার ২৬৫

    Mizoram: মাদকবিরোধী দিবসে ১৫৪ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল মিজোরাম পুলিশ! গ্রেফতার ২৬৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ২৬ জুন সারা বিশ্বে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস। আর এই মাদকবিরোধী দিবসেই ১৫৪ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস (Drugs Destroy) করল মিজোরাম (Mizoram) পুলিশ। জানা গিয়েছে, পুড়িয়ে ফেলা ওই মাদকদ্রব্য গুলির মধ্যে ছিল প্রায় ১৩ কেজি হেরোইন, ১০৮ কেজি গাঁজা, ৭৭ কেজি মেথামফেটামিন ট্যাবলেট, ১০০ বোতল কাশির সিরাপ, আলপ্রাজোলাম ও আফিম।  

    চলতি বছরেই বাজেয়াপ্ত ৬৭ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য 

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বিশাল পরিমান মাদকদ্রব্য (Drugs Destroy) উদ্ধার করা হয়েছে গত দুই বছর ধরে। বিশেষত প্রতিবেশী দেশ মায়ানমার থেকে চোরাচালান করার সময়েই এই মাদকদ্রব্য গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মিজোরাম পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরে প্রায় ৬৭ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং একইসঙ্গে এই মাদকচক্রের সঙ্গে যুক্ত ২৬৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।  

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু সচেতনতামূলক প্রচার

    এরপর ১৯৮৫ সালের মাদকদ্রব্য (Drugs Destroy) ও সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (NDPS) আইনের অধীনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ১৯৫ টি মামলা নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিজোরাম পুলিশকে মাদকের বিরুদ্ধে এধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে  মিজোরামের ১১ টি জেলা জুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং এর পাশাপাশি স্কুল ও বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাক্ষর অভিযানও চালানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দিল্লির রিজ এলাকায় গাছ কাটা নিয়ে ডিডিএ-কে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    উল্লেখ্য, উত্তর-পূর্বের মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা মিজোরাম (Mizoram) ও মণিপুরের মতো রাজ্যগুলিতে ব্যপক মাদক পাচার বরাবরই সরকারের কাছে উদবেগের বিষয়। মণিপুরে জাতি সংঘর্ষের সুযোগ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘটনা আরও বেড়ে উঠেছে। তাই এবার এই রাজ্যগুলিতে মাদকের চোরা কারবার বন্ধ করতে কড়া হাতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। মিজোরাম রাজ্যের একদিকে বাংলাদেশ ও অন্যদিকে মায়ানমার সীমান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে সক্রিয় আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্র চলত। এবার সেখানেই মাদকদ্রব্য পুড়িয়ে নজির গড়ল মিজোরাম পুলিশ। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: দিল্লির রিজ এলাকায় গাছ কাটা নিয়ে ডিডিএ-কে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: দিল্লির রিজ এলাকায় গাছ কাটা নিয়ে ডিডিএ-কে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির দেখা নেই। ক্রমশ বাড়ছে রাজধানীর তাপমাত্রা। তাপপ্রবাহের জেরে মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে দিল্লিতে (Delhi)। তার সঙ্গে রয়েছে তীব্র জল সঙ্কট। উষ্ণায়ন ঠেকাতে গাছ লাগানোর দাবি উঠছে নাগরিকদের বিভিন্ন অংশ থেকে। কিন্তু এরই মধ্যে দিল্লির রিজ ফরেস্ট এলাকায় কেটে ফেলা হয়েছে ১১০০ গাছ। এমন বিপুল সংখ্যায় বৃক্ষনিধনে এবার কড়া ব্যবস্থা নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    উপরাজ্যপালকে তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)

    সোমবার এ সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি এএস ওকা এবং উজ্জ্বল ভুইঞাঁর বেঞ্চে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়েছে দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (DDA)। বেঞ্চ বলেছে, ‘‘ডিডিএ’র চেয়ারম্যান দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা। তিনি কী ডিডিএ’র আধিকারিকদের এই নির্দেশ দিয়েছিলেন?’’ দিল্লিতে (Delhi) বিশেষ এলাকা রয়েছে যেখানে গাছগাছালিই কেবল থাকার কথা। এই গাছ কেটে নেওয়ার বিভিন্ন ঘটনায় প্রতিবাদ ওঠায় সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশিকা জারি করেছিল। এখন নিয়ম হলো সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যাবে না।  
    অথচ বিপুল সংখ্যায় গাছ কাটা হয়েছে যে এলাকায় সেখানে নিজে গিয়েছিলেন সাক্সেনা। জান গিয়েছে তিনি ঘুরে আসার পরই কাটা হয় একের পর এক গাছ। এ প্রসঙ্গ তুলেই এদিন বিচারপতি ওকা ডিডিএ’র আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, ‘‘দুটি নথিতে স্পষ্ট যে উপরাজ্যপালই গাছ কাটার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আপনারা কী তাঁকে আড়াল করতে চাইছেন?’’ আসলে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হওয়ায় উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনার ক্ষমতা প্রবল। 

    আদালত অবমাননার অভিযোগে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের  

    আদালত ডিডিএ’র ভাইস চেয়ারম্যানকে বলেছে, ‘‘উপরাজ্যপাল ওই এলাকায় গিয়ে কী নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তার কোনও সরকারি নথি আছে কি? ভাইস চেয়ারম্যানের স্পষ্ট বক্তব্য দরকার।’’ বেঞ্চ আরও বলেছে, ‘‘ভাইস চেয়ারম্যানের তরফে যে হলফনামা দাখিল করা হয়েছে তা দেখে মনে হচ্ছে যেন কয়েকজন আধিকারিক ঠিক করেছেন গাছ কাটা উচিত। তাঁরাই ঠিকাদারদের নির্দেশ দিয়েছেন।’’ এই আধিকারিকদের নামেই যদিও আদালত অবমাননার অভিযোগে নোটিশ পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। 

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আইআইটি ক্যাম্পাস, স্বপ্নের উড়ান কৃষক পরিবারের সন্তান ইয়েশুর

    বৃক্ষরোপণ অভিযানের নির্দেশ 

    সেই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ, বৃক্ষরোপণ অভিযান চালু করতে হবে ডিডিএ-কে। দিল্লিতে (Delhi) তাপপ্রবাহে সাতদিনের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। আর একইসঙ্গে তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তীব্র জলকষ্টে ভুগছে দিল্লি। বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের রাজধানী শহরে। আর এরই মধ্যে এবার বিপুল সংখ্যায় বৃক্ষনিধনে কড়া ব্যবস্থা নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kenya tax hike protests: মূল্যবৃদ্ধির জেরে অগ্নিগর্ভ কেনিয়া! ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস

    Kenya tax hike protests: মূল্যবৃদ্ধির জেরে অগ্নিগর্ভ কেনিয়া! ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বের জেরে জেরবার দেশবাসীর উপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানোর প্রতিবাদে এবার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল কেনিয়ায় (Kenya tax hike protests)। সরকারের প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে দিকে দিকে বিক্ষোভ ও হিংসার ঘটনা ঘটছে সেদেশে৷ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আর এই পরিস্থিতির মাঝেই কেনিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা (Advisory for Indian Citizens) জারি করল দূতাবাস৷ খুব প্রয়োজন ছাড়া নাগরিকদের বাইরে না-বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে৷  

    আগুন জ্বলল সংসদের একাংশে (Kenya tax hike protests)

    আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকারত্ব। সম্প্রতি সেদেশে রুটির উপর ১৬ শতাংশ ও মোটর গাড়ির উপর ২.৫ শতাংশ কর আরোপ করেছে সরকার। প্রধান খাদ্য রুটির এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন প্রচুর মানুষ। কিন্তু মঙ্গলবার কার্যত বিস্ফোরণ ঘটে। জ্বলে ওঠে আফ্রিকার দেশ কেনিয়া। রণক্ষেত্রের (Kenya tax hike protests) চেহারা নেয় কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি। জানা গিয়েছে বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল দেশের সংসদে ঢুকে, আগুন ধরিয়ে দেন সংসদের একাংশে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভকারীদের আটকাতে জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। কিন্তু তাতেও বিক্ষোভকারীদের আটাকাতে পারেনি। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিক্ষোভকারী পাঁচ জনের মৃত্যু ঘটে। পাশাপাশি আহতও হয়েছেন অনেকে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জানা গিয়েছে পুলিশের গুলি চালানোর পর পার্লামেন্ট থেকে বিক্ষোভকারীরা বেরিয়ে গেলেও রাস্তায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। 
    অন্যদিকে নাইরোবিতে বিক্ষোভকারীদের উপর কাঁদানে গ্যাসের গোলা ছোঁড়ার সময় আহত হয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সৎ বোন আউমা ওবামাও। তিনি জানান, কাঁদানে গ্যাসের গোলার আঘাত লাগার পর থেকে উনি চোখ খুলতে পারছেন না। তিনি জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে শুধুমাত্র পতাকা ও ব্যানর হাতে প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়েছিল। সেই মিছিলে তিনিও সামিল হন। কিন্তু আচমকাই সেই মিছিলের উপর কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া হয়। 

    ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস (Advisory for Indian Citizens) 

    এমত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে (Kenya tax hike protests) কেনিয়ায় ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে, “বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কেনিয়ার সমস্ত ভারতীয়কে সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলা হচ্ছে৷ খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না-বেরনো এবং পরিস্থিতির উন্নতি না-হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ ও হিংসা কবলিত এলাকাগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷” পাশাপাশি নিজের এলাকার পরিস্থিতি জানতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম, ওয়েবসাইটে ও সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে।

    আরও পড়ুন: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    মূল্যবৃদ্ধির কারন 

    করোনার পর থেকেই কেনিয়ার অর্থনীতি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও ইউক্রেন যুদ্ধ, টানা দুবছর খরা, মুদ্রার দাম পড়ে যাওয়া— এ রকম নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশের অর্থনীতি। আর তার প্রভাব যেমন পড়েছে দেশের রাজকোষে, তেমনই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও। বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে হুহু করে। তার উপর মে মাসেই দেশে অতিবৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মারা যান অনেকেই। এ রকম অবস্থায় সরকারের কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত দেশের মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে জল্পনা সত্যি করে এবারের লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত হলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মঙ্গলবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে একথা জানালেন সি বেণুগোপাল। এদিন নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৯ সালে পরপর দুবার লোকসভা ভোটে ন্যূনতম ১০ শতাংশ আসনও কংগ্রেসের অধরা ছিল। ফলে লোকসভার বিরোধী দলের মর্যাদা পায়নি কংগ্রেস। তবে এবারের ছবিটা উল্টো। 

    লোকসভায় একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ কংগ্রেসের 

    ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেস একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। ইন্ডি জোটে যে সব দল রয়েছে তাদের মধ্যে কংগ্রেসই সর্বাধিক আসনে জিতেছে। স্বাভাবিকভাবেই বিরোধী শিবিরে এবার তাদের জোরও বেশি হওয়ার কথা, এমনই বলছে রাজনৈতিক মহল। তাছাড়া লোকসভা বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক দলের ৫৫টির বেশি আসনে জয়লাভের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে রাহুলের (Rahul Gandhi) লোকসভা বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) পদে নিয়োগ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে কারণ হচ্ছে। কারণ, বুধবার লোকসভার স্পিকার পদে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই স্পিকার পদ নিতে বিস্তর প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গেছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের।  

    আরও পড়ুন: স্পিকার পদে ভোটাভুটি আজ, জয় নিশ্চিত বিড়লার, অতীতে তিনবার এই পদে নির্বাচন হয়েছে

    ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে রাহুল গান্ধীকেই (Rahul Gandhi) বিরোধী দলনেতার করার দাবি তুলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। এমনকী, এই মর্মে প্রস্তাবও পাস করা হয় দলের বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকে। এ প্রসঙ্গে বেনুগোপাল বলেছেন, “সিপিপি চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে একটি চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” এরপরে এদিন অধিবেশনের শেষদিকে রাহুলের নাম বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব। জানা গিয়েছে ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই রাহুলকে বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  
    প্রসঙ্গত, এবছর কেরলের ওয়ানাড থেকে ফের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। আবার সোনিয়া গান্ধীর ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলিতেও রেকর্ড  ৪ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার সদস্য দীনেশ প্রতাপ সিংকেও। পরে অবশ্য নিয়মাফিক ওয়ানাড কেন্দ্রটি ছেড়ে দিতে হয় তাঁকে। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনী কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India first Solar Festival: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যয় কমাতে এ বছরেই দেশে অনুষ্ঠিত হবে সৌর উৎসব!

    India first Solar Festival: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যয় কমাতে এ বছরেই দেশে অনুষ্ঠিত হবে সৌর উৎসব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম ভারতের মাটিতে পালন করা হবে সোলার ফেস্টিভ্যাল (India first Solar Festival)। সোমবার ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স নয়াদিল্লিতে (New Delhi) ঘোষণা করে জানিয়েছে যে, ভারত এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম আন্তর্জাতিক সৌর উৎসবের আয়োজন করতে চলেছে। মূলত সারা পৃথিবী ব্যাপী চাহিদা মেটাতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি সেক্টরকে উন্নত করার লক্ষ্যে নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক এই সৌর উৎসব শুরু হবে।   

    বিভিন্ন রাজ্যে সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের প্রস্তাবনা (India first Solar Festival)

    ইতিমধ্যেই ভারত সরকার বেশ কয়েকটি রাজ্যে সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের জন্য বিশাল ভর্তুকিও অফার করছে। জানা গিয়েছে এই সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের পর প্রতিটি পরিবার তাদের গড় বিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারবে। দিল্লির (New Delhi) এই সৌর উৎসবে আফ্রিকা মহাদেশ ও পশ্চিমের দেশগুলি সহ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি আর্থিক সহায়তা দেবে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির  

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এ প্রসঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্সের ডিরেক্টর জেনারেল ড: অজয় ​​মাথুর বলেছেন যে, “বিশ্বব্যাপী সবুজ শক্তি সেক্টরের ক্ষমতায়নের সমস্ত সম্ভাবনা অন্বেষণ করার জন্য সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে এক প্ল্যাটফর্মে (India first Solar Festival) একত্রিত করার লক্ষ্যে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। কারণ সৌর বিদ্যুৎ হল দ্রুততম উদীয়মান শক্তিগুলির মধ্যে একটি। ফলে আন্তর্জাতিক সৌর উৎসবের এই অনুষ্ঠানে এলে সকলেরই এই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ তৈরি হবে।  
    জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর বিরূপ প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান। ফলে ভারতের পাশাপাশি জি২০ (G20)-এর মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলি বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানীর (fossil fuels) উপর নির্ভরতা কমাতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে স্যুইচ করার কথা ভাবছে। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indias Overseas Port Operations: চাবাহার-সিটওয়ের পর এবার ভারতের লক্ষ্য বাংলাদেশের মংলা বন্দর, কেন জানেন?

    Indias Overseas Port Operations: চাবাহার-সিটওয়ের পর এবার ভারতের লক্ষ্য বাংলাদেশের মংলা বন্দর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বন্দর দখল যুদ্ধে’ চিনকে টেক্কা দিতে চাইছে ভারত! ইতিমধ্যেই ইরানের চাবাহার বন্দর এবং মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের অপারেশনাল অধিকার পেয়েছে ভারত (Indias Overseas Port Operations)। এবার নয়াদিল্লির লক্ষ্য বাংলাদেশের মংলা বন্দর পরিচালনার রাশ হাতে নেওয়া। কৌশলগতভাবে অবস্থিত এই বন্দরের রাশ নিতে দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার। এই বন্দরেরই রাশ হাতে নিতে কোমর কষে নামছে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    মংলা বন্দরের গুরুত্ব (Indias Overseas Port Operations)

    বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মংলা ও প্রসুর নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত মংলা বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। ২০১৬ সালে শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় চিন ও বাংলাদেশ যে ২৭টি প্রকল্পে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল এই মংলা বন্দরের(Indias Overseas Port Operations) উন্নয়ন পরিকল্পনাও। বাংলাদেশের এই মংলা বন্দর সে দেশের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বন্দর। যদিও এর ট্রাফিক ও কার্গো হ্যান্ডেলিং ক্ষমতা এখনও চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় ঢের কম। তা সত্ত্বেও বন্দরটির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। কারণ বন্দরটিকে আন্তর্জাতিক শিপিং হাব হিসেবে গড়ে তোলার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই বর্তমানে বেজিং এবং নয়াদিল্লির শ্যেন দৃষ্টি এই বন্দরের ওপর।

    ভারতের লাভ

    মংলা বন্দরের রাশ ভারতের হাতে এলে প্রভূত উপকার হবে দুই দেশের। কারণ বন্দরটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে হবে সহায়ক। বন্দরটির সুবিধাজনক অবস্থানও ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরটি কলকাতা বন্দরের কাছে অবস্থিত। জল-বাণিজ্যের জন্য এটি হবে একটি বিকল্প সমুদ্র পথ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেনাপোল ও পেট্রাপোলের অভ্যন্তরীণ কন্টেনার ডিপোয় যানজট এড়াতেও এই বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। কলকাতা ও মংলা বন্দরের মধ্যে জলপথে যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে থাকা উপকূলীয় শিপিং চুক্তি থেকেও সর্বাধিক সুবিধা পেতে সাহায্য করবে ভারতকে।

    আর পড়ুন: এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ!

    এখানেই শেষ নয়, মংলা বন্দরটিকে ভারত তার স্থলবেষ্টিত উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে উন্নত বাণিজ্য ও যোগাযোগের জন্য সমুদ্রে প্রবেশাধিকার দিতে ব্যবহার করতে পারে। এতে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যের যোগাযোগ হবে অনায়াস। তখন সহজেই এড়ানো যাবে ‘চিকেনস নেক’ নামে খ্যাত শিলিগুড়ি করিডরকে (Indias Overseas Port Operations)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Highway Network: ২২ লক্ষ কোটি টাকার পরিকল্পনা! আরও ৩০ হাজার কিমি বাড়বে দেশের হাইওয়ে

    India Highway Network: ২২ লক্ষ কোটি টাকার পরিকল্পনা! আরও ৩০ হাজার কিমি বাড়বে দেশের হাইওয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রসারিত হবে ভারতের হাইওয়ে (India Highway Network)। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক প্রায় ৩০,৬০০ কিলোমিটার জুড়ে একটি বিস্তৃত মহাসড়ক উন্নয়ন (Expand Highways) পরিকল্পনায় ২২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন চেয়েছে। তবে এই বিনিয়োগের প্রায় ৩৫ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে অনুমতি মিললে ২০৩১-৩২ সালের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের রুপ নেবে। ভারতের সড়ক নেটওয়ার্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করার লক্ষ্যেই এই চিন্তা ভাবনা করেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক। 

    কী কী রয়েছে এই প্রস্তাবনায়? (India Highway Network)

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের এই প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ১৮,০০০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে এবং উচ্চ-গতির করিডোর নির্মাণ। এছাড়াও শহরগুলির চারপাশে ৪,০০০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়কের যানজট দূর করার জন্য আন্তর্জাতিক রাস্তার উন্নয়ন। 
    মহাসড়ক উন্নয়নের এই মহাপরিকল্পনা মূলত দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রসঙ্গে রোড ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারি অনুরাগ জৈনের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক চলাকালীন, আধিকারিকরা ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে ফেজ-১ এর অধীনে সমস্ত প্রকল্পের টেন্ডার এবং ২০৩১-৩২ সালের মধ্যে বাকি প্রকল্প সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে চূড়ান্ত রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এই প্রকল্প (Expand Highways) বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ বাজেট বার্ষিক ১০ শতাংশ বৃদ্ধির অনুরোধ করেছে মহাসড়ক মন্ত্রক। তবে অন্তর্বর্তী বাজেটে, সরকার মন্ত্রণালয়ে ২৭৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, যা আগের আর্থিক বছরের তুলনায় ২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।  

    ধাপে ধাপে এগোবে প্রকল্পের কাজ 

    প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হলে তবেই দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য আর্থিক প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত ২৮,৪০০ কিলোমিটার বিকাশ করার পরিকল্পনা (India Highway Network)রয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী আশা করা হচ্ছে যে, ফেজ ২-এর অধীনের প্রকল্প গুলি ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে শুরু হয়ে, ২০৩৬-৩৭ সালের মধ্যে নির্মাণ শেষ হবে৷ এই পরিকল্পনাটি (Expand Highways) ভারতের যেকোনো অংশ থেকে ১০০-১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে উচ্চ-গতির করিডোর নির্মাণে প্রাধান্য দেবে। 

    আরও পড়ুন: পরনে লাল বেনারসী, সিঁথিতে সিঁদুর, হাতে লাল আলতা! রিসেপশনে সাবেক সাজে সোনাক্ষী

    উচ্চ-গতির করিডোর চালুর পরিকল্পনা 

    বর্তমানে, দেশে মাত্র ৩,৯০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির করিডোর (India Highway Network) চালু রয়েছে। তবে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশের পরিবহণের চাহিদাগুলি কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার জন্য এখনও প্রায় ৫০,০০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির করিডোর প্রয়োজন। যদিও অনুমান করা হচ্ছে ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে প্রায় ১১,০০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির করিডোর বৃদ্ধি পাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share