Tag: India

India

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা (India Hindu Population) দ্রুত কমছে। আর যারা সংখ্যালঘু তাদের বংশলতিকা বাড়ছে বর্ষার লবঙ্গলতিকার মতো। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার এই ছবি। প্রধানমন্ত্রীর ইকনোমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের (EAC-PM Study) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ। অথচ এই সময়সীমায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যাগুরু (পড়ুন মুসলমান) জনসংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    বেড়েছে সংখ্যালঘু (India Hindu Population) 

    কেবল প্রতিবেশী দেশগুলিতে নয়, ভারতেও যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানেও সংখ্যালঘু মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বাড়ছে। আর উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে জৈন ও পার্শিদের সংখ্যা। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই পঁয়ষট্টি বছরে (India Hindu Population) ভারতে মুসলমান জনসংখ্যার হার বেড়েছে ৪৩.১৫ শতাংশ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা বেড়েছে শিখ এবং বৌদ্ধদেরও। শিখদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৬.৫৮ শতাংশ। বৌদ্ধদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সামান্য।

    কমেছে হিন্দুর হার

    সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তার চেয়ে তুলনায় ঢের কমছে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা (India Hindu Population)। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

    এগিয়ে বাংলাদেশ

    সংখ্যাগুরু হওয়া সত্ত্বেও ভারতে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে তরতরিয়ে। সব চেয়ে বেশি বেড়েছে বাংলাদেশে। এদেশে মুসলমান বেড়েছে ১৮.৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান। সেখানে বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এই তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। সেখানে বেড়েছে মাত্রই ০.২৯ শতাংশ। গবেষণাপত্রটির লেখক শমিকা রবি, আব্রাহাম জোশ এবং অপূর্বকুমার মিশ্র। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানে হানিফ মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এদেশে সামগ্রিকভাবে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরেও পাকিস্তানে অব্যাহত মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার। সেখানে জনসংখ্যার হার কমেছে ব্যাপকভাবে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই সময়সীমায় সে দেশে থেরাভাদা বৌদ্ধদের সংখ্যা কমে গিয়েছে ১০ শতাংশ। এদেশে এরাই সংখ্যাগুরু (India Hindu Population)। গবেষণায় জানা গিয়েছে, ভারত এবং মায়ানমারের পরে নেপালে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জনসংখ্যা কমেছে ৩.৬ শতাংশ।

    পিছিয়ে মলদ্বীপও

    ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। এখানেও মুসলমানেরাই সংখ্যাগুরু। তবে এঁরা সফি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমান। কমেছে এঁদের হারও। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১.৪৭ শতাংশ। ভারতের আরও দুই প্রতিবেশী দেশে বৌদ্ধরা সংখ্যাগুরু। এই দুই দেশের একটি হল ভুটান, অন্যটি শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের মে মাসে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভুটানে বৌদ্ধ জনসংখ্যার হার বেড়েছে ১৭.৬ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫.২৫ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার শেয়ারের পরিবর্তন থেকে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের স্টেটাস কী, তা বোঝা যায়।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    বিশ্বেও হ্রাস পাচ্ছে সংখ্যাগুরুরা

    ওই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, কেবল ভারতেই (India Hindu Population) নয়, গোটা বিশ্বেই কমছে সংখ্যাগুরুদের বৃদ্ধির হার। চিন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এই দেশগুলিতে ভারতের চেয়ে বেশি বেড়েছেন সংখ্যালঘুরা। বিশ্বের যে ১৬৭টি দেশে ধর্মীয় জনগণনা করা হয়েছিল, সেখানে গড়ে জনসংখ্যা কমেছে ২২ শতাংশ (১৯৫০-২০১৫ এই সময় সীমায়)। লাইবেরিয়ায় কমেছে ৯৯ শতাংশ। আর নাবিমিয়ায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ১২৩টি দেশে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ

    কী কারণে ভারতে বাড়ছে সংখ্যালঘুরা? গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা যে নিরাপদেই রয়েছেন, এটা তার একটা বড় প্রমাণ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংখ্যাগুরুদের জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রমাণ করে দেশের নীতি রয়েছে সঠিক পথে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও রয়েছে ঠিকঠাক। তার জেরেই জনসংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের। ভারতের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বাতাবরণ রয়েছে, তাও যে সত্য, তা প্রমাণিত এ দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়বাড়ন্তে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কর্মীসঙ্কটের জেরে বিপাকে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস। একসঙ্গে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু আচমকাই ছুটি নিয়েছিলেন। ফলে কর্মীসঙ্কটের জেরে বাধ্য হয়ে ৭০টির বেশি এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস বিমান বাতিল (Flights Cancelled) করতে বাধ্য হয়েছিল বিমান সংস্থা। আর এবার কর্মীদের এমন আচরণের পাল্টা পদক্ষেপ নিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এক চিঠিতে একসঙ্গে চাকরি গেল কমপক্ষে ৩০ জন কেবিন ক্রু-র।

    ঠিক কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Air India) 

    সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিল প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু। তারা নিজেদের মোবাইলও অফ করে দেন যাতে যোগাযোগ করা না যায়। সূত্রের খবর টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটিতে চাকরির নতুন যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই এই ঘটনা (Flights Cancelled)ঘটেছে। নয়া নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল কর্মীদের মধ্যে। আর কর্মী অসন্তোষের জেরে এবার চটে লাল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। বিক্ষুব্ধ কর্মচারিদের একাংশকে বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দিল টাটা গোষ্ঠীর এই উড়ান সংস্থা। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার বিক্ষোভকারী কেবিন ক্রুদের দাবি, অসুস্থতার কারণে ছুটি চেয়েছিলেন তাঁরা। যা না মেলায় মঙ্গলবার কাজে যোগ দেননি এদের একটা বড় অংশ। 

    উড়ান সংস্থার বক্তব্য 

    অন্যদিকে বুধবার, 8 মে একগুচ্ছ বিক্ষোভকারীর হাতে টার্মিনেশন লেটার বা চাকরি থেকে বরখাস্তের চিঠি ধরিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস। চিঠিতে উড়ান সংস্থাটি বলেছে, ‘যে ভাবে একসঙ্গে কেবিন ক্রুরা অসুস্থতার রিপোর্ট করেছে, তা সন্দেহজনক। এটি পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তাঁরা সম্মিলিতভাবে কাজ থেকে বিরতি নিতে চাইছেন। যা কোনভাবেই বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’ তবে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। হঠাৎ করে একসঙ্গে এতজন কর্মীদের ছুটি নেওয়ায় বিমানবন্দররে যে অব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তার জেরেই শাস্তি স্বরূপ ৩০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে নীতি বিরুদ্ধ আচরণের জন্য আরও কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    এ প্রসঙ্গে উড়ান সংস্থাটির সিইও (CEO) অলোক সিং জানিয়েছেন, “মঙ্গলবার উড়ান টেক অফের মুখে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন। যা অনৈতিক।” হঠাৎ করে এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জেরে যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা।’ কথাগুলি বলল রাশিয়ার (India Russia Relation) বিদেশমন্ত্রক। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল কমিশন। সেই প্রেক্ষিতেই এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল রাশিয়া।

    কী বলছে রাশিয়া? (India Russia Relation)

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জ্যাকারোভা বলেন, “ভারতের জাতীয় মানসিকতা এবং ইতিহাস বোঝার ক্ষমতা নেই ওয়াশিংটনের। তাই ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে না জেনেই দোষারোপ করে চলেছে তারা। লোকসভা নির্বাচনের সময় এভাবে তারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে ভারতে।” তিনি বলেন, “এটা দেশ হিসেবে ভারতের প্রতি অশ্রদ্ধার পরিণতি। এর কারণ হল ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ নির্বাচন জটিল হয়ে উঠছে। এই আবহে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর শামিল।”

    কী বলা হয়েছে মার্কিন রিপোর্টে?

    প্রতি (India Russia Relation) বছর একটি করে রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম। এই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভারতে এ নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তাও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। জাতীয় রাজনীতিতে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি যে বৈষম্য করছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। ইউএপিএ, ফরেন কনট্রিবিউশন অ্যাক্ট, সিএএ, অ্যান্টি-কনভার্সান এবং গোহত্যা আইনেরও উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনগুলির মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হচ্ছে বলেও অনুযোগ করা হয়েছে রিপোর্টে। আরও বলা হয়েছে, সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওগুলি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিয়ে রিপোর্ট করছে। তারা বলছে, এফসিআরএ রেগুলেশনের অধীনে তাঁদের (ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের) ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। মার্কিন রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতও। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই রিপোর্টকে দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার বলেও অভিহিত করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহেই বলেছিলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট পেশ করে।” তিনি বলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম যে রাজনৈতিক বিভিন্ন অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতমূলক আচরণ করে, তা সবাই জানে। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করতেই তারা এই জাতীয় রিপোর্ট প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র, বহুত্ববাদ এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ওদের রিপোর্টে কী বলা হয়েছে, তা আমরা থোড়াই কেয়ার করি (India Russia Relation)।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক ভাইরাল জ্বরের (West Nile fever) ভাইরাস কাবু করেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালার বেশ কিছু মানুষজনকে। তবে মশার কামড়ে সৃষ্ট এই রোগ পরিচিত ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া নয়। জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস থেকে সৃষ্ট এই রোগ বিশেষত দেখা গিয়েছে কেরলের কোঝিকোড়, ত্রিশূর এবং মালাপ্পুরাম এলাকায়। 

    ইতিমধ্যেই কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) একাধিক কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এই রোগে সংক্রমিত ব্যক্তিদের পরীক্ষার নমুনাগুলি পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বর্তমানে সকলেই চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার আসলে কী? (West Nile fever)

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার হল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। ভাইরাসটি সাধারণত আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য,‌ উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার পাওয়া যায়। কেরালা রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মানুষের মধ্যে একটি মারাত্মক স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ সময়ে এই রোগের কোন উপসর্গ দেখা যায় না।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের উৎপত্তি 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোষ্ঠীর সদস্য এবং এটি ফ্ল্যাভিভিরিডি পরিবারের জাপানিজ এনসেফালাইটিস অ্যান্টিজেনিক কমপ্লেক্সের অন্তর্গত। ১৯৩৭ সালে প্রথম এই ভাইরাস উগান্ডায় পাওয়া যায়। এরপর ২০১১ সালে কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever)  প্রথম কেস রিপোর্ট করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে, মালাপুররামের একটি ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে এই রোগে মারা গিয়েছিল। ২০২২ সালে, ত্রিশুর জেলার একজন ৪৭ বছর বয়সী ব্যক্তিও এই ভাইরাস থেকে মারা গিয়েছিলেন।

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের লক্ষণ

    এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত বেশিরভাগ মানুষই উপসর্গবিহীন। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রামিত মশার কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, বমিভাব, মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া। তবে এই ভাইরাসে সংক্রমণ গুরুতর হলে উচ্চ জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কোমা, কম্পন, খিঁচুনি, পেশী দুর্বলতা এবং পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে স্থায়ী হয়। 

    আরও পড়ুন: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের চিকিৎসা

    এই ভাইরাসে সংক্রমণ ঘটলে যে কোনও বয়সের মানুষের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই জ্বরে আক্রান্ত হলে গুরুতরভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের জন্য কোনও ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। এই রোগে হাসপাতালে ভর্তি হলে রোগীকে মূলত স্যালাইন, অক্সিজেন দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air India Flights: ‘অসুস্থ’ এয়ার ইন্ডিয়ার শতাধিক কেবিন ক্রু! কর্মীসঙ্কটের জেরে বাতিল ৭০টির বেশি উড়ান

    Air India Flights: ‘অসুস্থ’ এয়ার ইন্ডিয়ার শতাধিক কেবিন ক্রু! কর্মীসঙ্কটের জেরে বাতিল ৭০টির বেশি উড়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মীসঙ্কটের জেরে বিপাকে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস। একসঙ্গে প্রায় ৩০০ কর্মী আচমকাই ছুটি নিয়েছেন। ফলে কর্মীসঙ্কটের জেরে বাধ্য হয়ে ৭০টির বেশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমান বাতিল (Flights Cancelled) করতে বাধ্য হয়েছে বিমান সংস্থা। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশের অন্যতম বিমান পরিবহণ সংস্থার এই অব্যবস্থা যাত্রীদের চরম সমস্যায় ফেলেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Air India Flights) 

    সূত্রের খবর, এয়ার ইন্ডিয়ার শতাধিক সিনিয়র কেবিন ক্রু হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে সকলেই ছুটি নিয়েছেন (Crews Mass Sick Leave)। এই খবর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েই তাঁরা তাঁদের মোবাইল বন্ধ করে দেন। এরপর এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস ম্যানেজমেন্ট ওই সিনিয়র কেবিন ক্রু-দের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলে তা বিফলে যায়। একসঙ্গে এত কর্মী আচমকাই ছুটি নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবায়। বাতিল করতে হয়েছে ৭৯টির মতো বিমান।

    তবে কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হল? 

    শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছে বলেই জানাচ্ছে বিমান সংস্থাটি। তবে সূত্রের খবর টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটিতে চাকরির নতুন যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই এই ঘটনা (Flights Cancelled)ঘটেছে। নয়া নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে কর্মীদের মধ্যে। অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ কর্মীদের সঙ্গে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। তাই এই গণ অসুস্থতা বলে মনে করছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    যাত্রীদের অভিযোগ

    এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বাতিল হওয়ার খবর জানিয়ে সমাজমাধ্যমে একাধিক পোস্ট করছেন যাত্রীরা। 

    অনেকেরই অভিযোগ, বিমানবন্দরে এসে তাঁরা বিমান বাতিলের খবর পেয়েছেন। কেন তাঁদের আগে থেকে জানানো হল না, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন।

    এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্রের বক্তব্য 

    এ প্রসঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Flights) মুখপাত্র বলেন, ‘‘বিমান পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় আমাদের যাত্রীরা সমস্যায় পড়েছেন। আমরা যাত্রীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। বিমান বাতিলের কারণে সমস্যায় পড়া যাত্রীদের টিকিটের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কিংবা অন্য দিন বিমানে যেতে চাইলে তার ব্যবস্থাও করা হবে।’’ তবে হঠাৎ করে ৭৯ টি উড়ান বাতিল হওয়ায় নির্দিষ্ট সময় বিমান না পেয়ে বহু যাত্রীর সমস্যা হয়েছে। যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থা করার কথা এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস ঘোষণা করলেও যাত্রীদের একটা বড় অংশ পুরো টিকিটের দাম ফেরত চাইছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মঙ্গলবার ৭ মে ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। সারা দেশে নির্বিঘ্নে ভোটদান হলেও ভোট শেষে রাতের অন্ধকারে ঘটল অগ্নিকান্ডের (Betul fire incident) ঘটনা। আগুন লাগার খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যায় দমকল। ধীরে ধীরে আগুন নিভিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জানা গেছে, বাসে মোট ছটি ইভিএম ছিল। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Betul fire incident)

    ঘটনাটি মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ মধ্যপ্রদেশের গোলা গ্রামের কাছে ঘটেছে। ভোট শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রদেশের বেতুল ভোটকেন্দ্র থেকে ইভিএম (Electronic Voting Machines) নিয়ে বাসে ফিরছিলেন পোলিং অফিসারেরা। ঠিক সেই সময় পথে হঠাৎ বাসে আগুন (Betul fire incident)লেগে যায়। হঠাৎ করে আগুন লেগে যাওয়ায় বাস থেকে চালক-সহ সকলে নেমে যান। দুটি ইভিএম মেশিন অক্ষত অবস্থায় বের করা গেলেও বাকি চারটি ইভিএম আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
    জানা গেছে, বেতুলের ২৭৫, ২৭৬, ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯ এবং ২৮০ নম্বর বুথের ইভিএম–এর ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা নির্বাচন কমিশনকে (Election commission) জানানো হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে ওই ছটি বুথে আবারও ভোট হবে কি না। 

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হয়েছে (Lok Sabha election 2024), তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১, উত্তরপ্রদেশের ১০, মধ্যপ্রদেশের ৯ টি, ছত্তীসগঢ়ের ৭ টি, বিহারের ৫ টি, অসমের ৪ টি, গোয়ার ২ টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১ টি এবং দমন ও দিউয়ের ১ টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেতুল লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃতীয় দফায় মোট ৭২.৬৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। তবে আগ্নিকান্ডের ঘটনায় (Betul fire incident) ইভিএম মেশিন গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় কমিশন আবারও এই কেন্দ্রে পরবর্তীতে ভোটের সিদ্ধান্ত নেবেন কিনা তা সময়ই বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে এল পতঞ্জলি মামলা। নিষিদ্ধ করার পরেও বেশ কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে সেই নিষিদ্ধ বিজ্ঞাপন। তাই পতঞ্জলিতে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও অনলাইন বিজ্ঞাপন সরানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের (Misleading Ads Case) মুখ হওয়ার জন্য মোটা টাকা নিলে তারকারাও সমানভাবে দায়ী থাকবেন বলে মঙ্গলবার এমনই জানায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। 

    সুপ্রিম কোর্টের রায় (Supreme Court)

    কোনও পণ্যের বিষয়ে সমপ্রচারিত বিজ্ঞাপন যদি প্রতারণামূলক (Misleading Ads Case) প্রমাণিত হয়, তাহলে এর সঙ্গে জড়িত তারকা এবং ইনফ্লুয়েন্সাররাও (প্রভাবী) সমানভাবে দায়ী থাকবেন। ৭ মে মঙ্গলবার পতঞ্জলি মামলার শুনানিতে এই রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বলেছে, কোনো বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার আগে সম্প্রচারকদের একটি স্ব-ঘোষণা ফর্ম ফাইল করতে হবে, যেখানে বিজ্ঞাপনে প্রাসঙ্গিক নিয়মাবলী মেনে চলার কথা উল্লেখ থাকবে।

    শুনানি চলাকালীন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন (Misleading Ads Case) প্রতিরোধের নির্দেশিকা, ২০২২ সালের কথা উল্লেখ করেন বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এ আমানুল্লাহর বেঞ্চ। তারা বলেন, কোনো পণ্য বা দ্রব্যের প্রচারণার সঙ্গে জড়িত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই সেগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য বা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যে, সেটি প্রতারণামূলক নয়।  

    আরও পড়ুন: “স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো,” বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা

    পতঞ্জলি মামলা

    উল্লেখ্য সম্প্রতি কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান এবং আধুনিক ওষুধের বিরুদ্ধে পতঞ্জলি এবং তার প্রতিষ্ঠাতাদের প্রচারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)  দ্বারা দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানিতে এমনটা জানায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আইএমএ অভিযোগ করে, অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হয়েছে পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে। আইএমএ আরও বলেছিল, পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে (Misleading Ads Case) ক্রমাগত পদ্ধতিগতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়। পতঞ্জলি পণ্যগুলির ব্যবহার করে, নির্দিষ্ট কিছু রোগ নিরাময় হয় বলে, মিথ্যা দাবি করা হয়। এবার সেই মামলার শুনানিতেই তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সাবধান করল সুপ্রিম কোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে ভারতের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) তৃতীয় ধাপ। ৭ মে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের ১০ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৯৩ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ে (third phase of Lok Sabha polls) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৪৫%। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তৃতীয় দফার লোকসভা ভোটও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময় অশান্তির অভিযোগ ওঠানো হয়েছিল, কিন্তু সে রাজ্যেও নির্বিঘ্নেই মিটেছে তৃতীয় পর্ব।

    তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১টি, উত্তরপ্রদেশের ১০টি, মধ্যপ্রদেশের ৯টি, ছত্তিশগড়ের ৭টি, বিহারের ৫টি, অসমের ৪টি, গোয়ার ২টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১টি এবং দমন ও দিউয়ের ১টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। 

    তৃতীয় দফায় ৬০ শতাংশের বেশি ভোট (Lok Sabha Election 2024) 

    লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্বে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিহারে ৫৬.০১%, ছত্তিশগড়ে ৬৬.৮৭%, মহারাষ্ট্রে ৫৩.৪০%, অসমে ৭৫.২৬%, গোয়ায় ৭৪.২৭%, কর্নাটকে ৬৬.০৫%, মধ্যপ্রদেশে ৫৫.১৩%, উত্তরপ্রদেশে ৬২.২৮%, পশ্চিমবঙ্গে ৭৩.৯৩% এবং গুজরাটে ৫৫.২২% ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। 

    উল্লেখ্য বড় বড় রাজ্যগুলিতে যেখানে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার অত্যধিক পরিমাণে কম, সেখানে কার্যত উলটো পথে হাঁটছে বাংলা। প্রথম তিন দফাতেই অসম ও গোয়ার পর বাংলায় ভোটের হার অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। পাশাপাশি মহিলা ভোটারের হারও পুরুষদের তুলনায় বেশি। 

    কোন দফায় কত ভোট পড়ল? 

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা তথ্য অনুযায়ী, ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে তৃতীয় পর্বে। ২০১৯ সালে যে পরিসংখ্যান ছিল ৬৭.৩৩ শতাংশ। এবারের প্রথম দফার নির্বাচনে ১০২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) হয়। ভোটের হার ছিল ৬৬.১৪%। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটের হার ছিল ৬৬.৭১%।

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ১১ কোটির বেশি ভোটার দেশের ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। এবার ভারতের ৫৪৩ আসনে নির্বাচন হবে সাত ধাপে। চলবে প্রায় দুই মাস ধরে। শুরু হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শেষ হবে ১ জুন। ৪ জুন ভোটের ফল ঘোষণা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে  যাবে ভারত! কী শর্ত দিল বিসিসিআই?

    Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে যাবে ভারত! কী শর্ত দিল বিসিসিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে পাকিস্তানে যেতে পারে ভারত। কেন্দ্র সরকারের অনুমতি মিললে লাহোরে ম্যাচ খেলতে যাবেন রোহিতরা বিসিসিআই -এর তরফে এমনই জানানো হয়েছে। 

    কী বলল বিসিসিআই

    ২০০৮ সালে এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে গিয়েছিল ভারতীয় দল। ভারত-পাকিস্তান শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে ২০১২-২০১৩ মরসুমে। ভারতের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসেছিল পাকিস্তান। কয়েক মাস আগেই আইসিসি ওয়ান ডে বিশ্বকাপ হয়েছে ভারতে। সেখানে অনেক শর্ত আরোপের পর খেলতে এসেছিল বাবররা। তার আগে এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি ভারত। ভারতীয় দল না যাওয়ায় হাইব্রিড মডেলে হয় টুর্নামেন্ট। ফাইনাল সহ ভারতের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল। এবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসার কথা পাকভূমে। 

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, একটা শর্তেই পাকিস্তানে খেলতে যাবে ভারত। বোর্ডের সহ সভাপতি পরিষ্কার বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে যাওয়া প্রসঙ্গে আমরা একটা কথাই বলতে পারি, সরকার যা বলবে আমরা তাই করব। সরকার অনুমতি দিলে অবশ্যই টিম পাঠানো হবে। সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে সরকারের অনুমতির উপরই।’

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    ভারত যদি না যায়

    ২০১৭ সালের পর আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) হয়নি। আগামী বছর পাকিস্তানকে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। কিন্তু পাকিস্তানে আদৌ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবে কিনা, এ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। ভারতীয় দল যদি খেলতে না যায়, সেক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট হতে পারে হাইব্রিড মডেলেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চাইছে, ভারতীয় দল খেলতে যাক। আইসিসির কাছে খসরা সূচিও দিয়েছে পাকিস্তান। মোট তিনটি ভেনু বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এই ভেনুতে ফাইনালও হওয়ার কথা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি নির্বিঘ্নেই শেষ হল তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আজ, ৭ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৬০.১৯ শতাংশ। মতদানের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি-শাসিত অসম। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এই রাজ্যে। এখানে বিকেল ৫টি অবধি ভোট পড়েছে ৭৪.৮৬ শতাংশ।

    বাংলায় ভোটের হার (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসনেও (Lok Sabha Elections 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালদহ উত্তরে ভোট পড়েছে ৭৩.৩০ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে মালদহ দক্ষিণে পোলিং হয়েছে ৭৩.৬৮ শতাংশ। জঙ্গিপুরে ভোট দানের হার ৭২.১৩ শতাংশ। মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৬.৪৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের চার কেন্দ্রে সামগ্রিক ভোটদানের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এদিন উপনির্বাচন হয়েছে ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেখানে ভোটদানের হার ৭৩.৬৮ শতাংশ।

    অভিযোগের পাহাড়

    এই দফায় বাংলার চার কেন্দ্র মিলিয়ে কমিশনের কাছে সব মিলিয়ে জমা পড়ছে ৪৩৩টি অভিযোগ। এর মধ্যে দলগতভাবে অভিযোগ জমা পড়েছে ২৫৩টি। সব চেয়ে বেশি অভিযোগ করেছে সিপিএম। তারা অভিযোগ করেছে ১৬৩টি। কংগ্রেসের অভিযোগের সংখ্যা ২৯টি, বিজেপির ২৭টি এবং তৃণমূলের ১৮টি। এই দফায়ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫৯ নম্বর বুথে এক ভোটারের ভোট দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম রেজা বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: “গিয়ে দেখি, পুলিশের সামনেই ছাপ্পা মারছে তৃণমূল”, মুর্শিদাবাদে তিক্ত অভিজ্ঞতা ভোটারের!

    মালদহের চাঁচলে আবার বোমা মারার হুমকি দিয়ে তুলে দেওয়া বিজেপির সহায়তা বুথ। কাঠগড়ায় তৃণমূল। চাঁচল বিধানসভার মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুমসাডাঙি ২২১ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপি কর্মী শঙ্কর দাসের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু সরকার দলবল নিয়ে এসে বোমা মারার হুমকি দিয়ে তাঁদের ক্যাম্প তুলে দেয়। মালদহ দক্ষিণের শামসেরগঞ্জের জোতশালীর ১২৫ ও ১২৬ নম্বর বুথে অশান্তি বাঁধানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট দিতে আসা কংগ্রেসের এক বৃদ্ধ সমর্থককে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শামসেরগঞ্জেরই ২১৯ নম্বর বুথেও। হামলা হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের দিকে। যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share