Tag: India

India

  • PM Narendra Modi: মোদির ভূয়সী প্রশংসা মার্কিন কংগ্রেসের ২ সদস্যের, কী বললেন জানেন?

    PM Narendra Modi: মোদির ভূয়সী প্রশংসা মার্কিন কংগ্রেসের ২ সদস্যের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য। তাঁদের দাবি, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হয়ে ফের দিল্লির কুর্সিতে ফিরতে চলেছেন মোদি। তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তা ও দক্ষ নেতৃত্বই তাঁকে ক্ষমতায় ফেরাবে বলে মনে করেন তাঁরা।

    কী বললেন রিচ ম্যাককর্মিক? (PM Narendra Modi)

    জর্জিয়া থেকে জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির রিচ ম্যাককর্মিক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা অবিশ্বাস্য। আমি ভারতে সম্প্রতি গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কংগ্রেসের লোকজনের সঙ্গে আমি মধ্যাহ্নভোজ করেছিলাম। তাঁর জনপ্রিয়তাও প্রত্যক্ষ করেছি। মোদি এমন একজন মানুষ, যাঁর জনপ্রিয়তা ৭০ শতাংশ। তিনি ফের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।” ম্যাককর্মিক বলেন, “অর্থনীতির ওপর তাঁর (PM Narendra Modi) প্রোগ্রেসিভ দৃষ্টিভঙ্গী, উন্নয়ন সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী, মানব কল্যাণে তাঁর নজর, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের সম্পর্কে তাঁর সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গী এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তার প্রভাব, তাদের কৌশলগত সম্পর্ক এসবই আমরা দেখছি। ভারতের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাবও আমি চাক্ষুষ করেছি।” মার্কিন কংগ্রেসের এই সদস্য বলেন, “আপনারা যদি তাঁদের কাজ করার ইচ্ছের দিকে তাকান, তাহলে আমি বলব, আমি সেখানে একটা ক্যাভিয়েট দাখিল করব। চিন যেটা করেছে, মনে হবে, তারা যেন তাদেরই প্রতিলিপি। ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের বাজার প্রসারিত করতে তারা অবিশ্বাস্যভাবে কাজ করছে।”

    ‘ভারতের অগ্রগতি চোখ ধাঁধানো’

    মার্কিন কংগ্রেসের আর এক সদস্য ইন্দো-মার্কিন শ্রী থানেদারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “মোদির নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার দশম স্থান থেকে চলে এসেছে পঞ্চম স্থানে।” মিচিগান থেকে জয়ী হয়ে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য হয়েছেন থানেদার। তিনি বলেন, “গত দশ বছরে (এই দশ বছরই কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি) ভারতের অগ্রগতি চোখ ধাঁধানো। আমি যখন ভাবি মোদি যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার দশ নম্বরে ছিল। এখন চলে এসেছে পাঁচে। অচিরেই দেশটি চলে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে। তাই ভারত যে বিস্ময়করভাবে উন্নতি করছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহই নেই।”

    আরও পড়ুুন: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই

    থানেদার বলেন, “ভারত প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করেছে। অর্থনীতির ক্ষেত্রে, ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশন দেখছি। প্রযুক্তির এই প্রয়োগ শহর ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “ভারতে একটা বিপ্লব চলছে (PM Narendra Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে চান? কী কী লাগবে জেনে নিন

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে চান? কী কী লাগবে জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সন্ধ্যায় লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চালু করে দিল এ সংক্রান্ত ওয়েব পোর্টাল। যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে অনলাইনের দ্বারস্থ হবেন, তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের জন্য ‘সিএএ-২০১৯’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপও কেন্দ্র চালু করবে বলে খবর।

    সিএএ (CAA)

    ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় সিএএ বিল। পরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মেলায় বিলটি পরিণত হয় আইনে। তবে বিরোধীদের অপপ্রচারের জেরে সিএএর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয় বলে অভিযোগ। প্রায় সাড়ে চার বছর পরে সোমবার দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ আইন। এই আইন বলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত যেসব শরণার্থী (হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টান) এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব (CAA) দেওয়া হবে। এই আইন তাঁদের সাংস্কৃতিক, লিঙ্গুইস্টিক এবং সোশ্যাল আইডেন্টিটি রক্ষা করবে। এটা তাঁদের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, মুক্তভাবে চলাচল করা এবং সম্পত্তি কেনার অধিকারও দেবে।

    কী কী নথি প্রয়োজন (CAA)

    প্রথমেই নথি পেশ করতে হবে যা প্রমাণ করবে যে আবেদনকারী বাংলাদেশ, আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত

    • বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া পাসপোর্ট।
    • ভারতের ফরেনার্স রিজিয়নাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কিংবা ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসারের দেওয়া রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা রেসিডেন্সিয়াল পারমিট।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া জন্মের শংসাপত্র।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের কোনও স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সরকার বা এই তিন দেশের কোনও সরকারি সংস্থার ইস্যু করা যে কোনও ধরনের পরিচয়পত্রের নথি।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সরকারি কোনও সংস্থার দেওয়া যে কোনও লাইসেন্স কিংবা সার্টিফিকেট।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের  জমি কিংবা ভাড়ায় থাকলে তার রেকর্ড।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া কোনও নথি যা প্রমাণ করে যে আবেদনকারীর বাবা-মা বা পিতামহ কিংবা প্রপিতামহ এই তিন দেশের কোনও একটির নাগরিক ছিলেন।
    • বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের সরকারি কর্তৃপক্ষ কিংবা সংস্থার দেওয়া কোনও নথি যা প্রমাণ করবে যে আবেদনকারী এই তিন দেশের কোনও একটি থেকে এসেছেন।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটে বাংলায় একক বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    এ ছাড়াও আরও কিছু তথ্য লাগবে, যা প্রমাণ করবে আবেদনকারী ভারতে এসেছেন ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে (CAA)। এগুলি হল—

    • ভারতে আসার ভিসা এবং ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্পের কপি।
    • রেজিস্ট্রশন সার্টিফিকেট বা রেসিডেন্সিয়াল পারমিট যেটা ইস্যু করেছেন ভারতের ফরেনার্স রিজিয়নাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কিংবা ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসার।
    • জনগণনার সময় ভারতে যে স্লিপ দেওয়া হয়েছিল।
    • সরকারের ইস্যু করা কোনও লাইসেন্স বা সার্টিফিকেট বা পারমিট (ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড ইত্যাদি)।
    • আবেদনকারীর ভারতীয় রেশন কার্ড।
    • অফিসিয়াল স্ট্যাম্প-সহ কোনও চিঠি যা ভারত সরকার কিংবা আদালত আবেদনকারীকে দিয়েছে।
    • আবেদনকারীর ভারতে জন্মের শংসাপত্র।
    • ভারতে আবেদনকারীর নামে থাকা জমি বা ভাড়ায় থাকলে তার রেকর্ড।
    • তারিখ-সহ প্যানকার্ড ইস্যুর নথি।
    • অন্য কোনও নথি, যা কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা রাজ্য সরকারের দেওয়া।
    • কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার বা ব্যাঙ্ক কিংবা অন্য কোনও পাবলিক অথরিটির দেওয়া নথি।
    • গ্রাম কিংবা শহরের কোনও নির্বাচিত সদস্য বা রেভিনিউ অফিসারের দেওয়া সার্টিফিকেট।
    • আবেদনকারীর নামে ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসের রেকর্ড এবং অ্যাকাউন্টের ডিটেইলস।
    • আবেদনকারীর নামে ভারতে থাকা কোনও ইন্স্যুরেন্স পলিসির নথি।
    • আবেদনকারীর নামে বিদ্যুৎ সংযোগের কাগজ কিংবা বিদ্যুতের বিল।
    • আবেদনকারীর কোর্ট কিংবা ট্রাইব্যুনাল রেকর্ডের নথি।
    • আবেদনকারী চাকরি করলে তার নথি বা প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পেনশনের কাগজ।
    • স্টেট ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশনের নথি।
    • আবেদনকারীর ভারতীয় কোনও স্কুল পরিত্যাগের নথি।
    • ভারতের কোনও স্কুল বা কলেজ বা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কোনও প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট।
    • আবেদনকারীর মিউনিসিপ্যালিটি ট্রেড লাইসেন্স।
    • বিয়ের শংসাপত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Modi in Pokhran: “ত্রিশক্তির এই মহড়া ঘোষণা করছে নয়া ভারতের উত্থান”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi in Pokhran: “ত্রিশক্তির এই মহড়া ঘোষণা করছে নয়া ভারতের উত্থান”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সৈন্যদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Pokhran)। মঙ্গলবার রাজস্থানের পোখরানে ভারতীয় সেনার (Indian Army) ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আজ যে দৃশ্য আমরা প্রত্যক্ষ করলাম, ত্রিশক্তি বাহিনীর যে সাহসের সাক্ষী আমরা হলাম, তা অনন্য সাধারণ। আকাশে ভারতীয় সেনার গর্জন, স্থলভাগে ভরতীয় সেনার দুঃসাহস এবং সেনার বিজয়োল্লাস যে দিকে দিকে ধ্বনিত হচ্ছে, তা সগর্বে ঘোষণা করে নয়া ভারতের উত্থান।”

    আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান

    এদিন পোখরানে ত্রিশক্তির অনুশীলন (Exercise Bharat Shakti) প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বলেন, “আজ পোখরান আরও একবার সাক্ষী রইল আত্মনির্ভর ভারত, আত্মবিশ্বাসী ভারত এবং আত্মগর্বিত ভারতের।” সোমবারই অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী (Modi in Pokhran) তাকে ‘প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারতের দিকে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। অতীতে যে এই পোখরানেই ভারত পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করেছিল, তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “পোখরান ভারতের আত্মনির্ভরতা, বিশ্বাস এবং আত্মগৌরবের সাক্ষী হয়ে রইল।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Pokhran)?

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারতের ধারণাকে মাথায় রেখেই হয়েছে এদিনের সেনা মহড়া (Exercise Bharat Shakti)। প্রদর্শিত হয়েছে ভারতের তৈরি বিশেষ যুদ্ধ সরঞ্জাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। এদিনের মহড়ায় তেজস যুদ্ধবিমান, এএলএইচ মার্ক-৪, টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক, কে-৯, আর্টিলারি গান, ইউএভি (ড্রোন), পিনাকা মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার, শর্ট রেঞ্জ মিসাইল অংশগ্রহণ করেছিল। অবশ্য এই প্রথম নয়, ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতীয় বায়ুসেনার মহড়ায়ও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “উন্নত ভারতের স্বপ্নপূরণ লুকিয়ে রয়েছে আত্মনির্ভর ভারতের মধ্যেই। উন্নয়ন পেতে গেলে আমাদের অবশ্যই অন্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। তাই ভোজ্য তেল থেকে কাটিং এজ এয়ারক্র্যাফ্ট পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রেই আত্মনির্ভরতায় জোর দিচ্ছে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী (Modi in Pokhran) বলেন, “এই যে ভারত শক্তির সেলিব্রেশন হচ্ছে, এটা কেবল রাজস্থান নয়, সাহসের এই গাথা পৌঁছে যাবে তামাম বিশ্বে।”

    আরও পড়ুুন: হরিয়ানার নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাইনি, ভোটের আগেই বিরোধীদের মাত দিল পদ্ম

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • CAA: “সিএএকে স্বাগত জানানো উচিত ভারতীয় মুসলমানদের”, বললেন জামাত প্রেসিডেন্ট

    CAA: “সিএএকে স্বাগত জানানো উচিত ভারতীয় মুসলমানদের”, বললেন জামাত প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএকে (CAA) স্বাগত জানানো উচিত ভারতীয় মুসলমানদের।” নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে এই প্রতিক্রিয়াই দিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাত প্রেসিডেন্ট মৌলানা শাহাবউদ্দিন রাজভি বরেলভি।

    কী বলছেন জামাত প্রেসিডেন্ট (CAA)?

    তিনি বলেন, “এটা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। এই আইন নিয়ে মুসলমানদের মনে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। এর সঙ্গে মুসলমানদের কোনও সম্পর্ক নেই। পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য আগে কোনও বিধান ছিল না। সেই কারণেই এই আইন তৈরি করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “আগে সিএএ-র (CAA) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়েছে। তার কারণ মুসলমানদের ভুল বোঝানো হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক দল এই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।” তিনি বলেন, “দেশের প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সিএএকে স্বাগত জানানো।”

    “এই আইন আগেই করা উচিত ছিল”

    শাহাবউদ্দিন বলেন, “ভারত সরকার সিএএ (CAA) আইন লাগু করেছে। আমি এই আইনকে স্বাগত জানাই। এটা আগেই করা উচিত ছিল। কিন্তু না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়া ভালো। এই আইনটি নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে অনেক ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে।” অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাত প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতের কোটি কোটি মুসলমানের ওপর এই আইনের কোনও প্রভাব পড়বে না। ভারতের কোনও মুসলমানের নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না এই আইন। মুসলমানদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির বীজ বপন করেছেন কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।”

    আরও পড়ুুন: ঘর থেকে সরল মমতার ছবি, মজদুর ভবনে মোদি বন্দনায় অর্জুন

    “সিএএ (CAA) নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন”

    প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বলেছিলেন, “সিএএ লাগু হচ্ছে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য, কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়।” তিনি এও বলেছিলেন, “আমাদের দেশের সংখ্যালঘুরা বিশেষত মুসলমান সম্প্রদায় প্ররোচিত হচ্ছেন। সিএএ (CAA) কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নিতে পারে না। কারণ এই আইনে এমন কোনও ব্যবস্থাই নেই। সিএএ আইন তাঁদের জন্য, যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে (হিন্দু-সহ ছটি সম্প্রদায়) বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে এসেছেন।”

    সোমবারই দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসে সংসদে সিএএ বিল পাশ করে কেন্দ্র। পরে বিলটি পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। পাশও হয়ে যায় বিলটি। কিন্তু দেশবাসীর একাংশকে ভুল বুঝিয়ে সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলে বিজেপি বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন (CAA) পাশ হয়েছিল বছর চারেক আগে। কার্যকর হল ১১ মার্চ, ২০২৪, সোমবার। এদিন থেকেই দেশজুড়ে চালু হয়ে গেল সিএএ আইন। এই আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রশ্ন হল, সিএএর (CAA) জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? indiancitizenshiponline.nic.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যাঁরা আবেদন করতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে পৃথক ফর্ম। বিভিন্ন ফর্মের জন্য নানা নথির প্রয়োজন হবে। এগুলি হল, বৈধ বিদেশি পাসপোর্ট, বাসস্থানের অনুমতিপত্র, বাবা-মায়ের জন্ম শংসাপত্র অথবা তাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় জমা করা ৫০০ টাকার একটি ব্যাঙ্ক চালান, আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর ভারতীয় পাসপোর্ট বা জন্মের শংসাপত্র, বিয়ের শংসাপত্র, ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফিকেট থাকতে হবে (যাঁরা অন্য দেশ থেকে আসবেন), ভারতে ব্যবহৃত যে কোনও একটি ভাষা সম্পর্কে কতটা জ্ঞান রয়েছে, তার প্রমাণ হিসেবে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা আবেদনকারীর জেলায় বসবাসকারী দুজনকে মান্যতা দিতে হবে। আবেদনকারীর চরিত্র সম্পর্কেও দুজনকে দিতে হবে শংসাপত্র। অনলাইন ছাড়াও ফর্ম ফিল-আপ করে জমা দেওয়া যাবে ডিএম বা ডিসি অফিসে গিয়ে।

    ভারতীয় নাগরিক কারা?

    মনে রাখতে হবে, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যাঁদের জন্ম হয়েছে, তাঁরা জন্মসূত্রেই ভারতীয়। এর পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের জন্মের সময় বাবা-মায়ের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকলে তবেই তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এর পর যাঁরা জন্ম গ্রহণ করেছেন, হয় তাঁর বাবা-মাকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে কিংবা দুজনের মধ্যে যে কোনও একজন ভারতীয় ও অন্যজন অনুপ্রবেশকারী নন (CAA)।

    আরও পড়ুুন: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমার (Myanmar) ছেড়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন অনেকে। মায়ানমারের সেই সব নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করল ভারত। ৮ মার্চ, শুক্রবার অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া প্রথম দলটিকে মায়ানমারের মোরে শহরে ফেরত পাঠানো হয়। এই দলে এক শিশু সহ মোট সাত মহিলা ছিলেন।

    আপাতত ফেরত পাঠানো হচ্ছে ৭৭ জনকে

    মায়ানমারে ফেরতের প্রক্রিয়াটির ভিডিও করেছে মণিপুর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ সেটি পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ইম্ফল বিমানবন্দরের দিকে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মায়ানমারের ৭৭ নাগরিককে (যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন) ৮ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে একাধিক দলে ভাগ করে ফেরত পাঠানো হবে মায়ানমারে (Myanmar)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ জন মহিলা। শিশু রয়েছে পাঁচটি। বাকিরা সবাই পুরুষ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    রবিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সংখ্যাটি বিশাল। তাই আমরা তাদের এক সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি না। কয়েকটি দলে ভাগ করে তাদের সে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। এজন্য কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলি অনুসরণ করতে হবে আমাদের। অবৈধভাবে যারা ভারতে এসেছে, পর্যায়ক্রমে তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।” মণিপুর সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, এই বিদেশি নাগরিকদের প্রথম দলটিকে ইম্ফল থেকে সীমান্ত শহর মোরে পর্যন্ত হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আজ রাতেই দেশে চালু হচ্ছে সিএএ, খবর সূত্রের

    প্রসঙ্গত, একুশ সালে মায়ানমারের নির্বাচিত আং সান সু কিয়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মায়ানমারের সেনা জুন্টা। তার পর থেকে সে দেশে চলছে সামরিক শাসন। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়ছে মায়ানমারের একাধিক রাজনৈতিক দল। তার জেরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। যার জেরে প্রাণভয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন বহু মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন সে দেশের সেনাবাহিনীর লোকজনও। অবৈধভাবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এই সব মায়ানমারবাসীকেই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার।

    জানা গিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছেন সে দেশের ৬০০ সেনা। বিদ্রোহীরা তাঁদের শিবির দখল করে নেওয়ায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৫৯জন সেনাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের দেশে (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি বিরোধী এই জোটে রয়েছে কংগ্রেসও। অথচ জোটে কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছে তৃণমূল। এর পরেই কংগ্রেস নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    ‘‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে’ 

    তাঁদের মতে, যেখানে ওয়েনাড়ের সাংসদ  (রাহুল গান্ধী) পা রেখেছেন সেখানেই বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “ইন্ডি জোট আর এক ঝটকা খেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছেন। এখন কংগ্রেস এখানে সেখানে খুঁজে বেড়াচ্ছে। যেখানেই রাহুল গান্ধী গিয়েছেন, সেখানেই ইন্ডি জোট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।”

    ভারত ন্যায় যাত্রাকে নিশানা 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারত ন্যায় যাত্রায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিন তাকেই নিশানা করেছেন পুনাওয়ালা। সন্দেশখালিকাণ্ডে রা কাড়েনি কংগ্রেস। পুনাওয়ালার মতে, সন্দেশখালিকাণ্ডে চুপ থাকাটা কংগ্রেসের কৌশলগত নীরবতা। ইডির আধিকারিকদের মারধর করা-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল। শাহজাহান ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস বা বাগানবাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই সম্প্রতি খবরের শিরোনামে চলে এসেছে বাংলার এক প্রত্যন্ত এলাকা সন্দেশখালি।

    আরও পড়ুুন: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    সন্দেশখালিকাণ্ডে মৌন কংগ্রেস (Lok Sabha Election 2024)

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পরই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। ৫৫ দিন পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পুনাওয়ালা বলেন, “সন্দেশখালিকাণ্ডে কৌশলগত নীরবতা অবলম্বন করেছে কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা বঢরা এবং রাহুল গান্ধী কেউই শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কিছু বলেননি। মল্লিকার্জুন খাড়্গে আবার তাঁকে রক্ষা করছেন।” কংগ্রেসকে নিশানা করে পুনাওয়ালা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি প্রথম বলেছিলেন কংগ্রেসকে দুটি আসন নিতে, গোটা দেশে ৪০টি আসনও তিনি কংগ্রেসকে দিতে চাননি। এই তো ইন্ডি জোটের অবস্থা।”

    তৃণমূল একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বঙ্গ কংগ্রেসের প্রধান অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আঞ্চলিক দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কোনও দল কিংবা নেতার তাঁকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়ার যুদ্ধে (War In Russia) ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান।” নরেন্দ্র মোদির দেশের কাছে এই কাতর আবেদন যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতের কেউ নন, বিদেশি। আরও স্পষ্ট করে বললে, নেপালি। রাশিয়ায় কাজের সন্ধানে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চার যুবক।

    ভারতের কাছে উদ্ধারের আর্তি

    অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে নিয়ে গিয়ে জোর করে তাঁদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধেই রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে হচ্ছে ওই চার কর্মপ্রার্থীকে। প্রাণে বাঁচতে ভারতের কাছে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন পড়শি দেশের ওই চার যুবক। মোটা অঙ্কের মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে রাশিয়া ‘ছেলে ধরছে’ বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে ভারতের কয়েকজন যুবকও রাশিয়ার কবল থেকে উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছিলেন। রাশিয়ায় যাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ধরে ধরে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে।

    টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ছেলে!

    রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের অনেক (War In Russia) জায়গায়ই রুশ সেনাদের পাশাপাশি ভারতীয় তরুণদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ করলেন নেপালের চার চাকরিপ্রার্থীও। কাজের খোঁজে রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন সঞ্জয়, রাম, কুমার এবং সন্তোষ নামে চার যুবক। এজেন্টের মাধ্যমে তাঁরা পৌঁছে যান রাশিয়ায়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রুশ সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী কিংবা পরিচারকের কাজ করতে হবে। অভিযোগ, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হতেই ট্রেনিং দিয়ে তাঁদেরও লাগিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধ করতে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁদের বাধ্য করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুুন: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় নেপালের ওই চার যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। এজেন্ট তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মিথ্যে কথা বলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাঁদের জীবন বিপন্ন বলেও জানান ওই চার নেপালি যুবক। সঞ্জয় বলেন, “আমাদের ভারতীয় সহকর্মীদের উদ্ধার করছে তাঁদের দেশের সরকার। কিন্তু নেপাল সরকার কিংবা দূতাবাসের তরফে কোনও সাহায্য পাচ্ছি না। ভারত সরকারের কাছে আমাদের বিরাট আশা। ভারত শক্তিশালী দেশ। তাই তাদের সাহায্য চাইছি। এখানকার (War In Russia) সব নেপালিই বাড়ি ফিরতে চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে আচমকাই ইস্তফা দিয়েছেন দেশের অন্যতম নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। অবসর নিয়েছেন আর এক কমিশনার অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে নতুন করে দুজন নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) নিয়োগ হতে চলেছে।

    দুই পদে নিয়োগ

    ১৫ মার্চের মধ্যেই এই দুই পদে নিয়োগ হতে পারে বলে খবর। শুক্রবার সকালে পদত্যাগ করেন গোয়েল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন শনিবার। আইনমন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে নোটিফিকেশনও জারি হয়েছে। এই দুটি পদ খালি হওয়ায় একা হয়ে পড়েছেন রাজীব কুমার। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা তাঁর পক্ষে খুবই ‘চাপে’র। জানা (Election Commissioners Of India) গিয়েছে, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের অধীনে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং সেক্রেটারির দফতর। এঁরাই প্রথমে দুটি আলাদা প্যানেল তৈরি করবেন।

    কীভাবে নির্বাচিত হন?

    দুটি পদের জন্য প্রতিটি প্যানেলে পাঁচজনের নাম দেবেন এঁরা। এর পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সিলেকশন কমিটি, যাতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরীও ওই দুটি প্যানেলের মোট ১০টি নামের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নেবেন দুজনকে। সেই দুটি নাম পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। তিনিই নিয়োগ করবেন ওই দুই কমিশনারকে। জানা গিয়েছে, এই সিলেকশন কমিটির বৈঠক হতে পারে মার্চের ১৩ বা ১৪ তারিখে। এই তারিখ ঠিক হবে কমিটির সদস্যদের সম্মতির ভিত্তিতে। ১৫ তারিখে নিয়োগ করা হতে পারে নয়া দুই নির্বাচন কমিশনারকে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) সহ মোট তিনজন নির্বাচন কমিশনারের থাকার কথা। একেই বলে ফুল বেঞ্চ। এতদিন রাজীব এবং অরুণই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তৃতীয় পদটি শূন্যই ছিল। তৃতীয় পদে নিয়োগ না হওয়ায় এবং অরুণ ইস্তফা দেওয়ায় রয়েছেন রাজীব একা। নির্বাচন কমিশনার পদে অরুণের কার্যকালের মেয়াদ ছিল সাতাশের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। রাজীবের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে বসার কথা ছিল (Election Commissioners Of India) অরুণেরই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার স্বাক্ষরিত হল আরও একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশনের সঙ্গে ভারতের ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর মন্ত্রী বলেন, “ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশন ভারতে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জেরে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে এই পরিমাণ বিনিয়োগ তারা করবে।” মন্ত্রী বলেন, এটি (FTA) একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ট্রেড অ্যান্ড ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর আগামী ১৫ বছর কঠোর শ্রম, প্রচণ্ড শক্তি এবং প্রচেষ্টার একটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে (FTA)।”

    এফটিএ 

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনও। এই অ্যাসোসিয়েশনে রয়েছে আইসল্যান্ড, নরওয়ে, লিচেনস্টাইন এবং সুইজারল্যান্ড। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে বিশ্বের ৯৪টি দেশ। শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভুটান, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, জাপান এবং আশিয়ান গোষ্ঠীর সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত। ব্রিটেন, ওমান, পেরু, ইজরায়েল এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা নিয়ে কথাবার্তা চলছে নয়াদিল্লির। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হল নুসরতকে

    ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ফেডারেল কাউন্সিলর গাই পার্মেলিন বলেন, “এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে এই অ্যাসোসিয়েশন থেকে ভারত এবার প্রচুর লগ্নি টানতে পারবে। স্বাভাবিকভাবেই কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আমাদের অ্যাসোসিয়েসন ও ভারত দু’ তরফই লাভবান হবে।”

    এদিনের চুক্তিতে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, “ভারত এবং ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত বৈচিত্র্য থাকলেও, আমাদের অর্থনীতি বিশ্বের প্রতিটি দেশের কাছেই উইন-উইন পরিস্থিতির প্রতিশ্রুতি প্রদান করে (FTA)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share