Tag: India

India

  • Sri Lanka: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা, দাবি সিআইএ প্রধানের

    Sri Lanka: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা, দাবি সিআইএ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির (Dumb Bets) কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। তার জেরেই ভেঙে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি। দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে দেশ। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন সিআইএ (CIA) প্রধান বিল বার্নস (Bill Burns)। বিলের মতে, শ্রীলঙ্কার এই ভুল দেখে বিশ্বের অন্য দেশগুলির সচেতন হওয়া উচিত।

    চড়া সুদে শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ঋণ নেয় দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। ফি মাসে কেবল সুদ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা মেটাতে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের দিকে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। সরকারের এই ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুণতে হয় দ্বীপবাসীদের। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ার তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় আমদানি বন্ধ। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। জনরোষের আগাম আঁচ পেয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে নিয়ে দেশ ছেড়ে পালান গোতাবায়া। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে প্রেসিডেন্ট ভবন, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সহ নানা সরকারি ভবনের দখল নেয় জনতা। তার পরেই বিদেশ থেকে মেইল করে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন গোতাবায়া। জরুরি ভিত্তিতে সাংসদের ভোটে নয়া প্রেসিডেন্ট হন দেশের ছ বারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিতির কারণ যে চিন থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া, তা জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। বিল বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রীলঙ্কার দিকে তাকানো উচিত। চিনের কাছে ঋণে জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্র। চিন থেকে ঋণ নিয়ে অবিবেচকের মতো কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা। যার জেরে ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। দুর্দশার শিকার হয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রবাসী। বদলে গিয়েছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও। তিনি বলেন, কেবল মধ্য প্রাচ্য কিংবা দক্ষিণ এশিয়া নয়, গোটা বিশ্বকেই এ ব্যাপারে চোখকান খোলা রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা ছেড়ে মালদ্বীপ পালালেন রাষ্ট্রপতি, দায়িত্বে রনিল বিক্রমসিংহে, জরুরি অবস্থা জারি

    শ্রীলঙ্কায় পরিকাঠামো সহ নানা খাতে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে চিন। বিপুল পরিমাণ সুদ মেটাতে গিয়েই সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে দেশ। ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ শ্রীলঙ্কা। জনসংখ্যা ২২ কোটির কাছাকাছি। অবস্থানগতভাবে ভারতের কাছাকাছি হওয়ায় মোদি সরকারের থেকে প্রচুর সাহায্য পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। তার পরেও শ্রীলঙ্কার বিরোধী দলনেতা সাজিথ প্রেমদাসা পাশে থাকার আবেদন জানিয়েছে ভারতকে। যাতে বিপর্যয়ের হাত থেকে টেনে তোলা যায় দ্বীপরাষ্ট্রকে।

     

  • Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ বণ্টন ক্ষেত্রে ভারতের (India) ক্ষতির পরিমাণ দুই অঙ্কের। অথচ উন্নত দেশগুলিতে (Developed Countries) এর পরিমাণ এক অঙ্কের। শনিবার উজ্জ্বল ভারত, উজ্জ্বল ভবিষ্য পাওয়ার @ ২০৪৭ (Ujjwal Bharat Ujjwal Bhavishya-Power@2047) শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বণ্টন করতে গিয়ে আমাদের প্রচুর পরিমাণ শক্তি নষ্ট হয়। সেই কারণে দেশবাসীর চাহিদা পূরণ করতে যে পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন, উৎপাদন করতে হচ্ছে তার চেয়েও ঢের বেশি।

    বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি রাজ্যের কাছে যে কেন্দ্রের মোটা টাকা পাওনা রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। বলেন, দেশের বিভিন্ন পাওয়ার সেক্টর ফার্মের কাছে অনেক রাজ্যের দেনা রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। দেশবাসী এটা জেনে বিস্মিত হবেন যে বিভিন্ন রাজ্যের বকেয়া রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। এই টাকা তাদের শোধ করতে হবে বিভিন্ন শক্তি উৎপাদক কোম্পানিগুলোকে। বিদ্যুৎ বণ্টন করে যেসব কোম্পানি, বিভিন্ন সরকারি এবং আঞ্চলিক দফতরের কাছে তাদের পাওনার পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আটকে রয়েছে এরিয়ার বাবদ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কাছে বকেয়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে  পাওয়ার ফার্মগুলো ভর্তুকি বাবদ যে টাকা পায়, সেটাও যথা সময়ে পাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি

    বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির যে বকেয়া রয়েছে, সেগুলি দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করছি, যাদের টাকা বকেয়া রয়েছে, তাঁরা তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিশোধ করে দিন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, উপভোক্তারা যদি যথা সময়ে সততার সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দেন, তাহলে রাজ্যগুলি কেন বারবার টাকা বকেয়া রাখছে। এদিন ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিমের সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

     

  • Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) পাঠানো হচ্ছে ড্রোন। ফিরছে কখনও মাদক (drug), কখনও বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন (drone) আটক করেছে বিএসএফ (bsf) এবং পাঞ্জাব পুলিশ। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই নিরাপত্তা বাহিনী জেনেছে, ভারত থেকে পাকিস্তানে ড্রোন পাঠিয়ে কাজ হাসিল করছে দুষ্কৃতীরা।

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ (punjab police) বেশ কয়েকটি ড্রোন বাজেয়াপ্ত করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে তারা জেনেছে, এই ড্রোনগুলিকেই ব্যবহার করা হয় মাদক কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মাধ্যম হিসেবে। এও জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ড্রোনই ওড়ানো হত অমৃতসর এবং তরণ তারণ জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে।

    অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    জানা গিয়েছে, ভারত থেকে পাঠানো ড্রোনে পিস্তল, মাদক এবং গোলাবারুদে ভর্তি করে পাকিস্তানের কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সেগুলি ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। ঘটনাটি নজরে পড়ায় পাঞ্জাব পুলিশকে নিয়ে বিএসএফ ওই ড্রোনগুলি বাজেয়াপ্ত করে। তখনই ফাঁস হয় অবৈধ পাচারচক্র। গত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উঠেওছিল বিষয়টি।      

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিএসএফ একটি ড্রোনকে গুলি করে নামায়। ড্রোনটি পাকিস্তান থেকে উড়ে এসে পাঞ্জাবের অমৃতসরে আসছিল। সেই ড্রোন থেকে মেলে ১০ কেজিরও বেশি হেরোইন। যার বাজারদর প্রায় ৭০ কোটি টাকা। পাঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বাজেয়াপ্ত করা ড্রোনের যাতায়াতের পথ বিশ্লেষণ এবং তদন্ত করে জানা গিয়েছে, সেটি পাঠানো হয়েছিল ভারত থেকে। সেখানেই ড্রোনটিতে ভরা হয়েছিল ১০ কেজি হেরোইন। পরে সেটিকে ফের ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল মার্চের প্রথম সপ্তাহে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া একটি ফার্মের কাছে গুলি করে ড্রোনটি নামায় বিএসএফ এবং পাঞ্জাব পুলিশ। এই ড্রোনটিও ভারত থেকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। গোলাবারুদ এবং মাদক নিয়ে ভারতে ফিরছিল সেটি।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    পরপর এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক করে দেয় পাঞ্জাব পুলিশকে। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক পাকিস্তানের সঙ্গে তলায় তলায় যোগসাজশ রেখে চলছে। তারাই চালাচ্ছে এই চক্র। এর পেছনে বেশ কিছু গ্যাংস্টার এবং পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীরা রয়েছে। ঘটনায় যোগ রয়েছে দুই দেশেরই স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতীরও। ড্রোনের এই অপব্যবহার ঠেকাতে সক্রিয় বিএসএফও। সীমান্তে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম (Anti-Drone system) মোতায়েন করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি, বসানো হয়েছে নানা নজরদারি সরঞ্জামও।

    বরাবরই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সক্রিয় পাকিস্তান (Pakistan)। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে দেশ। নড়বড়ে প্রশাসন। হাজারো সমস্যা থেকে দেশবাসীর নজর ঘোরাতে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশ।

     

  • President Poll: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?  

    President Poll: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Election) নির্ঘণ্ট। আস্তিন গোটাতে শুরু করেছে শাসক বিজেপি (BJP) এবং বিরোধীরা (Opposition)। কে যাবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাইসিনা হিলসে (Raisina Hill)?

    ২০১৭ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পদ্ম শিবিরে ঘোরাফেরা করছিল অনেকগুলো নাম। তার পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে প্রার্থী করে চমক দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোবিন্দ তখন ছিলেন বিহারের রাজ্যপাল। পদ্ম শিবির এবারও সেরকম কোনও চমক দিতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে বিজেপি শিবিরে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। সেই তালিকায় রয়েছেন বর্তমান উপ রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। আছেন তেলেঙ্গানার তামিলিসাই সুন্দররাজন, আসামের জগদীশ মুখী, ছত্তিশগড়ের অনুসুইয়া উইকে এবং কেরলের আরিফ মহম্মদ খান। পাশাপাশি ভেসে উঠছে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর নামও ।

    আরও পড়ুন : লাদাখে নদীতে পড়ল সেনার গাড়ি, মৃত ৭ জওয়ান, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    সংসদীয় রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ মুখ কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। তিনি হতে পারেন দু পক্ষেরই বাজি। গুলাম রাজ্যসভা থেকে যেদিন অবসর নেন, সেদিন চোখে জল দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদির। আজাদের সঙ্গে কেবল বিজেপি নয়, সব রাজনৈতিক দলেরই সম্পর্ক মধুর। তাই কংগ্রেসের পাশাপাশি তাঁকে নিয়ে ভাবছে পদ্ম নেতৃত্ব। গুলামকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ঘোষণা করলে বিরোধীরাও বিরোধিতা করতে পারবেন না। তাই তাঁকে রাইসিনা হিলসে পাঠিয়ে চমক দিতে পারেন মোদি।

    গুলামের পাশাপাশি কংগ্রেস শিবিরে ভাসছে আরও দুটি নাম। একজন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার, অন্যজন মীরা কুমার। পাওয়ার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। সংসদীয় রাজনীতির সব কিছু তাঁর নখদর্পণে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনবার। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। কংগ্রেস ছেড়ে তিনি তৈরি করেন এনসিপি। শিবসেনা এবং কংগ্রেসের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় রয়েছে তাঁর দল। তাই তিনিও হতে পারেন বিরোধীদের প্রার্থী। পাওয়ার প্রার্থী হলে তৃণমূল কিংবা অখিলেশেরও কোনও আপত্তি থাকবে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিজেপি প্রতিনিধিদল

    লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারকেও প্রার্থী করতে পারে কংগ্রেস। মীরা তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন। তাই বিজেপির কোনও দলিত প্রার্থীর পাল্টা বাজি হতে পারেন মীরাই।  বেঙ্কাইয়া নাইডুকেও প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। তিনিও দক্ষ রাজনীতিবিদ। অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন। পরে আসেন রাজ্যসভায়। অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন তিনি। মন্ত্রী ছিলেন মোদি মন্ত্রিসভার। উপরাষ্ট্রপতির অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তাই তিনিও হতে পারেন বিজেপির বাজি।

    কেরলের রাজ্যপাল আরিফ খানকেও রাইসিনা হিলসে পাঠাতে পারে গেরুয়া শিবির। তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সর্বোপরি, মোদি-নীতির সমর্থক। প্রধানমন্ত্রীর প্রায় সব সিদ্ধান্তেই গলা মিলিয়েছেন তিনি। তাঁকে প্রার্থী করা হলে ভোঁতা হয়ে যাবে বিরোধীদের সমস্ত হাতিয়ার।

    তবে শেষ হাসি হাসবেন কে? তা বলবে সময়।

     

  • Prophet Row: পয়গম্বর বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশ, কী বলল প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    Prophet Row: পয়গম্বর বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশ, কী বলল প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদের (prophet Muhammad) মর্যাদা সংক্রান্ত ব্যাপারে কোনও আপোশ করবে না বাংলাদেশ (Bangladesh)। তবে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে বিজেপির (BJP) দুই প্রাক্তন নেতার কথায়, তা সম্পূর্ণভাবে বাইরের বিষয়। সোমবার সাফ জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ।  

    দিনকয়েক আগে হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা বিতর্কিত মন্তব্য করেন। ঘটনার পরে পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। তার পরেও দেশে এবং বিদেশে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, অশান্তি। শুক্রবার জুম্মার নমাজের পরে বাংলাদেশের কিছু এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। হামলা চালানো হয় একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের বাড়িতে। ভারতীয় জিনিসপত্র বয়কট করার পক্ষেও জোরালো দাবি ওঠে। প্রতিবাদ হয় মূলত জমায়েত উলেমা বাংলাদেশ, খিলাফত মজলিস ইসলাম ঐক্যজোটের তরফে।

    আরও পড়ুন : হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

    ঘটনার জেরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, বিজেপির ওই মুখপাত্রদের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ করা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি বলেন, পয়গম্বর হজরত মহম্মদের সম্মানের প্রশ্নে আমরা কোনও আপোশ করব না। পয়গম্বরের বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিন্দাজনক। তবে যাঁরা এটা বলেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ভারত সরকার যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।  

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    হাসান মাহমুদ বলেন, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটা বাইরের বিষয়। এটা ভারতের বিষয়। আমি মনে করি না, এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার আছে। তিনি বলেন, মধ্য প্রাচ্য, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, মলদ্বীপের মতো দেশেরও এনিয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। হাসান মাহমুদ বলেন, উসকানিমূলক মন্তব্যের পরে ভারতে এফআইআর করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, তদন্তও চলবে। এদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে নবী মহম্মদ ইস্যুতে চুপ করে থাকার অভিযোগ তুলেছে মুসলিম দেশগুলি।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইসলামিক বিভিন্ন গোষ্ঠী যাতে উৎসাহ না পায়, তাই নূপুর শর্মা ইস্যুতে সতর্ক হয়ে পা ফেলছে বাংলাদেশ সরকার।

     

  • Karnataka High Court: স্ত্রী কোনও এটিএম মেশিন নয়! বিচ্ছেদের মামলায় পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    Karnataka High Court: স্ত্রী কোনও এটিএম মেশিন নয়! বিচ্ছেদের মামলায় পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম মানসিক সম্পর্ক ছাড়া স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া বা স্ত্রীকে এটিএম (ATM) হিসাবে ব্যবহার করা মানসিক হেনস্তার সমান। এক বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় এই পর্যবেক্ষণ করেছে কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court)। আদালতের মতে, মন থেকে ভালবাসা, আবেগ উবে গিয়েছে যে সম্পর্কে, দুগ্ধবতী গাভী এবং টাকার তোলার মেশিন হয়ে থাকা ছাড়া যে সম্পর্কে স্ত্রীর কোনও অস্তিত্ব নেই, সমাজের খাতিরে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কোনও মানে হয় না। তাতে ইতি টানার পক্ষে রায় দিল আদালত

    দীর্ঘ তিন দশকের বিবাহে ইতি টানতে চেয়ে সম্প্রতি আদালতের দ্বারস্থ হন এক মহিলা। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৯১ সালে বিয়ে হয় তাঁর। ২০০১ সালে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মাধ্যমে এক কন্যাসন্তানেরও আবির্ভাব হয় তাঁদের জীবনে।

    মহিলার দাবি, পেশায় ব্যবসায়ী স্বামী ব্যবসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। দেনার দায়ে মাথা তুলতে পারছিলেন না। সেই অবস্থা থেকে স্বামীকে মুক্ত করতে ২০০৮ সাল থেকে টাকা দিয়ে সাহায্য করতেন তিনি। এই দেড় দশকে নয় নয় করে স্বামীকে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন তিনি।

    মেয়ে এবং তাঁর নামে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে স্বামী ওই টাকা নিতেন বলে জানান আবেদনকারী ওই মহিলা। তিনি জানান, গত দেড় দশক ধরে শুধু তাঁর কাছ থেকে টাকা নিয়ে গিয়েছেন স্বামী। তার কানাকড়িও ফেরত দেননি। বরং দিনের পর দিন তাঁকে অবহেলা করে গিয়েছেন। তা নিয়ে অসম্ভব মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছেন তিনি। বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকে। তাই এই বিবাহ থেকে মুক্তি চান তিনি।

    কিন্তু রাজ্যের পারিবারিক আদালতে ওই মহিলার বিবাহবিচ্ছেদের আরজি খারিজ হয়ে যায়। উল্টে আদালত জানায়, স্বামী তাঁর উপর নির্যাতন চালিয়েছেন, তার সপক্ষে কোনও প্রমাণই দিতে পারেননি আবেদনকারী ওই মহিলা।

    আরও পড়ুন: গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মহিলা

    নিম্ন আদালতে বিচ্ছেদ পেতে ব্যর্থ হয়ে এর পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। বিচারপতি অলোক আরাধে এবং জেএম কাজির ডিভিশন বেঞ্চে সেই আবেদন গৃহীত হয়। তাতে নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দেয় আদালত। অনুমোদন দেওয়া হয় ওই মহিলার বিবাহবিচ্ছেদের আরজিতে। এই ধরনের ঘটনা, যেখানে সাংসারিক অশান্তি, মনোমালিন্যের বিষয় জড়িয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে নির্যাতন বলতে শুধু শারীরিক নির্যাতন নয়, মানসিক নির্যাতনের প্রশ্নও জড়িয়ে থাকে। তাই সবদিক ভাল করে খতিয়ে দেখা উচিত বলে জানায় আদালত।

  • India-China Border: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    India-China Border: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India-China Border) উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। ডোকলাম (Doklam) থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে গ্রাম নির্মাণ করেছে চিন। স্যাটেলাইট চিত্রে (Satellite images) এই ছবি ধরা পড়েছে। ২০১৭ সালে ওই এলাকাতেই বিবাদে জড়িয়েছিল ভারত ও চিন। এখন সেখানেই আস্ত একটা গ্রাম গড়ে উঠেছে৷ বেজিংয়ের তরফে গ্রামটির নাম দেওয়া হয়েছে পাংডা (Pangda)। এটি ভুটান সীমান্তের (Bhutanese territory) কাছাকাছি। 

    সূত্রের খবর, এই গ্রাম ভুটানের আমো চু নদীর (Amo Chu river) তীরেই অবস্থিত৷ এমনকি ওই গ্রামের কিছু অংশ ভুটানের বলেই জানা যাচ্ছে৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ওই জায়গায় চিনা ফৌজ (PLA) গ্রাম নির্মাণ করে সহজে ডোকলাম এলাকায় আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে৷ একবার ওই এলাকা দখল করে ফেলতে পারলে শিলিগুড়ি করিডরের (Siliguri Corridor) অনেক কাছে চলে আসবে চিন। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, শিলিগুড়ি করিডর দখল করে ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দখলের পরিকল্পনা রয়েছে চিনা ফৌজের। 

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে মুখোমুখি জয়শঙ্কর-ওয়াং ই! চলতি মাসের শেষে ফের বৈঠক চিন ও ভারতের

    ২০১৭ সালের ২৭ জুন একটি বিতর্কিত অঞ্চলে চিন রাস্তা নির্মাণ করতে গেলে প্রতিবাদ জানায় ভুটান৷ জানা যায়, চীন জুফেরি পাহাড়ের কাছে ভুটানের সেনা ক্যাম্পের সামনে ডোকলামে রাস্তা সম্প্রসারণের চেষ্টা করছিল। টানা ৭৩ দিন মুখোমুখি অবস্থান ছিল ভারত ও চিনের৷ সেসময় চিনা ফৌজ জোমপেলরি গিরিশিরা পর্যন্ত এগিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ভারতীয় সেনার (Indian Army) বাধায় তা সম্ভব হয়নি।

    আরও পড়ুন: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    প্রাক্তন এক সেনাকর্তা জানিয়েছেন, পাংডা গ্রাম ও তার উত্তর ও দক্ষিণের গ্রামগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে চিনারা ডোকলাম মালভূমির (Doklam Valley) জোমপেলরি গিরিশিরার উপরে বৈধ অধিকার কায়েম করতে চাইছে। এবিষয়ে এখনও অবধি ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বিদেশমন্ত্রকের তরফে কোনও বার্তা মেলেনি। যদিও সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় সেনা চিনা ফৌজের গতিবিধির ওপর নজর রেখেছে৷ যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত। 

  • Commonwealth Games: সোনাই লক্ষ্য মীরাবাঈয়ের! একঝলকে কমনওয়েলথে দ্বিতীয় দিনে ভারতের খেলা

    Commonwealth Games: সোনাই লক্ষ্য মীরাবাঈয়ের! একঝলকে কমনওয়েলথে দ্বিতীয় দিনে ভারতের খেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে ভাল-মন্দ মিশিয়ে কাটল ভারতের প্রথম দিন। কমনওয়েলথ গেমসের ২২ গজে প্রথমবার নেমেই ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় ক্রিকেটার হরমনপ্রীত কৌর। ভারতের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে কমনওয়েলথের আসরে অর্ধশতরান করলেন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত রেকর্ড তৈরি হলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয় অধরাই রয়ে গেল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের। তবে ক্রিকেটে হারের দিনও বাজিমাত করলেন ভারতীয় মহিলা হকি খেলোয়াড়রা। হকিতে পুল এ ম্যাচে ৫-০ গোলে ঘানাকে উড়িয়ে দিল ভারতীয় মহিলা দল। এদিকে, সাঁতারের ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকের সেমিফাইনালে ভারতের শ্রীহরি নটরাজ। ভারতীয় মহিলা ও পুরুষ দলই টেবিল টেনিসের প্রথম রাউন্ড জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে গিয়েছে। পাক প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে প্রথম বাউটে জয়ী ভারতের শিবা থাপা।

    আরও পড়ুন: ছবির মতো সেজেছে বার্মিংহাম! কমনওয়েলথ গেমসের সূচনা

    কমনওয়েলথ গেমসের (CWG 2022) দ্বিতীয় দিনেও ভারোত্তোলন থেকে শুরু করে অ্যাথলেটিক্স এবং টেবিল টেনিস, ভারতীয় খেলোয়াড়দের লড়তে দেখা যাবে। গেমসের দ্বিতীয় দিন বক্সিংয়ের দিক থেকে ভারতের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন ভারতের ১২ জন বক্সার রিংয়ে নামবেন। রয়েছেন টোকিও অলিম্পিকের ব্রোঞ্জ পদক জয়ী লভলিনা বোরগোহাইন, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিখাত জারিন এবং তারকা বক্সার অমিত পাঙ্ঘাল। শনিবার, প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে প্রথম পদকের আশায় থাকবে ভারত। ভারতের তিনজন ভারোত্তোলক (weightlifting) শনিবার অ্যাকশনে নামবেন। এবং দেশ তিনজনের কাছেই পদক আশা করছে। বিশেষ করে টোকিও অলিম্পিকের রুপো জয়ী মীরাবাঈ চানুর (Mirabai Chanu) দিকে থাকবে নজর। ৫৫ কেজি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চানু। তারা ছাড়াও পুরুষদের ৫৫ কেজি বিভাগে পদকের জন্য লড়বেন সঙ্কেত মহাদেব এবং সি ঋষিকান্ত সিং। হকির লিগ রাউন্ডে, ভারতীয় মহিলা দল ওয়েলসের মুখোমুখি হবে। যেখানে দেশের মেয়েরা জয় পাওয়ার অন্যতম দাবিদার। স্কোয়াশে দেশের তারকা খেলোয়াড় জোৎস্না চিনাপ্পা এবং সৌরভ ঘোষাল সিঙ্গলসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নামবেন। দ্বিতীয় দিনে একনজরে ভারতের খেলা:

    ব্যাডমিন্টন

    মিক্সড টিম গ্রুপ প্লে স্টেজ- ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা (দুপুর ১.৩০)

                                             ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (রাত ১১.৩০)

     

    সাঁতার

    পুরুষদের ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল- হিট থ্রি: কুশাগ্রা রাওয়াত- দুপুর ৩.০৬ 

    আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স

    মহিলাদের দলগত ফাইনাল ও ব্যক্তিগত যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ

    রুথুজা নটরাজ, প্রতিষ্ঠা সামান্থা ও প্রণতি নায়েক (রাত ৯)

    বক্সিং

    ৫৪-৫৭ কেজি ফেদারওয়েট- রাউন্ড অফ থার্টিটু: হুসসাম উদ্দিন মহম্মদ (বিকেল ৫)

    ৬৬ কেজি-৭০ কেজি (লাইট মিডলওয়েট), রাউন্ড অফ সিক্সটিন: লভলিনা বড়গোঁহাই- দুপুর ১২

    ৮৬-৯২ কেজি (হেভিওয়েট)- রাউন্ড অফ সিক্সটিন- সঞ্জীত (রাত ১টা)

    ভারত্তোলক

    ৫৫ কেজি বিভাগে ওয়েটলিফটিংয়ে নামবেন সাইকম মীরাবাঈ চানু

    স্কোয়াশ

    পুরুষদের সিঙ্গলসে রাউন্ড অফ থার্টি টু: রমিত ট্যান্ডন- বিকেল ৫, সৌরভ ঘোষাল- সন্ধে ৬.১৫

    মহিলাদের সিঙ্গলসে রাউন্ড অফ থার্টি টু: সুনয়া সারা কুরুভিল্লা- বিকেল ৫.৪৫, জোৎস্না চিনাপ্পা- বিকেল ৫.৪৫

    টেবিল টেনিস

    মহিলাদের গ্রুপে- ভারত বনাম গায়ানা -দুপুর ২টো

    পুরুষদের গ্রুপে- ভারত বনাম নদার্ন আয়ারল্যান্ড- বিকেল ৪.৩০

  • India China Border Talks: পূর্ব লাদাখ নিয়ে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, মিলবে কি সমাধানসূত্র?

    India China Border Talks: পূর্ব লাদাখ নিয়ে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, মিলবে কি সমাধানসূত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব লাদাখে (Eastern Ladakh) ২০ মাসের জটিলতা কাটাতে আবার কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত-চিন (China)। সূত্রের খবর, এই নিয়ে ১৬ বার এ প্রসঙ্গে  বৈঠকে বসতে চলেছে দু’দেশ। তবে এবারও এই বৈঠকের আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান কূটনৈতিক মহল।

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) সম্প্রতি জানিয়েছে, উভয় পক্ষ পূর্ব লাদাখের পশ্চিম সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) বরাবর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করছে। বিদেশ মন্ত্রক আরও বলেছে যে উভয় পক্ষ ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার পশ্চিমাঞ্চলে ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব’ সিনিয়র কমান্ডারদের বৈঠকের পরবর্তী রাউন্ড আয়োজন করতে সম্মত হয়েছে। সামরিক পর্যায়ের সর্বশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১১ মার্চ। তবে তা থেকে কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি।

    এর আগের বৈঠকে একাধিক ‘গঠনমূলক’ প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত (India)। কিন্তু চিনের দিক থেকে সে ভাবে কোনও প্রস্তাব আসেনি। সেনা প্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে দাবি করেন, চিন সীমান্তে সমস্যা জিইয়ে রাখতে চায়। তাই কোনও সদর্থক ভূমিকা নেয় না। তবে ভারত কোনওরকম অনধিকার প্রবেশ বরদাস্ত করবে না।

    আরও পড়ুন: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    ভারত-চিন দু’দেশই নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ জারি রেখেছে। সড়ক নির্মাণ, বিমান ওঠানামার জন্য রানওয়ে তৈরির কাজ করছে চিন। সূত্রের খবর, এই অস্থির পরিস্থিতির জন্য পূর্ব লাদাখে অত উচ্চতায় দু’দেশেরই প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার অস্ত্র সুসজ্জিত সৈনিক মজুত রয়েছে। 

    সম্প্রতি একটি খবর প্রকাশ্যে আসে যে প্যাংগং হ্রদ (Pangong Tso) সংলগ্ন ফিঙ্গার ৮-এর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে একটি বড় সেতু বানাচ্ছে চিন। এই আবহে ভারত নিজেদের অবস্থান আরও পোক্ত করতে লাদাখ সীমান্তে আরও সেনা মোতায়েন করেছে। লাদাখে (Ladakh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (LAC) দুই দিকেই এখন দুই দেশের সমসংখ্যক সেনা মোতায়েন রয়েছে। চিনের আর্মার্ড এবং রকেট রেজিমেন্টগুলি মোতায়েন রয়েছে রুডগ ঘাঁটিতে, প্যাংগং সো-র দক্ষিণে এবং অশান্ত জিনজিয়াং সামরিক অঞ্চলের জিয়াদুল্লাহতে। পিএলএ এয়ার ফোর্স (PLAAF) ডেমচক (Demchak) এবং জিনজিয়াংয়ের (Xinjiang) হোতান এয়ারবেসে তাদের যুদ্ধবিমান এবং বোমারু বিমান মোতায়েন করে রেখেছে। এই আবহে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নতির আশা করছেন অনেকে।

  • India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানির পর এবার রাশিয়া (Russia) থেকে সার আমদানি করবে ভারত (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) আবহে সারের (fertilizer) দাম বেড়েছে বিশ্বজুড়েই। তার আগেই রাশিয়া থেকে সার আমদানির ব্যাপারে আলোচনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে নয়াদিল্লি (new delhi)। কেবল চলতি অর্থবর্ষই নয়, আগামী বেশ কয়েকটি অর্থবর্ষেও যাতে রাশিয়া থেকে সার আমদানি করা যায়, সেই ব্যবস্থাও পাকা করে ফেলেছে মোদি (Modi) সরকার।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    জ্বালানির মতো সারও আমদানি করতে হয় ভারতকে। কারণ ভারতের সিংহভাগ মানুষ কৃষিজীবী। তাই সারের জোগান অব্যাহত রাখা জরুরি। এদিকে কৃষ্ণসাগরের ওপর যুদ্ধের মেঘ কালো ছায়া ফেলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতেও। দেশের ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের অর্থনীতির ১৫ শতাংশ কৃষি নির্ভর। এই আবহে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে রাশিয়া থেকে সার আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে ভারতের একটি বড় সাফল্য।

    জানা গিয়েছে, সার রফতানি করে ভারতের থেকে ডলারের বদলে অন্য কোনও মাধ্যমে মূল্য নেবে রাশিয়া। এ ব্যাপারে রুপি-রুবেল পদ্ধতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দুই দেশ। পাশাপাশি, বার্টার সিস্টেম (barter system) বা পণ্য বিনিময় পদ্ধতির মাধ্য়মেও ভারতকে সার দিতে রাজি পুতিনের দেশ। সেক্ষেত্রে, ভারতের থেকে চা, গাড়ির যন্ত্রাংশের মতো জিনিসপত্রের বদলে সার দেবে রাশিয়া। ভারত থেকে কৃষিপণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জামও আমদানি করবে পুতিনের দেশ।

    অস্ট্রিয়ান পররাষ্ট্র নীতি থিঙ্কট্যাঙ্ক এআইইএসের (AIES) পরিচালক ভেলিনা চাকারোভার মতে, ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার আমদানিকারী দেশ। তারা রাশিয়া থেকে ১ মিলিয়ন টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং পটাশ আমদানি করবে। প্রতি বছর প্রায় ৮ লক্ষ টন নাইট্রোজেন, ফরফরাস এবং পটাশিয়ামও আমদানি করবে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে ছয় মাসের চুক্তি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলির

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়েই লেগেছে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ। প্রত্যাশিতভাবেই দাম বেড়েছে সারেরও। এহেন আবহে ২১ মে মোদি সরকার ঘোষণা করেছিল, কৃষকদের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে বাঁচাতে সরকার সারে ১.১০ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা ভর্তুকি দেবে। অতিরিক্ত বরাদ্দের জেরে বর্তমান অর্থবর্ষে সরকারে মোট সার ভর্তুকির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ২.১৫ লক্ষ কোটিতে।

    বিষয়টি ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন নির্মলা সীতারামণ। তিনি লিখেছিলেন, বিশ্বব্যাপী সারের দাম বাড়লেও, আমরা আমাদের কৃষকদের এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করেছি। বাজেটে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকার সার ভর্তুকি ছাড়াও, আমাদের কৃষকদের আরও উপকার করার জন্য অতিরিক্ত ১.১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    সার নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের আলোচনা হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। তার পরের মাসেই জর্ডনের বিনিয়োগ মন্ত্রী খেরি ইয়াসের আবদেল-মনিম আমরের নেতৃত্বে জর্ডনের এক প্রতিনিধি দল আসেন ভারতে। এ দেশে ফসফেটিক ও পটাশ সার এবং কাঁচামাল সরবরাহের জন্য কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে আলোচনাও করেছেন তাঁরা। সরকারি একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২.৭ মিলিয়ন টন এমওপি বার্ষিক সরবরাহের জন্য জর্ডনের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী মোট সারের প্রায় ১৩ শতাংশ উৎপন্ন হয় রাশিয়ায়। ভারতের একটি প্রধান সার সরবরাহকারী দেশও এটি। 

     

LinkedIn
Share