Tag: India

India

  • GDP: বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতির দেশ ভারত! বলছে জিডিপি বৃদ্ধির হার

    GDP: বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতির দেশ ভারত! বলছে জিডিপি বৃদ্ধির হার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জমানায় ক্রমেই উন্নতির শিখরে পৌঁছচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি। দেশের জিডিপির (GDP) লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। এহেন আবহে ফের এল সুখবর। জানা গেল, প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধি হয়েছে ৭.৮ শতাংশ। এই হার বিশ্বের যে কোনও অর্থনীতির তুলনায় দ্রুততম।

    প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপি

    বৃহস্পতিবার প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপি প্রকাশ করেছে জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস। সেখানেই জানা গিয়েছে, প্রথম ত্রৈমাসিকে উদার সরকারি ব্যয়, শক্তিশালী ভোক্তা চাহিদা এবং উচ্চ পরিষেবা খাতের কার্যকলাপের মতো কারণগুলি সাহায্য করেছে ভারতীয় অর্থনীতিকে। এর আগে প্রকাশ করা হয়েছিল কোর সেক্টরের পরিসংখ্যান। জুলাই মাসে কোর সেক্টরের বৃদ্ধির হার নেমে এসেছিল ৮ শতাংশে। অথচ তার ঠিক এক মাস আগে কোর সেক্টরের বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন খাতে বৃদ্ধির হার

    জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জুন ২০২২ ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ছিল ১৩.১ শতাংশ। সেই তুলনায় এবার বৃদ্ধির হার প্রভাবিত হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকে কৃষি খাতে বৃদ্ধির হার ৩.৫ শতাংশ, নির্মাণ খাতে বৃদ্ধির হার ৭.৯ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে উৎপাদন খাতে বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে ৪.৭ শতাংশে।

    অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, দেশের আর্থিক প্রগতি চারটি ত্রৈমাসিকের মধ্যে এখানেই সব চেয়ে বেশি হতে চলেছে। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে জিডিপি পূর্বাভাস ৭.৮ থেকে ৮.৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে। অর্থনৈতিক নীতিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যা পূর্বাভাস দিয়েছিল, তার সঙ্গেই মিলে যেতে পারে।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডিয়া’ নয়, কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, জানাল আরও একটি রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের নেতৃত্বের বিশেষজ্ঞ কমিটি জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার হবে ৬.৫ শতাংশের মতো। প্রথম ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার হবে ৮ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জানুয়ারি থেকে মার্চের যা জিডিপি, তার তুলনায় এপ্রিল থেকে জুনের ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি থাকবে অনেকটাই বেশি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার ২০২৩-এর জন্য অনুমান করেছিল ৫.৯ শতাংশ। পরে এটি সংশোধন করে জানায় ৬.১ শতাংশ।

    তামাম বিশ্বে বৃদ্ধির নিরিখে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি হিসেবে এগিয়ে রয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। ভারতের তুলনায় ঢের পিছিয়ে রয়েছে ব্রিটেন। প্রথম ত্রৈমাসিকে সে দেশে বৃদ্ধির হার ০.৪, জার্মানির ০.২। আর এই সময়সীমায় জাপানের বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘ইন্ডিয়া’ নয়, কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, জানাল আরও একটি রিপোর্ট

    BJP: ‘ইন্ডিয়া’ নয়, কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, জানাল আরও একটি রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যে বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই ক্ষমতায় ফিরছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে একাধিক সমীক্ষা। এবার সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবেও জানা গেল এনডিএকে সিংহাসনচ্যুত করা ‘ইন্ডিয়া’র ‘কম্ম’ নয়। বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল।

    অঙ্কের হিসেব

    বৃহস্পতিবার থেকে মুম্বইয়ে শুরু হয়েছে দুদিন ব্যাপী এই জোটের তৃতীয় বৈঠক। সেই সময়ই প্রকাশ্যে এল অঙ্কের হিসেব। ২০১৯ সালের নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করেই জানা গেল, কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে এনডিএ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ পেয়েছিল ৩৮.৫ শতাংশ ভোট। উল্টো দিকে ‘ইন্ডিয়া’র (তখন অবশ্য ‘ইন্ডিয়া’ নাম ছিল না) জোট সঙ্গীদের প্রাপ্ত ভোট ছিল শতাংশের হিসেবে ৩৮। সেবার ‘ইন্ডিয়া’ পেয়েছিল ১৫৮টি আসন। এনডিএ পেয়েছিল ২২৪টি আসন। শতাংশের হিসেবে ৫০।

    ভোট বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি

    ভোট বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বিজেপি বিরোধী সব দলগুলির ভোট ‘ইন্ডিয়া’র ঝুলিতে পড়লে এনডিএকে জোর লড়াই দেবে ইন্ডিয়া। তাঁদের মতে, ত্রিমুখী বা চতুর্মুখী লড়াই হলে ভোট কাটাকুটির খেলায় এতদিন বেরিয়ে যেতেন এনডিএ প্রার্থী। এবার লড়াই হবে মুখোমুখি। একদিকে এনডিএ প্রার্থী। অন্যদিকে থাকবেন ‘ইন্ডিয়া’র প্রার্থী। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএ নয়, এগিয়ে রাখছেন ‘ইন্ডিয়া’কে। তবে, সেটা ২-৩ শতাংশ আসনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    ইক্যুইটি ব্রোকার আইআইএফএল সিকিউরিটিজ জানিয়েছে, লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে এরকম হতে পারে ১৭টি আসনে। তা হলেও, এনডিএ (BJP) পাবে অন্তত ম্যাজিক ফিগার ২৭২টিরও বেশি আসন। এদের মতে, যদি ২ শতাংশ ভোটও স্যুইং করে ‘ইন্ডিয়া’র ঝুলিতে যায়, তাহলেও এনডিএ পাবে ২৮৫টির মতো আসন। চলতি বছর পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেক্ষেত্রে যদি এনডিএ-র ফল খারাপ হয়, তার একটা প্রভাব অবশ্য পড়বে লোকসভা নির্বাচনে। আইআইএফএলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ছত্তিসগড়ে কংগ্রেস ফিরতে পারে। তবে রাজস্থানের ক্ষমতার রাশ কংগ্রেসের হাত থেকে যেতে পারে বিজেপির হাতে। প্রসঙ্গত, সি-ভোটার এবং ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্সের সমীক্ষাও বলছে, লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জয়ী হবে যথাক্রমে ৩০৬ ও ৩১৮টি আসনে।

    আরও পড়ুুন: তিলকে আপত্তি মমতার! ভিডিও পোস্ট করে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নে খোঁচা সুকান্তর

    ‘ইন্ডিয়া’কে ‘স্বার্থপরদের জোট’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    এদিকে, ‘ইন্ডিয়া’কে ‘স্বার্থপরদের জোট’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি (BJP) মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তিনি বলেন, “ইন্ডিয়ায় যে ‘কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সেখানে আলোচনা হয়েছে ‘কোরাপশনস ম্যাক্সিমাম প্রফিট’ নিয়ে। কারণ এই দলগুলির সম্মিলিত দুর্নীতির পরিমাণ ২০ লক্ষ কোটির বেশি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হচ্ছে, তাকে আটকে দেওয়াই লক্ষ্য তাদের।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Vladimir Putin: নিরাপদ নয় ভারত! তাই কি জি-২০ বৈঠকে না আসলেও পুতিন যাচ্ছেন চিন সফরে?

    Vladimir Putin: নিরাপদ নয় ভারত! তাই কি জি-২০ বৈঠকে না আসলেও পুতিন যাচ্ছেন চিন সফরে?

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: অগাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনে সশরীরে যোগ দেননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। সেপ্টেম্বরে ভারতে রয়েছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেও তিনি যে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন না, দিন দুয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করে তা জানিয়ে দিয়েছেন পুতিন।

    চিন সফরে পুতিন

    তবে অক্টোবরে চিন সফরে আসছেন তিনি। বেজিংয়ে আয়োজিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে যোগ দিতে পুতিন রাজি হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। পুতিন যদি চিন সফরে আসেন, তাহলে তা হবে তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারির পর প্রথম বিদেশ সফর। ইতিমধ্যেই পুতিনের এই সফরের যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মস্কো। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকেই কাঠগড়ায় তোলে বিশ্বের একটা বড় অংশ।

    গ্রেফতারির খাঁড়ার ভয়

    যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে চলতি বছরের মার্চ মাসে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। নিয়ম অনুযায়ী, যে ১২৩টি দেশ এই আদালতের সদস্য, তার যে কোনও একটিতে পা রাখলেই গ্রেফতার করা হবে পুতিনকে (Vladimir Putin)। এই আদালতের সদস্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই কারণেই পুতিন পা মাড়াননি ব্রিকস সম্মলনের পথে। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য দেশগুলির মধ্যে যেমন ভারত নেই, তেমনি নেই চিনও। প্রশ্ন, হল, তাহলে কেন ভারত সফরে না এসেও চিনে যাচ্ছেন পুতিন? আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, চিন কমিউনিস্ট শাসিত দেশ। ভারতের চেয়ে পুতিন সেখানে অনেক বেশি নিরাপদ বলে মনে করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছের লোকজন। সেই কারণেই জি-২০-র বৈঠকে না গিয়ে চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন পুতিন।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি নিকোলাই পাত্রুশেভ জানান, পুতিনকে (Vladimir Putin) ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে চিন। সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “শীর্ষস্তর সহ বিভিন্ন স্তরে রুশ-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময়সূচি তৈরি করা হচ্ছে। আমরা সময় মতো এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করব।” ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে ইন্দো-মার্কিন সম্পর্ক। সেই সময় একাসনে বসতে চলেছে রাশিয়া এবং চিন।

    তবে কি বদলাচ্ছে বিশ্বরাজনীতি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকসাই চিনে (Aksai Chin) সক্রিয়তা চিনা সেনার। সম্প্রতি চিনা মানচিত্রের যে সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে তাতে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে সে দেশের বলে দাবি করেছে বেজিং। এবার জানা গেল কেবল দাবিই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) প্রায় সত্তর কিলোমিটার দূরে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে চিন। বাঙ্কারের পাশাপাশি এই এলাকায় সুড়ঙ্গও তৈরি করছে চিনা ফৌজ। ভবিষ্যতে যুদ্ধের পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ

    ২০২৩ সালের ১৮ অগাস্ট উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গের কথা জানতে পেরেছে নয়াদিল্লি। মাস কয়েক আগে প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ পাড় জুড়ে সেতু নির্মাণ করছিল চিনা ফৌজ। উপগ্রহ মারফত সে খবরও পেয়েছিল (Aksai Chin) ভারত। তারই রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে সীমান্তে ফের তৎপরতা চিনা সেনার। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এলাকায় স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েন করার কথা ভেবেই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে বেজিং।

    চিনা আগ্রাসন 

    উপগ্রহ চিত্র বিশেষজ্ঞ ডেমিয়েন সাইমন বলেন, “আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মাটির নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ভারতীয় সেনাকে প্রতিহত করতে চাইছে চিন। আকসাই চিনে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেস থাকায় এ দেশের সেনাবাহিনী যে সুবিধাগুলি পায়, তা রুখতেই চিনের এই পদক্ষেপ।” উত্তর লাদাখের দেপসাং উপত্যকা থেকে প্রায় সত্তর কিলোমিটার পূর্বে আকসাই চিনে নদীর পাড় বরাবর সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে লাল ফৌজ। ম্যাক্সার স্যাটেলাইট চিত্রেও ধরা পড়েছে চিনের এই খননকাজ। উপগ্রহ চিত্রে স্পষ্ট, নদীর দুই পাড়েই পাথর কেটে চিন (Aksai Chin) অন্তত ১১টি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে। এই সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কারেই যুদ্ধাস্ত্র মজুত করার পরিকল্পনা করেছেন চিনা সমর কর্তারা।

    আরও পড়ুুন: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

    বছর তিনেক আগেও ডেমচক, ডেপসাং, গালওয়ান, গোগরা উষ্ণ প্রস্রবণের পাশাপাশি ফিঙ্গার এরিয়া ৮ এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছিল লাল ফৌজ। জুন মাসে গাওয়াল উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর নতুন করে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা। এহেন আবহে হ্রদের দক্ষিণে হেলমেট টপ থেকে রেচিন লা বেশ কিছু উঁচু এলাকায় দখল নেয় ভারতীয় সেনার মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mckinsey: ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত হবে বৃহত্তম ‘কাজের লোকে’র জনসংখ্যার দেশ, বলছে রিপোর্ট

    Mckinsey: ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত হবে বৃহত্তম ‘কাজের লোকে’র জনসংখ্যার দেশ, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্যের ভারে ন্যুব্জ বিশ্বের বহু দেশ। তাই শিল্প স্থাপন হলেও কাজ করার লোক নেই। অগত্যা কর্মী আনতে হচ্ছে ভিন দেশ থেকে। তাতে দেশের টাকা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সন্তান ধারণে অনিচ্ছুক মহিলার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এমনটা ঘটছে। ভারতে অবশ্য এমন সমস্যা নেই। বরং এখানে কাজের লোকই বেশি। ২০৩০ সালের মধ্যে তারুণ্যে ভরপুর হবে গোটা দেশ। কেবল ভারত নয়, এই তালিকায় রয়েছে চিন এবং ইন্দোনেশিয়াও। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ম্যাকিনসে (Mckinsey)। সেখানেই বলা হয়ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে জি ২০-র সদস্য দেশগুলির মধ্যে বৃহত্তম কাজের লোকের দেশ হবে ভারত, চিন এবং ইন্দোনেশিয়া।

    ম্যাকিনসের রিপোর্ট

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্ব গভীরভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আগের থেকে এখন আরও বেশি করে হচ্ছে। ডিজিটাল এবং ডেটা ফ্লো বিনিময় হচ্ছে কমিউনিকেশন ও জ্ঞানের সাহায্যে। রিপোর্টে ম্যাকিনসে বলেছেন, যেহেতু বিশ্ব অর্থনীতির চিত্র এখন এটা দেখাচ্ছে, বর্তমানে বিশ্ব একটি নতুন যুগের শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। অর্থনৈতিক ভূগোল বর্তমানে পূর্ব দিকে সরে এসেছে…।

    জি ২০

    রিপোর্টে (Mckinsey) উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রথম ঋণ পৌঁছে গিয়েছে সর্বোচ্চ স্তরে। জি ২০-র সদস্য দেশগুলির ডেট-টু-গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্টের হার ৩০০ শতাংশেরও বেশি। জি ২০-র দেশগুলির মধ্যে ভারত এবং চিন হয়ে উঠবে সমৃদ্ধির চালিকা শক্তি। অন্য দেশগুলিও অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে আরও ভাল অবস্থায় চলে আসবে।

    আরও পড়ুুন: দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালী রায়, ধূপগুড়িতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    জি ২০-র সদস্য দেশগুলির অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যা ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্টের লাইনের নীচে বাস করে। এর মধ্যে ১০০ মিলিয়ন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা চরম দারিদ্রের মধ্যে বাস করছেন। তামাম বিশ্বের নিরিখে এর পরিমাণ ৪.৭ বিলিয়ন। ম্যাকিনসের মতে, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার তিনের চার ভাগেরও বেশি মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। ২০২১ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত (Mckinsey) ৫.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করলেই ভারতে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষ থাকবে না বললেই চলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “ভারতে আজ যাঁরা গরিব, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতে আজ যাঁরা গরিব, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যাঁরা গরিব রয়েছেন, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত।” রবিবার দিল্লিতে বি-২০ সম্মেলনে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রের দরিদ্র-মুখী নীতি দেশে একটা বিরাট সংখ্যক মধ্যবিত্ত তৈরি করবে কয়েক বছরের মধ্যেই। এঁরাই হবেন ভারতের অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির চালিকা শক্তি।”

    ‘এঁরাই বৃহত্তম ক্রেতা’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নিত্য বহু মানুষ দারিদ্রের গণ্ডি ছেড়ে বের হচ্ছেন। তাঁরা ঢুকে পড়ছেন নয়া মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে। এর অর্থ হল, দারিদ্র দূরীকরণে সরকার যে নীতি নিয়েছে, তা ঠিকঠাকভাবেই কাজ করছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “যাঁরা নয়া মধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, এঁরাই বৃহত্তম ক্রেতা। তাঁরা নয়া উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে আসছেন। তাঁরাই ভারতকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। দরিদ্রদের তুলে ধরতে সরকার যেসব কাজ করছে, তার সুবিধা আসলে ভোগ করছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি, এমএসএমইএস। দরিদ্রমুখী নীতির জন্য আপনারা দেখতে পাবেন আগামী পাঁচ-সাত বছরের মধ্যেই দেশে বেড়ে গিয়েছে মধ্যবিত্ত জনসংখ্যা।”

    ‘সকলকেই সমান অংশ নিতে হবে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রয় ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের সাহায্য করে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য যদি আত্মকেন্দ্রিক হয়, আমি মনে করি না যে, আমরা আমাদের কিংবা বিশ্বের কোনও ভাল করতে পারব।” তিনি (PM Modi) বলেন, “লাভজনক ব্যবসা টিকে থাকবে তখনই, যখন ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকবে। এটা একটা দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমরা যদি বাজারে কেবল অন্য দেশকেই দেখি, তাহলে আমাদের উৎপাদন আজ হোক কিংবা কাল মার খাবেই। সামনের দিকে এগনোর মন্ত্রই হল, অগ্রগামিতায় সকলকেই সমান অংশ নিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: “পুরো রাজ্যটাই বেআইনিভাবে চলছে”, বারাসতকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৪.০ শিল্প বিপ্লবের মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিশ্ব সমৃদ্ধি নির্ভর করবে বাণিজ্যের ভবিষ্যতের ওপর।” তিনি বলেন, “কোভিড অতিমারি পর্বে বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান ছিল ভারত। কোভিড অতিমারি-উত্তর পর্বেও ভারত বিশ্ব গ্লোবাল সাপ্লাই চেনকে উন্নত করছে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “গ্লোবাল সাপ্লাই চেনকে বিশ্ব কখনও একভাবে দেখে না। প্রয়োজনের সময় যদি কাজ না করতে পারে, তাহলে কী সেই সাপ্লাই চেনকে দক্ষ বলা যেতে পারে? ভারত হচ্ছে এর সমাধান। দক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য গ্লোবাল সাপ্লাই চেন ঠিক রাখতে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

     

  • AADHAAR: “ভারতের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির প্রধান কারণ আধার”, বললেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট  

    AADHAAR: “ভারতের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির প্রধান কারণ আধার”, বললেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আধারের (AADHAAR) জয়গান গাইলেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, ভারত যে দ্রুত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠছে, তার প্রধান কারণ হল ডিজিটাল আইডি বা আধার কার্ড। এই আধার কার্ড প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মানুষকে ইস্যু করা হয়েছে। 

    মোদি সরকারের কৃতিত্ব

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। সেই সময় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল দশম স্থানে। সম্প্রতি এই তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে সরিয়ে পঞ্চম স্থান দখল করেছে ভারত। ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট বোর্জে ব্রেন্ডে জানান, তিনি যখন ‘দ্য ভয়েস অফ দ্য গ্লোবাল সাউথের’ প্যানেলে, তখন সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি অসমের এক ঠাকুমাকে দেখেছেন, যিনি তাঁর সেলফোন থেকে নাতি-নাতনিকে টাকা পাঠাচ্ছেন। বর্জ ব্রেন্ডে বলেন, “যদি ভারতের ১.৪ বিলিয়ন মানুষ ডিজিটালি যুক্ত হন, আর বিশ্বের ৭ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে যদি ৪ বিলিয়নই যদি ডিজিটালি যুক্ত না হন, তাহলে কী হবে? আপনাদের একটা বিরাট বড় সুযোগ আছে। এটি (আধার) অর্থনৈতিক উন্নতির একটি মানদণ্ড। দারিদ্র দূরীকরণের একটি ধাপও।” 

    আধারের লাভ

    একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে প্যানেলে থাকা আরও অনেকের মুখেও। তাঁরাও বলেন, “আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ (AADHAAR) একটি মাইক্রো এবং ম্যাক্রো বিষয়। আপনি যদি আর্থিক অন্তভুক্তিকরণে যুক্ত না হন, যাঁরা এর বাইরে রয়েছেন, যাঁদের অর্থনৈতিক লেনদেনের টুলগুলি সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই, তাহলে সেটি মারাত্মক বিষয়। দারিদ্রও একটি মারাত্মক বিষয়। আধার প্রোগ্রামের সাহায্যে ভারত যা করছে, তা হল তারা লোকজনকে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত করছে।” তাঁরা এও জানান, এই মুহূর্তে আপনাদের (ভারতের) কাছে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। মানুষ ফর্মাল অর্থনীতির অংশীদার হচ্ছে। এর মধ্যে আমরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। আমরা সেগুলির দ্রুত শ্রীবৃদ্ধি করতে পারি। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে কর্মসংস্থান হবে। সেই কারণেই ভারত দ্রুততমগামী উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ। কারণ এ দেশের আধার (AADHAAR) অর্থনীতি এখন প্রতিদান দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: “‘লাল ডায়েরি’ ইস্যুতে ইস্তফা দেওয়া উচিত”, রাজস্থানে গেহলটকে নিশানা শাহের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ অফ্রিকার জোহানেসবার্গে হয়ে গেল ব্রিকস (BRICS) সম্মেলন। এই সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠক হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (India China)। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এহেন বৈঠক নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। চিনের দাবি, ভারতের সঙ্গে বৈঠক করতে অনুরোধ করেছে নয়াদিল্লি। যদিও চিনের দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে ভারতের পাল্টা দাবি, পার্শ্ববৈঠক করতে তদ্বির করেছিল চিন-ই।

    ব্যতিক্রম চিন

    ব্রিকসে যে দেশগুলি রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে চিন এবং ভারতও (India China)। গত কয়েক বছরে প্রতিবেশী এই দুই দেশের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। বুধবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ড করে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ভারতের এই সাফল্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। ব্যতিক্রম চিন। ব্রিকস সম্মলনের প্রথম দিন মঞ্চে চিনা প্রেসিডেন্ট ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের দু পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল।

    করমর্দন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের 

    পরের দিন মুখোমুখি হতেই করমর্দন করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ সচিব বলেছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে কথা হয়েছে মোদি ও শিয়ের মধ্যে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বাকি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও কথা বলেন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যে পরিস্থিতি বিদ্যমান, শিয়ের সঙ্গে কথোপকথনে সেই প্রসঙ্গও উঠেছিল। এদিকে, চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা (India China) হয়েছে, শি বলেছেন চিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি দু দেশের নাগরিকদের স্বার্থকেই চরিতার্থ করবে। এবং তা শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়নের জন্যও সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    চিনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বেজিংয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি। নয়াদিল্লির পাল্টা দাবি, চিনের তরফে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের আবেদন আগেই করা হয়েছিল। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, চিনের সেই আবেদন মেনেই বৈঠক হয়েছে মোদি-শি-য়ের। প্রসঙ্গত, ব্রিকসের (India China) সদস্য দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার সম্মেলন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে। সম্মেলন শুরু হয়েছিল ২২ অগাস্ট, শেষ হয় ২৪ তারিখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চে করমর্দন মোদি-জিনপিংয়ের, ভারতের সাফল্যে খুশি নন চিনা প্রেসিডেন্ট?

    BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চে করমর্দন মোদি-জিনপিংয়ের, ভারতের সাফল্যে খুশি নন চিনা প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit) মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। তবে বুধবার ফটোশেসনের সময় দেখা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসের দু পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দুজন। বুধ-সন্ধ্যায় চাঁদের মাটি ছোঁয় ভারতের চন্দ্রযান-৩।

    মোদি-জিনপিংয়ের করমর্দন

    ভারতই প্রথম দেশ যে পা রেখেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। সম্ভবত, তার পরেই বদলে গেল ছবিটা। বৃহস্পতিবার করমর্দন করতে দেখা গেল মোদি এবং জিনপিংকে। এএনআইয়ের প্রকাশ করা একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, মোদি ও জিনপিং একে অপরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, হাত মেলাচ্ছেন এবং কথা বলছেন। তবে এই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ঠিক কী কথা হল, তা জানা যায়নি। গত বছর জি-২০ সম্মেলন হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও জিনপিং। সেই সময় করমর্দন (BRICS Summit) করতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের।

    ব্রিকসের কলেবর বৃদ্ধির প্রস্তাব

    এদিকে, ব্রিকসের কলেবর বৃদ্ধির পক্ষেও এদিন সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ব্রিকস বর্ধনকে সব সময় সমর্থন করে এসেছে ভারত। আমরা বিশ্বাস করি ব্রিকসের সদস্য সংখ্যা বাড়লে তা আরও শক্ত হবে।” উন্নয়নশীল দেশগুলি যেভাবে ব্রিকসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তাতে তিনি খুশি বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন ইজিপ্ট, আর্জেন্টিনা, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং ইউনাইটেড আরব আমিরশাহিকে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে, বুধ-সন্ধ্যায় ভারতের চন্দ্রাভিযান সফল হওয়ায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের মতো বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ, তেমনি রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোতায় শেরিং, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো উন্নয়নশীল দেশের নেতারাও। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টও।

    আরও পড়ুুন: “আমরা তো চাঁদেই বাস করছি”! ভারতের ‘চাঁদমারি’তে শ্লেষ পাক নাগরিকের

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে ইতিহাস গড়েছে ভারত। এহেন আবহে বিশ্ব নেতারা ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেও, অদ্ভুতভাবে নীরব জিনপিং। এ ব্যাপারে (BRICS Summit) একটি বাক্যও ব্যয় করেননি কমিউনিস্ট শাসিত দেশটির প্রেসিডেন্ট।

    ভারতের চাঁদ জয়ে কি তবে গোঁসা হল কমরেডের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Chandrayaan 3: “মোদির নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে ভারত”, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর চন্দ্র-জয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    Chandrayaan 3: “মোদির নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে ভারত”, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর চন্দ্র-জয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে পৌঁছচ্ছে ভারত।” চাঁদের মাটিতে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল অবতরণের পর এমনই দাবি করছে বিজেপি (BJP)। বুধ-সন্ধ্যায় চাঁদের মাটি ছোঁয় ইসরোর চন্দ্রযান-৩। তার পরেই দেশ তো বটেই প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যেও দেখা যায় উন্মাদনা। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সফল অবতরণের আগে আগেই রাশিয়ার চন্দ্রযান ‘লুনা ২৫’ মুখ থুবড়ে পড়েছিল চাঁদের মাটিতে। সেই কারণেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে চন্দ্রযান-৩-র সফল অবতরণ।

    প্রশংসা জেপি নাড্ডার 

    বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীদের। প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই সফল হয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণ। মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারত যে একটা শক্তি, এবার তাও জানল বিশ্ব।” ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র মন্ত্রে দীক্ষিত ভারত যে একটা নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে পেরেছে, এজন্যও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “মোদির নিরলস প্রচেষ্টা এবং আমাদের বিজ্ঞানীদের দক্ষতা না হলে এই সাফল্য (‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবতরণ) আসত না। এটি একটি ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব সাফল্য।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআইয়ের তলব তৃণমূল নেতা সুজিত বসুকে, ফাঁসতে পারেন মন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “ইসরো সব মিলিয়ে ৮৯টি স্যাটেলাইট লঞ্চ মিশন করেছে। এর মধ্যে ৪৭টিই হয়েছে মোদির আমলে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে মহাকাশেও ভারতের কর্তৃত্ব করছে। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণে ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য আমি ইসরো এবং আমাদের বিজ্ঞানীদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও বলেন, “চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সফল অবতরণ মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে একটি সোনালি অধ্যায় রচনা করল।”

    প্রশংসা শুভেন্দুরও 

    ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল অবতরণে গর্বিত বঙ্গ বিজেপিও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, আমরাই প্রথম দেশ, যেটা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গিয়ে সফল ল্যান্ডিং করেছি। আপনারা দেখেছেন, নিজেদের উন্নত দেশ বলে দাবি করা, অন্য দেশগুলি পারেনি। নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যতে তাঁরা পারবেন, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। ভারতের বিজ্ঞানীদের মেধা, ভারত সরকারের কর্ম তৎপরতা ও উদ্যোগ দুটোই মৌলিক।” শুভেন্দু বলেন, “আমরা দেশবাসী হিসেবে ভীষণ গর্বিত এবং উৎসাহিত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানুষ পাঠানোর জন্য কাজ করছে ইসরো। সূর্য, শুক্র সহ একাধিক গ্রহ নক্ষত্রকে নিয়ে গবেষণা চলছে। ব্রহ্মাণ্ডকে একদিন করায়ত্ব করে নেবে ভারতবর্ষ, তার জ্ঞান, প্রতিভা এবং আগামিদিনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share