Tag: India

India

  • US India Meet: জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেন বৈঠকে উঠলই না নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ, হতাশ ট্রুডোর দেশ!

    US India Meet: জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেন বৈঠকে উঠলই না নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ, হতাশ ট্রুডোর দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধাক্কা খেলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো! খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, পাশে পাবেন বন্ধু আমেরিকাকে। দিন কয়েক আগে বুক বাজিয়ে বলেওছিলেন, ব্লিঙ্কেন-জয়শঙ্কর বৈঠকে (US India Meet) অবশ্যই উঠবে নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ। বৃহস্পতিবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক হয় মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে। সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে নানা বিষয় আলোচনা হলেও, ওঠেনি নিজ্জর প্রসঙ্গ।   

    আলোচনা ইতিবাচক, বলছে আমেরিকা 

    ভারত আমেরিকার ‘বিশেষ কৌশলগত মিত্র’। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণে নয়াদিল্লিকে চটাতে চায়নি জো বাইডেনের দেশ। তাই জয়শঙ্কর ব্লিঙ্কেন বৈঠকে ওঠেনি নিজ্জর খুনে কানাডার অভিযোগের প্রসঙ্গ। এদিন বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, “প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা এবং দুষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।”

    জয়শঙ্কর-সালিভান বৈঠক

    এদিন জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভানও। বৈঠকের আগে (US India Meet) ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেছিলেন, “গত কয়েক বছরে কানাডায় পরিকল্পিত অপরাধের সংখ্যা ব্যাপক বেড়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদ, উগ্রপন্থার কারণেই এই অপরাধ এবং হিংসা। কানাডা থেকে কী কী অসামাজিক কার্যকলাপ চলে তা জানিয়ে জঙ্গি নেতাদের চিহ্নিত করে প্রত্যর্পণ করতেও আবেদন জানানো হয়েছে।” বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লেখেন, “ওয়াশিংটন সফর শুরু হল আমেরিকার নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভানের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রবল সম্ভাবনার দিকটি খতিয়ে দেখে তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে কথা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানের পাশ থেকে সরে গেলেন ‘কমরেড’ও! অথৈ জলে ইসলামাবাদ

    গত জুন মানে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন ট্রুডো। কানাডার অভিযোগকে মনগড়া ও মিথ্যে বলে জানিয়ে দেয় ভারত। কানাডার এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি মিত্র দেশগুলি। কানাডা ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র সদস্য। এই চার সহযোগী দেশকেও পাশে পায়নি ট্রুডোর দেশ। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যেবাদী বলে দেগে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাও। এমতাবস্থায় জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেনের বৈঠকে (US India Meet) নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ না ওঠায় প্রত্যাশিতভাবেই হতাশ কানাডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Canada Row: “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা”, নিউইয়র্কে জয়শঙ্কর

    India Canada Row: “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা”, নিউইয়র্কে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে আরও বিপাকে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর সরকার (India Canada Row)। নিজ্জর খুনে ভারতকে দুষে ট্রুডো যখন বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন, সেই সময় ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে আমেরিকা। আজ, বৃহস্পতিবার মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিকেনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ভারত এবং কানাডা দুই দেশই। তবে আমেরিকার বন্ধু দুই দেশ ভারত ও কানাডার মধ্যে যে সম্পর্কের শৈত্য চলছে, সে প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    বিশ্বরাজনীতিতে একা ট্রুুুুুুুুডো!

    জুন মাসে কানাডায় (India Canada Row) খুন হয় খালিস্তানি জঙ্গি নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। অভিযোগের সারবত্তা নেই বলে দাবি করে নয়াদিল্লি। তার পর থেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। তবে কানাডার ওই অভিযোগের পরেও বন্ধু দেশের পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা। নিজ্জর খুনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, ভারতকে আঘাত করে এমন একটি কথাও বলেনি জো বাইডেনের দেশ। ট্রুডোর পাশে দাঁড়ায়নি ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র কানাডা বাদে বাকি চার দেশের কেউই। এহেন আবহে ভারত-মার্কিন বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের।

    কানাডার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিল ভারত 

    এদিকে, সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের (India Canada Row) বিরুদ্ধে কানাডা সরকার কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ভারত। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা।” এজন্য ভারত যে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেভাবে কানাডিয়ান হিন্দু, শিখ এবং ভারতীয় কূটনীতিকদের হুমকি দিচ্ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জয়শঙ্কর। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণে যে কানাডা সরকার সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না, তাও জানিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। নিজ্জর খুনে কানাডার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রথমত, এটা ভারত সরকারের নীতির পরিপন্থী। আর দ্বিতীয়ত, আমরা তো কানাডা সরকারকে বলেইছি যে ভারতের হাত হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ পেলে আমাদের দাও, আমরা তা পরীক্ষা করে দেখব।”

    আরও পড়ুুন: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • ICC World Cup 2023: ৭ বছর পর ভারতে পাক ক্রিকেট দল! বিশ্বকাপে বাবরদের ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

    ICC World Cup 2023: ৭ বছর পর ভারতে পাক ক্রিকেট দল! বিশ্বকাপে বাবরদের ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু টালবাহানর পর অবশেষে বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) খেলতে ভারতে পৌঁছল পাকিস্তান (Pakistan) ক্রিকেট দল। দুবাই থেকে বিশেষ বিমানে বাবর আজমরা বুধবার হায়দরাবাদে নামেন। সেখানেই তাঁরা খেলবেন দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ। ২৯ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে, তারপর ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। বাবরদের নিরাপত্তায় ৪ হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুরক্ষার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের হোটেল পার্ক হায়াতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে রাখা হয়েছে। 

    শেষ কবে ভারতে

    এর আগে ২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে এসেছিল পাকিস্তান। সাত বছর পর পাক দলের ভারতে আসা নিয়ে কম নাটক হয়নি। প্রথম থেকেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB)  নানা অছিলায় বিসিসিআই (BCCI) এবং ভারত সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। যদিও তা ধোপে টেকেনি। পাকিস্তান অভিযোগ করছিল, অন্য দেশ ভিসা পেলেও পাক দলের ক্ষেত্রে অহেতুক গড়িমসি করছে ভারত (India) সরকার। এই ব্যাপারে তারা আইসিসি’র হস্তক্ষেপও দাবি করে। শেষ পর্যন্ত সোমবার সন্ধ্যায় বাবরদের ভিসা মঞ্জুর হয়। তবে পাকিস্তানের আরও অভিযোগ, ভারতে আসার আগে দুবাইয়ে কয়েকদিন প্রস্তুতি শিবির করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। ভিসা সমস্যার কারণে তা ভেস্তে যায়।

    অভিযোগ করা অভ্যাস

    এদিকে, বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষকর্তা জানান, ‘নিয়ম মেনে সঠিক সময়েই ভিসা মঞ্জুর করা হয়েছে। শুধু পাকিস্তান নয়, আফগানিস্তানকেও ভিসা দেওয়া হয়েছে একই দিনে। তাই পিসিবি কর্তারা যে অভিযোগ করছেন, তা সঠিক নয়। অভিযোগ করা ওঁদের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে এস পৌঁছেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ড, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্যভেদ! শ্যুটারদের হাত ধরে এশিয়ান গেমসে ষষ্ঠ সোনা ভারতের

    ভারত-পাক মহারণ

    এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পর পাকিস্তান বেশ চাপে। তবুও বিশ্বকাপে ভালো ফলের ব্যাপারে আশার বাণী শুনিয়েছেন ক্যাপ্টেন বাবর আজম। ৫ অক্টোবর শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। পাকিস্তান নামবে পরের দিন। প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ড। বাবরদের পরের ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১০ অক্টোবর। যাদের কাছে হেরে এশিয়া কাপ থেকে  ছিটকে যেতে হয়েছিল রিজওয়ানদের। তবে যে ম্যাচের দিকে নজর গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার, সেই ভারত-পাক (India vs Pakistan) মহারণ হবে ১৪ অক্টোবর আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচ ঘিরে দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে দারুণ উন্মাদনা রয়েছে। লক্ষাধিক দর্শক গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলের হয়ে গলা ফাটানোর সুযোগ পাবেন। মাঠে থাকতে পারেন দুই দেশের রাষ্ট্রনেতারা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • India Canada Row: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    India Canada Row: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি খুনে ভারতের দিকে আঙুল তুলে বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে কানাডা (India Canada Row)। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে ‘মিথ্যেবাদী’ তকমা দিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে শ্রীলঙ্কা। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে সাদামাটা একটা বিবৃতি দিলেও, ভারতকে চটাল না ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স।

    ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স

    আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদানের প্লাটফর্ম হল ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স। নিজ্জর খুনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, ভারতের বিরুদ্ধে কোনও কড়া প্রতিক্রিয়া দেয়নি আমেরিকা। জো বাইডেনের দেশের পন্থা অবলম্বন করেছে কানাডা ছাড়া ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সের বাকি চারটি দেশও।

    স্বার্থের কারণে কানাডার পাশে নেই অস্ট্রেলিয়াও

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে ঢাল করে চিনের বিরুদ্ধে জোট মজবুত করতে চাইছে আমেরিকা। এজন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চাইছে না আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। তাছাড়া আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের পাশাপাশি কোয়াড গ্রুপে রয়েছে ভারতও। সেই কারণেই কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সের চার (India Canada Row) দেশ। আবার দক্ষিণ চিন সাগরে চিনকে রুখতে গেলে ভারতকে পাশে পাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে অস্ট্রেলিয়া। সেই কারণে কানাডার পাশে নেই অস্ট্রেলিয়াও।

    অটোয়াজ কার্লেটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক স্টেফানি কার্ভিন বলেন, “পশ্চিমি বিশ্বের হিসেবে চিনের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে তাদের প্রয়োজন ভারতকে, কানাডাকে নয়। সেই কারণেই পশ্চিমি বিশ্বের দেশগুলি কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার ৩ নম্বরে চলে আসবে ভারত। সেই কারণেও নয়াদিল্লিকে চটাতে চাইছে না পশ্চিমের কোনও দেশ।

    আরও পড়ুুন: “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়”, কানাডাকে নিশানা জয়শঙ্করের

    অথচ নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষী সাব্যস্ত করতে হলে ‘বন্ধু’ কোনও দেশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সমর্থন পাচ্ছে না ট্রুডোর দেশ। জঙ্গি খুনে কানাডা মিথ্যে বলছে বলে জানিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ (India Canada Row) প্রকাশ করেছেন ট্রুডোর দলেরই সাংসদ চন্দ্র আর্য। যার জেরে ক্রমেই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন ট্রুডো। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তে ভারতের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ভারত যে কানাডাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত, আমরা তা পরিষ্কার করে দিয়েছি। তবে কোনও প্রমাণ যদি সামনে আসে তাহলেই সেটা করা সম্ভব। কানাডা কখনওই ভারতকে সাহায্য করেনি। বরং ভারত থেকে পালিয়ে যাওয়া গ্যাংস্টারদের আশ্রয় দিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Canada Row: “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়”, কানাডাকে নিশানা জয়শঙ্করের

    India Canada Row: “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়”, কানাডাকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়।” মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের ৭৮ তম সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জুন মাসে কানাডায় (India Canada Row) খুন হয় খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তীব্র প্রতিবাদ করে ভারত। তার পর থেকে ভারত-কানাডার সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।

    জয়শঙ্করের নিশানায় কানাডা

    এহেন আবহে মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিতে গিয়ে নাম না করেই কানাডাকে নিশানা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়। ঠিক একই কারণে চরমপন্থা ও কোনও হিংসায় মদত দেওয়াও অনুচিত। খেয়াল রাখতে হবে এমনটা যেন না হয় নিয়ম নির্মাতারা নিয়ম গ্রহীতাদের বশীভূত করছে। নিয়ম তখনই কাজ করবে, যখন সকলের জন্য নিয়ম সমান হবে।” এদিন নাম না করে চিন এবং পাকিস্তানকেও একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর।

    আক্রমণ চিন, পাকিস্তানকেও

    তিনি বলেন, “কিছু কিছু দেশ নিজেদের মতো এজেন্ডা তৈরি করে আশা করে যে অন্যরাও সেটা মেনে নেবে। সেই দিন এবার শেষ।” তিনি বলেন (India Canada Row), “নয়াদিল্লি অবশ্য মনে করে কূটনীতি আর আলোচনাই সমাধানের একমাত্র পথ।” এক বিশ্ব এক পরিবারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটা শুধু ভারতের ধারণা নয়, গোটা বিশ্ব এতে বিশ্বাস করছে। এর ফলে সহযোগিতার বীজ বপন করা সম্ভব হচ্ছে।” এদিন বক্তব্যের শেষে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “নমস্তে ফ্রম ভারত।” তবে ‘ইন্ডিয়া’ নামটিও বাদ দেননি জয়শঙ্কর। যখনই দেশের প্রসঙ্গ এসেছে, তিনি ব্যবহার করেছেন ‘ইন্ডিয়া’ নামটি। ভাষণের একেবারে শেষে জয়শঙ্কর বলেন, “ইন্ডিয়া দ্যাট ইজ ভারত।”

    আরও পড়ুুন: খালিস্তানি দমনে কড়া ব্যবস্থা এনআইএ-র! দেশজুড়ে ৫০ জায়গায় হানা

    প্রসঙ্গত, সদ্য (India Canada Row) সমাপ্ত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে ‘ভারত’ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরেই জল্পনা ছড়ায়, দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’ বদলে ‘ভারত’ হচ্ছে। খাতায়-কলমে এখনও অবশ্য তা হয়নি। তবে ‘ইন্ডিয়া’ আর ‘ভারত’ যে একই দেশ, প্রধানমন্ত্রীর পর বিশ্ব রাজনীতিতে সেই পরিচয় করাতে উদ্যোগী হলেন বিদেশমন্ত্রীও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের (Khalistani Terrorists) আশ্রয় দিয়ে আরও গাড্ডায় কানাডার ট্রুডো সরকার। এবার শ্রীলঙ্কাও জানিয়ে দিল, জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে কানাডা। খালিস্তানি জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে কানাডায়। তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দেশের। এবার শ্রীলঙ্কার নিশানায়ও ট্রুডো সরকার। যার জেরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে ট্রুডোর দেশ।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা দ্বীপরাষ্ট্রের

    জুন মাসে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন ট্রুডো। এ প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরি বলেন, “ট্রুডো (Khalistani Terrorists) মিথ্যা কথা বলেন। এর আগে কানাডা সরকার দাবি করেছিল শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে। সেটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। ট্রুডোর অভিযোগ তাই আমাকে অবাক করে না।”

    ‘সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা’, বলল শ্রীলঙ্কাও

    তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী কোনও প্রমাণ ছাড়াই আপত্তিকর অভিযোগ তোলেন বারংবার। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও একই রকম অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে ভয়ানক ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। সবাই জানে, আমাদের দেশে কোনও গণহত্যা হয়নি।” ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, শ্রীলঙ্কার বিদায়ী হাইকমিশনার মিলিন্ডা মোরাগোদাও। কানাডার অভিযোগের পর ভারতের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের কার্যকলাপের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা। তবে সন্ত্রাসবাদ উচ্ছেদে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার।” তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এই আবহে ভারতের প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট দ্ব্যর্থহীন ও দৃঢ়। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তাতে আমরা ভারতকেই সমর্থন করছি। আমার ৬০ বছরের জীবনে ৪০ বছর শ্রীলঙ্কায় একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ হতে দেখেছি। আর এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের ফলস্বরূপ আমি অনেক বন্ধু ও সহকর্মীকে হারিয়েছি।”

    আরও পড়ুুন: কানাডায় হিন্দু-শিখদের লাগাতার হুমকি খালিস্তানপন্থীদের, গদি বাঁচাতে চুপ ট্রুডো

    রাশিয়ার তোপের মুখেও ট্রুডো প্রশাসন

    এদিকে, হিটলারের নাৎসি বাহিনীর এক বর্ষীয়ান সদস্যকে সম্মান জ্ঞাপন করা হয় কানাডার পার্লামেন্টে (Khalistani Terrorists)। ৯৮ বছরের ওই ব্যক্তি ইউক্রেনের বাসিন্দা। নাৎসি বাহিনীর সদস্যকে ট্রুডো সরকার সম্মান জানানোয় বেজায় চটেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “নাৎসির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে যেভাবে সম্মান জানানো হয়েছে, তা উদ্বেগ তৈরি করে। নাৎসি জমানার ভয়াবহ স্মৃতি উসকে দেয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Canada India Relationship: বেসুরো গাইছেন দলীয় সাংসদ, বিপাকে জাস্টিন ট্রুডো, তাই সুর নরম প্রতিরক্ষামন্ত্রীর!

    Canada India Relationship: বেসুরো গাইছেন দলীয় সাংসদ, বিপাকে জাস্টিন ট্রুডো, তাই সুর নরম প্রতিরক্ষামন্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের অন্দরেই বেসুরো ধ্বনি। শেষমেশ তাই বোধহয় ঢোক গিলতে বাধ্য হল কানাডা সরকার। প্রায় তলানিতে ঠেকে যাওয়া ভারত-কানাড সম্পর্কের (Canada India Relationship) উন্নতি ঘটাতে সুর নরম করলেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “ভারতের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের তদন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

    সরকার বাঁচাতে ভারতের দিকে আঙুল!

    গত জুন মাসে কানাডায় প্রকাশ্যে খুন হন নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তার পরেই ভারত-কানাডা সম্পর্কে অবনতি হয়। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যেহেতু শিখদের একটা বড় অংশের সমর্থনে চলছে ট্রুডোর জোট সরকার, তাই শিখদের চটানো ট্রুডোর পক্ষে সম্ভব নয়। সরকার বাঁচাতে সেই কারণে ট্রুডো দুষছেন ভারতকে।

    দলের অন্দরেই পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ

    তবে এনিয়ে ট্রুডোর দল লিবারাল পার্টির অন্দরেই পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ। দলীয় সাংসদ চন্দ্র আর্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর ওই বিবৃতির পরেই কানাডায় বসবাসকারীরা আতঙ্কে রয়েছেন। বিষয়টি উদ্বেগজনক।” দলের (Canada India Relationship) অন্দরেই বেসুরো ধ্বনি ওঠায় খানিক সুর নরম করেছে ট্রুডো সরকার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিল ব্লেয়ার বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার প্রশ্নে এটা (নিজ্জর হত্যা বিতর্ক) একটা কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু দেশের আইন এবং নাগরিকদের রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই আমরা তদন্ত চালিয়ে সত্যিটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।”

    আরও পড়ুুন: উপত্যকায় বড় নাশকতার ছক ফাঁস! কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার পাঁচ লস্কর জঙ্গি

    ভারতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে সমস্যা হবে, তাও মানছেন কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “সেটা খুবই উদ্বেগের বিষয় হবে। কারণ, সে ক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌম ক্ষমতা খর্ব করে দেশের মাটিতেই কানাডার নাগরিককে হত্যার ঘটনা প্রমাণিত হবে।”

    এদিকে, কানাডা (Canada India Relationship) যে ক্রমেই খালিস্তানি জঙ্গিদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে, তা জানা গিয়েছে সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, ট্রুডো সরকারের মদতে অন্তত ২১ জন কট্টরপন্থী খালিস্তানি নেতা কানাডায় আশ্রয় পেয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর তারা সে দেশের ভারতীয় হাই কমিশন সহ বিভিন্ন কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলিতে হামলার ছক কষছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rahul Gandhi: ওয়েনাড়ে থেকে সরে দাঁড়ান রাহুল, চাইছে সিপিআই, ফের সংঘাতের আবহ ইন্ডি জোটের অন্দরে !

    Rahul Gandhi: ওয়েনাড়ে থেকে সরে দাঁড়ান রাহুল, চাইছে সিপিআই, ফের সংঘাতের আবহ ইন্ডি জোটের অন্দরে !

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংঘাতের আবহ ইন্ডি (INDI) জোটের অন্দরে। যার জেরে অশনি সঙ্কেত দেখছেন জোটের কারিগররা। কেরলের ওয়েনাড়ের সাংসদ রাহুল গান্ধি (Rahul Gandhi)। এবারও ওই আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী তিনিই। তবে কেরল সিপিআই চাইছে ওয়েনাড় নয়, রাহুল বরং অন্য কোনও আসনে প্রার্থী হোন। কারণ কেরলে সিপিআই যে চারটি আসনে লড়াই করে, তার একটি হল ওয়েনাড়।

    কংগ্রেস-সিপিআই সংঘাত

    রাহুল প্রার্থী হলে একদিকে যেমন সিপিআইয়ের পরাস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকছে, তেমনি ইন্ডি জোট নিয়ে জনমানসে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে। (যেহেতু সিপিআই এই জোটে রয়েছে।) তাই সিপিআই কংগ্রেস নেতৃত্বকে অনুরোধ করেছে রাহুন যেন ওয়েনাড়ে প্রার্থী না হোন। যদিও কেরল কংগ্রেসের সাফ কথা, সিপিআই কিংবা অন্য কোনও জোটসঙ্গী (Rahul Gandhi) ঠিক করে দিতে পারে না অন্য দল কী করবে।

    অশান্তি সঙ্গী ইন্ডি জোটের 

    জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তি পিছু ছাড়ছে না বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডির। নিষেধ সত্ত্বেও এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করায় প্রথম অশান্তি দেখা দেয়। তার পর থেকে একের পর এক অশান্তি। যার জেরে মধ্যপ্রদেশে ইন্ডির যে জনসভা হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এবার সংঘাত শুরু হয়েছে ওয়েনাড় আসনটিকে কেন্দ্র করে। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের আমেঠি ও কেরলের ওয়েনাড়ে প্রার্থী হয়েছিলেন রাহুল। আমেঠিতে হেরে গেলেও, ওয়েনাড়ে জয়ী হন গান্ধী পরিবারের এই প্রতিনিধি। কেরলে লোকসভার আসন রয়েছে ২০টি। এর মধ্যে সিপিআই লড়ে চারটি কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুুন: হাওড়ায় ব্যাগ ভর্তি মানুষের কঙ্কাল মিলল পঞ্চায়েত অফিসের পাশে, আতঙ্ক

    এ রাজ্যে কংগ্রেসের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, এলডিএফের বিরুদ্ধে। এই এলডিএফেই রয়েছে সিপিআই। আবার কংগ্রেস এবং সিপিআই দুই দলই রয়েছে ইন্ডি জোটে। তাই রাহুলকে (Rahul Gandhi) ওয়েনাড় আসনটি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছে সিপিআই। দলের এক নেতার কথায়, “বিজেপিকে পরাস্ত করার লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৪ সালে লড়াই হবে। এর জন্যই নানা রকম প্রস্তুতি চলছে। তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই রাহুলের আসন বাছা উচিত। এমন আসনে তাঁর প্রার্থী হওয়া উচিত, যেখানে মূল লড়াই বিজেপির সঙ্গে। ওয়েনাড় সহ কেরলের কোনও কেন্দ্রে বিজেপি মূল শক্তি নয়।” সিপিআইয়ের এই যুক্তি মানতে রাজি নয় কংগ্রেস। কেরল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কে সুধাকরণ বলেন, “সিপিআই বা অন্য কোনও জোটসঙ্গী কেউই ঠিক করে দিতে পারে না অন্য দল কী করবে। আমরা চাই, রাহুল (Rahul Gandhi) ওয়ানাড়েই লড়ুন।”

    কোথাকার জল কোথায় গড়ায়, এখন সেটাই দেখার!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে ভলিবল দল! টেবল টেনিসে জয় বাংলার সুতীর্থার

    Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে ভলিবল দল! টেবল টেনিসে জয় বাংলার সুতীর্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে  এশিয়াডের টিম ইভেন্টগুলি। আজ, শনিবার বিকেলে ১৯তম এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2023) শুভ উদ্বোধন। ভারতের মোট ৬৫৫ জন অ্যাথলিট (কর্তাদের দল আলাদা) এবার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েছেন। এত বড় দল এর আগে কোনওদিন গেমসে অংশ নেয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবার দেশের হয়ে দু’জন পতাকা বইবেন। একজন নামী মহিলা বক্সার লভলিনা বারগোঁহাই (Lovlina)। অন্যজন পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং (Harmanpreet Singh)।

    ভলিবলে দারুণ শুরু

    পদক জয়ের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দল। শনিবার প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপেকে ২৫-২২, ২৫-২২, ২৫-২১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলেন অমিত গুলিয়া, আশোয়াল রাইরা। গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক-আউটে জায়গা করে নেয় ভারত। প্রথম ম্যাচে হারিয়েছিল কম্বোডিয়াকে। তবে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের লড়াইটা ছিল বেশ কঠিন। কারণ, প্রতিপক্ষ দলটি ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। যারা তিন বার এশিয়ান গেমসে সোনা জিতেছে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার বাধা টপকে বড় চমক দেয় ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দল। সাফল্যের সেই ধারা অব্যাহত রইল শেষ ষোলোর লড়াইয়েও। 

    শক্তির নিরিখে এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই নেমেছিল ভারত। চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধ ৩-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিততে ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দলের সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। আশোয়াল ছাড়াও ভারতের জয়ে বড় অবদান রয়েছে বিনীত কুমারেরও। একাই ১৪ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছেন আশোয়াল। বিনীত সংগ্রহ করেছেন ১২ পয়েন্ট। তবে প্রথম সেটে একটা সময় ১০-৬ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিল চাইনিজ তাইপে। সেখান থেকে দুরন্ত কামব্যাক করে ভারত। সেই সেট শেষ পর্যন্ত ২১-২১ হয়। যদিও শেষ হাসি হাসে ভারত।


    লড়াই হয় দ্বিতীয় সেটেও। একটা সময় স্কোর ছিল ১৭-১৭। তবে তৃতীয় সেটে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতে দেননি ভারতীয় খেলোয়াড়রা। সেট জেতার পাশাপাশি ম্যাচও পকেটে পুরে ফেলে ভারত। ২৪ সেপ্টেম্বর হবে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। এক্ষেত্রে ভারতের প্রতিপক্ষ হতে পারে শক্তিশালী জাপান কিংবা কাজাকিস্তান।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ জিতলে কত টাকা পাবে টিম ইন্ডিয়া? পুরস্কারমূল্য জানাল আইসিসি

    টেবিল টেনিসেও জয়-যাত্রা

    টেবিল টেনিসে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেলন বাংলার সুতীর্থা। পুরুষদের দলগত ম্যাচে জিতেছেন হরমীত, মানবও। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দিয়া পরাগ চিতালে ও নেপালের সিক্কা শ্রেষ্ঠা। ১১-১, ১১-৬, ১১-৮ ব্যবধানে জেতেন দিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলার ঐহিকা মুখোপাধ্যায় ১১-৩, ১১-৭, ১১-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দেন নবিতা শ্রেষ্ঠাকে। বাংলার আরও এক কন্যা সুতীর্থাও সহজ জয় পেয়েছেন ইভানা থাপা মাগারের বিরুদ্ধে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষে বিপাকে ট্রুডো, প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁকে চাইছেন না সিংহভাগ কানাডাবাসীই!

    Justin Trudeau: জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষে বিপাকে ট্রুডো, প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁকে চাইছেন না সিংহভাগ কানাডাবাসীই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি হত্যায় ভারতের হাত রয়েছে বলে বিপাকে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) সরকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। তার জেরে আরও গাড্ডায় ট্রুডো সরকার! সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে,  বর্তমানে দেশের ৪০ শতাংশ ভোটার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতা পিরি পয়লিভারকে। তাঁর পেছনে রয়েছেন ট্রুডো। আইপিএসওএস নামের এক সংস্থার করা সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। ২০২৫ সালে কানাডায় হবে সাধারণ নির্বাচন। কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতাদেরও দাবি, ওই নির্বাচনে দেশের রাশ তাঁদের হাতে আসার চান্স সব চেয়ে বেশি।

    পিরি পয়লিভারকে প্রধানমন্ত্রী চান সিংহভাগ মানুষ 

    সমীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৪০ শতাংশ পিরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইলেও, ট্রুডোকে (Justin Trudeau) ওই পদে দেখতে চেয়েছেন মাত্র ৩১ শতাংশ মানুষ। ২২ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন এনডিপি (NDP) নেতা জগমিত সিংহকে। খালিস্তানিদের প্রতি সংবেদনশীল জগমিত। তাঁর দল রয়েছে ট্রুডোর সরকারে। তবে এই তিনজনের মধ্যে পিরিই সেরা বলে মনে করেছেন সিংহভাগ কানাডাবাসী। তাঁদের মতে, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং বাসস্থান এই তিন ক্ষেত্রেই পিরির পরিকল্পনাও সেরা।

    জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষছেন ট্রুডো

    গত জুন মাসে প্রকাশ্যে খুন হন খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে ট্রুডো সরকার। যদিও অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ চায় ভারত। প্রমাণ চেয়েছেন পিরিও। তিনি বলেন, “আমি মনে করি সমস্ত ঘটনাটা প্রধানমন্ত্রীর খুলে বলা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই যেসব প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তা আমাদের জানা প্রয়োজন। যাতে করে কানাডাবাসী ঠিকঠাক বিচার-বিবেচনা করতে পারেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। তিনি কেবল একটি বিবৃতি দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: মুখ পুড়েছে চিনের! অরুণাচল প্রদেশের তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা দিল না বেজিং, ক্ষোভ ভারতের

    সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, কিউবেক ছাড়া কানাডার সব প্রদেশেই ট্রুডোর (Justin Trudeau) চেয়ে প্রধামন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন পিরি। অন্টারিওর ৪২ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চান পিরিকে। আর ট্রুডোকে ওই পদে চান ৩৮ শতাংশ মানুষ। প্রসঙ্গত, লিবারেল পার্টির নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর নেতৃত্বে কানাডায় চলছে জোট সরকার। এই সরকারে রয়েছে খালিস্তানিদের প্রতি সংবেদনশীল এনডিপি। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের মতে, তাই জোট রাজনীতির বাধ্যবাধকতার কারণে এবং নিজের গদি বাঁচাতে জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষছেন ট্রুডো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share