Tag: India

India

  • Modi-Biden Meeting: আলোচনা মোদির সঙ্গে! ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    Modi-Biden Meeting: আলোচনা মোদির সঙ্গে! ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ সামিটে (G-20 Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)।  আগামী ৭ সেপ্টেম্বর তিনি ভারতে (India Visit) আসবেন। ১০ সেপ্টেম্বর তিনি ওয়াশিংটন ফিরে যাবেন। জি-২০ বৈঠকের পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi-Biden Meeting) সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। জি-২০ সদস্য হিসাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এটাই প্রথম ভারত সফর। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌বাইডেন জি–২০ সম্মেলনে ভারতের সভাপতিত্ব নিয়ে ভীষণই খুশি। ভারতের এই সভাপতিত্ব আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করেছে।’‌ 

    কবে আসছেন বাইডেন

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ভারতসফরের আগে মার্কিন আধিকারিক ডোনাল্ড লু জানান, প্রেসিডেন্ট বাইডেন (Modi-Biden Meeting) এই সফর নিয়ে অত্য়ন্ত উৎসাহী। জি-২০ লিডার্স সামিটের সদস্য় হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারতসফর হতে চলেছে । এবার জি-২০ বৈঠকের সভাপতিত্বের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ সামিট। জি-২০ সামিটে ১১০টি দেশের ১২৩০০ প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। কোনও দেশের নেতৃত্বাধীনে জি-২০ সম্মেলনে এটাই সর্বোচ্চ যোগদানের সংখ্যা। জানা গেছে, এবার জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনার হওয়ার সম্ভাবনা। এছাড়া জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক এবং পরিকাঠামো গত উন্নয়ন নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    বিগত কয়েক বছরে ভারত ও আমেরিকা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে, আরও বিস্তৃত হয়েছে। গত জুন মাসেই প্রথমবার মার্কিন স্টেট ভিজিটে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi-Biden Meeting)। তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য হোয়াইট হাউসে বিশেষ নৈশভোজেরও আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  জি-২০ সম্মেলনের মাঝে মোদি-বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে পারেন খবর। দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দ্বিপাক্ষিক সেই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্যিক সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    PM Modi: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধী জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে”, এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইন্ডিয়া নয়, বিরোধীদের জোটকে ডাকুন ঘমন্ডিয়া নামে।” সম্প্রতি এই ভাষায়ই বিরোধীদের জোটকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার এনডিএর সহযোগী দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই বিরোধীদের মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, তার পথ বাতলে দেন তিনি। সম্প্রতি বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোটকে বিভিন্ন সময় নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষত, কংগ্রেসকে।

    ইউপিএ নাম বদলের কারণ

    তাঁর মতে, অতীতের কেলেঙ্কারি মুছে ফেলতেই ইউপিএ নাম বদলে হোয়াইটওয়াশ করতে চাইছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তারা ইউপিএ নাম বদলে ‘ইন্ডিয়া’ করেছে। তাদের এই নাম দেশপ্রেম দেখাতে নয়, দেশের সম্পদ লুঠ করতেই এটা করেছে তারা।” লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মাত দিতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে বৈঠকে বসেছিল তারা। সেখানেই ইউপিএর বদলে জোটের (PM Modi) নয়া নাম হয় ‘ইন্ডিয়া’। তাদের দাবি, যেহেতু তারা ‘ইন্ডিয়া’র ভাবাদর্শের জন্য লড়াই করছে, তাই জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’।

    প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ

    জোটের নয়া নামকরণের পর সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “এই লড়াই এনডিএর সঙ্গে ইন্ডিয়ার, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্ডিয়ার, বিজেপির আদর্শের সঙ্গে ইন্ডিয়ার।” বিজেপির সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের জাতভিত্তিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার পরামর্শ দেন। বলেন, “গোটা সমাজের নেতা হয়ে উঠুন।” এদিনের বৈঠকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বিহারের দিকে তাকান। নীতীশ কুমারকে দেখুন। অল্প কিছু আসন নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না। কিন্তু বিজেপি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল। এটাই এনডিএর ত্যাগ ভাবনা।”

    আরও পড়ুুন: বাফার জোন টপকে এলোপাথাড়ি গুলি মণিপুরে, সংঘর্ষে মৃত ৩, পুড়ে খাক ঘরবাড়ি

    প্রসঙ্গত, বছরখানেক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে আরজেডির হাত ধরেন নীতীশ। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সরকারি যেসব প্রকল্প কার্যকর হয়েছে, সেগুলিকে এনডিএ সরকারের প্রকল্প বলে প্রচার করুন। আর বলুন, একমাত্র এনডিএ-ই পারে দেশকে একটা স্থায়ী সরকার দিতে। দেশে এনডিএ সরকারের অবদান তুলে ধরতে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা হতাশাগ্রস্ত। তাঁরা আপনাদের ফাঁদে ফেলতে চাইবে। কিন্তু কোনও অবস্থায়ই বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না।” বুধবার এনডিএর (NDA) সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিতর্কিত বিষয় ও মন্তব্য থেকে তাঁদের দূরে থাকার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা নির্বাচনে গতবারের চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। তাই এনডিএর সদস্য ১১টি দলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন ৪৩০ জন সাংসদের সঙ্গে। প্রথম বৈঠকটি হয়েছে ৩১ জুলাই। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের সাংসদরা। আর বুধবারের বৈঠকে (PM Modi) উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, কেরালা, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরের সাংসদরা।

    বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ

    গত কয়েক বছরে বিজেপির কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তাই আগেভাগে সাংসদদের সতর্ক করে দিলেন মোদি। বিজেপি এবং এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রচারের সুরও বেঁধে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রথম দিনের বৈঠকেই তিনি সাংসদদের জানিয়েছিলেন, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ কিংবা রাম জন্মভূমির মতো জাতীয় বিষয় নিয়ে প্রচার করতে হবে না। প্রচারের মূল সুর হবে জনগণের মানোন্নয়নে বিভিন্ন রাজ্যে মোদি সরকার কী কী কাজ করেছে, তার ফিরিস্তি। এর পাশাপাশি করতে হবে বিরোধীদের শানিত আক্রমণ। বিজেপি বিরোধী ২৬ দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার কী হবে, তাও বলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রথম বৈঠকে তিন তালাক বাতিলের প্রসঙ্গটিকে প্রচারের হাতিয়ার করতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পরের বৈঠক হয়েছে ১ অগাস্ট। এই বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’র মোকাবিলায় ইউপিএ সরকারের আমলের দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। এর পরের বৈঠক হবে ৮ অগাস্ট। সেদিন উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও গোয়ার ৭৬ জন সাংসদ। তার পরের দু দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দমন-দিউ এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংসদদের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে ভারতীয় অর্থনীতির ব্যাপক উত্থানের সম্ভাবনা দেখছে মর্গ্যান স্ট্যানলি (Morgan Stanley)। আমেরিকার বিখ্যাত আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী এই সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্টে ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হয়েছে। সংস্থার দাবি, আর্থিক বৃদ্ধির নিরিখে ভারত ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ থেকে উন্নীত হয়েছে ‘ওভারওয়েটে’। কেবল তাই নয়, আমেরিকার ‘ট্রিপল এ’ তকমাও কেড়ে নিয়েছে মার্কিন এই সংস্থা।

    ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা

    ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হলেও, চিনকে নামানো হয়েছে ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ স্তরে। শি জিনপিংয়ের দেশে আর্থিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলেই রিপোর্টে পূর্বাভাস সংস্থার। সেই তুলনায় ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা দেখছেন মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন করোনা অতিমারির অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষত সারিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে মোদির ভারতের অর্থনীতি। ভারতের অর্থনীতি যে ক্রমেই ‘স্বাস্থ্যবান’ হচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল ঢের আগেই। বিশ্বব্যাঙ্ক, আইএমএফ, ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স সহ নানা আর্থিক পরামর্শদাতা সংস্থার রিপোর্টে মিলেছিল এই ইঙ্গিত। এবার একই ইঙ্গিত মিলল মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টেও। নভেম্বর মাসেও মার্কিন ওই সংস্থা জানিয়েছিল, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত হতে চলেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। জাপান, জার্মানি নয়, ভারতের আগে থাকবে কেবল আমেরিকা ও চিন।

    জিডিপি বৃদ্ধির হার

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছে গিয়েছে ৭.২ শতাংশে। ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে ৬.২ শতাংশের ওপরে থাকার ঘটনাকে আশাব্যঞ্জক বলা হয়েছে মর্গ্যান স্ট্যানলির রিপোর্টে। কী কারণে রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে ভারতের অর্থনীতির? মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকারি স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পদক্ষেপ করেছে মোদির দেশ। বিপুল জনশক্তি ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর জোরও দিয়েছে এশিয়ার এই দেশ। মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোড়া পদক্ষেপের জেরে শক্তিশালী হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে হামলা, রিষড়ার পর হাওড়ার শিবপুরে তদন্তে এল এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যখন দিল্লির তখতে বসে মোদি সরকার, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশ নম্বরে ছিল ভারত। বর্তমানে এই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে মোদির দেশ। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখলে ছিল ইংল্যান্ডের। ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, তুষ্টিকরণ কুইট ইন্ডিয়া”, রাজস্থানের সভায় ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা মোদির

    PM Modi: “দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, তুষ্টিকরণ কুইট ইন্ডিয়া”, রাজস্থানের সভায় ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহাত্মা গান্ধী যেমন ভারত ছাড়ো স্লোগান দিয়েছিলেন, আজকের মন্ত্র হল দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, পরিবারতন্ত্র কুইট ইন্ডিয়া, তুষ্টিকরণ কুইট ইন্ডিয়া। এই কুইট ইন্ডিয়াই পারে আমাদের দেশকে বাঁচাতে।” বৃহস্পতিবার রাজস্থানে বিজেপির (BJP) এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজোট হয়েছে কংগ্রেস সহ দেশের ২৬টি রাজনৈতিক দল। বেঙ্গালুরুর সভায় এই দলের নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’।

    ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা

    এদিন এই ‘ইন্ডিয়া’কেই নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মহাত্মা গান্ধী একবার স্লোগান দিয়েছিলেন – ভারত ছাড়ো – ইংরেজ কুইট ইন্ডিয়া। ব্রিটিশদের দেশ ছাড়তে হয়েছিল। একইভাবে আমরা সমৃদ্ধ ভারত গড়ার সংকল্প নিয়েছি।” এর পরেই তিনি বলেন,“মহাত্মা গান্ধী যেমন ভারত ছাড়ো স্লোগান দিয়েছিলেন, আজকের মন্ত্র হল দুর্নীত কুইট ইন্ডিয়া, পরিবারতন্ত্র কুইট ইন্ডিয়া, তুষ্টিকরণ কুইট ইন্ডিয়া। এই কুইট ইন্ডিয়াই পারে আমাদের দেশকে বাঁচাতে।”

    ইন্ডিয়া ইজ ইউপিএ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ইন্ডিয়ার লেবেল দিয়ে তারা তাদের পুরনো কাজগুলো, ইউপিএ জমানার কাজগুলোকে ধামাচাপা দিতে চায়। তারা যদি সত্যিই ভারতের কথা ভাবত, তাহলে কি তারা বিদেশিদের বলত ভারতে হস্তক্ষেপ করতে? তারা একবার স্লোগান দিয়েছিল, ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া ইজ ইন্দিরা। তখন জনগণ তাদের উপড়ে ফেলেছিল। এই অহংকারীরা আবারও সেই একই কাজ করেছে। তারা বলে ইউপিএ ইজ ইন্ডিয়া। ইন্ডিয়া ইজ ইউপিএ। মানুষ আবার তাদের সঙ্গে একই আচরণ করবে।”

    কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস একটি দিশাহীন দলে পরিণত হয়েছে। ঠিক আগেকার দিনের জালিয়াত কোম্পানিগুলোর মতো নাম পরিবর্তন করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা। তারা তাদের নাম পরিবর্তন করেছে যাতে তারা সেই দাগ মুছতে পারে, যা সন্ত্রাসের সামনে আত্মসমর্পণ করার পর তাদের গায়ে লেগেছিল। তারা দেশের শত্রুদের পথ অনুসরণ করছে। ইন্ডিয়া নামটি তাদের দেশপ্রেম দেখানোর জন্য নয়, বরং দেশকে লুট করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।”

    আরও পড়ুুন: ভোটে সন্ত্রাস! “আগামী বছর সুদে আসলে হিসেব দিতে হবে”, বিধানসভায় শুভেন্দু

    তিনি (PM Modi) বলেন, “স্বাধীনতার কয়েক দশক পরে আজ দেশে এমন একটা সরকার ক্ষমতায় এসেছে, যারা কৃষকদের যন্ত্রণা বোঝে, তাঁদের উদ্বেগ বোঝে। সেই কারণে গত ন’ বছর ধরে তাঁদের কল্যাণের কথা ভেবেই নেওয়া হয়েছে যাবতীয় সিদ্ধান্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘আমার তৃতীয় মেয়াদে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে’’! কথা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘‘আমার তৃতীয় মেয়াদে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে’’! কথা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সরকার ফের ক্ষমতায় এলে চব্বিশের পর ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে, ‘গ্যারান্টি’ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। বুধবার নতুন ভাবে গড়ে ওঠা প্রগতি ময়দানের আইটিপিও (ITPO) কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চব্বিশের ভোটে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় থাকলে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমেরিকা-চিনের পরেই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে নাম থাকবে ভারতেরই।

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

    দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ বৈঠক। গোটা বিশ্বের অধিকাংশ দেশের বড় বড় প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন রাজধানী শহরে। তারই আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রথম পর্বের শাসনকালে ভারত বিশ্বের অর্থনীতিতে দশম স্থানে উঠে এসেছে। আমার দ্বিতীয় পর্বের শাসনকালে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়েছে ভারত। এই ট্র্যাক রেকর্ড অনুসারে আমি দেশবাসীকে বিশ্বাস করিয়ে দেব, আমার তৃতীয় পর্বের শাসনকালে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের মধ্যে থাকবে ভারত।” এদিন অত্যাধুনিক মানের ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন-কাম-কনভেশন সেন্টার ‘ভারত মণ্ডপম’-এর উদ্বোধন করে ভারতের পরিকাঠামোর আমূল বদল হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জমানার উন্নয়নের পরিসংখ্যান দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভারতের পরিকাঠামো বদলে গিয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলব্রিজ ভারতে, সর্বোচ্চ উচ্চতায় দীর্ঘতম টানেল ভারতে, মোটর চলার সর্বোচ্চ রোড, দীর্ঘতম স্টেডিয়াম, দীর্ঘতম স্ট্যাচু- সবই ভারতে রয়েছে।” 

    আরও পড়ুুন: ভোট-হিংসায় সিবিআই, বিস্ফোরণে এনআইএ চাই, রিপোর্ট পেশ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের

    কীভাবে উন্নতির পথে ভারত

    ভারতের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির এই তড়িৎ গতির উত্থান কীভাবে হবে সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকারি স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে ভারত। তা ছাড়াও ভারতের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী, ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর জোরও দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে। আইএমএফ-এর রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত, জাপান ও জার্মানিকে পিছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালে জাপানের অর্থনীতি হবে ৫.২ ট্রিলিয়ন ডলার। জার্মানির অর্থনীতি হবে ৪.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে ভারত ততদিনে ৫.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। অর্থাৎ ২০২৭ সালে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে শুধুমাত্র আমেরিকা ও চিন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ajit Doval: “ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কৌশলগত বিশ্বাস পথভ্রষ্ট হয়েছে”, বললেন ডোভাল

    Ajit Doval: “ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কৌশলগত বিশ্বাস পথভ্রষ্ট হয়েছে”, বললেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২০ সাল থেকে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কৌশলগত বিশ্বাস পথভ্রষ্ট হয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাকে ঘিরেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।” চিনা কূটনীতিক ওয়াং ইকে সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। ভারত-চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে পোক্ত করা যায়, তা নিয়েও হয়েছে আলোচনা। অজিত ডোভালকে উদ্ধৃত করে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত-চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পশ্চিম সেক্টরে কৌশলগত বিশ্বাস নষ্ট হয়েছে সেই ২০২০ সাল থেকে। রাজনৈতিক দিক থেকেও দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

    ব্রিকস সম্মেলন

    প্রসঙ্গত, গত তিন বছর ধরে ভারতের সঙ্গে চিনের সামরিক ক্ষেত্রেও সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে। ডোভাল-ওয়াং ই-র এই বৈঠকটি হয় সোমবার, দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে। এর ঠিক আগের দিনই ওয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে (Ajit Doval) বসেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশনের অফিসের ডিরেক্টর হলেন ওয়াং। চিনের সঙ্গে ভারতের যে সামরিক স্ট্যান্ডঅফ চলছে, তা তাঁর কূটনৈতিক জীবনের সব চেয়ে জটিল একটি চ্যালেঞ্জ বলে জানান জয়শঙ্কর। তিনি জানান, সীমান্তে এই উত্তেজনা চলছে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে। এবং ভারত বারংবার জানিয়েছে, এই সমস্যার সমাধান না হওয়া ইস্তক স্বাভাবিক হবে না চিন-ভারত সম্পর্ক।

    ভারত-চিন সম্পর্ক মেরামত জরুরি

    জানা গিয়েছে, ভারত-চিন সম্পর্কে যে কৌশলগত বিশ্বাস (Ajit Doval) ফেরানোটা খুব জরুরি, ঘনিষ্ঠ মহলে তা স্বীকারও করেছেন ওয়াং। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে এটা যে খুবই প্রয়োজন, প্রকাশ্যে তা স্বীকারও করেছেন তিনি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ওই সমস্যা মিটিয়ে চিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ফের পূর্বের অবস্থানে ফেরানোর ওপরও জোর দিয়েছেন ওয়াং। এদিনের বৈঠকে ভারত ও চিন দুই দেশই এ ব্যাপারে একমত হয়েছে যে, নয়াদিল্লি-বেজিংয়ের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন যে কেবল দুই দেশের পক্ষেই ভাল তা নয়, তামাম বিশ্বের কল্যাণেও প্রয়োজন।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    উল্লখ্য, ব্রিকস সম্মেলনে ডোভাল জানিয়েছিলেন, উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করতে হলে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে চেষ্টা করতে হবে একযোগে। জানা গিয়েছে, আগামী মাসে ব্রিকসের আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা! ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা! ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ করে নিষিদ্ধ জঙ্গি দল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের প্রসঙ্গ টানলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একই সঙ্গে তুলনা করলেন ব্রিটিশদের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গেও। বাদল অধিবেশনে মঙ্গলবারই ছিল বিজেপির প্রথম সংসদীয় দলের বৈঠক। সংসদের লাইব্রেরি ভবনে এ বৈঠক হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৬টি বিরোধী দলের জোটকে তীব্র আক্রমণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির নিশানায় বিরোধী জোট

    বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতে এসেছিল, তখন তার নামেও ইন্ডিয়া শব্দটি ছিল। ইন্ডিয়া নাম নিলেই কিছু হয় না। ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গেও ‘ইন্ডিয়া’র নাম রয়েছে। শুধু নামে ইন্ডিয়া রেখে কিছুই পাওয়া যায় না।” বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “বিরোধীরা ছিন্নভিন্ন এবং মরিয়া। বিরোধীদের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আসার ইচ্ছা তাদের নেই।”

    বৈঠক শেষে বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘‘আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) নিয়ে গর্বিত। ২০২৪ সালে আমরাই ক্ষমতায় ফিরছি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তৈরি করেছেন বিদেশি। এখন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, ইন্ডিয়ান পিপলস ফ্রন্টের মতো নামকরণ করছে লোকেরা। উপর উপর কোনও কিছুকে দেখা এবং ভেতরে ঢুকে তার সত্য অর্থ বোঝা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।’’

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে কুলপির বিরোধী তিন প্রার্থীকে অপহরণ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেছেন, ‘‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস তৈরি করেছেন এও হিউম, তিনি এক জন বিদেশি নাগরিক। মুজাহিদিনরা নিজেদেরকে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন বলে উল্লেখ করে। পিএফআই-এর পুরো নাম পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। যে কোনও কিছুর সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ শব্দ জুড়ে দেওয়া একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওরা (বিরোধী) শহুরে নকশাল। নিজেদের বৈধ করতে ইন্ডিয়া শব্দ জুড়ছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সবুজায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি খোঁজ করছি বিকল্প শক্তিরও ”, জি-২০ বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সবুজায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি খোঁজ করছি বিকল্প শক্তিরও ”, জি-২০ বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল অর্থনীতিতে নয়, জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও ভারত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বিশ্বে। শনিবার জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই তিনি বলেন, “জলবায়ু সংক্রান্ত কাজেও ভারতের নেতৃত্ব চাক্ষুষ করেছে বিশ্ব। সবুজায়ন করে এবং শক্তির (জ্বালানি) পরিবর্তন ঘটিয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন রোখার চেষ্টা করছে।”

    জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠক

    গোয়ায় হচ্ছে জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠক। এই বৈঠকেই তিনি জানান, “২০৩০ সালের মধ্যে আমরা পরিকল্পনা করেছি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বাড়ানো হবে ৫০ শতাংশ। এবং এটাও জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে করা হবে না।” শক্তি নিরাপত্তা বাড়াতে ট্রান্সন্যাশনাল গার্ডের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সবুজায়ন বাড়াতে এবং বিকল্প শক্তির ব্যবস্থা করতে ভারত জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারত খুবই জনবহুল একটি দেশ। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ক্রমেই ওপরের দিকে জায়গা করে নিচ্ছে। এর পাশাপাশি জলবায়ুর প্রতি আমরা যে দায়বদ্ধ, তা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কাজ করছি।”

    বিশ্ব নেতাদের মধ্যে রয়েছে ভারতও

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এমন জিনিস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে শুরু করেছি। এ ব্যাপারে আমরা ৯ বছর এগিয়ে গিয়েছি। আমরা একটা লক্ষ্যমাত্রাও ধার্য করেছি। আমরা পরিকল্পনা করেছি ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করব, তার ৫০ শতাংশই হবে জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এমন বস্তু থেকে। ভারত সৌর এবং বায়ু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশ্ব নেতাদের মধ্যেই।” তিনি বলেন, “এই জি-২০-র শক্তিমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হচ্ছে, সেখানে আমাদের খুঁজতে হবে কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী, সহজলভ্য এবং ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন করতে পারি। এটা করতে গেলে এটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে যেহেতু গ্লোবাল সাউথ খুব বেশি দূরে নয়, তাই আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে লো-কস্ট ফাইনান্স। উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য এটা অবশ্যই করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “প্রযুক্তির যে ফাঁকফোকর রয়েছে, সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। এনার্জি সিকিউরিটি প্রোমোট করতে তবে। তবেই ভবিষ্যতের জন্য উজ্জ্বল হবে জ্বালানির সম্ভাবনা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে আমাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল কো-অপারেশনকে প্রোমোট করছি। এতে আমরা উৎসাহজনক ফলও পাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranil Wickremesinghe: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

    Ranil Wickremesinghe: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু দিনের ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। বৃহস্পতিবার দিল্লি বিমানবন্দরে পা রাখেন তিনি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরণ। তাঁকে স্বাগত জানাতে শিল্পীরা বিমানবন্দরেই গরবা নৃত্য পরিবেশন করেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানেই ভারত সফরে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট।

    ভারত-শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “বিক্রমসিংহের ভারত সফর ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। ক্ষমতায় আসার পর বিক্রমসিংহের এটাই প্রথম ভারত সফর।” ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহকে ভারতে স্বাগত। তাঁর সফরে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক হবে আরও মজবুত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe) সাক্ষাৎ করবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে।

    নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি

    সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। দু পক্ষে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি ও ভিশন সাগরে শ্রীলঙ্কা ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের মধ্যের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। অরিন্দম জানান, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এই সফর দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বহুমুখী সম্পর্ককে সুদৃঢ় করবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের (Ranil Wickremesinghe) এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের এমন একটি প্রতিবেশী দেশ, যাঁদের সঙ্গে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের সম্পর্ক বহুমুখী।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    প্রসঙ্গত, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে আক্ষরিক অর্থেই সর্বস্বান্ত হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। শেষমেশ দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে হয়। তার জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দ্বীপরাষ্ট্র। প্রতিবেশী দেশের এমনতর বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। শ্রীলঙ্কাকে নানাভাবে সাহায্য করে নয়াদিল্লি। তার জেরে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। এর পরেই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই দু দিনের ভারত সফরে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share