Tag: India

India

  • EU Chief: “আমরা একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে”, বললেন ইইউ প্রধান

    EU Chief: “আমরা একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে”, বললেন ইইউ প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।” মঙ্গলবার দাভোসে এ কথাই বললেন ইইউয়ের প্রধান (EU Chief) উরসুলা ফন ডার লায়েন। তিনি বলেন, “এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। তবে আমরা একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির (FTA) দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছি। কেউ কেউ একে সব চুক্তির জননী বলছেন। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের একটি বাজার গড়ে উঠবে, যা বৈশ্বিক মোট জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করবে।” ইইউর বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্য আনার উদ্যোগ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    ফন ডার লায়েনের বক্তব্য (EU Chief)

    ফন ডার লায়েন জানান, এই বাণিজ্য উদ্যোগের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগও যুক্ত রয়েছে। দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠক শেষে আগামী সপ্তাহান্তে তিনি ভারত সফরে যাবেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্যই হল, প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি বলেন, “ইউরোপ ও ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা এবং সহযোগিতা গভীর করার জন্য এখনও উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি রয়েছে।” উরসুলা ফন ডার লায়েন (EU Chief) ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রধান অতিথি। ভারত সফরকালে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তার সঙ্গে তিনি যৌথভাবে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ১৬তম ভারত-ইইউ শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্বও করবেন।

    প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি

    ভারতের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তিকে ইউরোপের বৈশ্বিক কৌশলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে ফন ডার লায়েন বলেন, “ইউরোপ বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসা করতে উন্মুক্ত এবং সক্রিয় সম্পৃক্ততা বজায় রাখবে।”
    তিনি বলেন, “ইউরোপ সব সময় বিশ্বকেই বেছে নেবে, এবং বিশ্বও ইউরোপকে বেছে নিতে প্রস্তুত”। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইইউর দৃঢ় সংকল্পের কথাও বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও জানিয়েছিলেন, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, যার আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, তা হবে ভারতের স্বাক্ষরিত সবচেয়ে বড় চুক্তি। তিনি বলেন, “আমি এখন পর্যন্ত সাতটি চুক্তি সম্পন্ন করেছি, সবই উন্নত অর্থনীতির সঙ্গে। কিন্তু এটি হবে সব চুক্তির জননী।”

    গোয়েল এও বলেন, “আমরা একটি অত্যন্ত ভালো চুক্তি পাচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলিতেও আমরা তাদের জন্য আকর্ষণীয় প্রস্তাব দিচ্ছি। এটি অবশ্যই উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক হতে হবে। সবচেয়ে ভালো দিক হল, আমরা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করি না, আমাদের স্বার্থ ভিন্ন।” গোয়েলের আগে, বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন, উভয় পক্ষ ২৪টি অধ্যায়ের মধ্যে ২০টির আলোচনা সম্পন্ন করেছে এবং ২৬ জানুয়ারির (FTA) মধ্যে আলোচনার বাকি অংশ শেষ করার চেষ্টা চলছে (EU Chief)।

  • India: “ভারত আজ নিজের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি করতে পারছে”, বললেন ডব্লুইএফ প্রধান

    India: “ভারত আজ নিজের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি করতে পারছে”, বললেন ডব্লুইএফ প্রধান

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের (India) ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তি দেশটিকে এমন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে যে, যেখানে আজ তারা সম্পূর্ণ নিজেদের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে পারছে।” এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লুইএফ) সভাপতি বোরগে ব্রেন্ডে (Borge Brende)। দাভোসে অনুষ্ঠিত ফোরামের ৫৬তম বার্ষিক বৈঠকের ফাঁকে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

    কী বললেন ডব্লুইএফ প্রধান?

    ব্রেন্ডে বলেন, “গত কয়েক বছরে ভারতের উত্থান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশের দরকষাকষির ক্ষমতাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। এর ফলে নয়াদিল্লি এখন অনেক বেশি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে, কখন এবং কার সঙ্গে সে বাণিজ্য চুক্তি করবে।” তাঁর কথায়, “এই আত্মবিশ্বাস কোনও কথার কথা নয়, বরং পরিসংখ্যান দ্বারা সমর্থিত।” তিনি বলেন, “ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বে বৃহৎ অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারতই সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং বৈশ্বিক মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখছে। এটা সত্যিই অসাধারণ।” এই মাত্রা ও গতি থাকায় ভারতের আর তাড়াহুড়ো করে চুক্তি করার বা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন তিনি। ব্রেন্ডের ভাষায়, “ভারত আজ নিজের স্বার্থ দেখে বাণিজ্য চুক্তি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে যখন প্রয়োজন হবে, তখনই ভারত সেই চুক্তি করবে।” তিনি এও বলেন, “ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের গতি অনেক বৈশ্বিক পর্যবেক্ষককে বিস্মিত করেছে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এত ব্যাপক অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছে, যেটা অবিশ্বাস্য।”

    মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তি

    ব্রেন্ডে মনে করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং অর্থনৈতিক পরিপূরকতা সেই পথেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে (India)। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখনই দু’পক্ষের এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত সময়। অতীতে কিছু জটিলতা থাকলেও, বর্তমানে ভারত ও ইউরোপ, উভয়েই এই চুক্তি থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে।” ব্রেন্ডে বলেন, “আমি মনে করি, এখনই ভারত ও ইউরোপের সময়। ঐতিহাসিকভাবে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু এই চুক্তি কার্যকর হলে দু’পক্ষই উপকৃত হবে।” তিনি এও বলেন, ইউরোপ আগের তুলনায় এখন বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনেক বেশি সক্রিয়। তাঁর ভাষায়, “লাতিন আমেরিকার বহু দেশ এখন ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করছে, যা আগে কল্পনাও করা যেত না, বিশেষ করে কৃষির মতো জটিল ইস্যুর কারণে (Borge Brende)।”

    বিশ্ব বাণিজ্য ভেঙে পড়ছে না

    শুল্ক সংক্রান্ত বিরোধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভাজনের কারণে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা থাকলেও, ব্রেন্ডে সাফ জানিয়ে দেন, “বিশ্ব বাণিজ্য ভেঙে পড়ছে না। বরং আগের তুলনায় ধীরগতিতে বাড়ছে।” তিনি বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্যে যে রদবদল চলছে, তার পরেও এ বছর বাণিজ্যে প্রায় ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে আমরা আশা করছি। অর্থাৎ বাণিজ্য সংকুচিত হচ্ছে না, কেবল আগের মতো দ্রুত বাড়ছে না। বাণিজ্য জলের মতো, যে নিজের পথ নিজেই খুঁজে নেয়।” ব্রেন্ডের মতে, ভারতের উত্থান বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক বাণিজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির একটি। যখন বড় বড় অর্থনীতি অস্থিরতার সঙ্গে লড়াই করছে, তখন ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি, ধারাবাহিক সংস্কার এবং বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক প্রভাব দেশটিকে শক্ত অবস্থানে থেকে দরকষাকষির ক্ষমতা দিয়েছে। তাঁর দৃষ্টিতে, ভারত এখন আর শুধু বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবণতার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে না, বরং (Borge Brende) সেই প্রবণতাগুলি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে (India)।

  • T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! টাইগার্সদের খেলতে হবে ভারতেই, জানাল আইসিসি

    T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! টাইগার্সদের খেলতে হবে ভারতেই, জানাল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই খেলতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, বাংলাদেশকে (Bangladesh) চুড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে বাংলাদেশকে শেষবার সতর্ক করল আইসিসি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করে আইসিসি বলেছে, হয় ভারতে খেলুন না হলে অন্য দলকে সুযোগ করে দেওয়া হবে। আইসিসি বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এর মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে অন্য কোনও দলকে বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হবে।

    বাংলাদেশকে বার্তা

    গত শনিবার ঢাকায় বিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আইসিসি’র দুই শীর্ষ কর্তা। বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছিল, বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় (Srilanka) স্থানান্তর করা হোক। কেন তারা ভারতে (India) খেলতে আসতে চায় না, তা নিয়ে বাংলাদেশে বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ক্রিকেটার, সমর্থক সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলদেশ সরকার। তা আইসিসি-র প্রতিনিধিদের জানিয়েছে বিসিবি। এই বৈঠকে বাংলাদেশকে অন্য গ্রুপে স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের কোনও প্রস্তাবে সায় নেই আইসিসি-র। ফলে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ যদি টি২০ বিশ্বকাপ বয়কট করে, তাহলে বিকল্প দেশকে নেওয়া হতে পারে তাদের জায়গায়।

    বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড!

    ২০২৬ আইপিএল টুর্নামেন্ট থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই বিসিসিআই (BCCI) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। ইতিমধ্যে বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে তারা আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না। ব্যাপারটা নিয়ে ইতিমধ্যে আইসিসি-র সঙ্গে যথেষ্ট টানাপোড়েন চলছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T20I World Cup 2026)। আইসিসি ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা স্বল্প সময়ের নোটিসে টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে আগ্রহী নয়। সূত্রের খবর, আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো স্থানান্তরের কোনও কারণ দেখছে না। আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের কোনও বিপদ নেই। আর সেকারণে ভেন্যু বদলের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখনও পর্যন্ত সেই পুরনো কাসুন্দিই ঘেঁটে যাচ্ছে। যদি বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে, তাহলে এই টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই তাদের বিদায় নিতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ব়্যাঙ্কিং অনুসারে, স্কটল্যান্ড ক্রিকেট দল ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।

  • Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistani Drugs) নয়, আফগানিস্তানের মেডিসিন বাজারে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের (Indian Medicines)। এক আফগান ব্লগার যিনি এক্স হ্যান্ডেলে ফজল আফগান নামে পরিচিত, আফগানিস্তানে ওষুধ কেনার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন। তিনি জানান, তিনি যখন প্যারল কিনতে যাচ্ছিলেন (এটি পাকিস্তান ও তুরস্কে প্রচলিত একটি প্যারাসিটামল ব্র্যান্ড), তখন ফার্মাসিস্ট তাঁকে জানান, একই ধরনের ওষুধ একটি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া যাবে, যার দাম অন্তত চার গুণ কম।

    ভারতীয় ওষুধের গুণাবলী (Indian Medicines)

    ফজল প্রথমে তুরস্কে তৈরি প্যারাসিটামলই চাইছিলেন, কারণ তিনি এর মানের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি লেখেন, “১০টি ট্যাবলেটের একটি প্যাকেটের দাম ৪০ আফগানি। এরপর দোকানদার আমাকে আর একটি বিকল্প দেখালেন, ভারতে তৈরি প্যারাসিটামল। পরিমাণ একই, কিন্তু দাম মাত্র ১০ আফগানি। তিনি আরও বললেন, ভারতীয় ওষুধ নাকি অন্যগুলোর তুলনায় ভালো কাজ করে।” দাম কম হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় ট্যাবলেটটি কিনে নেন এবং লেখেন, সেটি খুব দ্রুত তাঁর মাথাব্যথা সারিয়ে দিয়েছে। এরপরেই তিনি মন্তব্য করেন, “ভারতীয় ওষুধ ধীরে (Pakistani Drugs) ধীরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানি ওষুধের জায়গা নিচ্ছে (Indian Medicines)।” দুই দেশের মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষের পর আফগান ওষুধ বাজারে পাকিস্তানের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। যদিও ২০২৪ সাল থেকেই এই অংশ কমছিল, তবে ২০২৫ সালের অক্টোবর–নভেম্বরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বরাদর পাকিস্তানি ওষুধের নিম্নমানের অভিযোগ তুলে তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ভারত, ইরান ও মধ্য এশিয়া থেকে বিকল্প উৎস খোঁজার আহ্বান জানান।

    আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি

    একই সময়ে আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত কাবুলে ১০.৮ কোটি ডলারের ওষুধ পাঠিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাকি সময়জুড়ে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলারের ওষুধ রফতানি করা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যখাত দুর্বল থাকায় আফগানিস্তান চিরকালই মৌলিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল (Indian Medicines)। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে পর্যন্ত পাকিস্তানই ছিল আফগানিস্তানের প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী দেশ (Pakistani Drugs)। ভৌগোলিক নৈকট্য এবং তোরখাম ও চামান সীমান্ত দিয়ে স্বল্প খরচে স্থলপথে পরিবহণের সুবিধা পাকিস্তানকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তানে ওষুধ উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। দেশটি তার মোট চাহিদার ৮৫ থেকে ৯৬ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে।

    রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য

    ট্রেডিং ইকোনমিকসের মাধ্যমে প্রাপ্ত রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আফগানিস্তানে ১৮.৬  কোটি ডলার মূল্যের ওষুধ রফতানি করে। বিজনেস রেকর্ডারের হিসেবে, ২০২৩ সালে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১.২৮ কোটি মার্কিন ডলার (Indian Medicines)। তালিবান প্রশাসনের তরফে নুরুল্লাহ নুরি জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে আফগানিস্তানে ব্যবহৃত ওষুধের ৭০ শতাংশেরও বেশি পাকিস্তান থেকে আসত (Pakistani Drugs)। এই নির্ভরতা বহু দশকের পুরোনো। ২০০১ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিকাঠামো, মান নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং পরীক্ষাগারের সঙ্কট পাকিস্তানি আমদানিকে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী বিকল্প করে তুলেছিল। তবে একাধিক সীমান্ত সংঘর্ষের পর গত বছর আফগান ব্যবসায়ীদের জন্য তোরখাম ও চামান সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তালিবান সরকার পাকিস্তানি ওষুধের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে দেশে ওষুধের বিরাট সঙ্কট দেখা দেয়। ডয়চে ভেলের (DW) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। অনেক ফার্মাসিস্ট অতিরিক্ত দাম নেয় কিংবা নকল ওষুধ বিক্রি করে।

    আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে, যখন আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট প্রকট হতে শুরু করে, তখন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঘোষণা করেন যে, ৭৩ টন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিমানযোগে কাবুলে পাঠানো হচ্ছে। এটি আফগানিস্তানে ভারতের প্রথম চিকিৎসা সহায়তা নয়। গত বছরের এপ্রিলে ভারত জলাতঙ্ক ও হেপাটাইটিস-বি রোগের টিকা, ছ’টি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম-সজ্জিত অ্যাম্বুল্যান্স এবং একটি আধুনিক ১২৮-স্লাইস সিটি স্ক্যানার পাঠিয়েছিল (Indian Medicines)। এরও আগে, ২০২২ সালে আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভারত পাঠিয়েছিল ১৩ টন চিকিৎসা সামগ্রী, যার মধ্যে ছিল পাঁচ লক্ষ কোভিড টিকাও। ভারতের সহায়তা শুধু জরুরি ওষুধ পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গত চার বছরে ভারত ৩২৭ টন চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে এবং পাকতিয়া, খোস্ত ও পাকতিকায় পাঁচটি মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কাবুলে একটি ৩০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

    ওষুধ রফতানির পরিমাণ

    এছাড়া কাবুলে একটি অঙ্কোলজি সেন্টার, ট্রমা সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও থ্যালাসেমিয়া সেন্টার নির্মাণ ও আধুনিকীকরণের কাজও হাতে নেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের রেডিওথেরাপি মেশিন ও অতিরিক্ত চিকিৎসা সামগ্রীর অনুরোধও বিবেচনাধীন (Pakistani Drugs)। ভারত-আফগান সম্পর্কের এই উন্নতি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আফগান জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলভি নুর জালাল জালালির বৈঠকের পর। ভারত শীঘ্রই প্রবীণ ভারতীয় চিকিৎসকদের একটি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যারা আফগানিস্তানে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালাবে এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবে। গত বছরের জুনে আয়োজিত এক মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৭৫ জন আফগান রোগীর শরীরে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে ভারতীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ৪০০ শয্যার ইন্দিরা গান্ধী শিশু হাসপাতাল আজও চালু রয়েছে, যেখানে আফগানিস্তানের প্রথম সেরিব্রাল পালসি কেন্দ্র রয়েছে (Indian Medicines)।  বর্তমানে আফগানিস্তানে ভারতের ওষুধ রফতানির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ওষুধ বাজারের ১২–১৫ শতাংশ দখল করেছে। আগে যেখানে পাকিস্তানের অংশ ছিল ৩৫–৪০ শতাংশ।

    পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারত ভবিষ্যতে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ওষুধ রফতানি করতে পারে। ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলি শুধু বিক্রি করেই থেমে নেই। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দুবাইয়ে ভারতীয় সংস্থা জাইডাস লাইফসায়েন্সেস আফগানিস্তানের রফিস ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মউ (MoU) সই করে। প্রথমে রফতানির ওপর জোর দেওয়া হলেও, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, আফগানিস্তানে জাইডাসের প্রতিনিধি দফতর এবং স্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে (Pakistani Drugs)। তালিবান কর্তারা আর এক ভারতীয় সংস্থা ফার্মেক্সিলের সঙ্গেও যৌথ বিনিয়োগ, উৎপাদন কেন্দ্র ও গবেষণাগার স্থাপন নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন (Indian Medicines)। সব মিলিয়ে, আফগান ব্লগারের তুর্কি ও পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের বদলে সস্তা ভারতীয় ব্যথানাশক বেছে নেওয়া আসলে আফগানিস্তানের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

     

  • Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran) বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indians in Iran) সরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা আমেরিকা (US Strike Threats) পুরোপুরি নাকচ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তেহরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে বুধবার ভারত সরকার ইরানে বসবাসকারী সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপায়ে সে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং নতুন করে ইরান সফর এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

    ইরান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার পরিকল্পনা (US Strike Threats)

    জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতি ক্রমাগত বদলে যাওয়ায়, যারা দেশে ফিরতে চান, সেই সব ভারতীয় নাগরিকদের (Indians in Iran) প্রত্যাবর্তন সহজ করতে বিদেশমন্ত্রক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে সরকারি সূত্র (Iran)।জানা গিয়েছে, অসামরিক বিমান ছাড়াও সামরিক পরিবহণ বিমান ব্যবহার করে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে সরকার। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে শিক্ষার্থী-সহ ১০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ইরানে বসবাস করছেন। বুধবার তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক-সহ সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে (US Strike Threats)। একই সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার, বিক্ষোভ বা প্রতিবাদী এলাকায় না যাওয়ার এবং দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইন

    জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন, টেলিফোন: ৯৭২৫৪৭৫২০৭১১, ৯৭২৫৪৩২৭৮৩৯২, ই-মেল: কনস তেলআভিভ@এমইএ.গভ.ইন উল্লেখ্য, এই প্রথম নয় যে ভারত এই ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। গত বছর জুন মাসে মধ্যপ্রাচ্যে (Iran) সামরিক সংঘাতের জেরে উত্তেজনা বাড়ার পর ভারত সফলভাবে ইরান থেকে নিজের নাগরিকদের সরিয়ে এনেছিল। সেই সময় ভারত সরকার ‘অপারেশন সিন্ধু’ চালু করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা (US Strike Threats)।

    ইরানে কী ঘটেছে?

    গত মাসের শেষের দিকে তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন ইরানি মুদ্রা রিয়াল রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে নেমে যায়। পরে এই বিক্ষোভ দেশের ৩১টি প্রদেশেই ছড়িয়ে পড়ে। অর্থনৈতিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে পরিণত হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে এই বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত ইরানে ২,৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে বিক্ষোভ দমনের সময় হত্যাকাণ্ড কমেছে বলে জানানো হলে সামরিক হামলার ইচ্ছা কিছুটা খাটো করে দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমানে বড় ধরনের গণহত্যার কোনও পরিকল্পনা নেই, তবু পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থির (US Strike Threats)। আগে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও পরে অপেক্ষা করে দেখার নীতি গ্রহণ করেন ট্রাম্প। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি একজন অনিশ্চিত নেতা হিসেবেই পরিচিত (Iran)। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সিনিয়র ফেলো পল সেলেম সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প আপাতদৃষ্টিতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হলেও, তিনি এখনও পুরোপুরি অনিশ্চিত চরিত্রের মানুষ (US Strike Threats)।

  • Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরের আকাশে দেখা গেল পাকিস্তানের ড্রোন (Pak Drone in Border)। শীতের সন্ধ্যায় অন্ধকার নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক অংশে উড়ে এল পাকিস্তানের ড্রোন। ভারতীয় সেনার তরফে একের পর এক ড্রোনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বেশ কয়েকটি ড্রোন ভেঙে পড়েছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর। তাতে বারুদ ছিল বলে জানানো হয়েছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপরে এই ড্রোনগুলি দিয়ে আঘাত করার ছক কষা হচ্ছে বলে সেনার অনুমান।

    বারুদ-বোঝাই ড্রোন

    বেশ কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে ড্রোন পাঠানো হচ্ছে। এই সব ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় দিকের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এরই সঙ্গে অস্ত্র এবং আরও সরঞ্জাম পাচারেরও চেষ্টা করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সদা সজাগ রয়েছে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরা। এরই মাঝে জানা গিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফের জম্মু ও কাশ্মীরের ৩ জায়গায় আকাশে দেখা গেল পাক ড্রোন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর একটি পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। এদিকে রামগড় সেক্টরেও একটি পাক ড্রোনকে আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর কিছু পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় আরও একটি পাকিস্তানি ড্রোন নজরে পড়েছিল ভারতীয় সেনার। এই সব ক্ষেত্রে গুলি চালানো হয়েছিল ড্রোনগুলো লক্ষ্য করে।

    বড় ছক পাকিস্তানের!

    ভারতীয় সেনার অনুমান, বড়সড় কোন পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন ড্রোন অনুপ্রবেশ নিয়ে। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি রাজৌরির কেরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে আকাশে পাকিস্তনি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। দেখামাত্রই সেই ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল সেনা। তার আগে গত ১১ জানুয়ারির সন্ধ্যায় জম্মুর আকাশে পাঁচটি ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি ড্রোনে করে দু’টি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, ১৬টি বুলেট, একটি গ্রেনেড ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেলা হয়েছিল।

    গুজরাট উপকূলে পাকিস্তানের নৌকা

    অন্যদিকে, গুজরাট উপকূলে আটক করা হল পাকিস্তানের সন্দেহজনক নৌকা। ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী সূত্রে খবর, আরব সাগরে নজরদারি চালানোর সময় এই সন্দেহজনক নৌকাটিকে ভেসে থাকতে দেখে তারা। পাকিস্তানের পতাকা লাগানো এই নৌকাটির গায়ে নাম হিসেবে লেখা ছিল আল মদিনা। তাতেই ঘনাচ্ছে রহস্য। নৌকার মধ্যে থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু এবং কাগজ পাওয়া গিয়েছে। এই নৌকা করে কোন অনুপ্রবেশ ঘটেছে নাকি এর নেপথ্যে বড়সড় কিছুর পরিকল্পনা ছিল, সেটা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ৯ জন পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছে বলেও জানতে পারা যাচ্ছে।

  • LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া জঙ্গি হুমকি এল পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoJK) থেকে। একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা কাশ্মিরি প্রকাশ্যে জেহাদ (Jihad) ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার আহ্বান জানাচ্ছে (LET Commander)। ভিডিওটি তোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি কোনও অঞ্চল থেকে। এই ঘটনা এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন তার ঠিক এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে (LET Commander)

    ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম ওসিন্টটিভি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লস্কর-ই-তৈবার জম্মু ও কাশ্মীর ইউনাইটেড মুজাহিদিন (JKUM)-এর সিনিয়র কমান্ডার আবু মুসা কাশ্মিরি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাওয়ালকোট জেলার হাজিরা তহসিলের তাত্রিনোট এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছে। সেখানে সে প্রকাশ্যে হিংসার ডাক দেয় এবং দাবি করে যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যাবে না। হিন্দুদের গলা কেটে তবেই স্বাধীনতা আসবে।” সে আরও দাবি করে, এই একই বার্তা সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ মন্ত্রীদের কাছেও পৌঁছে দিয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    কাশ্মিরি এও বলে, “জেহাদের নামে সন্ত্রাস চালিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদি হিংসায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ আদর্শিক ও রাজনৈতিক মদতের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরির এই ভাষণের সময়টিও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঠিক আগেও সে একই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিল। ওই হামলায় গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয় (LET Commander)।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী চলতি বছরের প্রথম ব্রিফিংয়ে ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’কে মাত্র একটি ট্রেলার বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতের যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত (Jihad)।”

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য

    নয়াদিল্লিতে চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে দ্বিবেদী জানান, ৮৮ ঘণ্টার এই অভিযান ভারতের দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সেনাপ্রধান আবারও স্পষ্ট করে দেন, সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি একই সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের মদতদাতাদের একইভাবে মোকাবিলা করা হবে (LET Commander)।” তিনি আরও জানান, ভারতের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বাইরের কোনও চাপ ভারতকে দমাতে পারবে না।

    অপারেশন সিঁদুরের শিক্ষা

    অপারেশন সিঁদুর থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন দ্বিবেদী- সব স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আরও দৃঢ় সমন্বয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি। যদিও অপারেশন সিঁদুর স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৮৮ ঘণ্টা। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষ কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর পরেই ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, যার আওতায় পাকিস্তান ও পাক- অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো এবং বিমানঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। পরে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) আলোচনার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় (Jihad)। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানায়, এই অভিযান স্থগিত হয়েছে, শেষ হয়নি (LET Commander)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি হামলাকে যুদ্ধের সমতুল্য বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও সেনাপ্রধান জানান, ২০১৯ সালের অগাস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক স্পষ্টতা এবং ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে (LET Commander)।

  • US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবেশ নিষিদ্ধ আমেরিকায়। ৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (immigrant visa) প্রক্রিয়া বন্ধ করল আমেরিকা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে এই ঘোষণা করা হয়। ৭৫টি দেশের তালিকায় নাম আছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের। যদিও ভারতের নাম নেই এই তালিকায়। ভারতীয়দের ভিসা দেওয়ায় আপত্তি নেই আমেরিকার। যেসব দেশের অভিবাসী (US Immigrants Visa) “আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে অগ্রহণযোগ্য হারে কল্যাণ গ্রহণ করছে”, সেইসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হবে, বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছে, ‘নতুন অভিবাসীরা আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে সম্পদ বের করে নিচ্ছে না, এই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, যে সব দেশ থেকে নাগরিকরা আমেরিকায় এসে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে পারে, সেই সমস্ত দেশের নামই তালিকায় রাখা হয়েছে। আমেরিকায় নিজেদের জীবন-যাপনে সক্ষম নন, সরকারি সাহায্যের ভরসায় যারা থাকবেন, এমন ব্যক্তিদের আমেরিকায় ঢোকা আটকাতেই ইমিগ্রান্ট বা অভিবাসী ভিসা (US Immigrants Visa) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, আমেরিকানদের পকেট থেকে টাকা নিয়ে সে দেশে বসবাস করছে অন্য দেশের নাগরিকরা। এই প্রক্রিয়া আটকাতেই ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত।

    স্থগিতাদেশ শুরু কবে থেকে

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই স্থগিতাদেশ শুরু হতে চলেছে। কতদিন এই ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সমস্ত কনস্যুলার অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন নির্দেশ চালু হবে। তবে যারা নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা, ট্যুরিস্ট ভিসা বা বিজনেস ভিসায় আমেরিকা যেতে চাইবেন, তাদের কোনও সমস্যা হবে না।

    ৭৫টি দেশের তালিকায় কারা

    এই মর্মে ৭৫টি দেশের তালিকা আমেরিকার সরকার এখনও জনসমক্ষে নিয়ে না এলেও, ফক্স নিউজের একটি রিপোর্ট সম্ভাব্য দেশগুলির তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগা, বার্বুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুস, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্য়ামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কঙ্গো, কিউবা, ডমিনিকা, মিশর, ইরিট্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনিয়া, হাইতি, ইরান, ইরাক, আইভরি কোস্ট, জামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরঘিস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, ম্যাসিডোনিয়া, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, মন্টেনেগ্রো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজিরিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, রাশিয়া, রোয়ান্ডা, সেনেগাল, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, তাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট।

  • Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া নির্দেশিকা জারি করল তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস। তাতে ভারতীয় নাগরিকদের বাণিজ্যিক বিমান-সহ উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান (Iran) ছেড়ে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে (Indian Embassy)। ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের পূর্ববর্তী সতর্কতার পরে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, কারণ দেশজুড়ে বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান প্রেক্ষাপটে ইরানে বর্তমানে অবস্থানরত ভারতীয় ছাত্র, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকদের দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    হিংসার আগুনে জ্বলছে ইরান (Indian Embassy)

    এই নির্দেশিকাটি দেশব্যাপী হিংসাত্মক বিক্ষোভের প্রতিফলন, যেখানে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০,০০০ এরও বেশি লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি এবং মুদ্রার অবনতির জেরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের সমস্ত প্রদেশের ১৮০টিরও বেশি শহরে (Indian Embassy)। বর্ধিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রাস্তা বন্ধ, গণপরিবহণ ব্যাহত এবং ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাড়ছে হিংসাত্মক ঘটনাও। ইরান ৮৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জারি করেছে, যার ফলে ইরানিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারছেন না, পারছেন না কোনও ভিডিও পোস্ট করতেও।

    ফ্লাইট বাতিল

    বিভিন্ন বিমান সংস্থা ইরানে এবং সেখান থেকে ফ্লাইট সীমিত বা বাতিল করছে। ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে। যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অনেক ভারতীয় পরিবার ইরানে (Iran) থাকা আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর পাচ্ছে না। তাদের চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট (Indian Embassy)। ভারতের বিদেশমন্ত্রক ৫ জানুয়ারি ভারতীয় নাগরিকদের আপাতত ইরানে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ভারতীয় নাগরিকদের ইরানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বানও জানিয়েছে। সর্বশেষ পরামর্শটি সেই সতর্কতার আরও তীব্রতা তুলে ধরেছে। যেহেতু ইরানে অশান্তির পারদ ক্রমশ চড়ছে, তাই এখন অবিলম্বে সে দেশ ছেড়ে ভারতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, জাপান, জার্মানি এবং ফ্রান্স-সহ অন্যান্য দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য একই ধরণের নির্দেশিকা জারি করেছে।

    ভারতীয় দূতাবাস ভারতীয় নাগরিকদের জন্য জরুরি হেল্পলাইন চালু রেখেছে, যদিও ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ ব্ল্যাকআউটের কারণে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারত এর আগে ২০২৫ সালের জুনে অপারেশন সিন্ধু চালু করেছিল, ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষের সময় ৩,৪০০ জনেরও বেশি ভারতীয় নাগরিককে ইরান (Iran) থেকে সরিয়ে নিয়েছিল (Indian Embassy)।

  • INSV Kaundinya Crew: প্রথম বিদেশ সফর শেষ করল ভারতীয় নৌবাহিনীর আইএনএসভি কৌন্ডিন্য

    INSV Kaundinya Crew: প্রথম বিদেশ সফর শেষ করল ভারতীয় নৌবাহিনীর আইএনএসভি কৌন্ডিন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রাচীন সামুদ্রিক ঐতিহ্যের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হল বুধবার। গুজরাটের পোরবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথম বিদেশ সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে ওমানের মাস্কাট বন্দরে নোঙর করল ভারতীয় নৌবাহিনীর ঐতিহ্যবাহী পালতোলা জাহাজ আইএনএসভি কৌন্ডিন্য। বন্দরে পৌঁছনোর পর জাহাজটিকে দেওয়া হয় বিশেষ ওয়াটার স্যালুট। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী ‘স্টিচড সেল শিপে’র এই সাফল্যকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামুদ্রিক ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল নিদর্শন বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল।

    নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ (INSV Kaundinya Crew)

    তিনি বলেন, “আইএনএসভি কৌন্ডিন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ। ভারতের প্রাচীন জাহাজ নির্মাণ কৌশলকে পুনরুজ্জীবিত করে তা বিশ্বের দরবারে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরাই ছিল তাঁর সংকল্প।” মন্ত্রী বলেন, “এই জাহাজ আমাদের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের কালজয়ী শক্তি, দক্ষতা ও টেকসই উদ্ভাবনের প্রতীক।” মন্ত্রী জানান, ইনএসভি কৌন্ডিন্যের নকশা অনুপ্রাণিত পঞ্চম শতাব্দীর একটি জাহাজ থেকে, যার চিত্র অজন্তা গুহার দেওয়ালে পাওয়া গিয়েছে। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে কিংবদন্তি ভারতীয় নাবিক কৌন্ডিন্যর নামে, যিনি ভারত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পৌঁছেছিলেন।

    স্টিচড সেলিং ভেসেল

    জাহাজটি ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর গুজরাটের পোরবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। অভিযানে অংশ নেন চারজন অফিসার ও ১৩ জন নৌসেনা। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন কমান্ডার বিকাশ শেওরান, এবং অফিসার-ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কমান্ডার ওয়াই হেমন্ত কুমার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যালও এই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন এবং তিনি নিয়মিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় যাত্রার আপডেট শেয়ার করেন। আইএনএসভি কৌন্ডিন্য একটি ঐতিহ্যবাহী স্টিচড সেলিং ভেসেল, যা ভারতের প্রাচীন সামুদ্রিক ইতিহাসে ব্যবহৃত সেলাই করা কাঠের জাহাজ নির্মাণ পদ্ধতিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

    অর্থায়ন করে সংস্কৃতি মন্ত্রক

    এই প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং হোডি ইনোভেশনসের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়। প্রকল্পটির অর্থায়ন করে সংস্কৃতি মন্ত্রক। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কিল লেয়িং-এর পর, কেরালার দক্ষ কারিগরদের একটি দল ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জাহাজটি নির্মাণ করেন। মাস্টার শিপরাইট বাবু শঙ্করনের  নেতৃত্বে নারকেল ফাইবার, কয়ার দড়ি ও প্রাকৃতিক রেজিন ব্যবহার করে কাঠের তক্তা সেলাই করে তৈরি করা হয় জাহাজের গঠন। প্রাচীন জাহাজগুলির কোনও নীলনকশা না থাকায়, অজন্তার গুহাচিত্র ও অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র থেকে নকশা নির্ধারণ করা হয়।
    জাহাজটির নকশা ও কাঠামোগত স্থায়িত্ব যাচাই করা হয় আইআইটি মাদ্রাজের ওশান ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে হাইড্রোডাইনামিক মডেল টেস্টিং এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের মাধ্যমে।

    জাহাজটির পালে রয়েছে গণ্ডভেরুণ্ড ও সূর্য প্রতীক, সামনের অংশে খোদাই করা সিংহ-ওয়ালি, এবং ডেকে শোভা পাচ্ছে হরপ্পা যুগের আদলে তৈরি পাথরের নোঙর, যা প্রাচীন ভারতীয় সামুদ্রিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। আইএনএসভি কৌন্ডিন্য শুধুমাত্র একটি জাহাজ নয়, বরং এটি ভারতের প্রাচীন সমুদ্রযাত্রা, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

LinkedIn
Share