Tag: India

India

  • S Jaishankar: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি,” পশ্চিমী বিশ্বকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি,” পশ্চিমী বিশ্বকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।” ঠিক এই ভাষায়ই পশ্চিমী বিশ্বকে আক্রমণ শানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ইকনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডারশিপ ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ভারতের রুশ তেল আমদানিকে সঠিক বলেই সমর্থন করেন। তিনি এদিন ফের একবার সাফ জানিয়ে দেন, ভারত (India) কেবলমাত্র তার জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে, এমনকি যদি তা অন্য দেশগুলির প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না-ও হয়, তাহলেও।

    জয়শঙ্করের সাফ কথা (S Jaishankar)

    তিনি বলেন, “যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলি রাশিয়ার তেল পছন্দ না করে, তবে তাদের উচিত নয় ভারত থেকে সেই পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, যা রুশ অপরিশোধিত তেল শোধন করে তৈরি হয়।” তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত ভারতের নিজের স্বার্থে, আবার বৈশ্বিক স্বার্থেও। তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত আমরা সেই সিদ্ধান্তই নেব, যা জাতীয় স্বার্থে হবে। ভারতের মতো একটি ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা কোনওভাবেই আপসযোগ্য নয়।”

    বিমাতৃসুলভ আচরণ!

    পশ্চিমী দেশগুলির সমালোচনার জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের তেল বাণিজ্যকে আলাদা করে দেখা উচিত নয়। একে তেলের সমস্যা হিসেবে দেখানো হয়, অথচ বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক চিনের ক্ষেত্রে একই যুক্তি প্রয়োগ করা হয় না। ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।” এর পরেই ভারতের অবস্থান নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের উদ্দেশে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যদি পছন্দ না করেন, তবে কিনবেন না। কিন্তু ইউরোপও কেনে, আমেরিকাও কেনে। যদি পছন্দ না হয়, আমাদের কাছ থেকে কিনবেন না (S Jaishankar)।” জয়শঙ্কর মনে করিয়ে দেন, ২০২২ সালে যখন বৈশ্বিক তেলের দাম দ্রুত বাড়ছিল, তখন অনেক দেশই ভারতের রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে কোনও আপত্তি করেনি। কারণ এতে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য হয়েছিল (India)। তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “সেই সময় অনেকে বলেছিল, যদি ভারত রাশিয়ান তেল কিনতে চায়, তাহলে কিনুক, কারণ এতে দামের স্থিতিশীলতা আসবে (S Jaishankar)।”

  • Amit Shah: “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন”, ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তোপ শাহের

    Amit Shah: “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন”, ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডির বিরুদ্ধে মাওবাদীদের সমর্থনের অভিযোগ আনলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২২ অগাস্ট একটি সম্মেলন বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ অভিযোগ করেন, যদি রেড্ডি বস্তারের আদিবাসী নেতৃত্বাধীন মাওবাদবিরোধী (Naxalism) আন্দোলন ‘সলওয়া জুডুমে’র বিরুদ্ধে রায় না দিতেন, তাহলে ২০২০ সালের মধ্যেই দেশ থেকে নির্মূল হয়ে যেত মাওবাদীদের সন্ত্রাস। তিনি বলেন, “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন। তিনি সলওয়া জুডুম বিষয়ে রায় দিয়েছিলেন। যদি সেই রায় না দেওয়া হত, তাহলে ২০২০ সালের মধ্যেই নকশাল সন্ত্রাসের অবসান হয়ে যেত। তিনি সেই মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন, যার ফলেই সলওয়া জুডুমের রায় দেওয়া হয়েছিল।” ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের ‘সলওয়া জুডুম’ সংক্রান্ত রায় প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তোপ (Amit Shah)

    তাঁর মতে, উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচনের কারণে কেরালায় কংগ্রেসের জেতার সম্ভাবনা আরও কমে গিয়েছে। তিনি বলেন, “কেরলের মানুষ অবশ্যই বুঝতে পারবেন যে বামপন্থী দলগুলির চাপে কংগ্রেস এমন একজন প্রার্থীকে দাঁড় করাচ্ছে, যিনি নকশালবাদের পক্ষে ছিলেন এবং সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি পবিত্র মঞ্চকে ব্যবহার করেছিলেন।” প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশেষ পুলিশ অফিসার (SPO) বা সালওয়া জুডুম সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি বলে ঘোষণা করেন। তিনি এ-ও নির্দেশ দেন, জুডুম সদস্যদের অবিলম্বে নিরস্ত্র করতে হবে।

    লাল-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধাক্কা

    ‘নন্দিনী সুন্দর ও অন্যান্য বনাম ছত্তিশগড় রাজ্য’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে তখন রাজ্যের লাল-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়। এর ফলে সালওয়া জুডুমের সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য অন্যত্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর তৎকালীন ছত্তিশগড় সরকার রাজ্যে মাওবাদীদের বাড়বাড়ন্ত রুখতে ছত্তিশগড় অক্সিলিয়ারি আর্মড পুলিশ ফোর্স আইন পাশ করে (Naxalism)। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ের ঝিরম ঘাঁটিতে রাজনৈতিক নেতাদের এক কনভয়ে হামলা চালায়। এই হামলায় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা এবং সলওয়া জুডুম  আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব মহেন্দ্র করমা-সহ দু’ডজনেরও বেশি মানুষ নিহত হন (Amit Shah)।

    আগামী মাসে দেশে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। এজন্য মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৬৮টি। এর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর জমা দেওয়া ২৮টি মনোনয়নপত্র রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৫২ অনুযায়ী বাতিল করা হয়েছে। ২০২৫ সালের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এবং রাজ্যসভার মহাসচিব এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মোট ২৭ জন প্রার্থীর ৪০টি মনোনয়নপত্র পরীক্ষার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। জানা (Naxalism) গিয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বরের ওই নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী হয়েছেন সিপি রাধাকৃষ্ণণ। আর তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ ‘ইন্ডি’ জোটের বি সুদর্শন রেড্ডি (Amit Shah)।

  • Trump Tariffs: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়ে এবার নিজের ঘরেই কড়া সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

    Trump Tariffs: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়ে এবার নিজের ঘরেই কড়া সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত চড়া শুল্কের (Trump Tariffs) কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবজেক্ট বিশেষজ্ঞরা, যাঁদের ভারত-আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিষয়ে গভীর জ্ঞান রয়েছে। তাঁদের মতে, ভারতের সঙ্গে এই শুল্ক-সংঘর্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘কৌশলগত ভুল’ (Strategic Blunder)। তাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক শিবিরকে অবিলম্বে এই নীতি সংশোধনের আহ্বানও জানিয়েছেন। কারণ ভারত হল এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

    ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ (Trump Tariffs)

    ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের এই “ভারত নীতিতে বদল” নিয়ে কড়া বার্তা আসছে স্বদেশি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেই। একে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুতর কৌশলগত সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে, যাতে তারা স্বল্পমেয়াদি ও ভ্রান্ত বক্তৃতার পেছনে না ছুটে, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য নিজেদের ভ্রম সংশোধন করতে পারে।

    মার্কিন অর্থনীতিবিদের বক্তব্য

    বিশিষ্ট মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাকস ভারতের ওপর আরোপিত মার্কিন শুল্ককে “যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির সবচেয়ে নির্বোধ কৌশলগত পদক্ষেপ” বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এটি একটি আত্মঘাতী এবং ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত। কারণ ভারত হল এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পর্কের দেশগুলির একটি। বৈশ্বিক জোট যখন ইতিমধ্যেই সংকটে রয়েছে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হয়নি ভারতের মতো ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে এমন বিপ্রতীপ আচরণ করা।” কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি স্যাকস সারা বিশ্বের বহু সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন (Trump Tariffs)। ক্রিস্টাল বল ও সাগর এনজেটির ব্রেকিং পয়েন্টস অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতের ওপর এই শুল্ক কোনও কৌশল নয়। এটি নাশকতা।” তাঁর মতে, ভারতের ওপর আরোপিত এই অযৌক্তিক ও বেপরোয়া শুল্ক আমেরিকার অর্থনীতির কোনও উপকারে আসেনি, বরং এটি আরও বেশি করে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক আরোপের প্রভাব হিসেবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে একাধিকবার টেলিফোনে আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। তাঁর মতে, মার্কিন প্রশাসনের এই শুল্কনীতির ফলস্বরূপ কোনও অর্থনৈতিক সুফল আসেনি, যেমনটি ট্রাম্প প্রশাসন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এর ফলে কেবল বিপরীত প্রতিক্রিয়াই তৈরি হয়েছে (Strategic Blunder)।

    ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় মুখর নিকি হ্যালিও

    ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও। তিনি আমেরিকার শুল্ক নীতির ভারতের ওপর বিরূপ প্রভাব নিয়ে একটি প্রবন্ধও লিখেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “নয়াদিল্লির সঙ্গে গত ২৫ বছরের অগ্রগতিকে ভেস্তে দেওয়া একটি কৌশলগত বিপর্যয় হবে।” হ্যালি বলেন, “ভারত এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের একটি মূল্যবান স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক অংশীদার, যা চিনের আধিপত্য মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি ওয়াশিংটন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে শক্তিশালী কৌশলগত বার্তাও পাঠিয়েছেন। বলেছেন, “ভারতকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, বরং মিত্র হিসেবে দেখতে হবে। কারণ এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের জন্য নয়াদিল্লি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Trump Tariffs)।”

    হ্যালির সাফ কথা

    হ্যালি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনাও করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “রাশিয়ান তেল কেনার কারণে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশকে শাস্তি দেওয়া হলেও, চিনের মতো কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যারা রাশিয়ার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে।” ট্রাম্প প্রশাসনের এহেন ভণ্ডামিকে ওয়াশিংটনের একটি ‘কৌশলগত বিপর্যয়’ (Strategic Blunder) বলে আখ্যা দিয়েছেন হ্যালি। তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতিতে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। হ্যালির ভাষায়, “এশিয়ায় চিনের আধিপত্যের পাল্টা ভারসাম্য রক্ষার একমাত্র দেশ হল ভারত।” তাঁর মতে, এটা বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য পুনর্গঠন ও বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। হ্যালির সতর্কবার্তা (Trump Tariffs), ‘যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসচেতনভাবেও সর্বশেষ শুল্ক-সংক্রান্ত দ্বন্দ্বকে আরও গভীর হতে দেয়, তাহলে এটি আমেরিকা-ভারত সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি ফাটলের সূচনা করবে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, শক্তির ভারসাম্য চলে যাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।’ হ্যালির প্রস্তাব, ট্রাম্প প্রশাসনকে উচ্চপর্যায়ের আলাপ-আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের অবনতির (Strategic Blunder) সর্পিল ধারা বদলে দিতে হবে। তাঁর সাফ কথা, ‘শাস্তিমূলক কোনও পদক্ষেপ কখনওই কোনও সমাধান হতে পারে না (Trump Tariffs)।’

  • Donald Trump: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, কেন তাঁকেই বেছে নিলেন ট্রাম্প?

    Donald Trump: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, কেন তাঁকেই বেছে নিলেন ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) দীর্ঘদিনের সহযোগী সার্জিও গোরকে (Sergio Gor) ভারতে আমেরিকার নয়া রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হল। বর্তমানে তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্সিয়াল পার্সোনেল পদে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ঘোষণা, সার্জিও ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করবেন। সেই সঙ্গে তাঁকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায়। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের সঙ্গে বচসার পর মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক যখন হোয়াইট হাউসের পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন তিনি সার্জিওকে ‘সাপ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এহেন ‘সাপ’কেই ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হচ্ছে এমন একটা সময়ে, যখন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নজিরবিহীনভাবে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন এবং যার জেরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে।

    সার্জিওর ভূয়সী প্রশংসা (Donald Trump)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সার্জিওর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। লিখেছেন, “সার্জিও দারুণ বন্ধু। বহু বছর ধরে উনি আমার পাশে রয়েছেন। আমার হয়ে নির্বাচনী প্রচারে ছিলেন। আমার বই প্রকাশ করেছেন, আমাদের আন্দোলনকে সমর্থন করে অনেক কাজ করেছেন। আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে আমরা যে দায়িত্ব পেয়েছি, তা বাস্তবায়নে সার্জিওর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” প্রশ্ন হল, কেন গোরের মতো ভারত সম্পর্কে খুবই কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজনকে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রদূত করে পাঠালেন ট্রাম্প? ব্লুমবার্গের মতে, গোরের ভারত সম্পর্কে অভিজ্ঞতা খুবই কম। তবে এটি খুব কম ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রদূতের পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার কারণ হয়েছে। কারণ দুই দলের প্রেসিডেন্টরাই প্রায়ই রাজনৈতিক সমর্থক, বন্ধু (Sergio Gor) এবং তহবিল সংগ্রাহকদের এই ধরনের পদে নিয়োগ করে থাকেন। যেমনটা করেছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তিনি ভারতের রাষ্ট্রদূত করে পাঠিয়েছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাক্তন মেয়র এরিক গারসেটিকে। এই গারসেটি ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারে বাইডেনের দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন (Donald Trump)।

     গোরের নিয়োগে কোন বার্তা?

    পলিটিকো একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গোরের নিয়োগ কোনও দ্বন্দ্ব প্রশমিত করা বা রাষ্ট্রপতির (Donald Trump) কর্মী অফিসের পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে নয়। “রাষ্ট্রপতি মোদি সরকারকে শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছেন এমন একজন দূত পাঠিয়ে, যিনি তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ।” তিনি উল্লেখ করেছেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক চাপের মুখে পড়েছে ট্রাম্পের চড়া শুল্ক হার ঘোষণা এবং রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনার কারণে আরোপিত শাস্তির ফলে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, “সার্জিও একটি স্পষ্ট বার্তা। এখন আলোচনা সিরিয়াসলি নিতে হবে এবং সব বার্তা সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আসবে।”

    প্রাক্তন হোয়াইট হাউস স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যানন বলেন, “তাঁর কি ভারতের নীতি–সংক্রান্ত বিষয়ে গভীর জ্ঞান আছে? নেই। কিন্তু এই লোকটা (Sergio Gor) খুব দ্রুত শিখে নিতে পারে। তাঁর শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছানোর সুযোগই নেই, বরং তাঁর প্রতি এক বিশেষ আস্থা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) তাঁকে বিশ্বাস করেন। তিনি তাঁর সঙ্গে সরাসরি ও সৎভাবে কাজ করছেন।”

  • Japan: আগামী ১০ বছরে ভারতে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করার পরিকল্পনা জাপানের, ঘোষণা কবে?

    Japan: আগামী ১০ বছরে ভারতে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করার পরিকল্পনা জাপানের, ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চার নম্বরে রয়েছে ভারত। তার ঠিক আগেই রয়েছে এশিয়া মহাদেশেরই দেশ জাপান (Japan)। সেই জাপান সরকারই আগামী ১০ বছরে ভারতের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন অর্থাৎ ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করার পরিকল্পনা করছে। টোকিও থেকে প্রকাশিত দ্য আসাহি শিম্বুন পত্রিকার প্রতিবেদনেই মিলেছে এই খবর। জানা গিয়েছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২৯ অগাস্ট টোকিওয় বৈঠকের সময় এই নয়া লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করবেন। এই পরিকল্পনা জাপানের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রাকে আরও প্রসারিত করবে। ২০২২ সালের মার্চে ভারত সফরের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা ভারতে ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

    তিন দিনের জন্য জাপান সফরে মোদি (Japan)

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর যে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে, তাতে এই নয়া বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার কথা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি ২৯ অগাস্ট থেকে তিন দিনের জন্য জাপান সফরে যাবেন। এটি হবে ২০২৩ সালের মে মাসে হিরোশিমায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর তাঁর প্রথম জাপান সফর। জাপানি ব্যবসায়ীরা এরপর থেকে গড়ে প্রতি অর্থবর্ষে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (জাপানি মুদ্রা) ভারতে বিনিয়োগ করেছে। সরকার নয়া লক্ষ্যমাত্রা আপডেট করে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ আরও উৎসাহিত করার পরিকল্পনা করছে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই দেশ যৌথভাবে একটি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা উদ্যোগ চালু করার পরিকল্পনাও করছে। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি নতুন কাঠামো, যা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে – যেমন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

    অগ্রাধিকার যেসব ক্ষেত্রে

    এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মূল খাতগুলিতে, যেমন, সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, ওষুধশিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র। ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ খাতে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা উদ্যোগ গঠন করা হবে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল পার্টনারশিপ ২.০ নামে একটি প্রকল্পও চালু করা হবে, যা উৎপাদনশীলতার বাইরে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসারিত করে উদীয়মান প্রযুক্তি খাত, যেমন সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্টার্টআপকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে (Japan)।

    জানা গিয়েছে, জাপান ও ভারত একটি যৌথ বিবৃতি জারি করবে ‘এনার্জি ডায়ালগ’ নিয়ে। এর উদ্দেশ্য হল দুই দেশের সহযোগিতা মজবুত করা, যাতে একইসঙ্গে ডিকার্বনাইজেশন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন করা যায়। দুই দেশই যৌথ ক্রেডিটিং ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা করতে পারে। এটি (PM Modi) একটি দ্বিপাক্ষিক কাঠামো, যার মাধ্যমে জাপান ও ভারতের মধ্যে তার গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসকারী প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিয়ে অর্জিত কার্বন নিঃসরণ কমানোর কৃতিত্বকে নিজেদের নির্ধারিত লক্ষ্যপূরণের অংশ হিসেবে গণনা করতে পারবে (Japan)।

  • Assam: সেপ্টেম্বরের পর থেকে অসমে আধার কার্ড পাবেন না প্রাপ্তবয়স্করা, নেপথ্যে রয়েছে এই বিশেষ কারণ

    Assam: সেপ্টেম্বরের পর থেকে অসমে আধার কার্ড পাবেন না প্রাপ্তবয়স্করা, নেপথ্যে রয়েছে এই বিশেষ কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশকারী রুখতে নয়া পদক্ষেপ অসম (Assam) সরকারের। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে অসমে ১৮ বছরের বেশি বয়সি কোনও ব্যক্তি নতুন আধার কার্ড পাবেন না। তবে তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। ২১ অগাস্ট অসম সরকার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, অনুপ্রবেশকারীরা যেন বেআইনি উপায়ে আধার কার্ড (AADHAAR) সংগ্রহ করতে না পারে, তাই এই পদক্ষেপ। অন্য যে কেউ, যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি, নতুন আধার কার্ড করতে চাইলে তাঁদের জেলা কালেক্টরের অনুমোদন নিতে হবে।

    সুযোগ মিলবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (Assam)

    তিনি জানান, সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই সুযোগ খোলা থাকবে, অর্থাৎ যাঁরা এখনও আধার কার্ড করেননি তাঁরা আগামী মাসের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে কোনও অনুপ্রবেশকারী অসম থেকে আধার কার্ড সংগ্রহ করতে না পারে। বর্তমানে অসমে আধার কার্ডের সংখ্যা ১০৩ শতাংশ। তাই এসসি, এসটি এবং চা-বাগান সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কোনও প্রাপ্তবয়স্ক নতুন আবেদনকারী হলে তাঁকে অবশ্যই জেলা কালেক্টরের অনুমোদন নিতে হবে।” তিনি জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অসমে ১৮ বছরের বেশি বয়সি কোনও ব্যক্তি নতুন আধার কার্ড পাবেন না। তবে এসসি, এসটি এবং চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। যদি কেউ জেলা কালেক্টরের কাছে নতুন আধার কার্ডের জন্য আবেদন করেন, তবে জেলা কালেক্টরকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশের রিপোর্ট ও বিদেশি ট্রাইব্যুনালের রিপোর্ট যাচাই করে তারপর অনুমোদন দিতে হবে।

    ‘চিকেন্স নেক’ এলাকায় ষড়যন্ত্র!

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে ‘চিকেন্স নেক’ এলাকায়। এই এলাকাটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে (Assam) মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করেছে। ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চিকেন্স নেক অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা মূলত বাংলাদেশ বা পূর্ব পাকিস্তান থেকে এসেছেন। এখন তাঁরা আইন অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিক হলেও, তাঁদের মধ্যে সবসময়ই তাঁদের জন্মভূমির প্রতি একটা (AADHAAR) টান রয়ে গিয়েছে। এখন বাংলাদেশের কিছু কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী সংগঠন এঁদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং “স্লিপার সেল” সক্রিয় করছে। তিনি বলেন, “আমরা আগুনের ওপর বসে আছি।” যতদিন বাংলাদেশ সঙ্গে কোনও সংঘাত নেই, ততদিন সব ঠিক আছে। কিন্তু যদি কোনও সংঘাত হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে আসা এক বড় অংশের মানুষ (AADHAAR) আসলে কোন দিকে তাঁদের আনুগত্য দেখাবেন, সেটিই বড় প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামী ২০ বছর অসমের (Assam) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং যে কোনও বিপদ এড়াতে খুব শক্তিশালী পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন।”

  • India: যৌন হিংসা ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, স্মরণ করানো হল ’৭১-এর অপরাধের রেকর্ড

    India: যৌন হিংসা ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, স্মরণ করানো হল ’৭১-এর অপরাধের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে (Pakistan) ধুয়ে দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের অভিযোগ ছিল, জম্মু-কাশ্মীরে মহিলাদের যৌন হিংসার শিকার হতে হচ্ছে। এর পরেই ভারত কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারত তার প্রতিবেশী দেশকে তাদের নিজেদেরই মহিলাদের বিরুদ্ধে নিন্দনীয় অপরাধের রেকর্ড স্মরণ করিয়ে দেয়। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন হিংসার বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় কূটনীতিক এলডোস ম্যাথিউ পুন্নোস স্পষ্ট করে দেন, পাকিস্তানের অন্যদের নীতি শেখানোর কোনও নৈতিক অধিকারই নেই। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে পূর্বতন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) লাখ লাখ নারীর ওপর পাক সেনাবাহিনী যে ভয়াবহ যৌন হিংসা চালিয়েছিল, তা এক লজ্জাজনক ইতিহাস।” রাষ্ট্রসংঘে ভারতের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স পুন্নোস বলেন, “পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী ও কিশোরীরা আজও অপহরণ, পাচার, জোরপূর্বক বিয়ে এবং ধর্মান্তরের শিকার হচ্ছেন। দেশের বিচারব্যবস্থাও এই নারীর প্রতি অপরাধগুলিকে বৈধতা দেয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটি কতটা বিদ্রূপাত্মক যে যারা এসব অপরাধ করছে, তারাই এখন ন্যায়বিচারের রক্ষক সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের দ্বিচারিতা ও ভণ্ডামি নিজেরাই প্রমাণ করে দিচ্ছে।”

    পুন্নুসের বক্তব্য (India)

    ২০২৪ সালে সাসটেনেবল সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরে পাকিস্তানে ২৪,০০০-রও বেশি অপহরণ ও কিডন্যাপের ঘটনা, ৫,০০০টি ধর্ষণের ঘটনা এবং ৫০০টি “অপমানজনক” হত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। সিন্ধ প্রদেশে বহু ভুক্তভোগী ছিলেন হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিশোরী, যাদের জোরপূর্বক বিয়ে ও ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। পুন্নুস (India) বলেন, “বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা পর্যন্ত সর্বাত্মক সহায়তা প্রয়োজন। সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন হিংসার নৃশংস কার্যকলাপে যুক্ত অপরাধীদের (Pakistan) কঠোরতম ভাষায় নিন্দা জানাতে হবে এবং ন্যায়বিচারের আওতায় আনতে হবে।” তিনি বলেন, “লিঙ্গভিত্তিক হিংসার মোকাবিলায় ভারত দেশীয় পর্যায়ে যেমন কাজ করছে, তেমনি বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা মিশনগুলিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।” তিনি জানান, যৌন শোষণ ও নির্যাতনের শিকারদের সাহায্যে রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিবের ট্রাস্ট ফান্ডে অবদান রাখা প্রথম দেশগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। এছাড়া ২০১৭ সালে ভারত রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে স্বেচ্ছায় একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, যার লক্ষ্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে এ ধরনের অপরাধ নির্মূল করা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (India) রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যকলাপে যৌন শোষণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নেতৃত্বের সার্কেলে যুক্ত হয়েছে ভারত। পুন্নোস মনে করিয়ে দেন, ভারত ২০০৭ সালে লাইবেরিয়ায় প্রথম সর্বমহিলা পুলিশ ইউনিট পাঠিয়েছিল এবং এখনও রাষ্ট্রসংঘের মিশনে নারী কন্টিনজেন্ট পাঠিয়ে আসছে। তিনি বলেন, এই দলগুলি স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং লিঙ্গ-সংবেদনশীল বিষয়গুলির (Pakistan) সমাধান করতে অসাধারণভাবে সফল হয়েছে” (India)।

  • India: ট্রাম্পকে ‘কাঁচকলা’ দেখিয়ে রাশিয়া থেকে তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    India: ট্রাম্পকে ‘কাঁচকলা’ দেখিয়ে রাশিয়া থেকে তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব আপাতত শিকেয়। ভারতকে (India) নতি স্বীকার করাতে দু’দফায় ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump Tariff Threats)। তবে তার কোনও প্রভাব যে নয়াদিল্লির ওপর পড়েনি, তা বলাই বাহুল্য। কারণ ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ভারত বাড়িয়ে গিয়েছে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ। প্রসঙ্গত, এই রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়েই ভারত-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি হয়। গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প রাশিয়ান তেল কেনা ও মস্কোর সঙ্গে ব্যবসা করার কারণে ভারতের ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    অর্থনৈতিক সুবিধাকেই অগ্রাধিকার (India)

    জানা গিয়েছে, অগাস্ট মাসে এখনও পর্যন্ত ভারত প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল রাশিয়া থেকে কিনছে। অপরিশোধিত তেল কেনার সময় ভারতীয় রিফাইনারিগুলির অর্থনৈতিক সুবিধাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারত। গ্লোবাল ডেটা ও অ্যানালিটিক্স সংস্থা কেপলার (Kpler) জানিয়েছে, অগাস্টের প্রথমার্ধে ভারত প্রতিদিন প্রায় ৫২ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে, যার মধ্যে ৩৮ শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে। এই সময়ে ভারত প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল রাশিয়া থেকে কিনেছে। জুলাই মাসে এই সংখ্যাটাই ছিল ১৬ লাখ।

    তেল আমদানি কমেছে ইরাক-আমেরিকা থেকে

    একই সময়ে ইরাক থেকে তেল আমদানি কমে এসে দাঁড়িয়েছে প্রতিদিন ৭.৩ লাখ ব্যারেল এবং সৌদি আরব থেকে আমদানি ৭ লাখ ব্যারেল থেকে কমে ৫.২৬ লাখ ব্যারেলে নেমেছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিদিন ২.৬৪ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে ভারত। এর ফলে আমেরিকা পরিণত হয়েছে ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম তেল সরবরাহকারীর দেশে। কেপলারের  প্রধান গবেষণা বিশ্লেষক সুমিত ঋতোলিয়া বলেন, “ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রয়েছে। ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি অগাস্ট মাসেও স্থিতিশীল রয়েছে। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের জুলাই মাসের শেষে শুল্ক ঘোষণা করার পরেও আমদানিতে ভাঁটা পড়েনি।” ঋতোলিয়া বলেন, “পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হলে তা সম্ভবত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের মধ্যে পৌঁছানো জাহাজগুলির মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।”

    ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যেতে চায়

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় (India) পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপের আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ভারত রাশিয়ার সঙ্গে ব্যাপক বাণিজ্য করছে এবং এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে রাশিয়াকে সাহায্য করছে। ট্রাম্পের এই দাবিকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে ভারত সাফ জানিয়ে দেয়, অর্থনৈতিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই নেওয়া হবে (Trump Tariff Threats)। ভারতের সর্ববৃহৎ তেল বিপণন সংস্থা (ওএমসি) ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এএস সাহনি জানান, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যেতে চায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধির কারণে এই কেনাকাটা বন্ধ হয়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “কোনও বিরতি নেই। সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে আমরা কেনাকাটা চালিয়ে যাচ্ছি। অর্থাৎ যদি দাম ও অপরিশোধিত তেলের গুণাগুণ আমাদের প্রক্রিয়াকরণের পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে আমরা কিনি। আমদানি বাড়ানো বা কমানোর জন্য কোনও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আমরা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক বিবেচনার ওপর ভিত্তি করেই অপরিশোধিত তেল কিনছি (India)।”

    ভারতের অভিপ্রায় অপরিবর্তিতই

    তিনি ইঙ্গিত দেন, রাশিয়ান তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতের অভিপ্রায় অপরিবর্তিতই রয়েছে। সাহনি বলেন, “রাশিয়ান তেল কেনা কখনওই নিষিদ্ধ ছিল না এবং ভারতের কেনার সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক কারণে।” তিনি বলেন, “এ ধরনের কেনা চলতেই থাকবে যতক্ষণ না নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আমাদের কাছে (সরকারের পক্ষ থেকে) কেনা বাড়ানো বা কমানোর কোনও নির্দেশ আসেনি। আমরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।” তিনি বলেন, “আমাদের না বেশি কেনার জন্য (Trump Tariff Threats) বলা হচ্ছে, না কম কেনার জন্য, সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হোক বা অন্য কোনও দেশ। আমাদের কার্যক্রম অর্থনৈতিক বিবেচনাই নির্ধারণ করে (India)।”

    রাশিয়ান তেলের অংশ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের আগে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির মধ্যে রাশিয়ান তেলের অংশ ছিল এক শতাংশেরও কম। তবে, পশ্চিমী দেশগুলির নিষেধাজ্ঞার পর ভারত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে রাশিয়া থেকে আমদানি বাড়িয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বর্তমানে ভারতের মোট তেলের চাহিদার ৩০ শতাংশই রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল দিয়ে পূরণ করা হয়। পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে (Trump Tariff Threats) বলা হয়েছে, এপ্রিল-জুন এই ত্রৈমাসিকে আইওসি রিফাইনারিগুলিতে প্রক্রিয়াজাত হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২২-২৩ শতাংশই ছিল রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত (India)।

  • Asia Cup 2025: এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল ভারত, বাদ যশস্বী ও শ্রেয়স , কী বলছে বোর্ড?

    Asia Cup 2025: এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল ভারত, বাদ যশস্বী ও শ্রেয়স , কী বলছে বোর্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) জন্য ঘোষিত ভারতীয় দলে জায়গা হয়নি যশস্বী জয়সওয়াল এবং শ্রেয়স আয়ারের। দেশের অন্যতম সেরা এই দুই ব্যাটার বাদ পড়ায় প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। বর্তমান দলে ইনিংস শুরু করতে পারেন এমন তিনজন রয়েছেন—শুভমন গিল, সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মা। সহ-অধিনায়ক শুভমনের জায়গা নিয়ে প্রশ্ন নেই। সঞ্জু উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন, তাঁর অভিজ্ঞতাও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয় ওপেনারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল অভিষেক এবং যশস্বীর মধ্যে। এখানে পিছিয়ে পড়েছেন যশস্বী (Asia Cup)।

    যশস্বীর বাদ পড়া নিয়ে কী বলছেন আগরকর

    এ বিষয়ে আগরকর বলেন, “যশস্বীর না থাকা দুর্ভাগ্যজনক। তবে অভিষেকের পারফরম্যান্স অগ্রাহ্য করা কঠিন ছিল। আমরা জানি টি-টোয়েন্টিতে ওর পারফরম্যান্স কতটা ভালো। অভিষেক বল করতে পারে, যা অধিনায়কের জন্য একটি বাড়তি বিকল্প। এই দু’জনের মধ্যে একজনকে বসতেই হত।” অর্থাৎ, অভিষেকের অলরাউন্ডার দক্ষতা যশস্বীর থেকে তাঁকে এগিয়ে দিয়েছে। যশস্বীর বল না করতে পারার বিষয়টি তাঁর পক্ষে যায়নি। যদিও প্রশ্ন উঠছে, যখন অক্ষর পটেলের মতো একজন বাঁহাতি স্পিনার দলে রয়েছেন, তখন আরেকজন বাঁহাতি স্পিনারের প্রয়োজন আদৌ আছে কি না। তাছাড়া, আইপিএল ২০২৫-এ যশস্বী ১৪ ম্যাচে ৪৩ গড় এবং ১৫৯.৭১ স্ট্রাইক রেটে ৫৫৯ রান করেন। এই পারফরম্যান্সও নির্বাচকদের মন জিততে পারেনি।

    শ্রেয়স বাদ পড়ায় কী যুক্তি দিচ্ছেন আগরকর (Asia Cup 2025)

    শ্রেয়স আয়ারকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যায় আগরকর কোনও যুক্তি দিতে পারেননি। তিনি বলেন, “শ্রেয়সকে দলে না রাখা আমাদের দোষ নয়, আবার ওরও দোষ নয়। কারণ ১৫ জনের বেশি ক্রিকেটার রাখা যায় না। কার জায়গায় ওকে নিতাম?” শ্রেয়স দেশের সাদা বলের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা মিডল অর্ডার ব্যাটার। তিনি গত দুই আইপিএলে সফল অধিনায়ক হিসেবেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। ২০২৫ আইপিএলে তিনি ১৭টি ম্যাচে ৫০.৩৩ গড় এবং ১৭৫.০৭ স্ট্রাইক রেটে ৬০৪ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ৬টি অর্ধশতরান। এত কিছু সত্ত্বেও জাতীয় দলে তাঁর জায়গা না হওয়ায় বিস্মিত ক্রিকেট মহলের একাংশ। তাঁদের প্রশ্ন, একজন ব্যাটারকে আর কী করলে জাতীয় দলে নেওয়া হবে?

    ১৫ সদস্যের স্কোয়াড (Asia Cup 2025)

    এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) জন্য ভারতের সম্ভাব্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড: সূর্য কুমার যাদব (সি), শুভমান গিল (ভিসি), অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, জিতেশ শর্মা (ডব্লিউকে), জসপ্রিত বুমরা, আরশদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, সঞ্জু স্যামসন (ডব্লিউকে), হর্ষিত রানা ও রিঙ্কু সিং। ভারতীয় দল তাদের (Asia Cup) প্রথম ম্যাচ ১০ সেপ্টেম্বর দুবাইতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে খেলবে।

  • Putin Modi Talk: আলাস্কার বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, ফোনে বন্ধু মোদিকে বললেন পুতিন

    Putin Modi Talk: আলাস্কার বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, ফোনে বন্ধু মোদিকে বললেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। সেই বৈঠকে ঠিক কী কথা হয়েছে, ফোন করে তা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের এই বিষয়টি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে এই বিষয়টি জানানোর জন্য পুতিনকে  ধন্যবাদ দিয়েছেন মোদি। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথাও প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সমাজ মাধ্যমে পোস্ট মোদির (PM Modi)

    এক্স পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) পুতিনকে বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করে লেখেন, ‘‘সম্প্রতি আলাস্কায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর (পুতিন) বৈঠকের বিষয়বস্তু আমার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’’ মোদি আরও জানিয়েছেন, ভারত ধারাবাহিক ভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে এসেছে। যুদ্ধ বন্ধের সকল প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন করে বলেও জানিয়েছেন মোদি।

    কথা দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও

    জানা যাচ্ছে, আলাস্কার বৈঠক বা ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গই নয়, মোদি এবং পুতিনের (Putin) মধ্যে এই কথোপকথনের মধ্যে উঠে এসেছে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও একাধিক প্রসঙ্গ। ভ্লাদিমির পুতিন এবং নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন বলেও জানা যাচ্ছে।

    ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, গত ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল ভারতেরও, কারণ সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হুঁশিয়ারি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের ওপর শুল্কও বৃদ্ধি করেন তিনি।

    বৈঠক নিয়ে কী জানিয়েছিলেন ট্রাম্প

    বৈঠকের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন যে, এই বৈঠক হতে চলেছে মূলত রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সংঘাত থামানোর বিষয়ে। কিন্তু অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই মনে করেছিলেন যে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনার প্রসঙ্গ উঠতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্টের এই বৈঠকে। প্রসঙ্গত, আলাস্কায় গত ১৫ অগাস্ট এই বৈঠক ৩ ঘণ্টা ধরে চলে। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কোনও সমাধানসূত্রই বের করা যায়নি। কিন্তু বৈঠকের পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুজনেই বলেন বৈঠক ফলপ্রসূ।

    বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে ভারত

    অন্যদিকে, গত শনিবারে ভারত আলাস্কায় রাশিয়া এবং আমেরিকার এই বৈঠকে স্বাগত জানায়। এ নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বিবৃতি আসে যে, ভারত স্বাগত জানাচ্ছে আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) এই বৈঠককে।

    ট্রাম্পের সুর নরম

    প্রসঙ্গত রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক চড়িয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপরে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্পের সুর কিছুটা নরম বলেই মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক। কারণ, ওই বৈঠকের পরে তিনি বলেন, “আজ যা হল, আশা করি এর পর আর ওটা (শুল্ক) নিয়ে ভাবতে হবে না। তবে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হয়তো ওটা নিয়ে আমাকে আবার ভাবতে হবে। এখন কিছু নয়। আমার মনে হয়, বৈঠক খুব ভালো হয়েছে।’’

LinkedIn
Share