Tag: India

India

  • India Canada Relation: নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    India Canada Relation: নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় (Canada) হিন্দু মন্দিরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন খালিস্তানপন্থীরা। বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন এক পুলিশ কর্মীও। খালিস্তানপন্থীদের হলুদ পতাকা হাতে বিক্ষোভ-আন্দোলনে দেখা গিয়েছে তাঁকে (India Canada Relation)। হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় কানাডা প্রশাসনের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত।

    পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড (India Canada Relation)

    প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টির অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে জোরদার চর্চা হয়েছে। ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে ওই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করেছে কানাডা প্রশাসন। সাসপেন্ডেড পুলিশ কর্মীর নাম হরিন্দর সোহি। কানাডার পিল অঞ্চলে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সোহিকে সাসপেন্ড করার কথা জানিয়েছেন পিল অঞ্চলের পুলিশের মুখপাত্র রিচার্ড চিন।

    মন্দিরে হামলায় ছিলেন ওই পুলিশ কর্মীও!

    রবিবার ব্রাম্পটনে হিন্দু সভা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন কয়েকজন পুণ্যার্থী। ওই সময় মন্দিরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কয়েকজন খালিস্তানপন্থী। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল খালিস্তানপন্থী সংগঠনের ঝান্ডা, লাঠি। অভিযোগ, ভক্তরা মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের ওপর হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। মারধর করা হয় পুণ্যার্থীদের। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। তাতে দেখা গিয়েছে সোহিকে। খালিস্তানপন্থী পতাকা হাতে (India Canada Relation) তিনিও ছিলেন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ‘ইচ্ছাকৃত’ হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

    ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়। হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় নয়াদিল্লি। এর পরেই চাপে পড়ে যায় ট্রুডো সরকার। কানাডা পুলিশের মুখপাত্র রিচার্ড জানান, ভিডিওটি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। বিক্ষোভের সময় তিনি কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন না। কানাডার সম্প্রদায় সুরক্ষা ও পুলিশ আইন অনুসারে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই দিন ওই মন্দিরে ঠিক কী ঘটেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর পর থেকে বিক্ষোভ যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতে আরও বেশি সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে পিল রিজিওনাল পুলিশ।

    ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন বলেন, “প্রার্থনাস্থলের সামনে যাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ হয়, তা নিয়ে সিটি কাউন্সিলে শীঘ্রই প্রস্তাব পেশ করা হবে। শহরের সলিসিটরদের বিষয়টি পর্যালোচনা করতেও বলা হয়েছে।” আগামী সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে (Canada) এ সংক্রান্ত আইনি ধারার বৈধতা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justin Trudeau: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, চাপে পড়ে নিন্দামন্দ করলেন ট্রুডো!

    Justin Trudeau: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, চাপে পড়ে নিন্দামন্দ করলেন ট্রুডো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের অন্দরে ক্রমেই বাড়ছে ট্রুডো (Justin Trudeau) বিরোধী ক্ষোভ। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁকে সরাতে গোপন ভোটের দাবি তুলেছেন তাঁরই দল লিবারেল পার্টির বেশ কয়েকজন সাংসদ। দলের অন্দরে বিদ্রোহের জেরে ট্রুডো যখন প্রায় কোণঠাসা, তখনই ফের হামলা হল কানাডার হিন্দু মন্দিরে (Attack On Hindus)। এই দফায় মন্দিরে উপস্থিত ভক্তদের ওপর হামলাও চালায় খালিস্তানপন্থীরা। এর পরেই (পড়ুন চাপে পড়ে) ঘটনার নিন্দা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ব্রাম্পটনে হিন্দু মন্দিরের এই ঘটনা ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলেই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা (Justin Trudeau) 

    ব্রাম্পটনে একটি হিন্দু মন্দিরে হামলা হয়। তার পরেই হিন্দু ফোরাম কানাডা এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনাটির পুরো ভিডিও শেয়ার করে। ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন খালিস্তানপন্থী হাতে হলুদ ঝান্ডা নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গনে গন্ডগোল করছে। কয়েকজনকে আবার লাঠি হাতে ভক্তদের মারধর করতেও দেখা গিয়েছে। ফোরাম লিখেছে, খুবই বিরক্তিকর ছবি। ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে ভক্তদের ওপর হামলা চালিয়েছে খালিস্তানপন্থীরা। এটা মেনে (Justin Trudeau) নেওয়া যায় না।”

    কী বললেন কানাডিয়ান সাংসদ 

    এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান সাংসদ চন্দ্র আর্য লিখেছেন, “কানাডায় খালিস্তানি চরমপন্থীরা সীমা অতিক্রম করেছে। ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দির প্রাঙ্গণে হিন্দু কানাডিয়ান ভক্তদের ওপর খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ দেখিয়ে দিল কানাডায় খালিস্তান সহিংস চরমপন্থা কতটা গভীর ও নির্লজ্জ হয়ে উঠেছে। আমি ভাবতে শুরু করেছি যে এই রিপোর্টের কিছু সত্যতা রয়েছে যে কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছাড়াও খালিস্তানপন্থীরা কার্যকরভাবে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিতে অনুপ্রবেশ করেছে। কানাডায় মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে খালিস্তানি চরমপন্থীরা অবাধে মুক্ত হচ্ছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, আমাদের সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য হিন্দু-কানাডিয়ানদের এগিয়ে আসতে হবে এবং তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে হবে এবং রাজনীতিবিদেরও জবাবদিহি করতে হবে।”

    ট্রুডোর ভোলবদল! 

    প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে ট্রুডো লিখেছেন, “ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে আজকের হিংসার ঘটনাগুলো মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিটি কানাডিয়ানের নিজস্ব ধর্ম (Attack On Hindus) পালন করার অধিকার স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে রয়েছে (Justin Trudeau)।”

     

  • Sheikh Hasina: “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?”, জেলহত্যা দিবসে প্রশ্ন শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?”, জেলহত্যা দিবসে প্রশ্ন শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজকের অবরুদ্ধ বাংলাদেশ কারাগারের অন্ধকারে প্রকোষ্ঠে পরিণত হয়েছে।” মাস তিনেক মুখে কুলুপ এঁটে থাকার পর কথাগুলি বললেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশছাড়া শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। রবিবার বাংলাদেশে পালিত হয়েছে জেলহত্যা দিবস।

    কী বললেন হাসিনা (Sheikh Hasina)

    এদিন জারি করা এক বিবৃতিতে হাসিনা বলেন, “স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও দেশবিরোধী চক্র এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলার মাটি থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রগতিশীল রাজনীতি ও বাংলাদেশ আওয়ামি লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস ও বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।” তাঁর মতে, কিন্তু তার পরেও সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। আরও একবার তা হবে। নভেম্বরের ৩ তারিখে গভীর রাতে মুক্তিযুদ্ধের চারজন প্রধান নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলি এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলের একটি প্রকোষ্ঠে নিয়ে এসে বাইরে থেকে এলোপাথাড়ি গুলি করে হত্যা করা হয়।

    দেশছাড়া হাসিনা

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ৫ অগাস্ট দেশছাড়া হন হাসিনা। আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে তিনি (Sheikh Hasina) লেখেন, “দেশে বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনতা-বিরোধীরা ক্ষমতাসীন হয়েছে। স্বাধীনতা-বিরোধী অপশক্তি দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করতে এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে বারবার হামলা করছে। কিন্তু দিনের শেষে ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে।”

    আরও পড়ুন: গ্রেফতারির পর ‘উধাও’ অন্তর্বাসে প্রতিবাদ জানানো ইরানের তরুণী, কোথায় গেলেন তিনি?

    হাসিনা বলেন, “সময়ের পরিক্রমায় এক দিন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের চেতনা চির জাগরূক থাকবে।” তাঁর প্রশ্ন, “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?” তিনি বলেন, “এখন শোক পালনের অধিকার নেই। আমি জাতির পক্ষ থেকে জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “হত্যাকারীদের বিচারের বদলে দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির যে কোনও (Bangladesh) ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে (Sheikh Hasina)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Adani Group: বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য ডেডলাইন বেঁধে দিল আদানি গোষ্ঠী

    Adani Group: বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য ডেডলাইন বেঁধে দিল আদানি গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া না পেয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য বাংলাদেশকে ডেডলাইন বেঁধে দিল ভারতীয় এই ব্যবসায়িক গোষ্ঠী (Bangladesh)। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৭ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া না মেটালে বাংলাদেশকে আর বিদ্যুৎ দেওয়া হবে না।

    আঁধারে ডুবতে পারে বাংলাদেশ (Adani Group)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিদ্যুতের দাম বাবদ বাংলাদেশের থেকে আদানি গোষ্ঠীর পাওনা ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সেই বকেয়া না মেটালে বন্ধ করে দেওয়া হবে বিদ্যুৎ সরবরাহ। আর যদি তা হয়, আঁধারে ডুবতে পারে বাংলাদেশ। বকেয়া না মেটানোয় সম্প্রতি বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে গৌতম আদানির সংস্থা। তার পরেই ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলে একেবারেই অন্ধকারে ডুবে যাবে মহম্মদ ইউনূসের দেশ।

    লেটার অফ ক্রেডিটও দিয়েছিল

    বাংলাদেশে সব চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)। ২০২২ সাল থেকে ভারতীয় এই সংস্থা বিদ্যুৎ বিক্রি করে চলেছে পড়শি দেশকে। সেই বাবদ আদানির সংস্থার প্রাপ্য হয় ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর আগে বকেয়া মেটানোর জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন পর্ষদকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার লেটার অফ ক্রেডিটও দিয়েছিল। সেই টাকা কৃষি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে লেটার অফ ক্রেডিট দিয়ে মেটানোর কথা থাকলেও, তা দেয়নি বাংলাদেশ। তার জেরে ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে আদানি পাওয়ার ঝাড়খণ্ড।

    আরও পড়ুন: ইরানে হিজাবের বিরুদ্ধে পোশাক খুলে অন্তর্বাস পরে বিক্ষোভ তরুণীর, শোরগোল মধ্যপ্রাচ্যে

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসে প্রতিদিন ৭২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে আদানি গোষ্ঠীর তরফে। অথচ চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিদিন বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কথা ছিল ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় চরম বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরেই ইউনূসের দেশে দিনের অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ একেবারে বন্ধ করে দিলে (Bangladesh) দেশটি যে অন্ধকারে ডুবে যাবে, তা (Adani Group) বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Relation: শাহকে নিয়ে মন্তব্য, কানাডা দূতাবাসের কূটনীতিককে তলব ভারতের

    India Canada Relation: শাহকে নিয়ে মন্তব্য, কানাডা দূতাবাসের কূটনীতিককে তলব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহকে (Amit Shah) নিয়ে কানাডার মন্ত্রীর মন্তব্যের জেরে নয়াদিল্লির কানাডা দূতাবাসের এক কূটনীতিককে তলব করল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (India Canada Relation)। কানাডিয়ান মন্ত্রীর দাবি ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ বলেও উড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। কানাডায় খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর আক্রমণের নেপথ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন কানাডার উপবিদেশমন্ত্রী ডেভিড মরিসন।

    মুখের মতো জবাব রণধীর জয়সওয়ালের (India Canada Relation)

    এক মার্কিন দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওই মন্তব্য করেন তিনি। তার পরেই পদক্ষেপ করল সাউথব্লক। শনিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার উচ্চপদস্থ কর্তারা ভারতকে অসম্মান ও অন্য দেশকে প্রভাবিত করতে কৌশল হিসেবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভিত্তিহীন ইঙ্গিত করছেন। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে।”

    অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ

    মার্কিন দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার আগে মঙ্গলবার কানাডিয়ান পার্লামেন্ট কমিটির সামনে মরিসন শাহকে নিয়ে একবার অভিযোগ করেছিলেন। সে প্রসঙ্গে এদিন জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার উপবিদেশমন্ত্রী ডেভিড মরিসন কমিটির সামনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তা অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন। ভারত সরকার এর তীব্র প্রতিবাদ করছে। শুক্রবার ভারতে অবস্থিত (India Canada Relation) কানাডা দূতাবাসের এক প্রতিনিধিকে তলব করা হয়েছে।”

    ১৩ অক্টোবর কানাডা সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে যাঁদের স্বার্থ জড়িত, সেই তালিকায় কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয়কুমার বর্মা রয়েছেন। এর পরেই সঞ্জয়-সহ কয়েকজন কূটনীতিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এর পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রক অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বহিষ্কার করে কয়েকজন কানাডিয়ান কূটনীতিককে।

    আরও পড়ুন: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    গত বছর কানাডার একটি গুরুদ্বারের সামনে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জরকে গুলি করে খুন করে আততায়ীরা। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো স্বয়ং। সম্প্রতি তিনি জানান, এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ ছিল না। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই মার্কিন দৈনিকে শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ট্রুডোরই সতীর্থ। নরেন্দ্র মোদি সরকারের অভিযোগ, কানাডার সাধারণ নির্বাচনে খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলির সমর্থন পাওয়ার জন্য (Amit Shah) ট্রুডো সরকার খুঁচিয়ে তুলছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ড বিতর্ক (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি (GST) সংগ্রহ। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) এই প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ লাখ কোটি টাকা। গত বছর অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১.৭২ লাখ কোটি টাকা। শতাংশের বিচারে এবার জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৮.৯।

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ঠিক এক মাস আগে, সেপ্টেম্বরে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৭৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট জিএসটি সংগ্রহ ৯.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই সময় এর পরিমাণ ছিল ১১.৬৪ লাখ কোটি টাকা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় জিএসটি, রাজ্য জিএসটি, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি এবং সেস সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে কী কী রয়েছে

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি (GST) ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১  কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অক্টোবর দ্বিতীয় সেরা জিএসটি সংগ্রহের মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কারণ সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল এপ্রিল মাসে, আদায় হয়েছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    রিভিউয়ের মাসে, দেশীয় লেনদেন থেকে জিএসটি ১০.৬ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১.৪২ লাখ কোটি টাকায়। আমদানি কর থেকে রাজস্ব প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৪৫,০৯৬ কোটি টাকায়। গোটা মাসে ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৯,৩০৬ কোটি টাকা। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১৮.২ শতাংশ বেশি।

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জিএসটি ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১ কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। অক্টোবর ২০২৪-এ জিএসটি সংগ্রহ ছিল (India) দ্বিতীয় সর্বোত্তম মানের। সর্বোচ্চ সংগ্রহ এপ্রিল ২০২৪-এ ছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকার বেশি (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবকে দাঁড়িয়ে গোল দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)! মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে ঠাঁই হয়েছে ভারতের। এই জায়গাটা দীর্ঘদিন দখলে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রানির দেশকে নীচে নামিয়ে ভারত উঠেছে ওপরে। এবার ভারতীয়দের গর্বিত হওয়ার আরও একটি খবর এল। জানা গিয়েছে, সৌদি আরবকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ হয়ে উঠেছে ভারত।

    ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ভারত (India)

    ভারত ব্রিকসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সেই দেশই ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ইউরোপকে (Refined Fuel Supplier)। ট্রেড ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রকাশিত রিপোর্টেই এ খবর জানা গিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার তেলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পশ্চিমের দেশগুলি। এহেন আবহে ইউরোপ ভারত থেকে পরিশোধিত তেলের আমদানি দিন প্রতি ৩৬০,০০০ ব্যারেল হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্য পথগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বাড়ল আমদানির পরিমাণ

    সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদকদের মধ্যে একটি দেশ। দশকের পর দশক ধরে তেল বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে রেখেছে এই দেশটি। তবে, ইউরোপীয় বাজার থেকে রাশিয়া সরে যাওয়ায় ইউরোপ তার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন বিকল্প খুঁজছে (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ইউরোপ ভারতীয় রিফাইনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১,৫৪,০০০ ব্যারেল তেল আমদানি করত। এই সংখ্যাটা এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৫ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায়। আমদানি বেড়েছে দিন পিছু ২,০০,০০০ ব্যারেল। কেপলারের অনুমান, ভারতের রাশিয়ার  তেলের আমদানি আগামী বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে প্রতিদিন ২০ লক্ষ ব্যারেল অতিক্রম করতে পারে, যা ভারতের মোট তেল আমদানির ৪৪ শতাংশ হবে।

    আরও পড়ুন: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য শক্তি অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শক্তি বাণিজ্য যাতে আরও উন্নত করা যায় সেজন্য (Refined Fuel Supplier) দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করে চলেছেন (India) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ গলল ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ! চার বছরেরও বেশি সময় পর পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর টহল দেওয়া (Patrolling Begins) শুরু করেছে ভারতীয় ও চিনা সেনারা। ২০২০ সালে গলওয়ানে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট সীমান্ত উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    শুরু টহলদারি (LAC)

    বৃহস্পতিবার, দীপাবলি উপলক্ষে মিষ্টি বিনিময়ের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেপসাং এবং দেমচক এলাকায় সেনারা টহল দেন। মিলিটারি ডিসএনগেজমেন্টের একদিন পর শুরু হয়েছে এই টহলদারি। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে প্যাঙ্গং লেক ও গলওয়ান অঞ্চলে সংঘর্ষের পর এই দুই এলাকায় প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে টহল বন্ধ ছিল। ভারত-চিনের সেই সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা। দুই দেশের সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে টহল সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তে চলা উত্তেজনার অবসান ঘটানো। এই বিচ্ছিন্নতা চুক্তির আওতায় ডেপসাং এবং দামচোক থেকে সৈন্য ও পরিকাঠামো অপসারণ করা হয়। এপ্রিলে ২০২০-র আগের অবস্থানে সৈন্যদের প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

    দীপাবলি

    দীপাবলি উপলক্ষে, গতকাল পাঁচটি জায়গায় যেমন লাদাখের চুশুল মল্ডো এবং দৌলত বেগ ওল্ডি-তে, সৈন্যরা মিষ্টি বিনিময় করেন। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন দেখছে, চিন চুক্তি অনুসারে সত্যিই তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করেছে কি না। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে প্রতিটি পক্ষের স্থল-স্তরের কমান্ডাররা টহল দেওয়ার আগে একে অপরকে অবহিত করবেন (LAC)। দেপসাং ও দেমচকে উভয় পক্ষই নজরদারির বিকল্পগুলি বজায় রাখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! অস্তিত্বের সঙ্কটে হিমাচলি হিন্দুরা, পালটা প্রতিরোধের ডাক

    বৃহস্পতিবারই সেনার তরফে জানানো হয়, দেমচক ও দেপসাংয়ে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলাকা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। শুরু হয়েছে স্বাভাবিক নজরদারি। তবে এখনও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো মেটানোর জন্য নিয়মিত আলোচনায় বসবেন দুই দেশের সেনার কমান্ডার পর্যায়ের আধিকারিকরা। সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও (Patrolling Begins) ভুল বোঝাবুঝি না হয়, তাই সেদিকেও নজর রাখবেন তাঁরা (LAC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Apple: মাথায় হাত চিনের! ভারতে তৈরি ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের আইফোন রফতানি করল অ্যাপল

    Apple: মাথায় হাত চিনের! ভারতে তৈরি ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের আইফোন রফতানি করল অ্যাপল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) মার্কিন ডলার মূল্যের আইফোন (IPhone) রফতানি করল আমেরিকান কোম্পানি অ্যাপল (Apple)। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছ’মাসে রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে এক তৃতীয়াংশ। মার্কিন এই কোম্পানি যে ক্রমেই চিনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে, এই ঘটনাই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। এতে বার্ষিক রফতানি ২০২৪ অর্থবর্ষে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পার হতে চলেছে বলে খবর।

    অ্যাপলের কৌশল (Apple)

    মার্কিন কোম্পানি অ্যাপল ভারতে উৎপাদন নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। স্থানীয় ভর্তুকি, দক্ষ শ্রমিক এবং দেশীয় প্রযুক্তিগত দক্ষতার উন্নতির সুযোগ নিচ্ছে এই কোম্পানি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে উৎপাদন বৃদ্ধি করা আদতে চিনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বেজিংয়ের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের উত্তেজনার কারণেই এই কৌশল।

    বাড়ছে অ্যাপলের রফতানির পরিমাণ 

    অ্যাপল (Apple) ভারতের স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ৭ শতাংশ দখল করে রেখেছে। এই কোম্পানির তিনটি সরবরাহকারী সংস্থা – তাইওয়ানের ফক্সকন টেকনোলজি গ্রুপ এবং পেগাট্রন কর্প এবং দেশীয় টাটা ইলেকট্রনিক্স – ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে আইফোন অ্যাসেম্বল করে। চেন্নাইয়ের শহরতলিতে অবস্থিত ফক্সকনের স্থানীয় ইউনিটটি ভারতের শীর্ষ সরবরাহকারী কোম্পানি। দেশের মোট আইফোনের সিংহভাগ রফতানি করে এরাই। টাটা গ্রুপের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন শাখাটি গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কর্নাটকের কারখানা থেকে প্রায় ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের আইফোন রফতানি করেছে বলে সূত্রের খবর (Apple)। টাটা গত বছর উইস্ট্রন কর্পের কাছ থেকে এই ইউনিটটি অধিগ্রহণ করে। এটাই অ্যাপলের সর্বাধিক বিক্রিত পণ্য অ্যাসেম্বল করা প্রথম ভারতীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।  

    আরও পড়ুন: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    ভারত ক্রমেই বেশি বেশি করে আইফোন উৎপাদন করছে। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ রফতানির জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে ভারত। এর মূল্য ২.৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পাঁচ বছর আগে, যখন অ্যাপল ভারতে উৎপাদন শুরু করেনি, তখন আমেরিকায় ভারতের বার্ষিক স্মার্টফোন রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৫২০ কোটি মার্কিন ডলার (Apple)। এখন সেটাই এক লপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি (IPhone)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Illegal Bangladeshi Migrants: তোষণের রাজনীতি! অবাধে চলছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা!

    Illegal Bangladeshi Migrants: তোষণের রাজনীতি! অবাধে চলছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) যখন তামাম ভারতের দুঃস্বপ্ন, তখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! (Mamata Banerjee) এমনই অভিযোগ বিজেপির। পদ্ম নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ দেশের শান্তি বিঘ্নিত করে। পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ করাই একমাত্র উপায়।” ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে একটি নতুন যাত্রী টার্মিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।”

    বাড়ছে অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants)

    প্রবল আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশ ছেড়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পর থেকে উত্তরোত্তর বাংলাদেশের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। দেশ চালাতে একটা তদারকি সরকার গঠিত হয়েছে ঠিকই, তবে তার পরেও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বাংলাদেশিদের একটা অংশ। মূলত তাঁরাই সীমান্ত পেরিয়ে চলে আসছেন ভারতে। বাংলাদেশের সংকট প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতে অনুপ্রবেশের হারও নিত্যদিন বাড়ছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) মাথাব্যথার কারণ অসমেরও। তবে অসম সরকার ইতিমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ এখনও নাকে সর্ষের তেল দিয়েই ঘুমোচ্ছে বলে অভিযোগ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, গত দু’মাসে অসম এবং ত্রিপুরায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করা ১৩৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গত দুমাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই আমরা আমাদের রাজ্যে কোনও ব্যক্তি বা একটি দলকে ধরছি। এই সমস্যার সমাধানে রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন প্রয়োজন। অসম ও ত্রিপুরা এক যোগে কাজ করলেও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীরও সহযোগিতা করা দরকার।”

    কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট

    ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশিরাই সর্ববৃহৎ গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এরপর পাকিস্তানিরা। ২০০৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখ করেছিল যে, বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অবৈধ অনুপ্রবেশ হওয়ায় অসম, ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যের জনগণের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। ২০০৮ সালে দিল্লি হাইকোর্ট বাংলাদেশি এক নাগরিকের বিতাড়নের বিরুদ্ধে পিটিশন খারিজ করার সময় বলেছিল, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি-স্বরূপ (Illegal Bangladeshi Migrants)। বাংলায় মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাতে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ১৯৫১ সালের ১৯.৮৪ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ২৭.০১ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘দলে টানতেই পারে তৃণমূল’’, তন্ময়কাণ্ড নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন শুভেন্দু

    চোখে ঠুলি বেঁধে রয়েছে শাসক!

    রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্র বারবার এই সমস্যাটি উত্থাপন করলেও, বাংলার শাসকরা (Mamata Banerjee) কানে তুলো এবং চোখে ঠুলি বেঁধে বসে রয়েছেন। তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে, কুর্সি নিশ্চিত করতে গিয়ে বাংলার সাড়ে সর্বনাশ করে ছেড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ, মুসলিম এই ভোট ব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতেই রাজ্য সরকার গরু পাচার, জাল নোটের কারবার এবং মাদক ব্যবসার বিষয়ে নরম মনোভাব গ্রহণ করেছে। বর্ধমানে অনুপ্রবেশকারীদের একটি দল ১ হাজারটিরও বেশি বোমা তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার পরেও কঠোর কোনও ব্যবস্থা তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    সমস্যা যখন অনুপ্রবেশ

    প্রথমে কংগ্রেস এবং পরে বাম সরকারের আমলেও অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) হয়েছে। তবে তা এত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে অনুপ্রবেশ ক্রমেই বাড়ছে। এই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা যেহেতু একটি ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজ করছে, তাই তাঁর দলের সদস্যরা অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নানাভাবে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। তৃণমূল নেতাদের কল্যাণে এই ব্যক্তিদের ভোটার আইডি কার্ড এবং আধার কার্ডও হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর তালিকার দিকে তাকালেই বিষয়টা আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং যাদের ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছিল অথচ এ দেশে রয়ে গিয়েছে, তাদের সংখ্যা যথাক্রমে ২৫ হাজার ৯৪২, ৪৯ হাজার ৬৪৫ এবং ৩৫ হাজার ০৫৫।

    কী বলছে নিরাপত্তা সংস্থা

    দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বারবার বলেছে যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা খেলছে। তারা এই ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র দিচ্ছে। এটা নিয়ে তারা সারা দেশ ভ্রমণ করছে। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও ব্যাপকভাবে বসতি স্থাপন করছে তারা ওই পরিচয়পত্র নিয়েই। কেবল তাই নয়, ঝাড়খণ্ডের মতো জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় গিয়ে তারা স্থানীয় মেয়েদের বিয়ে করে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের সম্পত্তি। ব্যাপক অনুপ্রবেশের জেরে বদলে যাচ্ছে এলাকার জনবিন্যাস (Mamata Banerjee)। রমরমা কারবার চলছে জাল নোটের। মাদক পাচার, গরু পাচার এসব কাজও দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে তারা (Illegal Bangladeshi Migrants) শাসকদলের নেতাদের প্রশ্রয়ে।

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share