Tag: India

India

  • GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি (GST) সংগ্রহ। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) এই প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ লাখ কোটি টাকা। গত বছর অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১.৭২ লাখ কোটি টাকা। শতাংশের বিচারে এবার জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৮.৯।

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ঠিক এক মাস আগে, সেপ্টেম্বরে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৭৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট জিএসটি সংগ্রহ ৯.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই সময় এর পরিমাণ ছিল ১১.৬৪ লাখ কোটি টাকা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় জিএসটি, রাজ্য জিএসটি, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি এবং সেস সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে কী কী রয়েছে

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি (GST) ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১  কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অক্টোবর দ্বিতীয় সেরা জিএসটি সংগ্রহের মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কারণ সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল এপ্রিল মাসে, আদায় হয়েছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    রিভিউয়ের মাসে, দেশীয় লেনদেন থেকে জিএসটি ১০.৬ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১.৪২ লাখ কোটি টাকায়। আমদানি কর থেকে রাজস্ব প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৪৫,০৯৬ কোটি টাকায়। গোটা মাসে ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৯,৩০৬ কোটি টাকা। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১৮.২ শতাংশ বেশি।

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জিএসটি ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১ কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। অক্টোবর ২০২৪-এ জিএসটি সংগ্রহ ছিল (India) দ্বিতীয় সর্বোত্তম মানের। সর্বোচ্চ সংগ্রহ এপ্রিল ২০২৪-এ ছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকার বেশি (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবকে দাঁড়িয়ে গোল দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)! মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে ঠাঁই হয়েছে ভারতের। এই জায়গাটা দীর্ঘদিন দখলে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রানির দেশকে নীচে নামিয়ে ভারত উঠেছে ওপরে। এবার ভারতীয়দের গর্বিত হওয়ার আরও একটি খবর এল। জানা গিয়েছে, সৌদি আরবকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ হয়ে উঠেছে ভারত।

    ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ভারত (India)

    ভারত ব্রিকসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সেই দেশই ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ইউরোপকে (Refined Fuel Supplier)। ট্রেড ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রকাশিত রিপোর্টেই এ খবর জানা গিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার তেলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পশ্চিমের দেশগুলি। এহেন আবহে ইউরোপ ভারত থেকে পরিশোধিত তেলের আমদানি দিন প্রতি ৩৬০,০০০ ব্যারেল হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্য পথগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বাড়ল আমদানির পরিমাণ

    সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদকদের মধ্যে একটি দেশ। দশকের পর দশক ধরে তেল বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে রেখেছে এই দেশটি। তবে, ইউরোপীয় বাজার থেকে রাশিয়া সরে যাওয়ায় ইউরোপ তার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন বিকল্প খুঁজছে (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ইউরোপ ভারতীয় রিফাইনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১,৫৪,০০০ ব্যারেল তেল আমদানি করত। এই সংখ্যাটা এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৫ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায়। আমদানি বেড়েছে দিন পিছু ২,০০,০০০ ব্যারেল। কেপলারের অনুমান, ভারতের রাশিয়ার  তেলের আমদানি আগামী বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে প্রতিদিন ২০ লক্ষ ব্যারেল অতিক্রম করতে পারে, যা ভারতের মোট তেল আমদানির ৪৪ শতাংশ হবে।

    আরও পড়ুন: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য শক্তি অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শক্তি বাণিজ্য যাতে আরও উন্নত করা যায় সেজন্য (Refined Fuel Supplier) দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করে চলেছেন (India) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ গলল ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ! চার বছরেরও বেশি সময় পর পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর টহল দেওয়া (Patrolling Begins) শুরু করেছে ভারতীয় ও চিনা সেনারা। ২০২০ সালে গলওয়ানে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট সীমান্ত উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    শুরু টহলদারি (LAC)

    বৃহস্পতিবার, দীপাবলি উপলক্ষে মিষ্টি বিনিময়ের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেপসাং এবং দেমচক এলাকায় সেনারা টহল দেন। মিলিটারি ডিসএনগেজমেন্টের একদিন পর শুরু হয়েছে এই টহলদারি। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে প্যাঙ্গং লেক ও গলওয়ান অঞ্চলে সংঘর্ষের পর এই দুই এলাকায় প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে টহল বন্ধ ছিল। ভারত-চিনের সেই সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা। দুই দেশের সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে টহল সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তে চলা উত্তেজনার অবসান ঘটানো। এই বিচ্ছিন্নতা চুক্তির আওতায় ডেপসাং এবং দামচোক থেকে সৈন্য ও পরিকাঠামো অপসারণ করা হয়। এপ্রিলে ২০২০-র আগের অবস্থানে সৈন্যদের প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

    দীপাবলি

    দীপাবলি উপলক্ষে, গতকাল পাঁচটি জায়গায় যেমন লাদাখের চুশুল মল্ডো এবং দৌলত বেগ ওল্ডি-তে, সৈন্যরা মিষ্টি বিনিময় করেন। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন দেখছে, চিন চুক্তি অনুসারে সত্যিই তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করেছে কি না। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে প্রতিটি পক্ষের স্থল-স্তরের কমান্ডাররা টহল দেওয়ার আগে একে অপরকে অবহিত করবেন (LAC)। দেপসাং ও দেমচকে উভয় পক্ষই নজরদারির বিকল্পগুলি বজায় রাখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! অস্তিত্বের সঙ্কটে হিমাচলি হিন্দুরা, পালটা প্রতিরোধের ডাক

    বৃহস্পতিবারই সেনার তরফে জানানো হয়, দেমচক ও দেপসাংয়ে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলাকা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। শুরু হয়েছে স্বাভাবিক নজরদারি। তবে এখনও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো মেটানোর জন্য নিয়মিত আলোচনায় বসবেন দুই দেশের সেনার কমান্ডার পর্যায়ের আধিকারিকরা। সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও (Patrolling Begins) ভুল বোঝাবুঝি না হয়, তাই সেদিকেও নজর রাখবেন তাঁরা (LAC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Apple: মাথায় হাত চিনের! ভারতে তৈরি ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের আইফোন রফতানি করল অ্যাপল

    Apple: মাথায় হাত চিনের! ভারতে তৈরি ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের আইফোন রফতানি করল অ্যাপল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) মার্কিন ডলার মূল্যের আইফোন (IPhone) রফতানি করল আমেরিকান কোম্পানি অ্যাপল (Apple)। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছ’মাসে রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে এক তৃতীয়াংশ। মার্কিন এই কোম্পানি যে ক্রমেই চিনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে, এই ঘটনাই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। এতে বার্ষিক রফতানি ২০২৪ অর্থবর্ষে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পার হতে চলেছে বলে খবর।

    অ্যাপলের কৌশল (Apple)

    মার্কিন কোম্পানি অ্যাপল ভারতে উৎপাদন নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। স্থানীয় ভর্তুকি, দক্ষ শ্রমিক এবং দেশীয় প্রযুক্তিগত দক্ষতার উন্নতির সুযোগ নিচ্ছে এই কোম্পানি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে উৎপাদন বৃদ্ধি করা আদতে চিনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বেজিংয়ের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের উত্তেজনার কারণেই এই কৌশল।

    বাড়ছে অ্যাপলের রফতানির পরিমাণ 

    অ্যাপল (Apple) ভারতের স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ৭ শতাংশ দখল করে রেখেছে। এই কোম্পানির তিনটি সরবরাহকারী সংস্থা – তাইওয়ানের ফক্সকন টেকনোলজি গ্রুপ এবং পেগাট্রন কর্প এবং দেশীয় টাটা ইলেকট্রনিক্স – ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে আইফোন অ্যাসেম্বল করে। চেন্নাইয়ের শহরতলিতে অবস্থিত ফক্সকনের স্থানীয় ইউনিটটি ভারতের শীর্ষ সরবরাহকারী কোম্পানি। দেশের মোট আইফোনের সিংহভাগ রফতানি করে এরাই। টাটা গ্রুপের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন শাখাটি গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কর্নাটকের কারখানা থেকে প্রায় ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের আইফোন রফতানি করেছে বলে সূত্রের খবর (Apple)। টাটা গত বছর উইস্ট্রন কর্পের কাছ থেকে এই ইউনিটটি অধিগ্রহণ করে। এটাই অ্যাপলের সর্বাধিক বিক্রিত পণ্য অ্যাসেম্বল করা প্রথম ভারতীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।  

    আরও পড়ুন: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    ভারত ক্রমেই বেশি বেশি করে আইফোন উৎপাদন করছে। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ রফতানির জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে ভারত। এর মূল্য ২.৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পাঁচ বছর আগে, যখন অ্যাপল ভারতে উৎপাদন শুরু করেনি, তখন আমেরিকায় ভারতের বার্ষিক স্মার্টফোন রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৫২০ কোটি মার্কিন ডলার (Apple)। এখন সেটাই এক লপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি (IPhone)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Illegal Bangladeshi Migrants: তোষণের রাজনীতি! অবাধে চলছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা!

    Illegal Bangladeshi Migrants: তোষণের রাজনীতি! অবাধে চলছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) যখন তামাম ভারতের দুঃস্বপ্ন, তখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! (Mamata Banerjee) এমনই অভিযোগ বিজেপির। পদ্ম নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ দেশের শান্তি বিঘ্নিত করে। পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ করাই একমাত্র উপায়।” ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে একটি নতুন যাত্রী টার্মিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।”

    বাড়ছে অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants)

    প্রবল আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশ ছেড়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পর থেকে উত্তরোত্তর বাংলাদেশের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। দেশ চালাতে একটা তদারকি সরকার গঠিত হয়েছে ঠিকই, তবে তার পরেও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বাংলাদেশিদের একটা অংশ। মূলত তাঁরাই সীমান্ত পেরিয়ে চলে আসছেন ভারতে। বাংলাদেশের সংকট প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতে অনুপ্রবেশের হারও নিত্যদিন বাড়ছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) মাথাব্যথার কারণ অসমেরও। তবে অসম সরকার ইতিমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ এখনও নাকে সর্ষের তেল দিয়েই ঘুমোচ্ছে বলে অভিযোগ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, গত দু’মাসে অসম এবং ত্রিপুরায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করা ১৩৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গত দুমাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই আমরা আমাদের রাজ্যে কোনও ব্যক্তি বা একটি দলকে ধরছি। এই সমস্যার সমাধানে রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন প্রয়োজন। অসম ও ত্রিপুরা এক যোগে কাজ করলেও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীরও সহযোগিতা করা দরকার।”

    কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট

    ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশিরাই সর্ববৃহৎ গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এরপর পাকিস্তানিরা। ২০০৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখ করেছিল যে, বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অবৈধ অনুপ্রবেশ হওয়ায় অসম, ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যের জনগণের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। ২০০৮ সালে দিল্লি হাইকোর্ট বাংলাদেশি এক নাগরিকের বিতাড়নের বিরুদ্ধে পিটিশন খারিজ করার সময় বলেছিল, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি-স্বরূপ (Illegal Bangladeshi Migrants)। বাংলায় মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাতে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ১৯৫১ সালের ১৯.৮৪ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ২৭.০১ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘দলে টানতেই পারে তৃণমূল’’, তন্ময়কাণ্ড নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন শুভেন্দু

    চোখে ঠুলি বেঁধে রয়েছে শাসক!

    রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্র বারবার এই সমস্যাটি উত্থাপন করলেও, বাংলার শাসকরা (Mamata Banerjee) কানে তুলো এবং চোখে ঠুলি বেঁধে বসে রয়েছেন। তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে, কুর্সি নিশ্চিত করতে গিয়ে বাংলার সাড়ে সর্বনাশ করে ছেড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ, মুসলিম এই ভোট ব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতেই রাজ্য সরকার গরু পাচার, জাল নোটের কারবার এবং মাদক ব্যবসার বিষয়ে নরম মনোভাব গ্রহণ করেছে। বর্ধমানে অনুপ্রবেশকারীদের একটি দল ১ হাজারটিরও বেশি বোমা তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার পরেও কঠোর কোনও ব্যবস্থা তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    সমস্যা যখন অনুপ্রবেশ

    প্রথমে কংগ্রেস এবং পরে বাম সরকারের আমলেও অনুপ্রবেশ (Illegal Bangladeshi Migrants) হয়েছে। তবে তা এত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে অনুপ্রবেশ ক্রমেই বাড়ছে। এই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা যেহেতু একটি ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজ করছে, তাই তাঁর দলের সদস্যরা অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নানাভাবে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। তৃণমূল নেতাদের কল্যাণে এই ব্যক্তিদের ভোটার আইডি কার্ড এবং আধার কার্ডও হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর তালিকার দিকে তাকালেই বিষয়টা আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং যাদের ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছিল অথচ এ দেশে রয়ে গিয়েছে, তাদের সংখ্যা যথাক্রমে ২৫ হাজার ৯৪২, ৪৯ হাজার ৬৪৫ এবং ৩৫ হাজার ০৫৫।

    কী বলছে নিরাপত্তা সংস্থা

    দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বারবার বলেছে যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা খেলছে। তারা এই ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র দিচ্ছে। এটা নিয়ে তারা সারা দেশ ভ্রমণ করছে। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও ব্যাপকভাবে বসতি স্থাপন করছে তারা ওই পরিচয়পত্র নিয়েই। কেবল তাই নয়, ঝাড়খণ্ডের মতো জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় গিয়ে তারা স্থানীয় মেয়েদের বিয়ে করে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের সম্পত্তি। ব্যাপক অনুপ্রবেশের জেরে বদলে যাচ্ছে এলাকার জনবিন্যাস (Mamata Banerjee)। রমরমা কারবার চলছে জাল নোটের। মাদক পাচার, গরু পাচার এসব কাজও দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে তারা (Illegal Bangladeshi Migrants) শাসকদলের নেতাদের প্রশ্রয়ে।

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহার, সরকারিভাবে জানিয়ে দিল চিনও

    China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহার, সরকারিভাবে জানিয়ে দিল চিনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকে দেপসাং সমতলভূমি ও দেমচকে শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া। ভারতীয় সেনবাহিনী সূত্রে (LAC) এ খবর আগেই নিশ্চিত করা হয়েছিল। এবার সরকারিভাবে চিনের (China) তরফেও জানানো হল, চিনা ও ভারতীয় সীমান্তের সেনারা সংশ্লিষ্ট কাজ নিয়ে (সেনা প্রত্যাহার) ব্যস্ত রয়েছে এবং এই মুহূর্তে কাজটি মসৃণভাবে চলছে।

    কী বলছে চিনা বিদেশমন্ত্রক (China)

    চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “সীমান্ত এলাকার বিষয়গুলো নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে চিন ও ভারতের মধ্যে যে সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়েছে, তার আলোকে চিনা ও ভারতীয় সীমান্তের সেনারা সংশ্লিষ্ট কাজ পরিচালনা করছে এবং এই মুহূর্তে কাজটি মসৃণভাবে চলছে।” বলা বাহুল্য, কাজ বলতে তিনি সেনা প্রত্যাহারের কথাই বলেছেন। শনিবার চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র এই মর্মে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি সম্ভবত ২৮-২৯ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তবে এই এলাকাগুলির ভূখণ্ড এবং আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতের সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “তাঁরা ভারত-চিন সীমান্তে অত্যন্ত কল্পনাতীত পরিস্থিতিতে মোতায়েন রয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ আমরা যেখানে পৌঁছেছি, তার একটা কারণ হল আমাদের পক্ষ থেকে খুব দৃঢ় প্রচেষ্টা করা ও আমাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। সামরিক বাহিনী এলএসিতে অত্যন্ত কল্পনাতীত পরিস্থিতিতে দেশ রক্ষার জন্য প্রস্তুত ছিল। সামরিক বাহিনী তার দায়িত্ব পালন করেছে, কূটনীতিও তার ভূমিকা পালন করেছে (China)।”

    আরও পড়ুন: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    জয়শঙ্কর বলেন, “২০২০ সাল থেকে সীমান্তের পরিস্থিতি খুবই অস্থির হয়ে উঠেছে যা সামগ্রিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারত একটি সমাধানসূত্র খুঁজে বের করার জন্য চিনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে।” সমাধানের বিভিন্ন দিক রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রথমত চাপের বিষয় হল বিচ্ছিন্নকরণ, কারণ সেনাবাহিনী একে অন্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং কোনও ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর রয়েছে ডি-এসক্যালেশন। কারণ উভয় পক্ষেই সেনা সমাবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।” মন্ত্রী বলেন, “এরপর রয়েছে বৃহত্তর একটি বিষয়, কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত নিষ্পত্তি নিয়ে (LAC) আলোচনা করা হবে। বর্তমানে যা কিছু চলছে তা প্রথম দিক নিয়ে, অর্থাৎ বিচ্ছিন্নকরণ নিয়ে (China)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভারতের বহু শহরে ‘রেল জিহাদ’-এর চক্রান্ত করছে পাক জঙ্গি, সতর্কবার্তা এনআইএ-র

    NIA: ভারতের বহু শহরে ‘রেল জিহাদ’-এর চক্রান্ত করছে পাক জঙ্গি, সতর্কবার্তা এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রেল জিহাদ’ (Rail Jihad) চক্রান্ত করছে পাকিস্তানের এক জঙ্গি। তার পর থেকেই পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। সূত্রের খবর, ট্র্যাক পর্যবেক্ষণকারী গ্যাংম্যানদের, নিরাপত্তা কর্মী ও লোকো পাইলটদের এ ব্যাপারে সচেতন করা হয়েছে।

    রেল জিহাদ (NIA)

    পাক গোয়েন্দা সংস্থার মদতপুষ্ট ফরহাতুল্লা ঘোরি নামে এক জঙ্গি সম্প্রতি টেলিগ্রাম সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে। সেই পোস্টে বলা হয়, দিল্লি, মুম্বই-সহ ভারতের নানা জায়গায় রেলে নাশকতা ঘটানোর জন্য এ দেশে (ভারতে) তার সমর্থকদের ডাক দেয়। ফিঁদায়ে যুদ্ধের ডাক দিয়ে রেলের মতো দুর্বল জায়গায় আঘাত করার নির্দেশ দেয়। এই ঘটনারই নাম হয়েছে ‘রেল জিহাদ’।

    পাঠানো হয়েছে সতর্কবার্তা 

    গোয়েন্দাদের বক্তব্য, জুলাই মাসে ওই ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই রেলে নাশকতা ঘটানোর চেষ্টা হঠাৎই বেড়ে গিয়েছে। এর পরেই ট্র্যাক পর্যবেক্ষণকারী গ্যাংম্যান, নিরাপত্তা কর্মী ও লোকো পাইলটদের সচেতন করা হয়েছে। সরকারি এক সূত্রের খবর, যদিও হুমকির আশঙ্কা বড় শহরগুলির জন্য, মহারাষ্ট্র এবং অন্যান্য রাজ্যেও যেখানে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে, সেখানেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলে ছ’টিরও বেশি সন্দেহজনক দুর্ঘটনার পর রেল প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের! নিশানায় ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি, হামলা সিরিয়াতেও

    সম্প্রতি মাইসুরু-দ্বারভাঙা বাগমতী এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। তার পরেই এনআইএ (NIA) এর আধিকারিকরা চেন্নাইয়ের কাছাকাছি দুর্ঘটনাস্থলে যান। গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলিও সাম্প্রতিক দুর্ঘটনাস্থলগুলি তদন্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফাররুখবাদ এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাও। এ ক্ষেত্রে রেললাইনের ওপর একটি গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখা হয়েছিল। অগাস্টে রাজস্থানের পালি জেলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাওয়ার পথে রেললাইনের ওপর রাখা হয়েছিল সিমেন্টের ব্লক। এক আধিকারিক বলেন, “ট্রেনে এসকর্ট দল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির জন্য কোচের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বজায় রাখা হয়েছে।” নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীরা ট্র্যাকে কংক্রিটের পাথর, লোহার রড এবং গ্যাস সিলিন্ডার রেখে বাধা সৃষ্টি করছে, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি বনভূমি বা পরিত্যক্ত জমির মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া ট্র্যাকগুলিকে লক্ষ্যবস্তুতে (Rail Jihad) পরিণত করছে (NIA)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Gold: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা ফিরিয়ে আনল ভারত, দেশের অর্থনীতি আরও মজবুতের দিকে

    India Gold: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা ফিরিয়ে আনল ভারত, দেশের অর্থনীতি আরও মজবুতের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা (India Gold) ফিরিয়ে আনল ভারত (RBI)। ১৯৯১ সালের পর ভারতে এতটা বিশাল পরিমাণ সোনা হস্তান্তরের খবরে শোরগোল পড়েছে দেশে। ভারত সহ বিশ্বের বড় মাপের অর্থনীতিবিদরা বিশেষ অগ্রগতির চলনকে ইঙ্গিত করেছেন। এই সোনা ব্রিটেন থেকে ভারতের রিজার্ভ ব্যঙ্কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মোদি সরকারের প্রশংসায় ওয়াকিবহাল মহল। ভারত দ্রুত পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতি থেকে তৃতীয় অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

    মোদির আমলে বিরাট সাফল্য (India Gold)

    ১৯৯১ সালে দেশের বেহাল আর্থিক দশার কারণে ১০০ টন সোনা বন্ধক রাখতে হয়েছিল আরবিআইকে (RBI)। ওই সময়ে ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত দুর্বল। এবার বর্তমান মোদি সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি অনেকটাই চাঙ্গা হয়েছে। ফলে এই বিপুল পরিমাণ সোনা (India Gold) নিজের দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে ভারতের অর্থনীতিকে যে আরও গতি প্রদান করা সম্ভব হবে, একথা অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন। এই পদক্ষেপের সঙ্গে দেশে মজুত সোনা পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কৌশলগত পরিবর্তনের একটা বিশেষ ইঙ্গিতও নজরে পড়েছে। এই সোনা দেশে ফিরেছে বিভিন্ন দফতরের সুপরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নেতৃত্বের কারণেই।

    অনেক খরচ কমবে

    আরবিআই-এর বেশিরভাগ সোনাই বিদেশের মাটিতে রাখা আছে। সেই জন্য বিদেশের ব্যাঙ্কগুলিতে স্টোরেজের খরচ দিতে হয়। ব্রিটেন থেকে এই সোনা ফিরিয়ে আনার ফলে এবার থেকে বেশ কিছু খরচও বাঁচবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এই কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুনঃ দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সঞ্জীব খান্না, শপথ নেবেন ১১ নভেম্বর

    ২০২৩ সালে ২৭.৫ টনের বেশি সোনা কিনেছিল ভারত

    আরবিআই (RBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, “এখন মোট ৮২২.১ টন সোনা (India Gold) মজুত রয়েছে ভারতের। বিশ্বের আর্থিক মন্দার কারণে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সোনার ভাঁড়ার বাড়ানোর দিকে ঝুঁকেছে। ভারতের আরবিআই একই ভাবে কাজ করছে। আরবিআই তাই বেশি বেশি সোনা কিনছে। ২০২৩ সালে আগের বছর তুলনায় ২৭.৫ টন বেশি সোনা কিনেছিল। এই ভাঁড়ার বৃদ্ধির ফলে কোনও একক বৈদেশিক মুদ্রার উপর ভারতের নির্ভরতা কমেছে। মুদ্রার দর ওঠা-নামা আর্থিক অস্থিরতার সঙ্গে সম্পর্কিত ঝুঁকিগুলি কমেছে। ব্রিটেন থেকে সোনা ফিরিয়ে আনা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India China Relation) দুই দেশের সেনা সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল শুক্রবার। এদিন সকাল থেকে পূর্ব লাদাখের ডেমচোক এবং ডেপসাং এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা শুরু করল ভারত ও চিন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Rajnath Singh) সূত্রে খবর, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি অনুসারে, ভারতীয় সৈন্যরা সংশ্লিষ্ট এলাকার পিছনের অবস্থানে সামরিক সরঞ্জামগুলি ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে, চিনেরও সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

    শুরু হল সেনা সরানোর প্রক্রিয়া

    পূর্ব লাদাখের ভারত-চিন (India China Relation) সীমান্তবর্তী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিভিন্ন অংশে, গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অচলাবস্থা চলছিল। দুই পক্ষেরই সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম রেখে দেওয়া হয়েছিল ওই সব এলাকায়। অবশেষে সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটছে। গত সোমবারই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে চিনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছনো গিয়েছে। বেজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বরফ গলার ইঙ্গিত দেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র, লিন জিয়ান-ও। এরপর বুধবার, রাশিয়ায় কাজানে ব্রিকস সম্মেলনের সমান্তরালে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর মধ্যে। সেই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতাই পূর্ব লাদাখে প্রকৃ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি এবং সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ভারত-চিনের চুক্তিকে সমর্থন করেন। 

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    আলোচনার মধ্য দিয়েই অগ্রগতি

    ভারত ও চিনের (India China Relation) মধ্যে থাকা আন্তর্জাতিক সীমান্তের যে জায়গাগুলি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ৷ বৃহস্পতিবার চাণক্য ডিফেন্স ডায়লগ অনুষ্ঠানে এই কথা জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)৷ তিনি জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) কয়েকটি জায়গায় সেনার প্রহরা দেওয়া এবং গবাদি পশুদের বিচরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ ৷ এই চুক্তি আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিরক্ষা বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ৷ রাজনাথ সিং বলেন,“প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গা নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে মতভেদ ছিল৷ এই বিবাদ মেটাতে দুই দেশ সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করেছে৷ এই কথোপকথনের ফলেই বাস্তবের মাটিতে বৃহত্তর ক্ষেত্রে একমত হয়েছে দু’দেশ৷ সমানাধিকার এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার নীতিতে এই চুক্তি হয়েছে৷ এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সেনার প্রহরা এবং গবাদি পশুদের বিচরণের বিষয় দু’টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এটাই নিরবচ্ছিন্ন আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার শক্তি৷ কারণ আজ হোক বা কাল, সমাধান মিলবেই৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দলের সাংসদরা! ঘোর বিপাকে ট্রুডো

    Justin Trudeau: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দলের সাংসদরা! ঘোর বিপাকে ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। এবার তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন তাঁরই দলের এমপিরা! ট্রুডোকে পদত্যাগের জন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছেন লিবারেল পার্টি অফ কানাডার এমপিরা। ট্রুডোর এই দলের সাংসদরা জানিয়ে দিয়েছেন, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে।

    রুদ্ধদ্বার বৈঠক (Justin Trudeau)

    স্থানীয় সময় বুধবার কানাডার পার্লামেন্টে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন তাঁর দলের সাংসদরা। সেখানে ট্রুডোর কাজকর্ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। এই বৈঠকেই ট্রুডোকে পদত্যাগের জন্য আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। তবে এই সময়সীমার মধ্যে ট্রুডো পদত্যাগ না করলে কী হবে, তা অবশ্য জানানো হয়নি। গত ৯ বছর ধরে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন ট্রুডো। ক্রমশ কমতে থাকে তাঁর জনপ্রিয়তা। আগামী বছরের অক্টোবরে কানাডায় সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই নিজের দলেই ট্রুডোর পদত্যাগের দাবি উঠল। জানা গিয়েছে, ২৪ জন সাংসদ আল্টিমেটাম দিয়ে পদত্যাগ করতে বলেছেন ট্রুডোকে। যদিও বৈঠকে ট্রুডোর প্রথম পদত্যাগের দাবি তোলেন ব্রিটিশ কলম্বিয়ার এমপি প্যাট্রিক ওয়েলার। তাঁর সঙ্গে গলা মেলান একে একে ২৩ জন। যদিও এই ‘বিদ্রোহী’রা কেউই ট্রুডো (Justin Trudeau) মন্ত্রিসভার সদস্য নন।

    ট্রুডোর পদত্যাগ দাবি

    কানাডার পার্লামেন্টে ট্রুডোর দলের সাংসদ রয়েছেন ১৫৩ জন। তাই ট্রুডো যে আল্টিমেটাম মেনে পদত্যাগ করবেনই, তার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। এ ব্যাপারে ট্রুডো স্বয়ংও কিছু বলেননি। তবে ট্রুডোর কোনও বিকল্প নেতাও এই মুহূর্তে তার দলে নেই। সিবিসি পোল ট্র্যাকারের সমীক্ষা বলছে, বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি ট্রুডোর দলের তুলনায় জনপ্রিয়তার নিরিখে ২০ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। যেহতু বছরখানেক পরেই নির্বাচন, তাই ট্রুডোর দলের নেতাদের একাংশ চাইছে না ট্রুডোকে সামনে রেখে নির্বাচনে যেতে। তাঁরাই ট্রুডোর পদত্যাগ দাবি করেছেন বলে খবর। ট্রুডোর দলের নেতাদের আশঙ্কা, ট্রুডো পদ না ছাড়লে নির্বাচনে তাঁদের দল তৃতীয় স্থানে চলে যাবে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের কল্যাণকে বরখাস্ত করার সুপারিশ বিজেপির, স্পিকারকে চিঠি তিন সাংসদের

    খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষারোপ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। তার জেরে অবনতি ঘটে ভারত-কানাডা সম্পর্কে। তা নিয়ে অসন্তোষের আগুন ধূমায়িত হচ্ছিল ট্রুডোর দলের অন্দরেই। এবার দলীয় সাংসদরা তাঁর (Canada) পদত্যাগ দাবি করায় সেই ক্ষোভই প্রকাশ্যে এল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share