Tag: India

India

  • NRC: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি হবে”, বললেন শিবরাজ সিং চৌহান

    NRC: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি হবে”, বললেন শিবরাজ সিং চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি (NRC) চালু হবে।” ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে বিজেপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথাই বললেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj singh Chouhan)। বিজেপি ক্ষমতায় এলে ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশও বন্ধ করা হবে। শিবরাজ বলেন, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশে এসে আধার কার্ড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নানা নথি তৈরি করে ফেলছেন। ভোটারকার্ডও তৈরি হচ্ছে। সেসব রুখতেই রাজ্যে এনআরসি চালু করবে বিজেপি।”

    বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস (NRC)

    বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা, পাকুড়, দেওঘর, জামতাড়া, সাহেবগঞ্জের মতো জেলায় বাড়ছে অনুপ্রবেশ। যার ফলে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। ঝাড়খণ্ড যখন বিহার থেকে আলাদা হল তখন এর জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশ ছিল আদিবাসী। এখন সেটা কমে গিয়ে হয়েছে ২৪ শতাংশ। সেই কারণেই অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। আর তা করতে গিয়েই এনআরসি চালু করতে চায় বিজেপি।

    এনআরসি চালুর দাবি

    ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণেই বাংলা, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে দ্রুত। তাই এই তিন রাজ্যেই এনআরসি চালু করতে চায় বিজেপি। বছরখানেক আগে সেই দাবি তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও। এই তিন রাজ্যের সরকারই এনআরসির ঘোরতর বিরোধী। তবে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি এনআরসিকে হাতিয়ার করেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    জানা গিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে (NRC) পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে বাংলাদেশিরা। পরে জাল নথিপত্র বানিয়ে ঢুকে পড়ছে পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে। স্থানীয় মহিলাদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। বিয়ে করে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে আদিবাসীদের জমি। যা বস্তুত অবৈধ। অনুপ্রবেশকারীদের এহেন বাড়বাড়ন্তে শঙ্কিত বিজেপি। আদিবাসীদের জমি যাতে কোনওভাবেই বেহাত হয়ে না যায়, তাই অনুপ্রবেশ বন্ধে জোর দিয়েছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ এবং এনআরসিকেই হাতিয়ার করেছে পদ্মশিবির। ১২ সেপ্টেম্বর ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে দাখিল করা একটি হলফনামায়ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বলেছে, কেন্দ্র ঝাড়খণ্ডের নানা অংশে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    এদিকে, সোমবার নির্বাচন কমিশনের প্রধান রাজীব কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা রাঁচি ঘুরে গিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে রাজ্য বিজেপি। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের নির্বাচনে যেন (Shivraj singh Chouhan) অনুপ্রবেশকারীরা কোনওভাবেই অংশ নিতে না পারে (NRC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    S Jaishankar: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করতে চেয়েছিলেন ইউনূস। সেই বৈঠক হয়নি।

    বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক (S Jaishankar)

    তবে মোদি-ইউনূস বৈঠক না হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই বৈঠক হয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, মঙ্গলবার নিউইয়র্কে ওই বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে জয়শঙ্কর ও তৌহিদ ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে একমত হন। প্রসঙ্গত, হাসিনা-উত্তর জমানায় এই প্রথম দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হল।

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    বৈঠক শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সন্ধেয় নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক হল। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।” বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে বৈঠকের একটি ছবি। সেখানে লেখা হয়েছে, “রাষ্ট্রসংঘের ৭৯তম সাধারণ সভার পাশে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেন এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।” তবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনও কথা হয়েছে কিনা, সে ব্যাপারে মুখ খোলেনি কোনও পক্ষই।

    আরও পড়ুন: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। ভারতে চলে আসেন তিনি। বাংলাদেশের রশি যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ক্ষমতায় বসেই তিনি বুঝত পারেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করা ছাড়া বাংলাদেশের কাছে আর কোনও পথ খোলা নেই। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত করতেই হবে। কারণ বাংলাদেশের চাহিদা ও ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক ও আমাদের মধ্যে অনেক কিছু বিষয়ে মিল রয়েছে। আমাদের একটি পারস্পরিক ইতিহাস রয়েছে। তাই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ছাড়া বাংলাদেশের (Bangladesh) আর কোনও উপায় নেই (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asia Power Index: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    Asia Power Index: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপ্রতিরোধ্য ভারত! এশিয়া মহাদেশে তৃতীয় শক্তিশালী দেশ নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত। ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির নিরিখে জাপানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। এমনই তথ্য উঠে এল অস্ট্রেলিয়ার লোই ইনস্টিটিউট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বার্ষিক এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে (Asia Power Index)। জানা গিয়েছে, প্রতিপত্তির নিরিখে রাশিয়া ও জাপানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত।

    তিন নম্বরে ভারত (Asia Power Index) 

    সম্পদ ও প্রভাবের নিক্তিতে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। তার পরেই রয়েছে চিন। ভারত রয়েছে এই তালিকার তিন নম্বরে। সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত ধীরে ধীরে হলেও, ক্রমেই ওপরের সারিতে উঠছে। জাপানকে টপকে ভারত এশিয়ার তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে ভারতের যে পরিমাণ সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সম্ভাবনাকে এখনও ছুঁতে পারেনি। পশ্চিমে পাকিস্তান, উত্তরে রাশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত অন্তত ২৭টি দেশ ও অঞ্চলকে সম্পদ ও প্রভাবের নিরিখে মূল্যায়ন করা হয় ওই ইনডেক্সে। তাতেই দেখা গিয়েছে, সুপার পাওয়ার হওয়ার পথে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত।

    কী বলছে রিপোর্ট

    এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সের রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ভারত ধীরে হলেও, ক্রমেই ওপরে উঠছে। জাপানকে টপকে ভারত এশিয়ার তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে ভারতের হাতে যে সম্পদ রয়েছে, তার যা সম্ভাবনা, সেই সম্ভাবনাকে এখনও ছুঁতে পারেনি তারা। এশিয়ায় ভারতের শক্তি বাড়ছে। জাপানকে টপকে প্রথমবারের মতো তৃতীয় স্থান দখল করেছে তারা (Asia Power Index)। তবে ভারতের উত্থান নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, আর বাস্তব ছবি যা বলছে, তাতে ফারাক রয়েছে।” ওই ইনডেক্স দেখা যাচ্ছে, এখনও মালাক্কা প্রণালীর পূর্বে শক্তি ও প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির ক্ষমতা সীমিত। তবে এর প্রভাব প্রতিশ্রুত স্তরের নীচে থাকার অর্থ, একটি প্রধান শক্তি হিসেবে আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের।

    আরও পড়ুন: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    অস্ট্রেলিয়ার সংস্থার করা এই রিপোর্টে যারপরনাই খুশি ভারত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, “বিশ্বমঞ্চে ভারতের উত্তরণ কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় কূটনৈতিক কৌশল ও দেশকে নিয়ে তাঁর উচ্চাকাঙ্খার ফল এটা (PM Modi)। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া এটা সম্ভব হত না (Asia Power Index)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি-ট্রাম্প বৈঠক হল না, মার্কিন সফর সেরে ভারতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদি-ট্রাম্প বৈঠক হল না, মার্কিন সফর সেরে ভারতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) একজন দুর্দান্ত মানুষ। আমার দেখা একাধিক চমাৎকার নেতাদের মধ্যে তিনি একজন। আগামী সপ্তাহে আমাদের দেখা হতে পারে।” দিন কয়েক আগে এক নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কথাগুলি বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রাম্প চাইলেও বহু আকাঙ্খিত এই বৈঠক হল না। অথচ টানা প্রায় তিনদিন আমেরিকায় ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। 

    ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    আর ছ’সপ্তাহ পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তাই নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ট্রাম্প। আর মার্কিন দেশে ঠাসা কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছিলেন কোয়াড সামিটে। পার্শ্ব বৈঠক করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচারে’। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী ধরেন ভারতের বিমান। স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রায় ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি।

    ‘নমস্তে ট্রাম্প’

    অথচ মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্বের কথা সুবিদিত। বছর কয়েক আগে টেক্সাসে হয়েছিল ‘হাউডি মোদি’। তার পরে ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে হয়েছিল ‘নমস্তে ট্রাম্প’। এই দুই মেগা ইভেন্টের সময়ই মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন ট্রাম্প। রবিবার নিউইয়র্কের শহরতলিতে প্রবাসী ভারতীয়দের সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তার পরে কিছু সময় বরাদ্দ করে রেখেছিলেন ট্রাম্পের জন্য। কিন্তু সেই সময় ট্রাম্প ছিলেন নর্থ ক্যারোলাইনায় নির্বাচনী সমাবেশে। রবিবার প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি এবং কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল খালিদের সঙ্গে। দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে মোদি শেষ বৈঠক সেরে নেন ইফক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সঙ্গেও। 

    আরও পড়ুন: “মানবতার সাফল্য নেই যুদ্ধক্ষেত্রে”, বিশ্বকে ফের শান্তি-বাণী শোনালেন মোদি

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চাইছেন ট্রাম্প। তার আগে মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পুরানো বন্ধুত্বের সম্পর্কটা ঝালিয়ে নিতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের একটি মন্তব্যে বেশ ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। ভারতের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভারত আমদানি শুল্কের খুবই অপব্যবহার করে থাকে।” ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যের জেরে তাঁকে তিরস্কারও করেন (Donald Trump) মোদি। ট্রাম্প-মোদির বহু প্রতীক্ষিত বৈঠক না হওয়ার এটাও একটা কারণ (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মানবতার সাফল্য নেই যুদ্ধক্ষেত্রে”, বিশ্বকে ফের শান্তি-বাণী শোনালেন মোদি

    PM Modi: “মানবতার সাফল্য নেই যুদ্ধক্ষেত্রে”, বিশ্বকে ফের শান্তি-বাণী শোনালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানবতার সাফল্য লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সমবেত শক্তির ওপর। তা কখনওই যুদ্ধক্ষেত্রে নয়।” সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations Summit) মঞ্চ থেকে তামাম বিশ্বকে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নিউইয়র্কে ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ শীর্ষক আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বশান্তির বার্তা বিশ্ববাসীর কানে পৌঁছে দিতে এই মঞ্চটাকেই বেছে নেন প্রধানমন্ত্রী। এবং বললেন, “মানবতার সাফল্য লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সমবেত শক্তির ওপর, যুদ্ধক্ষেত্রে নয়।”

    বিশ্বশান্তির পক্ষে সওয়াল মোদির (PM Modi)

    বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠনের সংস্কারের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সোমবারই লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লার ঘাঁটিতে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে ইজরায়েল। এহেন প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই অভিমত আন্তর্জাতিক মহলের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বশান্তি ও সুরক্ষায় একদিকে রয়েছে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ, আবার সাইবার, মহাকাশ-সহ বিরোধের একাধিক নয়া ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে। এসব দিকে নজর রেখে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ অবশ্যই হওয়া প্রয়োজন আন্তর্জাতিক উচ্চাকাঙ্খার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সংস্কারই প্রাসঙ্গিকতার মূল। নয়াদিল্লি সম্মেলনে আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি২০-তে স্থায়ী সদস্যপদ প্রদান এদিকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।”

    প্রসঙ্গ সন্ত্রাসবাদ 

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে রয়ে গিয়েছে সন্ত্রাসবাদ। সাইবার, সামুদ্রিক ও মহাকাশের মতো ক্ষেত্রগুলি নয়া সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “এই সব বিষয়ে আমি জোর দেব যে বৈশ্বিক পদক্ষেপকে অবশ্যই বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্খার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।”

    আরও পড়ুন: সিএএ-র পক্ষে জোরালো সওয়াল মুসলিম মহিলার, কী বললেন জানেন?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রযুক্তির নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে।” তিনি বলেন, “আমাদের এমন বৈশ্বিক ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা প্রয়োজন, যা জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বৈশ্বিক কল্যাণের জন্য একটি সেতু হতে হবে, বাধা নয়।” ভারত তার ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো পুরো বিশ্বের সঙ্গে শেয়ার করে নিতে প্রস্তুত বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (United Nations Summit)। তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারতের জন্য এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ, একটি অঙ্গীকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: ‘পাকিস্তান ভেবেছ নাকি?’ ভারত জিততেই বাংলাদেশকে নিয়ে মিমের বন্যা

    India vs Bangladesh: ‘পাকিস্তান ভেবেছ নাকি?’ ভারত জিততেই বাংলাদেশকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের মাটিতে তাদেরকে দুই টেস্ট-এর সিরিজে দুরমুশ করে বিরাট স্বপ্নের আশা বুনছিল বাংলাদেশ (India vs Bangladesh)। টাইগাররা হুমকি দিয়েছিল, ভারতেও তারা পাকিস্তানে জয়ের পুনরাবৃত্তি করবে। তবে ফল হল উল্টো, বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল ভারত। ২৮০ রানের ব্যবধানে হারের পর যথারীতি তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হল বাংলাদেশকে। নেটিজেনরা তো টাইগারদের সোজাসুজি প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, ‘পাকিস্তান ভেবেছ নাকি?’ 

    বড় ব্যবধানে জয়

    ভারতের (India vs Bangladesh) মাটিতে ভারতকে দুই টেস্ট-এ হারিয়ে সিরিজ জিতে নেবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ভারত হুমকি হালকাভাবে নেয়নি। যেকোনও মূল্যে জয়ের পথ থেকে সরতে নারাজ রোহিত ব্রিগেড। রবিবার চেন্নাইয়ে ভারত বাংলাদেশকে ২৮০ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে লিড নিয়েছে।

    চতুর্থ দিনের সকালে বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামান রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজা। ঘরের মাঠে অশ্বিন ভেলকি দেখালেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬টি উইকেট নেন তিনি। জাদেজা নেন তিনটি।

    এই টেস্ট জয়েই অবশ্য আত্মতুষ্ট হতে নারাজ টিম ইন্ডিয়া। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কানপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। সেই টেস্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই ভাবতে শুরু করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। চেন্নাই টেস্ট-এর স্কোয়াড অপরিবর্তিত রেখেছে। 

    নেটিজেনদের কটাক্ষ

    উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ভারতের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে টেস্ট জয়ের নজিরই বাংলাদেশ তৈরি করতে পারেনি। সেই ধারা অটুট রেখে চেন্নাইয়ের মাটি রবিবার স্পষ্ট করে দিল, বাংলাদেশ যে হুমকি দিয়েছিল, সেটা তাদের স্বপ্ন। আর, সেই স্বপ্ন সম্পূর্ণ বাস্তববর্জিত।

    প্রথম টেস্টই তার পরিচয়। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে ভারতের জয়ের পরই নেটিজেনরা বাংলাদেশকে কটাক্ষে ভরিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের আনন্দ নিজেরাই কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুললেন। দেখা যায় নাগিন নাচের মিমও।

    দ্বিতীয় টেস্টে দল

    প্রথম টেস্ট জয়ের পরই কানপুর (India vs Bangladesh) টেস্টের স্কোয়াড ঘোষণা করে দেয় বিসিসিআই। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কানপুরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামবে ভারত।  মনে করা হয়েছিল আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজ এবং অস্ট্রেলিয়া সিরিজের কথা মাথায় রেখে কানপুরের ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে বুমরাকে।

    কিন্তু অজিত আগারকারের নেতৃত্বে সিনিয়র নির্বাচক কমিটি ফাস্ট বোলার জসপ্রিত বুমরাকে বিশ্রাম দেয়নি। পেসার যশ দয়াল এবং আকাশ দীপ তাঁদের জায়গা ধরে রেখেছেন স্কোয়াডে। সরফরাজ খান এবং ব্যাক-আপ উইকেটরক্ষক ধ্রুব জুরেলও দলের সঙ্গে ভ্রমণ করবেন বলে জানিয়েছে বিসিসিআই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা এক সঙ্গে পারি…।” কথাগুলো বললেন শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) নয়া প্রেসিডেন্ট বামপন্থী নেতা অনুরাকুমার দিশানায়েকে (Anura Kumara Dissanayake)। আজ সোমবারই প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার কথা তাঁর। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৩৮ জন। জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন অনুরাকুমার। তার পরেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার।

    কী বললেন দিশানায়েকে? (Anura Kumara Dissanayake)

    বামপন্থী এই নেতার জয়ের রাস্তা পরিষ্কার হতেই তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই প্রেক্ষিতে এক্স হ্যান্ডেলে অনুরাকুমার বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই প্রতিশ্রুতি ভাগ করে নেন।” তিনি বলেন, “আপনার সদয় কথা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী মোদি। আমাদের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি আমি ভাগাভাগি করি। এক সঙ্গে আমরা আমাদের জনগণ ও পুরো অঞ্চলের কল্যাণে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে পারি।”

    অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    অনুরাকুমার (Anura Kumara Dissanayake) শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন জেনেই ট্যুইট বার্তায় তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী হবে বলেও জানান তিনি। এবং তার ফলে উপকৃত হবে গোটা অঞ্চল। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনার বিজয়ের জন্য আপনাকে অভিনন্দন অনুরাকুমার দিশানায়েকে। ভারতের প্রতিবেশী প্রথম নীতি এবং ভিশন সাগরের ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। আমাদের দুই দেশের মানুষের ও গোটা অঞ্চলের কল্যাণের জন্য বহুমুখী সহযোগিতা আরও মজবুত করতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    এর আগে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেবার মাত্র তিন শতাংশ ভোট পেয়েছিল দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন বামজোট। ২০২২ সালে প্রবল বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ্রা রাজাপক্ষে ও তাঁর ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল। তার পরেও দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল ফেরাতে সমর্থ হননি রনিল। এবার তাই বছর (Sri Lanka) ছাপান্নর দিশানায়েকের ওপর ভরসা করছেন দ্বীপরাষ্ট্রবাসী (Anura Kumara Dissanayake)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে কথা, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে কথা, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একমাত্র সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।” রবিবার কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। পাকিস্তান-সহ পড়শি দেশগুলির সঙ্গে ভারত যে সুসম্পর্ক বজায় (Jammu Kashmir Polls) রাখতে চায়, এদিন তাও জানিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এর পরেই তিনি বলেন, “পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করলেই আলাপ-আলোচনা শুরু হতে পারে।”

    রাজনাথের বার্তা (Rajnath Singh)

    পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। মানবতা, গণতন্ত্র ও কাশ্মীরিয়তের ওপরও ফোকাস করেছিলেন তিনি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মানবতা, গণতন্ত্র এবং কাশ্মীরিয়তের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তবে এখানকার রাজনৈতিক দলগুলো শুধুমাত্র রাজনীতি, রাজনীতি এবং রাজনীতিতেই গুরুত্ব দিয়েছে।”

    ‘শান্তিতে থাকতে চাই’

    তিনি বলেন, “আমাদের একটা নীতি আছে: যদি আমরা শান্তিতে থাকতে চাই, আমাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। আমরা আমাদের সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই, এমনকি পাকিস্তানের সঙ্গেও।” রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “তারা সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করছে। তারা যদি সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটানোর গ্যারান্টি দেয় যে ভারতের মাটিতে তারা আর সন্ত্রাসবাদ চালাবে না, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।”

    আরও পড়ুন: আইএমএ-র বৈঠকে ধুন্ধুমার, বের করে দেওয়া হল তিন চিকিৎসককে

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের প্রসঙ্গও তোলেন রাজনাথ। বলেন, “কংগ্রেস ও তার সহযোগী দল ন্যাশনাল কনফারেন্স জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার পক্ষে। পাকিস্তানও একই জিনিস চায়। প্রশ্ন হল, কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্স কি পাকিস্তানের প্রক্সি হিসেবে কাজ করছে? কেন কংগ্রেস ও ভেঙে পড়া ইন্ডি জোট বারবার সেই একই বিষয়গুলো উত্থাপন করে, যেগুলো পাকিস্তান থেকে আসে?” রাজনাথ বলেন, “এরা সেই লোক যারা পুলওয়ামা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইকের প্রমাণ চেয়েছিল। এ সবই স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে পাকিস্তানের এজেন্ডা চালানোর চেষ্টা চলছে। তবে পাকিস্তানের (Jammu Kashmir Polls) এই কু-এজেন্ডা জম্মু-কাশ্মীরে সফল হতে দেব না (Rajnath Singh )।”


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: ঋষভ-গিলের জোড়া শতরান, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা

    India vs Bangladesh: ঋষভ-গিলের জোড়া শতরান, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় থেকে আর মাত্র কয়েক কদম দূরে দাঁড়িয়ে আছেন রোহিতরা।  তৃতীয় দিনের শেষে শান্তদের রান ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান। বাংলাদেশের এখনও দরকার ৩৫৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ঋষভ পন্থ ও শুভমান গিলের সেঞ্চুরি। তার পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঘূর্ণি। জোড়া ফলায় বেসামাল বাংলাদেশ।  

    জীবন যুদ্ধের নায়ক পন্থ

    কয়েক সেকেন্ডের ভুলে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল তাঁর ক্রিকেট ভবিষ্যৎ। ২০২২-এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে টেস্ট সিরিজ খেলে দেশে ফেরার চার দিন পরের সেই দুর্ঘটনার অভিঘাতে দুমরে যাওয়া স্বপ্ন ভেঙে যেতে দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পন্থকে বাইশ গজে ফেরানোর চেষ্টার কসুর করেননি জয় শাহেরা। তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারও হাল ছাড়েননি। ৬৩২ দিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে চেন্নাইয়ের কঠিন পিচে শতরান করলেন জীবন যুদ্ধের নায়ক ঋষভ পন্থ। 

    মিরপুরে খেলা শেষ টেস্টে ৭ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হয়েছিল। চেন্নাইয়ে সেই নাজমুল হোসেন শান্ত, শাকিব আল হাসানদের বিরুদ্ধেই ১০৯ রানের ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়লেন রুরকির তরুণ। ভারতীয় উইকেটরক্ষকদের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির সবচেয়ে বেশি ছ’টি শতরানের নজির ছুঁয়ে ফেললেন পন্থ। বুঝিয়ে দিলেন ভারতীয় দলে উইকেটরক্ষকের জায়গার হক তাঁরই। ১২৮ বলের ইনিংসে ১৩টি চার, ৪টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ৮৫.১৫।

    শতরান গিলের

    বাংলাদেশের বিপক্ষে তৃতীয় দিন ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৮১ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন গিল ও পন্থ। দ্রুত রান তুলতে থাকেন দুই তরুণ ক্রিকেটার। শতরান করেন গিলও। ১৭৬ বলে ১১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। রাহুল দ্রাবিড়ের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ান ডাউনে নেমে মাত্র ৩৫ টি ম্যাচ খেলে চেন্নাইয়ের চিপকে শতরানের নজির গড়লেন। ইনিংসে ১০টি চার এবং ৪টি ছক্কা হাঁকান শুভমান। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ায় কম সমালোচিত হননি। কেন তাঁকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্নও ওঠে। দ্বিতীয় ইনিংসে সব জবাব দিলেন এই তরুণ। গিল ও পন্থের জোড়া শতরানের ওপর ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২৮৭ রান করে ডিক্লেয়ার করে ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ৫১৪ রানের লিড নেন রোহিতরা। 

    জয় সময়ের অপেক্ষা!

    চা বিরতির এক ঘণ্টা আগে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত। লক্ষ্য ছিল এই এক ঘণ্টায় দ্রুত বাংলাদেশের উইকেট তোলা। কিন্তু সেটা হয়নি। বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান এবং শাদমান ইসলাম মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। জাকির হাসানকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু ঘটান যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বল লোভ সামলাতে না পেরে ব্যাট বাড়ান জাকির। বল চলে যায় গালিতে। যশস্বী জয়সওয়াল বল ধরতে ভুল করেননি। ৩৩ রান করে আউট হন জাকির। তার পর শুরু হয় অশ্বিনের (৬৩/৩) জাদু। দ্রুত ফিরে যান মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম। শাদমানও বাঁচতে পারলেন না অশ্বিনের ঘূর্ণি থেকে। খারাপ আলোর কারণে, নির্ধারিত সময়ের এক-ঘণ্টা আগেই শেষ হয় দিনের খেলা। না হলে, হয়ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হত। এখন সকলের নজর চতুর্থ দিনের দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FATF: আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    FATF: আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অর্থ পাচার (Money Laundering) বিরোধী ব্যবস্থার বিষয়ে ভারতের মূল্যায়ন সম্পর্কিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স, সংক্ষেপে এফএটিএফ (FATF)। ফ্রান্সে স্থিত সন্ত্রাসবিরোধী নজরদারি এই সংস্থা জানিয়েছে, ভারত অপরাধ থেকে অর্থ পাচারের গন্তব্য নয়।

    এফএটিএফ (FATF)

    সংস্থা এও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, প্রতি তিন বছর অন্তর একবার করে হবে ভারতের ঝুঁকি মূল্যায়ন। বিশ্বের আর্থিক তছরুপ ও জঙ্গি সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালায় এফএটিএফ। এই প্রতিষ্ঠানের সদর দফতর প্যারিসে। বৃহস্পতিবার ভারত সম্পর্কে মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। সেই রিপোর্টে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের হুমকি মোকাবিলায় ভারতের সিস্টেমের প্রশংসা করা হয়েছে। আর্থিক জালিয়াতি মামলায় বিচার ত্বরান্বিত করতে ভারতকে আহ্বানও জানিয়েছে প্যারিস-ভিত্তিক এই সংস্থা।

    এফএটিএফের মূল্যায়ন রিপোর্ট

    মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিরুদ্ধে ভারতের পদক্ষেপের পূর্ববর্তী মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালে। পরবর্তী মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশিত হবে ২০৩১ সালে। এফএটিএফের (FATF) প্রকাশিত মূল্যায়ন রিপোর্টে স্বীকার করা হয়েছে, ভারত অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন স্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকরী উন্নয়ন করেছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকির মুখোমুখি। এর মধ্যে রয়েছে আইএসআইএল (ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট) বা আল কায়েদার মতো সংগঠনগুলিও। যারা জম্মু-কাশ্মীর ও তার আশপাশে সক্রিয় রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে ভারতের উল্লেখযোগ্য ভূমিকারও প্রশংসা করা হয়েছে। জটিল আর্থিক তদন্ত পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির দক্ষতার প্রশংশাও করেছে সন্ত্রাসবিরোধী নজরদারি এই সংস্থা। সন্ত্রাসে যারা অর্থায়ন করছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি ও শাস্তি দেওয়ায় আরও মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকেও ইঙ্গিত করেছে এফএটিএফের এই প্রতিবেদন (FATF)। সন্ত্রাসে অর্থায়নে ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচারাভিযানও চালিয়েছে ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে (Money Laundering), সন্ত্রাসী অর্থায়নের জন্য অলাভজনক খাতের অপব্যবহার রোধেও ভারত সক্রিয়।

    আরও পড়ুন: “পাকিস্তান আর কংগ্রেসের অ্যাজেন্ডা একই”, কাটরার সভায় সরব মোদি

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সুন্দর ব্যবহার করা হয়েছে। কার্যকর করা হয়েছে সহযোগিতাও। মানি লন্ডারিং প্রসিকিউশান এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধের ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে বড় ধরণের ইমপ্রুভমেন্টের প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়েছে এফএটিএফ-এর ওই প্রতিবেদনে।

    রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ভারতের মূল অর্থ পাচারের উৎসগুলি দেশের অভ্যন্তরে সংঘটিত অবৈধ কার্যকলাপ থেকে উদ্ভূত হয়। এই সব কালো অর্থ সাদা করা হতে পারে ভারতে কিংবা বিদেশে। বিদেশে সাদা করে ভারতে ফিরে মিলিয়ে যেতে পারে বৈধ অর্থনীতির স্রোতে। এনআরএ-র ফল অনুযায়ী, ভারতের সবচেয়ে বড় অর্থ পাচারের ঝুঁকিগুলি প্রতারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সক্ষমতাসম্পন্ন প্রতারণা, দুর্নীতি ও মাদক পাচারে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলিও।

    ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, ওই জঙ্গি সংগঠনের তরফে ভারতে হামলা চালানো হতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও মাওবাদীদের হামলার আশঙ্কাও রয়েছে ভারতে।

    ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি জঙ্গি সংগঠনের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা সমান নয়। একে আলাদা ছটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে আইসিস বা জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় আল কায়েদার সঙ্গে যোগসূত্র থাকা জঙ্গি গোষ্ঠী। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। এই তালিকায় উত্তর-পূর্ব ভারত ও উত্তর ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও মাওবাদীরাও রয়েছে। ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টাও করতে পারে মাওবাদীরা (FATF)।

    আরও পড়ুন: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে অর্থ পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সংখ্যা কনস্টিটিউশনাল চ্যালেঞ্জের একটি সিরিজ। ২০২২ সালে সমাধান হয়েছে। যদিও মামলা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। তবুও মুলতুবি মামলার বিরাট সংখ্যাও রয়ে গিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মূল্যায়নের পর ভারতকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ বিভাগে রাখা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী তিন বছরের মধ্যে প্লেনারিতে রিপোর্ট করবে। জানা গিয়েছে, ভারত, ইতালি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন হল মাত্র চারটি দেশ, যাদের নিয়মিত (Money Laundering) পর্যবেক্ষণ বিভাগে রাখা হয়েছে (FATF)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share