Tag: Indian Air Force

Indian Air Force

  • India Air Force Day: মহিলা অগ্নিবীরদেরও নিয়োগ করা হবে বায়ুসেনায়, ঘোষণা প্রধান এয়ার চিফ মার্শালের

    India Air Force Day: মহিলা অগ্নিবীরদেরও নিয়োগ করা হবে বায়ুসেনায়, ঘোষণা প্রধান এয়ার চিফ মার্শালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর থেকে মহিলা অগ্নিবীরদের নিয়োগ করা হবে ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force)। ৯০তম বায়ুসেনা দিবস (India Air Force Day) উপলক্ষে চণ্ডীগড়ে এমনটাই ঘোষণা করলেন বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বিবেক রাম চৌধুরী (IAF chief Air Chief Marshal Vivek Ram Chaudhari)। তিনি বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনায় অগ্নিবীরের মাধ্যমে যোদ্ধা নিয়োগের বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জের। তবে ভবিষ্যতের সেনাদের যোগ্যতা বোঝার জন্যে এটা একটা বড় সুযোগ।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের অপারেশনাল ট্রেনিং পদ্ধতিতে বদল। এই বছরের ডিসেম্বরে, আমরা প্রাথমিক প্রশিক্ষণের জন্য তিন হাজার অগ্নিবীর বায়ুকে নিয়োগ করব। আগামী বছরগুলিতে এই সংখ্যা বাড়বে।” 

    আরও পড়ুন: এবার অবসরের পালা! ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আর উড়বে না শ্রীনগরের মিগ ২১-এর ৫১ নম্বর স্কোয়াড্রন

    প্রসঙ্গত, ২৪ জুন থেকে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতীয় বায়ুসেনায় (India Air Force Day) নিয়োগ শুরু হয়। প্রতিটি ব্যাচ থেকে সামরিক বাহিনীর ‘রেগুলার ক্যাডারে’ ২৫ শতাংশ ‘অগ্নিবীর’-কে চাকরিতে বহাল রাখা হবে। বাকি ৭৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে চারবছর পর ‘সেবা নিধি প্যাকেজ’-র আওতায় করমুক্ত ১১.৭১ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।  

    শনিবার এয়ার চিফ মার্শাল বিবেক রাম চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, বায়ুসেনা (India Air Force Day) অফিসারদের জন্য একটি অস্ত্র সিস্টেম শাখা তৈরির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাহিনীর কোনও নতুন অপারেশনাল শাখা তৈরি করা হল। এই নয়া শাখার দায়িত্বেই থাকবে বায়ুসেনার যাবতীয় অত্যাধুনিক অস্ত্র। এর ফলে ৩৪০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন, এয়ার চিফ মার্শাল। তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে ভবিষ্যতের লড়াই আমরা অতীতের মানসিকতা নিয়ে লড়তে পারব না।”    

     

    এদিন বায়ুসেনার (India Air Force Day) নয়া যুদ্ধকালীন পোশাকও প্রকাশ করা হয়। সেখানেই এই নয়া পোশাক প্রকাশ করা হয়। আজকের অনুষ্ঠানে এক মহিলা অফিসার সহ মোট পাঁচজন অফিসার এই নয়া পোশাক পরে মার্চপাস্ট করেন। এই নয়া পোশাকের ডিজাইনে কেমোফ্ল্যাজ রয়েছে। পোশাকটি হাল্কা কাপড় দিয়ে তৈরি। কাশ্মীরের পাহাড় থেকে রাজস্থানের মরুভূমি। সব জায়গায় পরা যাবে এই পোশাক। বায়ুসেনা যোদ্ধাদের জন্য‘কমব্যাট টি-শার্ট’ও প্রকাশ করা হয় এদিন। এই নয়া পোশাক ডিজাইন করেছেস্ট্যান্ডিং ড্রেস কমিটি।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Agniveer Vayu Recruitment 2023: পুজোর পরেই অগ্নিবীর পদে নিয়োগ করবে ভারতীয় বায়ুসেনা, জানুন বিস্তারিত

    Agniveer Vayu Recruitment 2023: পুজোর পরেই অগ্নিবীর পদে নিয়োগ করবে ভারতীয় বায়ুসেনা, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অগ্নীবির বায়ু (IAF Agniveer Recruitment 2023) পদে নিয়োগ করতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। মহিলা এবং পুরুষ উভয়ই এই পদে আবেদন করতে পারবেন। সম্প্রতি ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে অগ্নিবীর বায়ু পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে বিশদে জানতে https://agnipathvayu.cdac.in– এই ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন।

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষার পাঠক্রম প্রকাশ বায়ুসেনার, জানুন বিস্তারিত

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় বায়ুসেনা এখনও ২০২৩ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেনি। কথা মতো চলতি বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আবেদনের লিঙ্ক অ্যাকটিভেট করা হবে বায়ুসেনার পক্ষ থেকে। অনলাইনে আবেদন করতে হবে।  প্রার্থীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেই আবেদনপত্র পেয়ে যাবেন। 

    আরও পড়ুন: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের

    ২০২৩ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে নেওয়া হবে অনলাইন পরীক্ষা। নিশ্চিত করে কোনও তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। কতগুলি শূন্যপদ রয়েছে সে বিষয়েও এখনও কিছু জানায়নি বায়ুসেনা। 

    এই বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন:

    পদের নাম: অগ্নিবীরবায়ু

    কাজের স্থান: ভারত

    নির্বাচন পদ্ধতি: অনলাইন পরীক্ষা ও অন্যান্য

    আবেদন শুরু: নভেম্বর, ২০২২

    যোগ্যতা: ৫০% নম্বর নিয়ে দ্বাদশ পাস হতে হবে। এছাড়াও, ইংরেজিতে কমপক্ষে ৫০% নম্বর থাকতে হবে। এছাড়াও, প্রার্থীদের কমপক্ষে ৫০% নম্বর সহ প্রকৌশলে দুই বছরের ডিপ্লোমা (মেকানিক্যাল/ ইলেক্ট্রিক্যাল/ ইলেকট্রনিক্স/ অটোমোবাইল/ কম্পিউটার সায়েন্স/ অটোমোবাইল/ কম্পিউটার সায়েন্স/ ইন্সট্রুমেন্ট টেকনোলজি/ আইটি) সম্পন্ন করতে হবে।  

    বয়স: আবেদনকারীর সর্বনিম্ন বয়স ১৭.৫ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ২১ বছরের মধ্যে হতে হবে।

    কয়েক মাস আগেই অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এর মাধ্যমে প্রত্যেক বছর দেশের বায়ু, স্থল এবং নৌসেনায় নিয়োগ করা হবে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Sukhoi-30: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা…

    Sukhoi-30: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটু দূরেই চিন সীমান্ত। এখানকার আকাশে প্রতিনিয়ত পাহারা দিচ্ছে চিনা সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (PLA) লড়াকু বিমান। তাতে ভয় কী? এরা তো মহিষাসুরমর্দিনী। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনই তো ভারতীয় মেয়েদের চিরায়ত বৈশিষ্ট্য। তাই চিনের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর অসমের (Assam) তেজপুর  স্থিত ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটি (Tezpur Airbase) থেকে সুখই-৩০ (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন বীর কন্যা। 

    আরও পড়ুন: ভারতে রকেট লঞ্চার তৈরি করবে স্যাব! কী বলছে সুইডেনের সংস্থা?

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তেজপুর থেকে একটি সুখোই-৩০ চক্কর কেটেছে চিন সীমান্তের আকাশে। সেই বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তেজস্বী রঙ্গা রাও জানান, এই সুখোই-৩০ সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। বিমানের নীচের অংশে লাগানো সেন্সর ধরে ফেলবে প্রতিপক্ষ অস্ত্র নিক্ষেপ করছে কিনা! সেই সঙ্কেত দেখেই অভ্যর্থ লক্ষ্যে আঘাত হানবে সুখোই। তাঁর কথায়, ‘আমরা উড়ছি আকাশ ছোঁয়ার স্পর্ধা নিয়েই। টাচ দ্য স্কাই উইথ গ্লোরি!’ তিনি  এও বলছেন, “দেশের স্বার্থে আমরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। যে কোনও পরিস্থিতি মানে যে কোনও পরিস্থিতিই!” তেজস্বী হলেন সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের একমাত্র মহিলা ওয়েপন সিস্টেম অপারেটর বা ‘উইজ়ো’। এঁরা মূলত কো-পাইলট। যুদ্ধবিমান চালানো নয় ওই বিমান থেকে শত্রুর উপর আঘাত হানার কাজ করেন তেজস্বী। বিমানের পিছনে বসে পুরো যুদ্ধ পরিচালনা করেন। শত্রুর উপর কত দূর থেকে কী ধরনের মিসাইল নিক্ষেপ করা হবে বা কীভাবে আক্রমণ চালানো হবে তা ঠিক করেন ‘উইজ়ো’।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারতে আস্থা! আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য দেশীয় সংস্থাগুলির কাছে দরপত্র চাইল সেনা

    বায়ুসেনার হেলি-পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাক্ষ্য বাজপেয়ীর কথায়, “এখানকার ভৌগলিক পরিবেশ অত্যন্ত কঠিন। পাহাড়ের আড়ালে ঢেকে থাকে আকাশ। সেখানে এই যুদ্ধবিমান ওড়ানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। সেই চ্যালেঞ্জটার মুখোমুখি হয়েছি আমরা। এবং আরও বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার রসদ পেয়েছি এখান থেকে।” বরাবরই দেশের নারীশক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলেছে বায়ুসেনা। ‘মেয়েরা সব পারে’ এই আদর্শকে স্বীকার করে  চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর হেলিকপ্টার, ফাইটার জেট নিয়ে টহল দিচ্ছেন মহিলারা। এই কাজে খুশি স্বয়ং বায়ুসেনার কর্তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Agniveer Vayu Result 2022: অগ্নিবীর পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল বায়ুসেনা, দেখবেন কী করে?

    Agniveer Vayu Result 2022: অগ্নিবীর পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল বায়ুসেনা, দেখবেন কী করে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীর (Agniveer Vayu) পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। যারা প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষায় বসেছিলেন তাঁরা agnipathvayu.cdac.in – এই লিঙ্কে গিয়ে দেখতে পারবেন পরীক্ষার ফলাফল। 

    জুলাইয়ের ২৪- ৩০ তারিখের মধ্যে হয়েছিল অগ্নিপথ বায়ুর এই পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীকে নিজের লগইন আইডি দিয়ে দেখতে হবে পরীক্ষার ফল। 

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    কী করে দেখবেন ফল?

    • প্রথমে agnipathvayu.cdac.in – এই ওয়েবসাইটটিতে যান।
    • এরপর হোমপেজে গিয়ে ‘Candidate Login’ – এই ট্যাবটিতে ক্লিক করুন। 
    • এবার ইমেল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। 
    • তাহলেই আপনার ‘অগ্নিবীর বায়ু’ – এর ফল স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। 
    • ফল ডাউনলোড করে ভবিষ্যতের জন্যে প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখুন।
    • পরের ধাপের পরীক্ষায় প্রয়োজন পড়বে এই ফলের হার্ড কপি। তাই খুব যত্নে রাখুন।

    ফেজ ২ অনলাইন পরীক্ষার পরে বাছাই করা প্রার্থীদের ফিটনেস এবং মেডিক্যাল টেস্ট নেওয়া হবে। প্রায় ৭ লক্ষ চাকরি প্রার্থী ‘অগ্নিবীর বায়ু’- পরীক্ষার জন্যে আবেদন করেছিলেন। সর্বশেষ ফল ঘোষণা করা হবে ২০২২ সালের ১১ ডিসেম্বর।  

    আরও পড়ুন: নেপালি এবং গোর্খাদেরও সেনায় নিয়োগ করা হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে

    প্রশিক্ষণের মেয়াদ সহ চার বছরের চাকরিতে সেনাদের নিয়োগ করা হবে। এই অগ্নিবীরদের আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫০-এর অধীনে নিয়োগ করা হবে এবং প্রার্থীরা স্থল, সমুদ্র বা আকাশপথে যেখানেই নির্দেশ দেওয়া হবে সেখানে যেতে বাধ্য থাকবেন। এই স্কিমের অধীনে নথিভুক্ত অগ্নিবীররা কোনও ধরনের পেনশন বা গ্র্যাচুইটি পাবেন না। 

    বেতন ১ম বছর- মাসিক ৩০,০০০ টাকা, ২য় বছর– মাসিক ৩৩,০০০ টাকা, ৩য় বছর- মাসিক ৩৬,৫০০ টাকা, ৪র্থ বছর- মাসিক ৪০,০০০ টাকা। চার বছর শেষে করবিহীন এককালীন ১১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। 

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) এই অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণা করেন এবং এর অধীনে সমস্ত সেনাদের অগ্নিবীর (Agniveer) বলা হবে জানিয়েছেন তিনি। ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের অধীনে  স্থলসেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনা— এই তিন বিভাগেই আবেদন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু তাঁদের সাড়ে ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সিদের চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগ করা হবে। চার বছর পর তাঁদের মাত্র ২৫ শতাংশকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য সেনায় চাকরিতে নিয়োগ করা হবে। এই ঘোষণায় বিক্ষোভ শুরু হতেই বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ২১ থেকে ২৩ করে দেয় কেন্দ্র। 

     

  • IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান চায় বায়ুসেনা। পুরনো মিগ সিরিজের বিমানগুলিকে বসিয়ে দিয়ে আধুনিক ফাইটার জেট ব্যবহার করতে আগ্রহী ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের আওতায় ১১৪টি নতুন যুদ্ধবিমান কিনতে চায় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক ও বায়ুসেনার সঙ্গে সুখোই-৩০ ও আরও আধুনিক এবং উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা বলতে শীঘ্রই ভারতে আসছে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিরক্ষা শিল্প নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া চুক্তির জন্যই দিল্লি আসার কথা ওই দলের।  

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, অতি দ্রুত ১১৪টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিমান নিয়ে চুক্তি করতে বোয়িং, লকহিড মার্টিনের মতো মার্কিন সংস্থা, রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফট এবং সাব-এর মতো সংস্থা আগ্রহী। এই সব সংস্থা এর আগেও মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের (এমএমআরসিএ) টেন্ডারে অংশ নিয়েছে। একাধিক সংস্থা ইতিমধ্যেই নানা ‘অফার’ নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বায়ুসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। রাশিয়া সরকারের সঙ্গেও কয়েক প্রস্ত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে সব প্রস্তাব এবং পরিকল্পনাই খতিয়ে দেখছে সরকার।

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের ভারতে আসা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফটের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের কথায়, তাঁরা ভারতের সঙ্গে নয়া চুক্তি করতে আশাবাদী। তাঁরা Sukhoi-30 MKI ফ্লিটের আপগ্রেডেড রূপ নিয়ে কথা বলতে চায়। এই  প্রস্তাবিত আপগ্রেডেড রূপে আরও ভাল রাডার, শক্তিশালী অস্ত্র প্যাকেজ, একটি নতুন ককপিট সিস্টেম-সহ আরও অনেক কিছু রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, সুখোই গোত্রের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী শ্রেণিগুলির অন্যতম হল সুখোই-৩০। ভারতীয় বিমানবাহিনী এই সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করে। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য দারুণভাবে চালকের নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে সুখোই-৩০ বিমানে। সেই ব্যবস্থা বিমানের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণে খুব দক্ষ। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এত দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০ যে তাকে তাড়া করা অপেক্ষাকৃত পুরনো দিনের যুদ্ধবিমানের পক্ষে খুব কঠিন।

  • Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    সুশান্ত দাস: বেশ কিছুদিন ধরেই একাধিক দেশীয় সংবাদমাধ্যমে খবর ভেসে আসছে যে, চিনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে নিকট ভবিষ্যতে রাশিয়া থেকে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ কিনতে বা লিজ় নিতে চলেছে ভারত। একটা বা দুটো নয়, জানা যাচ্ছে, একেবারে ৬টি টুপোলেভ টিইউ-১৬০ (Tupolev TU-160) বোমারু যুদ্ধবিমান নিতে পারে ভারত। তেমনটা হলে, এই প্রথম কোনও ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ভারতের কাছে আসবে।

    কিন্তু, এই প্রসঙ্গে মনের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠছে, যা স্বাভাবিক। প্রথমত, হঠাৎ এমন বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমানের প্রয়োজনীয়তা কেন উঠল? দ্বিতীয় প্রশ্ন, বর্তমান যুগে বোমারু বিমানের তাৎপর্য কোথায়? তৃতীয়ত, ভারত রাশিয়া থেকে কেনা বিমানের যন্ত্রাংশ নিয়ে অতীতে ভুগতে হয়েছে ভারতকে। এর পরও এই বিমানের গ্রহণযোগ্যতা কতটা? চতুর্থ, এই বিমানের এমন কী মাহাত্ম্য যে, ভারত তা কিনতে তৎপর হয়ে পড়েছে বলে খবর।

    এই সব প্রশ্নের বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, জেনে নেওয়া যাক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ঠিক কী? বোমারু বিমান দুই প্রকারের হয়। একটি স্ট্র্যাটেজিক ও দ্বিতীয়টি ট্যাক্টিক্যাল। সহজ সরল ভাষায়, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার হল বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমান। এগুলো সাধারণত দূরপাল্লা পাড়ি দিতে পারে। বিশাল পরিমাণে এবং পরমাণু সহ বিভিন্ন ধরণের মারণাস্ত্র বহনে সক্ষম। এরা মূলত শত্রুদেশের একেবারে ভেতরে ঢুকে সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্য বা পরিভাষায় স্ট্র্যাটেজিক টার্গেট ধ্বংস করে বেরিয়ে আসতে পারে। এই বিমান শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন— রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে পারদর্শী।

    ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব প্রথম টের পাওয়া গিয়েছিল সাবেকি সোভিয়েত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে থাকা ঠান্ডা যুদ্ধের সময়। দুপক্ষই সেই সময় পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর ব্যবহার করেছিল। বর্তমান যুগে, শক্তশালী দেশগুলোর হাতে আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র চলে এসেছে। যুদ্ধবিমানগুলো মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরতে সক্ষম হওয়ায়, তারাও দূরে পাড়ি দিতে পারছে। ফলে, এই পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে এই স্ট্র্যাটেজিক বম্বারের প্রয়োজনীতা ফুরিয়ে আসছে। 

    তবে, একইসঙ্গে এও বলে রাখা দরকার। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ হয়ত সেরা অস্ত্র নয়। তবে তা শক্তিশালী অস্ত্র, এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। শত্রু দেশের সীমান্তের কাছে যতই ক্ষেপণাস্ত্র বা পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম সাবমেরিন মোতায়েন করা হোক না কেন, সীমান্তের কাছে যদি ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ঘোরাফেরা করে, তাহলে তার তাৎপর্য অন্য পর্যায়ে চলে যায়। সেটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই বলেই মনে করেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। 

    এবার প্রশ্ন, ভারত কেন এই বিমানে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে? চিনের কাছে তাদের নিজেদের স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ‘শিয়ান এইচ-এস ৬কে’ (Xian HS-6K) রয়েছে। ভারতীয় সেনা জানতে পেরেছে, সীমান্তের কাছে এই বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে চিনা বায়ুসেনা (PLAAF)। এতে ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কাজেই ভারতের হাতে এই রুশ স্ট্র্যাটেজিক বম্বারগুলো এলে চিনা আগ্রাসী মনোভাবের যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া যাবে বলে বিশ্বাস ওয়াকিবহাল মহলের।

    কিন্তু, কেন রুশ বোমারু বিমান কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে ভারত? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে গেলে আগে জানা দরকার টুপোলেভ টিইউ-১৬০ বিমানের সম্পর্কে। জানতে হবে, কতটা শক্তিশালী এই বিমান। বর্তমানে বিশ্বের তিনটি দেশের কাছে নিজ নিজ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার রয়েছে। এরা হল— আমেরিকা, চিন ও রাশিয়া। যারা শত্রুর সীমায় ঢুকে সেখানে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ধ্বংস করতে সক্ষম।

    টুপোলেভ টিইউ-১৬০ এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং একমাত্র সুপারসনিক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমানটি। শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উড়তে সক্ষম এই বিমানটি। এর সার্ভিস সিলিং ১৫ হাজার। অর্থাৎ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার  মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এই বোমারু বিমান। বিশ্বে একমাত্র মার্কিন ‘বি-২ স্পিরিট’ স্টেলথ বম্বার (B-2 Spirit stealth Bomber) প্রযুক্তিগতভাবে এই বিমানের চেয়ে উন্নত। তবে, মার্কিন বিমান শব্দের গতির চেয়ে ধীরে চলে। অর্থাৎ, সেটি সাব-সনিক।

    জানা গিয়েছে, যে কোনও পরিস্থিতি এবং যে কোনও ভৌগোলিক অবস্থানে উড়তে পারে টুপোলেভ টিইউ-১৬০। বিশ্বে রাশিয়ার এই বম্বার বিমানটি ‘হোয়াইট সোয়ান’ নামেই প্রসিদ্ধ। ন্যাটো এই বিমানগুলোর সাংকেতিক নাম দিয়েছে ‘ব্ল্যাকজ্যাক’। বিমানটি একটানা ১২,৩০০ কিলোমিটার উড়তে পারে। সব মিলিয়ে ৪০ টন অস্ত্র বইতেও সক্ষম এগুলি। এটি সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কার্পেট বম্বিং করতে পারে। 

    সূত্রের খবর, ভারত এই বোমারু বিমানের সর্বাধুনিক ভেরিয়েন্ট ‘টিইউ-১৬০এম’ (TU-160M) সংস্করণ নিয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে। রাশিয়ার দাবি, টিইউ-১৬০ বিমানের তুলনায় টিইউ-১৬০এম মডেলে ৮০ শতাংশ আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন উন্নত ইঞ্জিন, টার্গেটিং সিস্টেম, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট। এছাড়া, বিমানের রেডার ক্রস-সেকশনও কমানো হয়েছে। প্রথাগত ও পরমাণু অস্ত্র ছাড়াও, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম বিমানের নতুন সংস্করণ। 

    বর্তমান পরিস্থিতিতে, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, তা কতটা যুক্তসঙ্গত হবে? এই মুহূর্তে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হলেও ভারতীয় বায়ুসেনার অস্ত্রাগারে বর্তমানে কোনও সুপারসনিক বোমারু বিমান নেই। অন্যদিকে চিনের হাতে রয়েছে শিয়ান এইচ-এস ৬কে স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। কাজেই এই বিমানগুলি ভারতের হাতে এলে দেশের সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য যদি হয় ড্রাগনের চোখে চোখ রেখে জবাব দেওয়া, তাহলে এই বিমান প্রয়োজন। কারণ, এই বিমান ভারতের কাছে থাকলে, চিন ভারতকে সমঝে চলতে বাধ্য। যে কোনও হঠকারি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবতে বাধ্য হবে চিন।

    কিন্তু, কেন রুশ বিমান কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে চলেছে ভারত? রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমান কেনার পক্ষে এবং বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি রয়েছে। একপক্ষের মতে, এই বিমানগুলি অতীতের কোল্ড-ওয়ার সময়ের একটি স্মৃতিচিহ্ন। এই বিমান কিনলে সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে ভারতের কোনও লাভের লাভ হবে না। কারণ, এই বিমানের রেডার সিগনেচার (শত্রুর রেডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা) অনেকটাই। সমালোচকদের আরও যুক্তি যে, এই দৈত্যাকার বিমানগুলি কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বিস্তর। তৃতীয়ত, এই বিমানের স্পেয়ার পার্টস বা যন্ত্রাংশ রাশিয়া থেকে পেতে কালঘাম ছুটে যাবে।

    কিন্তু, অপর পক্ষের মতে, ভারতের হাতে এলে রণকৌশলগত সম্পদ হয়ে উঠতে পারে টিইউ-১৬০। কারণ, ভারতের আকাশপথে অভিযানের ক্ষমতা ও সক্ষমতা দুই-ই এই বিমানের ফলে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বিশেষ করে, ভারতের এই জায়গায় একটা বড় খামতি রয়েছে। টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার সেই জায়গা পূরণ করতে সক্ষম। 

    এখন দেখার, কোন যুক্তি শেষে গিয়ে জেতে।

  • Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুক্তি অনুযায়ী ৩৬টি রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান ভারতের (India) হাতে তুলে দিয়েছে ফ্রান্স (France)। এমনটাই জানালেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত এমানুয়েল লেন্যাঁ (Emmanuel Lenain)। 

    যদিও বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের মতে, এর মধ্যে ভারতে এসেছে ৩৫টি। বাকি একটি রাফাল বর্তমানে ফ্রান্সেই রয়েছে। তার ওপর ভারতের দাবি মতো ১৩টি বাড়তি প্রযুক্তিগত উন্নতি সংযোগ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। এই যে বিমানটি এখনও ফ্রান্সে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে, আদতে সেটিই ছিল ফ্রান্সের তরফে হস্তান্তর করা প্রথম রাফাল বিমান— যার কোডনেম দেওয়া হয়েছে ‘আরবি০০৮’ (RB-008)। 

    ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদৌরিয়ার (Air Chief Marshal RKS Bhadauria) সম্মানে এটির এমন নামাঙ্কন করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে রাফাল কেনা নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে দরাদরি ও চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তৎকালীন বায়ুসেনা উপ-প্রধান ভাদৌরিয়া। তার জন্যই তাঁকে এভাবে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ ব্যাচে তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতে আসে। বায়ুসেনা সূত্রের মতে, ফ্রান্সে থাকা শেষ রাফালে ‘ইন্ডিয়া স্পেসিফিক এনহ্যান্সমেন্ট’-গুলোর পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এখন ভারতে থাকা বাকি ৩৫টি যুদ্ধবিমানে সেগুলি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। অন্য এক সূত্রের দাবি, ভারতের রাফালে যে ১৩টি নতুন প্রযুক্তিগত আধুনীকিকরণ যুক্ত করা হয়েছে, তা ফ্রান্সের ব্যবহৃত রাফালেও নেই। এই প্রযুক্তিগুলো শুধুমাত্র ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত রাফালগুলোর জন্যই নির্ধারিত। 

    ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে ফ্রান্স থেকে ৩৬টি দাসো রাফাল মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান (Dassault Rafale Multirole Fighter Aircraft) সরাসরি একেবারে তৈরি অবস্থায় কেনার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) জানিয়েছিলেন, বায়ুসেনার আপৎকালীন প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। এর পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টার-গভার্নমেন্টাল এগ্রিমেন্টের (Inter-Govermental Agreement) মাধ্যমে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।

  • Agnipath Syllabus: অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষার পাঠক্রম প্রকাশ বায়ুসেনার, জানুন বিস্তারিত

    Agnipath Syllabus: অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষার পাঠক্রম প্রকাশ বায়ুসেনার, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) ‘অগ্নিপথ’ (Agnipath) প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে। এই নিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামীতে সেনাকর্মী, বায়ুসেনা কর্মী ও নৌসেনা কর্মী নিয়োগ করা হবে।  প্রকল্পের আওতায় তরুণ-তরুণীদের ‘অগ্নিবীর’ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রকল্প অনুসারে সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর বয়সীদের বাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। অষ্টম শ্রেণী বা দশম বা দ্বাদশ ঊত্তীর্ণ প্রার্থীরা সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বার্ষিক বেতন ৪.৭৬ লক্ষ টাকা থেকে ৬.৯২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আয়ের ৩০ শতাংশ সেবা নিধিতে জমানো যাবে। সমপরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। চার বছরের মেয়াদ শেষে কাজের ভিত্তিতে ২৫ শতাংশকে দেওয়া হবে সেনার স্থায়ী কমিশন পদে চাকরি।

    ভারতীয় সেনা (Indian Army), বায়ুসেনা (Indian Air Force) এবং নৌসেনায় (Indian Navy) চাকরির জন্যে এই প্রকল্পে আবেদন করেছেন লক্ষ লক্ষ চাকরি প্রার্থী। ইতিমধ্যেই নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নিরাপত্তা বিভাগের এই তিন দফতর। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা

    যারা এখন অনলাইনে আবেদন করবেন, তাঁদের নিয়োগের পরবর্তী ধাপ অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু করবে ভারতীয় সেনা। প্রথম ব্যাচের কমবাইন্ড প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৬ অক্টোবর এবং ১৩ নভেম্বর। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের শেষেই ট্রেনিং শেষ করে কাজে যোগ দেবে প্রথম ব্যাচ। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছে নৌসেনাও। চলতি মাসের ১৫-৩০ তারিখের মধ্যেই খুলে যাবে অ্যাপ্লিকেশন উইন্ডো। লিখিত এবং শারীরিক পরীক্ষা নেওয়া হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই বছরেই ৩ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে নৌসেনা। 

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    ২৪ জুন থেকেই অগ্নিবীর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। বায়ুসেনায় আবেদন প্রক্রিয়া চলেছে ৫ জুলাই অবধি। ২৪-৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইন পরীক্ষা নেবে ভারতীয়  বায়ুসেনা। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এবার পরীক্ষার পাঠক্রম (Syllabus) প্রকাশ করল ভারতীয় বায়ুসেনা। https://agnipathvayu.cdac.in/AV/img/upcoming/AGNIVEER_VAYU.pdf -এই লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করতে পারবেন পিডিএফ (PDF)। 

    কী পদ্ধতিতে নেওয়া হবে পরীক্ষা?

    বিজ্ঞান এবং আরও কিছু বিষয়ে পরীক্ষা নেবে বায়ুসেনা।

    কোন পদের জন্যে আবেদন করছেন তার ওপর নির্ভর করবে পাঠক্রম। 

    দ্বাদশ শ্রেণীর ইংরেজি, অঙ্ক এবং ভৌত বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হবে পরীক্ষা।

    যারা বিজ্ঞানের ছাত্র নন, তাঁদের জন্যে ইংরেজি, রিজনিং এবং সাধারণ জ্ঞানের ওপর প্রশ্ন করা হবে।

    প্রতি প্রশ্নে ১ নম্বর করে থাকবে।

    ভুল প্রশ্ন প্রতি ১/৪ নম্বর করে কাটা হবে।

    কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিলে কোনও নম্বর কাটা হবে না।

    যারা লিখিত পরীক্ষায় পাশ করবেন তাঁদের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় ডাকা হবে।

    পাঠক্রমের পিডিএফটি কী করে ডাউনলোড করবেন? 

    প্রথমে agnipathvayu.cdac.in – এই লিঙ্কে যান। 

    নীচের ‘নোটিফিকেশন’ বাটনটিতে যান। 

    এরপর ‘সিলেবাস’ বলে লিঙ্কটিতে যান।

    তারপর ডাউনিলোড করুন। 

    একটি প্রিন্টআউট নিজের কাছে রাখুন।

     

     

     

  • IAF MiG-21 Crash: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    IAF MiG-21 Crash: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান মিগ-২১ (MiG-21 Aircraft)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজস্থানের (Rajasthan) বারমের জেলায় (Barmer District) প্রশিক্ষণের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) যুদ্ধবিমানটি ভেঙে পড়ে। সেই মুহূর্তে তাতে দুজন পাইলট (Pilot) ছিলেন। দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা। আকাশেই আগুন লেগে যায় বিমানটিতে।  

    বায়ুসেনা বিবৃতিতে দিয়ে জানিয়েছে, “বায়ুসেনার একটি বা দুই আসন-বিশিষ্ট মিগ-২১ ট্রেনার যুদ্ধবিমান রাজস্থানের উতারলাই বিমান ঘাঁটি থেকে প্রশিক্ষণের জন্য উড়ছিল। রাত ৯টা ১০ নাগাদ বিমানটি বারমেরের কাছে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। দুজন পাইলটেরই মৃত্যু হয়েছে। বায়ুসেনা গভীরভাবে অনুতপ্ত। শোকাহত পরিবারের পাশে রয়েছি আমরা। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য কোর্ট অফ ইনকোয়ারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: এলএসি-তে উড়ছে চিনা যুদ্ধবিমান! জবাবে দ্বিতীয় এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন ভারতের

    [tw]


    [/tw]

    [tw]”      


    [/tw]

    দুর্ঘটনার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরীর (ACM VR Chaudhury) সঙ্গে কথা বলেছেন। ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি ট্যুইটারে লেখেন, “রাজস্থানের বারমেরের কাছে বায়ুসেনার মিগ-২১ প্রশিক্ষক বিমানের দুর্ঘটনার কারণে দুই যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য আমি গভীরভাবে মর্মাহত। দেশের জন্য তাঁদের সেবা কখনই ভোলার নয়। শোকের এই মুহূর্তে আমি শোকাহত পরিবারের পাশে রয়েছি।” 

    [tw]


    [/tw]

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলেট শোকরপ্রকাশ করে বলেছেন, “বারমেরে আইএএফ মিগ-২১ প্রশিক্ষক বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং কর্তব্যরত অবস্থায় দুই আইএএফ পাইলট প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে দুঃখিত। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। তাঁরা যেন এই ক্ষতি সহ্য করে শক্ত থাকেন। আমরা তাঁদের পাশে আছি। তাঁদের সঙ্গে দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার জন্য পাশে থাকব।”

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে ঘন অরণ্যে ৭ শ্রমিকের খোঁজ মিলল, এখনও নিখোঁজ ১২

    ১৯৬০ সালে প্রথম ভারতে আসে রাশিয়ার তৈরি এই যুদ্ধবিমান। তারপর থেকে প্রায় ২০০টি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার এই বিমানটি। প্রতিরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট মার্চে রাজ্যসভায় জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে ৪২ জন সেনা কর্মী দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৪৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বায়ুসেনায় দুর্ঘটনাই ২৯টি।

     

     

  • India-China conflict: পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের যুদ্ধবিমান

    India-China conflict: পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের যুদ্ধবিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার লাদাখ সীমান্তে চিন সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশের চেষ্টা। জুনের শেষ সপ্তাহেই পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার(LAC) খুব কাছে চলে আসে চিনা যুদ্ধবিমান। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) রাডারে তা ধরা পড়তেই সতর্কতা জারি হয় সর্বত্র। এই পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সরকারি স্তরে আলোচনা হয়েছে। এই ধরনের কোনও ঘটনা যাতে আগামী দিনে না ঘটে তা নিয়েও চিনকে সতর্ক করেছে ভারত।

    সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময় চিনের সেনাবাহিনীর তরফে ভারতীয় সেনাকে প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকমাসে সরাসরি আকাশসীমা লঙ্ঘনের এরকম ঘটনা এই প্রথম বলেই জানা গেছে। এমনিতে পূর্ব লাদাখে (Ladakh) নিজেদের দখলে থাকা এলাকায় চিনা বিমানবাহিনী বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের সক্রিয়তা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। মহড়া চলাকালীন বিমানবাহিনীর তরফে বেশ কিছু সমরাস্ত্রেরও ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, পরিস্থিতির উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালেও ভারত চিনের আগ্রাসনের কড়া জবাদ দিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, এই বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কথা হয়েছে।  তাই গোটা বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের বৈঠকে আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা তুলে ধরে আলোচনা করেছে দুপক্ষের আধিকারিকেরা। যদিও তার পর থেকে চিনের তরফে ভারত সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটানো হয়নি বলেই জানা গেছে।

    আরও পড়ুন: শিবসেনার তির-ধনুক প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবেন না, সাফ জানালেন উদ্ধব

    সীমান্ত বিবাদ নিয়ে এখনও নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ। তার মধ্যেই এই চিনা সক্রিয়তার কথা সামনে আসতে নড়েচড়ে বসেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চিন সম্পর্ক কার্যত তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। দফায় দফায় আলোচনার পর কিছু জায়গা থেকে সেনা সরিয়ে সাময়িক ভাবে স্থিতাবস্থা ফেরানো হলেও মাঝে মাঝে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা তৈরি হয়। সম্প্রতি বালিতে জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে বৈঠকে অংশ নিতে গিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী জানিয়ে দেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি বজায় রাখতে চায় ভারত। তবে, আগ্রাসনের চেষ্টা হলে ভারত তার যোগ্য জবাব দেবে।

LinkedIn
Share