Tag: Indian Armed Forces

Indian Armed Forces

  • BrahMos Aerospace: অগ্নিবীরদের জন্য প্রথম সংরক্ষণ ঘোষণা করল ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস

    BrahMos Aerospace: অগ্নিবীরদের জন্য প্রথম সংরক্ষণ ঘোষণা করল ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে অগ্নিবীরদের (Agniveers) জন্য সংরক্ষণ ঘোষণা করল ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস (BrahMos Aerospace)। অগ্নিপথ স্কিমের (Indian armed forces’ Agnipath scheme) যোদ্ধাদের জন্য পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস (পিএসইউ) এবং ডিফেন্স পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস (ডিপিএসইউ) এ প্রথম চাকরি দেওয়ার কথা জানাল ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস।

    কোন পদে কত সংরক্ষণ

    ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেসের (BrahMos Aerospace) তরফে জানানো হয়েছে, সংস্থায় প্রযুক্তিগত এবং সাধারণ পদের অন্তত ১৫ শতাংশ প্রাক্তন অগ্নিবীরদের দ্বারা পূরণ করা হবে। এছাড়াও আউটসোর্সড কাজ সহ প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা ভূমিকায় ৫০ শতাংশ পদ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ব্রাহ্মোসে নিয়মিত কর্মসংস্থান ছাড়াও, অগ্নিবীরদের আউটসোর্সিং চুক্তিতেও কাজ দেওয়া হবে। ব্রহ্মোসের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে ২০০টিরও বেশি সংস্থা। তারাও অগ্নিবীরদের চাকরি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্রহ্মোসের ডিরেক্টর অনিল মিশ্র বলেছেন, ‘‘অগ্নিবীররা মূল্যবান দক্ষতা এবং দায়িত্বের একটি শক্তিশালী বোধ নিয়ে আসে, যা কোম্পানি এবং বৃহত্তর প্রতিরক্ষা খাতকে উপকৃত করবে।’’

    বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ এবং আইটিবিপি-তে প্রাক্তন অগ্নিবীরদের (Agniveers) জন্য ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষিত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাক্তন অগ্নিবীরদেরও শারীরিক পরীক্ষা ও বয়সসীমা শিথিল করা হয়েছে। এছাড়াও, ইউপি পিএসসি নিয়োগেও শিথিলতা দেওয়া হয়েছে। এবার ব্রহ্মোসের মতো সংস্থাতেও কাজের সুযোগ পাবেন অগ্নিবীররা। ১৯৯৮ সালে রাশিয়া ও ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-এর যৌথ উদ্যোগে ব্রহ্মোস এরোস্পেসের যাত্রা শুরু হয়। এর সদর দফতর নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। ব্রহ্মোসের তরফে অন্যান্য সংস্থাকেও এক্ষেত্রে এগিয়ে আসারা কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের সীমান্ত রয়েছে প্রায় চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সমস্যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে। পৃথিবীর প্রথম দুই জনবহুল দেশের সংঘাত তবে বর্তমানে আর মাত্র চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা জুড়েই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তা মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতেও (Maldives Islands) ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দখল নিজেদের কাছেই রাখতে চায় বেজিং। চিনের দাদাগিরি রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দিল্লিও। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সামরিক কার্যকলাপও (Indian Armed Forces) বৃদ্ধি করেছে ভারত।

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার 

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, মালিকু দ্বীপের এই সামরিক ঘাঁটিগুলিতে (Indian Armed Forces) নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করা হবে আবার অন্যদিকে আগাত্তি দ্বীপের বর্তমানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেটিকেও ঢেলে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে এই দুটি দ্বীপের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দ্বীপই আরব সাগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের যে প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ রয়েছে তার অর্ধেক রাস্তাই এই অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথে চিনের দাপট রুখতে ভারতের এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে

    ভারত সরকারের তরফ জানানো হয়েছে, এই বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বেজিং উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অর্থাৎ যে কোনও মূল্যে এই অঞ্চলগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় চিন। ঠিক এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশের ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে চিনা কোম্পানিগুলির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নজরে পড়ে। ওই দেশগুলির সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের সেনা যৌথ মহড়াও করে। সামরিক চুক্তিও সম্পাদন করছে বেজিং। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বেজিং ওই দেশগুলির সঙ্গে।

    ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সাধারণভাবে সারা বিশ্বজুড়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ দেখা দিলে তা মেটানোর কাজ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত ইউরোপের দেশগুলি। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধেও তা দেখা গিয়েছে, ঠিক একইভাবে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলির এই জায়গাটি নিতে চাইছে চিন। এক্ষেত্রে ভারতই হয়ে উঠছে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। আর্থিক দিক থেকে, সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করে চলেছে বেজিং। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিকাঠামোও নির্মাণ করেছে বেজিং। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিন ভারতকেই ভাবে।

    চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপের (Maldives Islands) ওপরেও কড়া নজর রাখতে চায় ভারত

    গত বছরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু তাঁদের দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানোর কথা বলেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনে জেতার আগে এটাই ছিল মুইজ্জুর প্রতিশ্রুতি যে তিনি ক্ষমতায় ফিরলে দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানো হবে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এমন সিদ্ধান্ত মুইজ্জুর নয়, এর পিছনে রয়েছে বেজিংয়ের কূটনৈতিক কৌশল। তবে মলদ্বীপের (Maldives Islands) খুব কাছেই ভারতের সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি বেশ চোখে পড়ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে নৌ-ঘাঁটি চালু করেছে ভারত। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জের এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের অনুমান চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপে কড়া নজর রাখতে চায় ভারত। তাই লাক্ষাদ্বীপে বেড়েই চলেছে ভারতের সামরিক কার্যকলাপ।

    চলতি বছরেই মলদ্বীপে (Maldives Islands) এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁতের কারণে জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। চলতি বছরেই মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই সামরিক ঘাঁটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটিগুলি থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লাক্ষাদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের (Maldives Islands) ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gallantry Awards 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে বীরত্বের পুরস্কার পেলেন ১০৭ জন, মরণোত্তর কীর্তি চক্র শহিদ দুই জওয়ানকে

    Gallantry Awards 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে বীরত্বের পুরস্কার পেলেন ১০৭ জন, মরণোত্তর কীর্তি চক্র শহিদ দুই জওয়ানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে (76th Independence Day) বীরত্বের পুরস্কার (Gallantry Awards) ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার৷ রবিবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ৩টি কীর্তি চক্র, ১৩টি শৌর্য চক্র (Shaurya Chakra) সহ ১০৭টি বীরত্ব পুরস্কারের অনুমোদন দিয়েছেন। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতা এবং বিশেষ পরিষেবার জন্য তাঁদের সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। দেশের একাধিক বীর সৈনিককে বীরত্বের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। কোথাও জঙ্গি দমন তো কোথাও শত্রুপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রাণপাত করা বীর সেনা-জওয়ানেরাও পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় রয়েছে।

    সোমবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা বাহিনীর নায়েক দেবেন্দ্র প্রতাপ সিং ( Naik Devendra Pratap Singh) কীর্তি চক্র (Kirti Chakra) পাচ্ছেন। এছাড়াও বাকি দুই জওয়ান বিএসএফের কনস্টেবল সুদীপ সরকার (BSF constables Sudip Sarkar) ও বিএসএফের সাব-ইনস্পেক্টর পাওতিনস্যাট গুইতের (Paotinsat Guite) জন্য মরণোত্তর কীর্তি চক্র ঘোষণা করা হয়েছে। নায়েক দেবেন্দ্র চলতি বছরের জানুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গিদের মুখোমুখি হয়ে লড়াই করছিলেন ও দুই জঙ্গিকে খতম করেছিলেন। আবার শহিদ সেনা জওয়ান সুদীপ সরকার ও পাওতিনস্যাট গুইতেও দুই জঙ্গিকে খতম করেছিলেন, কিন্তু গুলির লড়াইয়ে পরে তাঁরা প্রাণ ত্যাগ করেন।

    আবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ২টি বার-টু-সেনা পদক (বীরত্ব), ৮১টি সেনা পদক (বীরত্ব), ৭টি বায়ু সেনা পদক (বীরত্ব) এবং ১টি নৌ সেনা পদক (বীরত্ব) অনুমোদন করেছেন। এছাড়াও তিনি একটি সেনা কুকুর অ্যাক্সেলের জন্য একটি মরণোত্তর সহ ৪০টি সেনা পদক অনুমোদন করেছেন। এই কুকুরটি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং অভিযান চলাকালীন এর মৃত্যু হয়। ৭টি বায়ু সেনা পদকের মধ্যে একটি পদক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাহুল সিং (Group Captain Rahul Singh) ও একটি পদক আইএএফ হেলিকপ্টার পাইলট উইং কমান্ডার দীপিকা মিশ্রের (IAF helicopter pilot Wing Commander Deepika Misra) জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। রাহুল সিং কাবুল থেকে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের এবং প্রবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আর দীপিকা মিশ্র মধ্যপ্রদেশের বন্যার সময় সাহায্য করেছিলেন, যার জন্য তাঁকে বীরত্ব পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের জন্য তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

     

LinkedIn
Share