Tag: Indian Army

Indian Army

  • Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতি সংঘর্ষে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Clash)। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একদিকে যেমন দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমনই সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে নয়াদিল্লিও। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে সেনা। যদিও, এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন মণিপুরের এক বিজেপি (BJP) বিধায়ক। 

    সঙ্কটজনক আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের অশান্তি (Manipur Clash) নিয়েই ইম্ফলে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মণিপুরের ফেরজাওয়াল জেলার থানলনের তিনবারের বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে (Vungzagin Valte)। সেই সময় তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালায় একদল বিক্ষোভকারী। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বেশ কিছু ক্ষিপ্ত জনতা বিধায়কের গাড়ি ঘিরে ধরে। গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল-পাথর ছোড়া হয়। সেই সময় গাড়ির ভিতরে ছিলেন বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে, তাঁর ব্যক্তিগত সচিব ও গাড়ির চালক। হামলার পরই বিধায়কের ব্যক্তিগত সচিব পালিয়ে যান। 

    জানা যায়, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধরা পড়ে যান ওই বিধায়ক ও তাঁর গাড়ির চালক। দুজনকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল (Manipur Clash) থেকে বিধায়ককে উদ্ধার করে এবং বিধায়ককে ইম্ফলের রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা অতি সঙ্কটজনক বলে জানা গিয়েছে। আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, কুকি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ভুংজাগিন ভালতে। তিনি গত বারের বিজেপি সরকারের আদিবাসী ও পর্বত মন্ত্রী ছিলেন।

    জ্বলছে মণিপুর

    মণিপুরে সংঘাতের (Manipur Clash) সূত্রপাত বুধবার থেকে। গত মাসে সেখানকার হাইকোর্ট সরকারের উদ্দেশে নির্দেশ দেয়, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি তালিকাভুক্ত করা যায় কি না তা বিবেচনা করতে। তাকে ঘিরে ক্রমশ মৈতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। এরই মধ্যে, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি উপজাতির অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বুধবার একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। বুধবার এই সংহতি মিছিলকে ঘিরেই অশান্তি বাধে।

    আরও পড়ুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    জারি কারফিউ, দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ

    পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বৃহস্পতিবার বিকালে রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে মণিপুরের বিজেপি সরকার দেখা মাত্রই গুলি অর্থাৎ ‘শ্যুট অ্যাট সাইট অর্ডার’, অর্থাৎ দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ জারি করে। বুধবার বিকেলেই অধিকাংশ জেলায় কারফিউ জারি করেছিল প্রশাসন। কিছু জায়গায় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল আগেই। সংঘর্ষ (Manipur Clash) শুরু হওয়ার পরপরই বিষ্ণুপুর ও চুরাচাঁদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। 

    হিংসার মূল চক্রী মায়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা?

    মণিপুর পুলিশের দাবি, মায়ানমার থেকে যে অনুপ্রবেশকারীরা উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ঢুকে পড়েছিল, তারাই সমস্ত হিংসার (Manipur Clash) মূল চক্রী। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে গত বুধবার থেকে টানা পাঁচদিন চুড়াচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুর জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ওই দিন থেকেই নতুন করে উত্তাপ ছড়ায় মণিপুরের একাংশে।

    ব্যাহত রেল পরিষেবা

    মণিপুরে (Manipur Clash) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সমস্ত মণিপুরগামী ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সিপিআরও সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কোনও ট্রেন মণিপুরে প্রবেশ করছে না৷ মণিপুর সরকার ট্রেন চলাচল বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়ার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মোকাবিলায় তৎপর সেনা-বায়ুসেনা

    তবে এরই মধ্যে, ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতি (Manipur Clash) এখন অনেকটাই স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। মোরে এবং কাংগোপি এলাকা এখন অনেকটাই শান্ত, স্থিতিশীল। ইম্ফল এবং চূড়াচাঁদপুর এলাকার অবস্থাও ভাল করার জন্য সব রকম চেষ্টা চলছে। তবে পরিস্থিতি শান্তির দিকে মুখ ঘোরালেও সেনা এখনই সরছে না সে রাজ্য থেকে, বরং আগাম সতর্কতা হিসেবে মোতায়েন হতে চলেছে আরও কিছু বাহিনী। পড়শি রাজ্য নাগাল্যান্ড থেকেও আনা হয়েছে সেনা। চুরাচাঁদপুর সহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় ফ্ল্যাগ-মার্চ করছে সেনা। স্থলসেনার পাশাপাশি, মণিপুরে তৎপর বায়ুসেনাও। গতকাল সেনা জওয়ানদের নিয়ে গুয়াহাটি এবং তেজপুর থেকে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার ও এএন-৩২ বিমান মণিপুরে পৌঁছয়। পাশাপাশি, সাধারণ নাগরিকদের হিংসা-কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করছে বায়ুসেনা।

    প্রশাসনের মাথাব্যথা ভুয়ো ভিডিও!

    সংঘর্ষের (Manipur Clash) আবহে প্রশাসনের মাথাব্যথা বাড়াচ্ছে ভুয়ো ভিডিও (Fake video)। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে এই নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়। জানানো হয়, ‘শত্রুভাবাপন্ন একাংশের তরফে’ এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ভেবেচিন্তে ছড়ানো হচ্ছে। ‘অসম রাইফেলস’-র উপর হামলা-সহ একাধিক এমন ভিডিও রয়েছে সেই তালিকায়। ভারতীয় সেনার তরফে মণিপুরের বাসিন্দাদের কাছে আর্জি জানানো হয়, একমাত্র সরকারি এবং নির্ভরযোগ্য জায়গা থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভিডিওতেই তাঁরা যেন বিশ্বাস করেন।

    কেন্দ্রকে সাহায্যের আর্জি মেরি কমের

    পরিস্থিতির (Manipur Clash) দিকে কড়া নজর রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এর মধ্যেই অনলাইনে দু’টি বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। এমনকী পড়শি রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও একপ্রস্ত কথাবার্তা সেরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার মেরি কম (Mary Kom)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh) ট্যাগ করে ট্যুইট করেছেন তিনি। আবেদন জানিয়ে বলেছেন, ‘‘আমার রাজ্য জ্বলছে। দয়া করে সাহায্য করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ানে চিনা ফৌজের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন স্বামী নায়েক দীপক সিং। শনিবার সেই শহিদ সেনার স্ত্রী রেখা সিং লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায়। তিনি পোস্টিং পেলেন পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন চেন্নাইয়ে। শনিবার সেই প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায় (Indian Army)। প্রসঙ্গত, রেখার স্বামী দীপক ছিলেন, বিহার রেজিমেন্টের ষোড়শ ব্যাটেলিয়নে। ২০২১ সালে তাঁকে মরণোত্তর বীর চক্রে ভূষিত করা হয়। পরের বছরই রেখা মহিলা ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেন। অবশেষে তিনি যোগ দিলেন লেফটেন্যান্ট হিসেবে।

    ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়ে রেখা কী বললেন সাংবাদিকদের?

    ভারতীয় সেনায় (Indian Army) যোগ দিয়ে রেখা সিং সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “আজ আমার প্রশিক্ষণ শেষ হল। আমি এখন থেকে লেফটেন্যান্ট পদে কাজ করব। সেনায় যোগ দিতে পেরে অত্যন্ত গর্ববোধ হচ্ছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্থির করেছিলাম সেনায় যোগ দেব। আজ সেই স্বপ্ন, সেই লক্ষ্যপূরণ করতে পারলাম।”

    রেখার সঙ্গে আরও ৫ জন যোগ দিলেন গোলন্দাজ বাহিনীতে 

    তবে শুধুমাত্র রেখাই নন, শনিবার একসঙ্গে পাঁচজন মহিলা আর্মি অফিসার হিসেবে গোলন্দাজ বাহিনীতে যোগ দিলেন সেনায়। তাঁরা সকলেই চেন্নাইয়ের ‘অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি’তে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পাঁচ মহিলা অফিসারের মধ্যে দু’জনকে পাক সীমান্তের কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন (রেখা-সহ) যোগ দিচ্ছেন লাদাখে চিনের সীমান্তের কাছে। তাঁদের সঙ্গে ১৯ জন পুরুষ অফিসারও যোগ দিলেন রেজিমেন্টে। গত জানুয়ারিতে চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল মনোজ পান্ডে জানিয়েছিলেন মহিলা অফিসারদের গোলন্দাজ বাহিনীতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা। পরে তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেয় সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাহিনীর একটি নয়া ইউনিট খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। মোদি জমানায় ভারতকে হাতে মারতে না পেরে সাইবার ওয়ারফেয়ারে টক্কর দিতে চাইছে চিন (China) ও পাকিস্তান (Pakistan)। এমতাবস্থায় এই দুই শত্রু দেশের মোকাবিলা করতে প্রয়োজন ছিল নয়া ইউনিটের। সেই ইউনিটই খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয় আর্মি কমান্ডারর্স কনফারেন্স। উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande)। সেই কনফারন্সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে নয়া ইউনিট খোলার ব্যাপারে।

    কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের প্রয়োজন…

    সরকারি সূত্রে খবর, কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যাতে ভেঙে না পড়ে, সেজন্য ভারতীয় সেনায় কমান্ড সাইবার অপারেশনস অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস খোলা হচ্ছে। ওই সূত্র জানায়, বর্তমানে সেনায় সাইবার স্পেশ দিন দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধক্ষেত্রেও এর প্রয়োজন রয়েছে। স্পেশালিস্ট ইউনিটের ওপর আলোকপাত এবং প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ওই সূত্র জানিয়েছে, আমাদের শত্রু দেশগুলি সাইবার ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি করেছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে এই ইউনিট খোলা খুবই প্রয়োজন। ভারতীয় সেনা দ্রুত নেট নির্ভর হয়ে পড়ছে। সেই কারণেই সব ক্ষেত্রেই আমাদের কমিউনিকেশন সিস্টেমের ব্যাপক উন্নতি ঘটাতে হবে। এই সূত্রই জানিয়েছে, এই নয়া ইউনিট ভারতীয় সেনার সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমী কাণ্ডে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যেতেই মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    এই কনফারেন্সে ভারতীয় সেনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে (Manoj Pande) দেখা হয়। অপারেশনাল প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হয়। অগ্নিপথ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কেও আলোচনা হয় এই কনফারেন্সে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধনের প্রয়োজন রয়েছে বলেও চিহ্নিত করেছেন সেনার শীর্ষ কর্তারা। সে সম্পর্কেও আলোচনা হয়। বাহিনীর কল্যাণ সাধনেও বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কমান্ড সাইবার অপারেশসন অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর জওয়ানদের কল্যাণেও নানা (Manoj Pande) আলোচনা হয়। যেসব সন্তান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তাঁদের সেনা জওয়ান বাবা যদি শহিদ হন, তবে তাঁদের প্রাপ্য দ্বিগুণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত পাঞ্জাব। বুধবার ভোরে পরপর গুলি চলল ভাটিন্ডার সেনা শিবিরে। তাতে অন্তত চার সেনা জওয়ানের মৃত্যু। ভোর সাড়ে ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে চলে গুলি বলে সূত্রের খবর। গুলি চলার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। তল্লাশি চলছে এলাকায়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর সাউথ ওয়েস্টার্ন কম্যান্ড।

    তপ্ত সেনা শিবির

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে ৪টে বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা শিবিরে গুলি চলে। বিকট আওয়াজে ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারাও সেই গুলির শব্দ শুনতে পান। সেনার তরফে জারি বিবৃতিতে আপাতত বলা হয়েছে, ‘ভোর ৪টে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা ছাউনির ভিতরে গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এর পরপরই ‘ক্যুইক রিঅ্যাকশন টিম’কে মোতায়েন করা হয় ভাটিন্ডা সেনা ছাউনিতে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ভোর থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এই গুলি চালানোর ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    প্রাথমিক ভাবে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থেকে এই ঘটনা বলে অনুমান। তবে, জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। কে বা কারা গুলি চালাল, কোন পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও, পাঞ্জাব পুলিশের দাবি, এই গুলির ঘটনায় সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ নেই। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, দু’দিন আগে ইনসাস রাইফেল (Insas Rifle) ও ২৮ টি কার্তুজ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল সেনা ছাউনি থেকে। পুলিশ মনে করছে, কোনও সেনা কর্মীই এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। গুলি করার পিছনে কারণ সূত্র খুঁজে পেতে তদন্ত জারি রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের।

    কী বলছে পাঞ্জাব পুলিশ?

    ভাটিন্ডার এসএসপি গুলনীত খুরানার বিবৃতি অনুযায়ী, এক জওয়ানই সম্ভবত সতীর্থদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। তাতেই তপ্ত হয়ে ওঠে সেনা শিবির। এই সম্পর্কে বিশদ তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তবে সেনা শিবিরের অন্দরেই এলোপাথাড়ি গুলি চলার ঘটনায় বেড়েছে উদ্বেগ। সেনা শিবিরের বাইরে মোতায়েন রয়েছে বিশাল বাহিনী। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই  ক্যুইক রিয়্যাকশন টিম কাজে নেমে পড়েছে। এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এলাকায় ঢোকা এবং বেরনোর রাস্তা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Misfired) ছুঁড়ল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়সালমীরে। শুক্রবার পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়া চলাকালীন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তিনটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ‘ভুলবশত’ নিক্ষেপ করা হয় বলে সেনাসূত্রে খবর। 

    যান্ত্রিক ত্রুটিই দায়ী!

    সেনা (Indian Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির পাল্লা ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে। তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রই পাল্লার বাইরে গিয়ে বিভিন্ন গ্রামের ক্ষেতে আঘাত হেনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটায়। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহত বা কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। হঠাৎ মিসাইল আছড়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতেই পোখরানের ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে ওই মিসাইলের টেস্ট ফায়ারিং করা হচ্ছিল, কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা ভুলবশত উৎক্ষেপণ হয়।

    আরও পড়ুন: সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের উদ্যোগে আয়োজিত হল বায়ুসেনা এবং স্থলসেনার যৌথ মহড়া

    তদন্ত চলছে

    প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অমিতাভ শর্মা জানান, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে প্রশাসন সূত্রে জাানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া তিনটি মিসাইলের মধ্যে দুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, তৃতীয় মিসাইলটির হদিস মেলেনি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী (Indian Army) মিলিতভাবে ওই ‘নিখোঁজ’ তৃতীয় মিসাইল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেশী দেশে ভুলবশত ওই মিসাইল পড়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাচনার ডিএসপি কৈলাশ বিষ্ণোই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আজাসার গ্রামের একটি ক্ষেতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি পাওয়া গিয়েছে অন্য একটি ক্ষেতে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণের কারণে ক্ষেত দু’টিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: সীমান্তে বাড়ছে চিনা ফৌজের দাপাদাপি! মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতও, বললেন সেনা প্রধান

    Indian Army: সীমান্তে বাড়ছে চিনা ফৌজের দাপাদাপি! মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতও, বললেন সেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন ভারত সীমান্ত গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার উত্তপ্ত হয়েছে বারেবারে। হাতাহাতির ঘটনাতো নজর এড়ায়নি আমাদের, কয়েকমাস আগেই অরুণাচলের তাওয়াংয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছিল দুদেশের সেনা (Indian Army) মুখোমুখি চলে আসায়। কিন্তু এখন প্রকৃত নিয়ন্ত্রক রেখার পরিস্থিতি কী রকম? শুক্রবার এক সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তা জানিয়েছেন ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। তিনি জানিয়েছেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল। তবে এলএসি বরাবর ভারতীয় সেনার কড়া নজরদারি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাওয়াংয়ে ঘটনার পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা জওয়ানের মোতায়েন বাড়িয়েছিল ভারত। তাও কমানো হয়নি বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান।

    কী বললেন সেনাপ্রধান? 

    এদিন দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা পদক্ষেপ করছে সেনা (Indian Army)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার যুদ্ধের ধরণও পাল্টে দিতে পারে।’’ এদিনের অনুষ্ঠানে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন সেনাপ্রধান। তাঁর মতে, ‘‘ইউক্রেন যুদ্ধ বুঝিয়ে দিয়েছে জমি দখল এখনও লড়াইয়ের একটি মূল লক্ষ্য। ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত নিয়ে বিবাদ আছে। তাই আমাদের ক্ষেত্রে জমি দখলই হার-জিতের ফয়সালা করবে।’’ তাঁর দাবি, আপাতত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল। চিনের সব গতিবিধির উপরে নজর রাখছে ভারত।

    যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত সেনা মজুদ রয়েছে

    এদিন সেনাপ্রধান আরও বলেন এলএসি এবং তিনটি সেক্টরে আমাদের একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত সেনা (Indian Army) মজুদ রয়েছে। নতুন প্রযুক্তি এবং অস্ত্র ব্যবস্থার সঙ্গে মিশে আমাদের সক্ষমতা বিকাশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দিচ্ছি। বিশেষ করে সামনের এলাকার রাস্তা এবং হেলিপ্যাড তৈরির কাজ অনেক হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

  • Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই বড় সতর্কতা জারি করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সেনাকর্মীদের চিনে তৈরি মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করতে নিষেধ করা হল। চিনের তৈরি মোবাইল এবং অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (লাইন অফ অ্যাকচ্যুয়াল কন্ট্রোল বা এলএসি) বরাবর মোতায়েন সেনা জওয়ানদের এমনই নির্দেশিকা দিল গোয়েন্দা বিভাগ।

    কেন এমন নির্দেশিকা?

    গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, চিনা বা বিদেশি মোবাইলগুলি ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বহু ক্ষেত্রেই ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার পাওয়া যাচ্ছে চিনা মোবাইলে (Chinese Mobile), যা সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ নিয়ে আগেও সেনাকে সতর্ক করা হয়েছে। এবার সরাসরি চিন সীমান্তে যাতে এই মোবাইলগুলি ব্যবহার না করা হয় সেদিকে নজর দেওয়ার বার্তা এল। মোবাইলের পাশাপাশি চিনা অ্যাপ ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। এবারে শুধুমাত্র সেনাকর্মীরাই নন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও চিনা ফোন ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে।

    নির্দেশিকায় সেনাকর্তাদের উদ্দেশে বলা বয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি-তে যে সমস্ত সেনাকর্মীরা মোতায়েন রয়েছেন, তারা যেন কোনও চিনা মোবাইল ফোন বা চিনা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করেন। প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেনাকর্মীদের এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে, চিনা মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    চিনা ফোন ব্যবহারে না…

    জানা গিয়েছে, ভিভো, ওপো, শাওমি, ওয়ান প্লাস, হনর, রিয়েলমি, জিওনি, আসুস ও ইনফিনিক্সের মত মোবাইল ফোন, যা চিনে তৈরি হয় (Chinese Mobile), তা ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে। এই ফোনগুলি ছাড়া বর্তমানে ভারতীয় বাজারে অন্যান্য যে ফোন রয়েছে, তা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে ভারত ও চিনের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। জুন মাসে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষও হয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে লাল ফৌজ। ফলে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: আকাশে উড়ে সীমান্তে টহল দেবে ভারতীয় জওয়ানরা! আসছে জেটপ্যাক, কী এটি?

    Indian Army: আকাশে উড়ে সীমান্তে টহল দেবে ভারতীয় জওয়ানরা! আসছে জেটপ্যাক, কী এটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিয়াচেন হোক বা লাদাখ-অরুণাচলের কোনও প্রত্যন্ত এলাকা বা ভারত পাকিস্তান সীমান্ত, সব দিক থেকেই শত্রুদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবারে শক্তি বাড়াতে চলেছে ভারত। ভারতের সেনাবাহিনীর কাছে এমনই কিছু পোশাক, অস্ত্র ও রোবট আসতে চলেছে, যার ফলে সীমান্তে নজরদারিতে আর কোনও সমস্যা হবে না। নিজেদের প্রযুক্তিগত দিক থেকে আরও উন্নত করতে সব সময়েই উদ্যত ভারতের সশস্ত্র বাহিনীগুলি (Indian Army)। শত্রুর হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার আরও মজবুত করছে ভারত। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই ভারতীয় সেনার কাছে আসতে চলেছে জেটপ্যাক। যার ফলে শূন্যে উড়তে পারবে জওয়ান। আবার কিছু রোবোটিক মিউলস ও অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেমও পেতে চলেছে জওয়ানরা।

    কী এই জেটপ্যাক?

    আয়রন ম্যানের স্যুটের বিষয়ে নিশ্চয়ই জানেন আপনারা! এবারে ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও খানিকটা তেমনই পোশাক পেতে চলেছে। যার সাহায্যে আকাশে উড়তে পারবেন তাঁরা। এটি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে চলবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ (UK) সংস্থা ‘গ্র্যাভিটি ইন্ডাস্ট্রিজে’র তৈরি জেটপ্যাকের প্রদর্শন হয়ে গিয়েছে আগ্রায়। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিওগুলি। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনা ৪৮টি জেটপ্যাকের বরাত দিয়েছে ওই সংস্থার কাছে।

    সংস্থার সিইও রিচার্ড ব্রাউনিং নিজে ওই মহাকর্ষ-বিরোধী স্যুট পরে শূন্যে উড়ে বেড়িয়েছেন। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, জলাশয় ও ফাঁকা প্রান্তরের উপর উড়ছেন তিনি। তাঁর স্যুটের সঙ্গে তিনটি জেট ইঞ্জিনকে জুড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে একটি স্যুটের পিছনে। বাকি দু’টি রয়েছে স্যুটের হাতে। প্রসঙ্গত, এই স্যুটগুলিতে জ্বালানি হিসেবে তরল গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওগুলি।

    রোবোটিক মিউলস

    জেটপ্যাক ছাড়াও রোবট প্রযুক্তিও সেনায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। রোবোটিক মিউল কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, ১০০ টি রোবট কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, এটি ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় কাজ করতে সক্ষম ও অসম ভূখণ্ডেও চলতে পারে। এটিতে চারটি পা থাকবে। উল্লেখ্য, এই মিউলস ও জেটপ্যাকগুলি ফাস্ট ট্র্যাক পদ্ধতির মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে কেনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আর্টিলারি গান সিস্টেম

    পাকিস্তান ও চিন দেশের সীমান্তে ভারত নিজেদের আর্টিলারি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার উপর কাজ করছে। এর ফলে সেনাবাহিনী ৩০৭টি এটিএজিএস হাউইটজার কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এমনই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী ৩০৭টি অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেম কেনার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে। সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি হাউইটজারের জন্য এটিই প্রথম প্রস্তাব হতে চলেছে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উচ্চতার অঞ্চলে এগুলির পরীক্ষা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ব্যবহারকারীদের পরামর্শ অনুযায়ী এগুলিকে আরও উন্নত কীভাবে বানানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এই হাউইটজারগুলি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা জওয়ান, কড়া নজরদারি গালওয়ান উপত্যকায়

    Indian Army: হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা জওয়ান, কড়া নজরদারি গালওয়ান উপত্যকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারতীয় সেনা জওয়ানের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে সেরকম ঘটনা যাতে আর না ঘটতে পারে, তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কিন্তু এই টহলদারি বাড়ানোর পাশাপাশি এক অন্য ছবিই দেখা গেল গালওয়ানে, যা দেখে হতবাক ভারতীয়রা। দেখা যাচ্ছে, সেই রক্তাক্ত উপত্যকাতেই মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা। শুধু তাই নয়, প্যাংগং হ্রদের পাশে হাফ ম্যারাথন রেসেরও আয়োজন করা হয় ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে।

    মিশন ইমপসিবল!

    ভারতীয় সেনা কার্গিলের (Kargil) রুক্ষ জমিতে দাঁড়িয়ে হিমাঙ্কের নিচে থাকা তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় জওয়ান, একে ‘মিশন ইমপসিবল’ই বলা চলে। সেই ক্রিকেট খেলার ছবিগুলি এই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। আর তা দেখে রীতিমত অবাক নেটিজেনরা। এমনিতেই উচ্চ অক্ষাংশ। তারপর সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ কম। তার উপর আবার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। এমন এক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যেখানে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে রীতিমত চলছে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস-এর তরফে ট্যুইট করে কিছু ছবি শেয়ার করা হয়েছে। পাটিয়ালা ব্রিগেডের ত্রিশূল ডিভিশন আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের যে উচ্ছ্বসিত ভঙ্গি দেখা গিয়েছে তা কার্যতই ‘মিশন ইমপসিবল’। ছবিগুলি পোস্ট করে ওই ব্রিগেডের তরফে জানানো হয়েছে, ‘আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করেছি।’

    নজরদারি বাড়ানো হয়েছে গালওয়ানে

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গালওয়ান উপত্যকা। ভারতীয় সেনা (Indian Army) ও চিনের লাল ফৌজের (PLA) মুখোমুখি সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে পাহাড়ি এলাকা। ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন। চিনের পক্ষে হতাহতের সংখ্যা কত তা সঠিক জানা যায় নি আজও। এই ঘটনার পরই লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ২০২০ সাল থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় জওয়ান এলএসি-তে উন্নত অস্ত্র সহ মোতায়েন করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eastern Command: চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    Eastern Command: চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তে (India-China Border) গুরুত্ব দিয়ে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড (Indian Army Eastern Command)। সেই লক্ষ্যেই তৈরি হল মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট (MRSAM Regiment)। ভারতীয় সেনায় প্রথম এই ধরনের রেজিমেন্ট গড়ে তোলা হল। সেনা পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমে এই রেজিমেন্ট পরিচালিত হবে। 

    কীভাবে কাজ করবে এই রেজিমেন্ট

    সেনা সূত্রে খবর, ইস্টার্ন কমান্ডের অধীন কাজ করবে এই রেজিমেন্ট। ভারত- চিন সীমান্তকে ঘিরে কোথাও যাতে সুরক্ষার ক্ষেত্রে ফাঁক না থাকে সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে ভারতীয় সেনা। তাই এই ধরনের রেজিমেন্ট গড়ে তোলা হল। এই রেজিমেন্টের সঙ্গে থাকবে মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল যা একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে ডিআরডিও। এই ধরনের মিসাইল সিস্টেমকে বলা ‘অভ্র’ ওয়েপন সিস্টেমও বলা হয়। প্রসঙ্গত, এই মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রও। আসলে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছে ভারত। তারই অঙ্গ হিসাবে তৈরি হয়েছে এই দেশীয় প্রযুক্তি নির্ভর এই নয়া সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কালিটা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি লম্বা লাফের মতো। দেশের আত্মনির্ভর ভারত-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রেও ভারত দ্রুত স্বনির্ভর হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী তিনি। এই রেজিমেন্ট গঠন হওয়া উত্তর-পূর্ব ভারতে সেনার শক্তি আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশে এই রেজিমেন্টকে পরিচালিত করা হবে।  বিশেষ করে আকাশপথে দেশের প্রতিরক্ষা আরও নিশ্ছিদ্র করার পথে এই মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস ও এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট একটি বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share