Tag: Indian Army

Indian Army

  • DMK Leader: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের

    DMK Leader: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ভারতীয় সেনার খুনের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে গ্রেফতার হয়েছেন সে রাজ্যের শাসক দল ডিএমকে কাউন্সিলর (DMK Leader)। কাপড় কাচাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিবাদ খুনে পৌঁছয়। মৃত্যু হয় প্রভু নামের ওই জওয়ানের। এবার তামিলনাড়ুর এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলেন মৃত ওই জওয়ানের ভাই প্রভাকরণ। তিনিও ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন পর্যন্ত না তাঁর দাদার খুনের সুবিচার মিলবে, ততদিন কাজে যোগ দেবেন না তিনি।  

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রভু নামে ২৯ বছরের ওই সেনা জওয়ান এবং তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পুকুরে কাপড় কাচা নিয়ে ওই কাউন্সিলর (DMK Leader) এবং তাঁর সঙ্গীদের বচসা হয়। প্রাথমিক ভাবে বিবাদ মিটে গেলেও সেই রাতে চিন্নাস্বামী এবং তাঁর আট সঙ্গী মিলে প্রভু আর তাঁর ভাইকে প্রচণ্ড মারধর করেন। এর পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই দুজন। অচৈতন্য অবস্থায় প্রভুকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেই অবস্থায় ওই দুই ভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করান পরিবারের লোকজন। 

    মঙ্গলবার গভীর রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ভারতীয় সেনার ওই জওয়ানের (DMK Leader)। প্রভুর ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার চিন্নাস্বামী এবং তাঁর ছেলে-সহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই।

    আরও পড়ুন: সেনা জওয়ানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ডিএমকে কাউন্সিলর-সহ ৮ 

    কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ প্রভাকরণ (DMK Leader)। তিনি বলেন, “যতদিন না দোষীরা শাস্তি পায়, আমি ততদিন সেনায় ফিরব না। আমরা কোনও ভুল করিনি। ১৩ বছর ধরে সেনায় কাজ করছি। একমাসের জন্য বাড়িতে ফিরে এরকম ঘটনা দেখতে হল। শাসক দলের কাউন্সিলর হুমকি দিলেন, ভারতীয় জওয়ান হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারব না আমরা।”

    একই ঘটনা বার বার 

    তামিলনাড়ুর এই উত্তপ্ত অবস্থার মধ্যে প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটার দাবি (DMK Leader) করলেন ভারতীয় সেনার আরও এক জওয়ান। হাবিলদার রঘু বহু বছর ধরে মাদ্রাস রেজিমেন্টে রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, গত জানুয়ারিতে কৃষ্ণগিরিতে, তাঁর বৌ-বাচ্চাকে এক দুষ্কৃতির হাত থেকে বাঁচাতে, ওই দুষ্কৃতির গায়ে হাত তুলতে হয়েছিল। প্রসঙ্গত, এই কৃষ্ণগিরিতেই খুন হয়েছেন প্রভু। রঘু দাবি করেন সাধারণ এক বচসাতেই, রাস্তা আটকে লোহার রড নিয়ে তাড়া করে ওই দুষ্কৃতি। রঘুর দাবি, পালিয়ে বেঁচে কৃষ্ণগিরি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও, পুলিশ অভিযোগ নেয় নি। এরপর তিনি পুরো বিষয়টি এসপিকে জানান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Indian Army: দেশের জন্য! অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে তুরস্কে পাড়ি ভারতীয় সেনা জওয়ানের, সেখানেই পেলেন সুখবর

    Indian Army: দেশের জন্য! অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে তুরস্কে পাড়ি ভারতীয় সেনা জওয়ানের, সেখানেই পেলেন সুখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় যখন মৃত্যুমিছিল, তারই মধ্যে ভারতীয় এক সেনা জওয়ান পেলেন এক খুশির খবর। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন তিনি। তুরস্কে পৌঁছে সুখবর পেলেন যে বাবা হয়েছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সেই সেনা জওয়ানের নাম রাহুল চৌধুরী ও তিনি উত্তরপ্রদেশের হাপুরের বাসিন্দা।

    সাতদিন কেটে গিয়েছে তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পের। দুই দেশেই মৃতের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। তুরস্কের এই পরিস্থিতিতে ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ৯৯ জনের ভারতীয় সেনার দল গেছে তুরস্কে। সেই দলের সদস্য রাহুল চৌধুরী তুরস্কে দুর্গতদের উদ্ধার করতে গিয়ে পেলেন এই খুশির খবর।

    পরিবারের আগে দেশসেবায় গেলেন ভারতীয় সেনা জওয়ান

    নিজের স্ত্রী যখন আট মাসের সন্তানসম্ভবা, তখন তিনি পরিবারের দায়বদ্ধতা দূরে সরিয়ে দেশের কথা ভেবে পাড়ি দিয়েছিলেন ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে। অন্যান্যদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তুরস্কের ধ্বংসস্তূপের তলায় প্রাণের সন্ধান করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে ভারত যে দল পাঠিয়েছে তাতে নাম ছিল রাহুলের। কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে একা ফেলে যেতে চাইছিলেন না তিনি। তবে নিজের কর্তব্য থেকেও সরে আসতে নারাজ ছিলেন। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রীর সিজারের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি। পরিবার না দেশের জন্য কাজ, কোনটা বেছে নেবেন, সেই নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন রাহুল। তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, “এই পরিস্থিতিতে কী করবেন বুঝতে না পেরে নিজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পুরো বিষয়টি বলেন। কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।” রাহুলের স্ত্রী তাঁকে বলেন,  “আমার নাম এই অভিযানে রাখা হয়েছে, তখন সে বলে যে আমার উচিত দেশের কাজ যেন আগে করি। দেশসেবাই প্রথম ধর্ম।”

    আরও পড়ুন: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    এর পরেই তিনি নির্দ্বিধায় দেশের হয়ে অন্য দেশের সাহায্যে চলে যান। এর পর তুরস্কগামী বিমানে উঠেই তিনি জানতে পারেন তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তুরস্কে পৌঁছেই রাহুল জানতে পারেন, পুত্র সন্তান হয়েছে। সকলেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। রাহুলের বন্ধু এবং সহকর্মীরা চান নবজাতকের নাম যেন ‘তুর্কি চৌধরী’ রাখা হয়।

    তবে একা রাহুল নন, তুরস্কে উদ্ধারকাজে যাওয়া উত্তর প্রদেশেরই বাসিন্দা ভারতীয় সেনার সেপাই পদে কর্মরত কমলেশ কুমার চৌহানও তুরস্কে পৌঁছনোর পরই বাবা হওয়ার সুখবর পেয়েছেন৷

  • Coochbehar: কোচবিহার আদালতের মালখানা থেকে উদ্ধার হ্যান্ড গ্রেনেড, নিষ্ক্রিয় করল সেনা জওয়ানরা

    Coochbehar: কোচবিহার আদালতের মালখানা থেকে উদ্ধার হ্যান্ড গ্রেনেড, নিষ্ক্রিয় করল সেনা জওয়ানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাঁজার প্যাকেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল হ্যান্ড গ্রেনেড। রবিবার সকালে কোচবিহার আদালতের মালখানার ভেতরে থাকা সেই হ্যান্ড গ্রেনেডই নিষ্ক্রিয় করল ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ আধিকারিকরা। এদিন সকালে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর ৬ থেকে ৭জনের সদস্যের একটি দল আদালত চত্বরে এসে হ্যান্ড গ্রেনেডটিকে নিষ্ক্রিয় করেন বলে জানা গেছে। গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করার সময় সাগরদিঘি চত্বরকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। সেখানে এক দিকে যেমন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন তেমনি দমকল বাহিনীও মোতায়েন করা হয় সেখানে।

    কী ঘটেছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিন তিনেক আগে আদালতের মালখানা পরিষ্কার করতে গিয়ে ওই গ্রেনেডটি লক্ষ্য করেন সেখানে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। বিষয়টি সম্পর্কে জানানো হয় কোচবিহার জেলা পুলিশের কাছে। এরপর রাজ্য পুলিশের বোম স্কোয়াডের একটি দল পরবর্তীতে ওই গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করতে এলে তারা গোটা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে জানান, তাঁরা নিষ্ক্রিয় করতে পারবেন না। পরে কোচবিহার পুলিশের তরফ থেকে খবর দেওয়া হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য সফরে এসে মমতার কী নাম দিলেন নাড্ডা?

    সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার রেজিমেন্ট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তাঁরা জানান ছুটির দিন রবিবার এই হ্যান্ড গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করতে হবে। সেই মত রবিবার সকালেই গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। সেনাবাহিনীর নিষ্ক্রিয়কারী দল যেখানে বোমা রাখা ছিল সেখানে পৌঁছে যান এবং তাঁরা দেখতে পারেন সেই বোমা বাইরে নিয়ে এসে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না। পরবর্তীতে কোচবিহার জেলা আদালতের বিচারপতির অনুমতি নিয়েই ওই মালখানার ভেতরেই হ্যান্ড গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করার বন্দোবস্ত করা হয়। সেনাবাহিনীর জওয়ানরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে দক্ষতার সঙ্গে গ্রেনেড টি নিষ্ক্রিয় করেছেন বলে জানা গেছে। এই কাজের ফলে আদালতের মালখানার ঘরের কোনরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা যায়।

    এই বিষয়ে এডিশনাল এসপি জানান, কোর্টের মালখনায় ০.৩৬ আর্মি গ্রেট গ্রেনেড পাওয়া গেছে। যেহেতু আর্মি গ্রেনেড তাই পুলিশের টিম তা নিষ্ক্রিয় করতে পারেনি। জলপাইগুরির ইঞ্জিনিয়ারের রেজিমেন্ট এসে সব দেখে জানান গ্রেনেড টি ওখানেই নিষ্ক্রিয় করতে হবে।

    বিন্নাগুড়ির ৬-৭ জন  ইঞ্জিনিয়ারের টিম এসে জেলা আদালত ও জেলা জর্জ এর অনুমতি নিয়ে গ্রেনেডটি নিস্ক্রিয় করেন। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় আশেপাশে। কীভাবে গ্রেনেড এল, তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

  • Animal Cyborgs: ভারতীয় সেনায় এবার ইঁদুর বাহিনী! জানেন কী এই ‘র‍্যাট সাইবর্গ’?

    Animal Cyborgs: ভারতীয় সেনায় এবার ইঁদুর বাহিনী! জানেন কী এই ‘র‍্যাট সাইবর্গ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোপনে শত্রুঘাঁটিতে ঢুকে আনাচ কানাচ ঘুরে খবর দেবে ইঁদুর বাহিনী। কোথায় লুকিয়ে আছে জঙ্গিরা, কী পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র আছে, কী কী পরিকল্পনা হচ্ছে সবই খুঁটিয়ে জেনে ভারতীয় বাহিনীকে বলবে সেনা-ইঁদুরের দল। সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি ঢুকছে কিনা, শত্রু সেনার আক্রমণের সম্ভাবনা আছে কিনা সবই বলে দেবে। পুলিশ থেকে সেনা, নিরাপত্তা বাহিনীগুলিতে কুকুরের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। কিন্তু, শত্রুপক্ষের অজান্তে,তাদের ভিডিয়ো ফিড প্রদান করার জন্য কাজে আসতে পারে ইঁদুরই। নয়া এই ভাবনা ভেবে ফেলেছে ডিআরডিও। স্পষ্ট করে বললে,‘ব়়্যাট সাইবর্গ’ (Rat Cyborg) বা ‘ইঁদুর সাইবর্গ’ভারতীয় সেনাকে কয়েক কদম এগিয়ে দেবে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে ইতিমধ্যেই এই ধরণের ইঁদুর তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    র‍্যাট সাইবর্গ আসলে কী

    একেবারে জ্যান্ত ইঁদুর দিয়েই র‍্যাট সাইবর্গ (Rat Cyborg) তৈরি করছেন প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা। এখন মনে হতে পারে সাইবর্গ কী? সাইবর্গ হল বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি এমন প্রাণী যাদের মধ্যে যান্ত্রিক শক্তিও থাকবে। অর্থাৎ আধা প্রাণী-আধা যন্ত্র। ‘ইঁদুর সাইবর্গ’ আদতে স্বাভাবিক ইঁদুরই। তবে, তাদের মস্তিষ্কে বিজ্ঞানীরা একটি ইলেক্ট্রোড স্থাপন করেছেন। ওই ইলেকট্রোডের মাধ্যমে ইঁদুরটি বাইরে থেকে পাঠানো সঙ্কেত গ্রহণ করতে পারবে। অর্থাৎ, বিজ্ঞানীরা তাকে যেদিকে যাওয়ার সঙ্কেত দেবেন, ইঁদুরটি সেদিকেই যাবে। আর লাইভ ভিডিয়ো গ্রহণ করার জন্য এই ইঁদুরগুলির পিছনে একটি ছোট ক্যামেরা বেঁধে দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    কারা তৈরি করল

    হায়দ্রাবাদের ‘ডিআরডিও ইয়ং সায়েন্টিস্ট ল্যাবরেটরি’ বা ‘ডিওয়াইএসএল’-এর (DYSL) একঝাঁক তরুণ গবেষক এই ইঁদুরগুলিকে তৈরি করেছে। এই ডিভাইসের রিমোর্ট কন্ট্রোল থাকবে সেনার হাতে। ইচ্ছামতো বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠানো যাবে সেই ডিভাইসে। আগে থেকেই প্রোগ্রামিং করা থাকবে সবকিছু। রিমোর্ট কন্ট্রোল দিয়ে শুধু চালনা করতে হবে ইঁদুরকে।  ধরা যাক, জঙ্গিদের কোনও গোপন ঘাঁটির খবর আনতে হবে। সেখানে এই ইঁদুরদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না, শরীরে যন্ত্র বসানো আছে। সাধারণ ইঁদুরদের মতোই তারা সেই এলাকার আনাচ কানাচে ঘুরে বেড়াবে। যন্ত্রে বসানো ক্যামেরা গোটা এলাকার ছবি ধরা পড়বে। এবার কোনখানে ঢুকলে অস্ত্রের খোঁজ মিলবে, কোথায় জঙ্গিরা লুকিয়ে থাকতে পারে সেটা আন্দাজ করে ইঁদুরদের সেখানে পাঠানো হবে। যদি জঙ্গিদের কোনও গোপন বৈঠকও হয়, তার সবটাই ভিডিওর মতো দেখতে পারবেন সেনা জওয়ানরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kashmir Encounter: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    Kashmir Encounter: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের সোপিয়ানে (Shopian) নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত তিন লস্কর ই তৈবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি।  নিহত জঙ্গিদের মধ্যে এক জন অক্টোবরে কাশ্মীরি পণ্ডিত খুনে অভিযুক্ত ছিল বলে জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। অন্য এক জঙ্গির বিরুদ্ধে ছিল নেপালি নাগরিককে খুনের অভিযোগ।

    দুপক্ষের গুলির লড়াই

    সোপিয়ানের মুঞ্জ মার্গ এলাকায় কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে এই খবর পেয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। সেনাকে দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা।  শুরু হয় গুলির লড়াই। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ-জওয়ানরা যৌথ ভাবে এই অভিযান চালায়। মঙ্গলবার ভোররাতে এই অভিযানে নিহত তিন জঙ্গির মধ্যে দু’জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কাশ্মীর পুলিশের এডিজিপি বিজয় কুমার। গোটা এলাকা নিরাপত্তারক্ষীরা মুড়ে রেখেছে। আরও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কি না তা জানতে চলছে তল্লাশি। উদ্ধার করা হয়েছে একে-৪৭ রাইফেল সহ কয়েকটি অস্ত্র। উদ্ধার হয়েছে দুটি পিস্তলও।

    আরও পড়ুন: আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে! ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    সেনার সাফল্য

    গত ১৫ অক্টোবর সোপিয়ানে জঙ্গিদের গুলিতে খুন হয়ে যান কাশ্মীরি পণ্ডিত পূর্ণ কৃষ্ণন ভাট। দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ানের চৌধুরী গুন্ড এলাকার ওই বাসিন্দা বাড়ি থেকে বের হবার পরেই তাঁর উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে সেই ঘটনায় যুক্ত ছিল মঙ্গলবারের এনকাউন্টারে নিহত লস্কর জঙ্গি লাতিফ লোন (Lateef Lone)। অন্যজন অনন্তনাগের উমের নাজির নেপালের তিল বাহদুর থাপার খুনে অভিযুক্ত। এর আগে নভেম্বরেও লস্কর ই তৈবার বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পায় কাশ্মীর পুলিশ। অবন্তীপোরায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয় লস্কর (Lashkar-e-Taiba) কমান্ডার মুখতার আহমেদ ভাট সহ তিন জঙ্গি। এদের বিরুদ্ধেও পুলিশ কর্মীকে হত্যা, পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার অভিযোগ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kite Bird: ড্রোন শিকারে চিল! ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ‘অর্জুন’ নামক পাখিকে

    Kite Bird: ড্রোন শিকারে চিল! ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ‘অর্জুন’ নামক পাখিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়েছে ড্রোনের উৎপাত। প্রায়ই পাকিস্তানি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়। গতকালই এক পাকিস্তানি (Pakistan) ড্রোনকে (Drone) গুলি করে নামাল বিএসএফ। ফলে এবারে শত্রুপক্ষের ড্রোনদের শিকার করতে ভারতীয় সেনা ট্রেনিং দিচ্ছে এক চিলকে (Kite Bird)। এই চিল পাখিটির নাম অর্জুন। ভারতীয় সেনাবাহিনী সামরিক অভিযানের জন্য কুকুরের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত পাখির ব্যবহার শুরু করছে বলে জানালেন সেনা কর্মকর্তারা।

    ড্রোনের শিকারে চিল!

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় সেনাবাহিনী উত্তরাখণ্ডের আউলিতে চলমান যৌথ প্রশিক্ষণ অনুশীলন যুদ্ধ অধ্যয়নের সময় শত্রু ড্রোনকে শিকার করতে এই পাখির ব্যবহার প্রদর্শন করেছে। এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যাতে শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে শনাক্ত করে সেগুলো ধ্বংস করা যায়।  আর এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কুকুর ও অর্জুন নামক চিল পাখিকে। শত্রুপক্ষের ড্রোন এদেশের সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করলে প্রথমে কুকুরটি ড্রোনের শব্দ শুনে সেনা জওয়ানদের সতর্ক করবে ও এরপর চিল ড্রোনটির অবস্থান জানাবে (Kite Bird)। জানা গিয়েছে, চিলের ব্যবহার করে শত্রুদের ড্রোন শিকার করতে এই ধরণের পাখিদের প্রথম ব্যবহার করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুন: ফের পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদক

    শত্রুপক্ষের ড্রোনের উৎপাত

    এই ধরনের পাখি নিরাপত্তা বাহিনীকে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতীয় এলাকায় আসা ড্রোনের মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে (Kite Bird)। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান থেকে আসা ড্রোন জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে মাদক, বন্দুক এবং অর্থের চালান করেছে। আবার গত ২৪ নভেম্বর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জম্মুর সাম্বা জেলায় একটি পাকিস্তানি ড্রোন দ্বারা ফেলে দেওয়া অস্ত্র এবং ভারতীয় মুদ্রার একটি চালান উদ্ধার করেছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শনিবার উত্তরাখণ্ডের আউলিতে ভারত-আমেরিকার যৌথ প্রশিক্ষণ অনুশীলন “Yudh Abhyas 22”-এর ১৮ তম এডিশন শুরু হয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সর্বোত্তম অনুশীলন, কৌশল এবং পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই যুদ্ধ অভ্যাস ২২ পরিচালনা করা হয়।   

  • Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুখতে হবে চিনা আগ্রাসন। তাই ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষিত করতে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে ৪৫০টি ট্যাঙ্ক ও ২২ হাজার সৈন্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Indian Defence Ministry)। ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে রয়েছে প্যাংগং সো লেক। সূত্রের খবর, এই লেকে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করতেই ভারতীয় আর্মির কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পূর্ব লাদাখের (Ladakh Border) দু জায়গায় দুটি নয়া ল্যান্ডিং ক্র্যাফটস বসানো হবে। এর ফলে চিনা সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো যাবে। মানুষ কিংবা জিনিস সীমান্ত পেরিয়ে যা-ই এদেশে আসুক না কেন, তা ধরা পড়বে। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই বাহিনীকে সে ব্যাপারের সতর্ক করে দেবে এই নয়া ব্যবস্থা। নয়া যে দুটি ক্র্যাফট বসানো হচ্ছে, সেগুলির প্রতিটি ৩৫ জন করে সেনা বহন করতে পারবে বলেও জানা গিয়েছে।

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা…

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়র ইন চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং বলেন, মরুভূমি সেক্টরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা ৩-ডি প্রিন্টেড স্থায়ী প্রতিরক্ষা নির্মাণে তৎপর হয়েছে। এই ব্যবস্থাগুলি পুরোপুরি পরীক্ষামূলক ছিল। তবে এই স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যে ছোট অস্ত্র থেকে টি-৯০ ট্যাঙ্কের মূল যে বন্দুক, সবগুলিকেই প্রতিরোধ করতে পারে। বিস্ফোরণের সময়ও কিছুই হবে না, অটল থাকবে। তিনি জানান, সব চেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এগুলি ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনও জায়গায় বসিয়ে দেওয়া যাবে। প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্যত্র সরিয়েও নিয়ে যাওয়া যাবে। তিনি জানান, পূর্ব লাদাখে ঠিক একই রকম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করা হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে।

    আরও পড়ুন: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    চিন সীমান্তে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের পরিকাঠামোর উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্র জানায়, বর্তমানে ভারতে রয়েছে এমন নটি টানেল। এর মধ্যে একটি প্রায় ২ হাজার ৫৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ বাইলেন টানেল। এছাড়া আরও ১১টি টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে চিন। ওই বছরই জুন মাসে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনা সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়। তার পরেও ওই এলাকায় চিনা সেনা ক্রমেই বাড়িয়েছে তাদের নিয়ন্ত্রণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Indian Army Recruitment: ট্রেনিং দিয়ে টেকনিক্যাল শাখায় অফিসার নিয়োগ হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে

    Indian Army Recruitment: ট্রেনিং দিয়ে টেকনিক্যাল শাখায় অফিসার নিয়োগ হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশিক্ষণ দিয়ে অফিসার নিয়োগ করা হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে (Indian Army)। টেকনিক্যাল শাখায় হবে এই নিয়োগ। যাঁরা আবেদন করবেন তাঁদের অবশ্যই জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন – ২০২২ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকতে হবে। দরখাস্ত করা যাবে, ১৫ থেকে ২৪ শে নভেম্বর অবধি www.joinindianarmy.nic.in এই ওয়েবসাইটে। বিশদ বিজ্ঞপ্তি কয়েকদিন পর প্রকাশিত হবে। প্রার্থীরা উপরোক্ত ওয়েবসাইট ফলো করুন নিয়মিত। এই ট্রেনিং শুরু হবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে।

    যোগ্যতা

    পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন, গণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর সহ উত্তীর্ণ হতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায়।  তার সাথে জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন-মেন ২০২২ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ থাকতে হবে।

  • Sukhoi: ব্রহ্মোস বহনে সুখোই-এর আধুনিকীকরণ করছে বায়ুসেনা! জানেন কী হবে এর প্রভাব?

    Sukhoi: ব্রহ্মোস বহনে সুখোই-এর আধুনিকীকরণ করছে বায়ুসেনা! জানেন কী হবে এর প্রভাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুশ নির্মিত মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট “সুখোই ৩০-এমকেআই” হল ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান স্তম্ভ। আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য এই বিমানের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য ৪০টি সুখোই-৩০ এম কে আই-এর আধুনিকীকরণ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ব্রহ্মোস ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। কিন্তু এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর আধুনিকীকরণও জরুরি। সেই পরিকল্পনা নিয়েই চলছে বায়ুসেনা

    আরও পড়ুন: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর বেশ কিছু অংশকে আরও শক্ত করতে হবে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এই কাজ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে করবে হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। ইতিমধ্যেই ৩৫ টি ফাইটার জেটের আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও ২০ থেকে ২৫ টি ফাইটার জেট  উন্নত করা হবে। বিশ্বের অন্যতম সেরা চতুর্থ প্রজন্মর যুদ্ধবিমান হল এই সুখোই-৩০। এর আধুনিকীকরণ করা হলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা এশিয়াতে এটি গেম চেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ওঠায় পূর্বতন শাসকদের দুষলেন মোদি

    প্রধানত এয়ার-টু-এয়ার সুপিরিওরিটি যুদ্ধবিমান হল সুখোই-৩০। অর্থাৎ, মাঝ-আকাশে ডগ-ফাইটে এই বিমানের জুড়ি মেলা ভার। এই বিমান শত্রুর কোনও সামরিক ঘাঁটি বা ভূমিতে থাকা কোনও লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। সুখোইয়ের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২ হাজার ১২০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ টেক-অফ লিফ্ট ৩৮ হাজার ৮০০ কেজি। বিভিন্ন ধরনের বম্ব, রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম সুখোই। মোট বহন ক্ষমতা প্রায় ৮ হাজার কেজি। দুই আসন বিশিষ্ট, দুই ইঞ্জিনের সুখোইতে রয়েছে একটি ৩০এমএম বন্দুক। মাঝারি পাল্লার গাইডেড এয়ার-টু-এয়ার, ইনফ্রারেড হোমিং স্বল্প পাল্লার মিসাইল সহ একাধিক ক্ষপণাস্ত্র বহন করতে পারে সুখোই। পারমাণবিক অস্ত্রবহন করতেও সক্ষম সুখোই-৩০। এবার এই বিমানে বিশ্বের একমাত্র সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের এয়ার-ভার্সান অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। একবার তা সম্পন্ন হলে, সুখোই-৩০ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Indian Army: আতঙ্কিত চিন! সীমান্তে আধুনিক ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন ভারতের

    Indian Army: আতঙ্কিত চিন! সীমান্তে আধুনিক ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোগরা -হটস্প্রিং থেকে দুদেশ সেনা সরালেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর মাঝেমাঝেই চক্কর কেটে চলেছে চিনা ফাইটার জেট (Chinese Fighter Jets)। সম্প্রতি একাধিকবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (Line of Actual Control) কাছে প্ররোচনা দিয়ে চলেছে চিনা ফৌজ। ভারতীয় প্রতিরক্ষা (Indian defence) ব্যবস্থাকে মাপার জন্য বরাবর সক্রিয় চিন (China)। এবার তারই পাল্টা দিল ভারত (India)। পাল্টা প্রতিরোধ-ব্যবস্থা হিসেবে চিন সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ সেনার ব্যাটেলিয়ন মজুত রাখা হচ্ছে।

    সক্রিয় রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনাও (Indian Air Force)। একেবারে সীমান্ত বরাবর যুদ্ধ বিমান ওড়াচ্ছে ভারত। তাতেই আতঙ্কিত চিন! ভারতীয় সেনার লাদাখ সেক্টরের মানোন্নয়ন নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। তাই বুধবারই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অনেকটা ঠিক হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিনের রাষ্ট্রদূত সান ওয়েডং। পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার ৭৫ বার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সবমিলিয়ে স্থিতাবস্থা রয়েছে সীমান্তে। আপৎকালীন পরিস্থিতি থেকে দুই দেশই বেরিয়ে এসেছে। দিল্লি অবশ্য এ বিষয়ে কোনও মত দেয়নি।

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা… 

    ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সীমান্ত বরাবর আধুনিক মানের উন্নত যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই মর্মে সেনার আর্টিলারি  ডিভিসনকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। পুরনো ও ভারী প্রকৃতির ফিল্ড গানের জায়গায় বসানো হচ্ছে আধুনিকতম, হাল্কা ফিল্ড বা আর্টিলারি গান। সেই তালিকায় রয়েছে ১৫৫মিমি/৫২ ক্যালিবার ট্র্যাকড্ সেল্ফ প্রোপেল্ড কে-৯ বজ্র-টি (K9 Vajra-T) গান, অতিরিক্ত ১৫৫মিমি/৪৫ ক্যালিবার ধনুষ (Dhanush) আর্টি গান, ১৫৫মিমি/৫২ ক্যালিবার অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) এবং আধুনিকীকরণ করা ফিল্ড গান সরঙ্গ (Sharang)।

    এর পাশাপাশি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হয়েছে অধিক পাল্লার পিনাকা রকেট সিস্টেমের সর্বাধুনিক সংস্করণ। রয়েছে অ্যারিয়াল ভেহিকলস, আধুনিক ড্রোন-সহ নানান সমরাস্ত্র। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সীমান্তের মধ্যে কিন্তু LAC-এর খুব কাছে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। আর তাতেই ঘুম উড়েছে চিনের। 

    আরও পড়ুন: ভারতে রকেট লঞ্চার তৈরি করবে স্যাব! কী বলছে সুইডেনের সংস্থা?

    আগেই দিল্লির তরফে জানানো হয়েছিল, ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় কিন্তু কোনওভাবেই আর শান্তি ভিক্ষা করা হবে না। আর কয়েকমাসের মধ্যেই শীত এসে যাবে। এই অবস্থায় ভারত এবং চিন দুই দেশই সীমান্তে পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নিয়েছে। এক আধিকারিক জানিয়েছে, ভারত সীমান্তের কাছে রাস্তা এবং অন্য পরিকাঠামো নির্মাণ করছে। শীঘ্রই ধনুষ রেজিমেন্ট ইতিমধ্যেই তৈরি, বলে সেনা সূত্রে খবর। যদিও আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত নয়া সেনাদল হয়ত বা শীতের পরই কসরত দেখাবে। উত্তর সীমান্তে চিনের গতিবিধির দিকে সবসময়ই নজর রয়েছে ভারতের। চিন যদি ভারতকে উপেক্ষা করে নিজেদের শক্ত করতে চায়, তাহলে সীমান্তে নিজেদের অধিকার বজায় রাখতে এতটুকু খামতি দেখাবে না দিল্লি, এমনই অভিমত কূটনীতিকদের।

LinkedIn
Share