Tag: Indian Army

Indian Army

  • Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে আরও এক সাফল্যের মুখ দেখল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry)। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Defence Research and Development Organisation) তৈরি অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (Anti Tank Guided Missile) পরীক্ষা সফল হয়। গত ২৯ জুন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আহমেদনগরের (Ahmednagar) কেকে রেঞ্জ থেকে ভারতীয় সেনারা এই মিসাইল ছুঁড়ে এর পরীক্ষা করে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, সফলভাবে যুদ্ধ ট্যাঙ্ক অর্জুন থেকে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ছুড়ে নজির গড়ল ডিআরডিও ও ভারতীয় সেনা। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এদিন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও ভারতীয় সেনাদের এই সাফল্যের জন্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র! উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, মিসাইলটি নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পেরেছে এবং যে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বকে টার্গেট করা হয়েছিল তা সফলভাবে পূরণ হয়। ফলে এই মিসাইলের টেস্ট ফায়ার সফল হয়।

    [tw]


    [/tw]

    DRDO-এর চেয়ারম্যান, ডঃ জি সতীশ রেড্ডি (Dr G Satheesh Reddy ) অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন এবং পরীক্ষায় জড়িত দলগুলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে লেজার গাইডেড অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলটি এমবিটি অর্জুন যুদ্ধ ট্যাঙ্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

    আরও পড়ুন:’পৃথ্বী-২’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল নৈশকালীন উৎক্ষেপণ ভারতের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নিম্ন রেঞ্জের লক্ষ্যগুলিকে নিক্ষেপ করতে সমস্যা হলেও অর্জুন ট্যাঙ্কের জন্য এই মিসাইলটি ছোঁড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটি যে সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ রেঞ্জের লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করতে সক্ষম তা এই টেস্ট- ফায়ারের মাধ্যমে জানা যায়।  এখানেই শেষ নয়, অল ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটিকে (ATGM) বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে যাতে সহজেই উৎক্ষেপণ করা যায় সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে এমবিটি অর্জুনের ১২০ মিমি রাইফেল বন্দুক থেকে এটিকে উৎক্ষেপণ করার জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।

     

  • Agniveer Recruitment Indian Army: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ভারতীয় সেনার, নিয়োগের প্রক্রিয়া কী? 

    Agniveer Recruitment Indian Army: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ভারতীয় সেনার, নিয়োগের প্রক্রিয়া কী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে যে, অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্পের আওতায় অগ্নিবীর (Agniveer) জেনারেল ডিউটি, অগ্নিবীর টেকনিক্যাল, অগ্নিবীর ক্লার্ক/স্টোর কিপার, অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান সহ অন্যান্য পদে নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণের কাজ জুলাই থেকে শুরু হতে চলেছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন। এই বিষয়ে আরও বিশদে জানতে প্রার্থীরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেন।  

    প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন শুরু হতে চলেছে আগামী জুলাই থেকে। প্রার্থীদের ARO দ্বারা সংশ্লিষ্ট পদের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অনলাইনেই আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। joinindianarmy.nic.in এই ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। ২০ জুন এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে আবেদনের প্রথম দিন কেমন সাড়া?

    কী যোগ্যতা লাগবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি পেতে

    বয়স: ১৭.৫-২৩ বছর 

    অগ্নিবীর জেনারেল ডিউটি- মোট ৪৫% নম্বর এবং প্রতি বিষয়ে ৩৩% নম্বর নিয়ে দশম শ্রেণি পাশ করতে হবে। 
    অগ্নিবীর টেকনিক্যাল- পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, অঙ্ক এবং ইংরেজিতে ৪০% নম্বর নিয়ে এবং মোট নম্বরে ৫০% পেয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হবে। 
    অগ্নিবীর ক্লার্ক- যেকোনও বিভাগে ৬০% নম্বর পেয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হবে। প্রতি বিষয়ে ৫০% নম্বর পাওয়া আবশ্যিক।   
    স্টোর কিপার- যেকোনও বিভাগে ৬০% নম্বর পেয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হবে। প্রতি বিষয়ে ৫০% নম্বর পাওয়া আবশ্যিক।
    অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান- দুটি ট্রেডসম্যান পদে অগ্নিবীরদের যথাক্রমে অষ্টম ও দশম শ্রেণি পাশ হতে হবে। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর বায়ুর রেজিস্ট্রেশন শুরু, কীভাবে করবেন আবেদন?

    নিয়োগ প্রক্রিয়া:

    ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট
    ফিজিক্যাল মেজারমেন্ট টেস্ট
    মেডিক্যাল টেস্ট
    লিখিত পরীক্ষা

    লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ভারতীয় সেনার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আলাদাভাবে কোনও প্রার্থীকে চিঠি পাঠানো হবে না। প্রার্থীকেই নিজে থেকে ওয়েবসাইটে নজর রাখতে হবে।

    জুলাই থেকেই আবেদন করতে পারবেন চাকরি প্রার্থীরা। কোনও প্রার্থী একাধিক ক্যাটাগরিতে আবেদন করলে তাঁর আবেদনপত্র বাতিল করা হবে।  

    প্রশিক্ষণের মেয়াদ সহ চার বছরের চাকরিতে সেনাদের নিয়োগ করা হবে। এই অগ্নিবীরদের আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫০-এর অধীনে নিয়োগ করা হবে এবং প্রার্থীরা স্থল, সমুদ্র বা আকাশপথে যেখানেই নির্দেশ দেওয়া হবে সেখানে যেতে বাধ্য থাকবেন। এই স্কিমের অধীনে নথিভুক্ত অগ্নিবীররা কোনও ধরনের পেনশন বা গ্র্যাচুইটি পাবেন না। 

    বেতন ১ম বছর- মাসিক ৩০,০০০ টাকা, ২য় বছর– মাসিক ৩৩,০০০ টাকা, ৩য় বছর- মাসিক ৩৬,৫০০ টাকা, ৪র্থ বছর- মাসিক ৪০,০০০ টাকা। চার বছর শেষে করবিহীন এককালীন ১১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। 

     
     

  • Manipur landslide: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    Manipur landslide: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা ধসে বিপর্যস্ত মণিপুর (Manipur)। এবার ধসের (Landslide) কবলে পড়ল টেরিটোরিয়াল আর্মির (Army) সদস্যরা। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। নামানো হয়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনী ও আসম রাইফেলের জওয়ানদের। এখনও পর্যন্ত দশজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এঁদের মধ্যে ৯ জন সেনা। একজন রেলের কর্মী। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জন সেনা বহিনীর কর্মী ও ৫ জন সাধারণ মানুষকে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪০ থেকতে ৫০ জন ধসে আটকে রয়েছে।

    এদিন নোনে জেলায় ধসের মুখে পড়ে ১০৭ টেরিটোরিয়াল আর্মির একটি ক্যাম্প। মৃত ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান,  ইম্ফল-জিরিবাম রেলওয়ে প্রজেক্টের কাজ চলছিল বলেই নিরাপত্তার জন্য সেখানে মোতায়েন ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার রাতে তুপুল ইয়ার্ড রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন ক্যাম্পের কাছে ধসের ঘটনাটি ঘটে। নিখোঁজ ৫০ জনের মধ্যে পাঁচ জন সাধারণ নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। ব্যাপক ধসে ইজেই নদীর একাংশ প্রায় রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। তার ফলে নিচু এলাকা বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা।

    আরও পড়ুন: ক্রিপ্টোকারেন্সি কতটা বিপজ্জনক? আমজনতাকে সতর্ক করল আরবিআই

    ধসের কারণে আটকে যায় অনেকে। কয়েকজনকে উদ্ধার করা গেলেও এখনও আটকে রয়েছেন প্রায় জনা পঞ্চাশেক মানুষ। আহতদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন নতুন করে ধস হয়। সেনা বাহিনীর এক কর্মকর্তার মতে, আবহাওয়াও খারাপ হওয়ার কারণে সাময়িকভাবে বেশ কিছুক্ষণ উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে আবহাওয়া ঠিক হলে ফের উদ্ধারকাজ শুরু হয় জানান তিনি। ঘটনাস্থলে রয়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনীর হেলিকপ্টার।

    পরিস্থিতি নিয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। টুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, মণিপুরের টুপুল রেলস্টেশনের কাছে ধসের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চলছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার অভিযানে নেমেছে। আরও দুটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। তিনি জানান, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। আরও দু’টি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছোচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং জরুরি বৈঠক ডেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। লোকজনকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নদীর কাছাকাছি না আসার এবং ধসের কারণে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মণিপুরের রাজ্যপাল।

    স্থানীয়দের মতে, বেশ কয়েকদিন ধরে মণিপুরে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। এই সময় ধসের প্রবণতা অনেকটাই বেশি থাকে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই পথ দিয়ে যানবাহন চলাচল।

  • Agnipath Recruitment: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা

    Agnipath Recruitment: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পে (Agnipath Scheme) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে, ভারতীয় সেনা (Indian Army) এবং ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। শুক্রবার থেকে সেনার এই দুই বিভাগে সেনা ও নাবিক পদে আবেদনের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন (Online Registration) শুরু হয়েছে।

    প্রথমবার দুটি ব্যাচে ৪০ হাজার অগ্নিবীর (Agniveer) নিয়োগ করবে ভারতীয় সেনা বাহিনী। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের প্রথম ব্যাচে ২৫ হাজার এবং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় ব্যাচে আরও ১৫ হাজার।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    যারা এখন অনলাইনে আবেদন করবেন, তাঁদের নিয়োগের পরবর্তী ধাপ অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু করবে ভারতীয় সেনা। প্রথম ব্যাচের কমবাইন্ড প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৬ অক্টোবর এবং ১৩ নভেম্বর। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের শেষেই ট্রেনিং শেষ করে কাজে যোগ দেবে প্রথম ব্যাচ। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

    শুক্রবার থেকে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছে নৌসেনাও। চলতি মাসের ১৫-৩০ তারিখের মধ্যেই খুলে যাবে অ্যাপ্লিকেশন উইন্ডো। লিখিত এবং শারীরিক পরীক্ষা নেওয়া হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই বছরেই ৩ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে নৌসেনা।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    ২৪ জুন থেকেই অগ্নিবীর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। এখন পর্যন্ত ৩ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন। বায়ুসেনায় আবেদন করা যাবে ৫ জুলাই অবধি। ২৪-৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইন পরীক্ষা নেবে ভারতীয় বায়ুসেনা। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রশিক্ষণের মেয়াদ সহ চার বছরের চাকরিতে সেনাদের নিয়োগ করা হবে। এই অগ্নিবীরদের আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫০-এর অধীনে নিয়োগ করা হবে এবং প্রার্থীরা স্থল, সমুদ্র বা আকাশপথে যেখানেই নির্দেশ দেওয়া হবে সেখানে যেতে বাধ্য থাকবেন। এই স্কিমের অধীনে নথিভুক্ত অগ্নিবীররা কোনও ধরনের পেনশন বা গ্র্যাচুইটি পাবেন না। 

    বেতন ১ম বছর – মাসিক ৩০,০০০ টাকা, ২য় বছর – মাসিক ৩৩,০০০ টাকা, ৩য় বছর – মাসিক ৩৬,৫০০ টাকা, ৪র্থ বছর – মাসিক ৪০,০০০ টাকা। চার বছর শেষে করবিহীন এককালীন ১১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হবে।  

     

  • Agnipath Scheme: পরিস্থিতি এমন হবে বুঝিনি! একথা কেন বললেন নৌসেনা প্রধান?

    Agnipath Scheme: পরিস্থিতি এমন হবে বুঝিনি! একথা কেন বললেন নৌসেনা প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ (Agnipath scheme) প্রকল্পের বিরোধিতায় দেশ জুড়ে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে ভাবতেই পারেননি, ভারতীয় নৌ সেনাবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার (Navy Chief R Hari Kumar)। হরি কুমার বলেন, ‘‘প্রকল্প নিয়ে এরকম প্রতিবাদ যে হতে পারে, তা আমি ভাবতে পারিনি ৷ আমরা প্রায় দেড় বছর ধরে এই প্রকল্পের উপর কাজ করেছি ৷ আমি অগ্নিপথ প্রকল্পের পরিকল্পনা দলের অংশ ছিলাম। এটি একটি পরিবর্তনশীল প্রকল্প। এর ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে (Indian Army) বিভিন্ন উপায়ে পরিবর্তন আসবে।’’ কিন্তু এই প্রকল্পের গুরুত্ব না বুঝে এর ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে বলে জানান নৌসেনা প্রধান।

    হরি কুমারের দাবি, এই প্রকল্প দেশের যুবকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। অগ্নিপথকে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য এবং ভুল ধারণার কারণেই দেশ জুড়ে এত প্রতিবাদ হচ্ছে বলেও তিনি মনে করছেন। তাঁর মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আগে যেখানে এক জন সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ পেতেন, এখন সেখানে চার জন সেই চাকরি করার সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: তারুণ্যে ভরপুর সেনা! অগ্নিপথ সঠিক দাবি কংগ্রেস নেতার

    অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী হরি কুমার। তিনি এই প্রকল্পকে, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর একক বৃহত্তম মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার রূপান্তর’ বলেও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি এই প্রকল্পকে ‘পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘এটা মেড-ইন-ইন্ডিয়া এবং মেড-ফর ইন্ডিয়া৷’’ তাঁর মতে এটি ভারতের নিজস্ব এবং ভারতের জন্য ৷ শান্তি ফেরানোর আর্জি জানিয়ে নৌপ্রধান বলেন, ‘‘আমি সবাইকে বলব, এভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন না করতে ৷ হিংসা বন্ধ করুন ৷ আগে এই প্রকল্পটা সবাইকে বুঝতে হবে ৷ শান্তি বজায় রাখুন ৷ দেশের সেবায় তরুণদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ৷’’

    প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণার পর থেকেই দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, তেলঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বহু রাজ্যে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বহু যুবক। বিপর্যস্ত জনজীবন। এই প্রকল্প অনুযায়ী, সাড়ে ১৭-২১ বছরের তরুণ-তরুণীরা চার বছরের জন্য মাসিক ৩০-৪৫ হাজার টাকার চুক্তির ভিত্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় (স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) যোগ দিতে পারবেন। 

  • VK Singh on Agnipath: “অগ্নিপথ পছন্দ না হলে সেনায় আসবেন না”, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    VK Singh on Agnipath: “অগ্নিপথ পছন্দ না হলে সেনায় আসবেন না”, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অগ্নিপথ‘ (Agnipath Recruitment) প্রকল্প পছন্দ না হলে ভারতীয় সেনায় (Indian Army) যোগদান করবেন না। বিক্ষোভকারীদের কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অগ্নিবীর নিয়োগ বিতর্ক প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিকে সিং (VK Singh) মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, “এটা কোনও দোকান বা সংস্থা নয়। যিনি সেনায় যোগ দেন, তিনি স্বেচ্ছায় যোগ দেন। ভারতীয় সেনা রোজগারের জায়গা নয়। যাঁদের ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প পছন্দ নয়, তাঁদের আসার দরকার নেই।”

    ভিকে সিং আরও বলেন, “যারা সেনায় আসতে চান, তাঁরাই আসেন। ভারত সরকার কাউকে সেনায় যোগদান করতে জোর করে না। কিন্তু এখানে চাকরি পেতে হলে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, নিয়ম মেনেই চাকরি পেতে হবে।” 

    আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম মহিলা নাবিক! অগ্নিপথ প্রকল্প দেখাচ্ছে পথ

    ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প ঘোষণার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাণ্ডব (Agnipath Protest) চলেছে। জ্বালানো হয়েছে ট্রেন, গাড়ি। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আপনাদের কে আসতে বলেছে সেনায়? আপনারা বাস এবং ট্রেন জ্বালিয়ে দিচ্ছেন। কেউ আপনাদের বলেছেন যে সেনায় আসতেই হবে? কোনও বাধ্যবাধকতা নেই তো।” 

    কিছুদিন আগেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) অগ্নিপথ প্রকল্পের নিন্দা করে বলেছিলেন, “এই প্রকল্প ভারতের যুবসমাজ তথা ভারতীয় সেনাকে ধ্বংস করে দেবে।” এই মন্তব্যের বিরোধীতা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধীকে ইডির জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে তাই কংগ্রেস ক্ষুব্ধ। তাই মোদির আমলের সব ভালো কাজের খুঁত বের করে ওরা প্রশ্ন তুলছে। যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে তারা। সরকারকে অপদস্ত করতে দেশে অশান্তির আগুন জ্বালাচ্ছে কংগ্রেস।”

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, পরীক্ষা জুলাইয়ে

    কিছুদিন আগেই সেনা বাহিনীতে নিয়োগের  জন্যে এক নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই প্রকল্পে চুক্তির ভিত্তিতে ১৭-২৩ বছর বয়সীদের নেওয়া হবে সেনাবাহিনীতে। চার বছর পরে ২৫%- কে স্থায়ী পদ দেওয়া হবে, বাকিদের করবিহীন এককালীন ভাতা দিয়ে অবসর দেওয়া হবে। অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে যারা চাকরি পাবেন, তাঁদের ‘অগ্নিবীর’ নামে ডাকা হবে।  

     

  • Assam Flood: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ

    Assam Flood: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে আসাম তথা সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation)। আসামে (Assam) বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪। গত ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশু-সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা গিয়েছেন দুই পুলিশ কর্মীও।  

    চলতি বছরে পর পর দুবার বন্যায় এবং বন্যার কারণে ধসে আসামে মোট ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাজালি, বক্সা, বরপেটা, কাছাড়-সহ ৩৩ টি জেলার বন্যা পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বরপেটার। ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে ৭৪৪ টি আশ্রয় শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মানুষ। 

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪  
     
    শুধু আসামেই বন্যার কারণে ৪২ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। কাছাড় জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। বরপেটায় মৃত্যু হয়েছে দুজনের। বাজালি, কামরূপ, করিমগঞ্জ, উদলগুড়িতে এক জন করে মৃত্যু হয়েছে। ডিব্রুগড়ের নৌকাডুবিতে চারজন এখনও নিখোঁজ। কাছাড়, হোজাই, তমুলপুর, উদলগুড়ি থেকেও এক জন করে নিখোঁজ।

    আরও পড়ুন: বন্যা বিধ্বস্ত আসাম, মৃত বেড়ে ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ লক্ষের বেশি  
     
    বন্যা দুর্গতদের উদ্ধার কাজে নেমেছে সেনা। ভারতীয় সেনার (Indian Army) এই উদ্ধার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গজরাজ’। ভারতীয় সেনার সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত মিলিয়েছে, আধা সেনা (Para Military), জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF) এবং দমকল বাহিনীও (Fire Brigade)। সূত্রের খবর, জলের তলায় রয়েছে ৫ হাজারেরও বেশি গ্রাম। শুধুমাত্র বরপেটা জেলার প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ গৃহহীন। এছাড়াও নওগাঁওয়ের প্রায় ৪ লক্ষ এবং দেলগুয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। অসমের ২৫টি জেলার ১০ লক্ষ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত ২৯ লক্ষ গবাদি পশু। এমনকী কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের বেশ কিছু অংশও রয়েছে জলের তলায়। বন্যা কবলিত লক্ষ লক্ষ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন আশ্রয় শিবিরে। অনেকের কাছেই এখনও পৌঁছনো যায়নি ত্রাণ।     

    উত্তর-পূর্ব ভারতজুড়ে (North-Eastern India) এই বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৭১ জন। এর মধ্যে রয়েছেন অরুণাচল প্রদেশের সম্ভবনাময় এক ১৬ বছরের বক্সার। ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।  

    কামরূপে নদীর জল শেষ বন্যার থেকে .৩৩ মিটার ওপর দিয়ে বইছে। এর আগে যখন সবচেয়ে বন্যা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছিল, তখন নদীএর জলের উচ্চতা ছিল ৬১.৭৯ মিটার। ব্রহ্মপুত্র, মধুরার জল বিপদ সীমার বেশ খানিকটা ওপর দিয়ে বইছে। এখনই কমছে না বৃষ্টিপাত, সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।  

     

  • Agnipath: অগ্নিপথ প্রকল্পে বায়ুসেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, সেনায় ডিসেম্বরে

    Agnipath: অগ্নিপথ প্রকল্পে বায়ুসেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, সেনায় ডিসেম্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:অগ্নিপথ’ (Agnipath) নিয়ে কালক্ষেপ করতে চাইছে না সরকার (government)। আগামী ২৪ জুন থেকেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে বায়ুসেনায় (Indian Air Force) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানালেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী। শুক্রবার, তিনি জানান, এই প্রকল্প দেশের যুবসমাজকে আরও বেশি করে দেশসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে। তাই সময় নষ্ট না করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়ে উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। নূন্যতম দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিয়ম শিথিল! অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বেড়ে ২৩

    সেনা প্রধান জেনারেল (Army Chief) মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande) এদিন ঘোষণা করেছেন, দিন-দুয়েকের মধ্যে সেনার ওয়েবসাইটে নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বাছাই প্রক্রিয়ার বিশদ তথ্য দেওয়া থাকবে সেখানে। সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তারা প্রথম দফার নিয়োগ সেরে ফেলতে চান। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ অগ্নিবীরেরা সেনাবাহিনীতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে শুরু করবেন। প্রসঙ্গত, অগ্নিপথে চার বছরের চুক্তির চাকরিতে প্রথম ছয় মাস প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

    আরও পড়ুন: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি

    গত মঙ্গলবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিন বিভাগের প্রধান অর্থাৎ জেনারেল মনোজ পান্ডে, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, এবং বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই অগ্নিপথ স্কিমের ঘোষণা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেনা প্রধানের মতে, ভারতীয় সেনায় এত বড় সংস্কার এর আগে কখনও হয়নি। চার বছরের চুক্তির চাকরি শেষে ৭৫ শতাংশকে সেনা থেকে অবসর দেওয়া হবে। পাকা চাকরির জন্য বিবেচিত হবেন বাকি ২৫ শতাংশ। প্রথম বছর ৪৬ হাজার পদে লোক নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

  • Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:অগ্নিপথ’ (Agnipath) প্রকল্পের মাধ্যমেই এবার থেকে জওয়ান নিয়োগ করা হবে সেনাবাহিনীতে (Indian Army)। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনায় নিয়োগের ক্ষেত্রে আধুনিক এই পন্থা অবলম্বন করতে চায় কেন্দ্র। 

    কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবেন, সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর বয়সি ছেলেরা। এই প্রকল্পে যাদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে, তাঁরা ‘অগ্নিবীর‘ (Agniveer) নামে পরিচিত হবেন। প্রতিবছর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টে যত শূণ্যপদ হবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রতিবছর নিয়োগ করা হবে।  প্রথম বছর নেওয়া হবে ৪০ হাজার যুবককে। প্রথম বছর তাঁরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা। চতুর্থ বছরে গিয়ে পাবেন ৪০ হাজার টাকা। আয়ের ৩০ শতাংশ তাঁরা জমাতে পারবেন। সম পরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ
     
    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, চার বছরের মেয়াদ শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২৫ শতাংশকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হবে। বাকি ৭৫ শতাংশকে দেওয়া হবে ১০-১১ লক্ষ টাকা করমুক্ত ভাতা।

    এক নজরে এই প্রকল্প সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক: 

    আরও পড়ুন: “Agnipath”: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    অগ্নিপথ প্রকল্পটি কী? 

    সশস্ত্র বাহিনীতে প্যান ইন্ডিয়ার চ্যুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া। যারা এই প্রকল্পে চাকরি পাবেন তাঁদের ‘অগ্নিবীর’ বলা হবে। পাহাড়, মরুভূমি, স্থল, বায়ু, সমুদ্র যেকোনও বিভাগের দায়িত্ব পেতে পারেন অগ্নিবীররা।

    মহিলারা এই পদে আবেদন করতে পারবেন? 

    এই মুহূর্তে না। কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। 

    এই চাকরির সময়সীমা কী?

    চারবছরের জন্যে নিয়োগ করা হবে এই অগ্নিবীরদের।

    কত বেতন পাবেন এই অগ্নিবীরেরা?

    শুরুতে বেতন হবে ৪.৭৬ লক্ষ। সময়ের সঙ্গে বেতন বাড়বে। শেষের বছরে ৬.৯২ লক্ষ অবধি বেতন পাওয়া যাবে।

    এই অগ্নিবীররা কী সশস্ত্রবাহিনীতে স্থায়ী চাকরি পেতে পারেন?

    চার বছর শেষে এই অগ্নিবীরদের মধ্যে ২৫%-কে স্থায়ীভাবে সশস্ত্রবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে এবং বাকিদের করমুক্ত ভাতা দিয়ে অবসর দেওয়া হবে।

    কীভাবে আবেদন করা যাবে এই চাকরিতে?

    এই ওয়েবসাইটগুলিতে কিছুদিন পর থেকে আবেদন করা যাবে।

    joinindianarmy.nic.in
    joinindiannavy.gov.in
    careerindianairforce.cdac.in

    ট্রেনিং-এ কী কী বিষয় রয়েছে?

    সাধারণ সশস্ত্র বাহিনীর ট্রেনিং-এর সাথে অগ্নিবীরদের আংশিক মিলিটারি ট্রেনিং-ও দেওয়া হবে। 

    কখন আবেদন করা যাবে?

    মঙ্গলবারই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে আবেদনের প্রক্রিয়া। 

     

  • India-China: প্যাংগং লেকের উপর হেলিকপ্টার নিয়ে সামরিক মহড়া চিনের! কী ভাবছে বেজিং

    India-China: প্যাংগং লেকের উপর হেলিকপ্টার নিয়ে সামরিক মহড়া চিনের! কী ভাবছে বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব লাদাখে (East Ladakh) অব্য়াহত চিনা উস্কানি। গত মাসেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (Line of Actual Control) কাছে যুদ্ধ বিমান (Fighter Aircraft) উড়িয়েছে লালফৌজ (Red Army)। এই আবহেই সামরিক স্তরে ১৬ রাউন্ডের বৈঠকে মুখোমুখি হয়েছে ভারত (India) ও চিন (China)। সেই বৈঠকের এক সপ্তাহই পেরোয়নি আবার প্যাংগং লেকের উপর হেলিকপ্টার নিয়ে সামরিক মহড়া চালাল চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)।

    চিনের সংবাদ মাধ্যমে এই সেনা মহড়ার একটি ৩৩ সেকেণ্ডের ভিডিও দেখানো হয়। ভিডিওয় দেখা যায়, বিশ্বের সর্বোচ্চ লবণাক্ত জলের হ্রদ প্যাংগংয়ের উপর চিনা ফৌজের জিনজিয়াং শাখার কমান্ডাররা মহড়া চালাচ্ছে। জেড-১০ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারগুলি এই প্রথমবার সামরিক মহড়ায় যোগ দিয়েছে। আগে এই হেলিকপ্টারগুলি শুধু সেনা নিয়ে নানা প্রান্তে যাতায়াত করত।

    ভারতচিন (India China Relation) সম্পর্ক বরাবরই নাতিশীতোষ্ণ। পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণরেখার (LAC) কাছে উত্তেজনা কমাতে  সেনাস্তরের ১৬তম বৈঠকেও স্থায়ী সমাধানসূত্রে পৌঁছতে পারেনি দুই দেশ। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফেরাতে ঐক্যমত ভারতীয় এবং চিনা সেনা। বিবৃতিতে ভারত-চিনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সমস্যা মেটাতে দুই দেশই উদ্যোগী। পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্র খুঁজতে দু’পক্ষই সামরিক ও কূটনৈতিক ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রসর হবে। কিন্তু সেই বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই চিনা ফৌজের এই পদক্ষেপ ভালভাবে নিচ্ছে না দিল্লি।

    আরও পড়ুন: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সেনা অবস্থান নিয়ে যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা দুই বছর কাটার পরও মেটেনি। এর আগেও একাধিকবার সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনায় বসেছিল ভারত ও চিন। কিন্তু বৈঠকের পরই চিনের তরফে উল্টো ছবি ধরা পড়েছে। লাদাখের ডেমচক, গোগরা, দেপ সাং-সহ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার আশেপাশে যেসমস্ত জায়গায় এখনও চিনা সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেখান থেকে দ্রুত সেনা সরানোর জন্য ভারতীয় সেনার তরফে চিনকে চাপ দেওয়া হয়। যদিও চিন কোনওভাবেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে হাঁটতে চায়নি। তবে ভারতও যে আর চিনের কাছে শান্তি ভিক্ষা করবে না তা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় সেনা প্রধান। নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনা যুদ্ধবিমানের কার্যকলাপ নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরি (Air Chief Marshal VR Chaudhari)। চিনা যুদ্ধবিমান ভারতের সীমায় এলেই, তার যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

LinkedIn
Share