Tag: Indian Army

Indian Army

  • Wayanad Landslide: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    Wayanad Landslide: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি ওয়েনাড়ের পরিস্থিতি। ভয়াবহ ভূমি ধসে (Wayanad Landslide) প্রাণহানি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। কাদা ও বালির স্তূপ থেকে একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে৷ তবে বৃষ্টি মাথায় নিয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেনা জওয়ানরা (Indian Army)। এবার দুর্গতদের উদ্ধার করতে মানবসেতু তৈরি করলেন তাঁরা। কোলে করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিলেন শিশুদের।  

    সেনাবাহিনীর উদ্ধারকাজের ভিডিও প্রকাশ্যে

    কাদা আর বালির স্তূপ ঘেঁটে ঘেঁটে এখনও প্রাণের খোঁজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। সম্প্রতি ওয়েনাড়ে (Wayanad Landslide) সেনাবাহিনীর উদ্ধারকাজের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, কীভাবে হাতে হাত ধরে মানবসেতু তৈরি করেছেন জওয়ানেরা (Indian Army)। ওয়েনাড়ের চূড়ামালা গ্রামে এই মানবসেতু তৈরি করেছিলেন জওয়ানরা।

    প্রবল স্রোতে বইছে নদী। তার উপরে দুদিকের স্থলভাগে দড়ি টাঙিয়ে কোনও রকমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষকে। মাঝে সেনা জওয়ানেরা দুহাত বিছিয়ে দড়ি ধরে সংযোগ রক্ষার চেষ্টা করছেন। শিশুদের কোলে তুলে নিরাপদ স্থানে তাঁদের পৌঁছে দিচ্ছেন জাওয়ানরা। ১২ জন জওয়ান মিলে এই মানবসেতু তৈরি করেছিলেন ওই গ্রামে।

    মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫০-র গণ্ডি

    এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Wayanad Landslide) এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫০-র গণ্ডি। ২০০ জনেরও বেশি আহত গ্রামবাসীকে উদ্ধার করেছে এনডিআরএফ৷ তাঁদের চিকিৎসাও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ এখনও পর্যন্ত ৩,০০০ জনেরও বেশি লোককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন উদ্ধারকারীরা৷ উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারও। যাঁরা বেঁচে গিয়েছেন, তাঁরা এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ইট, কাঠ বালি, কাদা সরিয়ে স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে কেরলের ওয়েনাড়ে ধস, মৃত্যু ৮০ পার! চাপা পড়ে শতাধিক

    তবে এখনই শেষ হচ্ছে না এলাকাবাসীর দুর্ভোগ (Wayanad Landslide)। আবহাওয়া দফতরের তরফে ওয়েনাড় এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে ‘কমলা’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১ অগাস্ট ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এই সব স্থানে। আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, ২ অগাস্টও ওয়েনাড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন করে আবার চিন্তার ভাঁজ পড়ছে সকলের কপালে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সেনার ওপর হামলায় (Terrorist Attack) জড়িত তিন জঙ্গির ছবি প্রকাশ করল পুলিশ। প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার স্কেচ প্রকাশ করে পুলিশ জানিয়েছে, “ডোডা এবং ডেসরা এলাকায় এই তিনজন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। জঙ্গির কার্যকলাপের এই তিনজনই যুক্ত ছিল।” পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়দের কাছে ওই জঙ্গিদের ছবি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজ নেওয়ার জন্য একটি ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    উর্দু ও পস্তো জানে জঙ্গিরা (Kupwara Encounter)

    জানা গিয়েছে জঙ্গিরা উর্দু এবং পাস্তো ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকা থেকে এই জঙ্গিদের নিয়োগ করা হয়েছে। জঙ্গিরা “জৈশ-এ-মোহাম্মদের” সঙ্গে যুক্ত। পাকিস্তানের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের হ্যান্ডেলারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তাঁদের অবস্থান যাতে চিহ্নিত না করতে পারে সেনা এবং পুলিশ, সেই কারণে নিজেদের ফোন ব্যবহার না করে অনেক ক্ষেত্রে জঙ্গিরা স্থানীয় বাসিন্দাদের ফোন এবং পাকিস্তানে যোগাযোগের জন্য হটস্পট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে।

    সেনার উপর ফের হামলা (Terrorist Attack)

    এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা (Kupwara Encounter) জেলার কুমকাডি ছাউনি লক্ষ্য করে পাক জঙ্গি ও সীমান্ত বাহিনীর যৌথ হামলায় (Terrorist Attack) এক ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে। মেজর পর্যায়ের পদমর্যাদার এক অফিসার সহ আরও চারজন সেনা পাকিস্তানের দিক থেকে ছুটে আসা গুলিতে আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে একজন পাক জঙ্গিও খতম হয়েছে বলে সেনা সুত্রে খবর। ইতিমধ্যেই সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের খতম করতে অপারেশন সর্পবিনাশ শুরু করেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক পাকিস্তান-খালিস্তানিদের! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলঘেরা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, এমনই খবর পেয়েছে সেনাবাহিনী। এমতাবস্থায় পাকিস্তানকে তাঁদের ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্গিল বিজয় দিবসের পরের দিনই নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হল কাশ্মীর উপত্যকায় (Jammu Kashmir)। শনিবার কুপওয়ারার (Kupwara) কামকারি এলাকায় নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এক মেজর-সহ পাঁচ সেনা। ভারতীয় জওয়ানদের পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির। 

    কী ঘটেছিল

    সেনা সূত্রে খবর, শনিবার ভোরে এলওসি-তে ওই হামলার (Jammu Kashmir) ঘটনায় পাক সেনার নর্দার্ন লাইট ইনফ্যান্ট্রি এবং জঙ্গিদের যৌথবাহিনী ‘বর্ডার অ্যাকশন টিম’ (ব্যাট) জড়িত। শুক্রবার ওই এলাকায় জঙ্গিদের গতিবিধির ‘খবর’ এসেছিল। তারই ভিত্তিতে অভিযানে নেমে হামলার মুখোমুখি হয় সেনা।

    ব্যাট কি

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা এই বাহিনীর সাহায্যেই উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে। এখন জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ভৌগোলিক অবস্থান জানার জন্য অত্যাধুনিক জিপিএস ব্যবহার করছে। তাদের মোকাবিলায় সেনাও উন্নততর প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে।

    পরপর সংঘর্ষ

    শুক্রবার কার্গিল বিজয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী নেরন্দ্র মোদি জঙ্গিদমনে আরও কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ঠিক তার পরের দিনই উপত্যকায় জঙ্গি হামলা (Kupwara)। এর আগে গত ২৪ জুলাই লোলাব এলাকায় অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এক সেনার মৃত্যু হয়েছিল। সেনার তরফে জানানো হয়, ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি এখন কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Army: ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    Indian Army: ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় (Indian Army) সেনাবাহিনীর জন্য মোবাইল পরিষেবা সুনিশ্চিত করা হল। ২৬ জুলাই ২০২৪ কার্গিল বিজয় দিবসের (Kargil Vijay Diwas) বিশেষ দিনে টেলিকম বিভাগের তরফে সামাজিক মাধ্যমে বরফের চাদর মোড়া পাহাড়ের উপর এক সেনা জওয়ানের ছবি পোস্ট করা হয়। এই পোস্টে লেখা ছিল, “কার্গিলে আমাদের সেনাদের জন্য মোবাইল পরিষেবা সুনিশ্চিত করা হল। এই পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায়।”

    ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল নেটওয়ার্ক (Indian Army)

    ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) শেষ ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে এই দিনটিকে কার্গিল বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কার্গিল এবং আশপাশের পাহাড়ে পাকিস্তানি সেনাকে মেরে তাড়িয়ে দেওয়ার সেই উপলব্ধিকে প্রত্যেক বছর ভারত সরকার ধুমধাম করে পালন করে। এই যুদ্ধে ৫২৮ জন (Indian Army) জওয়ান নিজের জীবনের বলিদান দিয়েছিলেন। তাঁদের স্মৃতিতে সারা ভারত জুড়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবার সেনার বলিদান স্মরণ করে তাঁদের একটু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা করেছে টেলিকম বিভাগ। যে সময় যুদ্ধ হয়েছিল তখন এই অঞ্চলের মোবাইল পরিষেবা তো দূর অস্ত টেলিফোন পরিষেবাও ছিল না। যোগাযোগের জন্য স্যাটেলাইট ফোন এবং সেনার নিজস্ব কিছু পদ্ধতির উপরে ভরসা করতে হত। কিন্তু এখন সারা বছর এই অঞ্চলে যারা মাইনাস তাপমাত্রায় তাদের কর্তব্য পালন করে, তাঁদের স্বাভাবিক জীবনের কিছু সুবিধা দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সেনা জওয়ানরা সহজে পরিবারের সঙ্গে শুধু কথা বলতে পারবে। এমনকি তাঁদের কাজের ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে।

    সেনাকে উপহার

    অন্যদিকে কার্গিল বিজয় দিবসকে (Kargil Vijay Diwas) একটু আরও বিশেষ করার উদ্দেশ্যে শিল্পপতি আনন্দ মহিন্দ্রার উদ্যোগে (Indian Army) সেনাবাহিনীকে উপহার পাঠানো হয়। শিল্পপতি নিজেই একটি ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে আপলোড করে লিখেছেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর তরফে এই উপহার পাঠানো হয়েছে। ভারতবাসী শুধু সেনাকে ধন্যবাদ জানাতে চায়, এমন নয়। সেনাকে তাঁরা পরিবারের সদস্য মনে করে। কারণ তাঁরা নিজেদের জীবন বাজিয়ে রেখে আমাদের জীবন বাঁচান।”

    কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপট (Kargil War)

    কার্গিল যুদ্ধ ১৯৯৯ সালে মে মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত হয়েছিল। এটি শুরু হয়েছিল যখন শীতের সময় বরফের চাদরের আড়ালে পাকিস্তানি সৈন্য ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করেছিল। তাঁরা নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) ভারতীয় দিকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে। দখল করা এলাকা পুনরুদ্ধারের জন্য ভারতীয় সামরিক বাহিনী (Indian Army) ‘অপারেশন বিজয়’ শুরু করেছিল।

    আরও পড়ূন: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    ভারতীয় বাহিনী অনুপ্রবেশকারী পাকিস্তানীদের পিছু হটিয়ে যুদ্ধে (Kargil Vijay Diwas) জয়ী হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অনুপ্রবেশ করেছে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি জঙ্গি। সেই কারণেই আরও আঁটসাঁট করা হল ভূস্বর্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর (Indian Army), প্রায় ৫০০ প্যারা স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। এলাকায় অশান্তির ছক কষেছে তারা। এদেরই দমন করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ওই কমান্ডোদের।

    গোয়েন্দা তৎপরতা তুঙ্গে (Jammu And Kashmir)

    অভিযান চালানোর আগে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। এই অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দাদের তৎপরতাও। এই জঙ্গিদের কারা সাহায্য করছে, কোথা থেকেই বা রসদ জোগাড় করছে, সেসবও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। ভারতীয় সেনার তরফে টহলদারির জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে রয়েছেন সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার দক্ষ সেনা। জঙ্গি দমনের ছকও কষে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    জঙ্গি মোকাবিলায় গুচ্ছ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ও উন্নত কমিউনিকেশন ডিভাইস রয়েছে এই জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতে চলে এসেছে আফগানিস্তানে নেটো ও মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক সব অস্ত্র (Jammu And Kashmir)। জঙ্গিদের সেই অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এদের মোকাবিলায় তাই মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষ সেনা। এই এলাকায় সন্ত্রাস-বিরোধী পরিকাঠামোও সম্প্রতি গড়ে তুলেছে ভারতীয় সেনা। যাতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়ন – রোমিও এবং ডেল্টা ফোর্স। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন রেগুলার ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিয়ে সেই উন্নয়ন যজ্ঞই ব্যাহত করতে চাইছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় পাক সরকার। এতে লাভ হয় দু’দিক থেকে। এক, ‘হা-ভাতে’র দেশ পাকিস্তানে অনায়াসেই মেলে জঙ্গি হওয়ার জন্য তাজা রক্ত। আর দুই, ‘যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা’ চালিয়ে গেলে দেশে বয়ে যায় দেশপ্রেমের বন্যা। তখন আর অনাহার-অপুষ্টি নিয়ে (Indian Army) বিশেষ মাথা ঘামায় না কেউ। তাই ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) নিরন্তর জ্বলতে থাকে অশান্তির গনগনে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ২৭ বছর। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বি-টেক পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোনও মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে সহজেই কাজ করতে পারতেন দার্জিলিঙের (Darjeeling) ছেলে ব্রিজেশ থাপা (Brijesh Thapa)। কিন্তু ছোট থেকেই সেনার পোশাক তাঁকে টানত। বাবা ভারতীয় সেনার কর্নেল। ছোট বেলা থেকেই ‘জয় হিন্দ’ ছিল ব্রিজেশের মন্ত্র। সেই মন্ত্র জপ করতে করতেই সোমবার সন্ধ্যায় কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডা জেলায় (Doda Encounter) জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ। হঠাতই গুলির পর গুলি, ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। শহিদ হয়ে গেলেন বাংলার ছেলে। শহিদের রক্তে চোখে জল পড়তে নেই তাই মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়েও বাড়ির বাইরে থমথমে, উদাস ব্রিজেশের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ভুবনেশ থাপা। বললেন, ‘‘কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে।”

    ব্রিজেশের স্মৃতিচারণায় বাবা ভুবনেশ

    ব্রিজেশের জন্ম দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ে। সেখানেই প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। কিন্তু ভুবনেশকে কর্মসূত্রে যেতে হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাই তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যেতে হয়েছে পরিবারকেও। ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন কর্নেল ভুবনেশ। তার পর তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ্ সার্ভিস স্কিমে কাজ করেন। বাবা-মা ছাড়াও ব্রিজেশের এক দিদিও রয়েছেন। বর্তমানে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনা করতে অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন নিকিতা থাপা। স্কুল জীবনের পড়াশোনা শেষ করে মুম্বইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ব্রিজেশ। সেখান থেকে বি-টেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন তিনি। ২০১৮ সালে ব্রিজেশ ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তারপর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি হন। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    ব্রিজেশকে শ্রদ্ধা

    সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাড়িতে ব্রিজেশের শহিদ (Doda Encounter) হওয়ার খবর এসে পৌঁছেছে। বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হবে। এর পর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হবে লেবংয়ে তাঁর বাড়িতে। সেখানে রয়েছেন ব্রিজেশের মা নীলিমা। দেশ মা-য়ের জন্য ব্রিজেশ বলিদান দিলেও মঙ্গলবার থেকে সারা জীবন পুত্র হারানোর যন্ত্রণা নিয়েই যে বাঁচতে হবে নীলিমাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তল্লাশি অভিযানের সময় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে শহিদ চার সেনা জওয়ান। এক মেজর সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে কাশ্মীরের ডোডায় (Doda)। সূত্রের খবর, সোমবার জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ডোডা ও দেসায় যৌথভাবে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা ও কাশ্মীর পুলিশ। জঙ্গিদের সন্ধান চালানোর সময়ই শুরু হয় দু পক্ষের গুলির লড়াই। শহিদ জওয়ানদের মধ্যে একজন অফিসারও আছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু-কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই কারণে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি দমনে অভিযান (Jammu-Kashmir)

    সোমবার রাতে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডায় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় ভারতীয় সেনার। সঙ্গে ছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। দুই পক্ষের লড়াইয়ে অনন্ত চার জন জওয়ান এবং এক জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। তাঁদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় জওয়ানদের। ভারতীয় সেনার সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) যৌথ ভাবে সোমবার সন্ধ্যায় ডোডা জেলার (Doda) দেসা জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়েই এই অভিযান চালানো হয়। ওই এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর ছিল। ভারতীয় সেনার তরফে এক্স মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ জঙ্গিদের উপস্থিতির খোঁজ পায় সেনা জওয়ানরা। এরপরই শুরু হয় ব্যাপক গুলির লড়াই।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    সন্ত্রাস রুখতে কঠোর পদক্ষেপ (Jammu-Kashmir)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অন্তত ৬০ জন জঙ্গির উপস্থিতি রয়েছে কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir)। অন্তত ১০ জেলায় ছড়িয়েছে আতঙ্কের ছায়া। এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর দুবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটল ভূস্বর্গে। গত সপ্তাহেই কাঠুয়ায় পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু হয়। তারপর সোমবার ফের হামলার ঘটনা ঘটল ডোডায় (Doda)। কখনও সেনা কনভয়ে, কখনও আবার সেনাগাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে গোলাগুলি। জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। সকালের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ বা সেনার তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে ‘জিরো টেরর’ পরিকল্পনার মাধ্যমে যেভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদকে নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে, ঠিক সেই কাজটাই চালানো হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অল-আউট যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Captain Anshuman Singh: সেনার নমিনি নিয়মে বদলের আর্জি ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর বাবা-মার

    Captain Anshuman Singh: সেনার নমিনি নিয়মে বদলের আর্জি ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর বাবা-মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনাবাহিনীর এনওকে বা নমিনি (Next Of Kin Rule) নিয়ম পরিবর্তনের আর্জি জানালেন অকাল প্রয়াত সেনা ক্যাপ্টেন অংশুমান সিংয়ের (Captain Anshuman Singh) বাবা-মা৷ গত বছর সিয়াচেনে এক অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সেনা বাহিনীর ক্যাপ্টেন অংশুমান। সম্প্রতি মরণোত্তর কীর্তি চক্রে সম্মানিত করা হয় তাঁকে।

    নমিনি নিয়মে বদলের দাবি (Next Of Kin Rule) 

    সম্প্রতি  নিহত ক্যাপ্টেনের (Captain Anshuman Singh) বাবা রবি প্রতাপ সিং এবং মা মঞ্জু সিং বলেন, “আমরা চাই সরকার সেনার নমিনির নিয়মগুলি (Next Of Kin Rule) পুনর্বিবেচনা করুক। এর ফলে নিহত সেনার অভিভাবকদের কষ্ট করতে হবে না।” তাঁদের কথায়, একজন সৈনিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরবর্তী উত্তরাধিকার হিসেবে যে মানদণ্ড রয়েছে তা পরিবর্তন করা জরুরি। তাঁরা জানান, অংশুমান নিহত হওয়ার মাত্র পাঁচ মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের পর অংশুমানের সবকিছু তাঁর স্ত্রীকে নমিনি করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে অংশুমানের স্ত্রী তাঁর শ্বশুরবাড়িতে থাকেন না। অংশুমানের বাবা-মা থাকেন লখনউয়ে। শহিদ সেনা ক্যাপ্টেনের বাবা-মায়ের কথায়, “বৌমা আমাদের সঙ্গে থাকেন না। ছেলের মৃত্যুর পরে উত্তরাধিকারের সব সুবিধা সে পায়। আমাদের কাছে ছেলের শুধুমাত্র একটি ছবি আছে। আমরা প্রতিদিন তাতে মালা দিই, আর সব যন্ত্রণা বুকে চেপে রাখি। অংশুমানের সেই ছবিই আমাদের সম্বল।”

    এনওকে বা নমিনির নিয়ম (Next Of Kin Rule) 

    নিয়ম অনুযায়ী, যখন একজন অফিসার সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন, তখন তাঁর পিতামাতা বা অভিভাবকদের নাম নমিনি (Next Of Kin Rule)  হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়। যখন সেই অফিসার বিয়ে করেন, তখন ব্যক্তির স্ত্রীর নাম পিতামাতার পরিবর্তে ব্যক্তির নিকটাত্মীয় হিসাবে রেকর্ড করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিসার চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে তাঁর উত্তরাধিকার হিসেবে সমস্ত সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন ওই নমিনি।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    অংশুমানের সঙ্গে কী ঘটেছিল (Captain Anshuman Singh)

    ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই, সিয়াচেন হিমবাহের কাছে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পে বিধ্বংসী আগুন লাগে। নিজের জীবন বাজি রেখে সহকর্মীদের বাঁচাতে আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়েন ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং (Captain Anshuman Singh)। সহকর্মীদের বাঁচাতে পারলেও, নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি ক্যাপ্টেন। অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। চলতি বছরেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ক্যাপ্টেন অংশুমানকে মরণোত্তর কীর্তি চক্রে সম্মানিত করা হয়। এখন সরকারের কাছে নিহত ক্যাপ্টেনের বাবা-মায়ের একটাই দাবি, স্ত্রীর পাশাপাশি বাবা-মাকেও সেই সুবিধা দেওয়া উচিত। নিহতের উপর যাঁরা যাঁরা নির্ভরশীল তাঁদের মধ্যে নমিনির অর্থ ভাগ করে দেওয়া জরুরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অব্যাহত সেনা জওয়ানদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই। গুলির লড়াইয়ে খতম করা গিয়েছে ৪ জঙ্গিকে (Terrorists Shot Dead)। অন্যদিকে শহিদ হয়েছেন দুই জওয়ান। আরও চার জঙ্গির সন্ধানে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। কুলগামে জঙ্গিদের উপস্থিতি নিয়ে আগেই খবর ছিল সেনার কাছে। সেই মতোই শনিবার একদম সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সেই তল্লাশি চলাকালীন শুরু হয় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই।

    কুলগাম জেলার মদেরগাম গ্রামে লুকিয়েছিল জঙ্গিরা (Jammu And Kashmir)

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলগাম জেলার মদেরগাম নামের গ্রামে যৌথ তল্লাশি অভিযান করে সিআরপিএফ জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ। গ্রামে ঢুকতেই সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক গুলি বর্ষণ করতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরাও। তবে সেই গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ড্রোনের ফুটেজে দেখা যায় জঙ্গিদের দেহ

    অপরদিকে, কুলগ্রামেরই ফ্রিসাল এলাকা থেকে একটি ড্রোনের ফুটেজ হাতে আসে জওয়ানদের। সেই ফুটেজ থেকেই দেখা যায় চার জঙ্গির দেহ পড়ে রয়েছে মাটিতে। আরও একজন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তবে এত গুলিবর্ষণের মধ্যে ওই জঙ্গিদের দেহ (Terrorists Shot Dead) উদ্ধার করা যায়নি বলেই জানানো হয়েছে। সেনা বাহিনীর অনুমান (Jammu And Kashmir) এলাকায় আরও কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে রয়েছে। তাদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে। প্রসঙ্গত, এর আগে জুন মাসে একাধিকবার হামলা হয়েছিল কাশ্মীরে। প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনও হামলা হয়েছিল, সেই ঘটনায় পুণ্যার্থীদের বাসের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তার কয়েকদিনের (Jammu And Kashmir) মাথাতেই জোড়া হামলা হয়। কাঠুয়া এবং দোদা জেলায় ওই হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন সাধারণ নাগরিকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chiefs Of Army Navy: বিরল নজির, ভারতের দুই বাহিনীর প্রধান দুই সহপাঠী  

    Chiefs Of Army Navy: বিরল নজির, ভারতের দুই বাহিনীর প্রধান দুই সহপাঠী  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে তাঁরা ছিলেন সহপাঠী। বর্তমানে তাঁরা হতে চলেছেন দুই বাহিনীর প্রধান (Chiefs Of Army Navy)। বেনজির এই ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন তামাম ভারতবাসী। সেনা প্রধান পদে মনোনীত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং নৌসেনা প্রধান পদে ইতিমধ্যেই দায়িত্ব নিয়েছেন অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী।

    দুই সহপাঠী দ্বিবেদী ও ত্রিপাঠী

    মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সৈনিক স্কুলের ছাত্র ছিলেন উপেন্দ্র ও দীনেশ। পঞ্চম শ্রেণির এই দুই পড়ুয়ার সেকশনও ছিল একই – এ। রোল নম্বরও ছিল কাছাকাছি। দ্বিবেদীর ছিল ৯৩১, আর ত্রিপাঠীর ছিল ৯৩৮। স্কুলজীবন থেকেই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে দু’জনের। সেই বন্ধুত্ব আজও অটুট। দু’জনে দুই বাহিনীতে যোগ দিলেও, যোগাযোগ রয়েছে নিয়মিত (Chiefs Of Army Navy)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র এ ভারত ভূষণ বাবু লিখেছেন, “…দুজন এমন কৃতী পড়ুয়া, যাঁরা পঞ্চাশ বছর পর নিজেদের বাহিনীকে নেতৃত্ব দেবেন, তাঁদের তৈরি করার এমন বিরল কৃতিত্বের অধিকারী মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার সৈনিক স্কুল।”

    দ্বিবেদীর অভিজ্ঞতার ঝুলিতে কী রয়েছে জানেন?

    তবে ত্রিপাঠী নৌসেনা প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন পয়লা মে। দ্বিবেদী এখনও দায়িত্ব নেননি। তিনি দায়িত্ব নেবেন পয়লা জুলাই, সোমবার। ঘটনাচক্রে, তাঁর জন্মদিনও পয়লা জুলাই। নর্দান আর্মি কমান্ডার হিসেবে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে দ্বিবেদীর। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘স্ট্যান্ড অফে’র সময় সেনার যে গতিবিধি চলছিল, তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাও রয়েছে দ্বিবেদীর ঝুলিতে। ১৯৮৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনার জম্মু-কাশ্মীর রাইফেলসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দ্বিবেদীকে। সেই তিনিই এবার হতে যাচ্ছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান। দ্বিবেদী হবেন সেনাবাহিনীর ৩০তম প্রধান। এমন একটা সময় বাহিনীর দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি, যখন বাহিনীতে চলেছে আধুনিকীকরণের কাজ।

    আর পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    রেওয়ায় সৈনিক স্কুলের পাঠ শেষে দ্বিবেদী ভর্তি হন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে। পরে যান ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজে। ডিএসএসসি ওয়েলিংটন এবং এমহাউয়ের আর্মি ওয়ার কলেজের ডিগ্রিও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। রাত পোহালে সেই তিনিই হবেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান (Chiefs Of Army Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share