Tag: Indian Army

Indian Army

  • Kedarnath: এবারেও সেনাদের সঙ্গে দীপাবলী কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,দর্শন করবেন কেদার ও বদ্রীধাম

    Kedarnath: এবারেও সেনাদের সঙ্গে দীপাবলী কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,দর্শন করবেন কেদার ও বদ্রীধাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরের মতো এবারেও দীপাবলীতে ভারতীয় সেনার সঙ্গে উৎসবে মাতবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রী হবার পর থেকেই দেশের সুরক্ষায় নিয়োজিত ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে গত আট বছর ধরে দীপাবলী কাটিয়ে আসছেন।তার আগে পৌঁছে যাবেন কেদারনাথ (Kedarnath) ও বদ্রীনাথ  (Badrinath) তীর্থ দর্শনে।কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রীর কেদারনাথ (Kedarnath)  ও বদ্রীনাথ যাওয়ার খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু এর আগে প্রধানমন্ত্রী দফতর থেকে সরকারি সূত্রে কিছুই না জানানোয় প্রধানমন্ত্রী উওরাখন্ড সফর ঘিরে ধোঁয়াশা ছিল। 

    এবার সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ অক্টোবর কেদারনাথে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্দির পরিদর্শনের পর তিনি ওই একই দিনে বদ্রীনাথে যাবেন।কেদারনাথে  পুজো দেবেন তিনি। এছাড়াও কেদারনাথ প্রকল্পের (Kedarnath Project) কাজ পরিদর্শন করবেন। সেদিনই যাবেন বদ্রীনাথ মন্দির (Badrinath Temple) দর্শনে। বদ্রীনাথ মাস্টার প্ল্যানের (Badrinath Master Plan) কাজ ঘুরে দেখবেন। তবে ২৪ অক্টোবর প্রতিবারের মতো দিওয়ালি উৎসব উপভোগ করবেন ভারতীয় সেনার সঙ্গে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

    সেনাদের সঙ্গে দীপাবলী কাটাতে উত্তরাখণ্ডের (Uttrakhand) সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম মান্নাতে (Manna) যাবেন মোদি। সেখানকার  গ্রামবাসীদের সঙ্গেও সময় কাটাবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর  মোদী ২০১৪ সালে সিয়াচেন সফর দিয়ে দীপাবলিতে  সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানো শুরু করেন। এর পর প্রধানমন্ত্রী জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় দুবার সেনাদের সঙ্গে দীপাবলী উদযাপন করেছিলেন ২০১৯ এবং ২০২১ সালে। সংবাদ সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে,কেদারনাথ, বদ্রীনাথ মন্দির আরতি-দর্শনের পাশাপাশি সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্যও সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে গুজরা্টের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে আগে থেকেই প্রচার শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নিজ রাজ্য গুজরাটে আজ ও কাল অর্থাৎ ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর থাকবেন ।সেখানে ১৫ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হবে। আজ, ১৯ তারিখে তিনি গুজরাটের গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে ডেফএক্সপো ২০২২-র উদ্বোধন করবেন। এরপর মিশন স্কুলস অব এক্সিলেন্সের উদ্বোধনও করবেন তিনি। জুনাগড়ে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজকোটেও একাধিক প্রকল্পের সূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। ২০ তারিখে তিনি গুজরাট থেকেই সূচনা করবেন মিশন লাইফের। এরপর কেভাদিয়ায় একটি সম্মেলনে যোগদান ও ভ্যারায় একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, উৎসবের মরসুমে বড়োসড়ো নাশকতার হাত থেকে রক্ষা পেল রাজধানী দিল্লী। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) মঙ্গলবার পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং দিল্লী এই পাঁচটি রাজ্যের ৫০ টির বেশী স্থানে অভিযান চালিয়ে একজন আইনজীবী সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এনআইএ জানিয়েছে, অভিযানের সময় দিল্লির বাসিন্দা অ্যাডভোকেট আসিফ খান এবং হরিয়ানার রাজেশ ওরফে ‘রাজু মোতা’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট আসিফ খানের বাড়ি থেকে  গোলাবারুদ সহ চারটি অস্ত্র এবং কয়েকটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে (LOC) শুধু জঙ্গি অনুপ্রবেশ নয়, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে ড্রোনের (pakistan drone )মাধ্যমে। গত ৯ মাসে পাকিস্তানের প্রায় ১৯১টি ড্রোন নজরে এসেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। তার মধ্যে সাতটিকে গুলি করে নামানো হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারকে (Central Govt) এই বিষয়ে অবগত করেছে সেনাবাহিনী (Indian Army)। কারণ, বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ১৯১টি পাক ড্রোনের মধ্যে ১৭১টি ভারতীয় সীমানা অতিক্রম করেছিল বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে সেনাবাহিনী। যার মধ্যে অধিকাংশ পাঞ্জাবের সীমান্ত এলাকার ঘটনা। আর জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে দেখা গিয়েছে ২০টি পাকিস্তানি ড্রোন।

    সীমান্তে নজরদাবি চালানোর জন্য ইউএভি (Unnamed Aerial Vehicle) বসানো হয়েছে। তার মাধ্যেমেই চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক ড্রোনের ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রমের তথ্য ধরা পড়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফিরোজপুর এবং অবোহার অঞ্চলে এই ঘটনা বেশি করে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর, গত ১৮ জানুয়ারি অমৃতসরের হাভেলিয়ান সীমান্তের আউট পোস্টের সামনে একটি পাক ড্রোন নজরে পড়ে বিএসএফের (BSF)। সঙ্গে সঙ্গে তা গুলি করে নামানো হয়। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৭ ও ৯ মার্চ ফিরোজপুরের টিজে সিং ও অমৃতসরের হাভেলিয়ান আউট পোস্টেও দু’টি ড্রোন নামাতে সক্ষম হয় বিএসএফ।

    আরও পড়ুন: ভারতে বন্ধ পাকিস্তান সরকারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট

    পুরো বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) নজের আনা হয়েছে। কয়েকদিন আগে তিনি শ্রীনগর সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বিএসএফের পক্ষ থেকে যাবতীয় নথি ও প্রমাণ তুলে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ড্রোন অস্ত্র বহনে যেমন সক্ষম, তেমনি বিস্ফোরণ ঘটানোর কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ কর্তাদের আশঙ্কা, ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তে আফগানিস্তানের হেরোইনের সাপ্লাই করা হচ্ছে। একই আশঙ্কা করছে বিএসএফও। কারণ, পাঞ্জাবের সীমান্ত অঞ্চলগুলিতেই বেশি করে পাকিস্তানের ড্রোন চোখে পড়েছে। এর পিছনে হাত রয়েছে আইএসআইয়ের। পাকিস্তানের এই কার্যকলাপ বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাই জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি পাঞ্জাব সীমান্তে আরও বেশি নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • International Women’s Day: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    International Women’s Day: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী, মহীয়সী, শক্তির আধার। ভারতীয় সমাজে নারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার অনুভূতি রয়েছে। নারী দিবসের প্রাক্কালে (International Women’s Day) দেশে সব স্তরে নারী শক্তির জয়গান গাওয়া হচ্ছে। পিছিয়ে নেই দেশের বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন। বিআরও-এর (BRO) গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করছেন মহিলারা। প্রায় দুই দশক আগে, কয়েকজন মহিলা কর্মকর্তা বিআরওতে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু প্রাথমিকভাবে ঝুঁকির কথা ভেবে তাঁদের কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেওয়া হত। এখন সেই ভাবনায় বদল এসেছে। কেন্দ্রে মোদি সরকার নারীশক্তিকে সমান অধিকার দিতে প্রস্তুত।

    নারীর শক্তিকে গুরুত্ব (International Women’s Day)

    সংস্কৃতে এক শ্লোকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘যেখানে একজন মহিলাকে সম্মান করা হয়, সেখানে সৎকর্ম, বিশেষ গুণাবলী, শান্তি এবং সম্প্রীতির সাথে ঈশ্বরের বাসস্থান হয়ে ওঠে। যদি তা করা না হয় তাহলে সমস্ত কাজকর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়।’ সেই কথাকে মাথায় রেখেই এগিয়ে চলেছে বিজেপি সরকার। নারীর ক্ষমতায়নের (International Women’s Day) দিকে বিআরও-এর (Border Roads Organization) বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থানের বিভিন্ন ভূমিকা, উচ্চ শিক্ষার সুযোগ, সঠিক স্বাস্থ্যসেবার অ্যাক্সেস, অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ, খেলাধুলা এবং সামগ্রিকভাবে বিকাশের জন্য উৎসাহ দান, কারণ তারা জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। নারীর ক্ষমতায়ন, সত্যিকার অর্থে, একটি দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তনকে সূচিত করে। 

    লিঙ্গভেদ দূরীকরণের নজর

    ২০২১ সালের ৮ মার্চ থেকেই বিআরও-তে নারী পুরুষের (International Women’s Day)  সমান পদ দেওয়ার কথা ভাবা হয়। জাতি গঠনের প্রচেষ্টায় মহিলারা সব সময়ই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই এই সংস্থাটি মহিলাদের উচ্চতর নেতৃত্বের দায়িত্ব প্রদান করেছে। প্রথম মহিলা হিসেবে জেনারেল রিজার্ভ ইঞ্জিনিয়ার ফোর্স (জি আর ই এফ) আধিকারিক ইই (সিভিল) শ্রীমতি বৈশালী এস হাইওয়াসে ২০২১ সালের ২৮ এপ্রিল রাস্তা তৈরির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যা মুন্সিয়ারি- বুকদিয়ার- মিলাম সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-চিন সড়ক পথে পড়েছে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ওই মহিলা আধিকারিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে তাঁর দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। এই মাইলফলক অনুসরণ করে, ইই (সিভি) ওবিন টাকিকেও অরুণাচল প্রদেশের সিয়াং উপত্যকার দুর্গম ভূখণ্ডে রাস্তা ও সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    মেজর আয়নার নজির

    বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (Border Roads Organization) ২০২১-এর ৩০ অগাস্ট আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করে। উত্তরাখণ্ডের চামুলি জেলার পিপল কোটিতে শিবালিক প্রকল্পের দায়িত্বভার দেওয়া হয় মেজর আয়নার ওপর। এই ধরনের ইউনিটের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনিই প্রথম মহিলা হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেন। উল্লেখ্য, তার অধীনে থাকা তিন প্লাটুন কমান্ডারই ছিলেন মহিলা অফিসার। মেজর রানা ১৮,৪৭৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ভারতের দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ পাস মানা পাস পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে ল্লেখযোগ্য সাফল্য মিলেছিল। তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা সেনা ইঞ্জিনিয়ার যিনি একটি রাস্তা নির্মাণ সংস্থাকে কমান্ড করেছেন। মহিলাদের নেতৃত্বে এরকম চারটি রাস্তা নির্মাণ করার পরিকল্পনা হয়েছে যার দুটি উত্তর-পূর্ব এবং দুটি পশ্চিমাঞ্চলে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    বিভিন্ন পদে মেয়েরা

    কর্নেল নবনীত দুগ্গাল, কাশ্মীর উপত্যকায় একটি ফিল্ড ওয়ার্কশপের অফিসার কমান্ডিং (OC) হিসাবে কাজ করছেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে কর্নেল) স্নিগ্ধা শর্মা বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) এর সদর দফতরে লিগ্যাল সেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর্নেল অর্চনা সুদকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরুণাচল প্রদেশের জিরোতে একটি টাস্ক ফোর্সের কমান্ডার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এভাবেকে ই বিআরও-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এখন নেতৃত্বে রয়েছেন বহু মহিলা অফিসার। যা দেশে নারীশক্তিকে ক্রমশ জাগ্রত করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Snowfall: প্রবল তুষারপাত! সিকিমে আটকে বহু, ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার সেনার

    Sikkim Snowfall: প্রবল তুষারপাত! সিকিমে আটকে বহু, ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষারপাতে বিধ্বস্ত সিকিম (Sikkim Snowfall)। পূর্ব সিকিমের নাথুলায় হঠাতই প্রবল তুষারপাতের জেরে প্রায় ১৭৫টি যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়েন কলকাতা-সহ অন্যান্য স্থানের শতাধিক পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারে সেনা নামানো হয়েছে। সেনা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    উদ্ধারে সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোর

    সেনা সূত্রে খবর, বুধবার আচমকাই উত্তর সিকিমের নাথুলা অঞ্চল-সহ বেশ কিছু এলাকায় ভারী তুষারপাত ঘটে। যার ফলে উত্তর সিকিমের সেই সব জায়গায় বেড়াতে আসা কলকাতা-সহ দেশের অন্যান্য অংশের বহু পর্যটক তুষারপাতের কবলে পরে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিরক্ষা দফতরের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার করতে, প্রবল ঠান্ডা উপেক্ষা করে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোরের জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। নিরাপদে পর্যটকদের বার করে আনতে প্রাথমিক চিকিৎসা, ওষুধপত্র, গরম খাবার এবং নিরাপদ পরিবহণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আটকে পড়া যানগুলিকে উদ্ধার করা হয়েছে, উদ্ধার করা হয়েছে আটক পর্যটকদেরও।

    সেনার সহমর্মিতায় আপ্লুত পর্যটকরা

    সকাল থেকে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও বিকেল থেকে পূর্ব সিকিমের নাথুলাতে ব্যাপক তুষারপাত শুরু হয়। অবিরাম তুষারপাতের ফলে কমে আসে দৃশ্যমানতা। বন্ধ হয়ে যায় গাড়ি চলাচল। আটকে পড়েন পর্যটকরা। শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় উদ্ধারে নামে সেনা। উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁদের ছাউনিতেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়৷ তুষারপাত থেকে বাঁচতে পর্যটকদের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রীও তুলে দেওয়া হয়। সেনা জওয়ানদের এহেন ভূমিকায় আপ্লুত পর্যটকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • FRCV: অবসরে রুশ ‘টি-৭২’! ৫৭ হাজার কোটি ব্যয়ে সেনায় আসছে দেশীয় ‘এফআরসিভি’ যুদ্ধট্যাঙ্ক

    FRCV: অবসরে রুশ ‘টি-৭২’! ৫৭ হাজার কোটি ব্যয়ে সেনায় আসছে দেশীয় ‘এফআরসিভি’ যুদ্ধট্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেমন পাল্টে যাচ্ছে যুদ্ধের ধরন ও গতিপ্রকৃতি, ঠিক তেমন ভাবেই পাল্টাতে থাকছে সামরাস্ত্রও। প্রতিনিয়ত আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ নিজ অস্ত্র থেকে শুরু করে সামরিক যান ও যন্ত্রপাতিকে আধুনিক যুদ্ধের যুগোপযোগী করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি দেশ। ব্যতিক্রম নয় ভারতও। আর সেই দিশায় এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, বুড়ো হয়ে যাওয়া রুশ-নির্মিত ‘টি-৭২’ যুদ্ধট্যাঙ্ককে (T-72 Battle Tank) অবসরে পাঠিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ট্যাঙ্ক (FRCV) কেনার দিকে হাত বাড়াল ভারত।

    ঠিক কী জানা যাচ্ছে?

    দীর্ঘদিন ধরেই স্থলসেনার মেকানাইজড ও আর্মার্ড ডিভিশনকে অত্যাধুনিক সামরাস্ত্রে সজ্জিত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আর সেই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে মান্ধাতার আমলের ‘টি-৭২’ যুদ্ধট্যাঙ্ককে (T-72 Battle Tank) অবসরে পাঠিয়ে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিসম্পন্ন একেবারে সর্বাধুনিক ‘ফিউচার রেডি কমব্যাট ভেহিক্যল’ বা সংক্ষেপে ‘এফআরসিভি’-কে (FRCV) অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা, এই বিশেষ যুদ্ধট্যাঙ্কটি দেশীয় প্রযুক্তির, এবং এর উৎপাদনও দেশেই হবে।

    ১৭৭০টি এফআরসিভি তৈরি হবে

    সূত্রের খবর, মোট ১৭৭০টি এমন এফআরসিভি তৈরি হবে। প্রতিটি এফআরসিভি প্রযুক্তিগতভাবে অনেকটাই উন্নত হবে। এতে, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম যুক্ত করা হবে, যা আধুনিক রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জানা গিয়েছে, এতে থাকবে— কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কম্পিউটার, ড্রোন ইন্টিগ্রেশন, অ্যাক্টিভ প্রোটেকশন সিস্টেম এবং আরও উন্নত পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষমতা। জানা গিয়েছে, এই এফআরসিভি-র (FRCV) অন্তর্ভুক্তি তিনটি পর্যায়ে হবে। প্রতিটি পর্যায়ে নতুন সংস্করণ মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি সংস্করণ তার পূর্বসূরির তুলনায় প্রযুক্তিগতভাবে অধিক উন্নত এবং বেশি শক্তিশালী হবে।

    আরও পড়ুন: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    বরাদ্দ ৫৭ হাজার কোটি টাকা

    সূত্রের খবর, এই ১৭৭০টি এফআরসিভি অন্তর্ভুক্তিকরণের প্রকল্পে খরচ হবে আনুমানিক ৫৭ হাজার কোটি টাকা। জানা যাচ্ছে, এই এফআরসিভিগুলিতে চালক থাকবেন। তবে, একইসঙ্গে ভবিষ্যতের কথা ভেবে চালকবিহীন ভার্সানের সংস্থানও রাখা হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে প্রযুক্তি ও যোগাযোগ-নির্ভর। ফলে, এফআরসিভি-তে (FRCV) এই দুটি বিষয়ের ওপর ভীষণ জোর দেওয়া হচ্ছে। এই সামরিক যানে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে যে কোনও পরিস্থিতিতে তার সঙ্গে কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়ে।

    আরও শক্তিশালী হচ্ছে অর্জুন

    তবে, যতদিন না এফআরসিভির (FRCV) অন্তর্ভুক্তিকরণ সম্পূর্ণ হচ্ছে, ততদিন বর্তমানে ব্যবহৃত ট্যাঙ্কগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এই মর্মে, ১১৮টি দেশীয় ‘অর্জুন মার্ক-১এ’ ট্যাঙ্কগুলির অস্ত্রসম্ভার থেকে শুরু করে তার সুরক্ষা, সহনশীলতা এবং ক্ষিপ্রতা আরও বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি, প্রোজেক্ট জোরাবর-এর অন্তর্গত নির্মিত ৩৫৪টি দেশীয় হাল্কা ট্যাঙ্ককে চিন-সীমান্তে মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া, বর্তমানে ব্যবহৃত টি-৭২ ট্যাঙ্কগুলিতে আরও শক্তিশালী ১০০০ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিন অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্ত (Indo-Pak Border) দিয়ে চোরাচালান-গতিবিধির ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে এবার থেকে আরও সজাগ হতে চলেছে সেনার দৃষ্টি। পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে এবার ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে দেশীয় ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোন (Drishti-10) বা চালকবিহীন সশস্ত্র বিমান।

    নজরদারির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র বহনও সক্ষম

    সেনা সূত্রে খবর, পাঞ্জাব সেক্টরের ফরোয়ার্ড বেসগুলিতে এই বিশেষ ড্রোন মোতায়েন করা হচ্ছে। ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় দীর্ঘক্ষণ ধরে উড়তে সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10)। একটানা ৩৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই চালকবিহীন বিমান। সীমান্তে (Indo-Pak Border) নজরদারির পাশাপাশি অস্ত্রবহনেও সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’। এর জন্য বিমানের পেটে তিনটি হার্ড-পয়েন্ট (ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জায়গা) রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই এই ড্রোনগুলি সেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই বিশেষ ড্রোন বানিয়েছে আদানি ডিফেন্স সংস্থা। সূত্রের খবর, জরুরি ভিত্তিতে, ২টি ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোনের বরাত দিয়েছে সেনা। শর্ত এটাই যে, উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ৬০ শতাংশ দেশীয় হতে হবে। 

    পাঞ্জাব ও মরু সীমান্তের নিরাপত্তায় জোর

    সেনা সূত্রের খবর, পঞ্জাব সীমান্তের (Indo-Pak Border) পাশাপাশি, মরু অঞ্চলেও নজরদারি চালাতে ব্যবহৃত হবে এই ড্রোন। বর্তমানে, এই অঞ্চলের নজরদারিতে ‘হেরন মার্ক ওয়ান’ ও ‘হেরন মার্ক টু’ ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এবাপ তার পাশাপাশি ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10) বা ‘হারমিস-৯০০’ ড্রোনের বরাত দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ড্রোন ভারতেই উৎপাদন করবে আদানি ডিফেন্স। এর জন্য ইজরায়েলি সংস্থা এলবিট-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে তারা। সংস্থার দাবি, ড্রোনের ৭০ শতাংশই দেশি হবে। পরবর্তীকালে, সেই অনুপাত আরও বাড়ানো হবে। 

    ‘দৃষ্টি-১০’-এর (Drishti-10) পাশাপাশি ইজরায়েল থেকে আরও বেশ কয়েকটি স্যাট-কম যোগাযোগে সমৃদ্ধ ড্রোন অন্তর্ভুক্ত করেছে ভারতীয় নৌসেনা। গত সপ্তাহে সেগুলি প্রকাশ্যে আনেন ভারতীয় নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার এবং আর্মি এভিয়েশনের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল অজয় সুরী। জানা যাচ্ছে, সেগুলিকে পৌরবন্দরে মোতায়েন করা হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army Day: সেনা দিবসে দেশের জওয়ানদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

    Army Day: সেনা দিবসে দেশের জওয়ানদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা দিবসে (Army Day) দেশের জওয়ানদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের আজকের দিনে (১৫ জানুয়ারি) শেষ ব্রিটিশ কমান্ডার-ইন-চিফ ফ্রান্সিস রায় বুচারের হাত থেকে দায়িত্ব নেন ভারতীয় কমান্ডার-ইন-চিফ কেএম কারিয়াপ্পা।

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তা

    দেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার হলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি ট্যুইট করে এদিন জওয়ানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘আমি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে (Army Day)। সেনা দিবসে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে জওয়ানরা সর্বদাই কর্তব্য পালন করেন। যখনই কোনও সংকটের পরিস্থিতি উদ্ভূত হয়েছে, দেশের সেনাবাহিনী এগিয়ে এসেছে। তা সে সন্ত্রাস দমনে হোক অথবা বিপর্যয় মোকাবিলায়।’’

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এদিন দেশের জওয়ানদের (Army Day) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘যখনই বহিরাগত আক্রমণ হোক অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তখনই আমাদের সাহসী জওয়ানরা তাঁদের কর্তব্যবোধ পালন করেন সাহসের সঙ্গে। পৃথিবীর মধ্যে শৃঙ্খলা পরায়ণ এবং শক্তিশালী সেনাবাহিনী হল ভারতের। অমৃত কালে দেশ এগিয়ে চলেছে বিকশিত ভারতের দিকে। এখানেও ভূমিকা রয়েছে দেশের সেনাবাহিনীর।’’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা

    সেনা দিবসে জওয়ানদের এবং তাঁদের পরিবারবর্গকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives Relationship: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানো নিয়ে কী জানাল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক?

    India-Maldives Relationship: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানো নিয়ে কী জানাল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপে বিমান চলাচল করতে পারে এমন পরিস্থিতি বজায় রাখতে পারস্পরিক সমাধানসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে ভারত। মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে সেনা সরানো নিয়ে এমনই বিবৃতি দিল ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। চিন ঘেঁষা দ্বীপ রাষ্ট্রের মহম্মদ মুইজ্জুর সরকার মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানোর জন্য ভারতকে ‘আর্জি’ জানিয়েছে। রীতিমতো সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

    নয়াদিল্লির বিবৃতি 

    মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে ভারতের সেনা সরানোর বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নয়াদিল্লির তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে,  “মলদ্বীপের মানুষের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে ভারতীয় বিমানগুলির চলাচল জারি রাখা জরুরি। এই কাজের পরিবেশ বজায় রাখতে উভয় পক্ষই একটি সমাধানসূত্রে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে।” মলদ্বীপ এবং ভারতের সম্মতিক্রমে একটি নির্দিষ্ট দিন বেছে নিয়ে পরবর্তী আলোচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে। নভেম্বর মাসে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই মুইজ্জু বলেছিলেন, ‘‘আমাদের দেশের মাটি থেকে সমস্ত বিদেশি সেনাকে আমরা ফেরত পাঠাব।’’ এ ক্ষেত্রে মুইজ্জু নাম না-করলেও স্পষ্ট ভাবেই ভারতকে নিশানা করেন। কারণ, ভারত মহাসাগরের ওই দ্বীপরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এবং শিল্পক্ষেত্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ভারতীয় সেনা।

    আরও পড়ুুন: “বাবর একদিনে ১ লক্ষ ৮০ হাজার হিন্দুকে খুন করেছিল” মন্দির ইস্যুতে তোপ শুভেন্দুর

    মলদ্বীপ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর

    মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, ‘পলিটিক্স ইস পলিটিক্স। আমরা এটা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে রোজ প্রতিটি দেশ আমাদের সমর্থন করবে অথবা আমাদের কথায় একমত হবে। কখনও এটা ভালো না হতে পারে।’ বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে ‘মলদ্বীপ বনাম লাক্ষাদ্বীপ’ বিতর্ক। সম্প্রতি লাক্ষাদ্বীপে ঘুরতে গিয়ে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই মোদি এবং ভারতকে নিয়ে আপত্তিজনক কিছু মন্তব্য করেছিলেন মলদ্বীপের কয়েকজন মন্ত্রী। এরপর থেকেই ওঠে মলদ্বীপ বয়কটের রব। এই আবহে চিন সফরে যান মুইজ্জুর। চিন থেকে দেশে ফিরেই শনিবার মুইজ্জু হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছিলেন, কাউকে ধমকানোর ছাড়পত্র দেয়নি তার সরকার। এমনকী ১৫ মার্চের মধ্য়ে ভারতকে সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথাও বলা হয়। তারপরই পদক্ষেপ করল দিল্লি। বিদেশমন্ত্রী জানান, কোনও দেশের সরকারের সঙ্গে মতবরোধ হলেও ভারত সে দেশের জনগণের কথা চিন্তা করেই কাজ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Zorawar: নজরে চিন! দেশে তৈরি লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’-এর পরীক্ষা শুরু লাদাখে

    Zorawar: নজরে চিন! দেশে তৈরি লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’-এর পরীক্ষা শুরু লাদাখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর ভারত-এর আরও একটি সাফল্য। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাল্কা যুদ্ধট্যাঙ্ক  ‘জোরাবর’-এর (Zorawar) পরীক্ষা শুরু হল প্রৃত নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া লাদাখের পার্বত্য এলাকায়। 

    কেন এই ট্যাঙ্কের প্রয়োজন হল?

    চিন-সীমান্তের সুরক্ষা মজবুত করার জন্য সেখানে যুদ্ধট্যাঙ্ক মোতায়েন করা যে অবশ্যম্ভাবী, তা টের পেয়েছিল ভারত। সেই অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যবহৃত দেশীয় ‘অর্জুন’, রুশ টি-৯০ (ভীষ্ম), টি-৭২ (অজেয়) ট্যাঙ্কগুলি অত্যন্ত ভারী হওয়ায় সেগুলিকে ওই দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে তুলে নিয়ে গিয়ে মোতায়েন করা ভীষণই কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেনার কাছে। শুধু তাই নয়, ওই যুদ্ধট্যাঙ্কগুলি লাদাখের মতো প্রতিকূল আবহাওয়ায় বেশিদিন কার্যকর থাকছিল না।

    অন্যদিকে, চিনারা ওই জায়গায় হাল্কা ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা শুরু করেছিল। যা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় সেনার কাছে। প্রাথমিকভাবে, রুশ নির্মিত বিএমপি-২ ‘ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল’ দিয়ে পরিস্থিতি ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। এক সময় স্থির করা হয়েছিল, রাশিয়ার কাছে এই বিএমপি আমদানি করা হবে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হতে। 

    ওজন মাত্র ২৫ টন! অসাধ্যসাধন ডিআরডিও-র

    এই প্রেক্ষিতে ভারতের কাছে এই প্রতিকূলতা বা সমস্যার একটাই সমাধান ছিল। তা হল, যদি ভারতের হাতে এমন একটা হাল্কা ট্যাঙ্ক থাকে, যা সহজেই সেখানে মোতায়েন করা সম্ভব হয়। সেনার এই প্রয়োজনীয়তা এবং দাবিকে মান্যতা দিয়ে চার বছর আগে এক নতুন ধরনের ট্যাঙ্ক (Light Battle Tank) তৈরির কাজ শুরু করে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা— ডিআরডিও। চার বছরের প্ররিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে তৈরি হয়েছে মাত্র ২৫ টন ওজনের লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’ (Zorawar)। বলা যেতে পারে, রেকর্ড সময়ে এই ট্যাঙ্ক তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে ডিআরডিও। 

    গবেষণায় চারটি বিষয়ে জোর…

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, জোরাবর তৈরির সময় চারটি বিষয়কে মাথায় রাখা হয়েছে। প্রথমত, ট্যাঙ্কটি হাল্কা (Light Battle Tank) হতে হবে যাতে দুর্গম রুক্ষ পার্বত্য অঞ্চলে তাকে মোতায়েন করতে ঝক্কি না পোহাতে হয় সেনাকে। দ্বিতীয়ত, ট্যাঙ্কটি এমন হতে হবে যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতি, পরিবেশ ও আবহাওয়ায় যেন সমান সচল থাকে এর কার্যকারিতা। তৃতীয়, এই ট্যাঙ্ককে দ্রুত এক জায়াগা থেকে আরেক জায়গায় স্থানাস্তর করা যাবে। চতুর্থ, এই ট্যাঙ্ককে উভচর হতে হবে। অর্থাৎ, স্থলের পাশাপাশি জলেও সচল থাকবে এমন ট্যাঙ্ক (Zorawar)।

    চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা অনেক সহজ হবে

    আপাতত, ডিআরডিও এই ট্যাঙ্কের ট্রায়াল শুরু করেছে। এটা হচ্ছে উৎপাদনী মহড়া। যা চলবে প্রায় চার মাস। তাতে উত্তীর্ণ হলে, এই ট্যাঙ্কটি (Light Battle Tank) তুলে দেওয়া হবে ভারতীয় সেনার হাতে। তারা আবার এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। যা ইউজার-ট্রায়াল বা ব্যবহারকারী মহড়ার অঙ্গ হবে। একবার সেনা জোরাবরকে ফিট ঘোষণা করলেই, দ্রুত এই ট্যাঙ্কের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। এই ট্যাঙ্ক (Zorawar) হাতে আসলে ভারতীয় সেনার পক্ষে এলএসি-তে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা অনেক সহজ হবে বলে সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের (Army Eastern Command) দায়িত্বে নতুন মুখ। ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) হিসেবে দায়িত্ব তুলে নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচন্দ্র তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari)। সদ্য অবসর গ্রহণ করা লেফটেন্যান্ট জেনারেল  আরপি কলিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিওয়ারি। কলকাতা স্থিত সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর ফোর্ট উইলিয়ামের দফতরে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। বিজয় স্মারকে বীর শহিদ সেনানীদের উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার পদে আসীন হন তিওয়ারি। তাঁকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয় ফোর্ট উইলিয়ামে। 

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী হিসেবে সেনায় বিশেষভাবে পরিচিতি পাওয়া আরসি তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari) এর আগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ছিলেন। অত্যন্ত পোড়খাওয়া সামরিক অফিসার তিওয়ারি ভারতীয় সেনায় প্রায় চার দশক কাটিয়ে ফেলেছেন। ১৯৮৭ সালে কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে কমিশন্ড হন তিওয়ারি। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্বেও দীর্ঘদিন পোস্টিংয়ে ছিলেন। এর পাশাপাশি, ভারতীয় সেনার শান্তি বাহিনীর অঙ্গ হিসেবে কঙ্গোতেও বেশ কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছিলেন তিওয়ারি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে প্রভূত নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে তিওয়ারির (Lt General RC Tiwari) প্রভূত নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অসমে কাউন্টার ইনসারজেন্সি অভিযানের সময় তিনি কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া, সিকিমে মাউন্টেন ব্রিগেড ও মাউন্টেন ডিভিশনের পাশাপাশি, উত্তর-পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ কোরের দায়িত্বও সামলেছেন কমান্ডার হিসেবে। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি একাধিক উচ্চ সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এহেন অভিজ্ঞ অফিসারের ওপরই পূর্ব দিকে চিন সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Army Eastern Command)। গত বছরের শেষদিন পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কলিতা। ৩১ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share