Tag: Indian Citizenship

Indian Citizenship

  • Delhi Election: নাগরিকত্ব আইনের সুফল! ৩০০ পাকিস্তানি হিন্দু ভোট দেবেন দিল্লির নির্বাচনে

    Delhi Election: নাগরিকত্ব আইনের সুফল! ৩০০ পাকিস্তানি হিন্দু ভোট দেবেন দিল্লির নির্বাচনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে তাঁরা পেয়েছেন নাগরিকত্ব। পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তু হিন্দুদের মধ্যে ৩০০ জন ভোটার কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁরাই প্রথমবারের জন্য ভোট দেবেন ভারতের কোনও নির্বাচনে। প্রসঙ্গত, আগামী বছরের গোড়ায়ই হবে দিল্লি বিধানসভা (Delhi Election) নির্বাচন, সেখানেই ভোট দেবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই তাঁদের ভোটার আইডি কার্ডও দেওয়া হয়েছে। মাত্র চার বছর বয়সে পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে আসা রাধা বর্তমানে ১৮ বছরে পা দিয়েছেন। ১৪ বছর আগে ভারতে আসা সেই রাধাকে নাগরিকত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। রাধা এবার প্রথমবারের জন্য দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে চলেছেন। নিজের ভোটাধিকারের মাধ্যমে রাধা এবার গর্বের সঙ্গে ভারতকে নিজের দেশও বলতে পারবেন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দুরা (Pakistani Hindus) পেয়েছেন ভারতের নাগরিকত্ব। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে নাগরিকত্ব আইনকে বাস্তবায়িত করা হয়। মোদি সরকারের প্রণয়ন করা সেই নাগরিকত্ব আইনের সুফল পাচ্ছেন রাধার মতো পাকিস্তান থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে ভারতে আসা হিন্দুরা।

    কী বলছেন পাকিস্তান (Delhi Election) থেকে আগত হিন্দুরা?

    সংবাদ মাধ্যমে রাধার মা বলেন, ‘‘আমরাও নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে নিজেদের সার্টিফিকেট পেয়েছি। চলতি বছরেই তা আমরা পেয়েছি। তার পরেই আমরা ভোটার আইডি কার্ডের (Delhi Election) জন্য আবেদন করেছিলাম। এটাই হতে চলেছে প্রথমবার যখন আমরা ভারতীয় হিসেবে ভোট দেব। আমরা আশাবাদী যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা আমাদের মতো পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দুদের কথা ভাববে।’’ প্রসঙ্গত, পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তু হিন্দুদের মধ্যে বেশিরভাগ মহিলাই গৃহবধূ। অন্যদিকে, সেই পরিবারের পুরুষরা দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন অথবা ছোটখাটো রাস্তার ধারে স্টল দেন। এঁরা প্রত্যেকেই আশাবাদী যে নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে তাঁরা যেভাবে ভোটাধিকার পেয়েছেন এভাবে নতুন নতুন সুযোগের দরজাও খুলবে।

    পাকিস্তান থেকে এসেছেন ৫০ বছর বয়সি পুরাণ, তিনি কী বললেন?

    পাকিস্তান থেকে এসেছেন বছর ৫০-এর পুরাণ। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘পাকিস্তানে আমরা ছিলাম সাধারণ কৃষক এবং সেখান থেকে কোনওভাবে আমরা পালিয়ে এসেছি। আমরা এখানে সুখে আছি বটে, কিন্তু এখানে আমাদের জমি-জিরেত নেই। তাই আমরা চাষ করতে পারছি না। যদি সরকার আমাদের কোনওভাবে জমি দেয়, তাহলে আমরা সেখানে ফসল ফলাতে পারি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন (CAA) পাশ হয়েছিল বছর চারেক আগে। কার্যকর হল ১১ মার্চ, ২০২৪, সোমবার। এদিন থেকেই দেশজুড়ে চালু হয়ে গেল সিএএ আইন। এই আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রশ্ন হল, সিএএর (CAA) জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? indiancitizenshiponline.nic.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যাঁরা আবেদন করতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে পৃথক ফর্ম। বিভিন্ন ফর্মের জন্য নানা নথির প্রয়োজন হবে। এগুলি হল, বৈধ বিদেশি পাসপোর্ট, বাসস্থানের অনুমতিপত্র, বাবা-মায়ের জন্ম শংসাপত্র অথবা তাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় জমা করা ৫০০ টাকার একটি ব্যাঙ্ক চালান, আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর ভারতীয় পাসপোর্ট বা জন্মের শংসাপত্র, বিয়ের শংসাপত্র, ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফিকেট থাকতে হবে (যাঁরা অন্য দেশ থেকে আসবেন), ভারতে ব্যবহৃত যে কোনও একটি ভাষা সম্পর্কে কতটা জ্ঞান রয়েছে, তার প্রমাণ হিসেবে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা আবেদনকারীর জেলায় বসবাসকারী দুজনকে মান্যতা দিতে হবে। আবেদনকারীর চরিত্র সম্পর্কেও দুজনকে দিতে হবে শংসাপত্র। অনলাইন ছাড়াও ফর্ম ফিল-আপ করে জমা দেওয়া যাবে ডিএম বা ডিসি অফিসে গিয়ে।

    ভারতীয় নাগরিক কারা?

    মনে রাখতে হবে, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যাঁদের জন্ম হয়েছে, তাঁরা জন্মসূত্রেই ভারতীয়। এর পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের জন্মের সময় বাবা-মায়ের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকলে তবেই তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এর পর যাঁরা জন্ম গ্রহণ করেছেন, হয় তাঁর বাবা-মাকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে কিংবা দুজনের মধ্যে যে কোনও একজন ভারতীয় ও অন্যজন অনুপ্রবেশকারী নন (CAA)।

    আরও পড়ুুন: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Citizenship: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Indian Citizenship: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat) দুই জেলায় বসবাসকারী তিন দেশের সংখ্যালঘুদের দেওয়া হচ্ছে ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship)। নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA)। সোমবার এই মর্মে জারি হয়েছে নির্দেশিকাও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর না হওয়ায় ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের আওতায় এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    গুজরাটের মেহসানা ও আনন্দ জেলায় বসবাসকারী পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জেলা আধিকারিকদের এই মর্মে শংসাপত্র দেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে এ দেশে অন্তত পাঁচ বছর বসবাস করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তাও প্রযোজ্য হবে না।

    ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে অর্জন করা যায়। এগুলি হল, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির রেজিস্ট্রেশনের ভিত্তিতে, কোনও ভারতীয়কে বিয়ে করে, নাবালক, শিশু যার বাবা মা ভারতের নাগরিক, ভারতের বিদেশি নাগরিক এবং ভারতীয় কনস্যুলেটে একটি শিশুর রেজিস্ট্রেশন। তবে গুজরাটের দুই জেলার যাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এগুলির কোনওটিই প্রযোজ্য নয়। তা সত্ত্বেও তাঁদের নাগরিকত্ব দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিল ভারত। অন্তত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের অভিমত এমনই।

    গত বছরই এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণে গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মোট ১৩টি জেলায় বসবাসকারী অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পেতে আবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেখানে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও ২০০৯ সালের নিয়ম অনুযায়ী এই নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছিল। কারণ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, ২০১৯ এ বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু যেহেতু এই আইনের অধীনে বিধিগুলি এখনও সরকার প্রণয়ন করেনি, তাই এখনও পর্যন্ত কাউকে এই আইনের অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়া যায়নি। ২০১৬, ২০১৮ এবং ২০২১ সালেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা এই পাঁচটি রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলার কালেক্টরদের বৈধ নথিতে ভারতে আসা ছটি সম্প্রদায়ের অভিবাসীদের নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) শংসাপত্র দেওয়ার ক্ষমতা দান করে।

    আরও পড়ুন: ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা, সবার ওপরে মাতৃত্ব…’, জানুন আরএসএসের মহিলা সংগঠনের আদর্শ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share