Tag: Indian Coast Guard

Indian Coast Guard

  • Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় বিরাট সাফল্য উপকূলরক্ষী বাহিনীর, উদ্ধার ৫ হাজার কেজি মাদক

    Indian Coast Guard: আন্দামান জলসীমায় বিরাট সাফল্য উপকূলরক্ষী বাহিনীর, উদ্ধার ৫ হাজার কেজি মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক চোরাচালান রুখতে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) বড়সড় সাফল্য। আন্দামান সমুদ্র (Andaman water) সীমায় ৫ টন বা ৫ হাজার কিলোগ্রাম মাদক আটক করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, একটি মাছ ভর্তি নৌকায় করে এই মাদক পাচারের চক্র ফাঁদা হয়েছিল। অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই সাফল্যে বিরাট চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম (Indian Coast Guard)

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, “এই বিশেষ অভিযানে আন্দামান জলসীমার (Andaman water) কাছ থেকে একটি মাছ ধরার নৌকায় প্রায় ৫ টনের বেশি একটি বিরাট চোরাকারবারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এদিনেি এই অভিযান ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বড় মাদক উদ্ধারের ঘটনা। ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত করতে ইতিমধ্যে তল্লাশি চলাচ্ছে বাহিনী। সন্দেহজনক নানা সূত্র ধরে সবরকম তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন’’, অধিবেশন শুরুর আগে তোপ মোদির, নিশানায় কারা?

    ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত হয়েছিল

    সমুদ্রপথে (Andaman water) মাদক দ্রব্যপাচারের সঙ্গে যুক্ত একাধিক এজেন্সিগুলির চোরাচালানে এইবারের অভিযানে বিরাট ধাক্কা খেয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা বিশেজ্ঞরা (Indian Coast Guard)। উল্লেখ্য এই মাসের শুরুর দিকে একটি বিশাল মাদকদ্রব্য পাচাররোধের অভিযান চালিয়েছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। সেই সময় এই অভিযানে ৭০০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মূলত গুজরাট উপকূল থেকে ভারতীয় আঞ্চলিক জলসীমা বরাবার এলাকা থেকে ৮ জন ইরানি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সাগর মন্থন-৪ কোডনামে হওয়া ওই অভিযানে গোয়েন্দাদের গোপন তথ্যের উপর নির্ভর করে চালানো হয়েছিল। একই ভাবে এনসিবি একটি বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এই জাহাজগুলিকে এখন থেকে সমুদ্রে বিশেষ নজরদারিতে রাখার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সন্দেহজনক জাহাজগুলিকে এখন থেকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশি করা হবে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fishermen Rescued: ভারতীয় সাত মৎস্যজীবীকে পাক বাহিনীর হাত থেকে উদ্ধার করল উপকূলরক্ষী বাহিনী

    Fishermen Rescued: ভারতীয় সাত মৎস্যজীবীকে পাক বাহিনীর হাত থেকে উদ্ধার করল উপকূলরক্ষী বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পাকিস্তানি জাহাজকে ধাওয়া করে সাত ভারতীয় মৎস্যজীবীকে (Fishermen Rescued) উদ্ধার করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। রবিবার আরব সাগরে পাকিস্তানি মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সির (এমএসএ) হাতে অপহৃত সাত ভারতীয় মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করা হয়। ভারত-পাকিস্তান সামুদ্রিক সীমানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর।

    কীভাবে উদ্ধার মৎস্যজীবীরা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূ্ত্রে খবর, রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ‘নো-ফিশিং জোন’-এর (এনএফজেড) কাছে ভারতীয় জলসীমা থেকে মৎস্যজীবীদের নৌকা কাল ভৈরব এবং তাঁর মাঝিদের আটক করেছিল পাক বাহিনী। আটক হওয়ার আগে এক মৎস্যজীবী রেডিও মেসেজে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর টহলদারি জলযানকে সে কথা জানাতে পেরেছিলেন। খবর পেয়েই ওই পাকিস্তানি টহলদারি জাহাজকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন ভারতীয় উপকূলরক্ষীরা (Indian Coast Guard)। স্পষ্ট ভাষায় জানান, কোনও অবস্থাতেই ভারতীয় জলসীমা থেকে ওই ভারতীয় মৎস্যজীবীদের নিয়ে যাওয়া চলবে না। চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত রণে ভঙ্গ দেয় পাক এমএসএ। মুক্তি দেয় আটক সাতজনকে।

    এই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় জাহাজ ধাওয়া করছে পাকিস্তানি জাহাজকে, যাতে মৎস্যজীবীদের পাকিস্তানে নিয়ে চলে যেতে না পারে পাক উপকূলরক্ষীরা। এই ঘটনার ফলে ‘কাল ভৈরব’ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেষমেশ সমুদ্রে ডুবে যায়। নিরাপদে সাত মৎস্যজীবীকে ফিরিয়ে আনা গিয়েছে। তাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, ভুল করে ‘নো-ফিশিং জোন’এ চলে গিয়েছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Boat Caught: ভারতে মাদক পাচার করতে গিয়ে আটক ১৪ নাবিক সহ পাকিস্তানি জলযান

    Pakistan Boat Caught: ভারতে মাদক পাচার করতে গিয়ে আটক ১৪ নাবিক সহ পাকিস্তানি জলযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অশান্তি জিইয়ে রাখার পাকিস্তানি প্রচেষ্টা অব্যাহত! ভারতে ৬০০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক পাচার করতে গিয়ে কোস্টগার্ডের হাতে ধৃত সন্দেহভাজন পাকিস্তানি জলযান (Pakistan Boat Caught)। ভারতে মাদক পাচারের এই পর্দা ফাঁস করে দিয়েছে কোস্টগার্ড। তাদের সঙ্গে ছিলেন সন্ত্রাসবাদ বিরোধী স্কোয়াড ও নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকরা।

    বিপুল পরিমাণ মাদক বাজেয়াপ্ত (Pakistan Boat Caught)

    ৮৬ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে পাকিস্তানি ওই জলযানের ১৪ জন নাবিককেও। কোস্টগার্ডের তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘রাতভর অভিযান চালানোর পরে ইন্ডিয়ান কোস্টগার্ড সমুদ্রে মাদক পাচার বিরোধী অভিযান চালায়। আগাম পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ওই অভিযান চালানো হয়। প্রায় ৮৬ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই পরিমাণ মাদকের মূল্য ৬০০ কোটি টাকা। পাকিস্তানি ওই জলযান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৪ জন নাবিককেও। অভিযান চালাতে গিয়ে মোতায়েন করা হয়েছিল জাহাজ এবং এয়ারক্র্যাফ্ট। এই অভিযানে শামিল হয়েছিল কোস্টগার্ডের জাহাজ রাজরতনও। এই জাহাজটিতে এনসিবি এবং এটিএসের আধিকারিকরাও ছিলেন।’

    ‘রাজরতনে’র খেলা

    জানা (Pakistan Boat Caught) গিয়েছে, গ্রেফতারি এড়াতে সন্দেহভাজন জাহাজটি চেষ্টা কম কসুর করেনি। তবে নজরদারি জাহাজটি সেটিকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি আটক করে। একটি বিশেষজ্ঞ দল পাকিস্তানি জাহাজটিতে তল্লাশি অভিযান চালায়। তখনই জানা যায়, জাহাজটিতে মাদক রয়েছে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, আইসিজি গোত্রের রাজরতনের ক্ষিপ্রতার সঙ্গে এঁটে ওঠা মুশকিল। তাই পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি মাদক বোঝাই জলযানটি। রাজরতনের স্পেশালিস্ট টিম সন্দেশভাজন পাকিস্তানি জাহাজটিতে গিয়ে ওঠে। খানাতল্লাশির পর ওই টিমের সদস্যরা জাহাজটিতে মাদক রয়েছে বলে নিশ্চিত হন। তার পরেই বাজেয়াপ্ত করা হয় ৬০০ কোটি মূল্যের মাদক। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাকিস্তানি জলযানটিকে গুজরাটের পোরবন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে। জাহাজটির সঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে তার নাবিকদেরও (Pakistan Boat Caught)।

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জলসীমার ভিতরে মাঝ-সমুদ্রে বিকল নৌকায় আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) উদ্ধার করে ফেরত পাঠাল ভারত। 

    বিকল হয়ে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমান্তের কাছে নিয়মমাফিক প্যাট্রলিং করার সময় উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘আইসিজিএস অমোঘ’ দেখতে পায় যে, ‘সাগর-২’ নামে বাংলাদেশের একটি ফিশিং বোট (মাছ ধরার নৌকা) এদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ওই নৌকার কাছে পৌঁছে যায় বাহিনীর জাহাজ। নৌকায় উঠে তদন্ত শুরু করে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টিম। তারা জানতে পারে যে, গত ২ দিন আগে নৌকার স্টিয়ারিং গিয়ার ভেঙে যাওয়ায় নৌকাটি ঢেউয়ের তোড়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। নৌকায় সেই সময় ২৭ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী (Bangladeshi Fishermen) ছিল।

    মাঝ-সমুদ্রে আটকে ২৭ বাংলাদেশি

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) টেকনিক্যাল টিম সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে। প্রথমে বিকল হওয়া স্টিয়ারিং গিয়ার মেরামত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু, পরে দেখা যায়, নৌকার রাডার (যা দিয়ে নৌকার দিশা ঠিক করা হয়) ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে, কোনও অবস্থাতেই ওই নৌকাকে মাঝ-সমুদ্রে সারানো যাবে না। এর পর, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাংলাদেশি নৌকাকে সমুদ্রেই আরেকটি মৎস্যজীবীদের নৌকা (Bangladeshi Fishermen) বা বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেইমতো, দড়ি দিয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজের সঙ্গে বেঁধে বিকল হয়ে পড়া নৌকাটিকে টেনে বাংলাদেশি জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় ‘আইসিজিএস অমোঘ’।

    ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশিদের

    এর মধ্যেই, কলকাতায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) দফতর থেকে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়। এর পর  সন্ধ্যেবেলা পৌনে সাতটা নাগাদ আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘বিসিজিএস কামারুজ্জামান’। প্রথামাফিক, বিকল হওয়া নৌকা সহ ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) প্রতিবেশি দেশের বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ৪৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস (ICG Raising Day) পালন করছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। তার আগে, উপকূলরক্ষীদের (Indian Coast Guard) জন্য বড় সুখবর। দেশের উপকূলকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে ১৪টি নতুন জাহাজ আসতে চলেছে বাহিনীর হাতে। এই ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেলগুলি (এফপিভি) নির্মাণ করতে সম্প্রতি মাঝাগাঁও ডকইয়ার্ডের সঙ্গে ১,০৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এমনটাই খবর মিলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে। দেশের বিভিন্ন ডকইয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ। পাশাপাশি, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান।

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু হয়েছিল উপকূলরক্ষী বাহিনীর (ICG Raising Day)। সেই সময় বাহিনীর হাতে সর্বসাকুল্যে ৭টি জাহাজ ছিল। সেখান থেকে বর্তমানে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে রয়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫২টি জাহাজ ও ৭৮টি বিমান। বাহিনীর লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ২০০টি জাহাজ এবং ১০০টি বিমান নিজেদের হাতে রাখা। আর সেই লক্ষ্যের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হতে চলেছে এই নতুন বরাত। জানা যাচ্ছে, গত ২৪ জানুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সেই মোতাবেক, ৬৩ মাস, অর্থাৎ পাঁচ বছরে এই ১৪টি জাহাজকে বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। 

    অত্যাধুনিক জাহাজের বরাত

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বহুমুখী সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখে নতুন জাহাজগুলি মাল্টিপারপোস ড্রোন থেকে শুরু করে রিমোট কন্ট্রোল্ড ওয়াটার রেসকিউ ক্র্যাফট লাইফবুই এবং সর্বোপরি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে জাহাজগুলি এবং সেইসঙ্গে উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। মন্ত্রকের মতে, অত্যাধুনিক জাহাজগুলি মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ও নজরদারির পাশাপাশি একইধারে চোরাচালান-রোধ অভিযান, অগভীর জলে উদ্ধারাভিযান, বিপদে পড়া অন্য জাহাজকে সহায়তা, খারাপ হওয়া জলযানকে বন্দরে নিয়ে আসা, সমুদ্রে দূষণের মোকাবিলা করা এবং জলদস্যুদের মোকাবিলা করা— এসবই করতে সক্ষম হবে নতুন জাহাজগুলি।

    তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ

    এই নতুন বরাতের পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই দেশের ৩টি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় তৈরি হচ্ছে ২১টি জাহাজ। এছাড়া, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান। এর পাশাপাশি, আরও ৬টি ডর্নিয়ার বিমানের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। এভাবে, দফায় দফায় মোট ১৭টি বিমানে অত্যাধুনিক সেন্সর বসানো হবে। এর জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী (ICG Raising Day)।

    ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে বাহিনী

    বাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম সেরা উপকূলরক্ষকগুলির (Indian Coast Guard) তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ১৯৭৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে এই বাহিনী। শুধুমাত্র ২০২৩ অর্থাৎ গত বছরই দুশোর বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে তারা। বাহিনী আরও জানিয়েছে, দেশের উপকূলের রক্ষায় নিরন্তর নজর রাখছে তারা। এ জন্য প্রতিদিন ৫০-৬০টি জাহাজ ও ১০-১২ বিমান মোতায়েন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। ২০২৩ সালে ৪৭৮ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠা ইস্তক এখনও পর্যন্ত সেই অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: ফের মুড়িগঙ্গার চরে আটকে পড়ল পুণ্যার্থী-বোঝাই ভেসেল, উদ্ধারে উপকূলরক্ষী বাহিনী

    Indian Coast Guard: ফের মুড়িগঙ্গার চরে আটকে পড়ল পুণ্যার্থী-বোঝাই ভেসেল, উদ্ধারে উপকূলরক্ষী বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাওয়ার সময় একই বিপত্তি ঘটেছিল। পুনরাবৃত্তি দেখা গেল ফেরার পথেও। ফের, নদীর চরে আটকে পড়ল পুণ্যার্থী-বোঝাই ভেসেল। আবার উদ্ধারকার্যে (Gangasagar Pilgrims Rescued) নেমে সকলকে নিরাপদে পৌঁছে দিল উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard)।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে মঙ্গলবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান সেরে ফিরছিলেন ১৭৫ জন পুণ্যার্থী। সোমবার রাতে কচুবেড়িয়া থেকে ভেসেলে ওঠেন পুণ্যার্থীরা। কাকদ্বীপ ফিরছিল ভেসেলটি। কিন্তু, মাঝপথে ভাটা শুরু হয়ে মুড়িগঙ্গার চরে ভেসেলটি আটকে যায়। প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে ছিলেন পূণ্যার্থীরা (Gangasagar Pilgrims Rescued)। সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। একদিকে তীব্র ঠান্ডা হাওয়া, তার সঙ্গে কুয়াশার দাপট— অনেকে ঠান্ডার মধ্যে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। 

    উদ্ধারে উপকূলরক্ষী বাহিনী

    বেলার দিকে কুয়াশা সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন উপকূলরক্ষী বাহিনী। ২টি হোভারক্র্যাফট এবং একাধিক স্পিড বোটে করে পৌঁছে যায় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা টিমের সদস্যরা। এক-এক করে পুণ্যার্থীকে উদ্ধারের কাজ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সকল পুণ্যার্থীকে (Gangasagar Pilgrims Rescued) নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফে। জানা গিয়েছে, ঘন কুয়াশার জেরে দিকভ্রষ্ট হন ভেসেল চালক। যে কারণে এই বিপত্তি। 

    এর আগে, গঙ্গাসাগরে যাওয়ার পথেও, এই চরে দুটি ভেসেল আটকে যায়। যাত্রী বোঝাই একটি ভেসেল প্রায় ৫ ঘণ্টা আটকে ছিল। তার আগে, গত বছরও এই মুড়িগঙ্গাতেই আটকে পড়েছিল পুণ্যার্থী-বোঝাই ভেসেল। সেবারও উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) গিয়ে সকলকে উদ্ধার করেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার পর এবার ভারতের নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও কি আসতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘সি-২৯৫’ সামরিক পণ্যবাহী বিমান (C-295 Airlifter)? কলকাতায় এসে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ডিজি রাকেশ পাল। 

    কী বললেন আইসিজি ডিজি রাকেশ পাল?

    চিন-পাকিস্তান লাগোয়া দুর্গাম সীমান্তে নিমেষে সামরিক সরঞ্জাম, রসদ পৌঁছে দিতে স্পেনের এয়ারবাস থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান কিনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা, যার ডেলিভারি শুরুও হয়ে গিয়েছে। এবার সেই পথে যেতে চলেছে নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ডিজি জানান, তারাও ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) কেনার বিষয়ে অনেকটা এগিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এই মর্মে প্রস্তাব পেশ করা হবে কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলে। তিনি আশাবাদী সেই প্রস্তাব পাশ হবে। রাকেশ পাল জানান, মোট ১৫টি ‘সি-২৯৫’ বিমান কেনা হবে। এর মধ্যে ৯টি নেবে নৌসেনা আর ৬টি থাকবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে।

    আরও পড়ুন: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনা কিনছে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ বিমান

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানের পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রযুক্তিগতভাবে বেশি উন্নত ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় বায়ুসেনা। মূল উদ্দেশ্য, দুর্গম সীমান্তে অল্প সময়ের মধ্যে এবং সহজেই সামরিক সরঞ্জাম থেকে প্রয়োজনীয় রসদ ও সেনা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। সে কারণে, স্পেনের এয়ারবাস সংস্থা থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট কেনার বরাত ২০২১ সালে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। চুক্তি মোতাবেক, প্রথম ১৬টি ইউনিট স্পেন থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় আসবে। এর মধ্যে, প্রথম বিমানটি গত সেপ্টেম্বর মাসেই স্পেন থেকে ভারতে চলে এসেছে। বাকি ৪০টি তৈরি হবে ভদোদরায় টাটার অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে, এই ৫৬ সংখ্যাটা বাড়াতে পারে বায়ুসেনা। কারণ, অ্যাভরো-র পর রুশ-নির্মিত এন-৩২ (অ্যান্টোনভ) বিমানগুলোকেও এই ‘সি-২৯৫’ দিয়ে করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বায়ুসেনা। সেক্ষেত্রে, বাহিনীতে ‘সি-২৯৫’ বিমানের সংখ্যা ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

    নৌ ও উপকূলরক্ষীর বিমানে লাগানো থাকবে বিশেষ সেন্সর!

    এদিকে, সূত্রের খবর, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) জন্য যে ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি তৈরি করা হবে, সেগুলিতে বিশেষ সেন্সর বসানো হবে। এই বিমানগুলি মূলত মাল্টি-মিশন মেরিটাইম এয়ারক্র্যাফট হিসেবে কাজ করবে। সংক্ষেপে যাকে বলা হবে ‘এমএমএমএ’। এই বিমানগুলিতে থাকবে অ্যাকটিভ ইলেক্ট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (আয়েসা) রেডার। সমুদ্র সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সীমান্তাঞ্চলের মধ্যে সমুদ্রে ভাসমান যাবতীয় জাহাজ ও বোটের ওপর নজর রাখা হবে এই বিমানের প্রধান কাজ। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে নৌসেনার ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর ‘সি-২৯৫’-কে (C-295 Airlifter) বিশেষভাবে মডিফাই বা কাস্টোমাইজ়ড করা হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রের আরও দাবি, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য যে বিমানগুলি কেনা হবে, সেগুলো তৈরি হবে এদেশে টাটার কারখানায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Cost Guard Recruitment 2023: উপকূলরক্ষী বাহিনীতে ৩৫০ শূন্যপদে নিয়োগ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু ৮ সেপ্টেম্বর

    Indian Cost Guard Recruitment 2023: উপকূলরক্ষী বাহিনীতে ৩৫০ শূন্যপদে নিয়োগ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু ৮ সেপ্টেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবিক (Indian Cost Guard Navik Recruitment 2023) পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন joinindiancoastguard.cdac.in ওয়েবসাইটে। মোট শূন্য পদ ৩৫০ এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখ থেকে।

    আবেদনের সময়সীমা?

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে (Indian Cost Guard Navik Recruitment 2023) বলা হয়েছে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী আবেদনকারীরা তাই দ্রুত আবেদন করতে পারেন। মোট নাবিকের শূন্য পদের সংখ্যা হল ৩৫০। এই পদগুলি হল, সাধারণ নাবিক পদ মোট ২৬০টি। আন্তঃদেশীয় নাবিক পদ ৩০টি, যান্ত্রিক মেকানিক্যাল পদ ২৫টি, যান্ত্রিক ইলেকট্রিক্যাল পদ ২০টি এবং যান্ত্রিক ইলেকট্রনিক পদ ১৫টি।

    আবেদনের যোগ্যতা

    আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হতে হবে ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। প্রার্থীদের জন্মের তারিখ হতে হবে ১ মে ২০০২ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০০৬ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে। সাধারণ, আন্তঃদেশীয় এবং যান্ত্রিক নাবিক পদের (Indian Cost Guard Navik Recruitment 2023) জন্য বয়সের যোগ্যতা উপরি উক্ত সময়ের মধ্যেই হতে হবে। অন্যথায় আবেদনপত্র বাতিল হবে।

    নির্বাচন পদ্ধতি

    এই শূন্যপদে (Indian Cost Guard Navik Recruitment 2023) নির্বাচনের জন্য সারা ভারত ব্যাপী পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার বিশেষ চারটি ধাপ থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে মেডিক্যাল পরীক্ষা। সবকটা পর্ব পাশ করলে একটি মেরিট লিস্ট করা হবে এবং সেই লিস্টের ভিত্তিতেই শূন্য পদের জন্য ডাকা হবে।

    পরীক্ষার জন্য কত টাকা লাগবে?

    উপকূলরক্ষী বাহিনীতে নাবিক পদের (Indian Cost Guard Navik Recruitment2023) পরীক্ষায় বসার জন্য যাঁরা তফশিলি জাতি এবং উপজাতি শ্রেণিভুক্ত, তাঁদের পরীক্ষায় কোনও টাকা লাগবে না। কিন্তু বাকি সকলের জন্য অনলাইনে ৩০০ টাকা করে পরীক্ষার মূল্য দিতে হবে। এই টাকা অনলাইনে ভিসা/ মাস্টারকার্ড /রুপে ক্রেডিট, ডেবিট ক্রেডিট/ ইউপিআই এর মাধ্যমে জমা করতে পারবেন আবেদনকারীরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: মধ্যরাতে দুঃসাহসিক অভিযান উপকূলরক্ষী বাহিনীর, আরব সাগরে উদ্ধার চিনা নাগরিক

    Indian Coast Guard: মধ্যরাতে দুঃসাহসিক অভিযান উপকূলরক্ষী বাহিনীর, আরব সাগরে উদ্ধার চিনা নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ও ১৭ অগাস্ট মধ্যরাত্রে এক দুঃসাহসিক অভিযানের মধ্য দিয়ে ভারতের উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) আরব সাগর থেকে উদ্ধার করল এক চিনা নাগরিককে। বৃহস্পতিবার এই গোটা ঘটনা উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, বুধ ও বৃহস্পতিবারের মধ্যবর্তী রাতে একটি চিনা জাহাজ পানামার পতাকাবাহী একটি রিসার্চ ভেসেল ডং ফাং কান ট্যান-২ মুম্বই উপকূল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে আরব সাগরে অবস্থান করছিল। ওই জাহাজটি আমিরশাহীর দিকে যাচ্ছিল।

    জানা যায়, মধ্যরাতে জাহাজটির ভিতরে থাকা এক চিনা নাগরিক হঠাৎই অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন এবং তিনি জানান যে, তাঁর বুকে ব্যথা হচ্ছে। জাহাজে উপস্থিত সকলে প্রাথমিকভাবে মনে করে যে, চিনা নাগরিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেই মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টারে একটি ফোন আসে (Indian Coast Guard)। তখন তাঁরা জানতে পারেন যে জাহাজের এক কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং সম্ভবত তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত। দ্রুত তাঁকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হবে। পরবর্তীকালে জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করা করা হয় এবং ফোনে প্রাথমিকভাবে কী কী করনীয় তাও বলা হয়। এরপরেই তোড়জোড় শুরু করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard)।

    মধ্যরাতে আরব সাগরে অভিযান  

    বুধবার মধ্যরাতে উত্তাল ছিল আরব সাগর। প্রবল বেগে বইছিল ঝড়ো হাওয়া। সেই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) প্রতিবেশী দেশের নাগরিককে উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাতের অন্ধকারে। এই অভিযান একেবারেই সহজ ছিল না। কিন্তু সেসব কোনও কিছুতে মাথায় রাখেননি বাহিনীর সদস্যরা। মধ্য আরব সাগরের ওই জাহাজ থেকে অসুস্থ চিনা নাগরিককে হেলিকপ্টারে থেকে স্লিদারিং পদ্ধতিতে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে আনা হয় দমনে। সেখানে চিকিৎসার পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

    ট্যুইট চিনা দূতাবাসের ধন্যবাদজ্ঞাপন

    ভারতীয় উপকূল রক্ষা বাহিনীর (Indian Coast Guard) এমন কাজের জন্য প্রশংসা জানিয়ে ট্যুইট করেছে চিনা দূতাবাস। সেখানে তারা লেখে যে, অসুস্থ চিনা নাগরিককে আরব সাগর থেকে উদ্ধার করে যেভাবে চিকিৎসা করা হলো তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, জানুন বিস্তারিত

    Recruitment: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কী সরকারি চাকরির জন্যে বসে আছেন? হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজেও পাচ্ছেন না? তাহলে আপনার জন্যে রয়েছে সুখবর। সম্প্রতি কর্মী নিয়োগের (Recruitment) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী বা ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড ২৫৫ নাবিক পদে (জেনারেল ডিউটি এবং ডোমেস্টিক ব্রাঞ্চ) কর্মী  নিয়োগ করবে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে আবেদন প্রক্রিয়া। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। আবেদনকারীরা ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট joinindiancoastguard.cdac.injoinindiancoastguard.cdac.in-তে আবেদন করতে পারেন।

    জেনে নিন এ বিষয়ে বিশেষ কিছু তথ্য:  

    বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ:

    গত ২১ জানুয়ারি

    আবেদন জমা নেওয়া শুরু হবে:

    ২০২৩ সালেপ ৬ ফেব্রুয়ারি 

    আবেদন করার শেষ তারিখ:

    ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি 

    কবে অ্যাডমিট কার্ড প্রকাশ করা হবে?

    সম্ভবত আগামী মার্চ মাসে 

    কবে পরীক্ষা?

    সম্ভবত চলতি বছরের মার্চ মাসে 

    শূন্যপদ:

    ২৫৫ টি নাবিক পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে জেনারেল ডিউটি পদে ২২৫ এবং ডোমেস্টিক ব্রাঞ্চ পদে ৩০ টি শূন্যপদ রয়েছে।

    বয়সসীমা:

    সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

    আরও পড়ুন: ক্ষতির মুখে আদানি গোষ্ঠী, তিন দিনেই হাওয়া ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা

    শিক্ষাগত যোগ্যতা:

    নাবিক (জেনারেল ডিউটি): প্রার্থীদের স্বীকৃত বোর্ড থেকে পদার্থবিদ্যা ও অঙ্ক সহ দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করতে হবে।  
    নাবিক (ডোমেস্টিক ব্রাঞ্চ): প্রার্থীদের স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম শ্রেণী পাশ করতে পাশ করতে হবে।

    নির্বাচন প্রক্রিয়া:

    সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের স্টেজ ১, স্টেজ ২, স্টেজ ৩ এবং স্টেজ ৪-এর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেক্ষেত্রে কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা, শারীরিক ফিটনেস টেস্ট, মেডিকেল পরীক্ষা এবং তথ্য যাচাইকরণ করা হবে। কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষায় দুটি বিভাগ থাকবে। সেকশন I-এ প্রতিটি ১ নম্বরের মোট ৬০টি প্রশ্ন থাকবে এবং অঙ্ক ও পদার্থবিদ্যা থেকে মোট ৫০ টি মাল্টিপেল চয়েস প্রশ্ন থাকবে সেকশন-2-এ।  

    আবেদন ফি

    আবেদন ফি ৩০০ টাকা। তবে এসসি, এসটি সহ বিশেষ বিভাগের প্রার্থীদের আবেদন ফি-তে ছাড় রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share