Tag: Indian Democracy

Indian Democracy

  • USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নিয়ে আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF Report) সর্বশেষ রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করলেন ২৭৫ জন বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের একটি অংশ।  তাঁরা একে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত” বলে অভিহিত করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের সেই সুপারিশের বিরোধিতা করেন, যেখানে ভারতকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” (country of particular concern) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসএস (RSS) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান (Former Judges Officers) করে দিয়েছে। তারা একে “প্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা (USCIRF Report)

    এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল বিচারপতি বিষ্ণু সদাশিব কোকজে, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত এবং সুনীল অরোরা, প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিবাল-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৩০-এরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তা। তাঁরা ইউএসসিআইআরএফ কমিশনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পদ্ধতি – উভয়েরই সমালোচনা করেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত প্রবণতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, নির্বাচিত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনার ওপর নয়।

    জনগণনার তথ্য

    স্বাক্ষরকারীরা জনগণনার তথ্য তুলে ধরে জানান, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে ৯.৮ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ১৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে খ্রিস্টান ও শিখ জনসংখ্যা যথাক্রমে ২.৩ শতাংশ ও ১.৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অবিভক্ত (USCIRF Report) পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২০-২২ শতাংশ থেকে বর্তমানে পাকিস্তানে প্রায় ১.৫-২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারতে সামগ্রিক পরিবেশ এমন নয় যা সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক জনসংখ্যা হ্রাস করে, যা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন বা ব্যবস্থাগত বর্জনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।

    ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বানের বিরোধিতা

    স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান, যার মধ্যে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত, তারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা এসব সুপারিশকে “অত্যন্ত প্রণোদিত” এবং “বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব ও বিকৃত সিদ্ধান্তের (USCIRF Report) প্রতিফলন” আখ্যা দেন। তাঁরা এও বলেন, ইউএসসিআইআরএফ বারবার ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেন, আরএসএসের মতো সংগঠন সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, তবে এই সমালোচনা অবশ্যই “যাচাইযোগ্য প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক বোঝাপড়ার” ভিত্তিতে হওয়া উচিত, সরলীকরণের ওপর নয়।

    স্বাক্ষরকারীরা ভারতকে একটি “মজবুত গণতন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থা ও সংসদীয় কাঠামো রয়েছে। তাঁরা মার্কিন সরকারকে ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টের ভিত্তি (Former Judges Officers) এবং এর যাথার্থ পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে কোনও অর্থবহ মূল্যায়নের জন্য আরও নিরপেক্ষ, দীর্ঘমেয়াদি এবং ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা জরুরি (USCIRF Report)।

     

  • National Emergency: জরুরি অবস্থায় সঞ্জয়ের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর দফতর হয়ে ওঠে অসাংবিধানিক কাজের আখড়া?

    National Emergency: জরুরি অবস্থায় সঞ্জয়ের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর দফতর হয়ে ওঠে অসাংবিধানিক কাজের আখড়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি অবস্থার (National Emergency) ২১ মাসে অসাংবিধানিক কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছিল প্রধানমন্ত্রী দফতর, এমনই দাবি পিএন. ধরের। যিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রধান সচিব। জরুরি অবস্থার সময় (১৯৭৫-১৯৭৭) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতর এক ধরনের অসাংবিধানিক কার্যকলাপের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছিল, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন ইন্দিরা গান্ধীর তৎকালীন মুখ্যসচিব পিএন. ধর। তাঁর লেখা বই “Indira Gandhi, Emergency and Indian Democracy”–তে। ধরের অভিযোগ, ইন্দিরা গান্ধীর ছোট ছেলে সঞ্জয় গান্ধী-র প্রত্যক্ষ প্রভাবেই প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কার্যক্রম বিপথ পরিচালিত হতে থাকে। তিনি লিখেছেন, মোরারজি দেশাইয়ের রাজনৈতিক ক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে সঞ্জয় গান্ধী ও ইন্দিরা গান্ধীর সরকারি বাসভবনকে কার্যত প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল।

    সঞ্জয় গান্ধীর প্রভাব (National Emergency)

    তিনি আরও জানান, সঞ্জয় গান্ধী, হরিয়ানার কংগ্রেস নেতা বংশী লাল, এবং তাঁদের অনুগতরা জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেসের অভ্যন্তরে একচ্ছত্র প্রাধান্য অর্জন করেন। এই সময় তাঁরা সংবিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনকি, একটি নতুন গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান রচনার কথাও ভাবা হয়েছিল। পি. এন. ধর লেখেন, ইন্দিরা গান্ধীও এই প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন।

    ইন্দিরা গান্ধী বেশি চিন্তিত ছিলেন সঞ্জয় গান্ধীকে নিয়ে

    ধরের মতে, ইন্দিরা গান্ধী সবচেয়ে বেশি চিন্তিত (National Emergency) ছিলেন সঞ্জয় গান্ধীকে নিয়ে। কারণ, সঞ্জয়ের দাদা রাজীব গান্ধী তাঁর আচরণে বিরক্ত ছিলেন। পি. এন. ধর লেখেন, একদিন রাজীব গান্ধী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসে বলেন, তিনি মায়ের জন্য খুব চিন্তিত, কিন্তু ভাইয়ের কার্যকলাপের ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ অসহায়। তিনি বলেন, “আমি কেবল দর্শক মাত্র।”

    কমিউনিস্ট তত্ত্বকেই মেনে নেন ইন্দিরা গান্ধী

    পি. এন. ধর আরও এক বিস্ফোরক দাবি করেন। জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীর বন্ধু ছিল কমিউনিস্টরা। বামপন্থীদের মতে, জেপি আন্দোলন ছিল আমেরিকার মদতপুষ্ট ফ্যাসিবাদী ষড়যন্ত্র। ইন্দিরা গান্ধী এই ধারণাকেই গ্রহণ করেন, যার ফলেই জরুরি অবস্থা (National Emergency) জারি করা হয়, এমনটাই মত পিএন ধরের। পিএন ধর (PN Dhar) তাঁর বইতে আরও লেখেন ১৯৭৭ সালের ১৮ জানুয়ারি, ইন্দিরা গান্ধী হঠাৎ ঘোষণা করেন যে লোকসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং দুই মাস পরেই নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা বিলোপের সুফল! রেকর্ড ভোট পড়ল বারামুল্লায়, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা বিলোপের সুফল! রেকর্ড ভোট পড়ল বারামুল্লায়, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা (Baramulla) লোকসভা কেন্দ্রে গতবারের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি ভোট পড়ল (Lok Sabha Election 2024)। ভোটারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অমিত শাহ।  ভোতারদের সাধুবাদ জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটিনেন্ট গভর্নার।

    প্রায় ৫৮ শতাংশর বেশি ভোট পড়েছে বারামুল্লায়

    প্রায় ৫৮ শতাংশর বেশি ভোট পড়েছে জম্মু কাশ্মীরের বারামুল্লায় (Baramulla)। পশ্চিমবঙ্গের নিরিখে এই সংখ্যা কম মনে হলেও কাশ্মীরে এই সংখ্যা আশাজনক। রাজনীতিবিদরা বলছেন এই লোকসভা কেন্দ্রের মানুষ যেন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হলেন এই বার্তাই উঠে এসেছে (Lok Sabha Election 2024)। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ আবার প্রমাণ করল তাঁরা গণতন্ত্রের পক্ষে। এমনকী, এদিন ভোট দিয়েছে জঙ্গিদের পরিবারের সদস্যরাও। ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর এবার প্রথম ভোট ছিল প্রথম লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024)। আগের সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে ৫৮ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে এবার। ১৯৮৪ সালের পর শতাংশের বিচারে এটাই ছিল সেবচেয়ে বেশি। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পি কে পাল বলেন, “আমি বারামুল্লার মানুষকে অভিনন্দন জানাতে চাই। তাঁরা নানান অসুবিধা সত্ত্বেও এবার এত সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু পার্বত্য এলাকা রয়েছে। যেখানে তুষারপাত হয়। তা সত্ত্বেও ভোট দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বারামুল্লার বাসিন্দারা। 

    ব্যালটের বদলে এখানে ছিল বুলেটের দাপাদাপি

    একটা সময় ছিল যখন জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করাতে গিয়ে কালঘাম ছুটে যেত নির্বাচনী আধিকারিকদের। ব্যালটের বদলে এখানে ছিল বুলেটের দাপাদাপি। বহু জায়গায় ভোট বয়কট হত। ভোটকেন্দ্রে হামলা করত জঙ্গিরা। কিন্তু ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর এখন সে সব দিন যেন অতীত। ভারতের আর পাঁচটা কেন্দ্রের মতই এবার ভোট হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে (Lok Sabha Election 2024)। সক্রিয় লস্কর জঙ্গি ওমরের ভাই রউফ আহমেদ এবার বারামুল্লার (Baramulla)  উসু গ্রাম থেকে ভোট দিয়েছেন। তিনি সন্ত্রাসীদের হিংসা বন্ধ করে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    রউফ এদিন বলেন, “আমি নিজের ইচ্ছামত পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। আমি, আমার মা এবং ভাইদের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। ভোট আমাদের একমাত্র অধিকার আদায়ের উপায়। আমার ভাই ছয় বছর ধরে সক্রিয় লস্করের জঙ্গি। আমি তাঁকে দেশে ফিরে সুস্থ উপায় জীবন যাপন করার আবেদন জানাই।” এদিন বারামুল্লার (Baramulla) সমস্ত ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই সকাল থেকে ভোটারদের ভিড় জমে ছিল (Lok Sabha Election 2024)। স্থানীয় মানুষরা তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন ভোটাধিকারের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।  

    বারামুল্লার জনতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করেন

    বারামুলার জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ বলেছেন। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। আজ, বারামুল্লা লোকসভা কেন্দ্রে গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় 20 শতাংশ বেশি ভোটার উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “শান্তি ও উন্নয়নের দিকে সরকারের প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থাকে শক্তিশালী করেছে। শাহের মতে, “এখন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে কাশ্মীরে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য মোদি সরকারের প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থাকে শক্তিশালী করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    Loksabha Election 2024: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফায় (5th Phase) ভারতের ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন (Loksabha Election 2024) সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার রাত ১১:৩০ পর্যন্ত মেলা পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  ৬টি রাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৬০.০৯ শতাংশ ভোটার তাঁদের মত প্রয়োগ করেছেন। এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। পঞ্চম দফা মিলিয়ে দেশের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ৪২৮টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। লোকসভার সঙ্গেই অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশার বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

    কোথায় কত ভোট পড়ল (Loksabha Election 2024)

    ইসিআই-এর তথ্য অনুসারে, বিহারে ৫৪.৮৫ শতাংশ, জম্মু ও কাশ্মীরে ৫৬.৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একইভাবে, ঝাড়খণ্ডে ৬৩.০৭ শতাংশ, লাদাখে ৬৯.৬২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রে ৫৪.২৯ শতাংশ, ওড়িশায় ৬৭.৫৯ শতাংশ, উত্তর প্রদেশে ৫৭.৭৯ শতাংশ এবং পশ্চিমবঙ্গে ৭৪.৬৫ শতাংশ ভোট হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও এসবিআই রিসার্চ রিপোর্ট অনুসারে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কোটি বেশি ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। চলমান লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম চার ধাপে ৪৫.০১ কোটি ভোটার ভোট দিয়েছেন। শতাংশের বিচারে মোট ভোটারদের ৬৬.৯৫ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোট দিয়েছেন। শতাংশের ভিত্তিতে, ২০১৯ সালের নির্বাচনের প্রথম চারটি পর্ব শেষে ভোটারদের ভোটের হার ছিল ৬৮.১৫ শতাংশ। এবার সেই তুলনায় কম ভোট পড়েছে।

    রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ

    পঞ্চম দফায় একাধিক জায়গায় শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে সংঘর্ষ লক্ষ্য করা গেছে। গোলমালের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিরোনামে। একদিকে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে ঘেরাও করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয় তৃণমূল নেত্রী অসীমা পাত্রর নেতৃত্বে।

    আরও পড়ুন: “১৫ বছরে বিশ্বের মোট জিডিপিতে ৩০ শতাংশ অবদান থাকবে ভারতের”, দাবি জি২০ শেরপার

    তবে অশান্তির খবর শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছে এমনটা নয়, মুম্বাইয়ের সিয়ন এলাকার কংগ্রেস এবং বিজেপি সমর্থকরা লিটল এঞ্জেল স্কুলের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বিজেপির অভিযোগ কংগ্রেস কর্মীরা ভোট কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার স্লিপ বিলি করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল।

    ভোট দিলেন সেলিব্রিটিরা

    এদিন মুম্বাইয়ে সেলিব্রিটিরা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভোট দিলেন। লাইনে দাঁড়িয়ে। সেলিব্রিটিদের পাশে পেয়ে ভোটাররাও সেলফি তুললেন তাদের সঙ্গে। অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও সাধারণ ভোটারকে ভোট দানের দিন উদ্বুদ্ধ করেছেন। এমন অনেক অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও রয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল। ২৫ মে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ৫৮ টি লোকসভা আসনে। ১ জুন সপ্তম দফার নির্বাচন (Loksabha Election 2024) শেষ হবে এবং ৪ জুন গণনা সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Democracy: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে আমি অন্তর থেকে কুর্নিস করি,” বললেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ কর্তা

    Indian Democracy: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে আমি অন্তর থেকে কুর্নিস করি,” বললেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে (Indian Democracy) আমি আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে কুর্নিস করি।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি নিজেও একজন মুসলমান। বুধবার মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সেক্রেটারি জেনারেল মহম্মদ বিন আবদুরকরিম আল-লাসা ভারতীয় দর্শন ও সংস্কৃতিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাঁচ দিনের সফরে সৌদি আরব-ভিত্তিক ওই সংগঠনের কর্তা এসেছেন ভারতে। ১০ জুলাই পা রেখেছেন এ দেশে।

    ‘ডায়লগ ফর হারমোনি অ্যামঙ্গ রিলিজিয়ানস’

    এদিন তিনি যোগ দিয়েছিলেন ‘ডায়লগ ফর হারমোনি অ্যামঙ্গ রিলিজিয়ানস’ শীর্ষক এক আলোচনা চক্রে। সেখানেই ভারতীয় গণতন্ত্রের জয়গান করেন আল-লাসা। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং এ দেশের বুদ্ধিজীবী ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-পর্ব সেরেছেন। এর পরেই তিনি বলেন, “হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আমি ভারতীয় গণতন্ত্রকে (Indian Democracy) স্যালুট করি। স্যালুট করি ভারতের সংবিধানকেও। ভারতীয় দর্শন এবং ঐতিহ্য যা তামাম বিশ্বকে ঐক্যের শিক্ষা দেয়, তাকেও আমি কুর্নিস করি।” ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে, তাদের সঠিক পথ দেখাতে হবে।”

    ‘ধর্মীয় দ্বন্দ্বের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’

    মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “যখনই দুজন মানুষের মধ্যে আলোচনার অভাব দেখা দেয়, তখনই ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে, সমস্যা দেখা দেয়। তাই দু পক্ষের মধ্যে আলাপচারিতার সেতুবন্ধন খুবই জরুরি। সভ্যতার সংঘর্ষ এড়াতে আমাদের প্রয়োজন শৈশব থেকে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করা, গাইড করা।”

    তিনি বলেন, “ভারতে যে শান্তিপূর্ণভাবে সব ধর্মের মানুষ সহাবস্থান করছেন, যা আমি চাক্ষুষ করেছি, তা এক কথায় ইউনিক। ধর্মীয় মৌলবাদ যাতে মাথাচাড়া (Indian Democracy) দিতে না পারে তাই ধর্মীয় দ্বন্দ্বের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। ভ্রান্ত ধারণা, ঘৃণা ভাষণ এবং ভুল ব্যাখ্যা মৌলবাদ থেকে সন্ত্রাসবাদের পথ প্রশস্ত করে।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে ভয়াল সৌরঝড়, অকেজো হয়ে যাবে ইন্টারনেট পরিষেবা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share