Tag: Indian Economy

Indian Economy

  • Mossad: বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী? দাবি মোসাদের

    Mossad: বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী? দাবি মোসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির জমানায় হাল ফিরেছে ভারতের অর্থনীতির। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের স্থান এখন পাঁচ নম্বরে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কীভাবে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন, তা ফাঁস করেছে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ (Mossad)। এই মোসাদ রাহুল এবং কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা স্যাম পিত্রোদার ওপর গোপনে নজরদারি অভিযান চালায় বলে অভিযোগ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে এই অভিযান শুরু হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিরোধী দলীয় নেতাদের বিতর্কিত আমেরিকান শর্ট-সেলার সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজে বের করা।

    স্পুটনিকের খবর (Mossad)

    রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্পোরেট জালিয়াতির অভিযোগ এনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই মোসাদ এই বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে। এই প্রতিবেদনের প্রভাবে আদানি গ্রুপের বাজার মূল্য প্রায় ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কমে যায়। বড়সড় ধস নামে ভারতের শেয়ার বাজারে।

    হাইফা বন্দরের শেয়ার

    ওই সময় আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন (এপিএসইজেড) ইজরায়েলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাইফা বন্দরের অধিকাংশ শেয়ার কেনার জন্য ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল। ১৮ মাসের প্রতিযোগিতামূলক দরাদরির পর সম্পন্ন হয় চুক্তি। এই চুক্তিকে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইইসি) প্রকল্পের মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছিল (Rahul Gandhi)।

    নেতানিয়াহুর প্রশ্ন

    হাইফা বন্দর অধিগ্রহণের সভায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানিকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “হিন্ডেনবার্গের এই প্রতিবেদনটি আপনার ব্যবসার জন্য একটি বড় হুমকি, তাই না?” আদানি সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে উত্তর দিয়েছিলেন, “একেবারেই না। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা (Mossad)।”
    তবে নেতানিয়াহুকে অপ্রতিভ দেখাচ্ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছিলেন, “আপনি যদি কোনও হুমকি না-ও দেখেন, আমাদের সতর্ক থাকতেই হবে। এটি আপনাকে দুর্বল করলে শুধু এই বন্দর চুক্তিই নয়, ভারতের সঙ্গে যে সম্পর্ক আমরা গড়ে তুলেছি, তা নষ্ট হতে পারে।” হিন্ডেনবার্গের অভিযোগগুলিকে ইজরায়েলের স্বার্থের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণ বলে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু আদানিকে আশ্বস্ত করেন, “ইজরায়েল তার বন্ধুদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এটি খতিয়ে দেখব।” এর পরেই আদানির অজান্তেই নেতানিয়াহু মোসাদকে সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেন।

    অপারেশন জেপেলিন

    স্পুটনিকের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে চালু হয় অপারেশন জেপেলিন। এটি একটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহমূলক উদ্যোগ, যা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট ও তার পরবর্তী প্রভাব পরিকল্পনা বা সমর্থনকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। মোসাদের দুটি এলিট ইউনিট – টজমেট এবং কেশেত তৎপরতা শুরু করে। তাদের মিশন ছিল প্রতিবেদনের উৎস ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করা, যাকে কেবল একটি কর্পোরেট আক্রমণ নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারত-ইসরায়েলি জোটের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে ভূ-অর্থনৈতিক আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় (Mossad)।

    মোসাদের দাবি

    হিন্ডেনবার্গের প্রতিষ্ঠাতা নাথান অ্যান্ডারসন ও তাঁর নিউ ইয়র্ক-ভিত্তিক অফিসকে নজরদারির আওতায় আনা হয়। মোসাদের দাবি, এই ষড়যন্ত্রে অ্যাক্টিভিস্ট ল’ইয়ার, সিমপ্যাথেটিক মিডিয়া আউটলেট, হেজ ফান্ড এবং হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক নেতারা জড়িত রয়েছেন। তাদের আরও দাবি, এই ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন, ডিপ স্টেট এবং জর্জ সরোসের সঙ্গে যুক্ত।মোসাদের তদন্তের অভিমুখ শীঘ্রই ঘুরে যায় ভারতের বিশিষ্ট বিরোধী নেতাদের দিকে, যার মধ্যে রয়েছেন রাহুল গান্ধী ও স্যাম পিত্রোদা। স্পুটনিকের দাবি, পিত্রোদার আমেরিকা-ভিত্তিক বাড়ির সার্ভার থেকে পাওয়া এনক্রিপ্টেড তথ্য থেকে গোপন যোগাযোগ ও ব্যাকচ্যানেল আলোচনার প্রমাণ মিলেছে, যা তাঁদের হিন্ডেনবার্গ ও এর গ্লোবাল সমর্থকদের সঙ্গে যুক্ত করছে।

    ‘বিটার ডাইনাস্ট’

    এই দাবি অনুযায়ী, মোসাদের অভ্যন্তরীণ নথিতে যাকে ‘বিটার ডাইনাস্ট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই রাহুল গান্ধী আদানি গোষ্ঠী ও মোদি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে হিন্ডেনবার্গের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সমন্বয় সাধন করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে রাহুল ক্যালিফোর্নিয়ার প্যালো অল্টোয় ছিলেন, যেখানে তিনি হিন্ডেনবার্গ অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেন। অন্যদিকে, ব্লিৎসের তদন্ত রিপোর্ট বলছে, নিউ ইয়র্কে নাথান অ্যান্ডারসনের সঙ্গে রাহুলের গোপন বৈঠকও হয়েছে (Mossad)।

    যদিও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস হিন্ডেনবার্গ, সোরোস বা কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের সাফ কথা, এই অভিযোগগুলি হিন্ডেনবার্গ প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু থেকে মনোযোগ সরাতে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিজের দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা যতই মহৎ হোক না কেন, কখনওই ন্যায্য হতে পারে না। মোসাদের ‘অপারেশন জেপেলিনে’ প্রকাশিত তথ্য যদি সত্যি হয়, তাহলে রাহুল গান্ধীর বিদেশি শক্তির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ – যার মধ্যে রয়েছেন ডিপ স্টেটের (Rahul Gandhi) এজেন্টরা, জর্জ সরোস এবং অন্যান্য ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্ক –রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে (Mossad)।

  • India’s GDP: জিডিপি বৃদ্ধি ১০ বছরে দ্বিগুণ! জাপান-জার্মানিকে শীঘ্রই ছাপিয়ে যাবে ভারতের অর্থনীতি, বলছে আইএমএফ

    India’s GDP: জিডিপি বৃদ্ধি ১০ বছরে দ্বিগুণ! জাপান-জার্মানিকে শীঘ্রই ছাপিয়ে যাবে ভারতের অর্থনীতি, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আর্থিক বৃদ্ধির হারে নতুন মাইলফলক ছুঁল ভারত। ১০ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট (India’s GDP)। ২০১৫ সালে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ২.১ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার। চলতি বছরে সেটাই বেড়ে ৪.৩ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১০৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে জিডিপির সূচক। বিশ্ব অর্থনীতির নিরিখে এ এক অভূতপূর্ব উদাহারণ দাবি, অর্থনীতিবিদদের।

    সাফল্যের খতিয়ান

    ভারতীয় অর্থনীতি গত এক দশকে এক অভূতপূর্ব সাফল্যের গল্প রচনা করেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, গত ১০ বছরে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৫ সালে ভারতের জিডিপি ছিল ২.১ লক্ষ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ৪.৩ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ১০৫ শতাংশ, যা আমেরিকা, চিনের মতো বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এই অসাধারণ প্রবৃদ্ধির ফলে ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের স্থান আরও মজবুত করেছে।

    আমেরিকা-চিনকে তুলনামূলক টেক্কা

    আইএমএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আমেরিকার জিডিপি ১৮.৩ লক্ষ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৩০.৩ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছবে, যা ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অন্যদিকে, চিনের জিডিপি ১১.১ লক্ষ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ১৯.৫ লক্ষ কোটি ডলার হবে, যা ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধির হার দেখায়। এই দুই অর্থনৈতিক মহাশক্তির তুলনায় ভারতের ১০৫ শতাংশ বৃদ্ধি স্পষ্টতই একটি বড় অর্জন। এই তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, ভারত (India’s GDP) শুধু নিজের অর্থনীতির আকার বাড়িয়েছে তাই নয়, বরং বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগিয়ে গিয়েছে।

    চিনের কাছে বড় ধাক্কা

    আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের মুদ্রাস্ফীতি সমন্বিত তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে ভারতের জিডিপি (India’s GDP) ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দুনিয়ার সেরা পাঁচটি অর্থনৈতিক দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই দেশ। এই গতি বজায় থাকলে চলতি বছরে আর্থিক বৃদ্ধির নিরিখে জাপানকে ছাপিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সে ক্ষেত্রে ২০২৭ সালে ভারতের কাছে হার মানবে জার্মানি। এই একই সময়ে চিনের জিডিপি ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালে ড্রাগনের অর্থনীতি ছিল ১১.২ লক্ষ কোটি ডলারের। এ বছরে সেটা বেড়ে ১৯.৫ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ২০২০ সালে কোভিড অতিমারি শুরু হলে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে বেজিংয়ের আর্থিক বৃদ্ধির সূচক। একটা সময়ে অবশ্য জিডিপির নিরিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মান্দারিনভাষীদের দেশটি ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। সেই অনুমান বাস্তবায়িত হয়নি।

    বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি

    বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসাবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে আমেরিকা। ২০১৫ সালে ২৩.৭ লক্ষ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি। এ বছর সেটাই বেড়ে ৩০.৩ লক্ষ কোটি ডলার হয়েছে। অর্থাৎ, গত ১০ বছরে ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে মার্কিন অর্থনীতি।

    অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের অবস্থান

    আইএমএফ-এর রিপোর্টে বিশ্বের অন্যান্য প্রধান অর্থনীতির তুলনাও দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানির জিডিপি ২০১৫ সালে ৩.৪ লক্ষ কোটি ডলার থেকে ২০২৫ সালে ৪.৯ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছবে, যা ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি। জাপানের জিডিপি ৪.৪ লক্ষ কোটি ডলারে স্থির থাকবে, অর্থাৎ গত ১০ বছরে কোনও বৃদ্ধি ঘটেনি। ব্রিটেনের জিডিপি ২.৯ লক্ষ কোটি থেকে ৩.৭ লক্ষ কোটি ডলারে উন্নীত হবে (২৮% বৃদ্ধি), ফ্রান্সের জিডিপি ২.৪ থেকে ৩.৩ লক্ষ কোটি ডলার (৩৮% বৃদ্ধি), এবং ইটালির জিডিপি ১.৮ থেকে ২.৫ লক্ষ কোটি ডলার (৩৯% বৃদ্ধি) হবে। এছাড়াও, কানাডার জিডিপি ১.৬ থেকে ২.৩ লক্ষ কোটি ডলার (৪৪% বৃদ্ধি), ব্রাজিলের ১.৮ থেকে ২.৩ লক্ষ কোটি ডলার (২৮% বৃদ্ধি), রাশিয়ার ১.৪ থেকে ২.২ লক্ষ কোটি ডলার (৫৭% বৃদ্ধি), দক্ষিণ কোরিয়ার ১.৫ থেকে ১.৯ লক্ষ কোটি ডলার (২৭% বৃদ্ধি), অস্ট্রেলিয়ার ১.২ থেকে ১.৯ লক্ষ কোটি ডলার (৫৮% বৃদ্ধি), এবং স্পেনের ১.২ থেকে ১.৮ লক্ষ কোটি ডলার (৫০% বৃদ্ধি) হবে। এই তথ্য থেকে স্পষ্ট যে, ভারতের বৃদ্ধির হার অন্য কোনও বড় অর্থনীতির কাছাকাছিও নেই।

    মোদি-সরকারের সাফল্য

    ভারতের (India’s GDP) এই সাফল্য় নিয়ে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “এই অবিশ্বাস্য সাফল্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফলপ্রসূ নেতৃত্ব এবং তাঁর সরকারে প্রচেষ্টার ফল। লাভজনক অর্থনীতি, কাঠামোগত পরিবর্তন এবং বাণিজ্যিক পদ্ধতি সহজ করার ফলেই আজ মোদি সরকার ভারতকে বিশ্বের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। স্বাধীনতার পর এই সাফল্য আগে কোনও সরকার পায়নি। এতে শুধু ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিই হচ্ছে না, একইসঙ্গে গ্লোবাল পাওয়ারহাউসগুলিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।”

  • Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে (Nirmala Sitharaman)। ১৭ নভেম্বর এক নেটিজেন তাঁকে ওই অনুরোধ করেন।

    অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে পোস্ট (Nirmala Sitharaman)

    জনৈক তুষার শর্মা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “সীতারামন আমরা আপনার প্রচেষ্টা ও দেশের প্রতি অবদানের গভীর প্রশংসা করি এবং আপনার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের (Inflation) বিষয় বিবেচনা করুন। আমি জানি এর সঙ্গে জড়িত বিশাল চ্যালেঞ্জগুলি, কিন্তু এটি কেবল একটি আন্তরিক অনুরোধ।”

    অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    পোস্টটি দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জগুলি স্বীকার করার জন্য শর্মাকে ধন্যবাদও জানান মন্ত্রী। জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সরকার একটি প্রতিক্রিয়াশীল সরকার। সীতারামন তাঁর উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন, “আপনার দয়ালু শব্দ এবং আপনার বোঝার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার উদ্বেগ স্বীকার করি এবং তার মূল্যায়ন করি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একটি রেসপন্সিভ সরকার। জনগণের কণ্ঠ শোনে এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেয়। আবার একবার আপনার বোঝার (চ্যালেঞ্জগুলো) জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত মূল্যবান।”

    জানা গিয়েছে, ভারতের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যের দর বৃদ্ধির কারণে ২.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, অক্টোবর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি হবে ২.২ শতাংশের কাছাকাছি। সেপ্টেম্বর মাসে এটাই ছিল ১.৮৪ শতাংশ। পাইকারি মূল্য সূচক, যা উৎপাদকের মূল্য সূচক হিসেবে কাজ করে, নভেম্বর ২০২৩ থেকে ইতিবাচকই ছিল। এক বছর আগে এটি ছিল -০.২৬ শতাংশ (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি, যা সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বার্ষিক ভিত্তিতে ১১.৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৪৭ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৩.২১ শতাংশ। উচ্চ খাদ্যমূল্যের কারণে ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি, যা উপভোক্তা মূল্য সূচক ভিত্তিক, অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.২১ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল শাকসবজি ও ফলমূলের দাম (Inflation), যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৬৩.০৪ ও ১৩.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Indian Economy: ২০২৭-এর মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    Indian Economy: ২০২৭-এর মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় দেশের আর্থিক বৃদ্ধির (Indian Economy) হার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি! এমন কথাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা আইএমএফ। আন্তর্জাতিক এই সংস্থার মুখ্য অর্থনীতিবিদ হলেন গীতা গোপীনাথ। শুক্রবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গীতা গোপীনাথ বলেন, ‘‘২০২৭ সালের মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি (Indian Economy) বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হবে।’’ প্রসঙ্গত, গীতা গোপীনাথ হলেন আইএমএফ-এর প্রথম মহিলা মুখ্য অর্থনীতিবিদ। তিনি আরও দাবি করেছেন যে, তিন বছরের মধ্যেই আমেরিকা এবং চিনের পরে ঠাঁই হবে ভারতের। অর্থাৎ মোদি জমানায় দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি যে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছে, তাতেই এবার সিলমোহর দিতে দেখা গেল আইএমএফ-কে।

    ভারতীয়দের ব্যক্তিগত খরচের হার আবার বেড়ে গিয়েছে (Indian Economy)

    গীতা গোপীনাথ শুক্রবার আরও বলেন, ‘‘ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার গত অর্থবর্ষে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো ছিল। সেই প্রভাবগুলি এই অর্থবর্ষের জন্য আমাদের পূর্বাভাসকে (Third Largest Economy) প্রভাবিত করছে। অন্য কারণটি হল, আমরা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখছি, ভারতীয়দের ব্যক্তিগত খরচের হার (ভোগ্যপণ্য কেনার নিরিখে) আবার বেড়ে গিয়েছে।’’ তবে শুধু আইএমএফ নয়, এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই ব্যাঙ্কিং বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনীতি মূল্যায়নের রিপোর্ট সামনে আসে। সেখানে বলা হয়েছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে জাপান এবং জার্মানিকে টপকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত।

    প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বারবার উঠে এসেছে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কথা

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির কথাতেও বারবার উঠে এসেছে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কথা। গত বছর ২০২৩ সালেই লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘‘২০২৭-এর মধ্যেই জাপান এবং জার্মানিকে ছাড়িয়ে তৃতীয় বৃহত্তম শক্তিতে (Indian Economy) পরিণত হবে ভারত। আমাদের লক্ষ্য, ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষে পদার্পনের আগে ৩৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি হয়ে ওঠা।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে আইএমএফ (Third Largest Economy) প্রকাশ করে ‘ওয়ার্ল্ড ইকনমিক আউটলুক’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতে জিডিপি (মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন) বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ ছুঁতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে ভারতীয় অর্থনীতির, বড় খবর শোনালেন নাগেশ্বরণ

    Indian Economy: মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে ভারতীয় অর্থনীতির, বড় খবর শোনালেন নাগেশ্বরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, তখন দেশে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকা (Indian Economy)। বর্তমানে যা মাথাপিছু আয় রয়েছে, তার সাতগুণ বেড়ে যাবে আগামী ২৪ বছরে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই আশার কথা শোনালেন ভারতের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণ (Chief Economic Advisor Nageswaran)।

    কী বললেন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা?

    তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেও ভারত থাকবে দ্রুততম বর্ধনশীল মেজর অর্থনীতির দেশ (Indian Economy)। ২৩ জুলাই, মঙ্গলবার সংসদে চলছে বাজেট-পেশ পর্ব। তার আগে সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করেন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। সংসদ থেকে বেরিয়ে করেন সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই আশার বাণী শোনান নাগেশ্বরণ। এদিন সংসদে যে ইকনোমিক সার্ভে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার হবে ৬.৫ থেকে ৭ শতাংশ।

    ভারতের মাথাপিছু আয়

    তিনি যে ভুল কিছু বলেননি, তার প্রমাণ মেলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার, ওইসিডি, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, এস অ্যান্ড পি, এডিবি এবং ফিচের রিপোর্টেও। এই সংস্থাগুলোও জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে শতাংশের হিসেবে ভারতে বৃদ্ধির হার থাকবে ৬.৬ থেকে ৭.২ এর মধ্যে। যার অর্থ হল, নরেন্দ্র মোদির জমানায় চড়চড়িয়ে উঠছে ভারতীর অর্থনীতির উন্নতির গ্রাফ (Indian Economy)। এদিন ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট পেশের পর মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় ২.১২ লাখ টাকা। মার্কিন ডলারের নিরিখে অঙ্কটা দাঁড়ায় ২৫০০-এ। স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এটাই বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকায়। তিনি জানান, গত এক দশকে ভারতে মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ (Indian Economy)। প্রসঙ্গত, এই সময়টাই কেন্দ্রের কুর্সিতে রয়েছেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    সরকারি পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে (Chief Economic Advisor Nageswaran), ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতে জিডিপির হার বেড়েছিল ৮.২ শতাংশ। তার আগের অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ছিল ৭.২ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.৭ শতাংশ। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার শপথ নেওয়ার সময় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১০ নম্বরে। বর্তমানে ওই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। অচিরেই জাপানকে টপকে গিয়ে ভারত চতুর্থ স্থান দখল (Indian Economy) করে নেবে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করলেন তিনি। রিপোর্ট পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘করোনা পরিস্থিতির পর একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল দেশের অর্থনীতি। তবে বর্তমানে দেশের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।’’ এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মুদ্রাস্ফীতির সূচক ৪.৫ শতাংশ স্থির করেছে।

    ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল 

    এদিন যে রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করা হয়েছে সেখানে এও বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, চলতি অর্থবর্ষে বৃষ্টিপাত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমী মৌসুমী বায়ুর সন্তোষজনক বিস্তারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতি হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে বলে বলা হয়েছে রিপোর্টে। আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ‘‘ভারতীয় অর্থনীতি একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল।’’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘শেষ অর্থবর্ষের চারটি ত্রৈমাসিকের মধ্যে তিনটিতেই আর্থিক বৃদ্ধি (Indian Economy) ছিল ৮ শতাংশের বেশি। ২০২৩ এবং ২০২৪ অর্থবর্ষে উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আগামী বছরেও দেখা যাবে।’’

    ২০২৩ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪ অর্থবর্ষে (Indian Economy) মুদ্রাস্ফীতি ১.৩ শতাংশ কমেছে

    অন্যদিকে ২০২৩ অর্থবর্ষের ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ ২০২৪ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়েছিল। কৃষকরা কৃষি কাজ করতে গিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন।

    আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে

    এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে বেকারত্বের কথাও উল্লেখ রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে। এর পাশাপাশি করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসংস্থান বেড়েছে বলেও বলা হয়েছে ওই রিপোর্টে (Indian Economy)। এর ফলে ভারতের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মহিলাদের কাজ করার হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মহিলাদের কাজ করার হার ছিল ২৩.৩ শতাংশ। গত ছয় বছর ধরে সেই হার বেড়েই গিয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এই হার দাঁড়ায় ৩৭ শতাংশে। রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে গ্রামের মহিলাদের কাজ করার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির যেখানে হাঁড়ির হাল, সেখানে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছ ভারত (Indian Economy)। বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। দেশ যে অচিরেই জাপানকে সরিয়ে চতুর্থ স্থান দখল করবে, সে বিষয়ে আশাবাদী অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশ।

    কী বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট (Indian Economy)

    এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়ে দিল ভারতের অর্থনীতি এবং ফাইনানসিয়াল সিস্টেম দাঁড়িয়ে রয়েছে মজবুত ভিতের ওপর। ভারতের এই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ২৭ জুন প্রকাশ করে ২৯তম ফাইনানসিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট (Indian Economy)। সেখানেই জানা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতির ভিত্তি যথেষ্ঠ মজবুত। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই রিপোর্টেই প্রকাশ, ভারতের তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, বাড়ছে লভ্যাংশ। এর পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণভাবে হ্রাস পেয়েছে নন পারফর্মিং অ্যাসেটসের পরিমাণ।

    ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও এবং নেট নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও একধাক্কায় কমে গিয়েছে অনেকখানি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হ্রাসের পরিমাণ যথাক্রমে ২.৮ এবং ০.৬ শতাংশ। যার জেরে মজবুত হয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, ক্যাপিটেল টু রিস্ক-ওয়েট অ্যাসেটস রেসিও এবং কমন ইক্যুয়ালিটি টায়ার ওয়ান রেসিও দাঁড়িয়ে রয়েছে যথাক্রমে ১৬.৮ শতাংশ এবং ১৩.৯ শতাংশে।

    আর পড়ুন: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    নন-ব্যাঙ্কিং ফাইনানসিয়াল কোম্পানিগুলির পারফরম্যান্সও চোখ ধাঁধানো। এদের ক্যাপিটেল টু রিস্ক ওয়েড অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ২৬.৬ শতাংশে, গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশে। মার্চের শেষে রিটার্ন অন অ্যাসেটসের পরিমাণ হয়েছে ৩.৩ শতাংশ। এই সব পরিসংখ্যানই জানিয়ে দেয় ভারতীয় অর্থনীতির মজবুত ভিতের কথা।

    ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের চতুর্থ বা শেষ ত্রৈমাসিকে এই প্রথমবার ভারতের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে ৫.৭ বিলিয়ন ডলার, যেটাকে অন্যভাবেও বলা যায় যে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে জিডিপির ০.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধি পূর্বতন ত্রৈমাসিকের তুলনায় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সেইসময়ে (Indian Economy) কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সে ডেফিসিট ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘স্টেবল’ তকমা আগেই জুটেছিল। এবার মিলল ‘পজিটিভ’ ছাপও। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংয়ের (S&P Global Rating) তরফে এভাবেই ‘গুণকীর্তন’ করা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির। ভারতীয় অর্থনীতির এই বদল যে আসলে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই প্রমাণ করে, তাও জানানো হয়েছে ওই রেটিং সংস্থার তরফে। বুধবার সংস্থার তরফে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে ভারতের ক্রেডিট রেটিং উল্লেখ করা হয়েছে ‘বিবিবি-’। ‘বিবিবি মাইনাস’ হল সর্বনিম্ন বিনিয়োগ গ্রেড রেটিং দেওয়া।

    কী বলছে রেটিং সংস্থা? (S&P Global Rating)

    সংস্থার (S&P Global Rating) তরফে বলা হয়েছে, আগামী দু-তিন বছরের মধ্যেই আমূল বদলে যাবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল। গত দশ বছরে ভারত সরকার যে অর্থনৈতিক সংস্কার করে চলেছে, তার জেরেই ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি। রেটিং ওই সংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, ভারতীয় অর্থনীতির দৃঢ় প্রবৃদ্ধি, তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরকারি ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের অর্থনীতি মজবুত করার যে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে সরকার, তার জেরেই দেশের অর্থনীতির এই উৎকর্ষ সাধন। এস অ্যান্ড পি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আমরা বিশ্বাস করি এই ফ্যাক্টরগুলি এবং ক্রেডিট মেরিটের সুফলই পাচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি।” রেটিং সংস্থার মূল্যায়নকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, ‘‘এস অ্যান্ড পি-র সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আগামী বছরগুলিতে ভারতের মজবুত বৃদ্ধির হার এবং দেশের অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রতিফলিত হচ্ছে।’’ 

    আউটলুক পরিবর্তনের অর্থ

    এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং (S&P Global Rating) হল একটি মার্কিন মূল্যায়ন সংস্থা। এটি এস অ্যান্ড পি গ্লোবালের একটি বিভাগ যা স্টক, বন্ড এবং পণ্যের ওপর আর্থিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করে।আউটলুক পরিবর্তন মানে আগামী দু’বছরে রেটিং আপগ্রেড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, “বর্তমানে ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আর্থিক ঘাটতি, উচ্চ ঋণপত্র এবং করের বোঝা। তা সত্ত্বেও, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি অটূট।” সংস্থার আশা, আর্থিক ঘাটতির হার চলতি অর্থবর্ষে ৭.৯ শতাংশ থেকে কমে  ২০২৮ অর্থবর্ষ নাগাদ ৬.৮ শতংশ হতে পারে। সংস্থাটির মতে, আগামী তিন বছর ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার যদি ৭ শতাংশ থাকে, তাহলে অচিরেই জিডিপি ও ঘাটতির অনুপাত কমে আসবে। এস অ্যান্ড পি তাদের রিপোর্টে বলেছে, “ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিফলিত করে যে অব্যাহত নীতিগত স্থিতিশীলতা, গভীরতর অর্থনৈতিক সংস্কার এবং উচ্চ পরিকাঠামো বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রাখবে।”

    আর পড়ুন: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    ভারতের অর্থনীতির ভিত যে ক্রমেই মজবুত হচ্ছে, তার প্রমাণ মিলেছে মোদি সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তির অবস্থানেই। ২০১৪ সালের আগে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১০ নম্বরে। মোদি সরকারের দশ বছরের রাজত্বে ওই তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচ নম্বরে। অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, আগামী এক বছরের মধ্যেই ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। তার আগে থাকবে কেবলই আমেরিকা, চিন এবং জাপান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Economy: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    Indian Economy: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমানা মাত্র দশ বছরের। তাতেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) দেশের তালিকার ১০ নম্বর থেকে পাঁচে উঠে এসেছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। দীর্ঘদিন পাঁচ নম্বরে ছিল ব্রিটেন। রাজার দেশকে টপকেই ওপরে উঠে এসেছে ভারত। অচিরেই যে দেশ ওই তালিকার তিন নম্বরে উঠে আসবে, নানা সময় তা বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

    জাপানকে টপকাবে ভারত (Indian Economy)

    তবে ২০২৫ সালের মধ্যে জাপানকে টপকে মোদির ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অমিতাভ কান্ত। অমিতাভ জি২০-র শেরপা এবং নীতি আয়োগের প্রাক্তন সিইও। তিনি জানান, বর্তমানে ভারতের (Indian Economy) স্থান রয়েছে পাঁচে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জার্মানি এবং জাপানের পরেই রয়েছে ভারত। ২০২২ সালেই ব্রিটেনকে টপকে গিয়েছে ভারত। তাঁর দাবি, আগামী বছরের মধ্যেই ভারতের ঠাঁই হবে তালিকার চার নম্বরে। তিনি জানান, গত দশ বছরের তুলনায় ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য। ভারতের জিডিপি ছিল বিশ্বের একাদশতম স্থানে।

    ভারতের জিডিপি

    বর্তমানে দেশের জিডিপি প্রায় ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কান্ত জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ভারত ছিল ‘ভঙ্গুর ৫’-এ, ২০২৪ সালেই সেই দেশ উঠে এসেছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার ৫ নম্বরে। যে কারণে ভারতের এই আর্থিক উন্নতি, কান্তের মতে, তার মধ্যে রয়েছে গত তিন ত্রৈমাসিকে জিডিপি গ্রোথ ৮ শতাংশের বেশি থাকা, বিশ্বের ২৭টি দেশের সঙ্গে ইন্ডিয়ার রুপিতে বাণিজ্য এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করি’’, চতুর্থ দফায় ভোট দানের আর্জি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কান্তের মতে, স্টিল, সিমেন্ট এবং অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের পাশাপাশি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচারে ভারত রয়েছে বিশ্ব নেতৃত্বের পর্যায়ে। বর্তমানে ই-ট্রানজেকশনস বেড়ে হয়েছে ১৩৪ বিলিয়ন, বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে যার পরিমাণ ৪৬। ২০১৩-১৪ এবং ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে মুদ্রাস্ফীতির হার কমেছে ৮.২ শতাংশ। কান্তের মতে, এসব কারণেই ভারতের অর্থনৈতিক (Indian Economy) ভিত্তি সুদৃঢ়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Economy: বেজিংয়ের অর্থনীতিকে টেক্কা! ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেট ছাড়াল চিনকে

    Indian Economy: বেজিংয়ের অর্থনীতিকে টেক্কা! ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেট ছাড়াল চিনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শি জিনপিংয়ের দেশের অর্থনীতিকে মাত দিল নরেন্দ্র মোদির ভারত (Indian Economy)! আজ নয়, গত তিন বছর ধরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চিনকে টেক্কা দিয়ে চলেছে ভারত। ডিএসপির মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, চিনের ইক্যুইটি মার্কেট ভারতের ইক্যুইটি মার্কেটের চেয়ে ঢের এগিয়ে। চিনের বর্তমান ইক্যুইটি মার্কেট ভারতের চেয়ে দ্বিগুণ। এটা এমন একটা সময়, যখন চিনের জিডিপি ভারতের জিডিপির চেয়ে পাঁচগুণ বেশি।

    চড়ছে ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটের পারদ (Indian Economy)

    ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ এই সতেরো বছরে চিনের অর্থনীতি ভারতের জিডিপিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার পর থেকে গতি হারায়। এর পরেই চড়চড়িয়ে উঠতে থাকে ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটের পারদ। গত তিন বছরে তা ছাপিয়ে গিয়েছে চিনের অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটকে। জানা গিয়েছে, গত তিন বছর ধরে লোকসানে চলছে চিনা শেয়ার বাজারও। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, বিশ্বের চোখে ধুলো দিতে এতদিন সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনত না চিন। ফলতে শুরু করেছে (Indian Economy) তারই বিষময় ফল।

    স্টক ইনডেক্স 

    ভারতের ফ্রন্টলাইন স্টক ইনডেক্স, নিফটি ৫০ ইনডেক্স ব্যবসা করেছে ২৩ গুণ ট্রেইলিং। সেখানে সাংহাইয়ের সূচক করেছে মাত্র ১১ গুণ ট্রেইলিং। জানা গিয়েছে, কোয়ালিটির দিক থেকে ভারতীয় মার্কেট উচ্চ শ্রেণির এবং ব্যয়বহুল বলে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, তুলনায় সস্তা চিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মার্কেট। ভারতীয় স্টক মার্কেটগুলি একের পর এক রেকর্ড করে চলেছে। স্বল্প মেয়াদ থেকে দীর্ঘ মেয়াদের রিটার্নের ক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে রেকর্ড ব্রেকিং। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের স্টক মার্কেট দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হতে চলেছে। ভারতের বুক রেসিওর দরও চড়া, প্রায় আমেরিকার সমান। এর রিটার্নও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিটার্নের সমান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত যদি তাৎপর্যপূর্ণভাবে সস্তা হত, তাহলে এটি দীর্ঘমেয়াদি লগ্নিকারীদের জন্য এক্সেলেন্ট এন্ট্রি পয়েন্ট হত।

    আরও পড়ুুন: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    বর্তমানে বিশ্ববাজার উল্লেখযোগ্যভাবে আশাবাদ-পর্বের মধ্যে দিয়ে চলছে। কর্পোরেট পারফরমেন্সও ভালো। আর্নিংস গ্রোথও চলছে সমানতালে। এহেন দৃশ্যপটে ব্রাজিল উঠে এসেছে ব্যতিক্রমী হিসেবে। এই দেশের আর্নিংস গ্রোথই যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে তা নয়, ভ্যালুয়েশন ট্রেন্ডের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলেছে। ইন্ডিয়ান ইক্যুইটিতে সেফটির মার্জিনের অভাব রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে (Indian Economy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share