Tag: Indian Embassy

Indian Embassy

  • Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident) মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪১ জন মৃত বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন শুক্রবার রাতে এই কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাঁদের দেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার এ বিষয়ে দিল্লির (Indian Embassy) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি কপ্টারে উড়িয়ে আনবে। বাসটি উত্তরপ্রদেশ থেকে নেপালে গিয়েছিল। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    নেপালে বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident)  শোকপ্রকাশ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার বেলায় পোখরা  থেকে কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। তনহুঁ জেলার মারশিয়াংড়ি নদীতে আচমকা বাস উল্টে যায়। খরস্রোতা নদীতে বাসটিকে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কিন্তু যাত্রীদের অনেককেই বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। 

    হেল্পলাইন নম্বর বিদেশমন্ত্রকের

    ভারত থেকে নেপালে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের ওই বাসে (Nepal Bus Accident) অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানান, তিনি নেপালের বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্র মহারাষ্ট্র সরকারকে সবরকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি শনিবারই দেশে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে মহারাষ্ট্রের নাসিকে নিয়ে আসা হবে দেহগুলি। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তা তুলে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদেশমন্ত্রক। 

    নেপালের ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে (Indian Embassy) জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসের ভারতীয় যাত্রীরা নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলেন। পোখরা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা। কীভাবে বাসটি রাস্তা থেকে নদীতে পড়ে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপাল প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ভরা বর্ষায় নেপালে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। নানা জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতী হামলাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন (UK issues) শুরু হয়েছে ব্রিটেনে, এবার সেই আন্দোলনের আঁচ থেকে ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের বাঁচাতে সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। যাঁরা ভারত থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেও। 

    কী কারণে এই বিক্ষোভ? (UK issues) 

    সম্প্রতি ব্রিটেনের সাউথপোর্টে এক নাচের ক্লাসে ছুরি নিয়ে হামলা চালায় এক দুষ্কৃতী। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩ জনের। রটে যায় ওই হামলাকারী একজন অভিবাসী এবং ইসলামিক কট্টরপন্থী। তার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে অভিবাসন বিরোধী বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ মানুষ। দেশের নানা প্রান্তে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে কার্যত যা দাঙ্গার রূপ নিয়েছে। জায়গায় জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দোকান ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতেই ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করল ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। তবে ইতিমধ্যেই এ ঘতনায় ঘটনায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian Embassy)

    মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে নির্দেশিকা জারি করে হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়, ‘গত কয়েকদিন ধরে ব্রিটেনের বেশ কিছু জায়গায় অশান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এখানে যে ভারতীয়রা রয়েছেন এবং যাঁরা ভারত থেকে আসছেন, তাঁদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হচ্ছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ভারতীয় হাইকমিশন। সকলকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর খবরে নজর রাখুন, তারপর ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিন। যেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সেই জায়গাগুলোয় এড়িয়ে চলুন। কোনও প্রয়োজন হলে হাইকমিশনের এমারজেন্সি নম্বর ৪৪২০৭৮৩৬৯১৪৭ এবং মেল আইডি inf.london@mea.gov.in-তে যোগাযোগ করুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISI Agent: আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, গ্রেফতার ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

    ISI Agent: আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, গ্রেফতার ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত এক কর্মীকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা। ওই কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, গোপন তথ্য সে পাচার করত পাকিস্তানের আইএসআই-এর (ISI Agent) কাছে। উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে ধৃতের নাম সত্যেন্দ্র সিয়াল। বিদেশ দফতরের মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসাবে সে কাজ করতো। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা তদন্তে নামে এবং সেখান থেকেই জানা যায় ওই কর্মীর গুপ্তচরবৃত্তির কথা। জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে ভারতীয় সেনা সম্পর্কে বহু তথ্য পাচার করেছে ঐ কর্মী। এমন কিছু তথ্য পাচার (ISI Agent) করা হয়েছে যার দ্বারা ভারতবর্ষের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

    মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চলত তথ্য পাচার 

    জানা গিয়েছে, সত্যেন্দ্র সিয়াল এর বাড়ি হল সাহুমহিউদ্দিনপুরের হাপুর গ্রামে। এবং সে আইএসআই-এর (ISI Agent) একটি বড় নেটওয়ার্ককে চালাত বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের একাধিক গোপন নথি এভাবেই সে পাচার করত। গোয়েন্দাদের দাবি, মোটা অঙ্কের টাকার অফার তাকে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে আরও অনেক বিষয় উঠে আসবে বলে আশাবাদী সন্ত্রাস দমন শাখা। বিদেশ দফতরের ওই কর্মীর গ্রেফতারির পরেই আসে উত্তর প্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখার বিবৃতি। সেখানে তারা জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্ত্রাস দমন শাখা পাকিস্তানের আইএসআই এর এক গুপ্তচরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। ওই ব্যক্তি বিদেশ দফতরের বেশ কিছু গোপন নথি পাকিস্তানের পাচার করত।

    জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে

    জানা গিয়েছে অভিযোগ সামনে আসতেই উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা সত্যেন্দ্র সিয়ালকে (ISI Agent) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে মিরাটে তাদের অফিসে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক বয়ানে তার অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে সত্যেন্দ্র সিয়াল মস্কোতে ভারতীয় দূতাবাসে ২০২১ থেকেই কাজ করত সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট-এর ভূমিকায়। উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখার থেকে জানতে পারা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টের বিভিন্ন সেকশনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistan Movement: তেরঙ্গায় ছাইল আকাশ! কানাডার দূতাবাসে খালিস্তানিদের আটকাল প্রবাসীরা

    Khalistan Movement: তেরঙ্গায় ছাইল আকাশ! কানাডার দূতাবাসে খালিস্তানিদের আটকাল প্রবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে পালটা পথে নামল প্রবাসী ভারতীদের একাংশ। শনিবার টরন্টোয় ভারতীয় কনসুলেটের (Indian Consulate) সামনে জাতীয় পতাকা হাতে চলে আসেন তাঁরা। নেতার খুনে সুবিচারের দাবিতে কানাডার (Canada) ভারতীয় দূতাবাসে বিক্ষোভের পরিকল্পনা ছিল খলিস্তানিদের। কিন্তু বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই থামিয়ে দিলেন সেদেশের ভারতীয়রা। তাঁদের তেরঙ্গার ভিড়ে হারিয়ে গেল খলিস্তানিদের (Khalistan Movement) হলুদ পতাকা।

    প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতিরোধ

    বেশ কয়েকদিন আগেই খলিস্তানিদের তরফে ঘোষণা করা হয়, ব্রিটেনে নিহত নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের মৃত্যুর সুবিচার চান তাঁরা। এই খুনের নেপথ্যে ভারতের হাত রয়েছে বলেই দাবি খলিস্তানিদের। সেই কারণেই ভারতীয় দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির পরিকল্পনা করে তারা।

    উল্লেখ্য, খালিস্তানপন্থীদের এবারের মিছিল ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা থাকায় কনসুলেটের সামনে বাহিনী মোতায়েন করেছিল কানাডা সরকার। তবে এবার জাতীয় পতাকা হাতে খলিস্তানিদের রুখে দিতে প্রবাসী ভারতীয়েরা নিজেরাই এগিয়ে আসেন। তেরঙ্গা উড়িয়ে একেবারে খলিস্তানিদের মুখোমুখি হন তাঁরা। রাস্তার দু’দিকে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। খালিস্তানি সমর্থক ও প্রবাসী ভারতীয়রা মুখোমুখি চলে এলে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। ভারতীয়দের পোস্টারে লেখা ছিল, “খলিস্তানিরা প্রকৃত শিখ নন।” ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘বন্দে মাতরম’, ‘লং লিভ ইন্ডিয়া’র মতো স্লোগানও দেন ভারতীয়রা।

    আরও পড়ুন: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় পদক্ষেপ করেছে”, বললেন ট্রুডো

    ক্ষুব্ধ ভারত

    বিদেশের মাটিতে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় খলিস্তানিদের ভারত বিরোধী তৎপরতা (Khalistani activity) দিন দিন বাড়ছে। বিগত কয়েক মাস যাবৎ তা ক্রমে হিংসাত্মক ঘটনার রূপ নিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারত (India) সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলির কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু গত সপ্তাহে ওই চার দেশে খলিস্তানিরা অবাধে ভারত-বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় থেকে আগাম ওই চার দেশকে বলা হয়েছিল, খলিস্তানিদের স্বাধীনতা মিছিলের যেন অনুমতি না দেওয়া হয়। কারণ তা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার পরিপন্থী। বিদেশের মাটিতে খালিস্তানিদের তাণ্ডব নিয়ে ইতিমধ্যেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Attack In Indian Embassy: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    Attack In Indian Embassy: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে যে আঁতাত তৈরি হয়েছে, তার রেশ ছড়িয়ে পড়ছে আমেরিকার মাটিতেও। মঙ্গলবার এফবিআই কর্তাকে (Attack In Indian Embassy) সাফ জানাল এনআইএ-র ডিরেক্টর জেনারেল দিনকর গুপ্তা।

    এফবিআই-এনআইএ বৈঠক

    এদিন নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই প্রধান ক্রিস্টোফার ওয়েরি এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ-র দিনকর। সেই বৈঠকে অনিবার্যভাবে ওঠে সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার প্রসঙ্গ। তখনই এফবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় তদন্ত করছে আমেরিকা। ১৯ মার্চ ও ২ জুলাই সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। কানাডার মাটিতে খুন হয়েছিল খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। তার (Attack In Indian Embassy) জেরে ২ জুলাই কনস্যুলেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল খালিস্তানপন্থীরা।

    দূতাবাসে হানা, পদক্ষেপের দাবি ভারতের 

    খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংকে ধরতে দেশজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল পঞ্জাব পুলিশ। এরই প্রতিবাদে ১৯ মার্চ ভারতীয় দূতাবাসে ভাঙচুর করে খালিস্তানপন্থী স্লোগান লেখা পোস্টার টাঙিয়ে দিয়েছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিসে’র কর্মী-সমর্থকরা। এই জোড়া ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছিল ভারত। কানাডায় নিজ্জর খুনের পরে পরেই আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া আর এক খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরপন্তওয়ান্ত সিং পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভারতীয় এক অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলে আমেরিকা। এহেন আবহে এদিন এনআইএ-র সদর দফতরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এফবিআই কর্তা। তাঁর সঙ্গে এফবিআইয়ের কয়েকজন প্রতিনিধিও ছিলেন।

    আরও পড়ুুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    এই বৈঠকেই গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে যে আঁতাত গড়ে উঠেছে, সে সম্পর্কে এফবিআইকে সতর্ক করে দেয় এনআইএ। এখনই সতর্ক না হলে, অদূর ভবিষ্যতে যে ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন হতে হবে, সে ব্যাপারেও আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়েছে ভারত। তার পরেই এফবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার ঘটনার তদন্তে কোনও ঢিলেমি হবে না। প্রয়োজনীয় তদন্তও করবে আমেরিকা। এনআইএ-র মুখপাত্র জানান, এফবিআই ডিরেক্টর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত হবে (Attack In Indian Embassy)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • San Francisco: সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে আগুন ধরানোর চেষ্টা খলিস্তানিদের 

    San Francisco: সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে আগুন ধরানোর চেষ্টা খলিস্তানিদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হামলা খলিস্তানিদের। আবারও নিশানায় আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোতে (San Francisco) ভারতীয় দূতাবাস। এবার সেখানে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। পাঁচ মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালানো হল। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তা নিভিয়ে ফেলা হয় সানফ্রান্সিসকো অগ্নিনির্বাপনের তরফে। আটকানো গেছে বড়সড় দুর্ঘটনা। এই ধরনের ঘটনার কড়া নিন্দা করেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বা মার্কিন বিদেশ দফতর। 

    হতাহতের খবর নেই 

    সান ফ্রান্সিসকোর স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে (স্থানীয় সময় ১.৩০ থেকে ২.৩০) ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড়ো হন কয়েক জন দুষ্কৃতী। তাঁরা দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। জ্বলে ওঠে দূতাবাস ভবনের একাংশ। আগুন লাগার খবর পেয়ে সান ফ্রান্সিসকো ফায়ার ডিপার্টমেন্টের কর্মী এবং ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলা হয়। অভিযোগ, খলিস্তানপন্থীরা (Khalistanis attacked Indian Consulate) দূতাবাসে আগুন ধরিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    ঘটনার তীব্র নিন্দা

    এই ঘটনার তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন বিদেশ দফতর। দফতরের মুখপাত্র এক ট্যুইট বার্তায় লেখেন, ‘শনিবার সান ফ্রান্সিসকোতে (San Francisco) ভারতীয় কনস্যুলেটে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টার তীব্র নিন্দা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই দেশে কূটনৈতিক ভবন বা বিদেশি কূটনীতিকদের হামলা বা সহিংসতা একটি ফৌজদারি অপরাধ।’ 

    দ্বিতীয় হামলা

     ভারতীয় কনস্যুলেটের ওপর হামলার ঘটনা নতুন নয়, এর আগে লন্ডনে ভারতীয় কনস্যুলেটে ঢুকে জাতীয় পতাকা নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় খালিস্তান পন্থীদের তরফে। এছাড়া কানাডাতেও এই ধরনের সমস্যায় মধ্যে পড়েছে সেখানে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট। উল্লেখ্য, এর কয়েক মাস আগেও সান ফ্রান্সিসকোর (San Francisco) ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খলিস্তনিরা। মিছিল করে এসে ভারতীয় দূতাবাসের ওপর চড়াও হয়েছিল তারা। ব্যারিকেড ভেঙে কনস্যুলেট চত্বরে ঢুকে দু’টি খলিস্তানি পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর (Padma Multi Purpose Bridge) সাফল্যে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাল ভারত (India)। শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। রবিবার সকাল ৬টা থেকে থেকে জনসাধারণের জন্যে তা উন্মুক্ত হবে। বহু বছর ধরে এই সেতু বাংলাদেশের স্বপ্ন। এই সেতু চালু হলেই ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে বাংলাদেশের দক্ষিণের ২১টি জেলার মানুষের। সেই সঙ্গে ঢাকা এবং কলকাতার মধ্যেও দূরত্ব কমবে। ওই এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

    ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এবং দূরদৃষ্টিই পদ্মা সেতুর সাফল্য এনে দিয়েছে। বাংলাদেশ এই প্রকল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রেখেছি।” 

    আরও পড়ুন: সন্দেহ নয়, একে অপরের প্রতি আস্থা রাখুন, ভারতকে বার্তা চিনের

    ৬.১৫ কিলোমিটার লম্বা এই সেতুটি দোতলা। নীচের তলায় চলবে ট্রেন এবং ওপরের তলায় বাস ও অন্যান্য গাড়ি। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই সেতু। ৪২টি পিলারের ওপর থাকা সেতুটি দৈর্ঘের হিসেবে বিশ্বে ১২২তম স্থানে রয়েছে। পিলারগুলি আছে জলের নীচে ১২৮ মিটার গভীর পর্যন্ত। পৃথিবীর অন্য কোনও দেশে কোনও সেতুর পিলার এত গভীরে নেই।  

    এর আগে চিন দাবি করেছিল যে, বাংলাদেশ এবং চিনের যৌথ প্রকল্প পদ্মা সেতু। চিনের এই দাবিকে ভুয়ো বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। ১৭ জুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “কিছু মহল দাবি করছে পদ্মা সেতু বিদেশি অর্থ সাহায্যে তৈরি এবং এই সেতুকে চিনের বিআরআইয়ের (Belt and Road Initiative) অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টার বিষয়টি বিদেশমন্ত্রকের নজরে এসেছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হচ্ছে, পদ্মা বহুমুখী সেতু পুরোপুরি বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত এবং এতে কোনও দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় অর্থ সাহায্য নেই। বাংলাদেশি এবং বিদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল।” 

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    নিজে টোল ট্যাক্স দিয়ে এদিন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার গলায় শোনা গেল সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রচুর বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে পদ্মা সেতুর স্বপ্নপূরণ হয়েছে। বহু ভুয়ো খবর রটেছে এই সেতু নির্মাণের বিষয়ে। টেকেনি। নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করেছে বাংলাদেশ।”  

     

LinkedIn
Share