Tag: Indian Embassy

Indian Embassy

  • Attack In Indian Embassy: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    Attack In Indian Embassy: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে যে আঁতাত তৈরি হয়েছে, তার রেশ ছড়িয়ে পড়ছে আমেরিকার মাটিতেও। মঙ্গলবার এফবিআই কর্তাকে (Attack In Indian Embassy) সাফ জানাল এনআইএ-র ডিরেক্টর জেনারেল দিনকর গুপ্তা।

    এফবিআই-এনআইএ বৈঠক

    এদিন নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই প্রধান ক্রিস্টোফার ওয়েরি এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ-র দিনকর। সেই বৈঠকে অনিবার্যভাবে ওঠে সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার প্রসঙ্গ। তখনই এফবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় তদন্ত করছে আমেরিকা। ১৯ মার্চ ও ২ জুলাই সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। কানাডার মাটিতে খুন হয়েছিল খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। তার (Attack In Indian Embassy) জেরে ২ জুলাই কনস্যুলেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল খালিস্তানপন্থীরা।

    দূতাবাসে হানা, পদক্ষেপের দাবি ভারতের 

    খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংকে ধরতে দেশজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল পঞ্জাব পুলিশ। এরই প্রতিবাদে ১৯ মার্চ ভারতীয় দূতাবাসে ভাঙচুর করে খালিস্তানপন্থী স্লোগান লেখা পোস্টার টাঙিয়ে দিয়েছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিসে’র কর্মী-সমর্থকরা। এই জোড়া ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছিল ভারত। কানাডায় নিজ্জর খুনের পরে পরেই আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া আর এক খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরপন্তওয়ান্ত সিং পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভারতীয় এক অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলে আমেরিকা। এহেন আবহে এদিন এনআইএ-র সদর দফতরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এফবিআই কর্তা। তাঁর সঙ্গে এফবিআইয়ের কয়েকজন প্রতিনিধিও ছিলেন।

    আরও পড়ুুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    এই বৈঠকেই গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে যে আঁতাত গড়ে উঠেছে, সে সম্পর্কে এফবিআইকে সতর্ক করে দেয় এনআইএ। এখনই সতর্ক না হলে, অদূর ভবিষ্যতে যে ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন হতে হবে, সে ব্যাপারেও আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়েছে ভারত। তার পরেই এফবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলার ঘটনার তদন্তে কোনও ঢিলেমি হবে না। প্রয়োজনীয় তদন্তও করবে আমেরিকা। এনআইএ-র মুখপাত্র জানান, এফবিআই ডিরেক্টর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত হবে (Attack In Indian Embassy)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • San Francisco: সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে আগুন ধরানোর চেষ্টা খলিস্তানিদের 

    San Francisco: সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে আগুন ধরানোর চেষ্টা খলিস্তানিদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হামলা খলিস্তানিদের। আবারও নিশানায় আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোতে (San Francisco) ভারতীয় দূতাবাস। এবার সেখানে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। পাঁচ মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালানো হল। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তা নিভিয়ে ফেলা হয় সানফ্রান্সিসকো অগ্নিনির্বাপনের তরফে। আটকানো গেছে বড়সড় দুর্ঘটনা। এই ধরনের ঘটনার কড়া নিন্দা করেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বা মার্কিন বিদেশ দফতর। 

    হতাহতের খবর নেই 

    সান ফ্রান্সিসকোর স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে (স্থানীয় সময় ১.৩০ থেকে ২.৩০) ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড়ো হন কয়েক জন দুষ্কৃতী। তাঁরা দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। জ্বলে ওঠে দূতাবাস ভবনের একাংশ। আগুন লাগার খবর পেয়ে সান ফ্রান্সিসকো ফায়ার ডিপার্টমেন্টের কর্মী এবং ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলা হয়। অভিযোগ, খলিস্তানপন্থীরা (Khalistanis attacked Indian Consulate) দূতাবাসে আগুন ধরিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    ঘটনার তীব্র নিন্দা

    এই ঘটনার তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন বিদেশ দফতর। দফতরের মুখপাত্র এক ট্যুইট বার্তায় লেখেন, ‘শনিবার সান ফ্রান্সিসকোতে (San Francisco) ভারতীয় কনস্যুলেটে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টার তীব্র নিন্দা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই দেশে কূটনৈতিক ভবন বা বিদেশি কূটনীতিকদের হামলা বা সহিংসতা একটি ফৌজদারি অপরাধ।’ 

    দ্বিতীয় হামলা

     ভারতীয় কনস্যুলেটের ওপর হামলার ঘটনা নতুন নয়, এর আগে লন্ডনে ভারতীয় কনস্যুলেটে ঢুকে জাতীয় পতাকা নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় খালিস্তান পন্থীদের তরফে। এছাড়া কানাডাতেও এই ধরনের সমস্যায় মধ্যে পড়েছে সেখানে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট। উল্লেখ্য, এর কয়েক মাস আগেও সান ফ্রান্সিসকোর (San Francisco) ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খলিস্তনিরা। মিছিল করে এসে ভারতীয় দূতাবাসের ওপর চড়াও হয়েছিল তারা। ব্যারিকেড ভেঙে কনস্যুলেট চত্বরে ঢুকে দু’টি খলিস্তানি পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর (Padma Multi Purpose Bridge) সাফল্যে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাল ভারত (India)। শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। রবিবার সকাল ৬টা থেকে থেকে জনসাধারণের জন্যে তা উন্মুক্ত হবে। বহু বছর ধরে এই সেতু বাংলাদেশের স্বপ্ন। এই সেতু চালু হলেই ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে বাংলাদেশের দক্ষিণের ২১টি জেলার মানুষের। সেই সঙ্গে ঢাকা এবং কলকাতার মধ্যেও দূরত্ব কমবে। ওই এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

    ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এবং দূরদৃষ্টিই পদ্মা সেতুর সাফল্য এনে দিয়েছে। বাংলাদেশ এই প্রকল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রেখেছি।” 

    আরও পড়ুন: সন্দেহ নয়, একে অপরের প্রতি আস্থা রাখুন, ভারতকে বার্তা চিনের

    ৬.১৫ কিলোমিটার লম্বা এই সেতুটি দোতলা। নীচের তলায় চলবে ট্রেন এবং ওপরের তলায় বাস ও অন্যান্য গাড়ি। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই সেতু। ৪২টি পিলারের ওপর থাকা সেতুটি দৈর্ঘের হিসেবে বিশ্বে ১২২তম স্থানে রয়েছে। পিলারগুলি আছে জলের নীচে ১২৮ মিটার গভীর পর্যন্ত। পৃথিবীর অন্য কোনও দেশে কোনও সেতুর পিলার এত গভীরে নেই।  

    এর আগে চিন দাবি করেছিল যে, বাংলাদেশ এবং চিনের যৌথ প্রকল্প পদ্মা সেতু। চিনের এই দাবিকে ভুয়ো বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। ১৭ জুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “কিছু মহল দাবি করছে পদ্মা সেতু বিদেশি অর্থ সাহায্যে তৈরি এবং এই সেতুকে চিনের বিআরআইয়ের (Belt and Road Initiative) অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টার বিষয়টি বিদেশমন্ত্রকের নজরে এসেছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হচ্ছে, পদ্মা বহুমুখী সেতু পুরোপুরি বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত এবং এতে কোনও দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় অর্থ সাহায্য নেই। বাংলাদেশি এবং বিদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল।” 

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    নিজে টোল ট্যাক্স দিয়ে এদিন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার গলায় শোনা গেল সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রচুর বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে পদ্মা সেতুর স্বপ্নপূরণ হয়েছে। বহু ভুয়ো খবর রটেছে এই সেতু নির্মাণের বিষয়ে। টেকেনি। নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করেছে বাংলাদেশ।”  

     

LinkedIn
Share