Tag: Indian History

Indian History

  • Jagdeep Dhankhar: “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    Jagdeep Dhankhar: “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করে মুষ্টিমেয় কয়েকজনকে জায়গা দিতে ভারতের ইতিহাস (Indian History) বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল। এমনই দাবি করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। রবিবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ভাষণ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানেই তিনি ইতিহাস বই বিকৃত করার অভিযোগ করেন।

    কী বললেন ধনখড়? (Jagdeep Dhankhar)

    তিনি বলেন, “ভারতের ইতিহাস বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল। এতে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে এই দাবি করার জন্য একচেটিয়া জায়গা দেওয়া হয়েছিল যে, তাঁরাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রেখেছেন।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতের স্বাধীনতার ভিত্তি সম্পর্কে মানুষকে খুব ভিন্নভাবে শেখানো হয়েছে। ইতিহাস বই আমাদের আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করেছে। আমাদের ইতিহাস বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল, এবং এতে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে একচেটিয়া স্থান দেওয়া হয়েছে যারা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের কৃতিত্ব পেয়েছে। এটা আমাদের বিবেকের ওপর একটি অসহনীয় ব্যথা। এটা আমাদের আত্মা ও হৃদয়ের ওপর একটি বোঝা।”

    বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ

    তিনি ভারতের ঐতিহাসিক বিবরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আহ্বানও জানান। উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আমাদের ইতিহাস বইগুলো রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।” রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংকে তিনি একজন স্বাভাবিক কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, দূরদর্শী ও জাতীয়তাবাদী হিসেবে অভিহিত করেন। এই অবহেলাকে ‘ন্যায়বিচারের প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন উপরাষ্ট্রপতি। ইতিহাসের ভুল উপস্থাপনাকে সংশোধন করার গুরুত্বও এদিনের বক্তৃতায় তুলে ধরেন তিনি। ভারতের স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপনকারী ব্যক্তিদের যাতে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া যায়, তাই এটা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি পৌঁছতে পারে ৬.৪ শতাংশে, দাবি মর্গানের রিপোর্টে

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা ন্যায়বিচারের প্রতি অবিচার, কী ট্র্যাজেডি। আমাদের স্বাধীনতার ৭৫ তম বছরে, আমরা ব্যর্থ হয়েছি—ভয়ানকভাবে ব্যর্থ হয়েছি—রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের মতো মহান মানুষের বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকার করতে। আমাদের ইতিহাস তাঁকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়নি। আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তিগুলি, যেগুলি তাঁর মতো মানুষদের এবং অন্যান্য অবহেলিত বা কম পরিচিত বীরদের সর্বোচ্চ ত্যাগের (Indian History) ওপর প্রতিষ্ঠিত, তা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে (Jagdeep Dhankhar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bhojshala Survey: সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় উদ্ধার হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি

    Bhojshala Survey: সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় উদ্ধার হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানভাপির পর এবার মধ্যপ্রদেশের ধারের ভোজশালা (Bhojshala Survey) মন্দিরের এএসআই সমীক্ষার ফলাফল উঠে এল হাতেনাতে। সম্প্রতি ভোজশালায় প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। সেই মতো ইন্দোর বেঞ্চের এই নির্দেশের ফলে সমীক্ষার কাজ শুরু করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই)। আর তাদেরই সমীক্ষায় এবার উদ্ধার হল প্রাচীন হিন্দু দেব দেবীর মূর্তির (Discovers Hindu Gods Murtis)। একইসঙ্গে উদ্ধার হয়েছে ৭৯টি প্রত্নবস্তু। 
    এর আগে গত ১৮ মার্চ আদালত এএসআই সদস্যদের একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করতে বলেছিলেন। যার নেতৃত্বে পরিচালক বা এএসআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক থাকবেন এবং নির্দেশ দিয়েছিলেন আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। আর সেই নির্দেশ মেনে সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় (Bhojshala Survey) উদ্ধার হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি (Discovers Hindu Gods Murtis) সহ একাধিক প্রত্নবস্তু।   

    সমীক্ষায় উদ্ধার হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি (Bhojshala Survey) 

    সমীক্ষার ৮০ তম দিনে, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দল ভোজশালার বন্ধ কক্ষটি খুলেছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৭৯টি ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তুর অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে গণেশ, বাগদেবী, পার্বতী, মহিষাসুর মর্দিনী, হনুমান সহ বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি এবং বিভিন্ন সনাতানি মূর্তির অংশ। সমীক্ষার সময় এই এলাকার (Bhojshala Survey) উত্তর অংশে মাটি সমতল করার সময় প্রায় ছয়টি ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তুর অবশেষ পাওয়া গেছে। এছাড়াও যজ্ঞশালার ভেতরে মাটি সরানোর সময় ছয়টি বড় সনাতনীর অবশেষও (Discovers Hindu Gods Murtis) পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যেই এই সমস্ত উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলিকে এএসআই তাদের তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 

    আরও পড়ুন: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    ভোজশালার ইতিহাস 

    উল্লেখ্য, হিন্দু সংগঠনগুলির মতে, ধারে অবস্থিত কামাল মওলানা মসজিদটি আসলে মা সরস্বতী মন্দিরের ভোজশালা (Bhojshala Survey)। ১০৩৪ সালে রাজা ভোজ সংস্কৃত পড়াশোনার জন্য ভোজশালা তৈরি করেছিলেন। রাজা ভোজ ছিলেন সরস্বতী দেবীর একনিষ্ঠ ভক্ত। কিন্তু পরে মুঘল আক্রমণকারীরা এটি ভেঙে দেয়। পরবর্তীতে ১৪০১ খ্রিস্টাব্দে দিলওয়ার খান গৌরী ভোজশালার একটি অংশে মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ শাহ খিলজি আর একটি অংশে মসজিদ নির্মাণ করে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষ ইতিহাসের দেশ। এমন কত ঐতিহাসিক স্থাপত্য আজও জমা রয়েছে ভারতবর্ষের (India) বুকেই। তেমনি এক ঐতিহাসিক নিদর্শন হল কাল্লানাই বাঁধ। ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত তামিলনাড়ু শুধুমাত্র তার প্রাচীন প্রকৌশল কিংবা প্রাচীন মন্দিরের জন্য বিখ্যাত নয় বরং এইখানে রয়েছে এমন এক স্থাপত্য যার জন্য সারা ভারত তথা বিশ্বের মধ্যে বিখ্যাত এ রাজ্য। তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায় ১৫০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত একটি বাঁধ রয়েছে। যা ভারতের প্রাচীনতম বাঁধ (Oldest Operational Dam) এবং বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম জল নিয়ন্ত্রক কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হয়।  কাবেরী নদীর উপর নির্মিত এই কাল্লানাই বাঁধ চোল রাজবংশের রাজা কারিকালা চোলের রাজত্বকালে নির্মিত হয়। রাজা কারিকালা প্রাচীন তামিলনাড়ুতে শাসনকারী সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাটদের মধ্যে একজন ছিলেন। 

    কেন তৈরি হয়েছিল এই বাঁধ? (Oldest Operational Dam)

    জানা গিয়েছে, এই বাঁধ নির্মাণের পেছনে প্রধান কারণ ছিল নদীর জলকে  ধরে রেখে তা কৃষি কাজে ব্যবহার করা এবং পরোক্ষ ভাবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। কারিকালা চোল বুঝতে পেরেছিলেন যে কাবেরী ঘন ঘন প্লাবিত হয়। ফলে প্রতি বছর ওই এলাকার বাসিন্দাদের বন্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রজাদের রক্ষা করতে তিনি কাবেরীর উপর এই বিশাল বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন।     

    এই বাঁধের বিশেষত্ব 

    প্রতি সেকেন্ডে দুই লক্ষ ঘনফুট জল প্রবাহিত কাবেরীর উপর নির্মিত এই বাঁধটি ২১০০ বছর ধরে একইরকম ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার প্রধান কারণ হল প্রাচীন তামিলদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান। সে সময় বাঁধ (Oldest Operational Dam) নির্মাণের জন্য প্রথমে নদীতে বড় বড় পাথর বসানো হয়েছিল। কিন্তু জলের স্রোতে ক্ষয়ের কারণে পাথরগুলো ভেঙে মাটিতে মিশে গিয়েছিল। এরপর ওই পাথরের স্তরগুলির উপর স্থাপন করা হয়েছিল এক ধরনের কাদামাটির মিশ্রণ যা জলে দ্রবণীয় ছিল না। বরং সেই মিশ্রণ একটি আঠালো পদার্থে পরিণত হয়েছিল যাতে পাথরগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বছরের পর বছর ধরে।   

    আরও পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    আজও সমান সচল এই বাঁধ

    জানা গিয়েছে, এরপর ১৯ শতকে ব্রিটিশরা এই বাঁধটির সংস্কার করে। ১৮০৪ সালে, ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন ক্যাল্ডওয়েল, একজন সামরিক প্রকৌশলীকে কাবেরী নদী এবং ব-দ্বীপ অঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি করার দায়িত্ব দেয়। সেই সময় ক্যাল্ডওয়েল বাঁধটিকে (Oldest Operational Dam) উঁচু করার পরামর্শ দেন এবং তিনি বাঁধের পাথর ৬৯ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে দেন, যার ফলে বাঁধের জল ধারণ ক্ষমতা আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পায়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল এই ২১০০ বছরের পুরনো বাঁধটি (Oldest Operational Dam) এখনও সফলভাবে কাবেরীর জল ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে চলেছে। তাই সারা বিশ্ব থেকে বহু পর্যটক এই বাঁধ দেখতে হাজির হন তামিলনাড়ুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian History: ভারতের ইতিহাস বীরত্বের, যোদ্ধাদের! নতুন করে তা লিখতে হবে অভিমত প্রধানমন্ত্রীর

    Indian History: ভারতের ইতিহাস বীরত্বের, যোদ্ধাদের! নতুন করে তা লিখতে হবে অভিমত প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস কেবলমাত্র দাসত্বেরই নয়। ভারতের উজ্জ্বল ইতিহাসে বহু যোদ্ধাও রয়েছেন। তবে ইতিহাসের পাতায় সকলের নাম উল্লেখ নেই। তাঁদের নাম ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরতে হবে বলে অভিমত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi)। অসমের সরাইঘাট যুদ্ধের হিরো কম্যান্ডার জেনারেল লাচিত বারফুকানের (Lachit Barphukan) ৪০০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে এই কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে লাচিত বারফুকানকে নিয়ে আর একটি অনুষ্ঠানে ইতিহাসবিদদের নতুন করে ইতিহাস লেখার আর্জি জানানলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    প্রধানমন্ত্রীর কথা

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত তার বিচিত্র ঐতিহ্য উদযাপন এবং বীরদের স্মরণ করার মাধ্যমে অতীতের ভুল সংশোধন করেছে। তিনি বলেন, “ঔপনিবেশিক আমলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে রচিত ইতিহাসের পাতা থেকে বহু বীরদের কথা হারিয়ে গিয়েছে। ভারতের ইতিহাস যোদ্ধাদের ইতিহাস, বিজয়ের ইতিহাস, আত্মত্যাগ, নিঃস্বার্থতা ও বীরত্বের ইতিহাস।” মোদী বলেন, স্বাধীনতার পরও যে ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে তা, ঔপনিবেশিক আমলের ষড়যন্ত্রের স্বীকার। তিনি বলেছেন, “স্বাধীনতার পর দাসত্বের উদ্দেশ্য পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল। তবে তা করা হয়নি।”

    আরও পড়ুন: জামা মসজিদে মেয়েদের ‘একা’ ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা! ‘‘এটা ইরান নাকি?’’ তোপ মহিলা কমিশনের

    প্রসঙ্গত, ১৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন লাচিত বারফুকন। তিনি অহম রাজ প্রতাপ সিংয়ের অধীনস্ত অহম বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন। প্রবল পরাক্রমী মুঘল সেনাবাহিনীও লাচিত এবং তাঁর বাহিনীর কাছে হার মানত। ১৬৭১ সালের সরাইঘাটের যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। লাচিত বারফুকনের বীরত্ব এবং সরাইঘাটের যুদ্ধে অহম বাহিনীর বিজয়কে স্মরণ করার জন্য ২৪ নভেম্বর অসমে লাচিত দিবস পালিত হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দাসত্বের বিরুদ্ধে বীর পুরুষ, নারীরা গর্জে উঠেছেন। তবে ইতিহাসের পাতায় তাদের জায়গা হয়নি। এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ কাজ করা হয়েছে। লাচিত বারফুকনের জীবন আমাদের পরিবারের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কথা ভাবতে শেখায়। আমরা বুঝতে পারি, দেশের থেকে কোনও সম্পর্ক বড় নয়।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের আর্জি

    দিল্লিতে অসম সরকারের একটি অনুষ্ঠানে ইতিহাসবিদদের নতুন করে দেশের ইতিহাস লেখার জন্য আহ্বান জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “যে লিখিত ইতিহাস আমরা জানি, তা অনেক সময়ই সঠিক নয় এবং কোথাও কোথাও বিকৃতও। আমি ইতিহাসের একজন ছাত্র। বহুদিন ধরেই শুনে আসছি আমাদের ইতিহাস ঠিকভাবে পরিবেশন করা হয়নি। হয়তো সেটা সত্য়ি কথাই। কিন্তু এবার আমাদের সেটা সংশোধন করতে হবে।” দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ইতিহাসের ছাত্র ও ইতিহাসবিদদের প্রতি তাঁর আবেদন, “আমাদের ইতিহাস সঠিক নয়, এই বক্তব্যকে পেরিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করুন। একবার সেই ইতিহাস লেখা হলে, মিথ্যাভাষণের এই ধারাকে মুছে দেওয়া যাবে।” তিনি বলেন, দেশের এমন ৩০ টি মহান শাসনকালকে বেছে নিয়ে ইতিহাস লেখা হোক যাঁরা ১৫০ বছরেরও বেশি রাজত্ব করেছে, বেছে নেওয়া যাক ৩০০ এমন যোদ্ধাকে যাঁদের সাহস অনুপ্রাণিত করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share