মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale) গবেষক ও শিক্ষাবিদদের প্রতি ভারতীয় জ্ঞান পরম্পররা দিকে নজর দেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভারতের নিজস্ব জ্ঞান ব্যবস্থা বা ‘ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা’ (IKS)-এর ওপর ভিত্তি করে গ্রামোন্নয়নের নতুন পথ খুঁজে বের করা একান্ত প্রয়োজন। প্রকৃত গ্রামীণ উন্নয়ন কেবল আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সম্ভব নয়, বরং তাতে ভারতের প্রাচীন শিকড় ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।”
দেশীয় মডেলে উন্নয়ন (Dattatreya Hosabale)
সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ হোসবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গ্রামোন্নয়নের জন্য আমাদের কেবল পাশ্চাত্য মডেলের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। ভারতের গ্রামগুলোর নিজস্ব শক্তি ও ঐতিহ্য রয়েছে। গবেষকদের উচিত, এমন গবেষণায় মনোনিবেশ করা যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে সাহায্য করবে।”
কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা
হোসবলে (Dattatreya Hosabale) টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মতে, “রাসায়নিক মুক্ত চাষাবাদ এবং পরিবেশবান্ধব জীবনশৈলী ভারতের গ্রামগুলোর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থায় পরিবেশ ও মানুষের যে নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, তা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”
সামাজিক সম্প্রীতি ও একতা
তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রামের উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নয়, বরং সামাজিক ঐক্য বজায় রাখাও উন্নয়নের অংশ। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা এবং স্থানীয় বিচার ব্যবস্থার মতো ঐতিহ্যবাহী কাঠামোগুলোকে কীভাবে আধুনিক প্রেক্ষাপটে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন।
তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা
হোসবলে (Dattatreya Hosabale) আহ্বান জানান, যেন উচ্চশিক্ষিত তরুণরা এবং গবেষকরা সরাসরি গ্রামের মানুষের সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁদের সমস্যাগুলো বুঝে দেশীয় পদ্ধতিতে তার সমাধান খুঁজে বের করেন। তাই তিনি বলেন, “যদি ভারত তার নিজস্ব জ্ঞান ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করতে পারে, তবেই ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধরণের গবেষণায় উৎসাহ দেওয়ার অনুরোধ জানান, যা সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসবে।”
