Tag: Indian Origin

Indian Origin

  • Canada: কানাডার নয়া মন্ত্রিসভায়ও জয়জয়কার ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের

    Canada: কানাডার নয়া মন্ত্রিসভায়ও জয়জয়কার ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার (Canada) নয়া মন্ত্রিসভায়ও জয়জয়কার ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের (Indian Origin Ministers)। জাস্টিন ট্রুডো সরকারের পতনের পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন মার্ক কার্ন। তাঁর মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন বছর চল্লিশের অনিতা আনন্দ ও বছর ছত্রিশের কমল খেরা। কমল হয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনিতা হয়েছেন উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্পমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ট্রুডোর মন্ত্রিসভায়ও ছিলেন এই দুই ভারতীয় বংশোদ্ভুত।

    নয়া মন্ত্রিসভায় দিল্লির কমল (Canada)

    কমলের জন্ম দিল্লিতে। স্কুলে পড়ার সময়ই তিনি চলে যান কানাডায়। টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন বিজ্ঞানে। ২০১৫ সালে প্রথমবার ব্রাম্পটন ওয়েস্ট থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন কমলা। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর ওয়েবসাইটে কমলের বিষয়ে লেখা হয়েছে, তিনি পেশায় নার্স ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে কমল লিখেছেন, “নার্স হিসেবে আমি সব সময় রোগীদের পাশে থাকার চেষ্টা করতাম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবেও তা-ই করে যাব। আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য মার্ক কার্নেকে ধন্যবাদ।”

    রাজনীতিতে আসার আগে টরেন্টোর সেন্ট জোসেফ হেল্থ সেন্টারের অঙ্কোলজি বিভাগের নার্স ছিলেন কমল। অতিমারির সময় তিনি ফের তুলে নেন স্বাস্থ্য সেবাদানের দায়িত্ব (Canada)। ব্রাম্পটনের এক হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজে যোগ দেন তিনি। ট্রুডো মন্ত্রিসভায় কানাডার অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন মন্ত্রক, স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও জাতীয় রাজস্ব মন্ত্রকের পার্লামেন্টারি সচিব ছিলেন কমল। এবার তিনি স্বাধীনভাবে সামলাবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দায়িত্ব।

    অনিতার জন্মই কানাডায়

    কার্নের মন্ত্রিসভার আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভুত অনিতার জন্মই কানাডায়। ১৯৮৫ সালে তাঁর পরিবার চলে যান কানাডায়। নোভা স্কটিয়ায় জন্মেছিলেন অনিতা। ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন তিনিই। পেশায় আইনজীবী অনিতা নয়া মন্ত্রিসভায় সামলাবেন উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্পমন্ত্রকের দায়িত্ব। মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। জাতীয় প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে অনিতা লিখেছেন, “নয়া মন্ত্রক পেয়ে আমি গর্বিত। নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে কিছু ভালো করা যাবে না।” বরং (Indian Origin Ministers) ঐক্যবদ্ধ হয়ে কানাডা ও কানাডার অর্থনীতিকে মজবুত করার ডাক দিয়েছেন তিনি (Canada)।

  • Anita Anand: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    Anita Anand: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিদ্বেষ এবং ‘খালিস্তানপন্থী-প্রেমী’ সাজাই ‘কাল’ হয়েছিল কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর। তার জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে হয়েছে তাঁকে। সোমবারই পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেছন লিবারেল পার্টির এই নেতা। গত ৯ বছর ধরে কানাডায় রাজ করছিলেন ট্রুডো। সোমবার রাতে অবসান ঘটল তার।

    তালিকায় অনিতা আনন্দ (Anita Anand)

    কানাডার সম্ভাব্য নয়া প্রধানমন্ত্রী কে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছেন ট্রুডো সরকারের পরিবহণমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দ (Anita Anand)। তিনি যদি ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন, তাহলে তা হবে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের বিশ্বজয়। প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। কানাডার সংসদীয় রীতি অনুসারে, এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দল পরবর্তী নেতা নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন সময় পাবে। এই তিন মাস কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালাবেন তিনি। সোমবারই তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচন করবে তাঁর দল লিবারেল পার্টি। এই ক’দিন স্থগিত থাকবে সংসদের অধিবেশন।

    কে এই অনিতা আনন্দ?

    ট্রুডো পদত্যাগ করতেই উত্তরসূরি বাছাই করতে কোমর কষে নেমে পড়েছে লিবারেল পার্টি। সেখানেই সামনের সারিতে রয়েছেন অনিতা (Anita Anand)। পরিবহণ দফতর সামলানো ছাড়াও নানা সময় জনসেবা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, কোষাগার বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অনিতার জন্ম নোভা স্কোটিয়া প্রদেশের কেন্টভিলে। অনিতার বাবা তামিল, নাম এসভি (অ্যান্ডি) আনন্দ। মায়ের নাম সরোজ ডি রাম। পেশায় দুজনেই ছিলেন চিকিৎসক। অনিতার দুই বোন রয়েছেন। তাঁদের নাম গীতা ও সোনিয়া। 

    ঈর্ষনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা

    বছর সাতান্নর অনিতা (Anita Anand) অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ঈর্ষনীয়। স্থানীয় কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলায় স্নাতক। এর পর, অক্সফোর্ড থেকে আইনশাস্ত্রে স্নাতক। ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক। পরে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে স্নাতকোত্তর লাভ করেন তিনি। রাজনীতিতে আসার আগে অধ্যাপনা করতেন অনিতা। সম্মানীয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধিতাই হল কাল! কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা ট্রুডোর, এগিয়ে আসছে নির্বাচন?

    রাজনৈতিক উত্থান

    ২০১৯ সালে রাজনীতির জগতে পা রাখার পরে পরেই দ্রুত দলে উত্থান ঘটতে থাকে অনিতার (Anita Anand)। সেই বছর ওকভিলের সাংসদ নির্বাচিত হন পলিটিক্যাল স্টাডিজের এই ছাত্রী। সাংসদ হওয়ার পরেই ঠাঁই হয় ট্রুডোর মন্ত্রিসভায়। তার জেরেই সটান চলে আসেন ট্রুডো মন্ত্রিসভায়। যুদ্ধের সময় ইউক্রেনকে ত্রাণ ও অন্যান্য সাহায্য পাঠানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, অনিতা ছাড়াও কানাডার (Canada) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন মেলাইন জলি, ক্রিস্টিয়া, ফ্রিল্যান্ড, মার্ক কার্নি, ফ্রাঙ্কেইস-ফিলিপ শ্যাম্পেন প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas Conflict: হামাসের হামলায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইজরায়েলি সেনার মৃত্যু, শোকপ্রকাশ নেতানিয়াহুর

    Israel-Hamas Conflict: হামাসের হামলায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইজরায়েলি সেনার মৃত্যু, শোকপ্রকাশ নেতানিয়াহুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় হামাসের হামলায় (Israel-Hamas Conflict) ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইজরায়েলি সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত সেনাকর্মী স্টাফ-সার্জেন্ট হালেল সলোমন, দক্ষিণ ইজরায়েলর ডিয়ামোনা শহরে থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে গাজার সালা-আল-ডিন সড়কের কাছে হামাসের বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান তিনি। 

    নেতানিয়াহুর প্রতিক্রিয়া (Israel-Hamas Conflict)

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নিহত ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইজরায়েলি সেনার উদ্দেশে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা বর্তমানে এক কঠিন সংগ্রামের মধ্যে রয়েছি। আমরা সকলে দেশের তরফ থেকে হৃদয় থেকে আলিঙ্গন করছি আপনাকে। এই কঠিন সময়ে সকলের পাশে রয়েছি। আমাদের সেনা নৈতিক লড়াই লড়ছেন। প্রত্যেক নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধ আমরা। জয়ী না হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো।”

    ডিয়ামোনা শহরের মেয়রের বক্তব্য (Israel-Hamas Conflict)

    নিহত ভারতীয় বংশোদ্ভূত সেনার বয়স ছিল ২০। ডিয়ামোনা শহরের মেয়র বেনি বিটন একটি ফেসবুক পোস্টে বলেন, “একটি দুঃখের সংবাদ যে গাজার যুদ্ধে (Israel-Hamas Conflict) ডিয়ামোনার পুত্র হালেল সলোমনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তাঁর বাবা মায়ের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা এবং ভক্তি ছিল। তিনি নিজের অবিরাম দান, বিনয় এবং নম্রতায় বিশ্বাস করতেন। এই শহর তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত।”

    ডিয়ামোনা হল ইজরায়েলর ছোট ভারত

    দক্ষিণ ইজরায়েলর ডিয়ামোনা শহরকে ছোট ভারত বলা হয়ে থাকে। এই শহরেই দেশের বড় পরমাণু চুল্লি রয়েছে। এই শহরেই ভারত থেকে আসা ইহুদিদের বসবাস রয়েছে। এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিক বলেন, “নিহত যুবক খুব হাসিখুশি থাকতেন। তাঁর সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল। সব কিছু জেনে শুনে দেশের জন্য নিজের আত্মবলিদান দিয়েছেন। যুদ্ধ বেদনাদায়ক ক্ষতি, কিন্তু জয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই (Israel-Hamas Conflict) চলবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hindu Head of States: বিশ্বের পাঁচ দেশের রাশ হিন্দুদের হাতে, কোন কোন দেশের মাথায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা জানেন?

    Hindu Head of States: বিশ্বের পাঁচ দেশের রাশ হিন্দুদের হাতে, কোন কোন দেশের মাথায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের চারটি দেশ শাসন করছে হিন্দু (Hindu Head of States)। হিন্দু প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে ব্রিটেনও। চারটি দেশের মাথায় বসে রয়েছেন ভারতীয় (Indian) বংশোদ্ভূত ব্যক্তিত্বরা। আর তিনটি দেশের ডেপুটির পদ দখল করে রয়েছেন সেই ভারতীয় বংশোদ্ভূতরাই।

    কেবল ভারত নয়, তামাম বিশ্বেও হিন্দুদের (Hindu Head of States) জয়জয়কার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) হিন্দু। ২০১৪ সাল থেকে দেশের রশি তাঁর হাতেই। আদতে গুজরাটের বাসিন্দা মোদি নিয়মিত হিন্দু পরম্পরা মেনে যোগাসন করেন। ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপালও শাসন করেন এক হিন্দু। তিনি শের বাহাদুর দেউবা। ২০২১ সালের ১৩ জুলাই থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন তিনি। মরিশাসের রাষ্ট্রপ্রধানও হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তাঁর নাম প্রবীণ জাগনাউথ। বিশ্বের ছোট্ট একটি দেশ সুরিনাম। এই দেশটিও শাসন করেন আরেক হিন্দু, নাম চান শান্তখি।

    সব শেষে রয়েছেন ঋষি সুনক। আদ্যন্ত হিন্দু সুনক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। শপথ নেবেন চলতি মাসের ২৮ তারিখে। এর আগে ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় তিনি গীতা ছুঁয়ে শপথ নিয়েছিলেন। শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার সময়ও তাঁর হাতে থাকবে গীতা। গীতা যে তাঁকে শক্তি জোগায়, সেকথা বিভিন্ন সময় জানিয়ে দিয়েছেন বছর বিয়াল্লিশের এই রাজনীতিবিদ। নিয়মিত মন্দিরে যান। বাড়িতে পালন করে সমস্ত হিন্দু উৎসব। তাঁর স্ত্রীর অক্ষত মূর্তিও আদ্যন্ত হিন্দু।

    আরও পড়ুন: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    এ তো গেল হিন্দু রাষ্ট্রপ্রধানদের (Hindu Head of States) কথা। এবার শোনা যাক ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের কীর্তি। ঋষি সুনক, প্রবীণ জাগনাউথ এবং চান শান্তখি হিন্দু তো বটেই, এঁরা ভারতীয় বংশোদ্ভূতও। আরও কিছু দেশের রাশ রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের হাতে। এঁরা হলেন, সেইচেলসের প্রধান ওয়াভেল রামকালওয়ান, পর্তুগালের প্রধান আ্যান্টনিও কোস্টা, সিঙ্গাপুরের হালিম ইয়াকব এবং গুয়ানার ইরফান আলি।

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত আরও কয়েকজন রয়েছেন সরকারের দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে। এঁরা হলেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, গুয়ানার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারত জাগেদো এবং আয়ারল্যান্ড সরকারের ডেপুটি হেড লিও ভারাদকর।

    সেই কবেই তো কবি বলেছিলেন, ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suella Braverman: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিবের পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান, জানেন তিনি কে?

    Suella Braverman: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিবের পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত (Indian Origin) ঋষি সুনক। তবে ব্রিটিশ প্রশাসনের একেবারে কোর এরিয়ায় চলে এসেছেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান (Suella Braverman)। বছর ৪২ এর অ্যাটর্নি জেনারেল সুয়েলা হয়েছেন ব্রিটেনের পরবর্তী স্বরাষ্ট্র সচিব (Home secretary)। লিজ টাসের ক্যাবিনেটে জায়গা পেয়েছেন তিনি। আগে এই পদে ছিলেন প্রীতি প্যাটেল।

    ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন লিজ টাস। তার পরেই গঠন করছেন নয়া মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবী সুয়েলা ব্রেভারম্যানকে তিনি ওই পদে নিয়োগ করেছেন। জনসনের আমলে ওই পদে ছিলেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীতি প্যাটেল। বছর ৪২ এর সুয়েলা কনজার্ভেটিভ পার্টির সাংসদ। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের ফেয়ারহ্যাম কেন্দ্রের প্রতিনিধি তিনি। বরিসের প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় তিনি কাজ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে।

    আরও পড়ুন : অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    ১৯৮০ সালের ৩ এপ্রিল জন্ম সুয়েলার। তাঁর মা হিন্দু তামিল পরিবারের মেয়ে, নাম উমা। বাবা খ্রিষ্টি ফার্নান্দেজ। কেনিয়া থেকে এসেছিলেন। ২০১৫ সালের মে মাসে কনজার্ভেটিভ পার্টির টিকিটে ফেয়ারহ্যাম থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। পরে হন অ্যাটর্নি জেনারেল। পার্টগেট সহ একাধিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে পড়ায় বিদায় নিতে হয় বরিসকে। স্বাভাভিকভাবেই প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের। এই প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে শেষতক ছিলেন দুজন। একজন লিজ টেস, অন্যজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। ব্যালটে ভোটাভুটি হলে সুয়েলা সমর্থন করেন লিজকে। ওই ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন লিজ। তাঁকে সমর্থনের পুরস্কার লিজ দেন সুয়েলাকে। তাঁকে নিয়োগ করা হয় স্বরাষ্ট্র সচিব পদে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সুয়েলা। ২০১৮ সালে বিয়ে করেন রাইল ব্রেভারম্যানকে। সুয়েলা ব্রেভারম্যান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তিনি নিয়মিত লন্ডন বুদ্ধিস্ট সেন্টারে যান। শপথও নেন বুদ্ধের প্রবচন উচ্চারণ করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share