Tag: Indian parliament

Indian parliament

  • Atal Bihari Vajpayee: অটলবিহারী বাজপেয়ী, রাজনীতিতে এক বিরল যুগের উপখ্যান

    Atal Bihari Vajpayee: অটলবিহারী বাজপেয়ী, রাজনীতিতে এক বিরল যুগের উপখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee) ছিলেন একাধারে কৃতী সাংবাদিক, কবি, অসাধারণ বক্তা, নিষ্ঠাবান দলীয় কর্মী এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ স্বয়ংসেবক। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, স্নেহশীল ও (Death Anniversary) আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনওভাবে সমৃদ্ধ হয়ে ফিরেছেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি হাজার নয়, লাখ লাখ মানুষের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে গিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় রাজনীতির এমন একটি অধ্যায়ের অবসান হয়েছে, যেখানে প্রতিযোগিতা বা সংঘাতের পরিবর্তে সমঝোতা, সৌহার্দ্য এবং ক্ষমতার প্রতি আসক্তির পরিবর্তে দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা গুরুত্ব পেত।

    বহুরূপে বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee)

    ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে, যে জন্মগ্রহণ করে তার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ীর মতো রাষ্ট্রনায়কের প্রয়াণে পৃথিবী ও মানবসমাজ আরও দরিদ্র হয়ে পড়ে। কেউ তাঁকে পিতৃসম ব্যক্তিত্ব বলেছেন, কেউ রাষ্ট্রনায়ক, কেউ প্রকৃত গণতন্ত্রী। কারও কাছে তিনি ছিলেন অসাধারণ বক্তা, আবার কারও কাছে স্নেহের ‘বাবজি’। প্রখ্যাত গায়িকা লতা মঙ্গেশকর তাঁকে ‘দাদা’ বলে সম্বোধন করতেন। মার্কিন নাগরিকদের কাছে অটলবিহারী বাজপেয়ী স্মরণীয় ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে ‘স্বাভাবিক মিত্রতা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার জন্য। চিনে তাঁকে স্মরণ করা হয় এমন একমাত্র ভারতীয় নেতা হিসেবে, যিনি মাও সে তুং থেকে দেং শিয়াওপিং এবং হু চিনতাও—চিনের নেতৃত্বের পরপর তিন প্রজন্মের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের জন্য স্মরণীয়। অনেকেই হয়তো জানেন না, তাঁকে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’। কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারাও তাঁকে এমন এক নেতা হিসেবে স্মরণ করেন, যিনি আন্তরিকভাবে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সমকালীন ভারতের কাছে অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রয়াণ তাই এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    ক্ষমতার রাজনীতি নয়, দেশের প্রতি ভালোবাসা

    অটলবিহারী বাজপেয়ী এমন এক ধরনের রাজনীতির চর্চা করতেন, যা আজকের দিনে বিরল। তাঁর কাছে ক্ষমতার প্রতি ভালোবাসার চেয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা ছিল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর রাজনীতিতে আবেগ, অনুভূতি ও মানবিকতার জায়গা ছিল—যেখানে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাজনীতির মধ্যেও সহমর্মিতা বজায় থাকত। তিনি প্রতিপক্ষকে অসম্মান করতেন না, অন্যের মতকে অগ্রাহ্য করতেন না এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কটূক্তির রাজনীতিতেও বিশ্বাসী ছিলেন না। তাঁর জীবন ছিল খোলা বইয়ের মতো স্বচ্ছ। ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে তাঁর কোনও দ্বিচারিতা ছিল না। মহাত্মা গান্ধীর মতোই তাঁর জীবন ছিল সবার সামনে উন্মুক্ত (Atal Bihari Vajpayee)। সবাই তাঁকে ভালোবাসতেন, তাঁর প্রতি যত্নশীল ছিলেন এবং নিজের বিশ্বাসের প্রতি তাঁর দৃঢ়তার প্রশংসা করতেন। কিন্তু এত জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে কখনও দলের ঊর্ধ্বে ভাবেননি। একজন প্রকৃত স্বয়ংসেবক হিসেবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতেন। কোনও সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের অমিল থাকলেও, একজন শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী হিসেবে তিনি তা মেনে নিতেন। বিশিষ্ট রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ওয়াল্টার অ্যান্ডারসন একবার বলেছিলেন, রাজনীতি ও শৃঙ্খলা সাধারণত পাশাপাশি চলে না, অটলবিহারী বাজপেয়ী ছিলেন তার একমাত্র ব্যতিক্রম।

    রাজনৈতিক অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে সৌহার্দ্যের রাজনীতি

    সামাজিক জীবনে অস্পৃশ্যতার প্রথা আমরা অনেকটাই দূর করতে পেরেছি। কিন্তু তার পরিবর্তে রাজনীতিতে এক নতুন ধরনের অস্পৃশ্যতা তৈরি হয়েছে। দুই ভিন্ন দলের মানুষ যেন পরস্পরের মতের সঙ্গে একমত হওয়া তো দূরের কথা, একে অপরের সঙ্গে চোখে চোখ রেখেও কথা বলতে পারেন না।

    অটলবিহারী বাজপেয়ী এর সম্পূর্ণ বিপরীত রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর প্রতিপক্ষের প্রতিও ছিল সৌহার্দ্য। এমনকি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতিও তিনি প্রশংসাসূচক মন্তব্য করতে দ্বিধা করতেন না।

    নেহরু একসময় বলেছিলেন, অটলবিহারী বাজপেয়ী একদিন তাঁর জায়গায় অধিষ্ঠিত হবেন। নেহরুর মৃত্যুর পর বাজপেয়ী তাঁর প্রতি যে আন্তরিক ও উজ্জ্বল শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেছিলেন, তাতেও তাঁর রাজনৈতিক উদারতার পরিচয় পাওয়া যায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি এই গুণ ধরে রেখেছিলেন।

    কর্মীদের প্রতি ছিল গভীর মমতা

    দলীয় কর্মীদের প্রতি অটলবিহারী বাজপেয়ীর ছিল বিশেষ মমত্ববোধ। তিনি যে পদেই থাকুন না কেন, কখনও অহংকার প্রকাশ করতেন না (Atal Bihari Vajpayee)।

    অযোধ্যার তথাকথিত ‘বিতর্কিত’ কাঠামো ভেঙে পড়ার কয়েক মাস পরে বাজপেয়ীর সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন এক সাংবাদিক। তিনি প্রায় ১৫ মিনিট ধরে ওই সাংবাদিকের সমস্ত তিক্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন ঠান্ডা মাথায়, তাঁর আচরণ কিংবা অভিব্যক্তিতে রাগের লেশ মাত্র ছিল না (Death Anniversary)।

    সংবিধান নিয়ে সচেতনতার প্রয়োজন

    অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল ২০০০ সালে সংবিধানের কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা। সংবাদমাধ্যমের একাংশ সেই কমিটিকে সংবিধান পুনর্বিবেচনার কমিটি হিসেবে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরেছিল। অথচ এর উদ্দেশ্য ছিল সংবিধান কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, তা খতিয়ে দেখা।

    বিআর আম্বেদকর সংবিধান প্রণয়নের সময় সতর্ক করে বলেছিলেন, সংবিধান যতই ভালো হোক, তা যদি খারাপ মানুষের হাতে পড়ে, তাহলে তার উদ্দেশ্য সফল হবে না। প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী হলেন দেশের মানুষ।

    প্রাক্তন ব্রিটিশ কূটনীতিক কার্নে রস তাঁর ‘নেতৃত্বহীন বিপ্লব’ গ্রন্থে লিখেছেন, গণতন্ত্র ভোটদাতা অর্থাৎ জনগণ এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি অর্থাৎ সরকারের মধ্যে একটি চুক্তির ব্যবস্থা করে। গণতন্ত্র আসলে ভোটদাতা ও নির্বাচিতের মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সমঝোতা।

    সাধারণ মানুষ সাধারণত সংবিধানের সেই অংশটুকুই জানেন, যা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষকে সংবিধান সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

    সংবিধান সচেতনতা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে ২০১৫ সালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রতি বছর ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস পালন করা হবে। এর উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সংবিধানের মূল্য ও তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন করা।

    সমাজের বৃহৎ অংশের মধ্যে সংবিধান সম্পর্কে এই অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে দেশের ভিতরে ও বাইরে থাকা কিছু সংগঠন নানা ধরনের অপব্যবহার করছে। আম্বেদকর এই ধরনের অপব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা হারানোর পেছনে নিজেদের কিছু মানুষের বিশ্বাসঘাতকতাও ছিল। ভবিষ্যতে যদি নিজেদের মানুষই আবার বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে এবং দেশকে ফের পরাধীনতার দিকে (Atal Bihari Vajpayee) ঠেলে দিতে পারে। তাই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

    সংবিধান পরিচালনার সামনে চার বড় চ্যালেঞ্জ

    সংবিধাননির্ভর শাসনব্যবস্থার সামনে চারটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ বিচারব্যবস্থা। সংবিধানের তিনটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে বিচারব্যবস্থা বর্তমানে এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা জানি, বিচার পেতে দেরি হওয়া মানেই বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া। আবার কেউ কেউ মনে করেন, অতিদ্রুত বিচার করাও কখনও কখনও ন্যায়বিচারকে ব্যাহত করতে পারে।

    রাম জন্মভূমি মামলায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত জমি তিন ভাগে ভাগ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই রায় বৈধ কি না, তা নির্ধারণের জন্য মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে যায়। কিন্তু বিরোধী পক্ষ মসজিদ ইসলাম ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ কি না, সেই প্রশ্ন তুলে রায় বিলম্বিত করার চেষ্টা করে।

    বিষয়টি যখন শুনানির জন্য ওঠে, তখন প্রধান বিচারপতি মাত্র কয়েক মিনিট সময় দিয়ে জানান, এটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় নয়। এর ফলে মন্দিরপন্থীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয় এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বড় আকারের বিক্ষোভ দেখা দেয়। লাখ লাখ মানুষ সেই বিক্ষোভে অংশ নিয়ে দেখিয়ে দেন যে তাঁদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ আসে আমলাতন্ত্র থেকে। এখানে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, গোটা আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার কথাই বলা হচ্ছে। এই ব্যবস্থা অনেক সময় উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন। একটি ব্যবস্থা হিসেবে আমলাতন্ত্রের জবাবদিহির অভাব সাংবিধানিক শাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে (Death Anniversary)।

    আম্বেদকরের সতর্কবার্তা

    আম্বেদকর এই বলে সতর্ক করেছিলেন যে, রাজনৈতিক দলগুলি যদি দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের মতাদর্শ বা দলীয় স্বার্থকে ওপরে স্থান দেয়, তাহলে দ্বিতীয়বারও দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে।

    অটলবিহারী বাজপেয়ীর কাছে দেশ ছিল মন্দিরের মতো। তিনি মনে করতেন, আমরা সেই মন্দিরের পুরোহিত এবং রাষ্ট্রপুরুষের সেবায় আমাদের জীবন উৎসর্গ করতে হবে। এটাই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন।

    ১৯৯৭ সালে ক্ষমতায় মাত্র ১৩ দিন থাকার পর পরাজিত হয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, “দল আসবে, দল যাবে, সরকার আসবে, সরকার যাবে, কিন্তু দেশকে থাকতে হবে এবং গণতন্ত্রকে চিরকাল থাকতে হবে (Atal Bihari Vajpayee)।”

    আজ পরিস্থিতি বদলেছে। জাতীয় রাজনীতিতে একটি দলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত হয়েছে এবং অধিকাংশ দলই আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এর অন্যতম কারণ পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতির বিস্তার। জাত, ভাষা, অঞ্চল ইত্যাদির ভিত্তিতে তৈরি পরিচয় আজ রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। এটি শুধু ভারতের নয়, বিশ্বেরও একটি বড় রাজনৈতিক প্রবণতা। সংবিধানের পক্ষে এই বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

    বাইরের চাপও বড় চ্যালেঞ্জ

    তৃতীয় চ্যালেঞ্জ আসে বাইরে থেকে। এমন এক শ্রেণির উদারপন্থী বুদ্ধিজীবী ও সংগঠন রয়েছে, যারা ব্যবস্থার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তাঁদের কাজকর্ম জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে সংবিধানের মাধ্যমে তৈরি হওয়া মৌলিক সমঝোতার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

    বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের মধ্যে যেমন সত্যিই জনকল্যাণে কাজ করা সংগঠন রয়েছে, তেমনই কিছু সংগঠন ব্যবস্থার অপব্যবহারও করে।

    শবরীমালা মামলার কথাই ধরা যাক। শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী নারীদের প্রবেশাধিকার নিয়ে এমন ব্যক্তিরাও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, যাঁরা নিজেরাই সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের অনুসারী নন। কেরলের মতো একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজকে বাইরে থেকে লিঙ্গসমতার শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ও এই বিতর্ককে আরও জটিল করে তোলে বলে অভিযোগ।

    সংবিধানের ২৫ থেকে ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে, যার মধ্যে হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, নিজেদের ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিচালনার অধিকার দেয় (Atal Bihari Vajpayee)।

    রাফাল চুক্তির ক্ষেত্রেও আদালতে যাওয়া পক্ষগুলির মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অভিযুক্ত করা। আদালত অভিযোগগুলি খারিজ করে জানিয়েছিল যে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তবে কিছু বুদ্ধিজীবী ও বেসরকারি সংগঠন নিজেদের স্বার্থে ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ।

    কবিতায় আশ্রয় খুঁজতেন অটলজি

    অটলবিহারী বাজপেয়ী শুধু রাজনীতিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন কবিও। রাজনীতির কোলাহল ও সংঘাতের মধ্যে তিনি কবিতার কাছে আশ্রয় নিতেন। তাঁর নিজের কথায়, তাঁর কবিসত্তা তাঁকে রাজনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার শক্তি দিত, বিশেষ করে যেসব সমস্যা তাঁর বিবেককে স্পর্শ করত।

    তিনি ছিলেন গভীর আবেগপ্রবণ এবং বিনয় তাঁর চরিত্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। রাজনীতিতে এমন বিনয়ী মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। নিজের কবিতায় তিনি ঈশ্বরের কাছে এমন উচ্চতায় না পৌঁছনোর প্রার্থনা করেছিলেন, যেখানে পৌঁছে তিনি নিজের মানুষের কাছ থেকেই দূরে সরে যাবেন।

    সাফল্য ও ব্যর্থতাকে কীভাবে সমানভাবে গ্রহণ করতে হয়, অটলজি নিজের জীবন দিয়ে তা দেখিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, জয় ও পরাজয়কে সমভাবে গ্রহণ করতে পারাই একজন প্রকৃত নেতার লক্ষণ।

    ‘অজাতশত্রু’

    আজকের কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে সত্য কথা বলা সহজ নয়। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ী সততা, সহনশীলতা ও সমঝোতার রাজনীতি চর্চা করেছিলেন। রাজনীতিক হিসেবে তিনি এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন যে তাঁর ব্যক্তিগত শত্রু প্রায় ছিল না। তাই তাঁকে বলা হত ‘অজাতশত্রু’।

    তিনি নিজের কাছে সৎ ছিলেন এবং দেশের মানুষের কাছেও ছিলেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। তিনি কখনও মনে করতেন না যে তিনিই সবসময় সঠিক। কারণ, কেউ যদি মনে করেন তিনিই সর্বদা ঠিক, সেখান থেকেই বিদ্বেষের সূচনা হয়।

    অটলবিহারী বাজপেয়ী তাঁর জীবন ও রাজনীতির মাধ্যমে আমাদের সামনে একটি জীবন্ত দৃষ্টান্ত রেখে গিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণের সঙ্গে একটি যুগের অবসান ঘটেছে। সত্যিই তাঁর মতো আর একজন অটলবিহারী বাজপেয়ীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু (Death Anniversary) তিনি যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেছিলেন—ইতিবাচকতার রাজনীতি, সহমর্মিতা ও মর্যাদার রাজনীতি এবং বিনয়ের রাজনীতি—তা আগামী দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (Atal Bihari Vajpayee)।

     

  • Amit Shah: সংসদ চলতে দিন, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে ২৪ ঘণ্টা আলোচনার প্রস্তাব শাহের

    Amit Shah: সংসদ চলতে দিন, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে ২৪ ঘণ্টা আলোচনার প্রস্তাব শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভ এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে চলতে থাকা সরকার ও বিরোধীদের সংঘাতের মধ্যেই আলোচনার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা প্রস্তাব করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন, সংসদের কাজ স্বাভাবিক হতে দেওয়া হোক এবং ছাত্র বিক্ষোভ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হোক। সেই আলোচনায় সাংসদদের বক্তব্য শোনার পর তিনি নিজেই বিস্তারিত জবাব দেবেন (Student Protests)। বিরোধী দলগুলি বেশ কিছু দিন ধরেই দাবি করে আসছে, দিল্লিতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরাসরি সংসদে বিবৃতি দিতে হবে। বিশেষ করে পুলিশের বলপ্রয়োগের অনুমতি কে দিয়েছিল এবং অভিযানের সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগের সত্যতা কী—এই প্রশ্নগুলির জবাব চাইছেন বিরোধীরা। এই দাবিতে বারবার সংসদের অধিবেশন অচল হয়েছে। এদিকে, সরকারের বক্তব্য, এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই আলোচনা করতে হবে। সরাসরি আলাদা বিবৃতি দেওয়ার পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সংসদের সামনে তোলা উচিত বলে মত কেন্দ্রের।

    ২৪ ঘণ্টা ধরে আলোচনার প্রস্তাব (Amit Shah)

    এই পরিস্থিতিতেই শাহ বুধবার সংসদে আলোচনার জন্য কার্যত এক দিনের সময় দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তাঁর বক্তব্য, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত আলোচনা চালানো যেতে পারে। পুরো আলোচনা পর্বে তিনি নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং সাংসদদের বক্তব্য শোনার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টেয় বিস্তারিত জবাব দেবেন। শাহ বলেন, “আলোচনা শুরু করা যাক। আমি সভায় থাকব এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টেয় বিস্তারিত জবাব দেব।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আলোচনার আগে পৃথক কোনও বিবৃতি দেওয়ার দাবি তিনি মানতে রাজি নন। তাঁর যুক্তি, সংসদের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেই নিয়ম মেনেই আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “সংসদে আলোচনার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি শুধু একটি বিবৃতি দিতে পারি না। আগে আলোচনা হোক, তারপর আমি বিস্তারিত জবাব দেব।” শাহের বক্তব্য, বিরোধী সাংসদরা যে প্রশ্নগুলি তুলতে চান, তার প্রত্যেকটির উত্তর দিতে তিনি প্রস্তুত। তবে তার আগে সংসদের কাজ স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে হবে। তাঁর মতে, সংসদ অচল রেখে কোনও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় (Amit Shah)।

    পলাতক’ তকমা নিয়েও জবাব

    সংসদে না আসা এবং বিরোধীদের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে শাহের বিরুদ্ধে। বিরোধী সদস্যদের একাংশ তাঁকে ‘পলাতক’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। সেই অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, তিনি নিয়মিত সংসদে আসছেন এবং নিজের দফতরে উপস্থিত থাকছেন। কিন্তু বিরোধীরা সংসদের কাজ চলতে না দেওয়ায় তিনি সভাকক্ষে যেতে পারছেন না (Student Protests)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি প্রতিদিনই আমার কক্ষে থাকি। আমি সভার ভিতরে যাই না। কারণ বিরোধীরা সংসদ চলতে দিচ্ছে না।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন বিরোধীরা ছাত্রদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে তাঁর কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা দাবি আরও জোরদার করেছেন। বিরোধীদের প্রশ্ন, আন্দোলনরত ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বলপ্রয়োগের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন? সেই নির্দেশের ভিত্তি কী ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যবহৃত পদ্ধতি কতটা আইনসঙ্গত ছিল?

    সরকারের লুকোনোর কিছু নেই’, দাবি শাহের

    নিজের প্রস্তাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ জানান, সরকার দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করতেও প্রস্তুত। সাংসদরা যে সব বিষয় তুলবেন, সেগুলির জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত আমরা সব ধরনের আলোচনার জন্য প্রস্তুত। আমি নিজে সভায় বসব, প্রত্যেকের কথা শুনব এবং সব প্রশ্নের উত্তর দেব। সরকারের লুকোনোর কিছু নেই। আপনারা কেন আলোচনা চাননি, সেটাও আমি আলোচনা করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট সরকার সব বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।” তিনি এও বলেন, “শুধু সংসদ চলতে দিন। আজ বিভিন্ন মাধ্যমে আমি বিরোধীদের বলতে চাই, দুপুর ২টোর মধ্যে সভাধ্যক্ষকে একটি চিঠি দিন। আমরা দুপুর ৩টে থেকে আলোচনা শুরু করব এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টের মধ্যে আমি সব প্রশ্নের উত্তর দেব। সংসদে আলোচনার জন্য নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে। এখন কেউ যদি আমাকে শুধু একটি বিবৃতি দিতে বলে, এত গুরুতর বিষয়ে তা কীভাবে সম্ভব?” শাহের এই প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে এটা স্পষ্ট যে, সরকার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতে প্রস্তুত। যদিও বিরোধীরা সেই প্রস্তাব কীভাবে গ্রহণ করবেন, তা স্পষ্ট নয়।

    দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরেই মূল বিরোধ

    সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০ জুলাই দিল্লিতে ছাত্রদের বিক্ষোভ এবং তার পর পুলিশের পদক্ষেপ। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, আন্দোলনরত ছাত্রদের দমন করতে পুলিশ অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে (Amit Shah)। বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বে থাকা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক নেতা দাবি করেছেন, ছাত্রদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অনুমোদন কে দিয়েছিল, তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে স্পষ্ট করতে হবে। বিশেষ করে অভিযানের সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগ নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (Student Protests)। বিরোধীদের অভিযোগ, ছাত্রদের প্রতিবাদ দমনে পুলিশ যে পদ্ধতি নিয়েছে, তা নিয়ে সরকারের কাছ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য, সংসদে এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ চলবে।

    সংসদের বাইরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    বুধবার সংসদের বাইরে বিরোধী নেতারাও বিক্ষোভ দেখান। সেখানে শাহের জবাব চেয়ে স্লোগান দেওয়া হয়। “অমিত শাহ জবাব দাও”—এই স্লোগানে সরব হন বিরোধী দলের নেতা ও সাংসদরা। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি ছিল, ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরাসরি জবাব দিতে হবে। শুধু দিল্লি নয়, অন্যান্য রাজ্যেও ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। ছাত্র বিক্ষোভের বিষয়টি আরও বড় রাজনৈতিক সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাঁস, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং তার পর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সংসদেও।

    সরকার-বিরোধী সংঘাত মেটাবে কি আলোচনা?

    একদিকে বিরোধীরা চাইছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি বক্তব্য দিয়ে পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিন। অন্যদিকে শাহের বক্তব্য, সংসদের নিয়ম মেনে আলোচনা হলেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব। ফলে মূল বিরোধ এখন আর আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়, বরং আলোচনাটি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়ে (Amit Shah)। শাহের ২৪ ঘণ্টার আলোচনার প্রস্তাব তাই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বিরোধীরা সংসদের কাজ চালু করতে দিলে তিনি দীর্ঘ আলোচনা শুনতে এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের সংসদ অচল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন (Student Protests)।

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হওয়ার পর এবার রাজ্যসভাতেও পাশ হল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। বুধবার এই বিল লোকসভায় পাশ হয়। তার ঠিক পরদিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, এটি রাজ্যসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিলটি পেশ (Online Gaming Bill) হতেই বিরোধীরা হৈ হট্টগোল শুরু করে। তবে তাতে আটকানো যায়নি। অবশেষে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমেই রাজ্যসভাতেও বিলটি পাশ হয়ে যায়।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    বিল পাশের (Online Gaming) পর প্রতিক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন,
    “এই বিল সমাজে একটি ভারসাম্য তৈরি করবে। ইতিবাচক ও কল্যাণকর গেমিংকে উৎসাহ দেবে, আর যে গেমিং (Online Gaming Bill) যুব সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তার থেকে রক্ষা করবে।” নতুন বিল অনুযায়ী, কোন ধরনের গেম উৎসাহিত করা হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ— সে বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, অনলাইন গেমিংকে উৎসাহিত (Online Gaming Bill) করা হলেও, যেসব গেম অর্থের বিনিময়ে খেলা হয় বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব অনলাইন গেমিংকে তিন ভাগে ভাগ করেন

    ই-স্পোর্টস

    অনলাইন সোশ্যাল গেমস

    অনলাইন মানি গেমস

    মন্ত্রী জানান, ই-স্পোর্টসকে দেশের অন্যান্য খেলাধুলোর মতোই উৎসাহ দেওয়া হবে। অনলাইন সোশ্যাল গেমসকে (Online Gaming Bill) তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিমনস্কতার অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    তবে নিষিদ্ধ হচ্ছে কোন গেমগুলো?

    মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘অনলাইন মানি গেমস’, অর্থাৎ যেসব গেমে আর্থিক বিনিয়োগ করতে হয় এবং যার মাধ্যমে মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ে ও সর্বস্ব হারায়—এমন গেমগুলোই নিষিদ্ধ হবে। এই গেমগুলোর অ্যালগোরিদম এমনভাবে তৈরি, যা ব্যবহারকারীকে বারবার বিনিয়োগে বাধ্য করে, কিন্তু বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেই অর্থপাচার, আর্থিক প্রতারণা এবং এমনকি সন্ত্রাসে অর্থ জোগান দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে

    কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে। ফলে এই খাতে গত কয়েক বছরে হঠাৎ করেই অনেক ছোট-বড় সংস্থা গজিয়ে উঠেছে। এখন থেকে এমন অ্যাপ পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে, জানিয়েছেন বৈষ্ণব। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এই বিল আইনে পরিণত হলে, বিল ভঙ্গ করলে ১ কোটি টাকা জরিমানা ও সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল হতে পারে। আর যারা সরাসরি জড়িত না থেকেও এই গেমিং অ্যাপের বিজ্ঞাপন করছেন, তাদের উপর ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা হবে।

  • Attacks on Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    Attacks on Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু তথা সংখ্যালঘুরা (Attacks on Hindus)। প্রতিদিনই নতুন নতুন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন হিন্দুরা। সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের সুরক্ষা প্রশ্নের মুখে। পদ্মাপাড়ের (Bangladesh) এই অবস্থায় উদ্বিগ্ন ভারত। বারবার বাংলাদেশ সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েও ফল মিলছে না। এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে মোদি সরকার। শুক্রবার এই নিয়েই সংসদে আলোচনা করার কথা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। ইতিমধ্যেই ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে হবে বাংলাদেশের সরকারকে।  

    কড়া জবাব ভারতের

    সম্প্রতি বাংলাদেশে (Bangladesh) সাধু চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতারের পরেই ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে পদ্মাপাড়। এই পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। সংখ্যালঘু এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা (Attacks on Hindus) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি লেখা হয়েছিল বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারকেও। বাংলাদেশের জনসংখ্যার মাত্র 8 শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। কিন্তু ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই বার বার প্রশ্নের মুখে পড়েছে তাঁদের সুরক্ষা। প্রায় ২ হাজারের বেশি হামলার সম্মুখীন হয়েছে সংখ্যালঘুরা অন্তত ১৭০০-র বেশি সংখ্যালঘু পরিবার আক্রান্ত হয়েছে। এই আবহে ফের বাংলাদেশ সরকারকে সচেতন করল ভারত। রাজ্যসভায় বৃহস্পতিবার বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, ‘‘ঢাকা শহরের তান্তিবাজার পুজা মণ্ডপে হামলা এবং সাতক্ষীরার জেসোরেশ্বরী কালী মন্দিরে চুরি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত সরকার। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষা করা সেখানকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা চলছেই! জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    সংসদে আলোচনা

    ভারত সরকার বাংলাদেশের (Bangladesh) কাছে অনুরোধ করেছে তারা যেন হিন্দুদের নিরাপত্তা (Attacks on Hindus) নিশ্চিত করে। তাদের উপাসনাস্থলগুলোর সুরক্ষার দায়িত্ব নেয়। শুক্রবার অশান্ত বাংলাদেশ নিয়ে সংসদে আলোচনা করার কথা রয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। বদলের বাংলাদেশে এখন তীব্র অরাজক পরিস্থিতি। হাসিনা বিদায়ের পর থেকেই সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা নানাভাবে কোণঠাসা হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় তাদের উপর নির্যাতন মাত্রাছাড়া হয়ে উঠেছে। সরকারের তরফে এ নিয়ে বিবৃতিও দেওয়া হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dharmendra Pradhan: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    Dharmendra Pradhan: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা (NEET-UG) এবং ইউজিসি নেট-এর প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিতর্ক-বিক্ষোভে (NEET Row) উত্তাল দেশ। নিট ইস্যুতে উত্তাল লোকসভা। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নিট বিতর্কে যে কোনও প্রশ্নের জবাব দিতে তৈরি সরকার। তারা আলোচনাও করতে চায়। কিন্তু বিরোধীদেরও সেই আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হবে। নিট প্রসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। এই ঘটনায় সবরকম তদন্ত চলছে। 

    আলোচনায় বসতে রাজি সরকার  

    নিট বিতর্কে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) বলেন, ‘‘সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত ৷ তবে এটি সুষ্ঠু এবং সঠিকভাবে হওয়া উচিত। গতকাল যখন রাষ্ট্রপতি নিজেই তাঁর বক্তৃতায় এই সমস্যাটি সম্বোধন করেছিলেন, তখন বোঝা যায় যে সরকার যেকোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আমি প্রত্যেককে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা দোষীদের রেহাই দেব না। ইতিমধ্যেই সরকার এনটিএ (ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি) চেয়ারপার্সনকে সরিয়ে দিয়েছে ৷ তাঁর বদলে অভিজ্ঞ অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৷ যা থেকে স্পষ্ট, সরকার বেনিয়ম বরদাস্ত করবে ৷ এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের রেহাই দেওয়া হবে না ৷’’ ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিটে দুর্নীতি (UGC NET Controversy) প্রমাণিত হলে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। নেটের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। কাউকে কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। পরীক্ষা পদ্ধতির উপর বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার।’’ 

    আরও পড়ুন: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    অধিবেশন মুলতুবি 

    নিট বিতর্কে (NEET Row) আলোচনার দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকেই লোকসভায় সরব হন বিরোধীরা। হইহট্টগোলের মধ্যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। পরে অধিবেশন শুরু হলে ফের বিক্ষোভ দেখান বিরোধীরা। বাধ্য হয়ে গোটা দিনের জন্যই অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। স্পিকারের বক্তব্য, রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা চলাকালীনও নিট ইস্যুতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারেন বিরোধীরা। তবে বিরোধী শিবির, শুধুমাত্র নিট ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে অনড় থাকায় সংসদ মুলতবি করে দেওয়া হয়। আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত সংসদের দুই অধিবেশনই মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানিয়েছেন, যথাসময়ে নিট নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত বিরোধীদের সংসদ চালানোর মতো পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • 3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! সম্প্রতি এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) তিন জনকে গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে চলছিল সিকিউরিটি চেকিং। সেই সময় সংসদ ভবনের ফ্ল্যাপ গেট এন্ট্রিতে সিআইএসএফ কর্মীরা এই তিনজনকে আটক করে। তারপর এদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ওই তিন জন সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (3 arrested In Parliament)

    মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের গণনা চলছিল সারা দেশে। আর সে দিনই ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন পেশায় শ্রমিক এবং উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)  বাসিন্দা কাসিম, মোনিস এবং শোয়েব। সংসদের একটি প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢোকার সময় তাঁদের দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানদের। পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া হলে তিন জনেই আধার কার্ড দেখান। কিন্তু সেই আধার কার্ড দেখে জওয়ানদের সন্দেহ আরও বাড়ে। খতিয়ে দেখার পর জানা যায়, তিনটি আধার কার্ডই ভুয়ো। 

    আরও পড়ুন: দুই মন্ত্রীকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণে আসছেন মুইজ্জু?

    অভিযুক্তদের নামে এফআইআর দায়ের 

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জন (3 arrested In Parliament) সংসদ চত্বরে একটি নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মূলত নির্মাণশ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তাঁরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই তিনজনকে কাজে ঢুকিয়েছিল ডি ভি প্রজেক্টস লিমিটেড। সংসদ কমপ্লেক্সের ভিতরে এমপির লাউঞ্জ নির্মাণে নিযুক্ত ছিল তারা। ঘটনার পরেই তিন অভিযুক্তকে সিআইএসএফ কর্মীরাই দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কারন বর্তমানে সিআরপিএফ এবং দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বদলে সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সিআইএসএফ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির  ৪৬৫ ধারা (জালিয়াতি),৪১৯ ধারা (প্রতারণা), ১২০ বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) সহ বিভিন্ন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। ধৃত তিন শ্রমিকের সঙ্গে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী বা শত্রুদেশের যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ জাল আধার কার্ড ছাড়াও ধৃত তিন ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল পাসপোর্টও। 
    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে বৈঠক রয়েছে এনডিএ-র। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে জোটের তাবড় সব নেতারা। এর পরই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথেরও প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ঠিক তার আগে সংসদ ভবন চত্বর থেকে এই তিন সন্দেহভাজনের গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pannun: পাশে আফজলের ছবি, সংসদ ভবন ওড়ানোর হুমকি দিল খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুন

    Pannun: পাশে আফজলের ছবি, সংসদ ভবন ওড়ানোর হুমকি দিল খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সংসদ ভবন উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল খালিস্তানি জঙ্গি নেতা পান্নুন (Pannun)। এক ভিডিওবার্তায় বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্তানি জঙ্গি নেতাকে বলতে শোনা যাচ্ছে ১৩ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সংসদ ভবন ওড়ানোর কথা। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে ১৩ ডিসেম্বর জঙ্গি হামলা হয়েছিল দেশের সংসদ ভবনে। সেই ঘটনার ২২ বছর পূর্তি হতে চলেছে আগামী ১৩ ডিসেম্বর। তার আগেই পান্নুনের (Pannun) এই ভিডিওবার্তা সামনে এল।

    পান্নুনের ভিডিও বার্তায় আফজল গুরুর পোস্টার

    এদিন পান্নুনের (Pannun) যে ভিডিওবার্তা সামনে এসেছে, সেখানে দেশের সংসদ ভবন হামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত আফজল গুরুর একটি পোস্টার দেখা যাচ্ছে। ওই ভিডিওবার্তার ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘দিল্লি বনেগা খালিস্তান’। অর্থাৎ দিল্লিও হবে খালিস্তান। ভিডিওবার্তায় পান্নুন (Pannun) আরও বলছে যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে তাকে খুন করার। ভিডিওবার্তায় এদিন পান্নুন বারংবার জোর দিয়ে বলতে থাকে, ‘‘১৩ ডিসেম্বর-এর আগে অথবা ১৩ ডিসেম্বর, সংসদ ভবনে হামলা হবেই।’’ বর্তমানে শীতকালীন অধিবেশন চলছে সংসদ ভবনে। যা শুরু হয়েছে গত সোমবার থেকেই। সংসদের শীতকালীন অধিবেশন চলবে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    সংসদের নিরাপত্তা বিষয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি

    পান্নুনের ভিডিও সামনে আসতেই সংসদের নিরাপত্তার বিষয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্র। নয়া সংসদ ভবনেই চলছে শীতকালীন অধিবেশন। ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের মন্দির হল সংসদ। সেই সংসদ ভবনে সারা বছর ধরেই জোরদার নিরাপত্তার বলয় থাকে। তবুও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর নির্দেশ মতো কাজ করছে পান্নুন (Pannun)। কাশ্মীর-খালিস্তান ইস্যুতে ভারতে অশান্তি ছড়ানোই পাক সংস্থার মূল উদ্দেশ্য। এদিন পান্নুনের ভিডিওতে আফজল গুরুর ছবি সেই যোগসূত্রের প্রমাণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গত মাসে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়ও এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে নাশকতা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন পান্নুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি।  কেন্দ্রের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই আইনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মামলা হয়েছিল। তবে শুক্রবার ওই আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত’র বেঞ্চ শুক্রবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বলে আইনটির উপর স্থগিতাদেশ জারি জরুরি বলে আদালত মনে করে না। তবে মামলাকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য জানতে আগ্রহী। সেই মতো শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২০ এপ্রিল।  

    কী এই আইন

    কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। 

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    স্থগিতাদেশ নয়

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর কেন্দ্রের আনা এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারির আর্জি জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর তরফে উপস্থিত আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, “এই আইন ক্ষমতার বিভাজনের ভাবনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ”। তবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের (Election Commission) এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করে। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই আইনে স্থগিতাদেশ জাকি করা যাবে না। পিটিশনের একটি কপি কেন্দ্রের কাউন্সিলকে পাঠানো হচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, “আমরা সংশোধিত আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে পারি না। কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra row: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    Mahua Moitra row: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া বিতর্কের মধ্যেই সংসদীয় পোর্টালের গোপনীয়তা নিয়ে সচিবালয় থেকে দেওয়া হল একটি নয়া নির্দেশিকা। গত ১০ নভেম্বর জারি করা নির্দেশিকাটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদরা বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন করতে পারেন। এর জন্য, তাঁদের আগে থেকে সংসদীয় ওয়েবসাইটে প্রশ্নগুলি আপলোড করতে হয়। এই প্রশ্নগুলি সংসদে করা এবং সেগুলির উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত, এই প্রশ্নগুলির উত্তর ‘অত্যন্ত গোপনীয়’। এমনই মত লোকসভার সচিবালয়ের।

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    সংসদের নানা নিয়ম নিয়ে  ১০ নভেম্বর এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে লোকসভা সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকসভা সচিবালয়ের সেই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি বরাদ্দ সময়ে কোনও প্রশ্ন সংসদের অভ্যন্তরে জিজ্ঞাসা না করা হয় বা তার উত্তর না দেওয়া হয়, তাহলে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত, সেই প্রশ্নের উত্তরও প্রকাশ করা উচিত নয়। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, সাংসদরা দুই ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন। কয়েকটি প্রশ্ন থাকে স্টার মার্ক দেওয়া, আর কতগুলি নয়। স্টার মার্ক দেওয়া প্রশ্নগুলির মৌখিক উত্তর দেওয়া হয়। আর যেগুলি নয়, সেগুলি লিখিত আকারে দেওয়া হয়ে থাকে। জানা গেছে, স্টার মার্ক করা প্রশ্নের উত্তর প্রশ্নোত্তর পর্বের দিন সকাল ৯টার মধ্যে আপলোড করা হয়ে থাকে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে যে উত্তরের প্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন যাতে সংশ্লিষ্ট সাংসদ করতে পারেন, তারজন্য এই ব্যবস্থা। আর এই উত্তরগুলি সংশ্লিষ্ট সাংসদের অ্যাকাউন্টেই করা হয় পোস্ট। 

    আরও পড়ুন: চলতি অর্থবর্ষের প্রথম সাত মাসেই ৮০০ কোটি ডলারের মোবাইল রফতানি ভারতের

    কেন এই নির্দেশিকা

    লোকসভার সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এই উত্তরগুলি যাতে শুধুমাত্র সাংসদরাই ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্য এগুলি লগইন এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সংসদীয় পোর্টালে সুরক্ষিত রাখা হয়। তাই, সাংসদদের এই উত্তরগুলির গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্যদের সঙ্গে সেগুলি ভাগ না করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। মৌখিক এবং লিখিত দুই ধরণের প্রশ্নের উত্তরই একটি নির্দিষ্ট দিনের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোপনীয় বলে বিবেচনা করতে হবে।” তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে সরকার বিরোধী প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে তাঁকে। মহুয়া মৈত্র সংসদের ওয়েবসাইটে তাঁর অ্যাকাউন্টের লগ-ইন সংক্রান্ত তথ্য হিরানন্দানিকে দেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share