Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • Indian Railway: বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে সস্তায় ট্রেনে চড়া যায় ভারতেই, লোকসভায় বললেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railway: বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে সস্তায় ট্রেনে চড়া যায় ভারতেই, লোকসভায় বললেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই সবচেয়ে কম খরচে করা যায় ট্রেন সফর। বিগত পাঁচ বছরে সিকে পয়সাও বাড়েনি ভাড়া। সংসদে তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে এমনটাই জানালেন রেলমন্ত্রী (Indian Railway) অশ্বিনী বৈষ্ণব। মন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, ভারতের লোকাল ট্রেনে চড়তে গড়ে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকার মধ্যে খরচ হয় একজন যাত্রীর। প্রসঙ্গত, গোটা বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে সস্তায় ট্রেনে চড়া যায় এই ভারতেই।

    সবচেয়ে ভালো রেল পরিষেবা ভারতে (Indian Railway)

    মঙ্গলবার লোকসভায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন, ‘‘২০২০ সাল থেকে ভারতীয় রেলমন্ত্রক টিকিটের দামে কোনও পরিবর্তন আনেনি। এক পয়সাও বাড়ানো হয়নি টিকিটের দর। এমনকি পড়শি দেশগুলির তুলনায় সবচেয়ে কম খরচেই একজন যাত্রীকে ভারতে রেল পরিষেবা (Indian Railway) নিয়ে থাকেন।’’

    প্রতিবেশী কোন দেশে টিকিটের দাম কত তাও বলেন রেলমন্ত্রী

    একইসঙ্গে সংসদে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রসঙ্গও টানেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railway) বলেন, ‘‘বর্তমানে ভারতীয় ট্রেনে চেপে ৩৫০ কিলোমিটার পথ যেতে খরচ হয় ১২১ টাকা। সেই একই দূরত্ব পার করে পাকিস্তান রেল যাত্রীদের থেকে নিয়ে থাকে ৪৩৬ টাকা ও বাংলাদেশ নিয়ে থাকে ৩২৩ টাকা। এমনকি, দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাতেও একই দূরত্ব যেতে খরচ পড়ে ৪১৩ টাকা।’’

    বেড়েছে রেলের সময়ানুবর্তীতা

    উল্লেখ্য, দেশের ট্রেন পরিষেবা নিয়ে এদিন একাধিক বিষয়ে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw)। তিনি বলেন, ‘‘আগের তুলনায় বেড়েছে রেলের সময়ানুবর্তীতা।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আধুনিক সিগন্যালিং সিস্টেম, রিয়েল-টাইম মনিটরিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারেই আগের তুলনায় ৯০ শতাংশ সময়ানুবর্তীতা বেড়েছে ভারতীয় রেলের।’’ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় রেল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিকে বড় বড় শহরের সঙ্গে জুড়তে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে বেড়েছে ভারতের অর্থনীতি। তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান। বিভিন্ন সামাজিক জনগোষ্ঠীর কাছে এর ফলে সহজ হয়েছে যাত্রা। সামাজিক একতাও গড়ে তুলতে পেরেছে ভারতীয় রেল।

  • Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের স্বচ্ছ ও মানসম্মত পরিষেবা অনেক ক্ষেত্রেই বহু ক্ষেত্রে প্রশংসিত। আবার কিছুক্ষেত্রে যাত্রীরা সমালোচনাও করেন। রেলের খাবার এবং তার নির্দিষ্ট দাম থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে। উদ্যোগ নিল রেল। ট্রেনে পরিবেশিত খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Railway Minister)। লোকসভায় দেওয়া এক লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে মেনু ও মূল্য তালিকা জানানো হচ্ছে। এছাড়াও, ট্রেনের ওয়েটারদের কাছে প্রিন্টেড মেনু কার্ড থাকবে। যাত্রীরা চাইলে তা দেখতে পারবেন। ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও এই মূল্য তালিকা দেখানো থাকবে।

    খাবারের মান হবে উন্নত (Railway Minister)

    পাশাপাশি, খাবারের মান নিশ্চিত করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) বলেন, ‘‘নির্ধারিত বেস কিচেন থেকে খাবার সরবরাহ করা, আধুনিক বেস কিচেন চালু করা ও রান্নার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’’ খাবারের মানোন্নয়নে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের কাঁচামাল ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যেমন- নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের তেল, চাল, আটা, ডাল, মশলা, দুধ ও পনির ইত্যাদি। এ ছাড়াও, প্রতিটি বেস কিচেনে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকি করতে ফুড সেফটি সুপারভাইজারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে

    রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, ট্রেনে আইআরসিটিসি সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। খাবারের প্যাকেটে দেওয়া হবে কিউআর কোড। এটা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন খাবার কোথায় প্রস্তুত হয়েছে ও কখন প্যাকেজিং করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলোতে নিয়মিত গভীর পরিচ্ছন্নতা ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে প্রতিটি ক্যাটারিং ইউনিটের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (FSSAI) সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভালো মানের খাবার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে যাত্রীদের মতামতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

  • Bharat Bhutan Rail: ট্রেনে চেপে মাত্র এক ঘণ্টায় ভুটানে! প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্যোগে পর্যটনে জোয়ার

    Bharat Bhutan Rail: ট্রেনে চেপে মাত্র এক ঘণ্টায় ভুটানে! প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্যোগে পর্যটনে জোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ভারতীয় রেল (Bharat Bhutan Rail)। বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পর এবার ভুটানের সঙ্গে রেল সংযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অসমের কোকড়াঝাড় থেকে ভুটানের গেলেফু পর্যন্ত রেলপথ বসানোর যাবতীয় প্রকল্প রিপোর্ট উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল তুলে দিয়েছে ভারতীয় রেলবোর্ডের কাছে।

    প্রস্তাবিত প্রকল্প কাঠামো

    গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই প্রকল্পের কথা গুয়াহাটিতে ঘোষণা করেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। গুয়াহাটিতে আয়োজিত বিনিয়োগ ও পরিকাঠামো শীর্ষ সম্মেলন অ্যাডভান্টেজ অসম ২.০-তে প্রস্তাবিত ৬৯.০৪ কিলোমিটার রেললাইনটির কথা ঘোষণা করেছিলেন রেলমন্ত্রী। প্রস্তাবিত ৬৯.০৪ কিলোমিটার রেললাইনটি অসমের কোকড়াঝাড় স্টেশনকে ভুটানের গেলেফুর সঙ্গে যুক্ত করবে। লাইন বসানোর জন্য আনুমানিক ব্যয় নির্ধারণ হয়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের অধীনে ৬টি নতুন স্টেশন নির্মাণ হবে। স্টেশনগুলি হল বালাজান, গারুভাসা, রুনিখাতা, শান্তিপুর, দাদাগিরি ও গেলেফু। সেইসঙ্গে পরিকাঠামো পরিকল্পনায় থাকছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, ২৯টি বড় সেতু, ৬৫টি ছোট সেতু, ১টি রোড ওভার ব্রিজ ও ৩৯টি রোড আন্ডার ব্রিজ ও ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের ০২টি ভায়াডাক্ট। ফাইনাল লোকেশন সমীক্ষা রিপোর্ট রেলবোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন মিললেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’র দিকে এগোচ্ছে রেল

    প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার জন্য বেশ কিছু নতুন রেলওয়ে (Bharat Bhutan Rail) প্রকল্প গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ ও ‘নেবারহুড ফার্স্ট পলিসি’-র দিকে সক্রিয় ভাবে এগিয়ে চলেছে ভারতীয় রেল। প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের সঙ্গে সংগতি রেখে কোকরাঝাড় থেকে গেলেফু পর্যন্ত নতুন রেললাইন বসানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এই লাইনই অসম ও ভুটানকে যুক্ত করবে। দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এই লাইন বসানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি বিকাশ ও উন্নয়নের পথ

    প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের ফাইনাল লোকেশন সার্ভে (এফএলএস) সফল ভাবে সম্পূর্ণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই রেললাইনটি উল্লেখযোগ্য ভাবে ভারত-ভুটান সম্পর্ককে মজবুত করবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে বৃদ্ধি করবে। সেই সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থাকেও উন্নত করবে, এবং এর মাধ্যমে ভুটানকে সর্বপ্রথম বার রেলওয়ে সংযোগ ব্যবস্থা প্রদান করা হবে, যা বাধাহীন পরিবহণে সহায়ক হয়ে উঠবে। সেই সঙ্গে, এই রেললাইন বড়োল্যান্ডের জন্য একটি বাণিজ্য ও ট্রানজিট হাব হিসাবে গড়ে উঠবে। যার ফলে স্থানীয় ব্যবসা ও জনসাধারণের সুবিধা হবে। সামগ্রিক ভাবে, এই অসম-ভুটান রেললাইন বড়োল্যান্ডের অর্থনীতিতে ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় রূপান্তর সাধন করবে, যা দীর্ঘমেয়াদি বিকাশ ও উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে।

    প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’

    দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন ও বঞ্চিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে উন্নয়নের গতি আনাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিশন ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’। বাংলাদেশ ও মায়ানমার এই দুই প্রতিবেশী দেশ ভারতের অ্য়াক্ট ইস্ট পলিসির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ৷ কারণ, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে এই দুই দেশের মধ্যে দিয়ে যুক্ত করা যায়। যেহেতু এই দুই দেশে ঝামেলা ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছে ৷ তাই নয়াদিল্লির জন্য ভুটান, নেপাল, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন ৷ সেক্ষেত্রে এই প্রস্তাবিত রেলপথ ভারত-ভুটান সম্পর্ককেঅন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে, বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্যোগ

    ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Initiatives) ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক-এর সঙ্গে বৈঠকে এই রেললাইন নিয়ে আলোচনা হয়। এই রেললাইনের ৭০ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে ভুটানের ভেতরে ৫৮ কিলোমিটার রেলপথ বিছানোর পরিকল্পনা রয়েছে । উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের সারপাং-এর গেলেফু পর্যন্ত এই রেলপথ পাতা হবে। পরে, ২০২৪ সালে মার্চ মাসে ভুটান সফরে গিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ সেসময় মোদি ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের মধ্যে এই রেলপথ নিয়ে আলোচনা হয় ৷ তারপর দু’দেশের মধ্যে এই রেললাইন নিয়ে মৌ স্বাক্ষরও হয়েছিল।

    কোথা থেকে কোথায় রেলপথ

    ভুটানের (Bharat Bhutan Rail) সারপাং জেলার গেলেফুকে ভুটানের বৃহত্তম ইকোনমিক জোন হিসেবে ধরা হয় । এই রেলপথ তৈরি হলে ভুটানের আর্থ সামাজিক মান আরও উন্নত হবে ৷ ভারত ও ভুটানের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি বাড়বে । পর্যটন মানচিত্রে বিরাট জায়গা করে নেবে এই রেলপথ । শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় রেললাইন হিসেবে ভুটানের সামসি জেলা থেকে ভারতের সীমান্ত চা বাগানের মধ্যে দিয়ে কোকরাঝাড় রেলপথ বানারহাট রেললাইনে মিশবে।

    ভারতের রেল নেটওয়ার্ক

    ভারতের রেল (Bharat Bhutan Rail) নেটওয়ার্ক হার মানিয়ে দেয় অনেক দেশকেই। শুধু দেশের অন্দরে নয়, আন্তর্জাতিক রেল নেটওয়ার্কও রয়েছে ভারতের। বর্তমানে ভারতের বাইরে ট্রেনে চেপে আরও দুটি দেশে যাওয়া যায়- বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। তবে এবার ভারতের গা ঘেঁষে থাকা ভুটানেও পৌঁছে যাওয়া যাবে ট্রেনে চেপেই। ভারত-ভুটান সরাসরি রেলপথ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। কারণ, তাতে আমজনতা, পর্যটকরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনই দুই দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও সহজ ও সম্প্রসারিত হবে। ভুটানের সঙ্গে আরও পোক্ত হবে ভারতের সম্পর্ক।

    প্রাথমিক পরিকল্পনা

    ভারতের সঙ্গে ভুটানের সরাসরি রেল যোগাযোগ গড়ে তুলতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি সম্ভাব্য রুটের কথা ভাবা হয়েছিল। এগুলির মধ্য়ে অসম থেকে ভুটান পর্যন্ত তিনটি রুটে ট্রেন চালানোর সম্ভাবনা উঠে আসে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলা থেকে একটি করে সম্ভাব্য রুট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। অন্যদিকে, অসম থেকে ভুটান পর্যন্ত প্রস্তাবিত রেলরুটগুলির মধ্য়ে অন্যতম ছিল কোকড়াঝাড়-গেলেফু। শেষ পর্যন্ত সেই রুটটিকেই বেছে নেয় রেল মন্ত্রক। এরপর, ভারত ও ভুটান – দুই দেশের সম্মতিক্রমে ২০২২ সাল থেকে এই রুটে সমীক্ষার কাজ শুরু করে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। প্রায় দুই বছর ধরে ধাপে ধাপে সেই সমীক্ষার কাজ চলে। অবশেষে, ফাইনাল লোকেশন সার্ভের কাজ শেষ হয় গত নভেম্বর মাসে। এবার তৈরি হল প্রকল্প রিপোর্ট।

    ভারত-ভুটান এক ঘণ্টায়

    তথ্যাভিজ্ঞ মহলের হিসাব বলছে, সরাসরি রেলরুট চালু হলে অসমের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের গেলেফু পৌঁছতে ঘণ্টা খানেক সময় লাগবে। তাছাড়া, এই রুটে দুই দেশের মধ্য়ে পণ্য পরিবহণও শুরু করা যাবে। তাতে পরিবহণ খরচ কমবে এবং সময় বাঁচবে। যার জেরে লাভবান হবে দুই পক্ষই।

    পর্যটনে জোয়ার

    ভুটান (Bharat Bhutan Rail) ভারতের ঠিক পাশেই অবস্থিত। ভারতীয়দের ছুটি কাটানোর অন্যতম ঠিকানা এই দেশ। হিমালয়ের কোলে থাকা সেই ভুটানে এবার যাওয়া যাবে ট্রেনে। সেই পরিকল্পনা করছে রেল। অসমের কোকরাঝাড় জেলাকে ভুটানের গেলফু শহরের সঙ্গে যুক্ত করবে রেল লাইন। একবার এই রেল যোগাযোগ স্থাপন হয়ে গেলে, ভারত থেকে ভুটানে যাতায়াত করা মানুষের পক্ষে সহজ হয়ে যাবে। এই রেল যোগাযোগ ভারত ও ভুটানের মধ্যে পর্যটনের প্রসার ঘটাবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ভারতীয়দের ভুটান ভ্রমণের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না, তবে রেলপথ নির্মাণের পরে, ভারতীয়দের জন্য ভ্রমণ আরও সহজ হয়ে উঠবে।

  • Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। শেষ হচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রির দিন। যোগী আদিত্যনাথ নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার মহা শিবরাত্রির স্নানের জন্য ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর (Yogi Adityanath) নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার সিং এবং পুলিশের ডিজি প্রশান্ত কুমার মহাকুম্ভ (Mahakumbh) নগর পরিদর্শন করেছেন। সেখানকার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। অন্যদিকে, এই শেষ পুণ্যস্নানে যেন ভক্তদের যাতে কোনওরকমের অসুবিধা না হয় সেদিকে তাকিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতীয় রেলও।

    কী বললেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশের ডিজি প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘‘আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবস্থা করছি যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনওরকম অসুবিধা না হয়। ট্রাফিক কন্ট্রোল কিভাবে করা হবে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ কিভাবে করা হবে এবং তীর্থযাত্রীরা সহজেই কীভাবে পুণ্যস্নান করতে পারবেন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া চলছে। আমরা মনে করি, আমাদের এই চেষ্টায় ভক্তদের কোনও রকমের অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে না।’’

    সমাজমাধ্যমে কড়া নজর যোগী সরকারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমের দিকেও কড়া নজর রেখেছে। যাতে সেখানে মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) নিয়ে কোনও রকমের গুজব না ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ডিজি প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘ইতিমধ্যে ৫০টা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যারা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে মহাকুম্ভ সম্পর্কে এবং গুজব ছড়াচ্ছে নানা রকম, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাই।’’ মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। সরকারের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) যা শুরু হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে, তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে। প্রতিদিনই এক কোটি ভক্ত পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাধু-সন্ন্যাসী। তাঁরা বিভিন্ন আখড়া থেকে এসেছেন সনাতন ধর্মের।’’

    বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় রেল

    কুম্ভের শেষ পুন্যস্নান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করছে ভারতীয় রেলও। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করল রেল। বিশেষ করে জংশনগুলিতে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উত্তর রেলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে। প্রয়াগরাজ, বারাণসী, দীনদয়াল উপাধ্যায়-সহ একাধিক স্টেশনে পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল।

  • Indian Railway: রেলের টিকিটে প্রবীণদের ৫০ শতাংশ ছাড়, জানুন বিস্তারিত

    Indian Railway: রেলের টিকিটে প্রবীণদের ৫০ শতাংশ ছাড়, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শনিবার অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য টিকিটের দামে ছাড় চালু করল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, ৫৮ বছর বা তার বেশি বয়সি মহিলারা ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন এবার থেকে টিকিটে। অন্যদিকে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে এই ছাড় হবে ৪০ শতাংশ। জানা গিয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল সীমিত আয়ের প্রবীণ নাগরিকদের (Senior Citizen) ভ্রমণের খরচ কমানো।

    আরও খুঁটিনাটি (Indian Railway)

    ছাড়ের প্রধান শর্ত হল, মহিলাদের বয়স কমপক্ষে ৫৮ বছর এবং পুরুষদের কমপক্ষে ৬০ বছর হতে হবে। এছাড়া, নিয়মিত বুকিংয়ের ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের জন্যই এই ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। তবে একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, তৎকাল টিকিটে এই ছাড় প্রযোজ্য নয়। অনলাইন বুকিংয়ের (Indian Railway) ক্ষেত্রে প্রথমে যেতে IRCTC ওয়েবসাইটে। এরপর লগ ইন করে ভ্রমণের বিবরণ পূরণ করতে হবে। তারপর সিনিয়র সিটিজেন কনসেশন বিকল্পটি বাছতে হবে। এরপর বয়সের প্রমাণপত্র আপলোড করে টাকা জমা দিতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি হয়ে গেলে টিকিট ডাউনলোড করতে পারবেন।

    প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুযোগ

    অনুরোধ করলে প্রধান স্টেশনগুলিতে হুইলচেয়ারের সহায়তা পেয়ে থাকেন দেশের প্রবীণ নাগরিকরা (Indian Railway)। টিকিট বুকিং এবং চেক-ইন প্রক্রিয়ার সময় পৃথক সারির ব্যবস্থা থাকে, যা সময় বাঁচাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, স্লিপার এবং এসি কামরায় লোয়ার বার্থ মেলে।

    কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    এই ছাড় মেল, এক্সপ্রেস, রাজধানী, শতাব্দী এবং দুরন্ত ট্রেনগুলিতে প্রযোজ্য থাকবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। আইআরসিটিসি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এই ছাড় পেতে পারেন অথবা আধার কার্ড বা ভোটার আইডির মতো বৈধ নথিপত্র-সহ রেলের টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট বুক করা যেতে পারে। বন্দে ভারত এবং তেজসের মতো ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে টিকিটে প্রবীণদের জন্য ছাড়-সহ বেশ কিছু সুযোগ-সুবিদা দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে ভারতীয় রেল। ভবিষ্যতে নামমাত্র মূল্যে অতিরিক্ত ভ্রমণ বিমাও চালু করতে পারে রেল (Indian Railway)।

  • Indian Railway: টাকা মেটাবেন পরে, ট্রেনের টিকিট কাটুন নিখরচায়! ভারতীয় রেল আনছে বিশেষ ব্যবস্থা

    Indian Railway: টাকা মেটাবেন পরে, ট্রেনের টিকিট কাটুন নিখরচায়! ভারতীয় রেল আনছে বিশেষ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিখরচায় কাটুন ট্রেনের টিকিট, টাকা মেটাবেন পরে! ভারতীয় রেল (Indian Railway) আনল এক দারুণ পরিষেবা। রেল যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই দারুণ একটা প্রকল্প চালু করল ভারতীয় রেল। এই ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বুক নাও, পে লেটার’ অর্থাৎ বুক করুন (Book Train Ticket) এবং পরে টাকা দিন। অনলাইনে থেকে নিখরচায় টিকিট কাটার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত আইআরসিটিসির অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে উপলব্ধ টিকিটি দেখে বুক করে টাকা জমা করলেই তবেই সংরক্ষিত টিকিট বুকিং করা যেত। টাকা জমা ছাড়া কোনও ভাবেই টিকিট সংরক্ষণ করা যেত না। কিন্তু এবার থেকে ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা সংযোজন করা হয়েছে।

    কীভাবে কাটবেন টিকিট (Indian Railway)?

    রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘বুক নাও পে লেটার’ (Book Train Ticket) থেকে রেলের টিকিট কাটা যাবে। প্রথমে www.epaylater.in নামক ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করতে হবে। এরপর নিম্নলিখিত ধাপগুলিকে লক্ষ্য করে পরপর কাজ করতে হবে। যথা-

    ১> এরপরে আইআরসিটিসির (Indian Railway) অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে হবে।

    ২> এবার নিজের পার্সোনাল ডিটেল অর্থাৎ নাম, ফোন নম্বর সহ তথ্যগুলি আপডেট করতে হবে।

    ৩> এরপর ক্লিক করলে আসবে। সেই কোড দিয়ে সাবমিট ক্লিক করুন।

    ৪> এবার পেমেন্টের অপশন আসবে। এখানে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ভিম অ্যাপ, নেট ব্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি বুক নাও, পে লেটার-র অপশনও পাবেন।

    আরও জানানো হয়েছে, টিকিট কাটার ১৪ দিনের মধ্যে যদি টাকা জমা (Book Train Ticket) না করা হয় তাহলে সেই জন্য অতরিক্ত টাকা জমা দিতে হবে না। কেবল মাত্র টিকিটের দাম দিলেই চলবে। কিন্তু যদি ১৪ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর টিকিটের দাম মেটান তবে ৩.৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ লাগবে।

    আরও পড়ুনঃ ১৭৯টি সম্প্রদায়কে এসসি, এসটি এবং ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ নীতি আয়োগের

    রেলের ভারত সরকারের বিশেষ নজর

    উল্লেখ্য, ভারতীয় রেলে (Indian Railway) ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার গঠন হওয়ার অভূতপূর্ব পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার, হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন, বুলেট ট্রেন-সহ একাধিক নিরাপদ এবং সুরক্ষিত ট্রেন (Book Train Ticket) একের পর এক উদ্বোধন করতে শুরু করেছে ভারতীয় রেল। একই ভাবে স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে মাথায় রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মডেল স্টেশন হিসেবে অমৃত ভারত স্টেশনের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। একই ভাবে রেল দুর্ঘটনা কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি, ইন্টার লকিং সিস্টেম সহ একাধিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। রেল হল ভারতের লাইফ লাইন, তাই তাকে আরও সরল, উন্নত এবং সুরক্ষিত করতে সরকার যে প্রতিনিয়ত অভিনব যোজনা সামনে আনছে তা ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) ভারতীয় রেল যেন কল্পতরু। উত্তর প্রদেশ সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল মেলায় ৪০-৪৫ কোটি মানুষের সমাগম হবে। তাই ভারতীয় রেল তীর্থযাত্রীদের পরিষেবায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ১৩০০০ ট্রেন এবং ৫৫০টি টিকিট কাউন্টার সহ আরও একাধিক ব্যবস্থা করেছে রেল। ত্রিবেণী সঙ্গমের স্নানের আয়োজনকে আরও নিরাপদ এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ১৪ জানুয়ারি পৌষ পূর্ণিমার দিন থেকে মেলার পুণ্যস্নান শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রি পর্যন্ত। দেশ এবং বিদেশের প্রচুর সাধু-সন্ত, সন্ন্যাসী, মুনিঋষি, যোগী, তান্ত্রিক এবং সাধারণ ভক্ত প্রতিদিন গঙ্গায় ডুব দিয়ে মোক্ষলাভের বাসনা চরিতার্থ করতে সমবেত হচ্ছেন।

    ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বের ট্রেন চলছে (Mahakumbh Mela 2025)

    পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহামিলন মেলার (Mahakumbh Mela 2025) যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেলের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আগের কুম্ভমেলা থেকে এবারের মহাকুম্ভে প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি ভক্ত সমাগম হবে। তাই জাতীয় পরিবহণ ব্যবস্থা হিসেবে মেলার জন্য ১৩,০০০টি ট্রেন চালানোর কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১০,০০০টি ট্রেন নিয়মিত চলবে এবং ৩১৩৪টি ট্রেন বিশেষ ট্রেন হিসবে চালানো হবে। ভারতীয় রেল ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বে চালাবে এবং ৫৫৯ রিং ট্রেন চালানো হবে। এই কুম্ভে তীর্থযাত্রীদের যাতে যাওয়া-আসায় সমস্যা না হয় তাই মালবাহী ট্রেনগুলিকে ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর হয়ে ঘুরপথে চালানোর কথা জানানো হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভব্য মহাকুম্ভকে দিব্য মহাকুম্ভ করতে রেল যে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না, এসব ব্যবস্থাই তার বড় প্রমাণ। 

    ৩৭০০ কোটি টাকার দুটি বড় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে রেল

    ভারতীয় রেল মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) পরিষেবা দেওয়ার কাজে ৩৭০০ কোটি টাকা দুটি বড় প্রকল্পে খরচ করেছে। তার মধ্যে রয়েছে বারাণসী থেকে প্রয়াগরাজ গঙ্গা সেতু এবং ফাফামাউ থেকে জাংহাই প্রকল্পের জন্য খরচ দ্বিগুণ করে কাজ করার কথা জানিয়েছে রেল। যেহেতু মেলায় প্রায় ৫০ কোটি মানুষের আয়োজনের লক্ষ্য মাত্রা রয়েছে, তাই বিশেষ ভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবহণের ওপর স্বভাবিক ভাবেই নজর দিতে হয়েছে। ব্যাপক ভিড়কে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য রেলের সময়সূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা এবং নিরাপদে পুণ্য স্নানের জন্য আরও একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    রেলের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখা হয়েছে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভমেলায় (Mahakumbh Mela 2025) প্রয়াগরাজ অঞ্চলে মোট ১১৭৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ২৩টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ মানুষের থাকার জন্য শিবির নির্মাণ করা হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে যাত্রীদের দ্রুত রেলের টিকিট দিতে রঙিন টিকিট এবং বারকোড যুক্ত ইউটিএস মেশিনে টিকিট পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলায় তীর্থযাত্রীদের সব রকম সুবিধা দিতে রেলওয়ে পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মী, যন্ত্রচালক, ইঞ্জিনিয়র, বিদ্যুৎ পরিচালনার কর্মী, এবং আরও একাধিক বিভাগের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ব্যবস্থায় আপতকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় মেডিক্যাল পরিষেবা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্র এবং বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র গড়া হয়েছে।

    ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা

    প্রয়াগরাজ শহরে যাত্রীদের পরিষেবা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে রেলওয়ে ৪৮টি প্ল্যাটফর্ম এবং ২১টি ফুট ওভার ব্রিজের অতরিক্ত সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৫১টি মোবাইল ইউটিএস কাউন্টার খোলা হয়েছে। আরও ৫৫৪টি টিকিট কাউন্টারে সরাসরি টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সড়ক ও রেলের মধ্যে যোগাযোগকে সরল করতে ২১টি আরওবি নির্মাণ করেছে রেল। ন’টি প্রধান স্টেশনে মোট ১২টি ভাষায় রেল ঘোষণার ব্যবস্থা করেছে। মোট ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা বিষয়ক পুস্তিকাও চালু করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে দেওয়া হয়েছে। পুণ্যার্থীদের পুণ্যস্নানকে সুরক্ষিত (Mahakumbh Mela 2025) এবং আরও নিরাপদ করতে রেলের এই বিরাট আয়োজন এখন রেকর্ড গড়ার পথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: মহাকুম্ভ মেলায় ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রেলের

    Indian Railway: মহাকুম্ভ মেলায় ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Railway) আসন্ন পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela) ৩০০০টিরও বেশি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন এই ট্রেনগুলির মধ্যে ৫৬০টি ট্রেন ডেডিকেটড রিং রেল নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিষেবা দেবে। আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলা, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই মেলায় সরকারের তরফে আগেই বলা হয়েছে আনুমানিক ৪৫ কোটিরও বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম হবে। তাই যাতায়াত থেকে বাসস্থান, খাবার, চিকিৎসা এবং স্নানের বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেছে যোগী প্রশাসন।

    ৯টি স্টেশনে ৫৬০টি টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা থাকবে (Indian Railway)

    রেলের উত্তর মধ্য ক্ষেত্রের মহা ব্যবস্থাপক উপেন্দ্র চন্দ্র জোশী প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “মহাকুম্ভকে মাথায় রেখে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ সরল করতে রেলের ৯টি স্টেশনে ৫৬০টি টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হবে। এই স্টেশনগুলি হল, প্রয়াগরাজ জংশন, নৈনি, প্রয়াগরাজ ছেওকি, প্রয়াগ জংশন, ফাফামাউ, প্রয়াগরাজ রামবাগ, প্রয়াগরাজ সঙ্গম এবং ঝাঁসি। কাউন্টারগুলি থেকে দৈনিক ১০ লক্ষ টিকিট কাটার পরিষেবা উপলব্ধ থাকবে। ১৫ দিন আগে থেকে টিকিট কাটা যাবে।”

    ১১৮৬টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ঢাকা থাকবে

    রেলের (Indian Railway) ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রিং রেল সংযোগ হিসেবে প্রয়াগরাজ-অযোধ্যা-বারাণসী-প্রয়াগরাজ, প্রয়াগরাজ-সঙ্গম প্রয়াগ-জৌনপুর-প্রয়াগ-প্রয়াগরাজ এবং গোবিন্দপুরী-প্রয়াগরাজ-চিত্রকূট-গোবিন্দপুরীকে সংযুক্ত করা হবে। সেই সঙ্গে ঝাঁসি-গোবিন্দপুরী-প্রয়াগরাজ-মানিকপুর-চিত্রকূট-ঝাঁসিকেও যুক্ত করা হবে। ৩০০০টিরও বেশি বিশেষ ট্রেনের মধ্যে ১৮০০টি স্বল্প-দূরত্বের রুটে, ৭০০টি বেশি দূরত্বের রুটে এবং ৫৬০টি রিং রেলের রুটে চলাচল করবে। এছাড়াও, মেলা (Mahakumbh Mela) চলাকালীন দৈনিক ১০,০০০ টিরও বেশি নিয়মিত ট্রেন চলবে। এই কাজে রেল নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে ১৮,০০০ আরপিএফ কর্মী মোতায়েন করা হবে। মোট ১,১৮৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা চালু থাকবে। যদি ভক্তরা সাময়িকভাবে অসুস্থ হন, তাহলে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার, কনসেনট্রেটর, ইসিজি মেশিন, গ্লুকোমিটার, নেবুলাইজার এবং স্ট্রেচারের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: কর্মীদের পোশাকে বসবে ক্যামেরা! ট্রেন দুর্ঘটনা এড়াতে বড় পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    Indian Railways: কর্মীদের পোশাকে বসবে ক্যামেরা! ট্রেন দুর্ঘটনা এড়াতে বড় পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলের (Indian Railways) দুর্ঘটনায় রেল কর্মীদের গাফিলতি রয়েছে কিনা, তা জানতে এবার নিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি আনছে পূর্ব রেলের শিয়ালদা ডিভিশন। দুর্ঘটনা কমাতে এবং ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার আসল কারণ জানতে ইন্টারঅ্যাকটিভ রিমোট মনিটারিংয়ের মাধ্যমে কন্ট্রোল রুমে বসেই শান্টিং-এর কাজ দেখা যাবে। কেমন ভাবে হবে এই কাজ? অনেক জায়গায় ম্যানুয়াল পয়েন্ট রয়েছে, সেখানে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র নয় কার্যত কর্মীদের হাতে ঘুরিয়ে পয়েন্ট বদল করে এক ট্র্যাক থেকে অন্য ট্র্যাকে ট্রেনকে তুলতে হয়। ফলে নজরদারি বাড়ালে দুর্ঘটনার (Rail Accident) আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে।

    ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা (Indian Railways)

    ট্রেন দুর্ঘটনা (Rail Accident) সব সময় যে তীব্র গতিতে চলার সময়ই ঘটবে তা নয়। গতি কম থাকলে ট্রেন অনেক সময় পরিস্থিতির বিচারে বেলাইনও হতে পারে। আবার ট্রেনকে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে তোলার সময় শান্টিং-এর দায়িত্বে থাকা রেলকর্মীদের (Indian Railways) পোশাকে এবার থেকে রাখা হবে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা। কিন্তু একটা চিন্তা থাকে যদি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যায়! তাহলে সেই ক্ষেত্রে ক্যামেরার সঙ্গে থাকবে পাওয়ার ব্যাঙ্ক। তাই এখন থেকে সরাসরি লাইন বদলের সময় কী ঘটছে তা এখন থেকে কন্ট্রোল রুমে বেসেই দেখা যাবে।

    আরও পড়ুনঃ আরও নামল পারদ, কলকাতায় তাপমাত্রা কত? দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ইন্টার অ্যাক্টিভ রিমোট মনিটরিং

    নজরদারিতে যাতে কোনও ফাঁক না থাকে তাই একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। রেলের (Indian Railways) ট্র্যাফিক ইনস্পেকটর এবং সুপারভাইজাররা মোবাইল এই অ্যাপ ডাউনলোড করে সরাসরি দেখতে পাবেন শান্টিং-এর কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। পূর্ব রেল জানিয়েছে, এই পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টাই শান্টিংয়ে নজর রাখা যাবে। এতে দুর্ঘটনার (Rail Accident) আশঙ্কা কমবে। শিয়ালদা ডিভিশনের বেশ কয়েকটি জায়গায় পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হয়েছে এই ইন্টারঅ্যাক্টিভ রিমোট মনিটরিং। এই তালিকায় রয়েছে, চিৎপুর ইয়ার্ড, শিয়ালদা গুডস ইয়ার্ডের পাশাপাশি রয়েছে কলকাতা টার্মিনাল, নৈহাটি, রানাঘাট, কোমাগাতা মারু বজবজ, নিউ আলিপুর, কল্যাণী, কৃষ্ণনগর এবং টিটাগড় স্টেশন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ১২০ থেকে কমে ৬০ দিন, ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটার নিয়মে বদল, কার্যকর আজ থেকে

    Indian Railway: ১২০ থেকে কমে ৬০ দিন, ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটার নিয়মে বদল, কার্যকর আজ থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ট্রেন বুকিং-এর নিয়মে বদল এনেছে মোদি সরকার। আজ অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে ৬০ দিনের আগে আর বুকিং করা যাবে না। অর্থাৎ, আজ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারিখের যাত্রার জন্যে আগাম টিকিট কাটা যাবে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাঁরা ১২০ দিন পরের আগাম টিকিট কেটে রেখেছেন, নতুন নিয়মে তাঁদের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না। সমস্ত যাত্রী যাতে টিকিট পেতে পারেন, সে কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। আসলে টিকিটের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করাই এমন সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে রেল (Indian Railway)।

    ৬০ দিনের বেশি সময় আগে করা ২১ শতাংশ টিকিটই বাতিল হয়ে যায়!

    রেলের (Indian Railway) তরফে জানানো হয়েছে, ৬০ দিনের বেশি সময় আগে বুকিং করা রিজার্ভেশন টিকিটের প্রায় ২১ শতাংশই বাতিল করা হয়। শুধু তাই নয়, টিকিট বাতিল না করলেও, ট্রেনে যাত্রা করেন না আরও ৫ শতাংশ যাত্রী। ফলে, ওই আসনগুলির টিকিট নষ্টই হয়। এমন পরিস্থিতি দেখেই রেল বোর্ড এই নতুন নিয়ম চালু করেছে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    বুকিং উইন্ডো ছোট হওয়ার কারণে যাত্রীদের ভ্রমণের পরিকল্পনা করা আরও সহজ হবে

    নতুন এই ঘোষণার পরেই টিকিটের (Indian Railway) প্রাপ্যতা বৃদ্ধি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। টিকিট বাতিল ও অনুপস্থিতির প্রবণতা কমলে যাঁরা সত্যি যাত্রা করতে চান, তাঁদের জন্য আরও বেশি টিকিট থাকবে। অর্থাৎ ওয়েটিং-এ যাওয়ার প্রবণতা কমবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বুকিং উইন্ডো ছোট হওয়ার কারণে যাত্রীদের ভ্রমণের পরিকল্পনা করা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    ২০১৫ সালে ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন করা হয়েছিল টিকিট বুকিং

    রেলের (Indian Railway) বক্তব্য, এই নিয়ম (Advance Ticket Booking) পরিবর্তনের ফলে সব যাত্রী সমান পরিষেবার সুযোগ পাবে। তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ৩৬৫ দিনের রিজারভেশন অপরিবর্তিত থাকবে বলেই জানিয়েছে রেল। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন করা হয়েছিল এই অগ্রিম টিকিট বুকিং-এর (Advance Ticket Booking) সময়সীমা। ২০২৪ সালে ফের তা আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share