Tag: Indian Space Research Organisation

Indian Space Research Organisation

  • ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনই ইসরোর নয়া সাফল্য। শুক্রবার সকালে শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে ইসরোর (ISRO) নতুন মিশন ইওএস-০৮ (EOS-08)। তবে, এই অভিযানে এই স্যাটেলাইটটি নয়, বরং সকলের চোখ ছিল এর বাহক, ‘স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল ডি৩’-এর (SSLV D3) দিকে। কারণ, এটিই হল ইসরোর তৈরি সবথেকে ছোট রকেট। অতি সম্প্রতি, ইসরো এই রকেটটি তৈরি করেছে। 

    এই বেবি রকেটের কিছু বিশেষত্ব (SSLV launch) 

    গত বেশ কয়েকবছর ধরেই ছোট আকারের রকেট তৈরি নিয়ে কাজ করছে ইসরো (ISRO)। এই অভিযান ইসরোর মিশন স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলের চূড়ান্ত সংস্করণের প্রথম উড়ান। ৩৪ মিটার এই রকেটটি ৫০০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ছোট উপগ্রহগুলি বহন করতে পারে। ছোট আকারের স্যাটেলাইটগুলিকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করার জন্যই এই রকেটটির নকশা করা হয়েছে।  

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৭৫ কিলোমিটার উচ্চতায় লো-আর্থ অরবিটে স্থাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এটি এক বছরের জন্য কাজ করবে। ১৭৫.৫ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটি প্রায় ৪২০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করতে পারে। যে পেলোডগুলি রয়েছে স্যাটেলাইটটিতে, সেগুলি আসন্ন গগনযান মিশনে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এই স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য হল পরিবেশ এবং দুর্যোগ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রদান করা। 
    যদিও স্বাধীনতা দিবসের সকালেই এই রকেট (SSLV launch) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু, কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য তা করা যায়নি। তার বদলে, স্বাধীনতা দিবসের পরের দিন অর্থাৎ ১৬ অগাস্ট অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের প্রথম লঞ্চ প্যাড থেকে, সকাল ৯টা বেজে ১৯ মিনিটে যাত্রা শুরু করে রকেটটি। ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, এই উৎক্ষেপণ একেবারে সফল। ইসরো সফলভাবে ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩-কে কক্ষপথে স্থাপন করেছে। পাশাপাশি ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ‘উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। পুরো দলকে অভিযানের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাই।’

    আরও পড়ুন: ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর ষষ্ঠ প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ইসরোর প্রশংসা করলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী (ISRO) 

    কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি-ডি৩ (SSLV launch) মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো দলের প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩ মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো টিমকে ধন্যবাদ জানাই৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় টিম ইসরো ধারাবাহিকভাবে একের পর এক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO Second Spaceport: তামিলনাড়ুতে হবে ইসরোর দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ কেন্দ্র! বুধবার শিলান্যাস করবেন মোদি

    ISRO Second Spaceport: তামিলনাড়ুতে হবে ইসরোর দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ কেন্দ্র! বুধবার শিলান্যাস করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার ইসরোর দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন (ISRO Second Spaceport) করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তামিলনাড়ুর কুলাসেকারনপট্টিনমে শুরু হচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার দ্বিতীয় কেন্দ্রের কাজ। আনুষ্ঠানিকভাবে একথা জানিয়েছেন তেলঙ্গানার রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরাজন।

    তামিলনাড়ুর রাজ্যের মানুষের কাছে আশীর্বাদ

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার যাবতীয় মহাকাশ অভিযান সম্পন্ন হয় সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে। যা অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত (ISRO Second Spaceport)। তেলঙ্গানার রাজ্যপাল নিজের বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ওই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিক এই প্রকল্পের সূচনা করবেন। ইসরোর দ্বিতীয় কেন্দ্রের কাজ শুরু হলে তা তামিলনাড়ুর রাজ্যের মানুষের কাছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি বড় আশীর্বাদ বলেই মনে করছেন রাজ্যপাল।

    ২,০০০ একর জুড়ে হবে নতুন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র

    জানা গিয়েছে, নতুন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি (ISRO Second Spaceport) ২,০০০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থান করবে। এই প্রকল্পের ফলে তামিলনাড়ু তুথুকুদি জেলায় প্রভূত উন্নতি হবে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি, শ্রীহরিকোটা থেকে যে রকেটগুলিকে উৎক্ষেপণ করা হয় তা দক্ষিণ দিকে মোড় নেওয়ার আগে পূর্ব দিকে যেতে হয়। শ্রীলঙ্কার আকাশসীমা থাকার কারণেই এটি করতে হয়। কিন্তু তামিলনাড়ু রাজ্যে নতুন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটির কাজ শুরু হলে এই সমস্যা মিটবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    বিপুল কর্মংস্থান হবে

    অন্যদিকে, ইসরোর প্রোপালশন কমপ্লেক্সটি বর্তমানে মহেন্দ্রগিরিতে অবস্থিত। শ্রীহরিকোটা থেকে যে স্থানের দূরত্ব প্রায় ৭৮০ কিলোমিটার। কিন্তু তামিলনাড়ুর কুলাসেকারনপট্টিনমে থেকে প্রোপালশন কমপ্লেক্সটির দূরত্ব মাত্র ৮৮ কিলোমিটার। বর্তমানে, রকেটের উপাদান মহেন্দ্রগিরি থেকে নিয়ে আসতে প্রচুর সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হয়। কুলাসেকারনপট্টিনমে দ্বিতীয় কেন্দ্র (ISRO Second Spaceport) চালু হলে এই সমস্যারও সমাধান হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তেলঙ্গানার রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরাজন আরও জানিয়েছেন, ইসরোর দ্বিতীয় কেন্দ্র চালু হলে বদলে যাবে গোটা তুথুকুদি জেলার অর্থনৈতিক চিত্রও। একাধিক শিল্প স্থাপন হবে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রকে ঘিরে। অনেক কর্মসংস্থানও হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gaganyaan Mission: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Gaganyaan Mission: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ‘গগনযান’ (Gaganyaan) পাঠানো নিয়ে বড় ঘোষণা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (Indian Space Research Organisation)। পরের বছরেরই অর্থাৎ ২০২৩ সালে গগনযান পাঠাবে ইসরো। এই প্রথমবার ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান মহাকাশে পাড়ি দেবে। এই মিশনে ভারতের তিনজন মহাকাশচারী থাকবেন। ২০২০ সালেই গগনযান পাঠানোর কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে এটি বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবারে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) জানিয়েছেন যে, পরের বছরেই ইসরোর গগনযান মহাকাশে পাঠানো হবে। এই প্রথমবার মহাকাশচারী নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে গগনযান। গগনযানের প্রধান উদ্দেশ্যই হল পৃথিবার কক্ষপথে মানুষ পাঠানো। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন কর্মসূচিতে ‘গগনযান-২০২২’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

    আরও পড়ুন: ফরাসি রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি ভারতীয় GSAT-24 উপগ্রহের

    ২০২৩ সালে গগনযান পাঠানোর আগে চলতি বছরেই তিনটি পরীক্ষামূলক যান পাঠানো হবে। এই তিনটি পরীক্ষামূলক যান হবে মানবহীন, তবে এতে একটি মহিলা রোবট পাঠানো হবে। এই ‘হাফ-হিউম্যানয়েড’ (মানব) রোবট ভ্যোমিত্র (Vyommitra) মহাকাশ থেকে ইসরোকে নানান তথ্য পাঠাবে। এছাড়াও জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে, ইসরো একটি ‘স্পেস ডকিং পরীক্ষা’ চালাবে। দুটি পৃথকভাবে উৎক্ষেপিত মহাকাশযানকে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকেই স্পেস ডকিং বলা হয়েছে। মহাকাশচারীদের সুবিধার জন্যে এবার মহাকাশে নিজস্ব মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করতে চায় ভারত। ২০২০ সালে ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান কে সিভান (K Sivan) জানিয়েছিলেন, এই গগনযান মিশন শুরু হওয়ার পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যেই মহাকাশে ভারতীয়দের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি করা হবে। যার ফলে ভারতীয় মহাকাশচারীরা পৃথিবীর নীচের দিকের কক্ষপথে ১৫-২০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে।

    আরও পড়ুন: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    ২০২৩ সালে এই গগনযান পাঠানো ছাড়াও আরও দুটি মহাকাশযান পাঠানো হবে। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এবং আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) এই দুটি মহাকাশযানের একটি চাঁদের উদ্দেশ্যে ও অন্যটি সূর্যকে লক্ষ্য করে যাবে। আদিত্য এল-১ এটি ভারতের প্রথম সৌর মিশন হতে চলেছে। ২০২৩ সালে ইসরোর এই গগনযান মিশন যদি সফল হয়, তবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর ভারতের নাম যুক্ত হবে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিন ইতিমধ্যেই এই লক্ষ্য পূরণ করেছে। ২০২৩ সাল ভারতের মহাকাশবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন নজির গড়ে তুলতে চলেছে। তাই ইসরোর বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্যই হল মিশন ‘গগনযান’।

     

     

LinkedIn
Share