Tag: industry

industry

  • BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ছেড়ে চলে যাওয়া শিল্পপতিদের ফের রাজ্যে ফিরিয়ে এনে নতুন করে শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে সক্রিয় হয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি (BJP) সরকার। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মুম্বইয়ে শিল্পপতি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, বহু শিল্পপতি পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    কী বললেন শমীক? (BJP)

    শমীক জানান, গত চার দশকে বাম ও তৃণমূল সরকারের আমলে যাঁরা বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘নতুন শিল্পনীতি ও নতুন জমিনীতি নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করছে। যাঁরা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, কিন্তু যাঁদের সঙ্গে বাংলার নাড়ির যোগ রয়েছে, তাঁরা আবার বাংলায় ফিরে আসতে আগ্রহী। আমি সরকার নই, আমি দলের প্রতিনিধি। আমি তাঁদের জানিয়েছি, সরকার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরির কাজ করছে। খুব দ্রুত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শিল্পায়নের সুফল দেখতে পাবেন।’’

    শিল্পপতিদের আশ্বাস শমীকের

    মুম্বই সফরে বস্ত্র, ইস্পাত, কাচ, অর্ধপরিবাহী যন্ত্রাংশ-সহ বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শমীক। এর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে বিনিয়োগকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা একাধিক নয়া উদ্যোগের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করেন তিনি। তাঁদের সামনে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পবান্ধব পরিবেশ, দক্ষ মানবসম্পদ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শমীক। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, শিল্পপতিদের আর কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হবে না। সরাসরি রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে এগোতে পারবেন। তাঁর কথায়, ‘‘মুম্বইয়ের শিল্পপতিদের বলেছি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিল্প গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। খুব দ্রুত তাঁরা সেই পরিবর্তন অনুভব করবেন।’’ তিনি এও (BJP) বলেন, ‘‘শুধু শিল্পের কথা বললেই শিল্পায়ন হয় না। শিল্প গড়ে তুলতে সুস্পষ্ট শিল্পনীতির প্রয়োজন। আমাদের সরকার সেই নীতির ওপর কাজ করছে।’’

    শিল্পায়ন নিয়ে যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    শিল্পায়নকে রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা সম্মেলন কেন্দ্রে নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি জানান, রাজ্যে একটি হোসিয়ারি কারখানা এবং একটি ইস্পাত কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। সরকার দ্রুত সেই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে (Samik Bhattacharya)। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, খুব শিগগিরই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দু’হাজার একশো কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যে একটি শিল্প সম্মেলনের আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে দেশ-বিদেশের বহু শিল্পপতি এবং বিনিয়োগকারীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন

    মুম্বই সফর প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শমীক লেখেন, ‘‘মুম্বইয়ের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ ও শিল্পোন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত শিল্পপতিরা পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’’ তিনি (Samik Bhattacharya) আরও লেখেন, ‘‘শিল্প, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার, শিল্পমহল ও বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক সহযোগিতাই পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি (BJP)।’’

     

  • Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প করতে গেলে আর কোনও রাজনৈতিক দলকে টাকা দিতে হবে না। বাংলায় নতুন সরকার ভয়মুক্ত শিল্পের পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। রাজ্য তথা দেশের শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার শহরে একটি বণিকসভার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শমীক। তিনি জানান, এই রাজ্যে যে সরকার তৈরি হয়েছে, সেটা পশ্চিমবঙ্গের সরকার হবে, বিজেপির নয়। রাজনৈতিক দল এবং সরকারে মধ্যে ফারাক স্পষ্ট করতে হবে বলেও দাবি রাজ্য বিজেপি সভাপতির।

    শিল্পপতিদের আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের ‘দুরবস্থার’ কথা বলতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘এখানে মেধার বিকাশের কোনও সুযোগ নেই।’’ পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পের কী অবস্থা হয়েছে, তার উদাহরণ তুলে ধরেন শমীক। তৃণমূল সরকারের আমলে ফি বছরই পশ্চিমবঙ্গে ‘গ্লোবাল বিজনেস সামিট’-এর আয়োজন করা হত। সেই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের পাশাপাশি রাজ্যের অনেক শিল্পপতিও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকতেন। সেই প্রসঙ্গে টেনে শমীক বলেন, ‘‘যাঁরা বিবৃতি দিতেন, তাঁদের ১০ বছরের ব্যালেন্স সিটগুলি খুলে দেখুন। প্রায় সকলেই তাঁদের মূলধন অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পপতিদের জন্য নতুন গন্তব্য হয়ে গিয়েছে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ।’’

    জমিনীতির বদল চাই

    পূর্বতন সরকারে জমিনীতিরও সমালোচনা করেছেন শমীক। জমি অধিগ্রহণের নীতি বদলের পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি। আশ্বস্ত করেন, নতুন সরকার নতুন ভাবে সব কিছু ভাবছে। রাজ্যে শিল্প আসার পথে যে যে বাধা, প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর হবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানায় যে পন্থা নেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গে তা চালু হবে। তার পরেই শিল্পপতিদের বার্তা, ‘‘আপনারা এখানে নির্ভয়ে বিনিয়োগ করুন। কোম্পানি তৈরি করুন। পশ্চিমবঙ্গে বড় শিল্প আনতে হবে। আমরা নতুন জমি নীতি নিয়ে আসব। আগামী দিনে কেউ এখানে কোনও ফ্যাক্টরি করতে গেলে কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী আপনাদের কাছে টাকা চাইতে আসবে না।’’

    ভয়মুক্ত পরিবেশ

    শমীক আরও বলেন, ‘‘ভারতের বহু বিনিয়োগকারী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না।’’ শিল্প নিয়ে বিজেপির যে ‘সংকল্প’ ছিল, তা পূরণ হবে বলেও আশ্বাস দেন শমীক। তাঁর বার্তা, শিল্প বা কারখানা তৈরি করতে কেউ যদি কোনও বাধার সৃষ্টি করেন, তবে সরাসরি পুলিশকে জানান।

    শমীকের নিশানায় সৌরভ

    প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না করে এদিন তাঁকে খোঁচা দেন শমীক। তাঁর কথায়, ‘‘আমি এক ভদ্রলোককে চিনতাম। আমরা জানতাম উনি স্টেপ আউট মেরে ওভার বাউন্ডারি মারতেন। তার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। আমরা দেখলাম তিনি বাউন্ডারির বাইরে থেকে বল থ্রো করছেন। স্পেন থেকে ঘোষণা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের। কোনও মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না।’’ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মমতার স্পেন সফরে সঙ্গী ছিলেন সৌরভও। মাদ্রিদের বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, শালবনিতে নতুন করে ইস্পাত কারখানা গড়ে উঠবে। শমীকের স্পষ্ট বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে এ রাজ্যের জন্য বিনিয়োগ হোক। কোনও বিনিয়োগের ঘোষণার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

  • Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) টেক্সটাইল শিল্প। শুল্কমুক্ত সুতো আমদানির প্রতিবাদে দেশটির স্পিনিং মিল মালিকরা দেশব্যাপী (Textile Industry) উৎপাদন বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের টেক্সটাইল সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরছে, বাণিজ্য কাঠামোর পরিবর্তন ও ভারতীয় সুতো সরবরাহকারীদের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতার সুযোগ কি ভারতীয় টেক্সটাইল প্রস্তুতকারীরা নিতে পারবেন?

    স্পিনিং শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে (Bangladesh)

    বাংলাদেশের স্পিনিং শিল্প ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে, কারণ সরকার যদি সুতো আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার না করে, সে ক্ষেত্রে মিল মালিকরা তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই সঙ্কটের সূত্রপাত বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের সুতো আমদানি থেকে, যার বড় অংশই ভারত থেকে আসে। এর ফলে দেশের স্পিনিং শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতিমালা পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করায় স্পিনিং মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (Bangladesh)। একই সঙ্গে জ্বালানি সঙ্কটও এই শিল্পকে চাপে ফেলেছে। গত তিন থেকে চার মাস ধরে অনিয়মিত গ্যাস সরবরাহ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে সরব হয়েছেন টেক্সটাইল মিল মালিকরা (Textile Industry)।

    ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ

    এই সঙ্কটের ফলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং স্পিনিং মিলগুলির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সস্তা ভারতীয় সুতোর জোগান বেড়ে যাওয়ায় ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সুতো অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মিল মালিকদের দাবি, জ্বালানি, ঋণের সুদ এবং ভ্যাট অব্যাহতির অভাবের কারণে তাঁরা আমদানি করা সুতোর সঙ্গে দামে এঁটে উঠতে পারছেন না। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি বন্ধ করা, ভর্তুকিমূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা, সুদের হার কমানো এবং ট্যাক্স হলিডে দেওয়া।

    রফতানিকারীদের বক্তব্য

    এদিকে, পোশাক রফতানিকারীরা শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধের যে কোনও উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশীয় সুতো, বিশেষ করে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলোর সুতো দামে অনেক বেশি এবং অনেক সময় মানের দিক থেকেও নিম্ন। রফতানিকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলির কাছে ভারতীয় সুতো বেশি নির্ভরযোগ্য (Bangladesh)। সতর্ক করে দিয়ে তাঁরা বলেন, “যদি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়, তবে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশটির প্রতিযোগিতার (Textile Industry) ক্ষমতা কমে যাবে।

    ভারতীয় সুতোর ওপর টিকে বাংলাদেশের বস্ত্র-শিল্প

    ২০২৫ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ কোটি কেজি সুতো আমদানি করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে। এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ ভারতীয় সুতোর ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বাংলাদেশ যদি শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধ করে দেয় বা স্পিনিং মিলগুলি বন্ধ হয়ে যায়, তবে পোশাক শিল্পের জন্য সুতো আমদানির প্রয়োজন থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় সুতো, বিশেষ করে তুলো ও ব্লেন্ডেড সুতোর চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে ভারতীয় টেক্সটাইল সংস্থাগুলি লাভবান হতে পারে। তারা বেশি অর্ডার পেতে পারে এবং ভালো দামে বিক্রি করতে পারে। ভারতের স্পিনিং মিল ও সমন্বিত টেক্সটাইল সংস্থাগুলির উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে এই বিষয়ের ওপর যে, বাংলাদেশ সরকার দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় আমদানি বন্ধ করে কি না (Textile Industry), নাকি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে সস্তা সুতো আমদানি অব্যাহত রাখে (Bangladesh)।

  • Auto Industry: লক্ষ্য ২০৩০! দেশের অটো শিল্পে প্রয়োজন ২ লাখ দক্ষ কর্মীর!

    Auto Industry: লক্ষ্য ২০৩০! দেশের অটো শিল্পে প্রয়োজন ২ লাখ দক্ষ কর্মীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার গেরো কাটিয়ে দেশ ফিরেছে ছন্দে। কেবল দেশ নয়, বিশ্ববাজারও চাঙা। স্বাভাবিকভাবেই সুদিন ফিরেছে ভারতের অটোমোটিভ শিল্পেও (Auto Industry)। জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই শিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। দক্ষ লোকের প্রয়োজন হবে ২ লাখ। কেন্দ্র চাইছে, এই সময়সীমার মধ্যে দেশে গাড়ি শিল্পের মোট বাজারের ৩০ শতাংশ দখল করুক ইলেকট্রিক যান। সেটা করতে গেলেই প্রয়োজন দক্ষ কর্মীর। এবং সেটাও একটা-আধটা নয়, দুলাখ।

    কী বলছে সিয়াম?

    সোশ্যাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স (SIAM) জানিয়েছে, এই কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও মাইনে দিতে ১৩ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সোশ্যাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্সের তরফে প্রেসিডেন্ট বিনোদ আগরওয়াল বলেন, “আমরা যদি সামনের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব যে সব চেয়ে বড়ো যে বাধাটা অটো শিল্পে আসবে, সেটা হল দক্ষ ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল ক্যাপাবল ম্যানপাওয়ারের মৃত্যু।” সম্প্রতি একটি ওয়ার্কশপে যোগ দিয়েছিলেন বিনোদ। সেখানেই তিনি জানান, আগামী ছ’বছরের মধ্যে কত দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে।

    দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন

    আগরওয়াল ভলভো ইচার কমার্সিয়াল ভেহিক্যাল লিমিটেডের এমডি এবং সিইও-ও। তিনি জানান, ব্যাটারি টেকনোলজি (Auto Industry), পাওয়ার্ড ইলেকট্রনিক্স এবং মোটর ডিজাইন এরিয়ায় প্রচুর দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, “গ্লোবাল ট্রেন্ডে পদক্ষেপ করতে হলে এবং আমাদের অটো শিল্পকে বৈশ্বিক কম্পিটিটিভ ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করতে হলে জরুরি প্রয়োজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মীর। যাঁরা দক্ষ রয়েছেন, তাঁদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও দক্ষ কর্মীতে পরিণত করতে হবে।”

    আরও পড়ুন: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    ভাইস প্রেসিডেন্ট শৈলেশ চন্দ্র বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের প্রয়োজন এক থেকে দুলাখ দক্ষ কর্মীর। সরকার যে ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল তৈরির মিশন নিয়েছে, তার জন্যই প্রয়োজন এই বিপুল কর্মীর। এই কর্মীদের মধ্যে ব্লু-কলার এবং হোয়াইট কলার প্রোফেশনালস থাকবেন। কর্মীদের মধ্যে যেমন টেকনিক্যাল প্রোফেশনাল থাকবেন, তেমনি থাকবেন (SIAM) পিএইডি ডিগ্রিধারী বিজ্ঞানী এবং আর অ্যান্ড ডি ইঞ্জিনিয়াররাও (Auto Industry)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মউ স্বাক্ষরই সার, মমতার এবারের বিদেশ সফরের নিটফল সেই ‘অশ্বডিম্ব’!

    Mamata Banerjee: মউ স্বাক্ষরই সার, মমতার এবারের বিদেশ সফরের নিটফল সেই ‘অশ্বডিম্ব’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনেও ভুরি ভুরি বৈঠক আর রাশি রাশি গালগপ্পো করেছে রাজ্যবাসী। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সেই অর্থে কোনও লগ্নি আসেনি রাজ্যে। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রাজ্যে বাণিজ্যের প্রসারের জন্য স্পেন সফরে গিয়েছেন। বৈঠকও হচ্ছে নানা সংস্থার সঙ্গে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এত বৈঠক-আলোচনা, এত মউ স্বাক্ষরের নিট ফল কী হবে? লগ্নি আসবে তো? এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে বিশষজ্ঞ মহলে।

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ঘিরে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee) মাদ্রিদের ইন্ডিটেক্স গ্রুপের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। এটা মূলত একটি ফ্য়াশন গ্রুপ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাংলায় এই বিপণী সংস্থা উৎপাদন ইউনিট খুলতে পারে। তাঁর দাবি, চলতি বছরের বড়দিনের আগেই নাকি বাংলায় উৎপাদন শুরু করবে এই সংস্থা। ট্যুইটারে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘টেম্পে গ্রুপো ইন্ডিটেক্স (জারা) বস্ত্র শিল্পে বড় উদ্যোগী। তারা বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে গাটছঁড়া বেঁধে বাংলায় তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট তৈরি করতে পারে। ২০২৩ সালের বড়দিনের আগে তারা বাংলায় উৎপাদন শুরু করতে পারে।’’

    আরও পড়ুন: ‘জওয়ান’ কংগ্রেস সরকারের দূর্নীতিকে তুলে ধরেছে! শাহরুখকে ধন্যবাদ বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকই যায়। সবেমাত্র এই সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এখনও কোনও লিখিত কিছুই হয়নি, পুরোটাই আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ। এদিকে বড়দিন বড়জোর ৩ মাস বাকি। এখানেই প্রশ্ন হল, এত দ্রুত রাজ্যের কোনও এক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট সেট-আপ করে ৩ মাসের মধ্যে উৎপাদন শুরু করে দেওয়া আদৌ সম্ভব কি? 

    পিইউ কারখানাও কি অশ্বডিম্ব প্রসব করবে?

    ২০১৯ সালের বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে ডাউন স্ট্রিম পলিমার অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি নামে একটা পর্ব ছিল। সেখানে প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অনেক সময় নষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নিট ফলাফল শূন্য ছিল। চার বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) স্পেন সফরে আচমকা ফিরে এল সেই প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভর্তুকিতে ১০০ একর জমি পেলে, স্পেনের সংস্থা নাকি এরাজ্যে পিইউ কারখানা তৈরি করতে পারে। প্রশ্ন এখানেই— জমি দেবে রাজ্য! তারা তো জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে। আর যে জমি ল্যান্ড ব্যাঙ্কে রয়েছে, সেটা কতটা ব্যবহারযোগ্য, তা নিয়ে জোর সন্দেহ। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রকল্পটিও যে অশ্বডিম্ব প্রসব করতে, তা বলাই বাহুল্য। 

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share