Tag: infections

infections

  • Monsoon Diseases: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    Monsoon Diseases: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে এসে গিয়েছে বর্ষা। বর্ষা এসেছে গোটা দেশেও। সঙ্গে এসেছে বর্ষার বিভিন্ন রোগ্য-ব্যাধি (Monsoon Diseases)। গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়েছে দেশ। তার পর স্বস্তির বৃষ্টি এনেছে বর্ষা। তবে স্বস্তির পাশাপাশি সঙ্গে নিয়ে এসেছে অস্বস্তিও। কারণ রোগ-বালাইয়ের (Infections And Diseases) জ্বালায় অস্থির দেশবাসী। বর্ষার মরশুমের এই রোগগুলির মধ্যে কয়েকটি আবার প্রাণঘাতীও। ঠিক সময় চিকিৎসা শুরু না হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে রোগী কিংবা রোগিণীর।

    বর্ষার রোগবালাই (Monsoon Diseases)

    এই রোগগুলির কয়েকটির বাহক মশা। বর্ষায় বৃষ্টির জল জমে যত্রতত্র। সেই জমা জলে জন্মায় মশা। পরবর্তীকালে সে-ই হয়ে দাঁড়ায় প্রাণঘাতী নানা রোগের বাহক। মশা-বাহিত রোগের পাশাপাশি বর্ষাকালে উপদ্রব বাড়ে ভাইরাসেরও। তাই এই সময় ভাইরাসঘটিত রোগবালাইয়েও ভোগেন মানুষ। ছত্রাকের সংক্রমণ তো ফি বর্ষার রুটিনের মধ্যেই পড়ে। তাই বর্ষার সময় একটু বেশিই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। একমাত্র সাবধানতা অবলম্বন করলেই জমিয়ে উপভোগ করা যাবে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি-ঋতুর সৌন্দর্য। এবার জেনে নেওয়া যাক, বর্ষায় কী কী রোগ হতে পারে।

    পেটের রোগ

    ফি বর্ষায় ভারতে যে রোগটি খুবই কমন (Monsoon Diseases), সেটি হল পেটের রোগ। ডায়েরিয়া, তলপেটে খিঁচুনি, বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে, বমিও হতে পারে। জলের মাধ্যমে ছড়ায় ডায়েরিয়া। সামান্য জ্বরও হতে পারে। হতে পারে গাঁটে ব্যথাও। দ্রুত চিকিৎসা শুরু না করলে হতে পারে শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি। ডিহাইড্রেশন, ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্স মায় কিডনি ফেলিওরও হতে পারে। ডায়েরিয়ার কোনও লক্ষণ দেখা গেলেই দ্রুত ওআরএস খাওয়াতে হবে রোগীকে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে শুরু করতে হবে যথাযথ চিকিৎসাও।

    ডেঙ্গি

    বর্ষার আর একটি ভয়ঙ্কর রোগ হল ডেঙ্গি। মশা-বাহিত এই রোগে প্রতি বছর মৃত্যু হয় অনেকের। ন্যাশনাল ভেক্টর বর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালে ভারতে নথিভুক্ত হয়েছিল ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এক লাখ রোগীর নাম। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ভুগবেন প্রচণ্ড জ্বরে। মাথাব্যথায় কাতর হবেন রোগী। যন্ত্রণা হতে পারে চোখের পিছনেও। শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে যন্ত্রণাও হতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে ত্বকে। ডেঙ্গি থেকেই হতে পারে ডেঙ্গি হেমোরাজিক ফিভার। এক্ষেত্রে রোগীর শরীর থেকে রক্তপাত হতে থাকবে। বিকল হতে পারে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। মৃত্যুও হতে পারে রোগীর। যেসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা অনেক বেশি।

    আর পড়ুন: ইলিশ কেনা থেকে শিষ্যদের ব্যাকরণ পড়ানো, প্রয়াণের দিনে কী কী করেছিলেন স্বামীজি?

    ম্যালেরিয়া

    ডেঙ্গির পাশাপাশি বর্ষার আর একটি উপদ্রব হল মশা-বাহিত রোগ ম্যালেরিয়া। জমা জলে দ্রুত ((Monsoon Diseases)) বংশবৃদ্ধি করে অ্যানোফিলিস মশা। এই মশাই ম্যালেরিয়ার বাহক। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রার পারদ বাড়তে থাকে দ্রুত। রোগী ভুগতে থাকেন প্রচণ্ড জ্বরে। ঘনঘন জ্বর আসবে। রোগীর খুব ঘাম হবে। মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং পেশিতেও ব্যথা হবে। হঠাৎ হঠাৎ জ্বর আসবে। ফ্লুয়ের মতো লক্ষণও দেখা দেয়। জ্বর আসে কাঁপুনি দিয়ে। ম্যালেরিয়ার দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে অ্যানিমিয়া, শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে পারে। সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া হলে রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন, মৃত্যুও হতে পারে।

    কলেরা

    প্রতি বছর বর্ষায় কলেরা ভয়ঙ্কর আকার (Infections And Diseases) ধারণ করে ভারতে। জলবাহিত এই রোগে অনেকের মৃত্যুও হয়। জলের মতো পাতলা পায়খানা হতে পারে রোগীর। বমি করতে থাকেন। শরীর থেকে জল বেরিয়ে যেতে থাকবে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাবে। রোগীর চোখ গর্তে ঢুকে যেতে পারে। ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্সও দেখা দিতে পারে। অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং জল থেকে এই রোগ ছড়ায়। এক্ষেত্রেও রোগীকে দ্রুত ওআরএস খাওয়ানো প্রয়োজন। রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরে পরেই রোগীকে নিয়ে যেতে হবে চিকিৎসকের কাছে।

    টাইফয়েড

    বর্ষায় ভারতের বিভিন্ন অংশে টাইফয়েডের উপদ্রবও দেখা (Monsoon Diseases) যায়। এক্ষেত্রেও রোগীর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় অনেকখানি। মাথাব্যথা, তলপেটে যন্ত্রণা এবং দুর্বলতা গ্রাস করে রোগীকে। এক্ষেত্রে জ্বর বাড়তে থাকে ধীরে ধীরে, রোগীর খিদে কমে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা ডায়েরিয়াও দেখা যায়। বুকে গোলাপি ছোপ ছোপ দেখা যায়। টাইফয়েডে আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে রোগীর জীবনহানি পর্যন্ত হতে পারে। রোগী আক্রান্ত হতে পারেন সেপ্টিসেমিয়ায়ও।

    ফ্লু

    বর্ষার আর একটি অতি পরিচিত রোগ হল ফ্লু। ঠান্ডা লাগা, নাক এঁটে যাওয়া, নাক দিয়ে জল গড়ানো এবং মাথাব্যথা এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। এ থেকেই রোগী আক্রান্ত হতে পারেন নিউমোনিয়ায়। শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যায়ও ভুগতে পারেন রোগী। জন-ঘন-পূর্ণ এলাকায় দ্রুত ছড়ায় ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস। এই রোগে সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে বয়স্ক ব্যক্তি এবং শিশুদের।

    লেপ্টোস্পাইরোসিস

    বর্ষায় আর একটি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এটি হল লেপ্টোস্পাইরোসিস। এই রোগ মূলত দেখা যায় বানভাসি এলাকায়। এক্ষেত্রেও ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ দেখা দেবে, রোগী বমি করতে থাকবেন, চোখ হয়ে উঠবে জবাফুলের মতো টকটকে লাল। ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে রোগীর লিভার এবং কিডনি ড্যামেজ হতে পারে। মেনিনজাইটিস এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    ছত্রাক-ঘটিত রোগ

    বর্ষায় ছত্রাক ঘটিত রোগের প্রাদুর্ভাব অতি পরিচিত একটি ঘটনা। দাদ-হাজা-চুলকুনির সমস্যা দেখা দেয়। নখকুনির সমস্যাও হয় এই সময়। এসব ক্ষেত্রে গা-হাত-পা চুলকোতে (Infections And Diseases) শুরু করবে, চামড়া কুঁচকে যেতে পারে, শরীরে ফোস্কার মতো দেখা দিতে পারে, ছাল উঠতে পারে। অবহেলা করলে চামড়ার স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে (Monsoon Diseases)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Spices: মশলাতেই রয়েছে জটিল রোগমুক্তির পথ! জেনে নিন কোন মশলায় কোন রোগ সারতে পারে

    Spices: মশলাতেই রয়েছে জটিল রোগমুক্তির পথ! জেনে নিন কোন মশলায় কোন রোগ সারতে পারে

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘরোয়া উপাদানেই বাজিমাত। বাঙালির রান্নাঘরেই রয়েছে অব্যর্থ নিরাময়। জটিল রোগের মোকাবিলা করবে রান্নাঘরের মশলা (Spices)। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রোজদিনের রান্নায় এমন কিছু মশলার ব্যবহার করা হয়, যাতে একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলা সম্ভব। কিন্তু কোন‌ মশলায় কোন‌ রোগের মোকাবিলা হবে?

    এলাচে কমবে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি

    সাম্প্রতিক এক‌ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এলাচ বিশেষত ছোট এলাচ ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারী। পায়েস থেকে মাংস, সব রকমের রান্নায় সুগন্ধের জন্য এলাচের ব্যবহার করা হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত এলাচ খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে। তাই বয়স্ক ও শিশুদের রান্নায় এলাচ ব্যবহার করলে‌ বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময়ে নানান ভাইরাস ঘটিত জ্বরে অনেকেই কাবু হন। বয়স্ক ও শিশুদের ঝুঁকি বেশি‌ থাকে। ভাইরাসের দাপটে ফুসফুসে নানান সংক্রমণ দেখা দেয়। নিয়মিত এলাচ খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে। তাই এলাচ বিশেষ উপকারী।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের উপকার দেবে দারুচিনি (Spices) 

    সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দারুচিনি শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা রান্নার পাশাপাশি চায়ে দারুচিনি দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দারুচিনি রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে ও বিশেষ সাহায্য করে। ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকাও জরুরি। কারণ হৃদরোগ কিংবা কিডনির সমস্যা এড়াতে জরুরি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। তাই দারুচিনি বিশেষ সাহায্য করবে।

    হৃদরোগ কিংবা হাড়ের সমস্যা কাবু হবে ধনে গুঁড়োয়

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে অন্তত যে কোনও একটা রান্নায় ধনে গুঁড়ো ব্যবহার করলে‌ একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ধনে গুঁড়োয় থাকে পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ফলিক এসিড। তাই এই মশলা (Spices) রান্নায় ব্যবহার করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। কারণ পটাশিয়াম রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। পাশাপাশি ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করে। ফলে হাড়ের রোগের ঝুঁকিও কমায়।

    রক্তাল্পতা এড়াতে নিয়মিত জিরে গুঁড়ো জরুরি

    জিরে গুঁড়োয় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই রক্তাল্পতার সমস্যা এড়াতে নিয়মিত জিরে গুঁড়ো রান্নায় ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, জিরে গুঁড়ো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ সাহায্য করে। এছাড়াও জিরের উপাদান লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায়। হজম শক্তি বাড়ায়। ফলে শরীরের বিপাকক্রিয়া ভালোভাবে হয়।

    ক্যান্সার সহ একাধিক রোগের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় লবঙ্গ (Spices)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত লবঙ্গ খেলে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগেরও মোকাবিলা সম্ভব। তাঁরা জানাচ্ছেন, লবঙ্গে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। যেমন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন। এগুলো‌ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। পাশপাশি ভিটামিন কে, ভিটামিন এ সহ‌ একাধিক ভিটামিনের‌ জোগান দেয় লবঙ্গ। তাই যে কোনও সংক্রামক রোগের মোকাবিলা করতে বাড়তি শক্তি জোগায় লবঙ্গ। এছাড়াও দেহের প্রতিরোধ‌ শক্তি বাড়ায়।

    পেটের রোগ থেকে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে মেথি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মেথির গুণ প্রচুর। তাই রান্নায় মেথির ব্যবহার করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। পেটের যে কোনও সমস্যায় মেথি বিশেষ উপকার করে। কারণ মেথি লিভার ও পাকস্থলীর জন্য বিশেষ উপকারী। এছাড়াও মেথির উপাদানগুলো দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে (Spices)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবার বড় নির্দেশিকা (Health News)। কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার (jewellery) পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য কর্মীরা। নয়া নির্দেশিকা (New guidelines) পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অর্থাৎ এবার থেকে কোনও রকম অলঙ্কার পরে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকরা (Doctors)। এমনকি ব্যবহার করা যাবেনা মোবাইল, পরা যাবে না ঘড়িও। সব কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) অধীনস্থ হাসপাতালের সুপার ও ডিরেক্টরকে এমনই নির্দেশিকা পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    ঠিক কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায় (Health News)?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) তরফে যে নির্দেশিকা (Health News) দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এবার থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা (Health workers)। কারণ চুড়ি, ব্রেসলেট, আংটি, ঘড়ি, মোবাইল ফোন থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আইসিইউ (ICU), এইচডিইউ (HDU), অপারেশন থিয়েটার (OT), পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই নির্দেশ কড়া ভাবে মানতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    কী কারণে এই নির্দেশিকা?

    অনেক সময়ই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী সেরে ওঠার শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রক্তে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই এবার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ (Health News) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল অতুল গয়াল বলেছেন,”কনুইয়ের নিচে গয়না পড়লে তা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করায় তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।”

    এর পাশাপাশি গোয়েল জানিয়েছেন যে, এর আগে অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ডাক্তারের অবহেলার কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের (patient) গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই সেই সব ঘটনা পর্যালোচনা করেই এবার এমন সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। উল্লেখ্য করোনার ফার্স্ট ওয়েভেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, হাতের চুড়ি, আংটি, ঘড়ি, ইত্যাদির মাধ্যমেও সংক্রমণ (infections) হতে পারে করোনা ভাইরাসের। তখন সংক্রমণ এড়াতে এসব অলঙ্কারের ব্যবহার কমিয়েছিলেন মানুষ। কিন্তু সংক্রমণ তো নানা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার হতে পারে। তাই এবার সচেতনতা বাড়াতে এই নির্দেশিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Care: গরম বাড়তেই সন্তানের পেটের অসুখে জেরবার? এই আবহাওয়ায় কীভাবে যত্ন‌ নেবেন? 

    Child Care: গরম বাড়তেই সন্তানের পেটের অসুখে জেরবার? এই আবহাওয়ায় কীভাবে যত্ন‌ নেবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরম বাড়তেই একাধিক শারীরিক সমস্যাও বাড়ছে। হঠাৎ ভ্যাপসা গরমে তাই নাজেহাল অনেকেই। বিশেষত শিশুদের ভোগান্তি বেশি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম বাড়তেই আবহাওয়ার অনেকটাই বদল হয়েছে। আর তার জেরেই বাড়ছে অস্বস্তি। একাধিক শারীরিক সমস্যায় অনেক শিশুই ভুগছে (Child Care)। তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে পেটের সমস্যা। হজমের গোলমাল আর পেটের সমস্যার জেরে অধিকাংশ শিশু দুর্বল হয়ে পড়ছে। অধিকাংশ স্কুল পড়ুয়ার হজমের গোলমাল ও পেটের সমস্যার জেরে ভোগান্তি বাড়ছে। তাই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই গরমে অভিভাবকদের কয়েকটি‌ বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তবেই শিশুদের ভোগান্তি কমবে। এই গরমেও তারা সুস্থ থাকবে। গরমে পেটের অসুখের ভোগান্তি কমাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা?

    তাড়াহুড়ো নয়, চিবিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকুক

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশুকে একেবারে নরম, গলা খাবার দেওয়া হয়, যা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। একটু বড় হওয়ার পরে শক্ত খাবার খাওয়ার সময়ে তাদের হজমের একাধিক সমস্যা হয়। তাই প্রথম থেকেই চিবিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি (Child Care)। এর পাশাপাশি‌ স্কুল পড়ুয়াদের অনেকে আবার তাড়াহুড়োর জেরে ভালোভাবে চিবিয়ে খাবার খায় না।‌ কিন্তু খাবার ঠিকমতো চিবিয়ে খেলেই হজমের সমস্যা অনেক কমে যাবে। তাই সন্তান ঠিকমতো চিবিয়ে খাচ্ছে কিনা, সেদিকে‌ নজরদারি জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    দিনভর পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস জরুরি (Child Care)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক শিশুই খাওয়ার সময় অত্যাধিক জল খায়। জল দিয়ে ভাত বা রুটি জাতীয় খাবার গিলে নেওয়ার অভ্যাসও অনেকের থাকে। যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। এর জেরে পাকস্থলীতে গ্যাসের সমস‌্যা তৈরি হতে পারে। তাই খাবার খাওয়ার সময় একেবারেই জল খাওয়া চলবে না।‌ তাঁদের পরামর্শ, দিনভর পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। দিনভর জল ঠিকমতো খেলে হজমের সমস্যা কমে। পেটের অসুখের ঝুঁকিও কম হয়। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। তাই দিনভর পর্যাপ্ত জল যাতে সন্তান খায়, সেদিকে নজরদারি জরুরি।

    সময়মতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সময় মতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক শিশুই রাতে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খায় না। জলখাবারের সময়েও তাদের হেরফের হয়। এর জেরে পেট খালি থাকে। ফলে হজমের সমস্যা দেখা যায়। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, শিশুকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর, নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ানো জরুরি (Child Care)। তবেই হজম ঠিকমতো হবে।পেটের গোলমাল এড়ানো সহজ হবে।

    গরমে মেনুতে থাকুক হালকা খাবার (Child Care)

    সন্তানকে কী খাওয়ানো হচ্ছে, তার উপরে অনেকটাই নির্ভর করে তার সুস্থতা। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই আবহাওয়ায় একেবারেই হালকা জাতীয় খাবার দেওয়া দরকার। সহজে হজম হয় এমন খাবার খেলে পেটের অসুখের ঝুঁকি কমবে। তাই দুপুর বা রাতে সব্জি, স্ট্রু জাতীয় খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশপাশি অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় কিংবা প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা‌ (Child Care)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ মধু কিংবা রাতে রুটির সঙ্গে সামান্য মধু (Honey) মিশিয়ে খেলেই পাওয়া যাবে নানা উপকার। এমনকী একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যাও কমবে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মধু খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে, কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই মধু খাওয়া উচিত। না হলে আবার বিপত্তি ঘটতে পারে।

    নিয়মিত মধু খেলে কী উপকার পাওয়া যায়? (Honey)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনিদ্রার সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ অনিদ্রার সমস্যায় ভোগে। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। আবার মানসিক অস্থিরতাও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব পড়ে। এতে ঘুম ভালো হয়। 
    অনেকেই মুখের ভিতরে ঘায়ের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিনের অভাবে অনেকের মুখের ভিতরে ঘা হয়। যার জেরে খেতে অসুবিধা হয়। জ্বালা অনুভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু খেলে মুখের ঘা দ্রুত কমে। কারণ, মধুতে (Honey) রয়েছে অ্যান্টি-বায়োটিক। তাই তা ঘা সারাতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    পাশপাশি, মধু ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বকের একাধিক রোগ প্রতিরোধে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকে লাল দাগ হলে কিংবা ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে মধু খাওয়ার পাশপাশি মধু ত্বকে লাগালেও বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। তাই ত্বকের সমস্যায় মধু বিশেষ কাজ করে। 
    ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে অনেকেই সর্দি-জ্বর-কাশির সমস্যায় ভোগেন। এর জেরে ফুসফুসের একাধিক সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত মধু খেলে এই ধরনের সমস্যা আটকানো‌ সম্ভব। কারণ, মধুতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল যৌগ।‌ তাই সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী।

    মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন দিকে নজর দিতে হবে? (Honey)

    মধু খুবই উপকারী। কিন্তু মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে বিশেষ‌ ভাবে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত মধু খেলে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা হতে পারে। তবে, ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধুতে থাকে ফ্রুকটোস। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি‌ থাকলে মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে রাশ টানতে হবে। 
    পাশপাশি ফ্যাটি লিভারের সমস‌্যা থাকলেও নিয়মিত মধু খাওয়া যাবে না। কারণ, মধু্তে হজমের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ মাসের কম বয়সী শিশুদের একেবারেই মধু খাওয়ানো যাবে না। কারণ, মধুর একাধিক উপাদান শিশুদের পেটে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সদ্যোজাত থেকে জন্মের প্রথম এক বছর মধু (Honey) না‌ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share