Tag: inflation

inflation

  • PoJK Unrest: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লন্ডনে বিক্ষোভ ব্রিটিশ কাশ্মীরিদের

    PoJK Unrest: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লন্ডনে বিক্ষোভ ব্রিটিশ কাশ্মীরিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আন্দোলনকারীদের (PoJK Unrest) ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগের অভিযোগে সরগরম ব্রিটেন। রবিবার লন্ডনের পার্লামেন্ট ভবন ‘প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টারে’র বাইরে বিক্ষোভ দেখান হাজার হাজার ব্রিটিশ কাশ্মীরি (Global British Kashmiris Protest)। তাঁরা আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

    কী বলছেন বিক্ষোভকারীরা? (PoJK Unrest)

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পিওজেকের সাধারণ মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় বহু সাধারণ মানুষ নিহত ও জখম হয়েছেন। মহিলাদের হয়রানি এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের ঘটনাও ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড-ব্যানার হাতে ন্যায়বিচারের দাবি জানান। বিষয়টির প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান জানান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে। একই সঙ্গে তাঁরা রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলির কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। এদিনের সমাবেশে বক্তারা বলেন, “পিওজেকের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক স্বস্তি, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ, উন্নত প্রশাসন এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। তাই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।”

    আন্দোলনকারীদের ওপর হিংসাত্মক দমন-পীড়নের অভিযোগ

    বিক্ষোভকারীরা পাকিস্তান রেঞ্জার্স ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনকারীদের ওপর হিংসাত্মক দমন-পীড়নের অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরা। এর পাশাপাশি সেখানে মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করা (PoJK Unrest)। বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, রবিবার রাওয়ালাকোট ইদগাহে চলা একটি অবস্থান কর্মসূচিতে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালায়। এতে অন্তত দু’জন সাধারণ মানুষ নিহত এবং এক ডজনেরও বেশি মানুষ জখম হন।

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনিক ব্যর্থতা, অর্থনৈতিক সঙ্কট, সংরক্ষিত আইনসভা আসনের বণ্টন, মুদ্রাস্ফীতি, চড়া বিদ্যুৎ বিল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্কট-সহ নানা ইস্যুতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন (Global British Kashmiris Protest) প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভ দমনে পাকিস্তান প্রশাসন আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, যার ফলে সংঘর্ষ, হতাহতের ঘটনা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে (PoJK Unrest)।

     

  • China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে চিন (China Economic)। এই ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ বাস্তবসম্মত নয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, কোভিড অতিমারির প্রথম ঢেউয়ের পর, ব্রিটিশ থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর ইকনোমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (Centre for Economics and Business Research) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে ২০২৮ সালের মধ্যে চিন আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে (Debt Nightmare)। সংস্থাটি জানিয়েছিল, অতিমারির মোকাবিলায় চিনের ‘দক্ষ’ ব্যবস্থাপনা আগামী বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের তুলনায় তাদের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে দেবে।

    কী বলছে সেই সংস্থা? (China Economic)

    পাঁচ বছর পরে এখন সেই একই সংস্থা বলছে, আগামী আরও অন্তত ১৫ বছরের আগে চিনের পক্ষে মার্কিন অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিন হয়তো কখনওই ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। কারণ তাদের অর্থনীতির সামনে রয়েছে গুচ্ছের পরিকাঠামোগত সমস্যা ও বাধা। গত সপ্তাহে বেজিংয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্যও দেখাচ্ছে, গতি হারিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

    কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা

    এপ্রিল মাসে শিল্প উৎপাদন বছরে মাত্র ৪.১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝির পর এটি সবচেয়ে দুর্বল বৃদ্ধি। খুচরো বিক্রি বেড়েছে মাত্র ০.২ শতাংশ, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থার উদাহরণ এটি। বছরের প্রথম চার মাসে স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ কমেছে ১.৬ শতাংশ। এর প্রধান কারণ সম্পত্তি উন্নয়ন খাতে ১৩.৭ শতাংশ পতন। ২০২১ সালে যে রিয়েল এস্টেট বুম ছিল, অতিমারির পর তা মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোটি কোটি চিনা নাগরিকের সঞ্চয়। তাই কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা। কারণ অনেকেই এমন ফ্ল্যাটের ঋণে ডুবে রয়েছেন যে, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। আগে বাড়ির পরে গাড়ি কেনাটা ছিল চিনের মধ্যবিত্ত দের একটি বড় বিনিয়োগ ক্ষেত্র (China Economic)। কিন্তু এখন অনেকেরই গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই। মে মাসের শুরুতে চিনের গাড়ি নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, যাত্রিবাহী গাড়ির বিক্রি বছরে কমেছে ২৫.৫ শতাংশ — টানা ষষ্ঠ মাসের পতন। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডির প্রচুর গাড়ি বিক্রি হয়নি। তাদের প্রথম ত্রৈমাসিকের মুনাফা ৫৫ শতাংশ কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

    ড্রাগনের দেশে হ্রাস পেয়েছে চাহিদা

    দেং শিয়াওপিংয়ের ১৯৮০ সালের সংস্কার এবং পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানদের নীতির ফলে চিন কার্যত পরিণত হয়েছিল বিশ্বের কারখানায়। তাই কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেন, সৃষ্টি হয় বিপুল কর্মসংস্থানের (Debt Nightmare)। ড্রাগনের দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দিয়েছেন। চিন এখন জাহাজ নির্মাণ, সৌর প্যানেল, উইন্ড টারবাইন, রোবোটিক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ির মতো বহু ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রেও তারা এগিয়ে। তবে চিনের প্রবৃদ্ধি মূলত রফতানি-নির্ভর — আর এই মডেলই এখন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দেশের ভেতরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় চাহিদা হ্রাস পেয়েছে, যদিও পণ্যের দর সস্তা। মনে রাখতে হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ৮০ শতাংশেরও বেশি চালিত করে। সেই তুলনায় ভারতে এই হার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। গত বছর চিনে এর পরিমাণ ছিল মাত্রই ৫২ শতাংশ (China Economic)।

    আইএমএফের বক্তব্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার (IMF) জানিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি সঙ্কট ও দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মানুষের খরচ করার আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য চিনের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪.৫ শতাংশ করেছে। চিনা সরকারও ১৯৯১ সালের পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে — ৪.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ (Debt Nightmare)। খবরে প্রকাশ, রফতানির জন্য চিন এখনও নতুন নতুন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। গত বছর তাদের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১.১৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ চিনের কাছে আমদানি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ যদি বৈশ্বিক মন্দা সৃষ্টি করে, তাহলে চিনা পণ্যের চাহিদা কমবে। ফলে শিল্পখাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ইতিমধ্যেই জিনপিংয়ের দেশে মূল্যহ্রাস শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও কম দামে জিনিস পাওয়ার আশায় কেনাকাটা করছেন না চিনারা (China Economic)।

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও বড় সমস্যা

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও দু’টি বড় সমস্যা রয়েছে – একটি হল বাজেট ঘাটতি, অন্যটি জনসংখ্যা সঙ্কট। সরকারি হিসেবে চিনের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশ। যদিও বিশ্লেষকদের দাবি, অন্যান্য গোপন বাজেট যোগ করলে তা পৌঁছে যায় ৯.১ শতাংশে। চিনের মোট ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে অনুমান। ঋণের সুদ শোধের খরচ ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ।এদিকে, চিনা জনসংখ্যা দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৪৯ সালের পর জন্মহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আয়তনে এত বড় একটি দেশে গত বছর মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে। আগামী দশকে চিনের জনসংখ্যা কমে যেতে পারে প্রায় ৬ কোটি। এতে ভোগব্যয় আরও কমবে, বাড়বে অর্থনৈতিক সঙ্কট (Debt Nightmare)।

    কমিউনিস্ট-শাসিত চিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ!

    চিনের বিশাল তেল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ তাদের কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে এপ্রিল মাসে চিনের রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ১৪.১ শতাংশ। এদিকে, তেল ও গ্যাসের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জেরে প্লাস্টিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক খেলনা কারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, অনেকে আবার একেবারে ঝাঁপ ফেলে দিয়েছে। চাকরি খুইয়েছেন হাজার হাজার চিনা শ্রমিক (China Economic)। দক্ষিণ চিনে খেলনা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভও দেখা গিয়েছে, যা চিনের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত সমাজে বিরল নজির। চিন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তৈরি করছে ভবিষ্যতের পণ্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা বাড়লে লাভবানও হতে পারে চিন (Debt Nightmare)। তবে যেহেতু চিনা অর্থনীতি রফতানি-নির্ভর, তাই বিদেশের বাজারে তাদের প্রবেশ করতেই হবে। সমস্যা হল, অনেক দেশই চিনকে ভালো চোখে দেখে না। আফ্রিকায় বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করলেও, সেখানে চিনকে নয়া ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এশিয়ান (ASEAN) দেশগুলিতেও চিনের সস্তা পণ্যের চাপে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিনা কোম্পানিগুলি স্থানীয় কাঁচামাল কম ব্যবহার করে নিজেদের দেশ থেকে আমদানি করে। ফলে এসব দেশে চিনের (China Economic) বিরুদ্ধে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে।

     

  • Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান। বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় নাম রয়েছে শাহবাজ শরিফের দেশের। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস (Global Report on Food Crises)-এ পাকিস্তানকে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মায়ানমার, নাইজিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের সঙ্গে তীব্র ক্ষুধার প্রধান কেন্দ্রগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পাকিস্তানে খাদ্য সঙ্কট (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ২০২৫ সালে বিশ্বের সেই ১০টি দেশের মধ্যে ছিল যেখানে সবচেয়ে বড় খাদ্য সঙ্কট দেখা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গুরুতর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৯৩ লাখ মানুষ “ক্রাইসিস” অবস্থায় এবং ১৭ লাখ মানুষ “এমার্জেন্সি” অবস্থায় ছিল, যা দুর্ভিক্ষের ঠিক আগের সবচেয়ে গুরুতর স্তরগুলির মধ্যে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) নামের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অনুযায়ী, খাদ্য সঙ্কট এমন এক পরিস্থিতি যেখানে জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা তখন ঘটে যখন খাদ্যে প্রবেশাধিকার এতটাই সীমিত হয়ে যায় যে, তা আদতে হয়ে দাঁড়ায় মানুষের বেঁচে থাকার পক্ষে হুমকি স্বরূপ।

    খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ চরম আবহাওয়া। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ফলে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, যা জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাকিস্তানে ভারী মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কৃষিজমি এবং পরিকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে।” পুষ্টি বিশ্লেষণেও পাকিস্তানের নাম এসেছে, যেখানে বালুচিস্তান, সিন্ধ এবং খাইবার পাখতুনখোয়া উদ্বেগের অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের জন্য আনুষ্ঠানিক তীব্রতা নির্ধারণের মতো পর্যাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্য না থাকায় পাকিস্তানকে “নো সেভেরিটি ডেটা” (no severity data) তালিকায় রাখা হয়েছে।

    মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছতে পারে ৬ শতাংশে

    পাকিস্তানে অপুষ্টির ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণেও রয়েছে, যেখানে খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, জল এবং স্যানিটেশন এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে পৌঁছতে পারে, যা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি দেশটির সঙ্কটের গভীরতা এবং তথ্য সংগ্রহ বিস্তারের প্রতিফলন। বিশ্লেষণের এরিয়া ২০২৪ সালের ৪৩টি গ্রামীণ জেলা থেকে ২০২৫ সালে ৬৮টি জেলায় বাড়ানো হয়েছে। এতে বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধের এলাকা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তানের জনসংখ্যার হার ১৬ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, অর্থাৎ অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছে ওই তালিকায়।

  • Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্র (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Central Govt Employees)।

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত (Cabinet Approves DA)

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বছরে দু’বার—সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে—সংশোধন করা হয়। এটি শিল্প শ্রমিকদের জন্য ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই-আইডব্লিউ) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, যা শ্রমমন্ত্রকের অধীন লেবার ব্যুরো প্রতি মাসে প্রকাশ করে। তবে এবার ঘোষণায় খানিক দেরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও শ্রমিকদের কনফেডারেশন (সিসিজিইডব্লিউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয় এবং অক্টোবরের শুরুতে বকেয়া অর্থ দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন না করায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “বিলটির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধীরা বড় ভুল করেছে। এজন্য ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।”

    দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিরোধীদের এই অবস্থান মহিলাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতার প্রতিফলন এবং এই বার্তা দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছনো উচিত।” তিনি বলেন, “বিলের বিরোধিতা করার পর এখন বিরোধী দলগুলি নিজেদের অবস্থানকে সমর্থন করার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তারা দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে (Cabinet Approves DA)।” এছাড়াও, মন্ত্রিসভা ১৩,০০০ কোটি টাকার একটি সার্বভৌম সামুদ্রিক তহবিল গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। এই তহবিলের লক্ষ্য ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ভারতগামী ও ভারত থেকে চলাচলকারী জাহাজগুলির জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বীমার সুবিধা দেওয়া (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (পিএমজিএসওয়াই)-এর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত (Central Govt Employees) বাড়ানোর অনুমোদনও দিয়েছে, বরাদ্দ করেছে অতিরিক্ত ৩,০০০ কোটি টাকা।

  • Economic Survey 2025: বেকারত্ব হ্রাস, মূলধন বৃদ্ধি! বাজেটের আগে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার

    Economic Survey 2025: বেকারত্ব হ্রাস, মূলধন বৃদ্ধি! বাজেটের আগে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। শনিবার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এই নিয়ে ৮ বার সংসদে বাজেট পেশ করতে চলেছেন নির্মলা সীতারামন। প্রতিবারের মতোই এবারও একরাশ আশা-প্রত্যাশা নিয়ে বাজেটের দিকে তাকিয়ে আম-আদমি। তার আগে শুক্রবার কেন্দ্রীয় আর্থিক সমীক্ষা পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী। এই আর্থিক সমীক্ষা মূলত সরকারের রিপোর্ট কার্ড হিসেবেই ধরা হয়।

    মূলধন বৃদ্ধি

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৩ থেকে ৬.৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতি ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল আগামী দিনে এই বৃদ্ধির হার ৩.২ শতাংশ থাকবে বলে তিনি জানান। এদিন সীতারামন উল্লেখ করেছেন, মুদ্রাস্ফীতির হার কমছে। মূলধন ব্যয় (capex), কেন্দ্রের মোট ব্যয়ের শতাংশ হিসাবে, ২০২১ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২৪ অর্থবর্ষে ক্রমাগত উন্নতি হয়েছে৷ ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের পরে, জুলাই-নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.২ শতাংশ।

    রফতানি বৃদ্ধি

    রফতানি ক্ষেত্রে ভারতের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম রফতানি অর্থনীতিতে ভারত সপ্তম স্থানে আছে। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির গ্রস নন-পারফর্মিং অ্যাসেট অনুপাত ২০১৮ অর্থবর্ষের থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ হয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ২.৬ শতাংশের সর্বনিম্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই আর্থিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দেশের সমস্ত সেক্টর ভালো পারফরম্যান্স করছে। দেশের শিল্প ক্ষেত্রগুলি কোভিড-পূর্ববর্তী জায়গায় পৌঁছেছে।

    বেকারত্ব কমেছে

    কেন্দ্রীয় আর্থিক সীমাক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৭ বছরে দেশে বেকারত্বের হার কমছে। সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের জুলাই-জুন মাসে যেখানে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ৬ শতাংশ, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের একই সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ৩.২ শতাংশ। কৃষি ক্ষেত্রেও আশানরূপ উন্নতি হয়েছে। গ্রামীণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি পরিষেবা এবং অনুন্নত অঞ্চলগুলির মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমেছে। যার ফলে সারা দেশে আর্থিক প্রগতি হয়েছে৷ এ বারের বাজেট অধিবেশন দু’দফায় হবে। ১৪ এপ্রিল শেষ হবে।

  • Retail Inflation: গত চার মাসে সর্বনিম্ন খুচরো মুদ্রাস্ফীতি, সস্তা হয়েছে জিনিসপত্র, দাবি কেন্দ্রের

    Retail Inflation: গত চার মাসে সর্বনিম্ন খুচরো মুদ্রাস্ফীতি, সস্তা হয়েছে জিনিসপত্র, দাবি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত চার মাসের মধ্যে ডিসেম্বরেই খুচরো বাজারে সামান্য কমেছিল জিনিসপত্রের দাম। ১৩ জানুয়ারি কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স দাঁড়িয়েছিল ৫.২২ শতাংশে (Retail Inflation)। তার ঠিক আগের মাসে এই হার ছিল ৫.৪৮ শতাংশ। এর (Inflation) অর্থ হল, নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে খুচরো বাজারে সামান্য হলেও কমেছে জিনিসপত্রের দাম।

    কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (Retail Inflation)

    খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার পরিমাপ করা হয় ‘কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স’-এর মাধ্যমে। এই মুদ্রাস্ফীতিকে ২ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখাই লক্ষ্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের। গত অক্টোবরে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স ছিল ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই সূচক ছিল ৬.২১ শতাংশ। কমতে কমতে ডিসেম্বরে তা ঠেকেছে ৫.২২ শতাংশে। কেন্দ্রের দাবি, ডিসেম্বরে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স নিম্নমুখী হওয়ার মূল কারণ খাদ্যদ্রব্যের মূল্য হ্রাস। গত মাসে শাক-সবজি, ডাল, চিনি এবং দানা শস্যের দাম কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। চিনির দর কমায় সস্তা হয়েছে মিষ্টি। এদিন শহর ও গ্রামের মুদ্রাস্ফীতির হারের তথ্যও প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৭৬ শতাংশ। শহরে এই হার ৪.৫৮ শতাংশ (Retail Inflation)।

    আরও পড়ুন: দেশে সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন, বললেন ভাগবত

    কেন্দ্রের রিপোর্ট

    স্ট্যাটিস্টিক্স মন্ত্রকের প্রকাশিত ওই রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, খাদ্য ও পানীয় বিভাগে খুচরা মুদ্রাস্ফীতির হার ২০২৪ সালে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ডিসেম্বরে এই হার বার্ষিক ৭.৬৯ শতাংশে নেমে এসেছে। তার আগের মাসে এই হার ছিল ৮.২ শতাংশ। আনাজপাতির মুদ্রাস্ফীতির ধীরগতির কারণে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যও হ্রাস পেয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে এই হার ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ। তার আগের মাসে এই হার ছিল ২৯.৩৩ শতাংশ। মূল্য বৃদ্ধির হার ধীরগতির হলেও, গ্রাহক মূল্য সূচক-ভিত্তিক খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার (রিটেল প্রাইস ইনডেক্স) ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ৪ শতাংশ সহনশীলতার স্তরের ওপরে ছিল। এ ক্ষেত্রে উভয় দিকেই দু’শতাংশের বিচ্যুতিও সহনশীলতার স্তরের। প্রসঙ্গত (Inflation), স্টিকি ফুড মূল্যস্ফীতি, যা পরিবারের বাজেটকে প্রভাবিত করেছে, তা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয় (Retail Inflation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Inflation: অশান্ত বাংলাদেশ! জিনিসপত্রের দাম আগুন, চার মাসে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি

    Bangladesh Inflation: অশান্ত বাংলাদেশ! জিনিসপত্রের দাম আগুন, চার মাসে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগাম ছাড়া অত্যাচার শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। দেশের সার্বিক উন্নতির বিষয়ে এই সরকার কার্যকরী কোনও ভূমিকা নেয়নি বলে অভিযোগ। আর যার জেরে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা ছিল। এবার সেই মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) চিন্তা বাড়াচ্ছে। একে একে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম।

    মুদ্রাস্ফীতির কী অবস্থা? (Bangladesh)

    পরিসংখ্যান বলছে, নভেম্বরে ১১.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে বাংলাদেশের (Bangladesh) মুদ্রাস্ফীতি, যা গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রধানত খাদ্যের অগ্নিমূল্যের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশের মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে এই তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকস (BBS)। সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবরে বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৮৭ শতাংশ। নভেম্বরে খাদ্যের মুদ্রাস্ফীতি ১৩.৮০ শতাংশ বেড়েছে, যা এক মাস আগে ছিল ১২.৬৬ শতাংশ। নন ফুড আইটেমের মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবরে ৯.৩৪ শতাংশ থেকে নভেম্বরে ৯.৩৯ শতাংশ বেড়েছে। অন্তত সেই কথাই বলছে তথ্য। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে (জুলাই ২০২৩ – জুন ২০২৪) দেশের গড় মুদ্রাস্ফীতি ৯.৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এটা সেই অর্থবর্ষের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫  শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি। আগের ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৯.০২ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    বাংলাদেশে কলকাঠি নাড়ছে পাকিস্তান!

    যে দেশের বর্বর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে, পৃথক বাংলাদেশের (Bangladesh) জন্ম হয়েছিল, তার নাম পাকিস্তান। আর যে দেশের সাহায্য ছাড়া, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম সম্ভব ছিল না, তার নাম ভারত। কিন্তু, আজকের বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা সেই ইতিহাস অবলীলায় ভুলেছে। প্রতিদিন ভারতের বিরুদ্ধে বিষ উগরে দিচ্ছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস সরকার। আর এই গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে ঢাকায় পাকিস্তানের কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিএনপি-র প্রধান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। প্রায় ঘণ্টাখানেক এই বৈঠক চলে। যা দেখে অনেকে বলছেন, এই ছবিতেই স্পষ্ট, ভারত-বিদ্বেষের সুযোগ নিয়ে, বাংলাদেশে কলকাঠি নাড়তে শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন, বাংলাদেশ যেভাবে পাক-জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল, সেই অধ্যায় কি আবার ফিরতে চলেছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে (Nirmala Sitharaman)। ১৭ নভেম্বর এক নেটিজেন তাঁকে ওই অনুরোধ করেন।

    অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে পোস্ট (Nirmala Sitharaman)

    জনৈক তুষার শর্মা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “সীতারামন আমরা আপনার প্রচেষ্টা ও দেশের প্রতি অবদানের গভীর প্রশংসা করি এবং আপনার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের (Inflation) বিষয় বিবেচনা করুন। আমি জানি এর সঙ্গে জড়িত বিশাল চ্যালেঞ্জগুলি, কিন্তু এটি কেবল একটি আন্তরিক অনুরোধ।”

    অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    পোস্টটি দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জগুলি স্বীকার করার জন্য শর্মাকে ধন্যবাদও জানান মন্ত্রী। জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সরকার একটি প্রতিক্রিয়াশীল সরকার। সীতারামন তাঁর উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন, “আপনার দয়ালু শব্দ এবং আপনার বোঝার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার উদ্বেগ স্বীকার করি এবং তার মূল্যায়ন করি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একটি রেসপন্সিভ সরকার। জনগণের কণ্ঠ শোনে এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেয়। আবার একবার আপনার বোঝার (চ্যালেঞ্জগুলো) জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত মূল্যবান।”

    জানা গিয়েছে, ভারতের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যের দর বৃদ্ধির কারণে ২.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, অক্টোবর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি হবে ২.২ শতাংশের কাছাকাছি। সেপ্টেম্বর মাসে এটাই ছিল ১.৮৪ শতাংশ। পাইকারি মূল্য সূচক, যা উৎপাদকের মূল্য সূচক হিসেবে কাজ করে, নভেম্বর ২০২৩ থেকে ইতিবাচকই ছিল। এক বছর আগে এটি ছিল -০.২৬ শতাংশ (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি, যা সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বার্ষিক ভিত্তিতে ১১.৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৪৭ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৩.২১ শতাংশ। উচ্চ খাদ্যমূল্যের কারণে ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি, যা উপভোক্তা মূল্য সূচক ভিত্তিক, অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.২১ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল শাকসবজি ও ফলমূলের দাম (Inflation), যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৬৩.০৪ ও ১৩.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Piyush Goyal: মোদি জমানায় সর্বনিম্ন হয়েছে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি, দাবি গোয়েলের

    Piyush Goyal: মোদি জমানায় সর্বনিম্ন হয়েছে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি, দাবি গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) সরকারের গত ১০ বছরে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। তিনি বলেন, “রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উচিত অবশ্যই সুদের হার কমানো।”

    কী বললেন মন্ত্রী (Piyush Goyal)

    অক্টোবর ২০২৪-এর সর্বশেষ খুচরো মুদ্রাস্ফীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গোয়েল বলেন, “যখন আরবিআইয়ের মানিটারি পলিসি কমিটি তাদের সুপারিশগুলি করেছিল, তারা এই মাসে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাসও দিয়েছিল। এটি কোনও জটিল বিষয় নয়।” গোয়েল এদিন সিএনবিসি-টিভি১৮ ‘গ্লোবাল লিডারশিপ সামিটে’ বক্তব্য রাখছিলেন। সেখানেই তিনি বলেন, “এটি (অক্টোবর ২০২৪ এর মূল্যস্ফীতি) কোনও আশ্চর্যের বিষয় নয়। ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির হার আবার কমে আসবে।” গোয়েল বলেন, “যা ঘটছে তা বোঝার জন্য আমরা সবাই যথেষ্ট বুদ্ধিমান। বেস এফেক্ট কী, ফ্যাক্টরগুলিই বা কী, উৎসবের চাহিদা কী ছিল, এগুলি আমরা জানি (Piyush Goyal)।”

    মুদ্রাস্ফীতি

    অক্টোবর মাসে ভারতের সিপিআই (উপভোক্তা মূল্য সূচক) মুদ্রাস্ফীতি গত ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.১ শতাংশে পৌঁছেছে। অগাস্টের পর এই প্রথমবার মুদ্রাস্ফীতি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের নির্ধারিত ৬ শতাংশের সীমা অতিক্রম করেছে। খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৮৭ শতাংশ। এর পরেই তিনি বলেন, “আরবিআইয়ের অবশ্যই সুদের হার কমানো উচিত।” চাহিদা হ্রাসের প্রসঙ্গে গোয়েল বলেন, “শিল্পের উচিত আকর্ষণীয় মূল্যে ভোক্তাদের পছন্দ ও চাহিদার দিকে নজর দেওয়া।”

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান হচ্ছেন তুলসী গ্যাবার্ড, চেনেন তাঁকে?

    প্রসঙ্গত, জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, ডাল, ডিম, চিনি, মিষ্টি এবং মশলার ক্ষেত্রে অক্টোবরে ২০২৪ সালের মুদ্রাস্ফীতিতেও উল্লেখযোগ্য হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বক্তব্য, অক্টোবর ২০২৪ সালে উচ্চ খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি প্রধানত চালিত হয়েছে শাকসবজি, ফল, তেল এবং চর্বির দাম বৃদ্ধি দ্বারা। আইসিআরএ-র প্রধান অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার বলেন, “সিপিআই মুদ্রাস্ফীতি উদ্বেগজনকভাবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চস্তরে পৌঁছেছে, যা এমপিসির মধ্যমেয়াদী (PM Modi) লক্ষ্যমাত্রার ২-৬ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করেছে (Piyush Goyal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share