Tag: Influenza

Influenza

  • Influenza: ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেই বাড়ছে শ্বাসনালীর সংক্রমণ! শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা কেন?

    Influenza: ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেই বাড়ছে শ্বাসনালীর সংক্রমণ! শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা কেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া কিংবা টাইফয়েডের মতো জটিল জ্বরের পাশপাশি বর্ষার মরশুমে রাজ্যবাসীকে জেরবার করছে ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza)। সপ্তাহভর বৃষ্টি চলেছে। কিন্তু চলতি সপ্তাহ থেকেই বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। ফলে, আবহাওয়ার অনেকটাই বদল হয়েছে। তাপমাত্রার এই দ্রুত ওঠানামার সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আদ্রতা। কখনও শীত ভাব, আবার কখনও ঘাম ঝরছে! আর এর জেরেই ইনফ্লুয়েঞ্জা শক্তি বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই বর্ষায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস শুধু সর্দি-কাশি আর জ্বরের ভোগান্তিতেই শক্তি ক্ষয় করছে না। শ্বাসনালীর জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করছে।

    কাদের ভোগান্তি বেশি? (Influenza) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গত দু’সপ্তাহে ফের বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জার (Influenza) দাপট। সর্দি-কাশি আর জ্বরের সমস্যা বাড়ছে। তবে, এর সঙ্গে যা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে, তা হল শ্বাসনালীর সংক্রমণ। কাশি, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা এমনকি ফুসফুসের নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস থেকে। বিশেষত, শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশুদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জার পরে বেশ কয়েক সপ্তাহ শ্বাসনালীর সংক্রমণ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের হাঁপানির মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, জ্বর না কমলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকিও থাকছে। তাই পাঁচ বছরের কম বয়সীদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? (Influenza) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গরম বাড়তেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনেই শরীরে দ্রুত ভাইরাসঘটিত জ্বরের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই সময় একেবারেই এসি চালানো উচিত নয়। বিশেষত, শিশুরা যে ঘরে রাতে ঘুমোবে, তাতে লাগাতার এসি চালানো একদম চলবে না। কারণ, এতে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ঘুমনোর সময় শিশুকে হালকা চাদরে গা ঢেকে দেওয়া দরকার বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি, জ্বর হলে একেবারেই অবহেলা করা চলবে না। প্রথম দিন থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেতে হবে। যাতে কোনও সংক্রমণ বাড়াবাড়ি হতে না পারে। পাশপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জায় (Influenza) আক্রান্তরা সকালে দুধে মধু মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাবেন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মধু সর্দি-কাশিতে বিশেষ উপকার দেয়। আর দুধ শরীরের দুর্বলতা দ্রুত কাটাতে সাহায্য করে। আর এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদাও পূরণ হয়। তাছাড়া গলায় অসুবিধা কমাতে এবং শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে দশ-বারো বছরের শিশুদের গোলমরিচ গুঁড়ো করে তুলসী পাতার সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনার প্রকোপ কমতে না কমতে ফের এক মারণ ভাইরাসের (H3N2 Virus) হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কোভিডের পর নতুন আতঙ্কের নাম এইচ৩এন২। বিশেষ করে পুদুচেরিতে এই ভাইরাসের প্রকোপ সব থেকে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভিল্যান্স প্রোগ্রাম নেটওয়ার্কের’ মাধ্যমে। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, এই ভাইরাস অনেকটাই ক্ষতিকারক ও মানব শরীরে খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। সাধারণ জ্বর-কাশির মতো উপসর্গ থাকলেও তা আস্তে আস্তে মারণ রোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মানব শরীরকে।

    কী কী উপসর্গ রয়েছে এই H3N2 Influenza A Virus এ?

    এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের একটি সাবটাইপ। এমনটাই গবেষণার মাধ্যমে জানিয়েছে মেডিক্যাল সংস্থা আইসিএমআর। আরও জানানো হয়েছে, এই ভাইরাস (H3N2 Virus) ডিসেম্বর থেকেই প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। সাধারণত ঠান্ডার সময় থেকেই এই ভাইরাসের প্রকোপের হার বেড়েছে। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভাইরাসের লক্ষণগুলি হল জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট। আবার কিছু মানুষের মধ্যে নিউমোনিয়া, খিচুনি, ডায়ারিয়া ও বমি ভাব থাকছে। বৃদ্ধ এবং শিশুদের সব থেকে বেশি আক্রমণ করছে এই ভাইরাস। উপসর্গগুলি প্রায় এক বা দুই সপ্তাহ ধরে চলতে থাকছে। যদিও মৃত্যুর হার অনেকটাই কম। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ১০ই মার্চের যে হিসেব পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই ভাইরাসের আক্রমণে দেশে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এঁদের মধ্যে একজন হলেন কর্ণাটকের এবং অন্যজন হরিয়ানার। এখনও পর্যন্ত মোট ৩০৩৮ জন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তারমধ্যে ১২৪৫ জন জানুয়ারিতে, ১৩০৭ জন ফেব্রুয়ারিতে এবং ৪৮৬ জন মার্চে।

    এই ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কী?

    যেহেতু এটি করোনার মতোই ছোঁয়াচে একটি ভাইরাস (H3N2 Virus), তাই এই রোগের প্রতিরোধের একমাত্র উপায় ভ্যাকসিন নেওয়া। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। মুখে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যাদের জ্বর ও ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় লক্ষণ রয়েছে, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো। কোনও রকম সন্দেহজনক উপসর্গ দেখলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খাওয়াই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকুন! করোনা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকের পরে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকুন! করোনা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকের পরে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন। বুধবার করোনা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৈঠকের পরে এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা (COVID-19) ও ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) সংক্রমণ নিয়ে এদিন স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন করে মাস্ক পরা, দূরত্ববিধি বজায় রাখার মতো সতর্কতামূলক পদক্ষেপের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী যা বললেন

    সংক্রমণ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার ও স্বাস্থ্য় দফতর কতটা প্রস্তুত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্যই উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। বৈঠকে তিনি বলেন, “সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে সতর্কতায় কোনও খামতি রাখা যাবে না”। দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো থেকে শুরু করে করোনা টিকাকরণ, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট, ইনফ্লুয়েঞ্জার বিভিন্ন ধরন ও সাধারণ মানুষের উপরে তার প্রভাব, এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi)। তিনি বলেন, “করোনা পরিস্থিতি শেষ হওয়া থেকে এখনও অনেক দূরে আমরা। তাই করোনার দৈনিক সংক্রমণের হারের উপরে নজরদারি করতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও যাদের কো-মর্ডিবিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে আবেদন, তাঁরা অবশ্যই যেন শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যবিধি ও করোনা প্রতিরোধে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি, যেমন মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো নিয়মগুলি মেনে চলুন।”

    আরও পড়ুন: ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধারের লিঙ্ক করানোর সময়সীমা বাড়ল! জানুন বিস্তারিত

    স্বাস্থ্যসচিব যা বললেন

    প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ‘গত দু’সপ্তাহে করোনা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণ বাড়ার কারণেই এই বৈঠক।’ ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য)-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। দেশের করোনা ও ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি এই বৈঠকে সংক্রমণের সম্ভাব্য স্ফীতির মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সামগ্রিক ভাবে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা বলেন মোদি। বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব বলেন, ‘‘বুধবার দেশে ১,১৩৪টি নতুন সংক্রমণের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। ৫ জন কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে (ছত্তীসগঢ়, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাত এবং কেরলে ১ জন করে)। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৭,০২৬।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • H3N2 Virus: এবার এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু ২ জনের! জানেন এর উপসর্গ?

    H3N2 Virus: এবার এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু ২ জনের! জানেন এর উপসর্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার প্রকোপ কাটেনি এখনও। রয়েছে অ্যাডিনোর দাপট। তারই মধ্যে এবার এইচ৩এন২ (H3N2 Virus) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের মধ্যে প্রথম মৃত্যু হল দুই জনের। H3N2 ভাইরাসের প্রকোপে হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জায় মৃতদের মধ্যে একজন হরিয়ানার ও অপরজন কর্ণাটকের বাসিন্দা। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক সূত্র এমনই দাবি করেছে। কর্ণাটকের হাসানের বাসিন্দা ৮২ বছরের হীরে গৌড়াকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পয়লা মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়। দেশের মধ্যে তিনিই প্রথম H3N2 ভাইরাসের শিকার। তিনি ডায়াবেটিক ছিলেন এবং হাইপারটেনশনে ভুগছিলেন। 

    এইচ৩এন২ ভাইরাসের উপসর্গ

    দেশে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন। এ ছাড়াও এইচ১এন১ ভাইরাসে ৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। গত কয়েক মাস ধরে দেশে জ্বরে আক্রান্তের ঘটনা বেড়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যার পোশাকি নাম “হংকং ফ্লু”। দেশে অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্তের থেকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেশি। H3N2 ও H1N1 উভয় ভাইরাসেরই কোভিডের মত উপসর্গ থাকছে। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    এইচ৩এন২ ভাইরাস প্রতিকারের উপায়

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দু’টি ভাইরাসেরই উপসর্গ হল কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট। তা ছাড়া গলা, শরীর ব্যথা, ডায়েরিয়ার মতোও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, এইচ৩এন২ ভাইরাস হল ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা এ’ ভাইরাসের উপরূপ। এই ভাইরাস মারাত্মক সংক্রামক। হাঁচি , কাশি বা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা করোনা পরিস্থিতির সময় আমরা যেসব বিধি-নিষেধ মেনে চলতাম, সেরকমই মেনে চলতে বলছেন। নিয়মিত হাত ধোয়া বা মাস্ক পরার মত ব্যবস্থাগুলি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ও মেডিক্যাল রিসার্চ আবেদন জানিয়েছে, হাঁচি-কাশির সময় সকলেই যেন নিজের নাক-মুখ ঢেকে রাখে। নাক বা চোখে হাত দেবেন না। জ্বর ও শরীরে যন্ত্রণা থাকলে প্যারাসিটামল খেতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hong Kong Flu: কোভিডের পর নয়া আতঙ্ক হংকং ফ্লু! কী এর উপসর্গ? কী জানাল আইসিএমআর?

    Hong Kong Flu: কোভিডের পর নয়া আতঙ্ক হংকং ফ্লু! কী এর উপসর্গ? কী জানাল আইসিএমআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর এবারে নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে হংকং ফ্লু (Hong Kong Flu)। দেশ জুড়ে এই ভাইরাসের দাপট বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই উপরূপ এইচ৩এন২ (H3N2)। এই ভাইরাসের সংক্রমণে যে জ্বর হচ্ছে তার নামই হংকং ফ্লু। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দেশ জুড়ে বেড়েছে ভাইরাল ফ্লুয়ে আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভুগছেন অনেকে। জ্বর সারলেও কাশি, গলা খুসখুস থেকেই যাচ্ছে। হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়। এই ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি।

    কী এই হংকং ফ্লু?

    ইনফ্লুয়েঞ্জা এ সাবটাইপ এইচ৩এন২ কে ‘হংকং ফ্লু’ (Hong Kong Flu) বলা হয়। এই ভাইরাস আক্রান্তের শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। সাধারণভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জাকে এ, বি, সি, ডি এই চারভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ও বি সাধারণভাবে এর জন্য দায়ী। এইচ৩এন২ হল ইনফ্লুয়েঞ্জা এ-এর একটি সাবটাইপ। এই ভাইরাসের প্রভাবে যে ফ্লু হয়, তাকে বলা হয় ‘হংকং ফ্লু’।

    কী এর উপসর্গ?

    গলা ব্যথা, কাশি, জ্বর, সর্দি কিংবা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা ব্যথা, মাথা ব্যথার ক্লান্তি অনুভূত হওয়া এইচ৩এন২ ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলির মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির বমি কিংবা ডায়েরিয়াও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণভাবে একসপ্তাহ সময় লাগে এর থেকে সুস্থ হতে। অন্যান্য উপসর্গ ৩ দিনের মাথায় কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি লেগে যাচ্ছে। তবে কারও কারও এর থেকে বেশিই সময় লাগছে।

    আরও পড়ুন: অ্যাডিনো আতঙ্কের মধ্যেই ফের ৩ শিশুর মৃত্যু, বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগ

    আইসিএমআর-এর তরফে কী বলা হল?

    এই ভাইরাস (Hong Kong Flu) নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানিয়েছে, জ্বর, কাশি, শ্বাসের সমস্যা হচ্ছে এই ভাইরাসের প্রভাবে। অন্তত মাস দুয়েক থাকছে উপসর্গ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের এইচ৩এন২-এর প্রকোপে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবে, তা হল- বারে বারে হাত ধুতে হবে, সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখতেই হবে। ফেস মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোবেন না। বারে বারে নাকে ও মুখে হাত দেবেন না। হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢেকে নিন। ধূম জ্বর, শুকনো কাশি, গায়ে ব্যথা বা হাল্কা শ্বাসকষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে টেস্ট করিয়ে নিতে হবে।

    আবার হাত মিলিয়ে হ্যান্ডশেক করা বা কোলাকুলি করবেন না। জনবহুল জায়গায় থুতু ফেলবেন না। নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না, উপসর্গ বুঝলে ডাক্তার দেখিয়ে সঠিক চিকিৎসায় থাকুন। বেশি ভিড়ে যাবেন না, বাসে বা গণপরিবহনে ঘেঁষাঘেঁষি করে বসা বা রেস্তোরাঁ ভিড় থাকলে সেখানে গিয়ে খাওয়া ঠিক হবে না।

    শিশু না বড়রা, কাদের জন্যবেশি ক্ষতিকারক এই ভাইরাস?

    ফ্লু-তে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয় শিশুদের ক্ষেত্রে। বড়রা নানা রকম সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেও ছোটদের এই সব নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করানো খুব কঠিন। তার উপর অপুষ্টিজনিত সমস্যা থাকলে এই রোগের সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল হয়। চিকিৎসকদের মতে, কোভিড পরবর্তী সময়ে শিশুদের ফ্লুয়ে আক্রান্তের হার প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ সময়ে শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Health Tips: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়

    Monsoon Health Tips: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বর্ষাকাল শুরু হয়ে গিয়েছে আর বর্ষাকাল মানেই একাধিক রোগের আশঙ্কা। করোনা এখনও শেষ হয়নি, তারমধ্যেই বর্ষাকাল আসায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণও বেড়ে গিয়েছে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। এই সময় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ডেঙ্গু, জ্বর, ম্যালেরিয়া, সর্দি-কাশি, মাথা ব্যথা একটা না একটা লেগেই থাকে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আরও রোগ সংক্রমণ এড়ানোর জন্যে আগে থেকেই সতর্ক হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: সকালে উঠে কখন জল খাবেন? জানালেন বিশেষজ্ঞ

    বর্ষাকালে যেসব রোগ সাধারণত দেখা যায় সেগুলো হল:

    মশাবাহিত রোগ- ডেঙ্গু (Dengue) , ম্যালেরিয়া (Malaria)।

    বায়ুজনিত রোগ- ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) , সর্দি-কাশি (Common cold), নিউমোনিয়া (pneumonia)।

    জলবাহিত রোগ- কলেরা (Cholera), ডায়রিয়া ( Diarrhoea), টাইফয়েড (Typhoid), হেপাটাইটিস এ, ই (hepatitis A & E)।

    রোগ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কী কী করণীয়?

    • আশেপাশে কোথাও জল জমতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ জমা জলেই মশার উপদ্রব বাড়ে। এছাড়াও মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করা উচিত।
    • এইসময় খাদ্য তালিকায় বিশেষ নজর রাখা উচিত। রোগ প্রতিরোধকারী ও পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
    • যাঁদের শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগ আছে, তাঁদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
    • যাঁদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম তাঁদের সংক্রমিত রোগীর থেকে দূরে থাক উচিত।
    • আপনার চারপাশ পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত।
    • বারবার হাত ধোয়া উচিত ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।
    • যদি আপনি কোনও রোগের উপসর্গ দেখতে পান তবে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে, সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।
    • বদ্ধ ঘরে থাকা উচিত নয়, সবসময় খোলামেলা জায়গায় থাকা উচিত।
    • বাইরের খাবার কম খান। বাড়িতেও হাল্কা খাবার রান্না করুন।
    • জল ফুটিয়ে খান। এতে জলে জীবাণু থাকার আশঙ্কা কমে যায়।

    আরও পড়ুন: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত? এই ভেষজ খেলে নিয়ন্ত্রণে আসবে রক্তে শর্করার মাত্রা

LinkedIn
Share