Tag: Injured

Injured

  • Attack: ভাটপাড়ায় স্কুলে এসে পড়ুয়াদের উপর এভাবে হামলা চালাল প্রতিবেশী যুবক! কেন জানেন?

    Attack: ভাটপাড়ায় স্কুলে এসে পড়ুয়াদের উপর এভাবে হামলা চালাল প্রতিবেশী যুবক! কেন জানেন?

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ স্কুলের টিফিনের সময় ছোট ছোট পড়ুয়ারা নিজেদের মধ্যে খেলা করছিল। তাতে একটু চিত্কার হয়েছে। এটাই অপরাধ। আর তার জেরেই প্রতিবেশী অমিত সাউয়ের কাঁচা ঘুম ভেঙে যায়। সমস্ত রাগ গিয়ে তার স্কুল পড়ুয়াদের উপর পড়ে। আর দুপুর বেলায় কাঁচা ঘুম ভাঙানোর অপরাধে নিজের বাড়ি থেকে লাঠি নিয়ে সটান হাজির হয় বাড়ি পাশে থাকা স্কুলে। আর লাঠি দিয়ে স্কুলের গেটের সামনে মহানন্দে খেলা করতে থাকা পড়ুয়াদের বেধড়ক পেটায় (Attack) বলে অভিযোগ। ভাটপাড়ার ৪ নম্বর গলির সর্বোদয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্কুলের মধ্যে এসে এভাবে পড়ুয়াদের লাঠিপেটা (Attack)  করতে দেখে সকলেই হতবাক হয়ে গিয়েছেন। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অমিত সাউ নামে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর কেন সে এভাবে স্কুল পড়ুয়াদের মেরেছে তা পরিষ্কার নয়। তার মানসিক চিকিত্সা করা জরুরি। আদালতে বিষয়টি বলব।

    ঠিক কী ঘটেছিল? Attack

     প্রতিবেশী ওই যুবকের আচমকা হামলার (Attack)  জেরে ১৭ জন স্কুল পড়ুয়া জখম হয়। ক্লাস টু, থ্রি এবং ফোরের পড়ুয়া রয়েছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই অভিভাবকরা পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে ভাটপাড়া থানার সামনে হাজির হন। তাঁরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে ক্লাস থ্রিতে পড়ে। সে বন্ধুদের সঙ্গে টিফিনের সময় খেলা করছিল। সেই সময় ওই যুবক এসে আমার ছেলে সহ বন্ধুদের বেধড়ক মেরেছে (Attack) । এটা হতে পারে না। স্কুলের মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা ওই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অন্য এক অভিভাবক বলেন, ওই যুবকের হামলায় (Attack)  আমার ছেলে জখম হয়েছে। ও মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ও ভয়ে সিঁটিয়ে থাকছে। কারও সঙ্গে কথা বলছে না। আসলে খেলা করার সময় আচমকা হামলা (Attack)  চালিয়েছে বলে ও চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত যুবক প্রকাশ্যে যাতে আর বাইরে বের হতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে এই ধরনের ঘটনা সে আরও করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Police: হিমঘরে আলুর বন্ড নিতে এসে পুলিশের লাঠিপেটা, জখম বহু চাষি, কোথায় দেখে নিন

    Police: হিমঘরে আলুর বন্ড নিতে এসে পুলিশের লাঠিপেটা, জখম বহু চাষি, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শনিবার রাত থেকে চাষিরা হিমঘরের সামনে ভিড় করেন। রবিবার হিমঘর থেকে চাষিদের আলুর বন্ড দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো চাষিরা হিমঘরের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন। রাত গড়িয়ে সকাল হতেই কয়েক হাজার চাষি সেখানে আলুর বন্ড নেওয়ার জন্য হাজির হন। কিন্তু, বহু চাষি আলুর বন্ড না পেয়ে পুলিশের (Police) হাতে মার খেয়ে হতাশ হয়ে শুকনো মুখে বাড়ি ফিরে যান। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের শ্রীকৃষ্ণপুর হিমঘরে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে অনেকে জখম হন। যদিও পুলিশের এক আধিকারিকের বক্তব্য, হিমঘরের সামনে প্রচুর জমায়েত হয়েছিল। হিমঘরের ভিতরে ঢোকা নিয়ে গন্ডগোলও হচ্ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতেই লাঠি উঁচিয়ে তাড়়া করা হয়েছিল।

    বন্ড না পেয়ে রাজ্য সরকারকেই কেন দুষছেন চাষিরা? Police

    রাজ্য সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের হিমঘরে আলু রাখার জন্য এবার সংরক্ষণ ঘোষণা করে। কৃষি বিপণন দপ্তরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে যে সব চাষির নাম রয়েছে তারা বন্ড নিতে পারবেন। সরকারের এই ঘোষণায় চাষিরা মুখে হাসি ফুটেছিল। কারণ, এতদিন হিমঘরের বন্ড এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা মোটা টাকা দিয়ে বন্ড কিনে নিতেন। সেখানে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের আলু রাখার মতো ক্ষমতা ছিল না। সরকারি এই সিদ্ধান্তে চাষিরাও নিজেদের জমির আলু হিমঘরে রাখার স্বপ্ন দেখেন। কারণ, এমনিতেই খোলা বাজারে আলুর দাম কম। তাই, চাষিরা হিমঘরে আলু রাখার জন্য বন্ড নিতে আসেন। আগের দিন রাত থেকে তাঁরা লাইন দেন। সারা রাত ধরে হিমঘরের সামনে পিল পিল করে চাষিদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। রবিবার সকালে হিমঘরের গেট খুলতে বিস্ফোরণ হয়। চাষিদের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে তা সামাল দিতে পুলিশকে (Police) বেধড়ক লাঠি চার্জ করতে হয়। নজরুল ইসলাম নামে এক আলু চাষি বলেন, রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। কিন্তু, বন্ড পাইনি। পুলিশ (Police) লাঠিচার্জ করে তাড়িয়ে দিচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চাষিদের বক্তব্য, বন্ড বিলির নির্দিষ্ট নিয়ম থাকবে। সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। এই সুযোগে বন্ড নিয়ে কালোবাজারি হচ্ছে। যাদের টাকা রয়েছে, তারা বন্ড কিনে রেখে দিচ্ছে। আর আমাদের মতো চাষিরা পুলিশের (Police) হাতে মার খাচ্ছে। এদিন হাজার হাজার চাষি রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিশ (Police) চাষিদের সুষ্ঠুভাবে বন্ড দেওয়ার ব্যবস্থা না করে লাঠিচার্জ করে এলাকা ছাড়া করেছে। বহু চাষি জখম হয়েছেন। রাজ্য সরকারের ভুল নীতির জন্য হাজার হাজার চাষি নাকাল হচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: ময়নায় বাজার সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীর বোমাবাজি, আহত এক মহিলা

    Purba Medinipur: ময়নায় বাজার সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীর বোমাবাজি, আহত এক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নার (Purba Medinipur) তিন মাথার মোড় বাজার সংলগ্ন এলাকায় বোমাবাজি। আহত এক সবজি ব্যবসায়ী মহিলা। এবার উত্তপ্ত ময়নার বাকচা। যতই পঞ্চায়েত ভোট এগিয়ে আসছে ততই উত্তপ্ত হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকা। পুলিশ নিষ্ক্রিয়, তাই প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব বিজেপি।

    ময়নার (Purba Medinipur) কোথায় বোমাবাজি হয়েছে?

    বিজেপির অভিযোগ বাকচার (Purba Medinipur) নিমতলা বাজারের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী ও বহিরাগত লোকজন নিয়ে বোমাবাজি করেছে। দেখে দেখে কেবল বিজেপি নেতৃত্বের বাড়ির সামনে বোমাবাজি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এরপর স্থানীয় লোকজন এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। এই বোমবাজির ঘটনায় আহত হয় এক মহিলা। মহিলার নাম মিঠু রানী দাস বর্মন, বয়স আনুমানিক ৫৫। বাজার থেকে সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন, কিন্তু সেই সময় নিমতলার কাছে এই বোমা বাজির ঘটনায় আহত হয় এই মহিলা। প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে এই মহিলাকে ময়না প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তাম্রলিপ্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই মহিলা জানান, দুপুর বারোটা নাগাদ সবজি বিক্রি করে ফেরার সময় রাস্তার উপরেই বোমাবাজি হয়। সেই বোমার আঘাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনো কোনোও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    স্থানীয় বিজেপি নেতা আশিষ মণ্ডল বলেন, ময়না (Purba Medinipur) এলাকায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরার নেতৃত্বে এই বোমাবাজি হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে এই বোমাবাজি হয় এবং পুলিশ নিজে বোমাবাজি থেকে বাঁচতে হামিদুল চকে থাকা বিজেপির পার্টি অফিসে ঢুকে আশ্রয় নেয়। তিনি আরও বলেন, বোমার আঘাতে বাজারের সবজি বিক্রেতা মহিলারাও বাদ যাচ্ছেন না। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই অঞ্চলের বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ বাবুকে খুন করেছিল তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই। তিনি আরও বলেন, এই খুনের প্রধান অভিযুক্ত মনোরঞ্জন হাজরা, যিনি ৩০২ মামলার আসামী এবং প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসন শাসক দলের শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন এই বিজেপি নেতা।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: উত্তর দিনাজপুরের আহত ৪ এবং বীরভূমের নিখোঁজ ২ পরিযায়ী শ্রমিক, পরিবারের পাশে বিজেপি

    Train Accident: উত্তর দিনাজপুরের আহত ৪ এবং বীরভূমের নিখোঁজ ২ পরিযায়ী শ্রমিক, পরিবারের পাশে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দারা অনেকেই করমণ্ডল এক্সপ্রেসে (Train Accident) ছিলেন আর তাই ট্রেনের দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন জেলার ৪ জন এবং অপর দিকে একই দুর্ঘটনায় বীরভূমের দুই পরিযায়ী শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। পরিবারের মানুষ দুশ্চিন্তায় নাওয়া খওয়া ছেড়ে দেওয়ার উপ্রক্রম হয়েছে।

    উত্তর দিনাজপুর থেকে (Train Accident) নিখোঁজ

    বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) জখম হল উত্তর দিনাজপুরের ৪ জন৷ আহতদের সকলকেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দু:সংবাদ, বাড়িতে এসে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। আহতদের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের লক্ষীপুর গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায়। জানা গিয়েছে আহতরা সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। আহতদের নাম হুদা আলম, মহম্মদ রাজ্জাক, মহম্মদ শাহাদাত, মিরাজুল ইসলাম। জানা গিয়েছে আহতদের মধ্যে হুদা আলমের অবস্থা গুরুতর। শুক্রবার ট্রেন দুর্ঘটনার পরপরই আহতদের মধ্যে একজন বাড়িতে ফোন করে এই দুর্ঘটনার কথা জানান। তারপরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আহতদের পরিবারের সদস্যরা। আহতরা কে কোথায়, কীভাবে আছেন তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিজনরা। ঘটনার জেরে কার্যত দুশ্চিন্তায় পরিবার।

    বীরভূম থেকে নিখোঁজ এবং পরিবারের পাশে বিজেপি

    সিউড়ির নগরী পঞ্চায়েতে ঝোড়গ্রামের দুই পরিযায়ী শ্রমিক গতকাল করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনার (Train Accident) কবলে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একজন নিখোঁজ, অপরজন কটক হসপিটালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজ ব্যাক্তির নাম লাভলু মাল আর আহত ব্যক্তির নাম মহিম ডোম। এই পরিবারের বাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধি দল পৌঁছান। ইউপির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা মহাশয় সহ বিজেপির একাধিক জেলার কার্যকর্তারা নিখোঁজ পরিবারের পাশে থেকে আশ্বাস দেন। দীনেশ শর্মা বলেন, ভারত সরকার এই নির্মম বেদনাদায়ক ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন। আমরাও আজ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যাক্তির পরিবারে পাশে থেকে আশ্বাসের বার্তা দিয়েছি। সরকার ক্ষতি পূরণের কথা ঘোষণা করেছেন। ওড়িশা সরকারের সঙ্গে আমাদের ভারত সরকার একসঙ্গে মিলে উদ্ধার কাজ করছে। এই মুহূর্তে সাধারণ মানুষের পাশে থাকাটাই আমাদের একমাত্র কর্তব্য বলে মন্তব্য করেন বিজেপির এই নেতা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express Accident: হুগলিতে অন্য কেরালা স্টোরি, দুর্ঘটনায় জখম ৪, নিখোঁজ ১

    Coromandel Express Accident: হুগলিতে অন্য কেরালা স্টোরি, দুর্ঘটনায় জখম ৪, নিখোঁজ ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই রাজ্যে কাজ নেই, তাই ভিন রাজ্যই ভরসা। কাঠের কাজের ভালো কদর কেরালাতে। আর তাই হুগলির হরিপাল থেকে বেশ কিছু আদিবাসী যুবক এই রাজ্যে কাজ না পেয়ে কাঠের কাজ করতে যেত কেরালাতে। গতকাল এমনই ৪ জন যুবক ট্রেন দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) গুরুতর জখম হয়ে বালেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরপর একজন নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। কেরালায় কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ যুবক ছাড়াও হুগলির পোলবা থেকে চন্দনা ঘোষ নামে আরও এক মহিলা নিখোঁজ বলে জানা গেছে।  

    দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) হুগলীতে নিখোঁজ

    রাজ্যে যেমন কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে, ঠিক তেমনই বাইরের রাজ্যে গিয়ে কাজ করে টাকা উপার্জন করার পথ খুঁজে নিচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। শ্রমিকের দৈনিক পারিশ্রমিকও ভালো পান শ্রমিকেরা। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে কাজ করে ভালোই উপার্জন করেন শ্রমিকেরা। শুক্রবার দুপুরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে (Coromandel Express Accident) চেপে কেরালার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন হরিপাল থানার পানিশেওলা জোতমাধব গ্রামের রোহিত হেমব্রম, অতনু কিস্কু, গোপাল হেমব্রম, তাপস কিস্কুরা। কিন্তু গতকাল রাতেই খবর আসে যে দেশের অন্যতম বৃহৎ রেল দুর্ঘটনার কবলে তাঁরাও পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত গোপালের কোন খোঁজ মিলছে না বলে জানা গেছে। বালেশ্বর হাসপাতাল থেকে গোপালের আত্মীয়দের বলা হয়, সকাল অবধি হাসপাতালেই ছিলেন তিনি কিন্তু তারপরই ছুটি করে বেরিয়ে যান। আর এরপর থেকেই গোপালের কোন খবর মেলেনি। 

    পরিবাদের উদ্বেগ

    গতকাল ভয়াবহ দুর্ঘটনার (Coromandel Express Accident) খবরে ওই হতদরিদ্র পরিবার গুলির কাছে আসতেই, মাথায় বাজ পড়ার অবস্থা হয় পরিবারের সদস্যদের। গভীর রাতেই টাটা সুমো ভাড়া করে দুর্ঘটনা স্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন আহত পরিবারের সদস্যরা। 

    জেলা শাসকের ভূমিকা

    হুগলির জেলাশাসক পি. দীপাপ প্রিয়া জানান, জেলাতে ইতিমধ্যেই কন্ট্রোল রুম (Coromandel Express Accident)  খোলা হয়েছে। আপাতত ১২ জনের লিস্ট পাওয়া গেছে যারা অল্পবিস্তর জখম। আরও বলেন জেলা শাসক, এখনো অবধি জেলার কারোর মৃত্যুর খবর নেই। ১২ জনের মধ্যে ২ জনের অফিসিয়ালি কোন খোঁজ মেলেনি। যারা আহত হয়েছেন তাদের জেলায় ফেরানোর চেষ্টা চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: বিদ্যুৎ দফতরে দুষ্কৃতীদের হামলা, আহত দুই, মাথা ফাটল একজনের

    Paschim Bardhaman: বিদ্যুৎ দফতরে দুষ্কৃতীদের হামলা, আহত দুই, মাথা ফাটল একজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁকসা থানার (Paschim Bardhaman) রঘুনাথপুরের কাছে সাব স্টেশনে ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতি। অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ দফতরের তিন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ, যার মধ্যে এক কর্মীর মাথা ফেটে যায়। গুরুতর আহত এক কর্মীকে দুর্গাপুরের ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মঙ্গলবার।

    বিদ্যুৎ দফতরে (Paschim Bardhaman) কী ঘটে ছিল?

    রঘুনাথপুর (Paschim Bardhaman) বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সোমবার রাত্রি ১১ টা নাগাদ হঠাৎ একদল উত্তেজিত দুষ্কৃতি সাব স্টেশনের ভেতরে ঢুকে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তাদের বাধা দিতে গেলে সেখানে কর্মীরা আক্রান্ত হয়। তবে ঠিক কী কারণে বিদ্যুৎ দফতরে ভাঙচুর এবং হামলা হয়েছে, তা দফতরের আধিকারিকরা কেউ জানাতে পারেনি।

    বিদ্যুৎ দফতরের বক্তব্য

    বিদ্যুৎ দফতরের (Paschim Bardhaman) এক আধিকারিক দীপঙ্কর লাহিড়ী জানান, আমরা এই ভাঙচুরের ঘটনার বিরুদ্ধে থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাবো। কিন্তু কে বা কারা, এই ঘটনা ঘটালো, তিনি তা কিছুই জানাতে পারলেন না। তবে তিনি এটাও বলেন, পাওয়ার তো সঠিক সময়ে অন করাই ছিল, তবে কেন এমন ঘটনা ঘটল? এই প্রসঙ্গে শ্রী লাহিড়ী বাবু আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে বলবো। ঘটনায় আক্রান্ত এক কর্মী সোমনাথ ঘোষ বলেন, রাত্রি সাড়ে এগারটা নাগাদ ১০-১২ জনের একদল, একটি ছোট হাতিতে করে এসে অফিসে হামলা চালায়। তারপর হাতে লাঠি, বাঁশ, রড নিয়ে এসে আমাদের তিন জনকে খুব মারধর করে। দুষ্কৃতিরা বলে, তারা কাকপাড়া থেকে এসেছে। দুষ্কৃতিদের কাছে সোমনাথবাবু এখানে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বলে, এক ঘণ্টা ধরে কেন বিদ্যুতের তার কেটে রাখা হয়েছে? আর এর পরেই সোমনাথবাবুকে এবং বাকি দুই কর্মীদের উপর ব্যাপক মারধর করে। পরে এই আক্রমণের খবর পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে কাঁকসা থানার পুলিশ এসে পৌঁছায়।

    ঘটনার প্রতিবাদে কর্ম বিরতি

    বিদ্যুৎ দফতরের (Paschim Bardhaman) কর্মীদের মারধরের ঘটনায় মঙ্গলবার দিন সকাল থেকে কর্ম বিরতির ডাক দেয় বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুরে কাঁকসা থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা। পুরো ঘটনার তদন্ত এখন পুলিশ করছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ‘ভোলা’র দাদাগিরিতে চরম আতঙ্কে বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা!

    Durgapur: ‘ভোলা’র দাদাগিরিতে চরম আতঙ্কে বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোলার তাণ্ডবে নাজেহাল দুর্গাপুর (Durgapur) সেন মার্কেটের ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতারা। বৃহস্পতিবার তার গুঁতানিতে একজন জখম হয়। অভিযোগ, ভোলার তাণ্ডবে এখনও পর্যন্ত বাজারের প্রায় ৩০ জন ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা আক্রান্ত হয়েছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভোলা নিজের দাপটে প্রতিদিন সবজি খেয়ে নিচ্ছে। ক্রেতারা ভোলার গুঁতানির আতঙ্কে বাজারে আসছেন না। ফলে ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সেন মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ী সমিতির কর্তা তথা ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার শিপুল সাহা জানান, বন দফতর এবং পুলিস-প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোনও সুরাহা হয়নি।

    দিনকে দিন বেড়েই চলেছে দাপট

    ব্যবসায়ীদের (Durgapur) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বাজার এলাকায় ৬-৭ টি ষাঁড় ও গরু রয়েছে। অভিযোগ, প্রতিটি গরু প্রায়ই ব্যাবসায়ীদের সবজি খেয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি ভোলার দাদাগিরি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। ভোলা প্রায় প্রতিদিন কাউকে না কাউকে গুঁতিয়ে জখম করে চলেছে। প্রায় ৭ মাস আগে ব্যবসায়ী সজল সেনকে ব্যাপকভাবে জখম করে ভোলা। তিনি চেন্নাইয়ে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে সাময়িক সুস্থ হয়েছেন। ভোলার তাণ্ডবে বিক্রেতা থেকে ক্রেতাদের আতঙ্ক দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ভোলা সহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের বাজার থেকে অন্যত্র নিয়ে যাক প্রশাসন।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    বাজারের (Durgapur) সবজি ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের অনেক ব্যবসায়ী ভোলার গুঁতোয় জখম হয়েছে। সজল সেন বলে একজনের শরীরে পিছন দিকে শিং ঢুকিয়ে দিয়েছিল ভোলা। আমাদের সবজি খেয়ে যেমন ক্ষতি করছে, আবার ক্রেতারা ভোলার ভয়ে বাজারমুখো হতে চাইছেন না। ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। আমরা ব্যবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।

    কী বললেন মার্কেট কমিটির সম্পাদক?

    প্রাক্তন কাউন্সিলার (Durgapur) শিপুল সাহা বলেন, এই সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে, জানি না। বন দফতরে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। পুলিশেও জানিয়েছি। কোনও সুরাহা হয়নি। আবার নতুন করে জানানো হবে। সেন মার্কেট কমিটির সম্পাদক সাগর সাহা বলেন, এদিন সকালে ভোলার গুঁতোয় ফের রাজেন্দ্র রাম বলে একজন  জখম হয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি, কোনও ব্যবস্থা যদি নেওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sanjay Dutt: শ্যুটিংয়ে বোমা ফেটে আহত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত! কেমন আছেন তিনি?

    Sanjay Dutt: শ্যুটিংয়ে বোমা ফেটে আহত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত! কেমন আছেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুটিং চলাকালীন আচমকাই সেটে বোমা ফেটে আহত হলেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত (Sanjay Dutt)। সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুর কাছেই সঞ্জুবাবা একটি কন্নড় ছবির শ্যুটিং করছিলেন। সেটেই আচমকা বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় হাতে, মুখে এবং কনুইয়ে আঘাত লাগে অভিনেতার। দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ছবির কাজ।

    অ্যাকশন দৃশ্যের সময় বিপত্তি

    বর্তমানে দক্ষিণী ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছে অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। বেশ কয়েকটি ছবির কাজ করছেন একসঙ্গেই। তারই মাঝে ঘটল বিপত্তি। এদিন শিডিউল শুটের জন্য ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা। কন্নড় ছবি ‘কেডি’-র সেটে ঘটে এই দুর্ঘটনা। ছবির অ্যাকশন সিক্যুয়েন্সে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা। অধিকাংশ সময়ই তাঁকে অ্যাকশন দৃশ্যে নজর কাড়তে দেখা যায়। দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কেজিএফ ২-তে। ফাইট মাস্টার রবি বর্মার উপস্থিতিতেই চলছিল এই দৃশ্যের শুটিং। এমনই সময় হঠাৎই একটি বোমা ফেটে যায়, যা শুটের কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা ছিল। তখনই একটি বিস্ফোরণের দৃশ্যের সময় বোমাটি একেবারে অভিনেতার সামনেই ফেটে যায়। 

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    কন্নড় ছবি ‘কেডি- দ্য ডেভিল’-এ মূল অ্যান্টাগোনিস্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সঞ্জয় দত্তকে। ‘কেডি’ ছবির মাধ্যমে সর্বভারতীয় স্তরে পা রাখতে চলেছেন সঞ্জয় দত্ত। কন্নড় ছাড়াও তামিল, তেলুগু, মালয়ালম ও হিন্দি ভাষায় মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি। এই নতুন ছবির মাধ্যমেই দীর্ঘদিন পর বড়পর্দায় কামব্যাক করছেন শিল্পা শেট্টি। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন ‘মার্টিন’ খ্যাত তারকা অভিনেতা ধ্রুব সারজা। এদিন সঞ্জয়ের আঘাত লাগার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আপাতত সুস্থ আছেন অভিনেতা। তবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নির্মাতারা জানান, সঞ্জয় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেই আবার ছবির কাজ শুরু হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Conflict: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই বৈঠকে হামলা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Conflict: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই বৈঠকে হামলা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে মালদহ জেলায় তৃণমূলের কোন্দল (Conflict) প্রকাশ্যে চলে আসছে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের পর এবার মানিকচক থানার নুরপুর এলাকা। প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মানিকচক থানার নুরপুর এলাকায়।  বৈঠক চলাকালীন তৃণমূলের একাংশ কর্মীদের নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তবে, গন্ডগোল শুধু হাতাহাতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। দুপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। আর তাতে চারজন কর্মী জখম হন। খবর পেয়ে নুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বরমপুর এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছে মালিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। এর আগে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে প্রার্থী নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক গন্ডগোল হয়। দলীয় নেতৃত্বকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে, প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে দলীয় কোন্দলের (Conflict) জেরে  নুরপুরে রক্তপাতের ঘটনায় বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে শাসক দল।

    ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল?

    এদিন নুরপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বরমপুর বুথের প্রার্থী নিয়ে আলোচনা বৈঠক হয়। সেখান চারজনের নাম ঠিক করা হয়। শেখ রজিম নামে এক তৃণমূল কর্মী বলেন, দলীয় নেতাদের সামনে বুথে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছিল। আচমকাই জাবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। আমাদের মারধর করা হয়। বৈঠকে যে প্রার্থী ঠিক করা হয় তা জাবিরদের পছন্দ নয়। তারা এই এলাকায় নিজেদের মতো প্রার্থী দেবে। সেই প্রার্থী আমাদের মানতে হবে। এটা হতে পারে না। হামলার জেরে চারজন জখম হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। দলীয় নেতৃত্বকে সব কিছু জানানো হয়েছে। তারা এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, প্রার্থী নিয়ে মতানৈক্য (Conflict) হয়েছিল। তাতে সামান্য গন্ডগোল হয়। পরে, দুপক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হবে।

    সিপিএমের  মানিকচক-১ এরিয়া কমিটির সম্পাদক মহম্মদ আমিরুল হক বলেন, তৃণমূলের সব জায়গায় গোষ্ঠী কোন্দল (Conflict) হচ্ছে। আসলে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারলেই পাঁচ বছর ধরে চুরি করার সুযোগ মিলবে। সেটা কেউ হাত ছাড়া করতে চাইছে না বলেই গন্ডগোল হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lalu Prasad Yadav: সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন লালু প্রসাদ যাদব, তারপর কী হল?

    Lalu Prasad Yadav: সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন লালু প্রসাদ যাদব, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঁড়ি থেকে পড়ে গুরুতর আহত আরজেডি (RJD) প্রধান লালু প্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav)। কাঁধে ও হাতে গুরুতর আঘাত (Injured) পেয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে এমআরআই হয় ওই বর্ষীয়ান নেতার। 

    আরও পড়ুন: নতুন দুর্নীতি মামলায় লালু প্রসাদের বাড়িতে অভিযান সিবিআই-এর  

    সূত্রের খবর, লালুপ্রসাদ যাদবের কাঁধের হাড়ে হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার হয়েছে। তাঁকে দুমাসের বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। লালুপ্রসাদ যাদব বর্তমানে বিহারের পটনায় রাবড়ি দেবীর সরকারি বাসভবন ১০ সার্কুলার রোডে থাকেন। সেখানেই ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান তিনি। কাঁধে ও হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। তাড়াহুড়ো করে পাটনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর এমআরআই করানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন লালু প্রসাদ যাদবের ডান কাঁধের হাড় সামান্য ভেঙেছে। কোমরেও চোট লেগেছে।  

    [tw]


    [/tw]

    আরজেডি নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলের সুপ্রিমো এখন ভালো আছেন। সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যা বেলাতেই লালু প্রসাদ যাদব বাংলোয় ফিরে আসেন। বাড়িতে এসে তিনি আপাতত বিশ্রাম নিচ্ছেন। ৭৫ বছর বয়সী লালু প্রসাদের চোট লাগার খবরে কিছুটা হলেও চিন্তিত দলের কর্মীরা। আরজেডি চিফের স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনির রোগ, কিডনিতে পাথর, স্ট্রেস, থ্যালাসেমিয়া, প্রোস্টেট বৃদ্ধি, ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি, মস্তিষ্ক সংক্রান্ত রোগ, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডান কাঁধের হাড়ে সমস্যার মতো একাধিক রোগ রয়েছে এই প্রবীণ নেতার। তার ওপর এই আচমকা আঘাত চিন্তা বাড়িয়েছে পরিবারের।  

      

LinkedIn
Share