Tag: Instagram

Instagram

  • Glasgow Restaurant: ভারতের ভুল মানচিত্র! লভলিনার আপত্তির পর ক্ষমা চাইল রেস্তরাঁ, মোছা হল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও

    Glasgow Restaurant: ভারতের ভুল মানচিত্র! লভলিনার আপত্তির পর ক্ষমা চাইল রেস্তরাঁ, মোছা হল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্লাসগোর একটি ভারতীয় রেস্তরাঁয় ভারতের মানচিত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি বাদ দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বক্সার লভলিনা বরগোহাঁই বিষয়টি প্রকাশ্যে তুলে ধরার পর রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ (Glasgow Restaurant) ক্ষমা চেয়ে মানচিত্র-সহ প্রতীক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে যায়। ফলে সেটি বন্ধ করা হয়েছে (Incomplete India Map), নাকি সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    ভারতীয় বক্সিং দলের গ্লাসগো সফর (Glasgow Restaurant)

    ঘটনার সূত্রপাত ভারতীয় বক্সিং দলের গ্লাসগো সফরকে ঘিরে। ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে দুর্দান্ত সাফল্যের পর ভারতীয় বক্সিং দল মোট ১০টি পদক—সাতটি সোনা ও তিনটি রুপো—জিতে দেশে গৌরব এনে দেয়। সেই সাফল্য উদ্‌যাপন করতেই দলের সদস্যরা গ্লাসগোর ‘মিস্টার সিংস ইন্ডিয়া, দ্য হোম অব কারি’ রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন। উৎসবের সেই আয়োজনই পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর দেখা যায়, লভলিনা রেস্তরাঁর ছাপানো একটি ন্যাপকিন হাতে নিয়ে তাতে থাকা ভারতের মানচিত্রের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

    লভলিনার অভিযোগ

    তাঁর অভিযোগ, মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। লভলিনা বলেন, “দয়া করে বিষয়টি অন্যভাবে নেবেন না। এতে আমি কিছুটা কষ্ট পেয়েছি। ভারতের মানচিত্রে আমাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নেই। হ্যাঁ, বাইরেও যে মানচিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে, সেখানেও উত্তর-পূর্বাঞ্চল বাদ দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বের একজন মানুষ হিসেবে বিষয়টি আমাদের সত্যিই কষ্ট দেয়। আমি শুধু এটুকুই বলতে চেয়েছিলাম। পরের বার দয়া করে বিষয়টি মনে রাখবেন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।” অসমের এই বক্সারের বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ভারতের মানচিত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাদ দেওয়া বা উপেক্ষা করার প্রবণতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই যে অভিযোগ রয়েছে, লভলিনার বক্তব্য সেই বিতর্ককে ফের সামনে নিয়ে আসে (Glasgow Restaurant)।

    প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের

    সমালোচনার পর দ্রুত বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চান রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৩২ বছর ধরে ভারতীয় সংস্কৃতি ও খাবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে তাঁরা ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, “সবার আগে আমরা ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শনের জন্য নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইছি। এটি সংশোধনের জন্য আমরা অবিলম্বে পদক্ষেপ করব। আবারও আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আমরা কাউকে আঘাত করতে চাইনি। বরং ভারতীয় দলের জন্য গর্বের সঙ্গে পরিষেবা দিতে চেয়েছিলাম।” ভারতীয় দলের সাফল্যের কথাও উল্লেখ করে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ জানান, বিজয়ী ক্রীড়াবিদদের আতিথেয়তা করতে পেরে তাঁরা গর্বিত। বিবৃতিতে বলা হয়, “সঠিক মানচিত্র-সহ প্রতীক পরিবর্তন করা হবে। কমনওয়েলথ গেমসে ভারতীয় দলের অসাধারণ সাফল্যের পর তাঁদের পরিষেবা দিতে পারা আমাদের কাছে অত্যন্ত সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। সমস্ত ক্রীড়াবিদ এবং অতিথিরা তাঁদের সন্ধ্যাটি উপভোগ করেছেন। এই স্মৃতি আমাদের কাছে ভারতের সঙ্গে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।”

    অদৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট

    ক্ষমা চাওয়ার পরেই ঘটে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। রেস্তরাঁটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনলাইনে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, অ্যাকাউন্টটি কি কর্তৃপক্ষ নিজেই নিষ্ক্রিয় করেছেন, নাকি সম্পূর্ণ মুছে (Incomplete India Map) দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অ্যাকাউন্টটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে তাঁরা আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হবেন কি না, তাও এখনও স্পষ্ট নয় (Glasgow Restaurant)।

     

  • Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক পোস্ট (Facebook Post) সাময়িকভাবে ব্লক করার ঘটনায় মেটার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করল কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (Meta Global Team) আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাদের ভারতে তলব করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মেটার ঊর্ধ্বতন কর্তাদের অ্যালগরিদমের পক্ষপাত, বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং জনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংস্থার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হবে। তাঁদের একটি সংসদীয় কমিটির সামনেও হাজির হতে হতে পারে।

    মেটার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (Facebook Post)

    ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে। দেশের যুবসমাজকে উদ্দেশ করে ওই পোস্টে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু কিছু সময়ের জন্য পোস্টটি ফেসবুকে ব্লক করে দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক মেটার এক শীর্ষ আধিকারিককে তলব করে ঘটনার ব্যাখ্যা চায়। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন বৈঠকে মূলত মেটার অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে, তাতে কোনও ধরনের পক্ষপাত রয়েছে কি না এবং বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

    মেটার আগের বক্তব্য

    এর আগে মেটা জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর পোস্টটি সাময়িকভাবে ব্লক হওয়ার পিছনে ছিল একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি। ঘটনার জন্য সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমাও চাওয়া হয়। তবে সরকারি সূত্রের দাবি, মন্ত্রকের কাছে এই ব্যাখ্যা যথেষ্ট মনে হয়নি। পরে মেটা সরকারকে আশ্বস্ত করে জানায়, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট জনপরিচিত ব্যক্তিদের প্রকাশিত পোস্টে কোনও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে অতিরিক্ত নজরদারি ও পর্যালোচনা করা (Facebook Post) হবে। সূত্রের আরও দাবি, সংস্থাটি লিখিতভাবে সরকারকে জানিয়েছে, সংবেদনশীল বা হাইপ্রোফাইল অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একাধিক স্তরে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। সেই প্রক্রিয়ায় সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের নজরদারিও থাকবে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা প্রক্রিয়াগত ঘাটতির কারণে যাতে একই ধরনের ঘটনা ফের না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মেটার তরফে জানানো হয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ!

    এদিকে, ভারতীয় আইন লঙ্ঘন করলে অথবা নিজেদের ঘোষিত নীতি মেনে চলতে ব্যর্থ হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে আইনি ও নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও কেন্দ্রের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি এখন আর শুধুমাত্র প্রযুক্তি সংস্থায় সীমাবদ্ধ নেই। জনমত গঠন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের কাছ থেকে উচ্চমাত্রার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রত্যাশিত। এরই মধ্যে তেলঙ্গানায় মেটাকে ঘিরে আলাদা আইনি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মেটা ইন্ডিয়ার প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস এবং একাধিক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পরিচালকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন শাখা। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে বিকৃত ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা বিভিন্ন ছবি ও ভিডিয়ো অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

    স্ক্রুটিনির মুখে মেটা!

    অভিযোগ অনুযায়ী, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে চলা বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি কারা পরিচালনা করছিল, তা চিহ্নিত করতে তদন্তও শুরু হয়েছে। পরপর এই ঘটনাগুলির ফলে মেটার ওপর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক নজরদারি উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে গিয়েছে। বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের কাঠামো, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়বস্তু পরিচালনা—এই তিন ক্ষেত্রেই এখন একসঙ্গে সরকারি কর্তৃপক্ষ, সংসদীয় কমিটি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার স্ক্রুটিনির মুখে পড়েছে সংস্থাটি (Meta Global Team)। আগামী দিনের বৈঠক ও তদন্তের ফলাফল ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই (Facebook Post) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-এর সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিকৃত ভিডিও।ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস-সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর (Meta) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিওগুলির উৎস কোথায়, কারা সেগুলি তৈরি করেছে এবং কীভাবে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, মেটার নিজস্ব নজরদারি ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ভিডিওগুলির প্রচার ঠেকাতে কতটা কার্যকর ছিল, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হয়ে যাওয়ার পৃথক ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মেটার টানাপোড়েন চলছে। ওই পোস্ট পরে ফের দেখা যায়। মেটা ঘটনাটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল বলে ব্যাখ্যা করলেও, কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়, এবং সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    কে এই অরুণ শ্রীনিবাস? (PM Modi)

    অরুণ শ্রীনিবাস বর্তমানে ভারতে মেটার পরিচালক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তিনি এই দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি ভারতে মেটার বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান ছিলেন। মেটার পক্ষ থেকেই ২০২৫ সালের জুনে তাঁর নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। মেটায় যোগ দেওয়ার আগে শ্রীনিবাস হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, রিবক এবং ওলার মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন (PM Modi)। মেটার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু হয় ২০২০ সালে। প্রথমে তিনি ভারতে সংস্থাটির গ্লোবাল বিজনেস গ্রুপের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২২ সালে তাঁকে ভারতে বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান করা হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি ভারতে মেটার ব্যবসা, উদ্ভাবন ও আয়সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পান। কলকাতার ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিপণনে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা করেছেন শ্রীনিবাস। তার আগে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। প্রায় তিন দশকের বিক্রয় ও বিপণন-অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    কেন মামলা দায়ের?

    পুলিশ সূত্রে খবর, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই দুই সোশ্যাল মিডিয়াই মেটার মালিকানাধীন। তদন্তকারীরা প্রথমে জানতে চাইছেন, ভিডিওগুলি কোথা থেকে তৈরি বা প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে কীভাবে সেগুলি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। শুধু ভিডিও নির্মাতাদের ভূমিকা নয়, যারা ওই ভিডিও আপলোড, ফের প্রকাশ বা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের ভূমিকাও তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ধরনের বিকৃত ভিডিও শনাক্ত করে দ্রুত সরাতে পেরেছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনও সিদ্ধান্তে পুলিশ এখনও পৌঁছয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন (Meta)।

    মেটা কী বলেছে?

    এফআইআর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, মেটার এক প্রতিনিধি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হয়ে সংস্থার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং আইন মেনে চলার বিষয়টি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করেছেন।হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশের পক্ষ থেকে মেটার প্রতিনিধিদের ডেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি প্রতারণামূলক বিষয়বস্তু, ভুয়ো বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য বিকৃত বিষয়বস্তু শনাক্ত ও সরানোর পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল বলেও দাবি সূত্রের। তার কয়েক দিনের মধ্যেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট নিয়ে আলাদা চাপের মুখে মেটা

    শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনার থেকে আলাদা। তবে দু’টি ঘটনাই মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও পোস্ট ফেসবুকে সাময়িকভাবে সীমিত হয়ে যায়। ভিডিওটিতে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল। পরে সেটি পুনরুদ্ধার করা হয়। মেটার তরফে ঘটনাটিকে এআই-নির্ভর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এবং দুঃখপ্রকাশ করা হয় সংস্থার তরফে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ওই ব্যাখ্যাকে যথেষ্ট বলে মনে করেনি। তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণণ বলেন, “তারা ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে যা ঘটেছে তা ভুল ছিল—এটি ভালো। কিন্তু আমরা ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নই… এটি যথেষ্ট নয় এবং আমরা আরও বিস্তারিত তথ্য চাইছি (PM Modi)।” এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ফলে একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট  সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ—দু’টি ঘটনাই ভারতে মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কেন বাড়ছে নজরদারি?

    ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর সরকারি নজরদারি সম্প্রতি আরও বেড়েছে। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন, পরিচয় জাল করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের দ্রুত বিস্তার নিয়ে সরকারের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সক্রিয় হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ-সহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—কোন বিষয়বস্তু দ্রুত শনাক্ত করা হবে, কোনটি সরানো হবে এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Meta)। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে এফআইআর শুধু একটি নির্দিষ্ট ভিডিওকে ঘিরে তদন্ত নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়া -নির্ভর বিকৃত বিষয়বস্তুর দায় কার—সেই বৃহত্তর প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দায় কতটা?

    এআইয়ের সাহায্যে তৈরি ভিডিও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হওয়ায় সাধারণ ইউজারদের পক্ষে আসল ও নকল ভিডিও আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের নামে বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণেই তদন্তে শুধু ভিডিওটি কে তৈরি করেছে, তা জানাই যথেষ্ট নয়। সেটি কোন মাধ্যমে প্রথম ছড়াল, কত দ্রুত ছড়াল, কারা তা ফের প্রকাশ করল এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম সেটি শনাক্ত করতে বা সরাতে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। হায়দরাবাদ পুলিশের বর্তমান তদন্ত সেই বৃহত্তর প্রশ্নগুলিই সামনে নিয়ে আসছে। তবে তদন্ত যেহেতু এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, তাই শ্রীনিবাস বা অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এই মামলা ভারতে এআই-নির্ভর ভুয়ো বিষয়বস্তু এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে যে ব্যাখ্যা-পর্ব চলছে, তার সঙ্গে এই (Meta) নতুন তদন্ত যুক্ত হওয়ায় ভারতের ডিজিটাল পরিসরে প্ল্যাটফর্মগুলির দায়বদ্ধতা ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • BJP Leaders on Instagram: প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বার্তার পর ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় বিজেপি নেতারা, যুবসমাজের কাছে পৌঁছতে জোর প্রচার

    BJP Leaders on Instagram: প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বার্তার পর ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় বিজেপি নেতারা, যুবসমাজের কাছে পৌঁছতে জোর প্রচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের পর যুবসমাজের সঙ্গে ডিজিটাল যোগাযোগ আরও জোরদার করতে ইনস্টাগ্রামকে প্রধান রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পথেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির (BJP Leaders on Instagram) একাধিক শীর্ষ নেতা ইনস্টাগ্রামে তাঁদের সক্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছেন। দলীয় সূত্রের দাবি, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন মন্ত্রী ও বিজেপি নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে রিল, ভিডিও এবং রাজনৈতিক বার্তা প্রকাশের হার বেড়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্ব

    নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের পর সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম তরুণদের মধ্যে মতামত গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সিজেপি (CJP) চলতি বছরের মে মাসে একটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসরণকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সেলফি-স্টাইল ভিডিও প্রকাশ করে পরীক্ষা সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তরুণদের মতামতের জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান। ২০১৪ সাল থেকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী মোদির সম্প্রতি একটি মধ্যরাতের ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় ১০ লক্ষ নতুন অনুসরণকারী যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অনুসরণকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৫০ লক্ষ। বিজেপির সরকারি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের অনুসরণকারী প্রায় ৯৫ লক্ষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলটি প্রশ্নপত্র ফাঁস, সংসদে পাবলিক এক্সামিনেশন সংশোধন বিল (Prevention of Unfair Means) সংক্রান্ত ভিডিও ও রিল প্রকাশ করছে। এসব পোস্টে বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিলের আলোচনা ব্যাহত করার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    প্রহ্লাদ জোশীর ইনস্টা-বার্তা

    নবনিযুক্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ইনস্টাগ্রামে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, পাবলিক এক্সামিনেশন আইন (Prevention of Unfair Means) কার্যকর করার মাধ্যমে পরীক্ষা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও বড় অঙ্কের জরিমানার বিধান করা হয়েছে। একটি পোস্টে তিনি বলেন, পরীক্ষাব্যবস্থাকে স্থায়ীভাবে আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রস্তুত এবং তথ্যভিত্তিক আলোচনার পক্ষেই তারা। তিনি আরও দাবি করেন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদও সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা চেয়েছেন, কিন্তু একজন ব্যক্তির অহংকারের কারণে সেই আলোচনা হচ্ছে না।

    নাড্ডার ভিডিও বার্তা

    প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডাও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তাঁর পোস্টে সিজপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিট ইস্যুতে বৈঠকের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। আগে যেখানে তাঁর পোস্টের সংখ্যা ছিল খুবই কম, এখন প্রায় প্রতিদিনই একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে।

    মন্ত্রিদের ইনস্টা-বার্তা

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইনস্টাগ্রামে প্রতিদিন একাধিক পোস্ট করে সংশোধনী বিল, ছাত্রদের উদ্দেশে ধৈর্য ধরার আহ্বান এবং সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে—এমন বার্তা তুলে ধরছেন। আগে যেখানে সপ্তাহে চার-পাঁচটি পোস্ট করতেন, এখন প্রতিদিনই একাধিক পোস্ট প্রকাশ করছেন তিনি। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা বিল নিয়ে ধারাবাহিক ভিডিও পোস্ট করছেন। তাঁর বক্তব্যে পরীক্ষায় দুর্নীতিকে “জাতীয় সমস্যা” হিসেবে উল্লেখ করে সব রাজনৈতিক দলকে বিল সমর্থনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রতিদিন এক ডজনেরও বেশি পোস্ট দেখা যাচ্ছে।

    পরীক্ষায় দুর্নীতি “জাতীয় সমস্যা”

    অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও সরকারের অবস্থান তুলে ধরে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরীক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করতে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়ালও সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বিরোধীদের বিষয়টি রাজনৈতিক ইস্যু না করে সংসদীয় আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মহিলা ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে একাধিক পোস্ট করেছেন। তাঁর পোস্টে “হেমন্ত ইস্তফা দো” স্লোগান এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

    ইনস্টা-যোগ অমিত মালব্য-র

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ইনস্টাগ্রামে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিওর উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সেখানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল, “আজাদ কাশ্মীর”-এর দাবি, হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য এবং দিল্লি দাঙ্গার অভিযুক্তদের মুক্তির দাবির মতো স্লোগান শোনা গেছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ভিডিওগুলি সত্য হয়, তবে আন্দোলন ছাত্রদের প্রকৃত দাবি থেকে সরে গিয়েছিল। মালব্য আরও দাবি করেন, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের সর্বাধিক অভিযোগ ইন্ডিয়া জোটশাসিত রাজ্যগুলিতে সামনে এসেছে। তাঁর তালিকায় জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, কেরল ও কর্নাটকের নাম রয়েছে। সোমবার লোকসভায় সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনী বিল পেশ করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ₹৫০ লক্ষ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

  • PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের ভিডিও বার্তার পর দেশের যুবসমাজের কাছ থেকে যে বিপুল সাড়া পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তরুণদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক পরামর্শ তাঁর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

    ভিডিও বার্তায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। গত রাতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আপনারা যেভাবে সেই ভিডিওতে সাড়া দিয়েছেন এবং ইতিবাচক পরামর্শ দিয়েছেন, তার জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের এই ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ বন্ধুরা।’’

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিওতে ব্যাপক সাড়া

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রকাশের মাত্র আট মিনিটের মধ্যে ভিডিওটি ২৫ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে ২০ মিনিটের মধ্যেই ১০ লক্ষের বেশি লাইক পড়ে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং কঠোর শাস্তির বিধান আনতে একটি খসড়া আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আলোচনা করবে।

    আগের রাতের ভিডিওতে কী বার্তা দিয়েছিলেন?

    প্রায় তিন মিনিটের ওই ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘’’চলতি সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনেই প্রস্তাবিত বিলটি দ্রুত পাস করানোর জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। সেই ভিডিও প্রকাশের পর রাতারাতি ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন অনুসারীও যুক্ত হয়েছে তাঁর অ্যাকাউন্টে। প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এটি কোনও ছোটখাটো বিষয় নয়। লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের এটি গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে।’’ তিনি স্পষ্ট জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল যাতে কোনও ছাত্রছাত্রীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়।’’

    মন্ত্রীদের ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সামাজিক মাধ্যমের গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে জানতে চান, তাঁদের মধ্যে কতজন নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ এখন ইনস্টাগ্রামে সময় কাটান। তাই সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির তথ্য তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে মন্ত্রীদের আরও বেশি সক্রিয়ভাবে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা উচিত।’’ সরকারের সঙ্গে যুবসমাজের যোগাযোগ আরও জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন।

  • Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠান (Instagram) মেটাকে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের দাবি, অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপনের (Child Sexual Abuse Ads) মাধ্যমে শিশুদের যৌন শোষণ ও নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীর নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক ইনস্টাগ্রামকে অবিলম্বে ওই ধরনের সব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাবও চাওয়া হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ব্যবস্থা (Child Sexual Abuse Ads)

    সরকার জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক তথ্য না দিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগেও অবিলম্বে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মেটার সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থা শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিতে অবদান রাখছিল। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে, যেখানে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হচ্ছিল। সেখানে এই ধরনের সামগ্রী বিক্রির অভিযোগও ওঠে।

    সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে

    সরকার জানতে চেয়েছে, এই ধরনের বিজ্ঞাপন কীভাবে অনুমোদন পেল, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থা কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কী ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের সামগ্রীর অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে (Child Sexual Abuse Ads)।” সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী চাওয়া, ভাগ করে নেওয়া বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে (Instagram) আমরা নিয়মভঙ্গকারী সামগ্রী শনাক্ত করি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করছি (Child Sexual Abuse Ads)।”

     

  • Union Govt Summon Meta:  ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    Union Govt Summon Meta: ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে এবার মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা মেটা-র বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় সরকার (Union Govt Summon Meta)। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। সেখানে দেখানো হচ্ছে শিশুদের যৌন নিগ্রহের বিজ্ঞাপন। অভিযোগ, এই বিজ্ঞাপন থেকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও সংগ্রহ করছেন আগ্রহী ব্যক্তিরা। তার জন্য দিতে হচ্ছে মাত্র ৯৯ টাকা। সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে। তারপরই বিষয়টা নিয়ে পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। মূল সংস্থা ‘মেটা’-কে জবাবদিহির জন্য তলব করেছে কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

    ইনস্টার-র বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্রে খবর, মেটার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কীভাবে এমন বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামে চলতে পারে? কিংবা এই ধরনের কনটেন্ট রুখতে তারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? ‘বিবিসি’-র রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে যেখানে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভিডিও প্রচার করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই বিজ্ঞাপনগুলিতে অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামও ব্যবহার করা হয়েছিল। যেগুলি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র ৯৯ টাকায় ভিডিও কেনার সুযোগও দেওয়া হচ্ছিল। বিবিসি এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামকে জানায়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, ওই পোস্টগুলি তাদের ‘কমিউনিটি গাইডলাইন’ লঙ্ঘন করেনি।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার

    বিবিসির গোপন অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রথমে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্ট দেখানো হলেও ধীরে ধীরে ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম শিশুদের জড়িত যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন দেখাতে শুরু করে। এমনকি ব্যবহারকারী এ ধরনের কনটেন্ট খুঁজে না দেখলেও প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্রমশ আরও আপত্তিকর কনটেন্টের সুপারিশ করা হচ্ছিল। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোট ৩০টি আলাদা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্টের প্রচার করা হচ্ছিল। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত প্রায় ২০টি বিজ্ঞাপনও শনাক্ত করা হয়েছে। কিছু বিজ্ঞাপনে নাবালক ছেলে ও মেয়েদের যৌন নির্যাতনের দৃশ্য এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে নাবালিকাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর ইঙ্গিত ছিল। এসব বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি টেলিগ্রাম চ্যানেলে যাওয়ার লিঙ্কও দেওয়া হয়েছিল।

    অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি

    রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়, বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিবিসি কর্তৃপক্ষ ইনস্টাগ্রাম-এ একটি টেস্ট অ্যাকাউন্ট খোলে। যেখানে কয়েক দিনের মধ্যেই অশ্লীল কন্টেন্ট-এর সাজেশন আসতে শুরু করে। এমনকী অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি করা হচ্ছে, এমন ধরনের টেলিগ্রাম চ্যানেল-এর লিঙ্ক দিয়েও বিজ্ঞাপন আসে। বিবিসি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই টেস্ট অ্যাকাউন্ট-এর মাধ্যমে তিরিশের কাছাকাছি অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন শনাক্ত করা গিয়েছে। যেখানে শিশুদের যৌন নিগ্রহমূলক ভিডিও-র প্রচারও করা হয়েছে। যৌন নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপনের অভিযোগ সামনে আসতেই মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা বেশ কিছু বিজ্ঞাপন বন্ধ করেছেন। যে অ্যাকাউন্টগুলি থেকে এমন ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিকেও তাঁরা সাসপেন্ড করেছেন। পাশাপাশি, অতিরিক্ত কিছু বিজ্ঞাপনও সরানো হয়েছে। অশ্লীল বিজ্ঞাপনের ইউআরএল-ও ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।

    কনটেন্ট সরাল মেটা!

    এক বিবৃতিতে মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিশুদের শোষণ একটি জঘন্য অপরাধ। তাঁরা নিজেদের অ্যাপগুলিতে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। তাঁদের সংস্থার মাধ্যমে শিশুদের উপরে নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইচ্ছাকৃত ভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার দাবি ‘সম্পূর্ণ ভুল’। সংস্থার এক আধিকারিকের কথায়, ‘কোনও ব্যবস্থাই নিখঁুত নয়। আমাদের রিভিউ প্রক্রিয়ায় সমস্ত পলিসি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েনি।’ মেটা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রাম থেকে সরিয়ে দিতে চলেছেন। যে কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে

    মন্ত্রকের হাতে সব তথ্য

    মেটার এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, কোনও পর্যালোচনা ব্যবস্থা শতভাগ নিখুঁত নয় এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়মভঙ্গকারী কনটেন্ট নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তবে সংস্থার দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সক্রিয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এ ধরনের কনটেন্ট চিহ্নিত ও অপসারণের কাজ জোরদার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিবিসি তাদের অনুসন্ধানে চিহ্নিত সমস্ত বিজ্ঞাপন ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে। টেলিগ্রামকে দুটি চ্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলে, তার মধ্যে একটি পরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    ‘অটোমেটেড টুলস’ এর ব্যবহার

    অন্য দিকে, টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা শিশুদের উপরে যৌন নিগ্রহমূলক ঘটনার কন্টেন্ট ‘অটোমেটেড টুলস’ ব্যবহার করে নিয়মিত সরিয়ে দেন। ২০২৬ সালেই তাঁরা এমন ধরনের কন্টেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে ২.৭৪ লক্ষ গ্রুপ বন্ধ করে দিয়েছেন। আগামী দিনেও তাঁরা এমন ধরনের পদক্ষেপ করতে থাকবেন। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বার মেটাকে তলব করল কেন্দ্র। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেটাকে ডেকেছিল মন্ত্রক। সরকারের আশঙ্কা, এই ফিচারের অপব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতি ও ভুয়ো পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা বাড়তে পারে। সেই কারণে সরকারের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত নতুন ফিচার চালু না করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

  • Whatsapp New Feature: এবার হোয়াটসঅ্যাপেই খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের লিঙ্ক! কীভাবে?

    Whatsapp New Feature: এবার হোয়াটসঅ্যাপেই খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের লিঙ্ক! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াট্সঅ্যাপের (Whatsapp New Feature) সঙ্গে এবার যুক্ত হল ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক। এ বার একই হোয়াট্‌সঅ্যাপ প্রোফাইল থেকে খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের লিঙ্ক। একইসঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া স্ট্যাটাস চাইলে যে কেউ নিজেদের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও সরাসরি পোস্ট করতে পারবে। মেটার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) বিটা সংস্করণেই আপাতত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে, শীঘ্রই জনসাধারণের জন্যেও খুলে দেওয়া হবে এই পরিষেবা।

    হোয়াটসঅ্যাপের অ্যাকাউন্ট সেটিংস অপশন থেকে ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের লিঙ্ক যোগ করা যাবে

    হোয়াটসঅ্যাপবিটাইনফো (ডব্লিউএবিটাইনফো)-র সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp New Feature) প্রোফাইলে গিয়ে অ্যাকাউন্ট সেটিংস অপশন থেকে ইনস্টাগ্রামের লিঙ্ক যোগ করা যাবে। এর পাশাপাশি, বিটার সবচেয়ে আপডেটেড সংস্করণ থেকে ফেসবুক ও থ্রেডের লিঙ্কও খোলা যাবে। তবে সবার জন্য মিলবে না এমন সুবিধা। এর জন্য বিটার নতুন সংস্করণকে আপডেট করতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের স্ট্যাটাস ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকেও শেয়ার করতে পারবেন। চাইলে যেকোনও কাউকে ট্যাগও করতে পারবেন বলে জানিয়েছে মেটা। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এরফলে নিজেদের প্রোফাইলে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের লিঙ্কও শেয়ার করতে পারবেন। ফলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রোফাইলে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক পোস্টের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর নাম, পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থাও করেছে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp New Feature)।

    একের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট রাখা যাবে (Whatsapp New Feature)

    অন্যদিকে, হোয়াটসঅ্যাপের আইওএস ভার্সনে আসতে চলেছে নতুন ফিচারের সাপোর্ট। জানা গিয়েছে, আইফোন ইউজাররা একটি আইফোনে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের সুবিধা পাবেন। সুইচ অ্যাকাউন্ট অপশনের মধ্যমে একের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট রাখা যাবে। তবে কবে এই ফিচার সমস্ত আইওএস ইউজারদের জন্য চালু হবে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, অনেক ব্যবহারকারী কাজের জন্য কর্মক্ষেত্রে একটি ফোন নম্বর ব্যবহার করেন। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য থাকে আরেকটি নম্বর। নতুন ফিচার চালু হলে আইফোন ব্যবহারকারীরা একটি ফোনেই দুটো হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp New Feature) অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে পারবেন, দুটো আলাদা নম্বর থেকে। একটি পেশাদার কাজে, অন্যটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে দুটো আলাদা ডিভাইসের অর্থাৎ ফোনে প্রয়োজন হবে না।

  • Lionel Messi: ইনস্টাগ্রামেও রোনাল্ডোকে পিছনে ফেললেন মেসি! জানেন কী সেই পোস্ট?

    Lionel Messi: ইনস্টাগ্রামেও রোনাল্ডোকে পিছনে ফেললেন মেসি! জানেন কী সেই পোস্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মাঠে নয় সোশ্যাল সাইটেও বন্ধু থেকে প্রতিপক্ষ সকলকেই কয়েক ডজন গোল দিলেন লিওনেল মেসি। ফুটবলের রাজপুত্র তিনি। তাই তাঁর স্থান সবার আগে। দেশকে বিশ্বকাপ দিয়ে শুধু খেলার মাঠে নয় সমাজমাধ্যমের লড়াইয়েও পর্তুগিজ প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্চিয়ানো রোনাল্ডোকে হারিয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে রোনাল্ডোর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট সবচেয়ে বেশি লাইক ও শেয়ার হয়েছিল। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মেসি যে ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন, তা ছাপিয়ে গিয়েছে রোনাল্ডোর ছবিকেও।

    মেসির পোস্ট

    বিশ্বকাপ জেতার পর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে মেসি লিখেছিলেন, “বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন”। মেসির এই পোস্ট ৪৩ মিলিয়ন লাইক পেয়েছে। ইনস্টাগ্রামে কোনও স্পোর্টস পার্সনের করা পোস্টে এটাই সর্বাধিক লাইক। মেসির এই পোস্ট ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে দাবা খেলার একটি ছবি নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করেছিলেন রোনাল্ডো, যেটি সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪১.৯ মিলিয়ান লাইক পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: দেশের মাটিতে পা রাখল মেসি ব্রিগেড! আর্জেন্টিনায় আজ সরকারি ছুটি

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার দোহায় বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ট্রফি জেতে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে উড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় ভাগে খেলা থেকেই হারিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ফলস্বরূপ, পর পর দু’টি গোল করে সমতা ফেরায় এমবাপের দেশ। তার পর অতিরিক্ত সময়ের খেলাও শেষ হয়। অতঃপর শুরু হয় পেনাল্টি শুটআউট। তাতেই বাজিমাত করে মেসির আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে পেয়ে উল্লসিত হয়ে ওঠেন মেসি। ট্রফি হাতে মেসি সতীর্থদের কাঁধে চেপে মাঠে ঘোরেন। সেই ছবিই দেন নিজের ইনস্টার পাতায়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ হাতে পোস্টে লিখেছেন, “বহু বার এর স্বপ্ন আমি দেখেছি, বিরাট ভাবে আমি এটাকে চেয়েছি, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না… অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবারকে, তাদের সকলকে যাঁরা আমায় সমর্থন করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে যাঁরা আমাদের প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। ব্যক্তিগত মেরিটের থেকেও বেশি এই দলের মেরিট। প্রত্যেকেই একটা স্বপ্নকে সফল করার জন্য লড়াই করেছে। আমরা এটা করতে পেরেছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share