Tag: Intelligence Bureau

Intelligence Bureau

  • Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি মডিউল (Hybrid Terror Modules)। তার জেরে প্রকাশ্যে এসেছে চরমপন্থী কার্যকলাপের একটি উদ্বেগজনক ও পরিবর্তিত ধারা (India)। আগে যেখানে জঙ্গিরা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকত, এখন তদন্তকারীরা দেখছেন, এদের অনেকেই একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও, তাদের মূল চালিকা শক্তি একটি সাধারণ মতাদর্শ।

    ফরিদাবাদ মডিউল (Hybrid Terror Modules)

    ফরিদাবাদ মডিউলের কথাই ধরা যাক। এই মডিউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীরা জানান, তাদের মূল মতাদর্শগত ঝোঁক ছিল ইসলামিক স্টেটের দিকে। এই ধরনের বহু-সংগঠনভিত্তিক সংযোগ জঙ্গি নেটওয়ার্কের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে দিল্লি পুলিশ ও মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)-এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনায়ও। আটক দুই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ইসলামিক স্টেট এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীদের মতে, এই ধরনের ওভারল্যাপ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, বরং একটি বৃহত্তর ও পরিকল্পিত কৌশলেরই অংশ।

    কী বলছেন আইবি আধিকারিক

    আইবি-র (ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) এক আধিকারিকের মতে, এই নয়া প্রবণতা একটি সুপরিকল্পিত পরিবর্তনের ফল। এখন জঙ্গিরা আর কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে টিকি বেঁধে রাখে না। বরং তারা বিভিন্ন চরমপন্থী মতাদর্শ ও গোষ্ঠী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করছে (Hybrid Terror Modules)। তাঁর মতে, এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। কারণ ওই ব্যক্তিরা সরাসরি কোনও কমান্ড কাঠামো ছাড়া নিজেরাই জঙ্গি মডিউল তৈরি করছে। এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করে। তাই নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষে তাদের শনাক্ত করা ও দমন করা ক্রমশই কঠিন হয়ে উঠছে।

    নয়া মডেলে মদত পাকিস্তানের

    জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)। আধিকারিকরা  জানিয়েছেন, আইএসআই এখন এমন একটি মডেলকে উৎসাহিত করছে, যেখানে নিয়োগপ্রাপ্তরা কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত থাকে না। বরং তারা নিজেরাই তাদের মতাদর্শ ও কার্যপদ্ধতি বেছে নিতে পারে (India)। এই পদ্ধতির বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। এগুলি হল, দায় অস্বীকার করা সহজ, ঝুঁকি কম, খরচ কম এবং বিদেশে সরাসরি জঙ্গি সংগঠন গড়ার প্রয়োজন নেই। দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নেয়। তার ফলে দেশের ভেতরে সংগঠিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। এই জন্যই পাকিস্তান কৌশল বদলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু করেছে (Hybrid Terror Modules)।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার

    অপারেশন সিঁদুরের পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলি লক্ষ্য করেছে পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। এই কৌশল ইসলামিক স্টেটের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত পদ্ধতির মতো, যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ ও উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করা হয় (India)। এই প্রোপাগান্ডা ব্যবস্থাটি মূলত আর্থিকভাবে দুর্বল এবং সহজেই প্রভাবিত হয়, সেই সব তরুণদের টার্গেট করে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লাগাতার তাদের জেহাদি সাহিত্য ও চরমপন্থীমূলক কনটেন্ট দেখানো হয়। এরপর তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে একই ধরণের ইউজারদের একত্রিত করা হয়। তার পরেই ধীরে ধীরে গঠন করা হয় একটি জঙ্গি মডিউল।

    মতাদর্শগত প্রভাব

    জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে সাম্প্রতিক বেশ কিছু জঙ্গি হামলার তদন্তেও দেখা গিয়েছে, অধিকাংশই স্ব-প্রণোদিত মডিউল দ্বারা পরিচালিত, যাদের কোনও সরাসরি সংগঠনগত যোগ নেই। তাদের একমাত্র মিল হল, মতাদর্শগত প্রভাব, বিশেষত ইসলামিক স্টেট (Hybrid Terror Modules)। কোয়েম্বাটোরে একটি মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনায় জড়িত জেমশা রুবিন নিজেই উগ্রপন্থায় প্রভাবিত হয়েছিল। একইভাবে, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ এবং ম্যাঙ্গালুরু বিস্ফোরণ চেষ্টার ঘটনাগুলিও একই ধরনের মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ বা সংগঠনগত সম্পর্ক ছিল না। প্রতিটি ঘটনাই ছিল আলাদা, স্বনির্ভর এবং স্ব-প্রণোদিত।

    এই নয়া কৌশল অনুযায়ী, আইএসআই নিয়োগপ্রাপ্তদের কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনে যোগ দিতে চাপ দিচ্ছে না। বরং ব্যাপকভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, যাতে লোকজন নিজেরাই মতাদর্শ বেছে নিয়ে নেমে পড়ে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে (India)। আধিকারিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের বিকেন্দ্রীভূত জঙ্গি মডেল আরও বাড়বে। সংগঠিত নেটওয়ার্কের পরিবর্তে মতাদর্শভিত্তিক এই কাঠামো নিরাপত্তার জন্য আরও জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি হুমকি তৈরি করবে। যার খেসারত দিতে হবে ভারতবাসীকে (Hybrid Terror Modules)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Intelligence Bureau: বেতন ৮১ হাজার পর্যন্ত, কেন্দ্রের ৩৯৪ জুনিয়র আইবি অফিসার পদে আবেদন পর্ব শুরু

    Intelligence Bureau: বেতন ৮১ হাজার পর্যন্ত, কেন্দ্রের ৩৯৪ জুনিয়র আইবি অফিসার পদে আবেদন পর্ব শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB)-তে জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার (গ্রেড-২/টেকনিক্যাল) পদের জন্য ৩৯৪টি শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি (Junior Intelligence Posts) প্রকাশিত হয়েছে। আবেদন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং তা চলবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত। এই পদের বেতনক্রম ২৫,৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮১,১০০ টাকা পর্যন্ত (লেভেল ৪ অনুযায়ী)। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য ভাতার সুবিধাও প্রযোজ্য হবে (Intelligence Bureau)।

    সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত প্রার্থীদের জন্য শূন্যপদ

    ঘোষিত শূন্যপদগুলির মধ্যে ১৫৭টি পদ সাধারণ (অসংরক্ষিত) শ্রেণির জন্য, ৩২টি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির (EWS) জন্য, ১১৭টি ওবিসি, ৬০টি তফসিলি জাতি এবং ২৮টি তফসিলি উপজাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত (Intelligence Bureau)।

    বয়সের ঊর্ধ্বসীমা (Intelligence Bureau)

    আবেদন করতে হলে প্রার্থীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। তপশিলি জাতি, উপজাতি, ওবিসি, প্রাক্তন সৈনিকসহ অন্যান্য সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ৫ বছরের ছাড় মিলবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের স্নাতক হতে হবে বিজ্ঞান বিভাগে, যেখানে বিষয় হিসেবে থাকতে হবে ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থবিদ্যা অথবা অঙ্ক। এছাড়া কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি, যারা ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি কিংবা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ডিপ্লোমাধারী, তারাও এই পদে আবেদন করতে পারবেন।তবে যাঁরা বেঞ্চমার্ক ডিজঅ্যাবিলিটির আওতাভুক্ত, তাঁরা এই পদের জন্য যোগ্য নন (Intelligence Bureau) বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    কীভাবে করবেন আবেদন

    আবেদন করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে (IB JIO Grade/ Tech 2025 Recruitment Link)। রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রার্থীর মোবাইলে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে, সেটি যাচাই করলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যতের জন্য আবেদনপত্রের একটি প্রিন্ট কপি রেখে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    তিনটি ধাপে হবে পরীক্ষা

    নিয়োগ প্রক্রিয়া তিনটি ধাপে সম্পন্ন হবে—টিয়ার-১, টিয়ার-২ এবং টিয়ার-৩। প্রথম ধাপে থাকবে এমসিকিউ (MCQ) ভিত্তিক অনলাইন পরীক্ষা, যা ১০০ নম্বরের এবং ২ ঘণ্টার। এর ৭৫ শতাংশ প্রশ্ন থাকবে বিষয়ের উপর ভিত্তি করে, এবং বাকি ২৫ শতাংশ থাকবে সাধারণ মানসিক দক্ষতা (General Mental Ability) সম্পর্কিত। প্রথম ধাপে সফল প্রার্থীরা অংশ নেবেন ৩০ নম্বরের প্র্যাকটিক্যাল টেস্টে (টিয়ার-২)। শেষ ধাপে (টিয়ার-৩) হবে পার্সোনালিটি টেস্ট বা সাক্ষাৎকার।

  • IB: সন্ত্রাসে সহায়ক সব পথ বন্ধ করতে হবে! গোয়েন্দা আধিকারিকদের কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    IB: সন্ত্রাসে সহায়ক সব পথ বন্ধ করতে হবে! গোয়েন্দা আধিকারিকদের কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে ভোট শুরু হতে যাচ্ছে, বেশিদিন বাকি নেই গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনরেও। এই দুই রাজ্যে নির্বাচন বিজেপির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভোটের সময় নিরাপত্তায় একবিন্দু ফাঁক রাখতে  চাইছে না সরকার। ভোটের কয়েক দিন আগে, বুধবার দিল্লিতে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (IB) সদর দফতরে গোয়েন্দা আধিকারিকদের সঙ্গে প্রায় ৬ ঘণ্টা বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে শুধু ভোটের নয় কাশ্মীর সহ সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আলোচনা চলে দেশের আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা নিয়েও। বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই মিটিং চলে। 

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে গুলিবিদ্ধ বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, এনকাউন্টারে খতম ২ জইশ জঙ্গি

    কী আলোচনা হল বৈঠকে

    ইন্টালিজেন্স ব্যুরোর (IB) একজন সিনিয়র অফিসার  জানিয়েছেন, “ক্রমবর্ধমান মৌলবাদ, বিশেষ করে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) এর সঙ্গে ১২৫ জনের বেশি  ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার  বিষয় বৈঠকে  আলোচনা করা হয়েছে।” আন্তঃসীমান্ত জঙ্গিবাদ, মাদক পাচার, সন্ত্রাবাদীদের আর্থিক মদত, সাইবার ক্রাইম, সীমান্ত এলাকায় ড্রোনের ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে আসে আলোচনায়। ওই গোয়েন্দা আধিকারিক জানান,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তহবিল প্রতিরোধে মনোনিবেশ করতে বলেছেন। এই বৈঠকে শুধু ভোটমুখী দুই রাজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাই নয় কথা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও। সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে ড্রোনে করে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য ফেলার পরিমাণ গত কয়েক মাসে বেড়েছে। এর দ্রুত প্রতিরোধ চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দেশকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আইবি-এর প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: উত্তাল ভূস্বর্গ নিকেশ ৪ আতঙ্কবাদী জঙ্গি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিন ইন্টালিজেন্স ব্যুরোর (IB) প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের শান্তি বজায় রাখতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের গোয়েন্দা বিভাগ। সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  ‘‘সন্ত্রাসকে খতম করতে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গেই তাঁদের যে ‘সার্পোট সিস্টেম’ বা সহায়ক ব্যবস্থা রয়েছে, তাকেও নির্মূল করতে হবে। তবেই সামগ্রিক ভাবে সাফল্য পাওয়া সম্ভব।’’ তাঁর মতে, যারা নাশকতার কাজে সরাসরি যুক্ত, তাদের চিহ্নিত করে খতম করা সহজ। কিন্তু বহু বুদ্বিজীবী, শিক্ষিত মানুষ রয়েছেন, যাঁরা গোপনে দেশবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত। যাঁদের কাজই হল, মৌলবাদকে উস্কে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপকে পরোক্ষ গতি দেওয়ার। মূলত সন্ত্রাসের সমর্থনকারী সেই ‘সাপোর্ট সিস্টেম’-কে চিহ্নিত করার উপরে জোর দিয়েছেন শাহ। এই বৈঠকে বিভিন্ন রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্বন্বয় ও ‘রিয়েল টাইম’-তথ্য আদানপ্রদানের উপরেও গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে, মুম্বই হামলার মতো জলপথের জঙ্গি হামলা এবং মাদকের প্রবেশ রুখতে সমুদ্র পথ ও বন্দরগুলিতে কড়া নজরদারির কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • IB Recruitment: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল আইবি, শূন্যপদের সংখ্যা ৭৭৬

    IB Recruitment: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল আইবি, শূন্যপদের সংখ্যা ৭৭৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কর্মী নিয়োগের (Recruitment) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (Intelligence Bureau)। তাতে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্ট অফিসার-১ (একজিকিউটিভ), এসিআইও-২ (একজিকিউটিভ), জেআইও-১ (একজিকিউটিভ), জেআইও-২ (একজিকিউটিভ) পদে ৭৭৬ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন। এই বিষয়ে আরও বিশদে জানতে প্রার্থীরা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: সময়সীমা ৩১ অগাস্ট, জেনে নিন কীভাবে করবেন আয়কর রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন

    এক নজরে কিছু তথ্য:

    আরও পড়ুন: কর্মী নিয়োগ করবে ইন্ডিয়ান অয়েল, শূন্যপদ ১৮, সর্বাধিক বেতন ১,৮০,০০০ টাকা 

    আবেদন শুরু: বর্তমানে চলছে
    আবেদন পদ্ধতি: অফলাইন
    আবেদনের শেষ তারিখ: ১৯.০৮.২০২২

    যোগ্যতা

    যারা শেষ ডেপুটেশনের পর থেকে ৩ বছর কুলিং-অফ পিরিয়ড পূর্ণ করেছেন এবং যারা একটির বেশি ডেপুটেশনে অংশগ্রহণ করেননি তাঁরা নিজেদের আবেদনপত্র পাঠাতে পারেন, এই ঠিকানায়- ‘Assistant Director/G-3, Intelligence Bureau, Ministry of Home Affairs, 35 S P Marg, Bapu Dham, New Delhi-110021’।  

    কী কী তথ্য আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে? 

    শিক্ষাগত যোগ্যতা/ট্রেনিং সার্টিফিকেট যা আছে তার অ্যাটেস্টেড করা কপি এবং স্বাক্ষরিত বায়ো-ডেটা, কপিক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটি দ্বারা অ্যাটেস্টেড করা ভিজিল্যান্স ক্লিয়ারেন্স এবং ইন্টিগ্রিটি সার্টিফিকেট। এছাড়াও বিগত ১০ বছরে অফিসারদের উপর আরোপিত বড়/ ছোট পেনাল্টির কপি (যদি থাকে)। 

    নির্বাচন প্রক্রিয়া

    প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গেট স্কোর এবং ইন্টারভিউকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এর পর প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করে নির্বাচন করা হবে।

    ডেপুটেশনের মেয়াদ

    ডেপুটেশনের ন্যূনতম মেয়াদ হবে ৩ বা ৫ বছর (সংশ্লিষ্ট পোস্টের আরআর-এর উপর নির্ভর করে)। পরবর্তীতে তা আরও সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। 

    বেতন ও শূন্যপদ

    • অ্যাসিস্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্ট অফিসার-১/ একজিকিউটিভ (গ্রুপ-বি)- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৮ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ৪৭,৬০০- ১,৫১,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ৭০টি)
    • অ্যাসিস্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্ট অফিসার- ২/ একজিকিউটিভ- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৭ অনুযায়ী ৪৪,৯০০- ১,৪২,৪০০ টাকা (শূন্যপদ- ৩৫০টি)
    • জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার- ১/ একজিকিউটিভ- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২৯,২০০- ৯২,৩০০ টাকা (শূন্যপদ- ৫০টি)
    • জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার- ২/ একজিকিউটিভ- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৪ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২৫,৫০০- ৮১,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ১০০টি)
    • সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট/ একজিকিউটিভ- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৩ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২১,৭০০– ৬৯,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ১০০টি)
    • জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার- ১ (মোটর ট্রান্সপোর্ট)- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৫ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২৫,৫০০- ৮১১০০ টাকা (শূন্যপদ- ২০টি)
    • জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার- গ্রেড- ২ (মোটর ট্রান্সপোর্ট)- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৪ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২১,৭০০– ৬৯,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ৩৫টি)
    • সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট (মোটর ট্রান্সপোর্ট)- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৩ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২১,৭০০– ৬৯,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ২০টি)
    • হালওয়াই কাম কুক- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৪ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২১,৭০০– ৬৯,১০০ টাকা (শূন্যপদ- ৯টি)
    • কেয়ারটেকার- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৫ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২৯,২০০– ৯২,৩০০ টাকা (শূন্যপদ- ৫টি)
    • জুনিয়র ইন্টেলিজেন্স অফিসার- ২/ টেক- পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৪ এবং ৭ম সিপিসি অনুযায়ী মাসিক ২৫,৫০০- ৮১১০০ টাকা (শূন্যপদ- ৭টি)
  • Tapan Kumar Deka: দুঁদে আইপিএসদের টপকে তপন ডেকা কী করে পৌঁছলেন আইবি প্রধানের সিংহাসনে?

    Tapan Kumar Deka: দুঁদে আইপিএসদের টপকে তপন ডেকা কী করে পৌঁছলেন আইবি প্রধানের সিংহাসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (Intelligence Bureau) প্রধানের  পদে শুক্রবার আইপিএস অফিসার তপন কুমার ডেকাকে (Tapan Kumar Deka) নিযুক্ত করেছে কেন্দ্র। এর আগে এই পদের দায়িত্বে ছিলেন, অরবিন্দ কুমার। জুনের ৩০ তারিখ তাঁর পদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তপন ডেকা এর আগে আইবি-র (IB) অপারেশন ডেস্কের প্রধানের পদ সামলেছেন। এবার তিনি প্রধানের ভূমিকায়। কিন্তু কেন তপন কুমার ডেকাকেই পছন্দ হল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের? 

    এই পদের দৌড়ে ছিলেন আরও তিনজন সিনিয়র আইপিএস। কিন্তু এই বর্ষীয়ান আইপিএসদের টপকে প্রধানের মুকুট পরেছেন তপন কুমার ডেকা। কারণ অমিত শাহের মন্ত্রক অভিজ্ঞতার থেকে মেধাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তাই শেষ হাসি হেসেছেন তপন কুমার ডেকা। আগামী ৩০ জুন থেকে দুবছরের জন্য তিনি ওই পদে থাকবেন।

    আরও পড়ুন: আইবি প্রধানের পদে আইপিএস তপন কুমার ডেকাকে নিয়োগ কেন্দ্রের

    ডেকা হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের ১৯৮৮ সালের ব্যাচ। এর আগে তিনি আইবির স্পেশাল ডিরেক্টর ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তিনি আইবির অপারেশন উইংকে পরিচালনা করেছেন।   

    ১৯৬৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আসামে জন্ম হয় তপন কুমার ডেকার। পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করার পর তিনি আইপিএস হন। ২০১২ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান এই আইপিএস। পুলিশ সার্ভিসে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি গোয়েন্দা বিভাগের পদস্থ কর্তার দায়িত্ব সামলেছেন। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি আইবিতে রয়েছেন।  

    ২৬/১১ হামলার তদন্তেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। ২০০৭ থেকে ২০১৩ সালে মুজাহিদিনের বাড়বাড়ন্ত হয়। তারপর ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন এই দুঁদে গোয়েন্দা কর্তা। জঙ্গি মোকাবিলায় তিনি বার বার সাফল্য পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা CIA-র শীর্ষ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নন্দ মুলচন্দানি

    ইসলাম বিচ্ছিন্নতাবাদের যখন বাড়বাড়ন্ত দেশে, তখন এই আইপিএসের ওপরেই ভরসা রাখছে প্রতিরক্ষা দফতর। কারন ২০ বছর খুব কাছ থেকে এই বিষয়টিকে দেখেছেন তিনি। বহু আতঙ্কবাদী নিকেশ হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে।  

    কথা কম, কাজ বেশি। এই আদর্শে বিশ্বাসী তপন কুমার ডেকা। শুধু পর্যালোচনাতেই সীমাবদ্ধ নন, প্রতিক্রিয়ামূলক তদন্তই তাঁর কাজের ধরন। তাই তাঁর নেতৃত্বে ভরসা রাখছে পুরো ডিপার্ট্মেন্ট। 

     

LinkedIn
Share