Tag: intermittent fasting

intermittent fasting

  • Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি (Chaitra Navratri 2026)। চলবে ২৭ মার্চ রামনবমী (Ramnavami) পর্যন্ত। দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে এই উৎসব। উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশেই বছরের এই সময়ে নবরাত্রির উৎসব পালন হয়। হিন্দু শাস্ত্র (Hindu Traditions) মতে, নবরাত্রি অর্থাৎ নয় রাত ধরে মা দুর্গার আরাধনা করা হয়। পবিত্রতা, শান্তির প্রতি আস্থা রাখার পাশপাশি দুষ্টের দমন এবং শুভ শক্তির পালন, এই আর্জি নিয়েই দেশজুড়ে মা দুর্গার আরাধনা চলে। প্রথা অনুযায়ী, এই ন’দিন ধরে উপবাস রাখতে হয়। পালন করতে হয় সাত্ত্বিক জীবনযাপন। হিন্দু শাস্ত্রে, নবরাত্রি উদযাপনের (Navratri Fasting) এই পাঠ কিন্তু শুধুই ধর্মীয় রীতি নয়। বরং এর তাৎপর্য আরও গভীর।‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নয় রাতের এই ব্রত সুন্দর জীবন যাপনের (Healthy Lifestyle) পথ আরও সুগম করে। তাই নবরাত্রি উদযাপনের গভীরতা আরও বেশি।

    নবরাত্রি পালন কীভাবে সুস্থ জীবন যাপনের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নবরাত্রি উদযাপন শুধুই উপোস আর প্রার্থনা নয়। এই ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে এক গভীর জীবন‌বোধ এবং জীবন‌ যাপনের পদ্ধতি। যা খুবই স্বাস্থ্যকর! তাঁরা জানাচ্ছেন, নবরাত্রি পালনের সময় সকালে নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে ওঠা, যোগাসন করা, ধ্যান করার মতো নিয়ম পালনের কথা বলা হয়। সকলের কল্যাণের কথা চিন্তা করে ঈশ্বরের প্রার্থনার, নবরাত্রির অন্যতম আচার। অর্থাৎ একটি নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে জীবন যাপনের দিকে এই উৎসব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।

    পজিটিভ এনার্জি আসে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা, রক্তচাপ কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মানসিক চাপ কমাতে, অবসাদ, উদ্বেগের মতো সমস্যা কমাতে ধ্যানের অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। নবরাত্রি পালনের (Navratri Fasting) জন্য সেই অভ্যাস জীবনে স্থায়ী হয়। ঈশ্বরের কাছে কল্যাণ প্রার্থনার মাধ্যমে মনে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি তৈরি হয়। যার ফলে নানান ভালো কাজের ইচ্ছে হয়। নানান নেতিবাচক ভাবনা দূর হয়। মানসিক শান্তি বজায় থাকে। এর ফলে অবসাদ, মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    হজমের গোলমাল কমায়

    নবরাত্রি পালনের সময় উপোস করতে হয়। কিন্তু ঐতিহ্য মেনে এই উদযাপনে সম্পূর্ণ অভুক্ত থাকার রীতি (Hindu Traditions) নেই। নবরাত্রির সময় পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রীতি রয়েছে। প্রাণীজ প্রোটিন নয়। পরিমিত আহার শরীরের জন্য উপকারি এই ভাবনা বোঝানোর জন্য নবরাত্রি রীতি (Navratri Fasting) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, স্থূলতা, বন্ধ্যত্ব, কোলেস্টেরলের সমস্যা কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল অসুখের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস। তরুণ প্রজন্মের একাংশের অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না খাওয়া, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংসের পদ খাওয়ার অভ্যাস অসুখ বাড়াচ্ছে। নবরাত্রি পালনের সময়ে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রেওয়াজ খুবই স্বাস্থ্যকর। পাশপাশি, পরিমিত খাবারের অভ্যাস হজমের গোলমাল কমায়। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তাই নবরাত্রি পালন অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    মানসিক চাপ কমে

    নবরাত্রি (Navratri Fasting) উদযাপনের সময়ে সামাজিক যোগাযোগ নিবিড় হয়। প্রতিবেশি, আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে একাকিত্ব বাড়ছে। আর একাকিত্বের হাত ধরেই শরীর ও মনে বাসা বাঁধছে নানান রোগ।‌ নিয়মিত কথা বলা, পারিবারিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারলে নানান সঙ্কট সহজেই কাটানো যায়। তাই নবরাত্রি উদযাপনের মতো ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করলে মানসিক চাপ কমে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে

    তবে, এর পাশপাশি নবরাত্রি যে সময়ে পালন হয়, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরে দু’বার নবরাত্রি (Navratri Fasting) পালন হয়। একটি চৈত্র মাসে অর্থাৎ বসন্ত ঋতুতে। আরেকটি শরৎ ঋতুতে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই দুই সময়েই ঋতু পরিবর্তনের সময়ে আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তন দেখা যায়। অর্থাৎ তাপমাত্রার রদবদল হয়। বাতাসে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার দাপট বাড়ে। ফলে নানান সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি জরুরি। পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত যোগাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও কমায়। তাই নবরাত্রি পালন করলে শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

  • Intermittent Fasting: ওজন কমাতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেন? সাবধান! ডেকে আনছেন না তো বিপদ?

    Intermittent Fasting: ওজন কমাতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেন? সাবধান! ডেকে আনছেন না তো বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওজন কমাতে কত রকমেরই কৌশল-উপায় বেছে নেন সাধারণ মানুষ। তবে নানরকমের কৌশলের মধ্যে যেটি কার্যকরী সেটি হল ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting)। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই উপবাস রেখে বা এইভাবে ডায়েট করলে ওজন সত্যি কমে। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এ সারা দিনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাবতীয় খাবার খাওয়া শেষ করে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা উপোস করে থাকতে হয়।

    কিন্তু তাই বলে আপনিও কি নিজের ওজন কমানোর জন্য এই উপায়কেই (Intermittent Fasting) বেছে নিয়েছেন। তবে তা আজই বন্ধ করুন। কারণ নতুন এক গবেষণায় এক অন্য তথ্যই উঠে এসেছে। জাানা গিয়েছে, এই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সরাসরি মহিলাদের প্রজনন হরমোনের ওপর ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    আরও পড়ুন: শীতের বাতাস শুরু! হাওয়া-বদলে কাবু না হতে কী কী সতর্কতা নেবেন?

    সম্প্রতি শিকাগোর ‘ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়েস’-এর একদল গবেষক কিছু মেনোপজ-পরবর্তী স্থূলকায় মহিলাদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে তাদের উপর ৮সপ্তাহ ধরে এই ‘ওয়ারিয়র ডায়েট’ পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখেছেন। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্রিস্টা ভারাডি। এই ডায়েট পদ্ধতিতে (Intermittent Fasting) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪ ঘণ্টা খাবার খাওয়ার অনুমতি মেলে। এই সময়ের মধ্যে সমস্ত কিছু খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। পরিমাণের ক্ষেত্রেও কোনও বিধি নিষেধ থাকে না। কিন্তু চার ঘণ্টার পরে আর কিছু খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়না।

    এরপরে ওই সমস্ত মহিলাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে দেখা গিয়েছে, যারা এই উপোস করেছেন তাদের হরমোনের মাত্রায় পার্থক্য রয়েছে। আর যারা এই ফাস্টিং করেনি তাদের হরমোনে কোনও প্রভাবই পড়েনি। ক্রিস্টা ভারাডি এবং তাঁর দল দেখেছে যে উপোস করা লোকজনের মধ্যে গ্লোবুলিন হরমোনের মাত্রা আট সপ্তাহ পরে অপরিবর্তিত ছিল। এছাড়াও অপরিবর্তিত ছিল টেস্টোস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেনের মতো অন্যান্য হরমোনও। কিন্তু ডিহাইড্রোপিয়ান্ড্রোস্টেরন বা ডিএইচইএ হরমোন মেনোপজ-পূর্ব এবং পরবর্তী উভয় মহিলাদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। এটি ১৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল। ডিম্বাণুর গুণমানেও পরিবর্তন ঘটেছে। ফলে এই গবেষণা থেকেই বোঝা গিয়েছে যে, কীভাবে মহিলাদের দেহে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting) প্রভাব ফেলতে পারে।

LinkedIn
Share