Tag: International news

International news

  • North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষিত কমিউনিস্ট দেশ উত্তর কোরিয়া। এখানে মেয়েরা ভোগের বস্তু! যেখানে ভারতে নারীকে মায়ের আসনে বসিয়ে পুজো করার রীতি রয়েছে সেখানে উত্তর কোরিয়া একনায়ক কিম জং উন নিজের যৌন তৃপ্তির জন্য মেয়েদের ব্যবহার করছে দিনের পর দিন। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া (North Korea) থেকে পালিয়ে আসা ইওনমি পার্ক নামে এক তরুণী কিম জং উন সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কিম জং উন যৌন তৃপ্তির জন্য প্রতিবছর প্রায় ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন। উল্লেখ্য, এখানে মহিলাদের চেহারা, শরীরের গঠন ও পারিবারিক রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাছাই করা হয়।  

    কোন মেয়েদের টার্গেট করা হয়? (North Korea) 

    ইওনমি জানান যে, কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” এর জন্য তাঁকে দুবার বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু তার পারিবারিক অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে আর নির্বাচিত করা হয়নি। জানা গেছে, কিম সেখানকার (North Korea) প্রতিটি স্কুল ও স্কুলের শ্রেণিকক্ষে থাকা প্রতিটি মেয়েকে দেখে তার মধ্যে থেকে সুন্দরী মেয়ে খুঁজে পেলে প্রথমেই তাঁর পারিবারিক অবস্থান ও দলের প্রতি আনুগত্যের বিষয়ে খোঁজ নেন। এক্ষেত্রে পরিবারের কেউ উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে গেলে কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া বা অন্য কোন দেশে আত্মীয়-স্বজন আছে এমন মেয়েদেরকে প্লেজার স্কোয়াডে (Pleasure Squad) নেওয়া হয় না।  

    আরও পড়ুন: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    কুমারিত্বের পরীক্ষা 

    ইওনমি আরও দাবি করেন, মেয়েরা একবার নির্বাচিত হলে, তারা কুমারী কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। যদি পরীক্ষার ফলে কোনরকম ত্রুটি থাকে তবে সেই মেয়ে কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” থেকে তৎক্ষণাৎ বাতিল হয়ে যায়। অবশেষে কঠোর পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়া (North Korea) জুড়ে শুধুমাত্র বাছাই করা কিছু মেয়েকেই পিয়ং ইয়ং এ পাঠানো হয়। যেখানে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য কিমের যৌন সঙ্গিনী হওয়া। 

    পার্ক জানান, “প্লেজার স্কোয়াড” এ বাছাই হওয়ার পর মেয়েদের কিম (Kim Jong-un) ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে যৌনমিলনে বাধ্য করা হত। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল ওই পুরুষদের খুশি করা। মেয়েদের ইচ্ছের কোন তোয়াক্কা করা হত না। বিদ্রোহ করলে একটাই শাস্তি, কঠিন মৃত্যু।  

    কিমের সেবা করার জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেয়েদের নির্বাচন করা হলেও তাঁদের চোখে প্লেজার স্কোয়াডের দ্বিতীয় শ্রেণীর মেয়েদের নিম্নপদস্থ জেনারেল এবং রাজনীতিবিদদের সন্তুষ্ট করার জন্য নিয়োগ করা হত। মেয়েদের যখন কুড়ির ওপরে বয়স হয়ে যায়, তখন তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং তখন তারা প্রায়শই নেতাদের দেহরক্ষীর সাথে বিয়ে করে। 

    এই “প্লেজার স্কোয়াডের” উৎপত্তি হয়েছিল ১৯৭০ দশকে, কিম জং উনের (Kim Jong-un) বাবার সময়কালে। যিনি বিশ্বাস করতেন, “যৌন ঘনিষ্ঠতা তাঁকে অমরত্ব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine war: মহাকাশে পারমাণবিক যুদ্ধ? রাশিয়াকে ঠেকাতে রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন প্রস্তাব খারিজ

    Russia Ukraine war: মহাকাশে পারমাণবিক যুদ্ধ? রাশিয়াকে ঠেকাতে রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন প্রস্তাব খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে অস্ত্র প্রতিযোগিতা রুখতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকার আনা খসড়া প্রস্তাবকে ভেটো প্রয়োগ করে আটকাল রাশিয়া (Russia Ukraine war)। এই আবহে ওয়াশিংটনের মন্তব্য, ‘‘বড় কিছু লুকোচ্ছে মস্কো।’’ আমেরিকার আশঙ্কা, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে মহকাশে পারমাণবিক (Nuclear Weapon) আঘাত হানতে পারে রাশিয়া। স্যাটেলাইট ধ্বংস করতে পারে মস্কো। পাল্টা রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “আমেরিকার প্রস্তাব রসিকতার সমান।”

    মহাকাশে মিসাইল তাক?

    ওয়াশিংটন মস্কোর বিরুদ্ধে মহাকাশ-ভিত্তিক অ্যান্টি-স্যাটেলাইট পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ করে আসছে (Russia Ukraine war)। মহাকাশে অ্যান্টি স্যাটেলাইট পারমাণবিক অস্ত্র ঠেকাতেই এই প্রস্তাব এনেছিল তারা। যদিও ওয়াশিংটনের অভিযোগ রাশিয়া অস্বীকার করেছে। মার্কিন (USA) প্রশাসনের কর্মকর্তারা দাবি করেন, তাঁদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। যদিও সেই তথ্য চাওয়া হলে তা দিতে অস্বীকার করে আমেরিকা। ফলে তাদের অভিযোগটি সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করছে পুতিন (Vladimir Putin) প্রশাসন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাশিয়া মহাকাশের দিকে মিসাইল তাক (Russia Ukraine war) করতে পারে। তা আটকাতেই আগেভাগে জাতিসঙ্ঘে আমেরিকা বিষয়টি তুলে ধরেছে। যাতে মস্কোকে চাপে রাখা যায়।

    কী বলছেন পুতিন?

    ডেপুটি ইউএস অ্যাম্বাসাডর রবার্ট উড সাংবাদিকদের বলেন, “যদি রাশিয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট না দেয় তাহলে বুঝতে হবে তাঁরা কিছু লুকাচ্ছে কি না।’’ প্রায় ছয় সপ্তাহের আলোচনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের তৈরি নিরাপত্তা পরিষদে খসড়া প্রস্তাবটি ভোটের জন্য আনা হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ১৩টি ভোট পড়ে। চিন এক্ষেত্রে ভোটাভুটি থেকে বিরত ছিল এবং রাশিয়া একটি ভেটো দেয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন চলতি বছরের শুরুতে জানিয়েছিলেন, তিনি মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের (Russia Ukraine war) অবস্থান পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ। আমরা সর্বদা স্পষ্টভাবে মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের বিরুদ্ধে ছিলাম এবং এখনও রয়েছি।’’

    আউটার স্পেস ট্রিটি

    রাষ্ট্রসংঘ সকল দেশকে মহাকাশ চুক্তি (Russia Ukraine war) মেনে চলার আহবান জানিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং মহাকাশে অস্ত্র প্রতিযোগিতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখতে হবে সমস্ত দেশকে।’’ ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি স্বাক্ষরকারীদের (যার মধ্যে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে) পৃথিবীর কক্ষপথে এবং মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র বা অন্য যে কোনও ধরনের বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োগে বাধা দেয়। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ‘‘রাশিয়া একটি মহাকাশে-নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র পারমাণবিক প্রয়োগে সক্ষম। এমনকি ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের উপগ্রহের নেটওয়ার্কগুলিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।’’

    কী বলছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র?

    হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘‘রাশিয়া এখনও এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করেনি। ইউক্রেনের যুদ্ধে মহাকাশ-ভিত্তিক যোগাযোগ এবং উপগ্রহ-সংযুক্ত ড্রোনগুলির সঙ্গে আধুনিক যুদ্ধে মহাকাশের অসামান্য ভূমিকার সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসাবে কাজ করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। ইজরায়েলে হামলা চালাল ইরান (Iran Israel War)। এই হামলায় ইজরায়েলের বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হলেও, বিশ্বে আরও একটা সংঘাতের আগুন জ্বলে উঠল। রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের পর সৃষ্টি হল আরেকটা যুদ্ধের ফ্রন্ট— ইজরায়েল বনাম ইরান। এর ফলে, বিশ্ববাসীর সামনে উঠে এল মোকাবিলা করার জন্য আরও একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আর্থিক মন্দার, মুদ্রাস্ফীতির, মূল্যবৃদ্ধির। এই চ্যালেঞ্জ যতটা অর্থনৈতিক, ঠিক ততটাই আবার কূটনৈতিক। তবে, ভারতের কাছে এই চ্যালেঞ্জ (Impact On India) অন্যদের তুলনায় অনেকটাই যেন বেশি। কিন্তু কেন?

    ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ইজরায়েল

    ইরান ও ইজরায়েল— উভয়ের সঙ্গেই কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। দশকের পর দশক ধরে, দুপক্ষের সঙ্গে একটা ভারসাম্যের কূটনীতি পালন করে এসেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু, বর্তমান ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ (Iran Israel War) শুরু হওয়ার ফলে সেই ভারসাম্য বা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে ভারতের। এর কারণ— একদিকে ইজরায়েলের সঙ্গে গভীর কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। বিশেষ করে, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। গত দশকে এই সম্পর্কের বিষয়টি উন্মুক্ত হয়েছে অনেকটাই। যে কারণে, গত বছর ৭ অক্টোবর তেল আভিভের আকাশে হামাসের জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। চরমপন্থা থেকে নাশকতার সমস্যা এবং তার মোকাবিলা নিয়ে ভারত ও ইজরায়েলের মনোভাবে অনেকটাই মিল। কারণ, ২৬/১১ মুম্বই হামলার সময় উভয় দেশই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এযাবৎকালে, অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম বড় যোগানদার হিসেবে উঠে এসেছে ইজরায়েল। 

    অর্থনৈতিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইরান

    অন্যদিকে, সাম্প্রতিককালে ইরানের সঙ্গেও কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভূত উন্নত করেছে ভারত। তরল জ্বালানির ক্ষেত্রে ভারতকে বেশিরভাগটাই নির্ভর করতে হয় আমদানির ওপর। এক্ষেত্রে, অশোধিত তেলের যোগানদার হিসেবে রয়েছে ইরান। তবে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে, সেই যোগানের পরিমাণ ধাক্কা খেয়েছে বটে। আবার, পাকিস্তানে উৎস হওয়া নাশকতার শিকার হয়েছে এই দু’দেশই। উভয় দেশই তালিবানের একাধিক নীতির—বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের অধিকার কেন্দ্রিক— সমোচ্চরে বিরোধিতা করেছে। তবে, ভারতের কাছে সবচেয়ে বড় কৌশলগত গুরুত্ব হল চাবাহার করিডরের। ইরানের এই বন্দর ব্যবহার করে ভারত। এই বন্দর দিয়েই আফগানিস্তান থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য করতে হয় ভারতকে। কারণ, ভারতীয় পণ্যকে পরিবহণের জন্য নিজেদের ভূমি দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। ফলত, চাবাহার বন্দর ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

    ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ (Iran Israel War) নিয়ে কেন উদ্বিগ্ন ভারত?

    এই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে, আখেরে ক্ষতি ভারতেরই (Impact On India)। কারণ, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে কোনও এক দিক বেছে নেওয়া সহজ হবে না ভারতের। যে কারণে, জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখেই, ভারসাম্যের কূটনীতির মাধ্যমে দু’দেশকেই ভারত আবেদন জানিয়েছে অবিলম্বে যুদ্ধ থামানোর। যেটা অমূলক নয় একেবারেই। ভারত এখন উভয় দেশের কাছে শান্তির আবেদন করেছে। ভারত বিলক্ষণ জানে, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ আরও বাড়লে তিন দিকে সমস্যা হবে নয়াদিল্লির— প্রবাসী ভারতীয় সম্পৃক্ত, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত।

    প্রবাসী ভারতীয়দের নিয়ে চিন্তা

    প্রথমত, ইজরায়েল ও ইরানে বর্তমানে বসবাস করছে যথাক্রমে প্রায় ১৮ হাজার এবং ৫ থেকে ১০ হাজার ভারতীয়। এছাড়া, প্রায় পশ্চিম এশিয়া ও গাল্ফ অঞ্চলে কর্মরত প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয়। যে কোনও সংঘাতের (Iran Israel War) ফলে, গোটা অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হবে। এমনিতেই, ইজরায়েল-গাজা যুদ্ধের ফলে, সেখানে একটা অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কার পরিবেশ আগে থেকেই ছিল। তার ওপর এখন ইজরায়েল-ইরান পুরোদমে যুদ্ধ বাঁধলে, সমস্যা বহুগুণ বেড়ে যাবে। ভারত জানে, এতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের জটিলতা বৃদ্ধি পাবে (Impact On India)। হতে পারে, ভারতীয়দের সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসতে হবে। যেমনটা হয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে। 

    অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির শঙ্কা

    দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক সঙ্কট। ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থ জ্বালানির সঙ্গে জড়িত। জ্বালানি চাহিদার অধিকাংশটাই আমদানি করে সামাল দিতে হয় ভারতকে। আর এই আমদানির ৮০ শতাংশ হয় পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে। ফলত, এখানে যুদ্ধ বাঁধলে (Iran Israel War), অশোধিত তেলের জোগান কমবে, বাড়বে দাম। যার প্রভাব পড়বে ভারত সহ আন্তর্জাতিক বাজারে। ফলে, পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকছে। যার ফলস্বরূপ, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিও হবে অনিবার্যভাবে (Impact On India)। ভারত অবশ্য গত ২ বছরে পশ্চিম এশিয়ার ওপর এই নির্ভরতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার পাশাপাশি রাশিয়া থেকে ন্যায্য মূল্যে অশোধিত তেল কেনে ভারত। কিন্তু, সেও তো যুদ্ধে লিপ্ত।

    বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে ভারতের

    তৃতীয়ত, আরব-মুলুকে তথা মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল বিনিয়োগ করেছে ভারত। বিনিয়োগ রয়েছে ইরান ও ইজরায়েলেও। দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চল দিয়ে ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ করিডর প্রকল্পকে বাস্তব রূপ দিতে উদ্যোগী ভারত। এখন, এই অঞ্চলে আরেকটা যুদ্ধ (Iran Israel War) হলে, সেই প্রকল্প, সেই স্বপ্ন জোর ধাক্কা খেতে পারে (Impact On India)। ভারত তা একেবারেই চাইছে না। যে কারণে, সব পক্ষকে যুদ্ধের পথ ছেড়ে আলোচনায় ফেরার আবেদন একাধিকবার করে চলেছে ভারত। নয়াদিল্লি বিলক্ষণ জানে, একবার এই করিডর সফল হলে, ভারতের বাণিজ্য বিশেষ করে রফতানি বহুগুণ বেড়ে যাবে। সহজেই বিদেশের বাজার ধরতে সক্ষম হবে ভারত। 

    রক্তাক্ত ভারতের শেয়ার বাজার

    এমনিতেই, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ (Iran Israel War) শুরু হতেই তার প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারে। তেলের দাম বাড়া এবং বিনিয়োগে ধাক্কা এই জোড়া আশঙ্কার ফলে, গত তিন দিনে লাগাতার পতন হয়েছে স্টক মার্কেটে। গত শুক্রবার এবং চলতি সপ্তাহের সোম-মঙ্গল—এই তিনদিনে ভারতের শেয়ার বাজারে প্রায় ১০ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে একটিই শর্তে। তা হল, ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের পরিবেশে যেন না নতুন করে আগুন লাগে (Impact On India)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives: প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি মুইজ্জুর, ক্ষতে প্রলেপের চেষ্টা?

    India-Maldives: প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি মুইজ্জুর, ক্ষতে প্রলেপের চেষ্টা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক সংঘাতের (India-Maldives) মধ্যেই ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2024) উপলক্ষে ভারতকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন মহম্মদ মুইজ্জু। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দুটি পৃথক চিঠি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তাতে দুদেশের মধ্যে থাকা ‘দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের’ উল্লেখ করা হয়েছে। 

    কী লেখা হয়েছে চিঠিতে?

    মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু ভারতের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2024) উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং দ্রৌপদী মুর্মুকে দু’টি পৃথক বার্তায় অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মলদ্বীপ এবং ভারতের সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে।’’ আগামী দিনেও দুই দেশের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি (India-Maldives) বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট।

    মলদ্বীপের বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ

    শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ভারতের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এজন্য ভারতকে শুভেচ্ছাবার্তাও পাঠিয়েছেন। তবে সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ হল মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা। দুদেশের (India-Maldives) মধ্যে চলতে থাকা কূটনৈতিক টানাপোড়েনের নিরিখে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিককালে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তাই অনেকেই মনে করছেন, ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের অবনতি

    গত নভেম্বরে ক্ষমতায় এসেছেন মুইজ্জু। তিনি চিনঘেঁষা বলে পরিচিত। তার ওপর, নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক লক্ষদ্বীপ সফরে নিয়ে সমাজমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কুৎসিত মন্তব্য করেন মুইজ্জু-মন্ত্রিসভার তিন সদস্য (India-Maldives)। ভারতে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতীয়রা ওই বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভারতীয়রা বয়কট মলদ্বীপ-এর ডাক দেন। এদেশের বহু ভ্রমণ ও পর্যটন সংস্থা মলদ্বীপ ট্যুর বাতিল করে। এর ফলে, তীব্র ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় মলদ্বীপের অর্থনীতি, যা তাদের পর্যটনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। আর মলদ্বীপে পর্যটনের সিংহভাগ আয় হয় ভারতকে থেকে সেদেশে আসা পর্যটকদের থেকেই।

    ঘরে প্রবল সমালোচিত মুইজ্জু

    সে সময়ে চিন সফরে গিয়েছিলেন মুইজ্জু। তিনি ফিরে এসে কারও সামনে মাথা নত না করার হুঁশিয়ারি দেন। উল্টে তিনি ভারতীয় নৌসেনাকে মার্চ মাসের মধ্যে মলদ্বীপ থেকে সরে যেতে বলে দেন। শুধু তাই নয়। চিনের চর-জাহাজকে মলদ্বীপে স্বাগত জানানোর কথাও ঘোষণা করেন। এতে যেন বিতর্কে ঘৃতাহুতি পড়ে। ঘরেই প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় মুইজ্জুকে। সেদেশের প্রধান ২ বিরোধী দল মুইজ্জুর ভারত-বিরোধী (India-Maldives) অবস্থানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে। বিরোধীরা একসুরে জানিয়ে দেয়, মলদ্বীপের ‘ভারত-বিরোধী অবস্থান’ দ্বীপরাষ্ট্রের জন্য ‘অত্যন্ত ক্ষতিকর’ বলে প্রমাণিত হবে। এর পরই, প্রবল চাপে পড়ে এখন শুভেচ্ছাবার্তা  (Republic Day 2024) ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে উদ্যোগী হয়েছেন মুইজ্জু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে সাফল্য পেল আরও এক দেশ। বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে চাঁদের মাটিতে পা রাখল এবার জাপান (Japan Moon Mission)। গত ২৩ অগাস্ট ভারতের ইসরো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল। চন্দ্রযান অবতরণের পর বিক্রমের ভিতর থেকে রোভার প্রজ্ঞান বেরিয়ে এসেছিল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এই প্রথম ভারতের সফল অভিযান হয়েছিল। এবার সেই অভিযানের পর সাফল্য পেল জাপান। আগে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছে অ্যামেরিকা, তারপরে দ্বিতীয় সোভিয়েত ইউনিয়ান, তৃতীয় চিন এবং চতুর্থ স্থানে ভারত।

    চাঁদে পৌঁছাল জাপানের মুন স্নাইপার(Japan Moon Mission)

    জানা গিয়েছে, জাপানের সময় অনুযায়ী রাত ১২ টা বেজে ২০ মিনিটে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করেছে জাপানের মুন স্নাইপার (Japan Moon Sniper)। তবে জাপানের এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। কারণ, ল্যান্ডারের সফট ল্যান্ডিং হয়েছে কিনা এই নিয়ে সংশয় রয়েছে। ল্যান্ডারের অবস্থা ঠিক কেমন রয়েছে সেই বিষয়ে এখনও ঠিক করে স্পষ্ট ভাবে জানা যাচ্ছে না। এখন ল্যান্ডারের সম্পর্কে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    উপর্যুপরি, ল্যান্ডারের সোলার প্যানেল ঠিকমতো কাজ করছে না। এই কথা স্বীকার করেছে জাপান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। জানা গিয়েছে অবতরণে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান মহাকাশ স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (স্লিম)-এ সৌরশক্তি পৌঁছাচ্ছেনা। চাঁদের মাটিতে কাজ করতে গেলে সূর্যের আলো বা সৌরশক্তি একান্ত দরকার। এই ল্যান্ডারের সৌরশক্তি ব্যবহারের যন্ত্রে এক প্রকার ত্রুটি দেখা গিয়েছে। এই যন্ত্র ঠিক না হলে জাপানের চন্দ্র অভিযান প্রক্রিয়াটি পুরো ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। ফলত, জাপানের উদ্দেশ্য আদৌ সফল হবে কি না তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। 

    কী জানিয়েছে মহাকাশ সংস্থা?

    যদিও, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, সৌরশক্তির অভাবে যদি ল্যান্ডার চাঁদের (Japan Moon Mission) মাটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ নাও করতে পারে তাহলেও এই অভিযানকে সফল বলে ধরা হবে। তাঁদের দাবি এর কারণ হল, চাঁদের মাটিতে সফল ভাবে মহাকাশযান অবতরণ করেছে। চাঁদের মাটিতে নামার পর যন্ত্র বিকল হলেও পরবর্তী কাজে বাধা এসেছে মাত্র। কিন্তু চন্দ্রযানের সঠিক ভাবে অবতরণ সফল। তাই বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে জাপান চাঁদের মাটিকে ছুঁতে পেরেছে। তবে কেন সৌরশক্তির অভাবে যন্ত্র বিকল হয়েছে সেই বিষয়ে পরীক্ষা চলছে। এখন কেবলমাত্র ব্যাটারির শক্তিতেই চলছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হবে সেই শক্তি। তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে চাঁদের মাটির ছবি তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশপথে হামলা করতে পারে ইরান (Iran Pakistan Conflict)। সেই আশঙ্কায় পাকিস্তানে জারি হয়েছে হাই-অ্যালার্ট (Pakistan on High Alert)। যদি দুদেশের মধ্যে যুদ্ধে বাঁধে, তাই আগাম পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং গোয়েন্দাকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের তদারকি সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার-উল-হক কাকর। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে পাক সেনাও। দুদেশের মধ্যে থাকা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্তে সেনা-অস্ত্র মোতায়েন বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ইরান-পাকিস্তান সংঘাত (Iran Pakistan Conflict)

    ইরান-পাকিস্তানের এই সাম্প্রতিকতম সংঘাতের সূচনা হয় বুধবার। পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে হামলা চালায় ইরান। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ অল-আদাল গোষ্ঠী বা ‘আর্মি অফ জাস্টিস’-এর ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান। ইরানের দাবি, এই জঙ্গি সংগঠন তাদের মাটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। 

    এর ‘প্রতিশোধ’ নিতে ২৪-ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ইরানের মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাকিস্তান। পাক সেনার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বিচ্ছিনতাবাদী সংগঠনের ঘাঁটিতে এই হামলা চালিয়েছে তারা। পাকিস্তান দাবি করছে, এই অভিযানে তারা জঙ্গিদের খতম করেছে। তবে তেহরানের পাল্টা দাবি, পাক এয়ারস্ট্রাইকে চার শিশু এবং তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ফের পাক ভূমে ইরান নতুন করে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা (Pakistan on High Alert) করছে পাক প্রশাসক ও সেদেশের সেনা। 

    নতুন হামলার আশঙ্কায় পাকিস্তান

    ইসলামাবাদের এই আশঙ্কাযে অমূলক নয়, তার আভাস মিলেছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই। ওই সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের হামলার জবাব দেওয়ার জন্য জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে তেহরান (Iran Pakistan Conflict)। খুব শীঘ্রই পাক-ভূমে নতুন হামলা হতে পারে পারে সংবাদমাধ্যমটি তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা  উড়িয়ে দিচ্ছেনা তারা। এই পরিস্থিতিতে ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দু’দুদেশের সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে (Pakistan on High Alert)। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তের দুদিকে সেনা ও অস্ত্রের সমাগমে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। সীমান্তের একদিকে ইরানের সিস্তান প্রদেশ। সীমান্তের ওপারে রয়েছে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশ।

    আরেকটা যুদ্ধের ভ্রুকুটি

    ২০২২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালায় রাশিয়া। প্রায় দু’বছর পরেও যুদ্ধ থামেনি। তারই মধ্যে গত ৭ অক্টোবর গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস গোষ্ঠী। এরপর শুরু হয় সংঘর্য। এখনও সেই সংঘর্ষ চলছে। এবার ইরান-পাকিস্তান (Iran Pakistan Conflict) পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।

  • Chinese Spy Ship: মোদির কূটনীতির জয়, ১ বছরের জন্য চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

    Chinese Spy Ship: মোদির কূটনীতির জয়, ১ বছরের জন্য চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের কোনও গবেষণামূলক (পড়ুন গুপ্তচর) জাহাজকে (Chinese Spy Ship) এক বছরের জন্য তাদের কোনও বন্দরে প্রবেশ বা এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক এলাকায় (ইইজেড) কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে ভারতকে আশ্বাস দিল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka India Relations)। 

    আপত্তির কথা শ্রীসঙ্কাকে জানিয়েছিল ভারত

    গত জুলাই মাসের সাক্ষাতে চিনা গুপ্তচর জাহাজ (Chinese Spy Ship)  ইস্যুতে ভারতের অসন্তোষের কথা দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংঘের সমানে উত্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের নিরাপত্তাজনিত এবং কৌশলগত উদ্বেগকে যাতে সম্মান করা হয়, সেই অনুরোধও নয়াদিল্লির তরফে কলম্বোকে করা হয়েছিল। এর পরেই শ্রীলঙ্কার তরফে এই পদক্ষেপ করা হল। গত সপ্তাহে কূটনৈতিক মাধ্যমে ভারতকে এই স্থগিতাদেশের কথা জানানো হয় শ্রীলঙ্কার তরফে (Sri Lanka India Relations)। শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে সোমবার, অর্থাৎ নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই। 

    আগেও শ্রীলঙ্কায় আসে একাধিক চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী ৫ জানুয়ারি অর্থাৎ শুক্রবার, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে ‘গবেষণা’ করার জন্য কলম্বো বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল চিনের জাহাজ ইয়াং হং ৩-এর (Chinese Spy Ship) । কিন্তু সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। বদলে আগামী ১ বছরের জন্য চিনা জাহাজের ঠাঁই নেওয়া স্থগিত করে দিয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রশাসন। মে মাস পর্যন্ত জাহাজটির সেখানে থাকার কথা ছিল বলে শ্রীলঙ্কাকে জানিয়েছিল চিন। এই প্রথম নয়। এর আগেও, গবেষণার নাম করে শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়েছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ২০২২ সালে চিনের নজরদার জাহাজ ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’ শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়েছিল। এর পর গত বছর অগাস্ট মাসে দ্বীপরাষ্ট্রে ঘাঁটি গেড়েছিল পিএলএ-র জাহাজ ‘হাই ইয়াং ২৪ হাও’।

    লক্ষ্য ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর নজরদারি

    বার বার চিনা গুপ্তচর জাহাজের (Chinese Spy Ship)  এভাবে শ্রীলঙ্কার বন্দরে আসাটা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি ভারত। গত বছর এই নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে কলম্বোকে সেই বার্তা দিয়েছিলস নয়াদিল্লি। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল আপত্তির কথা (Sri Lanka India Relations)। চিন দাবি করে আসছিল, এই জাহাজগুলি একবারেই গবেষণামূলক। কিন্তু, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর নজরদারি করতেই বার বার শ্রীলঙ্কায় ভিড়ছে এই জাহাজগুলি। এই নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোট ৪৮টি চিনা বৈজ্ঞানিক গবেষণা জাহাজ মোতায়েন করা হল। পাশাপাশি, চিনা নৌসেনার অন্তত ২৫টি যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। এই নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে, এবার শ্রীলঙ্কাকে পাশে পেল ভারত। যে কারণে, তীরে এসেও তরী ভেড়াতে পারল না চিন। একপ্রকার বাধ্য হয়েই এখন ভারত মহাসাগরের আরেকটি দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের দিকে এগোচ্ছে ওই জাহাজ।

    ভারতকে এখন চটাতে চাইছে না শ্রীলঙ্কা…

    শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্তকে ভারতের বড় কূটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্রীলঙ্কার বর্তমান নেতৃত্ব ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এখন চটাতে চাইছে না। কারণ, এখন দ্বীপরাষ্ট্রে বন্দর উন্নয়নে বড় বরাত পেয়েছে ভারতের আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পে আবার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ত, আর্থিক দুরবস্থার কবলে পড়া শ্রীলঙ্কার বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। সমুদ্রসীমা নিরাপত্তায় দ্বীপরাষ্ট্রের হাতে ডর্নিয়ার নজরদারি বিমান তুলে দিয়েছিল ভারত। পাশাপাশি, চিন (Chinese Spy Ship) নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে সম্প্রতি সাবধান করে আমেরিকাও। এমতাবস্থায়, এখন ভারতকে চটালে আখেরে তাদেরই যে প্রভূত ক্ষতি হবে এটা বুঝেছে লঙ্কা-প্রশাসন (Sri Lanka India Relations)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রম-আইন ভাঙার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী সমাজ কর্মী মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus)। সোমবার ইউনুসকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার আদালত। সেই সঙ্গে ছ’মাসের জেলের সাজাও দেওয়া হল তাঁকে। আদালত তাঁকে হাজতবাসের সাজা দিলেও অবশ্য তাঁকে জেলে যেতে হয়নি। তিনি এবং তাঁর সংস্থার চার কর্মী অবিলম্বে জামিনও পেয়ে যান। 

    কেন দোষী ইউনুস

    বাংলাদেশর সমাজকর্মী তথা একমাত্র নোবেলজয়ী ইউনুসের (Muhammad Yunus) বয়স এখন ৮৩। তাঁর সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বেআইনি ভাবে কাজ চালানোর মামলা চলছিল। সোমবার সেই মামলায় ইউনুস-সহ তাঁর সংস্থার চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা আদালত। সোমবার ঢাকা আদালতে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের এক প্রতিনিধিও। রায় ঘোষণার পর তিনিও এই রায়ের সমালোচনা করেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধি স্পষ্ট বলেন, ‘‘এই নির্দেশ বিচারের নামে প্রহসন। ঢাকা আদালত আদতে বাংলাদেশ সরকারের ইচ্ছা এবং সিদ্ধান্তে আইনি ছাপ দিল। শ্রম আইনের অপপ্রয়োগ করে হেনস্তা করা হল সেই নোবেলজয়ীকে, যিনি তাঁর দেশকে গর্বিত করেছেন।’’

    আরও পড়ুন: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন ইউনুস (Muhammad Yunus)। তাঁকে ওই সম্মান দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর তৈরি মাইক্রোফিন্যান্স ব্যাঙ্কিংয়ের জন্য। ওই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে ইউনুস বাংলাদেশের লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে টেনে তুলেছেন বলে মনে করেছিল নোবেল প্রদানকারী সংস্থা। যদিও বাংলাদেশ সরকার কখনওই তাঁর পাশে ছিল না। ইউনুস সাংবাদিকদের বলেন, “ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য আমরা কিছু করিনি।” আর মহম্মদ ইউনুসের আইনজীবী খোয়াজা তনভির বলেন, “এই মামলার কোনও মানে নেই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে ইউনুসের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করতেই এই কাজ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Qatar Death Penalty: ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীর মৃত্যুদণ্ড রদ কাতারে, বড় জয় মোদির কূটনীতির

    Qatar Death Penalty: ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীর মৃত্যুদণ্ড রদ কাতারে, বড় জয় মোদির কূটনীতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতির (India Qatar Relations) ময়দানে বড় জয় মোদি সরকারের। কাতারে ৮ ভারতীয়র মৃত্যুদণ্ডের সাজা রদ হল বৃহস্পতিবার (Qatar Death Penalty)। 

    অক্টোবরে মৃত্যুর সাজা 

    চরবৃত্তির অপরাধে অক্টোবর মাসে ভারতীয় নৌসেনার আট প্রাক্তন আধিকারিককে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল কাতার (Qatar Death Penalty)। এই ৮ জন হলেন— ক্যাপ্টেন নবতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্রকুমার বর্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ঠ, কমান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুণাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা এবং নাবিক রাজেশ। কাতারের নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাচ্ছিল কেন্দ্র। একইসঙ্গে, কাতার প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি কূটনৈতিক (India Qatar Relations) স্তরেও আলোচনা চালাচ্ছিল বিদেশমন্ত্রক। আজ মৃত্যুদণ্ড রদ করে হাজতবাসের সাজা শুনিয়েছে কাতারের আদালত।

    কোর্ট অফ আপিলে জয়

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘‘আজ কোর্ট অফ আপিল অফ কাতারের রায় অনুযায়ী, দাহরা গ্লোবান কেসে মৃত্যু দণ্ডের সাজা মকুব করা হয়েছে৷ তবে বিস্তারিত রায় এখনও আসেনি৷ আমরা এ বিষয়ে কাতারের আদালতে পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রতীক্ষা করছি। কাতারে আমাদের রাষ্ট্রদূত এবং অন্য আধিকারিকরা আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন৷ তাঁদের সঙ্গে ৮ জনের পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন৷ এই বিষয়ের প্রথম থেকেই আমরা নৌ-আধিকারিকদের পাশে রয়েছি৷ আমরা তাঁদের আইনি সব সাহায্য করে যাব৷’’

    চরবৃত্তির অভিযোগে গত বছর গ্রেফতার 

    গত বছর অগাস্ট মাসে নৌসেনার এই ৮ জন প্রাক্তন আধিকারিককে আটক করেছিল কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা। কাতারের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদান করা দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস নামের একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তাঁরা। ঠিক কী কারণে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, প্রথমে তা দোহার ভারতীয় দূতাবাসকেও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। চলতি বছরের এপ্রিলে আদালতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর জানা যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পর অক্টোবর মাসে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় কাতারের নিম্ন আদালত (Qatar Death Penalty)। 

    কাতার আদালতের নির্দেশে কার্যতই স্তম্ভিত হয়ে যায় দিল্লি। এর পরই কেন্দ্রের তরফে তৎপরতা দেখা যায়। নভেম্বরে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, মৃত্যদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত ভারতীয়দের (India Qatar Relations) ছাড়িয়ে আনতে সব রকম আইনি সাহায্য করবে ভারত সরকার৷ গত মাসেই ভারত কাতারের কোর্ট অফ আপিলে মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে আবেদন জানায়৷ তারপর আজ মৃত্যুদণ্ড রদ হওয়ার খবর এল (Qatar Death Penalty)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • China Nuclear Test: পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে চিন? উপগ্রহ চিত্র ঘিরে উদ্বেগ

    China Nuclear Test: পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে চিন? উপগ্রহ চিত্র ঘিরে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে চিন? প্রশ্নটা ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে, কারণ সাম্প্রতিক কয়েকটি উপগ্রহ চিত্রে  তেমন উদ্বেগের ছবি ধরা পড়েছে।

    লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে অতিসক্রিয়তা

    সম্প্রতি, বহুল প্রচলিত মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বেশ কিছু উপগ্রহ চিত্র ছাপা হয়েছে। ওই ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, চিনের উত্তর-পশ্চিমে স্বায়ত্তশাসিত জিনজিয়াং প্রদেশে লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে বলে রাখা ভালো, চিনা পরমাণু অস্ত্রের ইতিহাসে লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগারের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। প্রায় ৬ দশক আগে, ১৯৬৪ সালের ১৬ অক্টোবর প্রথম পরমাণু অস্ত্রটি পরীক্ষা করে চিন। সেবারও শিনজিয়াং প্রদেশের লপ নুর এলাকায় পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল, নজরদারি এড়াতে ওই প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছিল ‘প্রজেক্ট ৫৯৬’। 

    ৯০ ফুট গভীর কূপ খনন! কেন?

    এবার ফের একবার নতুন করে ওই কেন্দ্রটিকে সক্রিয় করতে অতিসক্রিয়তা লক্ষ্য করা গিয়েছে জিনপিং সরকারের। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে গতিতে কাজ চলছে, তাতে শীঘ্রই সেখানে চিন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে পারে। অথবা, রাসায়নিক বিস্ফোরকের মাধ্যমে সাব-ক্রিটিকাল পরমাণু বিস্ফোরণের চেষ্টা করছে। মার্কিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লপ নুর এলাকায় নতুন করে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করেছে চিন। পার্বত্য এলাকায়, পাশাপাশি একাধিক উল্লম্ব সুড়ঙ্গ গড়ে তোলা হচ্ছে। আগেও ওই সুড়ঙ্গগুলি পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। এবার প্রায় ৯০ ফুট গভীর কূপ খনন করার চেষ্টা চলছে। তেমনই উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে। এর থেকেই বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চিন কিছু আধুনিক মানের ব্যালিস্টিক এবং জাহাজ থেকে ছোড়ার পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। 

    অস্বীকার চিনের, নজর রাখছে ভারত

    মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক দশক আগে চিনের কাছে ছিল ৫০টি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র। পেন্টাগনের অনুমান, যে হারে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে চিন, ২০৩৫ সাল নাগাদ চিনের হাতে প্রায় ১৫০০ পরমাণু শক্তিসম্পন্ন ওয়ারহেড থাকবে, যা তুলনায় তিরিশ গুণ বেশি। চিনের এই কর্মকাণ্ড ভারতের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের। লপ নুরে চিনের এই সক্রিয়তায় দিল্লিও নড়েচড়ে বসেছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে বলে খবর। একাধিক ইস্যুতে দু’দেশের সম্পর্ক একেবারে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে। এই অবস্থায় এই উপগ্রহ ছবি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও, পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি স্বভাবতই অস্বীকার করেছে চিন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share