Tag: International news

International news

  • Russia Ukraine War: ভারত সহ ৫ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করল ইউক্রেন, কেন জানেন?

    Russia Ukraine War: ভারত সহ ৫ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করল ইউক্রেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) থামেনি। চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে পড়শি ওই দুই দেশের লড়াই। যুদ্ধ থামার আশু কোনও লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। এহেন পরিস্থিতিতে বড়সড় পদক্ষেপ করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)। ভারত (India) সহ পাঁচ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের (Ambassador) বরখাস্ত করলেন তিনি। কী কারণে তাঁদের হঠাৎ করে বরখাস্ত করা হল, তা জানা যায়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, কূটনৈতিক ব্যর্থতার জেরেই ‘চাকরি’ গিয়েছে তাঁদের।

    ন্যাটোর (NATO) সদস্য হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল ইউক্রেন। তা নিয়েই রাশিয়া ইউক্রেন বিবাদের সূত্রপাত। যার জেরে ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় যুদ্ধ। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে। যুদ্ধ থামাতে দুই দেশকেই আবেদন নিবেদন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তার পরেও চলছে লড়াই। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর অভিযোগে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। তা সত্ত্বেও নিরস্ত করা যায়নি রাশিয়া কিংবা ইউক্রেনকে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    এহেন পরিস্থিতিতেই পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিলেন ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট। ভারত ছাড়াও বরখাস্ত করা হয়েছে জার্মানি, চেক রিপাবলিক, নরওয়ে এবং হাঙ্গেরির রাষ্ট্রদূতকে। বরখাস্ত হওয়া রাষ্ট্রদূতদের অন্য কোনও পদে বহাল করা হবে কিনা, তা নিয়েও কোনও বার্তা নেই ভলোদিমির জেলেনস্কির জারি করা নির্দেশিকায়। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির তরফে যুদ্ধ বন্ধের আবেদন জানানো হয়েছে দুই দেশকেই। তার পরেও যুদ্ধ থামেনি। তবে যুদ্ধের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও, রাশিয়ার সঙ্গে এখনও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জারি রেখে চলেছে রাশিয়া।

    আরও পড়ুন : ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি

    মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছে জার্মানিও। জ্বালানির জন্য এই দেশটি বরাবর রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ভারতের মতো যুদ্ধের আবহে তারাও সম্পর্ক রেখে চলেছে পুতিনের দেশের সঙ্গে। এ সবকেই কূটনৈতিক ব্যর্থতা বলেই মনে করছে কিয়েভ। সেই কারণেই ভারত সহ পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করা হল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

     

  • G20 Summit:  কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    G20 Summit:  কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Kashmir) জি-২০ (G-20)  বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সরকার। তাতে আগেই বাধ সেধেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। এবার শেহবাজ শরিফের দেশের দোসর হল শি জিন পিংয়ের চিনও (China)। কাশ্মীরে জি-২০ বৈঠকে আপত্তি জানিয়েছে ড্রাগনের দেশ। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, চিনা সরকার বিষয়টি নিয়ে ভারতের ওপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করলেও, ওই সম্মেলন কাশ্মীরেই করার বিষয়ে অনড় নয়াদিল্লি।

    আগামী বছর জি-২০র অন্তর্গত রাষ্ট্রগুলির শীর্ষ সম্মেলন হবে ভারতে। মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর শীর্ষ সম্মেলন হবে ভূস্বর্গে। তাতেই পাকিস্তানের পর এবার বাদ সাধল চিন। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়াং বলেন, কাশ্মীর নিয়ে চিনের দৃষ্টিভঙ্গি ধারাবাহিকভাবে একই রয়েছে। এবং তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বারবার। এটা ভারত ও পাকিস্তানের পুরানো সমস্যা। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রস্তাব ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলির সাপেক্ষে এর সমাধান হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দু পক্ষেরই উচিত এক তরফা কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টিকে অযথা জটিল না করে তোলা। আমাদের উচিত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্যের অবসান ঘটানো। একত্রে শান্তি ও সুস্থিতি বহাল রাখা।

    আরও পড়ুন : মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলনে কি তা হলে অংশ নেবে না চিন?  সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তের চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, আমরা বৈঠকে অংশ নেব কি নেব না, তা ভেবে দেখা হবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সমস্ত রাষ্ট্রের কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে মন দিতে। বিষয়গুলি নিয়ে রাজনীতি না করতে। তাহলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে চাঙা করা যাবে। চলতি বছরের মার্চেই কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি। এবার সেখানেই জি-২০ বৈঠকের আয়োজন করতে চলেছে ভারত। মোদি সরকারের আমলে কাশ্মীরে যে প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে, বিশ্বের দরবারে সেই বার্তা দিতেই কাশ্মীরে বৈঠকের আয়োজন বলে ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    তবে বিষয়টি এত সহজে মেনে নেবে না পাকিস্তান। চিনকে পাশে পাওয়ার পর এখন সৌদি আরব এবং তুরস্ককেও পাশে পাওয়ার চেষ্টা করছে শেহবাজের দেশ। তবে তাতে ইসলামাবাদ আদৌ সফল হবে কিনা, হলেও কতটা, তা বলবে সময়।

     

  • Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুক বিশ্ব। দীর্ঘদিন পর জনসমক্ষে এসে এই হুঁশিয়ারি দিলেন আড়ালে থাকা তালিবান (Taliban) শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (Hibatullah Akhundzada)। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে (Kabul) ধর্মগুরুদের একটি সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই দেন হুঁশিয়ারি।

    গত ১৫ আগস্ট আফিগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। তার পর থেকে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দেখা মিললেও আখুন্দজাদা রয়ে গিয়েছিলেন পর্দার আড়ালেই। জনসমক্ষে এলেন এদিন, কাবুলের এই ধর্মগুরুদের সভায় যোগ দিতে। শুধু তাই নয়, ঘণ্টাখানেক ধরে বক্তৃতাও করেন তিনি। সম্মেলন স্থলে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয়েছে সে দেশের রেডিওতে। ওই ভাষণ দিতে গিয়েই আফগানিস্তানের বিষয়ে বহির্বিশ্বের নাক গলানো নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন আখুন্দজাদা। বলেন, কেন বিশ্ব আমাদের ব্যাপারে মাথা ঘামায়? তারা কেন বলে, তোমরা এটা করো না, কেন করো না? কেন আমাদের কাজে হস্তক্ষেপ করে বিশ্ব?

    আরও পড়ুন : আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    আখুন্দজাদা বলেন, তালিবান আফগানিস্তানের জন্য জয়লাভ করেছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা কীভাবে শরিয়ত আইন প্রয়োগ করা যায়, সে ব্যাপারে নয়া শাসকদের পরামর্শ দেবে। আখুন্দজাদা বলেন, ইসলামি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা সহজে মেনে নেবে না বর্তমান বিশ্ব। হাজার তিনেক ধর্মগুরুর এই সমাবেশে কোনও মহিলা যোগ দেননি। তবে তালিবানের একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন মেয়েদের শিক্ষার মতো কণ্টকাকীর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এই সমাবেশে আলোচনা হবে।

    প্রসঙ্গত, তালিবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের মাস দুয়েক পরে একবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন আখুন্দজাদা। সেই সময় কান্দাহারে দারুল উলুম হাকিমা মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। তার পর এই এলেন প্রকাশ্যে। হুঁশিয়ারি দিলেন গোটা বিশ্বকে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে প্রবল ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছিল আফগানিস্তান। মৃত্যু হয়েছিল হাজারেরও বেশি মানুষের। জখমও হয়েছিলেন বহু মানুষ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তখনও গোপন ডেরা থেকে বের হননি আখুন্দজাদা। এলেন এদিন, কেবল ধর্মগুরুদের সভায়।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

  • Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা তুলতে পশ্চিমের দেশগুলিকে চাপ দিল রাশিয়া (russia)!

    পশ্চিমের দেশগুলি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যসঙ্কট (Global food crisis) এড়াতে মস্কো (Moscow) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে প্রস্তুত। একথা জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির (Mario Draghi) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সেই সময়ই পুতিন মারিওকে জানিয়ে দেন একথা।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ক্রেমলিনের (Kremlin) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আজভ (Sea of Azov) ও কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফোনে কথা বলার সময় পুতিন আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন মারিওকে। তিনি সেখানে এসব জাহাজ চলাচলে নিয়মিত মানবিক করিডর চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

    রাশিয়ার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্যসঙ্কট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যে প্রস্তুত ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তা জানানো হয়েছিল। তবে সেজন্য পশ্চিমের দেশগুলি থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    রাশিয়ার অবস্থানকে ব্ল্যাকমেল হিসেবে বর্ণনা করেছে ইউক্রেন (Ukraine)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট খাদ্যসঙ্কটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছেন পুতিন। কিভের দাবি, ইউক্রেনের বন্দর আটকে রেখেছে রাশিয়া। যে কারণে, সেখান দিয়ে কোনও শস্য় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। মস্কোর পাল্টা দাবি, বন্দরগুলিতে মাইন বিছিয়ে রেখেছে ইউক্রেন। 

    বিশ্ববাজারে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে খাদ্যসঙ্কট। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটকে উসকে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। তার জেরে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলি। তারা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজিও জানিয়েছে। অবশ্য গম রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিন (China)।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য পশ্চিমের দেশগুলির ওপর দায় চাপাতে চাইছে ক্রেমলিন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের (Ukraine Russia Crisis) কারণে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে পারছে না ইউক্রেন।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি এবং সারের। দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কটও। যদিও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, অসামরিক জাহাজগুলি এখন নিরাপদে ইউক্রেনের মারিউপোলের (Mariupol) আজভ সাগর বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এই বন্দরে ছটি বিদেশি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ এখন ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। এই জাহাজগুলি বুলগেরিয়া, ডোমিনিকা, লাইবেরিয়া, পানামা, তুরস্ক এবং জামাইকা থেকে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদিত দু’কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশটিতে নতুন করে ফসল কাটার সময়ও চলে এসেছে। এমতাবস্থায় পুতিনের ‘শর্তে’ বিশ্বনেতারা রাজি হন কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

  • Imran khan: অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    Imran khan: অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকারকে “চরম হুঁশিয়ারি” দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran khan)। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (pakistan Tehreek-i-insaf) দলের প্রধান বলেন, মাত্র ছ’দিন। তার মধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণার দাবি জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। আজাদি মিছিলে (protest march) যোগ দিতে বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামাবাদে আসেন ইমরান। সেখানকার জিন্নাহ অ্যাভেনিউতে দাঁড়িয়ে শাহবাজের সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন ‘কাপ্তান’। সরকার যদি এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ না করে, তাহলে এবার গোটা দেশকে পাশে নিয়ে রাজধানীতে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন ইমরান।

    আরও পড়ুন : গদি বাঁচাতে সেনাপ্রধানকে সরিয়ে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করতে চেয়েছিলেন ইমরান?

    অবিলম্বে সংসদ ভেঙে নির্বাচনের দিন ঘোষণার দাবিতে উত্তাল ভারতের প্রতিবেশী দেশটি। বুধবার থেকেই ইমরানের সভা নিয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়েছে অশান্তির আগুন। রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিণ্ডি, করাচি, লাহোর, খাইবার পাখুনখাওয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ইসলামাবাদের রেড জোন, ব্লু জোনেও ব্যাপক অশান্তি হয়। বুধবার ইসলামাবাদের অদূরে আটকে দেওয়া হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। তবে এদিন সকালে রাজধানীতে সভা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : ১৫ কোটি টাকার সরকারি গাড়ি নিজের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন ইমরান, দাবি পাক মন্ত্রীর

    ইমরান বলেন, আমি ঠিক করেছি যে যতক্ষণ না এই সরকার সংসদ ভেঙে নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করছে, ততক্ষণ আমি এখানেই বসে থাকব। গত ২৪ ঘণ্টায় আমি যা দেখেছি, তাতে বুঝতে পারছি যে দেশে নৈরাজ্য চলছে। সাধারণ মানুষ ও পুলিশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

    প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বুধবার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সংঘর্ষে তাঁর দলের পাঁচ সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। একজন অ্যাটোক ব্রিজ থেকে পড়ে গিয়েছেন। নদীতে ডুবেও মৃত্যু হয়েছে একজনের। করাচিতেও তাঁর দলের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    ইমরান বলেন, জুনে নির্বাচনের জন্য সংসদ ভেঙে দিতে হবে। দাবি পূরণ না হলে ফের রাজধানীতে মিছিল করবেন বলেও জানান পাক প্রধানমন্ত্রী। এদিন ইমরান ফের দাবি করেন, গত মাসে আস্থাভোটে তাঁর পতনের নেপথ্যে ছিল মার্কিন ষড়যন্ত্র। তাঁর পেছনে যে জাতীয় সমর্থন রয়েছে, এদিনের সভায় তাও জানিয়ে দেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী।

    এদিনের এই সভা করতে ইমরামকে কম বাধার প্রাচীর ডিঙোতে হয়নি। শেষমেশ সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে খোলা জায়গায় ইমরানকে সভা করার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেইমতো এদিন সভা করেন ইমরান। তার আগে রাজধানীতে ঢোকার বিভিন্ন রাস্তায় ইমরানের সমর্থকদের সঙ্গে পাক পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে, বিক্ষোভ মিছিলের ভ্যানগার্ডের উপর লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে আটক করে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। সরকারি সূত্রে খবর, দু’পক্ষের সংঘর্ষে জখম হয়েছেন ১৮ জন পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর কর্মী।

     

     

  • Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(pm Narendra modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন(Joe Biden)। মঙ্গলবার টোকিওতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন মোদি এবং বাইডেন। তার আগে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের দেখা হয়েছিল কোয়াড বৈঠকে। ওই বৈঠকেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন বাইডেন। বলেন, গণতন্ত্র(democracy) নিশ্চিত করার জন্য আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  

    কোয়াড সম্মেলনে(Quad summit) যোগ দিতে দু দিনের জাপান সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক শেষে সেখানে আলাদাভাবে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে মতপার্থক্যকে এক পাশে সরিয়ে রেখে আলোচনা শুরু করেন মোদি-বাইডেন। ওই বৈঠকের শুরুতেই বাইডেন বলেন, আমাদের দেশগুলি এক সঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে এবং করবেও। আমি পৃথিবীতে আমাদের সব চেয়ে কাছের মার্কিন-ভারত নিবিড় বন্ধুত্ব তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান

    এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে হয় কোয়াড বৈঠক। ওই বৈঠকে গণতন্ত্র বনাম স্বৈরচারের প্রেক্ষিতে মোদির নামোল্লেখ করেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি, আপনাকে আবার ব্যক্তিগতভাবে দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ এটিই হল গণতন্ত্র বনাম স্বৈরাচার। এবং আমাদের গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হবে।

    আরও পড়ুন : ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    টোকিওতে শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি-বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পর্কে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার অযৌক্তিক যুদ্ধের নিন্দা করেছেন। নেতারা মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এবং তাদের নিজ নিজ নাগরিক ও বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিঘ্ন, বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কীভাবে সহযোগিতা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতেও ইউক্রেনের পরিস্থিতির উল্লেখ করা হয়নি।

    আরও পড়ুন : বাঃ! কোথা থেকে শিখলে? জাপানি শিশুর হিন্দিতে মুগ্ধ মোদি

    বাইডেন মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরুতেই মোদি বলেছিলেন, আমাদের ভাগ করা মূল্যবোধ এবং নিরাপত্তা সহ অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণ স্বার্থ, এই বিশ্বাসের বন্ধনকে শক্তিশালী করেছে। আমি নিশ্চিত যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গ্রহের স্থায়িত্ব এবং সর্বোপরি, মানবজাতির মঙ্গলের জন্য এটা প্রয়োজন।

     

  • Doval on Afghanistan: সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে, মানুষের পাশে সর্বদা থাকবে ভারত, বার্তা ডোভালের

    Doval on Afghanistan: সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে, মানুষের পাশে সর্বদা থাকবে ভারত, বার্তা ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানভূমে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে তাজিকিস্তানে আয়োজিত সাত দেশের আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৈঠকে সুর চড়াল ভারত (India)। ওই বৈঠকে ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (NSA Ajit Doval)। তিনি বলেন, ভারত বরাবরই আফগানিস্তানের (Afghanistan) জনতার পাশে রয়েছে। সুরক্ষা এবং সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে তাঁদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত। ডোভাল বলেন, আফগানিস্তানের মানুষের সঙ্গে আমাদের যে শতাব্দীপ্রাচীন বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে, তা কেউ কোনও দিন বদলাতে পারবে না।

    আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে চতুর্থতম এই আঞ্চলিক সম্মেলনটি সম্প্রতি হয় তাজিকিস্তানে। ভারত ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাশিয়া, চিন, ইরান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান এবং কিরঘিজস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কর্তারা। তবে সম্মেলনে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কোনও প্রতিনিধি। ডোভাল বলেন, যাঁরা এই আলোচনায় উপস্থিত রইলেন, তাঁদের প্রত্যেকের উচিত সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন দমনে আফগানিস্তানের হাত শক্ত করা। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডোভাল বলেন, আফগানিস্তানে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছে ১৭ হাজার মেট্রিক টন। ৫০ হাজার কোভ্যাক্সিনও পাঠানো হয়েছে। ১৩ টন জীবনদায়ী ওষুধ, পোলিও ভ্যাকসিনের ৬০ মিলিয়ন ডোজ এবং শীতপোশাকও পাঠিয়েছে।  

    আরও পড়ুন : মোদি-বাইডেন বৈঠকে উঠতে পারে ইউক্রেন, গম রফতানি প্রসঙ্গ

    ডোভাল বলেন, সুরক্ষা ও সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে আফগানিস্তানবাসীকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত। সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়ে তুলতে হবে। এই সময় আফগানিস্তান থেকে শয়ে শয়ে শরণার্থী এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে বলে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সতর্ক করে দেন রাশিয়ার প্রতিনিধি নিকোলাই পেত্রুশেভ। তার প্রেক্ষিতে ডোভাল বলেন, জীবনের অধিকারই আমাদের সর্বপ্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের পাশাপাশি সকলের মানবাধিকার সুরক্ষাও প্রয়োজন। তালিবান জমানায় নারীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গের অবতারণা করে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, নারী ও যুব সমাজ যে কোনও সমাজের ভবিষ্যতের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। বক্তৃতায় নারী শিক্ষা এবং নারীর ক্ষমতায়নের ওপরও জোর দেন ডোভাল। আফগান জাতি গঠনে আফগান সমাজের সব শ্রেণির প্রতিনিধিত্বের ওপরও জোর দেন তিনি।

    আরও পড়ুন :মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান

    ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) আবহেও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুতিনের (Putin) প্রতিনিধি। যার অর্থ, আফগানিস্তানে মার্কিন আধিপত্য বৃদ্ধি পাক, তা কোনওভাবেই চায় না মস্কো (Moscow)। চিনও (China) আফগামভূমে আধিপত্য বিস্তারে সচেষ্ট। অথচ আফগানিস্তানের নিকটতম প্রতিবেশী পাকিস্তানের কোনও প্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন না এই সম্মলেন। তাহলে কী সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া চালিয়েই যাবে পাকিস্তান (Pakistan)?  

     

  • Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি অবস্থা জারি হল শ্রীলঙ্কায়। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে সর্বোচ্চ ক্ষমতা অর্পণ করলেন সামরিক বাহিনীর হাতে। গণবিক্ষোভ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর। প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র জানান, আইনের প্রয়োগ যথাযথ করতেই এই কড়া আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলি। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছে তারা।

    ভয়ঙ্কর আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র। সম্প্রতি, ঋণখেলাপি তকমা লাগে দেশের মাথায়। তলানিতে ঠেকেছে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে জ্বালানি সঙ্কট। বিদেশি মুদ্রার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা। ডলার বাড়ন্তে আমদানি বন্ধ নিউজ প্রিন্ট। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সংবাদপত্র।

    জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই ভিটে ছেড়ে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের শরণ নিতে শুরু করেছেন শ্রীলঙ্কাবাসীর একাংশ। এহেন পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ একাধিক দেশ। তার পরেও হাল ফেরেনি দেশের আর্থিক অবস্থার। তাই নিত্য বিক্ষোভ-অশান্তি। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    মাসকয়েক আগে পদত্যাগ করেছে গোটা মন্ত্রিসভা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার পরেও ফেরেনি শ্রীলঙ্কার আর্থিক হাল। এই অবস্থায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন পড়ুয়ারাও। সংসদে যাওয়ার প্রধান রাস্তাও অবরোধ করে। আন্দোলনকারীদের হঠাতে কাঁদানে গ্যাস, জল কামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। তারপরেও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। আইইউএসএফ নেতা ওয়াসান্থা লিয়াংগে বলেন, আমরা পার্লামেন্টে যাওয়া-আসার সব রাস্তা বন্ধ করে দেব। তার আগে প্রেসিডেন্টকে ইস্তফা দিতে হবে। এদিকে, অনাস্থা আনতে স্পিকারের কক্ষেও এদিন বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা।

    ক্রমেই জোরাল হচ্ছে গোতাবায়ার পদত্যাগের দাবি। কূটনৈতিক মহলের দাবি, এই সব পরিস্থিতি সামাল দিতেই তড়িঘড়ি জারি করা হল জরুরি অবস্থা। 

  • China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা ছিল প্রজেক্ট হবে ১৫টি। খরচ হবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে (China Pakistan Economic corridor) মোট ১৫টি প্রজেক্টের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র ৩টি। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই তথ্য। প্রত্যাশিতভাবেই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার।

    ২০১৩ সালে চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর সংক্রান্ত চুক্তি হয়। ৪৬ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করে পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে চিন এই করিডর তৈরির চুক্তি চূড়ান্ত করে। পরে বিনিয়োগ আরও বাড়ে। শেষ হয় চিনের কাশগড় থেকে কারাকোরাম হাইওয়ে হয়ে পাকিস্তানের গ্বাদর (Gwadar) পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ। করিডর বরাবর পরিকাঠামোও তৈরি হয়েছে। শেষ হয়েছে আরও দুটি প্রকল্প। তবে বাকি ১২টি প্রকল্পের কাজ বিশ বাঁও জলে। এর মধ্যে রয়েছে জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টও। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার। তবে কাজ ঠিকঠাক গতিতেই এগোচ্ছে বলে দাবি চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা কর্তাদের।

    কথা ছিল, প্রজেক্টের ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করবে ড্রাগনের দেশ। বাকি টাকা দেবে পাক সরকার। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, চিনের আগ্রহের তালিকায় থাকা ৩টি প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকিগুলির কাজ কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না। এই অর্থনৈতিক করিডরের একাংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভিতর দিয়ে। যার প্রতিবাদও জানিয়েছে ভারত। তবে ভারতের ওই প্রতিবাদ কানে তোলেনি পাক সরকার।

    প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পাক ব্যবসায়ীদের তরফেও। জানা গিয়েছে, করিডর বেয়ে হু হু করে পাকিস্তানে ঢুকছে সস্তার চিনা পণ্য। আর পাকিস্তানের পণ্য চিনে ঢুকছে অত্যন্ত কম। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পাক ব্যবসায়ীরা। করিডর অথরিটিকে বাতিল করার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল। তিনি বলেন, এটি একটি অপ্রয়োজনীয় সংস্থা। যে কেবল দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। কাজের কাজ কিছু হয়নি।

     

  • IMF on Wheat export ban: ভারতকে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি আইএমএফ-র

    IMF on Wheat export ban: ভারতকে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি আইএমএফ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার (Wheat export ban) সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আরজি জানাল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (International Monetary Fund), সংক্ষেপে আইএমএফ (IMF)।

    সম্প্রতি, দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (World Economic Forum) একটি বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা (Kristalina Georgieva) বলেন, আমি জানি ভারতের প্রায় ১৩৫ কোটি লোককে খাওয়ানো প্রয়োজন। তাপপ্রবাহের জেরে সে দেশে যে কৃষি উৎপাদনশীলতা হ্রাস পেয়েছে, তাও জানি। তা সত্ত্বেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি ভারতকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানাব। কারণ যত বেশি দেশ রফতানি বিধিনিষেধের দিকে পদক্ষেপ করবে, তা দেখাদেখি অন্যরাও তা করবে। এতে আমরা সঙ্কট মোকাবিলায় ব্যর্থ হব।

    আরও পড়ুন : গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    প্রসঙ্গত, ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গত ১৩ মে গম রফতানি নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। ভারতের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছিলেন জি-৭ (G-7) দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীরা। ভারত বিশ্বে অন্যতম বড় গম রফতানিকারী দেশ। তাই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই বিপাকে পড়ে পশ্চিমের দেশগুলি। জার্মানির কৃষিমন্ত্রী সেম ওজদেমির বলেন, যদি সবাই রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বা বাজার বন্ধ করতে শুরু করে, তাহলে সঙ্কট আরও বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা ভারতকে জি-২০ (G-20) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। জানা গিয়েছে, জুনে জার্মানিতে হবে জি-৭ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে ভারতকে জি-২০-র দায়িত্ব নেওয়ার সুপারিশ করতে পারে পশ্চিমের দেশগুলি।

    যদিও, ক্রেতা সুরক্ষা ও খাদ্য বিপণন মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ট্যুইটারে বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের এক শতাংশেরও কম গম রফতানি করে ভারত। আমাদের রফতানি নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারকে প্রভাবিত করবে না। আমরা দুর্বল দেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলিতে রফতানির অনুমতি দিয়ে যাচ্ছি। 

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    অবশ্য গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির ব্যাপারে ভারতের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে চিন (China)। ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করে প্রতিবেশী দেশটি বলেছে, ভারত নিজেরাই খাদ্য সঙ্কটে থাকে। আজ পশ্চিমের কোনও দেশ যদি ভারতের মতো বিশ্ব খাদ্য সঙ্কটের (World Food Crisis) মুখে পড়ে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত, তখন প্রশ্ন উঠত কি? চিনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে জি-৭ দেশগুলিকে ভারতের সমালোচনা না করে নিজেদেরই খাদ্য সঙ্কটের মোকাবিলায় এগিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে দোষারোপ করলে খাদ্যসঙ্কট মিটে যাবে না। প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আজ জি-৭ দেশগুলি ভারতের কাছে আবেদন করছে যাতে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করা হয়। তাহলে এই দেশগুলি খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে নিজেরা কেন গম রফতানি বাড়াচ্ছে না? 

     

LinkedIn
Share