Tag: IOA

IOA

  • Kho Kho World Cup: আইওএ-র সহায়তায় ভারতে বসতে চলেছে প্রথম খো-খো বিশ্বকাপের আসর, কবে থেকে?

    Kho Kho World Cup: আইওএ-র সহায়তায় ভারতে বসতে চলেছে প্রথম খো-খো বিশ্বকাপের আসর, কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রের মুকুটে যুক্ত হতে চলেছে আরও একটি পালক। এবার খো খো বিশ্বকাপ (Kho Kho World Cup) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারতে। আগামী বছর বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব ১৩ থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির আইজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্রীড়াযজ্ঞকে সফল করতে ভারতীয় খো খো ফেডারেশনের সঙ্গে হাতে হাত রেখে কাজ করবে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার একথা জানিয়েছেন আইওএ-র সভাপতি পিটি উষা।

    আইওএ-র সহায়তা 

    মোট ২৪টি দেশ থেকে ছেলে এবং মেয়েদের ১৬টি দল খো খো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। ভারতীয় খো খো ফেডারেশনে সভাপতি সুধাংশু মিত্তাল বলেন, ‘খো খোর উৎস ভারতে। এই বিশ্বকাপ দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। খেলার প্রতিযোগিতামূলক দিকটাও প্রকাশ পাবে। যে খেলাটা মাটিতে শুরু হয়েছিল, এখন ম্যাটে হয়। বিশ্বের মোট ৫৪টি দেশ খেলে। আমরা ২০৩২ সালে অলিম্পিকে খো খোর অন্তর্ভুক্তি দেখতে চাই। এই বিশ্বকাপ সেই স্বপ্নের প্রথম পদক্ষেপ। তাই তাকে সফল করতে এগিয়ে এসেছে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। আমরা তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ।’ 

    খো খো বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

    দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই খো খো খেলা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডেও এই খেলার প্রচলন আছে। কাবাডির পর ভারতে এটাই সবচেয়ে ট্র্যাডিশনাল খেলা। ২০২২ সালের অগাস্টে ভারতে আল্টিমেট খো খো নামক একটি টুর্নামেন্ট হয়। সেটাই এই খেলার প্রথম পেশাদার লিগ। ফ্র্যাঞ্চাইজি‌ লিগের প্রথম বছর মোট ছটি দল অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন হয় গুজরাট জায়ান্টস। খো খো বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে ঘানা, কেনিয়া, ইংল্যান্ড, জার্মানি, ব্রাজিল এবং অস্ট্রেলিয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Olympics 2036: লক্ষ্য ২০৩৬, অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য লিখিত আবেদন জানাল ভারত

    Olympics 2036: লক্ষ্য ২০৩৬, অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য লিখিত আবেদন জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মাটিতে অলিম্পিক্স আয়োজনের লক্ষ্যে আরও একধাপ এগোল ভারত। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক্স আয়োজনের আবেদন জানাল ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্তা (আইওএ) (Indian Olympic Association)। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) (International Olympic Committee) কাছে এ প্রসঙ্গে ১ অক্টোবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স দেশে আয়োজনের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। এরপর থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। সেই প্রস্তুতি হিসেবে এবার আবেদন করা হল।

    দৌড়ে আর কারা?

    বিড প্রক্রিয়ায় আবেদন করার জন্য আইওএ একটি চিঠি লিখেছে আইওসিকে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইওসি। ভারত আবেদন করলেই অলিম্পিক্স আয়োজনের অনুমতি পাবে এমন নয়। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটির প্রধান থমাস বাক জানান, ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করতে চেয়ে অনেকগুলি শহর আবেদন করেছে। ভারত ছাড়াও ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করার দৌড়ে রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন, “২০৩৬ সালে ভারতের মাটিতে অলিম্পিক্স আয়োজন করার চেষ্টায় আমরা কোনও খামতি রাখব না। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের এটা বহু দিনের স্বপ্ন।”

    ২০২৮ সালের অলিম্পিক্স হবে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসে (Los Angeles)। ২০৩২ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন হবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে (Brisbane)। প্রসঙ্গত, ২০৩৬-এর স্বপ্ন পূরণ করতে হলে ভারতের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। ২০৩০ সালে যুব অলিম্পিক হতে চলেছে। যা আয়োজন করতে উঠেপড়ে লেগেছে ভারত। মুম্বই শহরকে সামনে রেখে এগোতে চাইছে আইওএ। অতীতে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করেছে ভারত। এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে ভারতীয় ভোজ! প্যারিসে নীরজদের পাতে ভাত-ডাল-রুটি, সঙ্গে কী?

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে ভারতীয় ভোজ! প্যারিসে নীরজদের পাতে ভাত-ডাল-রুটি, সঙ্গে কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিকে (Paris Olympics 2024) এবার খাদ্যতালিকায় মিলবে ভারতীয় খাবার। গেমস ভিলেজে নীরজ চোপড়া, শ্রীজেশ, সাত্ত্বিক সাইরাজরা একদম ঘরের খাবার পাবেন। আগের গেমস ভিলেজগুলোর কিছুটা অন্য রকম খাবার চাখতে গিয়ে প্রথম দিকে সমস্যায় পড়তে হত ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের। কারণ ঠিকঠাক ভারতীয় খাবার সেখানে মিলত না। এবার প্যারিসের ডাইনিং হলে ভারতের ছেলেমেয়েরা তাঁদের পছন্দের খাবার পাবেন। ২৬ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়ার মহাযজ্ঞ। গেমসে অংশ নিতে যাওয়া দশ হাজারেরও বেশী অ্যাথলিটরা থাকবেন প্যারিসের সুবিশাল অলিম্পিক ভিলেজে (Olympic Village)। অলিম্পিক ভিলেজের হেঁশেল খুলে যাবে ২১ জুলাই থেকেই। 

    খাদ্য তালিকায় কী কী

    বিগত অলিম্পিকের (Paris Olympics 2024)আসরে ভারতীয় খাবার বলে আলাদা করে কিছুই মিলত না। সারা বিশ্বের ক্রীড়াবিদদের জন্য খাবারের তালিকা ভাগ করা হত, মহাদেশ ধরে। ভারতীয়দের খেতে হত এশিয়ান খাবার। তবে তার স্বাদ মোটেই ভারতীয় খাবারের সঙ্গে মিলত না।   কিন্তু বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায়, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের উদ্যোগে এবং ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সক্রিয় পদক্ষেপে এবার এই সুবিধা পেতে চলেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। আইওএ-র তরফে অনেক আগেই একটা মেনু লিস্ট পাঠানো হয়েছিল প্যারিস অলিম্পিক্সের সংগঠকদের। কয়েকদিন আগে মিটিংয়ে ভারতীয় কর্তাদের দাবি মেনে নিয়েছেন সংগঠকরা, এমনই জানিয়েছেন ভারতের ডেপুটি শ্যেফ দ্য মিশন মুকুল কেশবন। ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (IOA) সূত্রে খবর,  এবার গেমস ভিলেজের রান্নাঘরে যেমন বাসমতী চালের ভাত, ডাল, রুটি, আলু-কপির তরকারি, একটু ঝাল ঝাল চিকেনকারি থাকছে, তেমনই দক্ষিণ ভারতীয়দের জন্য একটু টক-টক স্বাদের চিকেনকারিও থাকবে।

    আরও পড়ুন: কলকাতার সামনে হায়দরাবাদ, জেনে নিন আইপিএল প্লে-অফে কবে কার সঙ্গে কার খেলা?

    ঘরের খাবারের স্বাদ দেওয়া লক্ষ্য

    অলিম্পিকের (Paris Olympics 2024) মতো কঠিন গেমসে ভারতের ক্রীড়াবিদরা যাতে ঘরের মতো পরিবেশ পায়, সেটা দেখাই ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (IOA) মূল উদ্দেশ্য। আইওএ সূত্রে খবর, সংস্থার তরফে বেশ কয়েকজন নিউট্রিশিয়নিস্টের সঙ্গে আলোচনাও করে নেওয়া হয়েছে খেলোয়াড়দের খাদ্য তালিকা নিয়ে। খাবারের পুষ্টিগুণ বজায় রেখেই খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট পিটি উষা বলেছেন, ‘প্যারিস অলিম্পিকে একঝাঁক তরুণ অ্যাথলিট দেশের জন্য লড়বেন। এটা একটা বিরাট দিক। তাঁদের অভিজ্ঞতা, দায়বদ্ধতা ও খেলার প্রতি প্যাশন অন্যদের প্রেরণা জোগাবে। এদের দেখেই সাফল্য পাবে, ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাবে দেশের শিশু-কিশোর অ্যাথলিটরা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Wrestling: তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর! কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত ব্রিজভূষণ

    Indian Wrestling: তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর! কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত ব্রিজভূষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের আশ্বাস পেয়ে অবশেষে বিক্ষোভ তুলে নিলেন বজরং পুনিয়া, ভিনেশ ফোগাটরা। ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছিলেন একঝাঁক তারকা কুস্তিগীর। যা ভারতীয় ক্রীড়ামহলে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় ক্রী‌ড়ামন্ত্রক সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। যতদিন তদন্ত চলবে, ততদিনের জন্য ব্রিজভূষণকে কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রীর এই পদক্ষেপে খুশি বজরংরা। শুক্রবার রাতে তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আপাতত ধর্না তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

    রাজনীতির চেষ্টা

    কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে খুনের হুমিক, আর্থিক তছরুপ এবং যৌন হেনস্থার মতো অভিযোগ তুলেছেন ভিনেশরা। তার পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এর ফায়দা তুলতে ময়দানে নেমে পড়েছিল। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দা কারাতও হাত সেঁকার চেষ্টা করেছিলেন। কংগ্রেসের আর এক নেতা তথা হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হুড্ডা বিক্ষোভকারীদের মদত জোগাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠছিল।

    আরও পড়ুন: রাজনীতি করবেন না! ধর্না মঞ্চ থেকে বৃন্দা কারাতকে নামিয়ে দিলেন কুস্তিগীররা

    কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় সরকার কখনওই চায়নি, এই বিক্ষোভের মধ্যে রাজনীতি জড়িয়ে পড়ুক। বরং অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বার বার বলে আসছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রী‌ড়ামন্ত্রী। প্রথমে তিনি বিক্ষোভকারী কুস্তিগীরদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেন্দ্রের দূত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন আর এক কুস্তিগীর ববিতা ফোগাটকে। তার পরেও সমাধানের পথ বেরোচ্ছিল না। কারণ, বজরংদের একটাই দাবি ছিল, ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে ব্রিজভূষণ শরণ সিংকে অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। তবে সেটা করাও সহজ ব্যাপার নয়। তিনি যেহেতু নির্বাচিত প্রতিনিধি, তাই কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে জোর করে পদ থেকে সরিয়ে দিলে অন্য বার্তা যেত বিশ্ব কুস্তি ফেডারেশনের কাছে। সেক্ষেত্রে ভারতের উপর নির্বাসন চাপতে পারত। তাই সাত সদস্যের কমিটি কঠিন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। পাশাপাশি শুক্রবার রাতে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বিক্ষোভকারী কুস্তিগীরদের সঙ্গে কথা বলেন। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে যথপোযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তার পরেই বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কুস্তিগীররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PT Usha: ইতিহাস গড়ে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি হলেন পিটি ঊষা

    PT Usha: ইতিহাস গড়ে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি হলেন পিটি ঊষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে এক নতুন যুগের সূচনা করলেন পিটি ঊষা (PT Usha)। কিংবদন্তি পিটি ঊষা শনিবার ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই পদে বসেছেন তিনি। তার সভাপতি হওয়ার কথা আগেই ঠিক হয়ে ছিল। গতকাল তা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হল ও তাতে সিলমোহর দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত শীর্ষ আদালতেরই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাওয়ের তত্ত্বাবধানে গতকাল হল আইওএ নির্বাচন।

    ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা সভাপতি…

    ঊষা ভারতের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রীড়াবিদ (PT Usha)। ৫৮ বছর বয়সী পিটি ঊষা এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক জয়ী এবং ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে  ৪০০ মিটার হার্ডলস ফাইনালে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে এশিয়ান গেমসে ১১টি পদক জিতেছিলেন ঊষা। তার মধ্যে ছিল চারটি সোনা। ১৯৮৬ সালের সোল এশিয়ান গেমসে ২০০ মিটার, ৪০০ মিটার, ৪০০ মিটার হার্ডলসে ও ৪ X ৪০০ মিটার রিলে রেসে সোনা জিতেছিলেন তিনি। ১৯৮২ সালে দিল্লি এশিয়ান গেমসেও ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড়ে পদক জিতেছিলেন ঊষা। এরপর ঊষা ১৯৯০ সালে অবসর ঘোষণা করেছিলেন। পরের বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু ১৯৯৪ সালে ফের ট্র্যাকে ফেরেন হিরোশিমা এশিয়ান গেমসে। সেখানে তিনি রুপো জিতেছিলেন। ১৯৯৫ সালে তাঁর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়। তারপরেই ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিক্সের আগে পাকাপাকিভাবে অবসরের ঘোষণা করে দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: নেইমার থেকে রোনাল্ডো বিদায়, অঘটনের বিশ্বকাপ!

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতির পদে…

    ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে নির্বাচন ছিল ১০ ডিসেম্বর। ২৭ নভেম্বর ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার উমেশ সিনহা জানিয়েছিলেন, ঊষা ছাড়া আর কেউ সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেননি। আর কেউ মনোনয়ন জমা না দেওয়ায় ঊষা যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি হবেন তা নিশ্চিত ছিল। ফলে ২৭ নভেম্বরই ঊষাকে (PT Usha) ট্যুইটে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন কিরণ রিজিজু।

    আইওএ-র ৯৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সভাপতি পদে বসলেন কোনও অলিম্পিয়ান এবং আন্তর্জাতিক স্তরে কোনও পদকজয়ী। ভারতের হয়ে ১৯৩৪ সালে টেস্ট খেলা মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আইওএ-র শীর্ষ পদে বসেছিলেন ১৯৩৮ সালে। তৃতীয় আইওএ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার নেওয়ার পর সেই পদে ছিলেন ১৯৬০ সাল পর্যন্ত। তারপর এই প্রথম দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কোনও ক্রীড়াবিদ আইওএ সভাপতি হলেন।

    আইও-এর নির্বাচন ২০২১-এ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইওএ-এর সংঘাতের কারণে তা হয়নি। এই বছরের মধ্যে আইওএ-এর নির্বাচন না করে নতুন বোর্ড গঠন না করলে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা আইওএ-কে নির্বাসন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ফলে এবছর নির্বাচন হতেই হত। তবে পিটি ঊষা (PT Usha) সভাপতি পদে বসার সঙ্গে সঙ্গেই আইওএ-এর অন্দরের সংকটের অবসান হল বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এবারে কিংবদন্তী ক্রীড়াবিদ পিটি উষার (PT Usha) নতুন ইনিংসের দিকে তাকিয়ে পুরো ক্রীড়া মহল।

LinkedIn
Share