Tag: ipc

ipc

  • Bharatiya Nyaya Sanhita: বদলাল ধর্ষণের সংজ্ঞা, বাড়ল সাজার মেয়াদ, নয়া আইনে মৃত্যুদণ্ড কোন অপরাধে?

    Bharatiya Nyaya Sanhita: বদলাল ধর্ষণের সংজ্ঞা, বাড়ল সাজার মেয়াদ, নয়া আইনে মৃত্যুদণ্ড কোন অপরাধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ পয়লা জুলাই থেকে দেশে কার্যকর হয়ে গেল নয়া তিন আইন – ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। সংসদে পাশ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হয়েছিল আইনে। লাগু হল আজ, সোমবার থেকে। নয়া আইন লাগু হওয়ায় অতীত হয়ে গেল আইপিসি।

    ধর্ষণের সংজ্ঞা (Bharatiya Nyaya Sanhita)

    নয়া আইনে বদলে গিয়েছে ধর্ষণের সংজ্ঞা। ব্রিটিশ আইনের ৩৭৫ ধারা থেকে ধর্ষণকে নিয়ে আসা হয়েছে নয়া আইনের ৬৩ নম্বর ধারায়। দুটো সংশোধনীও আনা হয়েছে। এর একটি হল ১৫ বছরের নীচের কোনও কিশোরী বিবাহিত হলেও ধর্ষণের মামলা দায়ের করতে পারবে।  ৬৪ নম্বর ধারায় ধর্ষণের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ আইনে ১৬ বছরের নীচে কোনও কিশোরীক ধর্ষণের সাজা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। নয়া আইনে বলা হয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের ধর্ষণের ক্ষেত্রেই শাস্তি দেওয়া হবে (৬৫ নম্বর ধারা, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ধর্ষণের সাজা)। ৬৫ (১) ধারা অনুযায়ী, ষোড়শ বর্ষীয়া কিংবা তার নীচের বয়সি কোনও কিশোরী ধর্ষণের শিকার হলে দোষী ব্যক্তিকে ২০ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে। ৬৫ (২) ধারায় বারো বছরের নীচের কোনও নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হল দোষী ব্যক্তিকে সাজা ভোগ করতে হবে অন্তত ২০ বছর। যাবজ্জীবন জেল হতে পারে। হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও। ধর্ষিতার পুনর্বাসনের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে গুণতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। এই জরিমানার মধ্যেই ধরা থাকবে নির্যাতিতার চিকিৎসার খরচও (Bharatiya Nyaya Sanhita)। জরিমানার টাকা তুলে দিতে হবে নির্যাতিতার হাতেই।

    আর পড়ুন: ‘‘দিদির বাংলা মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়’’, চোপড়া ইস্যুতে মমতাকে তোপ নাড্ডার

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    প্রতারণা করে কিংবা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও ভোগ করতে হবে কড়া শাস্তি। এক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আইনে ‘ডিসিটফুল মিনস’ শব্দবন্ধ প্রয়োগ করা হয়েছে। চাকরির প্রতিশ্রুতি কিংবা প্রোমোশানের টোপ অথবা পরিচয় গোপন করে বিয়ে, এসবই পড়বে ডিসিটফুল মিনসের মধ্যে।

    গণধর্ষণ

    গণধর্ষণের ক্ষেত্রেও কড়া সাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে (Bharatiya Nyaya Sanhita)। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ২০ বছর থেকে আজীবন কারাদণ্ডের সাজার কথা বলা হয়েছে। যৌন হিংসার মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতার বয়ান নেওয়া হবে তাঁরই বাড়িতে গিয়ে। বয়ান নথিবদ্ধ করা হবে একজন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। সাজার সঙ্গে সঙ্গে এ ক্ষেত্রেও বিধান রয়েছে জরিমানার। এই জরিমানার মধ্যেও ধরা থাকবে নির্যাতিতার চিকিৎসার যাবতীয় খরচখরচাও। ১৮ বছরের নীচের কোনও বালিকা ধর্ষণে সাজা হবে মৃত্যু কিংবা কারাদণ্ড।

    মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থা

    মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থার সাজা বিধানও করা হয়েছে নয়া আইনের ৭৩ থেকে ৭৭ নম্বর ধারায় (Bharatiya Nyaya Sanhita)। মহিলাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন, কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ কিংবা অঙ্গভঙ্গীর ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে ৭৮ নম্বর ধারায়। মহিলাদের বিরক্ত উৎপাদন করে এমন কোনও কাজ করলেও ভোগ করতে হবে কড়া সাজা। ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থার মামলায় বিচার হবে এসবের।

    বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ

    বিবাহ সংক্রান্ত নানা অপরাধের ক্ষেত্রেও সাজার বিধান রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায়। পণসংক্রান্ত মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে আসা হয়েছে নয়া আইনের ৭৯ নম্বর ধারায়। এই সব মামলার বিচার হবে ‘অফেনসেস রিলেটিং টু ম্যারেজ’ ব্যানারে। এ সংক্রান্ত সমস্ত আইন রয়েছে নয়া আইনের ৮০ থেকে ৮৪ নম্বর ধারায়। ৪৯৪ (স্বামী বা স্ত্রী বেঁচে থাকতে দ্বিতীয়বার দার পরিগ্রহণ) এবং ৪৯৫ (পূর্বের বিয়ে লুকিয়ে ফের বিয়ে করা) এই দুটিকে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে নয়া আইনের ৮১ নম্বর ধারায়। কোনও মহিলাকে অপহরণ, জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া কিংবা জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে ৮৫ নম্বর ধারায়। নারী এবং শিশুদের ক্ষেত্রে এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হবে এই ধারায়।

    গর্ভপাত

    নয়া আইনে জোর করে গর্ভপাত করা হলে কী শাস্তি হবে, তারও বিধান রয়েছে। গর্ভপাতের কারণ, মহিলার সম্মতি ব্যতিরেকে গর্ভপাত, জন্মের পর শিশুকে মেরে ফেলা কিংবা এমন কোনও কাজ করা যা শিশুর পৃথিবীতে আসা বন্ধ করে এসব ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৮৬ থেকে ৯০ নম্বর ধারায়।

    শিশু সুরক্ষা

    নয়া আইনে শিশুদের সুরক্ষায়ও রয়েছে নানা বিধান। বারো বছরের নীচের কোনও শিশুকে পরিত্যাগ এবং শিশু মৃত্যু গোপন করা বা মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলা সংক্রান্ত সাজার বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৯১ ও ৯২ ধারায়। কোনও ব্যক্তি যদি ১৮ বছরের নীচে কোনও শিশুকে ভাড়া করে, কাজে লাগায় কিংবা তাকে দিয়ে কাজ করায়, তাহলেও সাজা ভোগ করতে হবে ওই ব্যক্তিকে। শিশুটির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হলেও, পেতে হবে কড়া শাস্তি। শিশুটি যৌন নিগ্রহের শিকার হলেও অপরাধীর সাজার বিধান রয়েছে। শিশুটিকে দিয়ে পর্নোগ্রাফি বানালেও ভোগ করতে হবে কড়া সাজা। অন্য কোনও ব্যাক্তির সঙ্গে যৌন সম্পর্কেও লিপ্ত করানো যাবে না শিশুটিকে। এসব ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হলে কারাবাস করতে হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত। গুণতে হবে জরিমানাও। ১০ বছরের নীচে কোনও বাচ্চাকে অপহরণ করা হলেও, কড়া সাজা ভোগ করতে হবে। কারাবাস হতে পারে ৭ বছর পর্যন্ত, সঙ্গে দিতে হবে জরিমানাও। শিশু বিক্রি কিংবা পতিতার কাজে লাগানো হলে কী শাস্তি হবে, তার বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৯৬ ও ৯৭ নম্বর ধারায় (Bharatiya Nyaya Sanhita)।

    প্রসঙ্গত, পয়লা জুলাইয়ের আগে পর্যন্ত যে প্রায় সাড়ে চার কোটি মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলির বিচার হবে পুরানো আইনেই। পয়লা জুলাই থেকে যেসব অভিযোগ দায়ের হবে, সেগুলির বিচার হবে নয়া আইনে। নয়া আইনে এফআইআর থেকে শুরু করে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই সেরে নেওয়া যাবে অনলাইনে (Bharatiya Nyaya Sanhita)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ যুগের তিন আইনে বদল আনা হয়েছে।” শনিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। হরিয়ানা সরকার ও গান্ধীনগরের পাঁচকুল্লায় ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? (Amit Shah)

    সেখানেই তিনি বলেন, “ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় হরিয়ানায় আজ ফৌজদারি মামলাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেওয়া গিয়েছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “ব্রিটিশ যুগের তিন আইন, যা ভারতে বিচারব্যবস্থায় প্রচলিত ছিল, দ্রুত বিচার পাইয়ে দিতে সেই আইনের ধারণায় বদল আনা হয়েছে। সবাই যাতে বিচার পেতে পারেন, সেজন্যও আনা হয়েছে পরিবর্তন। এই সব পরিবর্তনের অঙ্গ হিসেবে সাত বছর কিংবা তার বেশি কারাবাসের শাস্তি হতে পারে এমন অভিযোগের ক্ষেত্রে ফরেন্সিক টিমের ঘটনাস্থলে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “এতে দেশজুড়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বাড়বে। যাঁদের তৈরি করবে ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়।”

    ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ক্যাম্পাস হবে’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মানব সম্পদ তৈরি করতে হবে এই নয়া ফৌজদারি আইন ইমপ্লিমেন্ট করতে হলে। এই কারণেই এহেন উদ্যোগ নিয়েছেন ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই সব নয়া আইন তৈরির নেপথ্যেও ছিলেন তাঁরা।” তিনি জানান, দেশের ৯টি রাজ্যে তৈরি হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। দেশজুড়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি ক্যাম্পাস খোলার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, “এতে ম্যান পাওয়ার বাড়বে। দ্রুত ফাঁস করা যাবে অপরাধের রহস্যের পর্দা। সাজাও দেওয়া যাবে তাড়াতাড়ি।”

    আর পড়ুন: বিরল নজির, ভারতের দুই বাহিনীর প্রধান দুই সহপাঠী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে যে কেবল প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ মিলবে তা নয়, তৃণমূলস্তরেও পৌঁছে যাবে নয়া আইনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।” এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে ল্যাবরেটরি এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটও। এতে যে আদতে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী দু’তরফেরই সুবিধা হবে, তারও উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যদি এখানে পরিকল্পনা করে একটি ইনস্টিটিউট খোলা হয়, তাহলে ভারত সরকার নিজ ব্যয়ে এখানে ট্রেনিংয়ের সুব্যবস্থা করে দেবে। এই ফরেন্সিক বিশ্ববিদ্যালয় যে কেবল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেবে এবং ম্যান পাওয়ার তৈরি করবে তা-ই নয়, এটি ফরেন্সিক পরিকাঠামোকেও মজবুত করে তুলবে (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস পেতেই উঠে গেল ট্রাকচালক ও বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থার বিক্ষোভ-প্রতিবাদ কর্মসূচি। নতুন ন্যায় সংহিতায় গাড়ি চাপা দেওয়ার (হিট অ্যান্ড রান) শাস্তি নিয়েই আপত্তি তোলে বিভিন্ন ট্রাকচালক সংগঠন (Truck Strike Latest Update)। মঙ্গলবারই ন্যায় সংহিতায় যে সংস্থান রয়েছে তা কার্যকর হওয়ার আগে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। এরপরেই দেশ জুড়ে ট্রাকচালকরা (Truck Strike Latest Update) তাঁদের বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    বৈঠক অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে 

    মঙ্গলবার অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি আইন কার্যকর করার আগে বিবেচনা করা হবে। অজয় বলেন, ‘‘নতুন আইন এখনও কার্যকর হয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৬/২ ধারা কার্যকর করার আগে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, গাড়ি চাপা দেওয়ার নতুন আইনের বিরুদ্ধে ভারত জুড়ে বেশ কয়েকটি পরিবহণ সমিতি প্রতিবাদ শুরু করে (Truck Strike Latest Update)। ভারতীয় দণ্ডবিধিকে সরিয়ে দিন কয়েক আগেই এসেছে ন্যায় সংহিতা। সেখানেই একটি ধারায় বলা হয়েছে, চালকের ভুলে গাড়ি দুর্ঘটনা হলে এবং সেটা পুলিশ বা প্রশাসনের কোনও আধিকারিককে না জানিয়ে যদি তিনি পালিয়ে যান, সেক্ষেত্রে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। জানা গিয়েছে, আগে আইপিসি বা ভারতীয় দণ্ডবিধিতে এই ধরনের মামলায় শাস্তির মেয়াদ ছিল দু’বছর। তবে এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস মিলতেই বেশ খুশি ট্রাক চালকরা।

    কী বলছেন ট্রাক চালক সংগঠনের নেতা?

    বিক্ষোভ প্রশমনে কেন্দ্রের উদ্যোগ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সভাপতি অমিত মদন বলেন, ‘‘আপনারা শুধু চালক নন, আপনারা আমাদের সৈনিক। আমরা চাই না যে আপনারা কোনও রকম সমস্যার মুখোমুখি হন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিষয়টি এখনও মুলতুবি (Truck Strike Latest Update) রেখেছেন। অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত ওই আইন কার্যকর করা হবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ৪৯৮এ ধারায় মামলা, অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার নয়! পুলিশের জন্য নির্দেশিকা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ৪৯৮এ ধারায় মামলা, অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার নয়! পুলিশের জন্য নির্দেশিকা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় মামলা হলে অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা যাবে না বলে পুলিশকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এক্ষেত্রে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে পুলিশকে। প্রসঙ্গত, ভারতীয় দণ্ডবিধির এই ধারায় কোনও মহিলার ওপর অত্যাচারের ক্ষেত্রে তাঁর স্বামী ও স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়। 

    কী এই ধারা

    সাম্প্রতিক অতীতে এমন বেশ কয়েকটি মামলা সামনে এসেছে, যেখানে এই ৪৯৮ এ ধারা অন্যায় ভাবে প্রয়োগ করে, প্রকৃতপক্ষে নির্দোষ স্বামী বা তার পরিবার পরিজনকে হয়রান করা হয়েছে। মামলাগুলিতে দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু মহিলা এই আইনের অপপ্রয়োগ করে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের থেকে মোটা টাকা আদায় করার চেষ্টা করছে। এই অন্যায় রুখতে এবার সক্রিয় হল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

    কী বলল আদালত

    সেকশন ৪০ প্রয়োগ: আইন বলছে, পুলিশ যখন ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাবে, সেক্ষেত্রে স্বতপ্রণোদিতভাবে সেকশন ৪০ প্রয়োগ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় ডেকে পাঠাবে মামলার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যদি পুলিশ আধিকারিকের মনে হয় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা, তাহলে এ ক্ষেত্রে গ্রেফতারি এড়ানো যেতে পারে। তবে দুই পক্ষের আলোচনায় বিবাদ মিটিয়ে নেওয়া যেতে পারে অথবা মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার সুযোগ পেতে পারেন অভিযুক্ত ।

    সরাসরি গ্রেফতার নয়: সেকশন ৪০ প্রয়োগ না করেই বধূ নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্তকে যদি পুলিশ সরাসরি গ্রেফতার করে, তাহলে তা তদন্তের গাফিলতি হিসাবেই বিবেচিত হবে। আর এ ক্ষেত্রে আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো যেতে পারে। অভিযোগ প্রমাণ হলে বধূ নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত জামিনের আবেদন করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রাণ হাতে করে গ্রামে বাস করছি’’, দত্তপুকুরে রাজ্যপালকে নালিশ মহিলাদের

    উপযুক্ত প্রমাণ পেশ: কোর্ট বলছে, ‘ যদি ফৌজদারি আইন একজন অভিযোগকারীকে একটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি দেয়, তাহলে এটিকে যৌক্তিক প্রমাণ প্রতিপন্য করে, তাকে ন্যায়সঙ্গত করতে হবে।’

    গ্রেফতারের কারণ নথিভুক্ত করা: একজন অভিযুক্তকে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পরে, পুলিশ অফিসারকে অবশ্যই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের উপযুক্ত কারণ দর্শাতে হবে।

    ম্যাজিস্ট্রেটদের ভূমিকা: ম্যাজিস্ট্রেটদের, আটকের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে, “পুলিশ অফিসার দ্বারা পূর্বোক্ত শর্তাবলীতে প্রদত্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র তার সন্তুষ্টি রেকর্ড করার পরে, ম্যাজিস্ট্রেট আটকের অনুমোদন দেবেন।”

    সময়োপযোগী রিপোর্টিং: একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করার সিদ্ধান্ত অবশ্যই “মামলার প্রতিষ্ঠানের তারিখ থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে” জানিয়ে দিতে হবে, যাতে বৈধ কারণে সময় বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘আইনি সন্ত্রাস’’! ৪৯৮-এ ধারার অপব্যবহারে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ‘‘আইনি সন্ত্রাস’’! ৪৯৮-এ ধারার অপব্যবহারে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮-এ ধারা যত্রতত্র ব্যবহার করে ‘আইনি সন্ত্রাস’ করছেন মহিলারা। সোমবার এক মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮-এ ধারা অনুযায়ী, বিবাহিত কোনও মহিলা শ্বশুরবাড়িতে নিষ্ঠুরতার শিকার হলে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের শাস্তি হবে। আদালতের মতে, এই ধারারই অপব্যবহার করছেন মহিলারা।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ২০১৭ সালের একটি মামালার শুনানি হচ্ছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভেন্দু সামন্তের সিঙ্গল বেঞ্চে। এক মহিলার অভিযোগ, তাঁর স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করেন। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে স্ত্রীর করা সব অভিযোগ সরিয়ে নেওয়ার আর্জি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলার স্বামীও। এই মামলার শুনানিতেই এদিন বিচারপতি সামন্ত বলেন, “সমাজ থেকে পণের ভয় দূর করতে আইনসভা ৪৯৮-এ বিধান প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, উক্ত বিধানের অপব্যবহার করে নতুন আইনি সন্ত্রাসের রাস্তা উন্মোচিত হচ্ছে।” আদালত জানিয়েছে, যদি ফৌজদারি আইন একজন অভিযোগকারীকে একটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি দেয়, তাহলে এটিকে যৌক্তিক প্রমাণ প্রতিপন্ন করে তাকে ন্যায়সঙ্গত করতে হবে।

    মহিলার অভিযোগ

    বিচারপতি (Calcutta High Court) সামন্ত বলেন, “আমি মনে করি যে, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে (এই মামলায়) অভিযোগ দায়ের করা তাৎক্ষণিক ফৌজদারি মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে কোনও অভিযোগ দাঁড়াচ্ছে না।” আদালত বলেছে, “এই উদ্যোগ কেবলমাত্র ব্যক্তিগত রাগ নিয়ে দায়ের করা হয়েছে।” আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পরেই খারিজ হয়ে যায় মামলা। 

    আরও পড়ুুন: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা মোদির, কী বললেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রথম স্বামীর বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন ওই মহিলা। অভিযোগ (Calcutta High Court) পেয়ে পুলিশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশীর বয়ান রেকর্ড করে। পুলিশ লক্ষ্য করে, স্বামীর বিরুদ্ধে সাধারণ কয়েকটি অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। ওই বছরেরই ডিসেম্বর মাসে ফের একটি মামলা দায়ের করেন ওই মহিলা। এবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করা হয় স্বামীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    Amit Shah: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ভারতীয়করণের লক্ষ্যে শুক্রবার লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই বিল তিনটি হল, ‘দ্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩’, ‘দ্য ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ বিল ২০২৩’। ব্রিটিশ আমলে তৈরি ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (ভারতীয় দণ্ডবিধি)’, ‘কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর’ এবং ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্টে’র জায়গা দখল করতে চলেছে শাহের পেশ করা বিল তিনটি।

    নয়া বিল পেশে শাহের যুক্তি 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই তিন আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে চলেছে। ব্রিটিশ প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী করাই লক্ষ্য ছিল এই আইনগুলির। আইনগুলির লক্ষ্য ছিল শাস্তি দেওয়া, ন্যায় বিচার দান নয়। এর পরিবর্তে নতুন তিনটি আইন আনা হচ্ছে যা ভারতের নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করতে চলেছে।” তিনি বলেন, “এই আইনগুলির লক্ষ্য শাস্তি দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায় পান, তাই আনা হচ্ছে আইনগুলি। অপরাধ যাতে থামানো সম্ভব হয়, সেই লক্ষ্যে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।”

    রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) জানান, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে জেল হয় তিন বছরেরও। নয়া প্রস্তাবে তিন বছরের জেলের সাজা হতে পারে। গণপিটুনিকে হত্যার পরিভাষার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, জন্মস্থান, ভাষা, ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা অন্য কোনও কারণে হত্যার ক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া হবে। ন্যূনতম সাজা সাত বছর জেল। সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড। জরিমানাও করা হবে।

    আরও পড়ুুন: এবার শিলিগুড়ির ২২ শিক্ষককে তলব, জিজ্ঞাসাবাদে কী জানতে চাইছে সিবিআই?

    যদি কোনও ব্যক্তি ঘৃণা ভাষণ কিংবা উসকানিমূলক ভাষণ দেন, তাহলে তাঁর তিন বছর জেল হবে। সঙ্গে রয়েছে জরিমানাও। যদি কোনও ধর্মীয় সমাবেশে কোনও অংশ বা শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ভাষণ দেওয়া হয় তাহলে, অভিযুক্তের পাঁচ বছরের জেল হবে। শাহ জানান, ছোট কোনও অপরাধের জন্য কমিউনিটি সার্ভিস বা সেবার শাস্তি নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। গণধর্ষণের ক্ষেত্রে ২০ বছর পর্যন্ত জেল বা যাবজ্জীবন সাজার বিধান আনা হবে। নাবালিকা ধর্ষণের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান (Amit Shah) আনা হবে। নয়া বিলে মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধকে সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হলে অপরাধীকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share