Tag: IPO

IPO

  • Tata IPO: লক্ষ্মীবারে বিপুল লক্ষ্মীলাভ! ডেবিউ-র দিনই মাল্টিব্যাগার স্টকে পরিণত টাটা টেকের শেয়ার!

    Tata IPO: লক্ষ্মীবারে বিপুল লক্ষ্মীলাভ! ডেবিউ-র দিনই মাল্টিব্যাগার স্টকে পরিণত টাটা টেকের শেয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা ছিলই। হলও তাই। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবারে দুর্দান্ত রিটার্ন দিয়ে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হল টাটা গোষ্ঠীর শেয়ার (Tata IPO)। টাটা টেকনোলজিস শুরুই করল ১৪০ শতাংশ লাভ নিয়ে। স্বাভাবিকভাবই লক্ষ্মীবারে বেশ ভালই লক্ষ্মীলাভ হল বিনিয়োগকারীদের। 

    টাটার আইপিওতে সাবস্ক্রাইব ৫০০ টাকায়

    এদিন সকাল ১০টা নাগাদ টাটা গোষ্ঠীর এই শেয়ার এনএসইতে ১২০০ টাকা ও বিএসইতি ১১৯৯.৯৫ টাকায় লিস্টিং হয়। অর্থাৎ শুরুতেই শেয়ারের প্রতি স্ক্রিপ বা ইউনিটে ৭০০ টাকার মুনাফা। টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিওতে লট সাইজের আকার ছিল ৩০। তাই এই ছ’ দিনেই বিনিয়োগকারীরা শুরুতেই মুনাফা লুটলেন ২১ হাজার টাকা। তার পর দিন যত এগিয়েছে উপরে উঠতে থেকেছে গ্রাফ। একটা সময় ১৪০০ টাকায় পৌঁছে যায় এই শেয়ারের দর। অর্থাৎ, প্রিমিয়াম বা মুনাফার পরিমাণ ১৮০ শতাংশ। সেখানে থেকে কিছুটা নেমে এদিন বাজার বন্ধের সময় এই শেয়ারের দর দাঁড়ায় ১৩১৩ টাকায়। অর্থাৎ ১৬২ শতাংশ প্রিমিয়ামে। 

    বিনিয়োগকারীরা টাটা গোষ্ঠীর এই আইপিওতে সাবস্ক্রাইব করেছিলেন ৫০০ টাকায়। আইপিও-র মাধ্যমে এই সংস্থা ২২০০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়েছিল। কিন্তু, বিড বা আগাম বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল ১.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার। অর্থাৎ, প্রায় ৭০ গুণ ওভার-বুকিং হয়েছিল। ফলত, যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের সকলে অ্যালটমেন্ট পাননি। কিন্তু, এই ওভার-বুকিং থেকেই আভাস মিলেছিল যে, এই স্টক বাজারে ধামাল করবে। আর ঠিক সেটাই হলো। 

    মাত্র ছ’দিনে এই আইপিও-র মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অর্থ দ্বিগুণের বেশি হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার বাজার বন্ধের সময় এক-একটি স্ক্রিপে লাভের পরিমাণ ৮১৩ টাকা। টাটা টেকের এই শেয়ার যে ভালই লাভ দেবে, তা আশা করেছিলেন শেয়ারবাজারের কারবারিরা। টাটা গোষ্ঠী যে তাঁদের নিরাশ করেনি, এদিনের বাজারের ছবিই তা-ই বলে দিচ্ছে। এখনও সপ্তাহও পার হয়নি বাজারে এসেছে এই শেয়ার। তার মধ্যেই টাটা টেকের শেয়ার পরিণত হল মাল্টিব্যাগার স্টকে।

    টিসিএসের পর এবার টাটা টেক

    প্রায় দু’ দশক পরে শেয়ার বাজারে এল টাটা গোষ্ঠীর কোনও আইপিও (Tata IPO)। এর আগে এই গোষ্ঠীর স্টক এসেছিল ২০০৪ সালে। সেবার তালিকাভুক্ত হয়েছিল টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) এর শেয়ার। সেবারও ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল টাটার ওই শেয়ার। ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। এবারও বাজারে পা রেখেই টাটা টেকের রেকর্ড গড়ে ফেলল রেকর্ড। এলআইসির আইপিও-র রেকর্ড ভেঙে দেশের বৃহত্তম আইপিওতে পরিণত হয়েছে টাটা টেকের শেয়ার। আইপিও খোলার প্রথম দিনই মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ইস্যুটি সাবস্ক্রাইব হয়ে গিয়েছিল একশো শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয় জেলে, তাঁকে কেন বরখাস্ত করছেন না?” প্রশ্ন তুলে ওয়াক আউট বিজেপির

    বিডিংয়ের ক্ষেত্রেও চমক দিয়েছিল টাটা টেক। খুচরো বিনিয়োগকারীদের বিভাগে ১৬ বার এবং কোয়ালিফায়েড ইনস্টিটিউশনাল বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ২০৩ বার ও নন ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টরদের বিভাগে ৬২ গুণ সাবস্ক্রিপশন দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই কোম্পানির মোট আয়ের পরিমাণ প্রায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। কর বাদে সংস্থাটির মুনাফা ৩৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫২ কোটি টাকায় (Tata IPO)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ২২ নভেম্বর। এদিনই সাবস্ক্রিপশনের জন্য খুলতে চলেছে স্টক মার্কেটের বহু প্রতীক্ষিত টাটা টেকনোলজিস আইপিও (Tata Technologies IPO)। লঞ্চের আগেই খবরের শিরোনামে চলে এসেছে টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিও। গ্রে মার্কেটেও দুরন্ত গতি। ইতিমধ্যেই টাটা টেকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭০ শতাংশ প্রিমিয়ামে। বাজারে এই অবস্থা বজায় থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই টাটা টেকের আইপিও থেকে ৭০ শতাংশ আয় করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

    টাটার শেয়ার মাল্টিব্যাগার 

    টাটা গোষ্ঠীর এই আইপিও নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। স্টক মার্কেটে টাটা গোষ্ঠীর অনেক শেয়ার মাল্টিব্যাগার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। টিসিএস কিংবা টাইটান অথবা ট্রেন্ট বিপুল মুনাফা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের। বিগ বুল হিসেবে পরিচিত ছিলেন প্রয়াত বিনিয়োগকারী রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা। তাঁর সাফল্যের নেপথ্যেও সব চেয়ে বড় অবদান টাটা গোষ্ঠীর।

    উন্মাদনা তুঙ্গে 

    এর আগে টাটা গোষ্ঠীর আইপিও (Tata Technologies IPO) এসেছিল প্রায় দু’দশক আগে। ২০০২ সালে শেষ আইপিও এনেছিল টাটা। সেবার বাজারে এসেছিল টিসিএস। শেয়ার বাজারে টিসিএসই দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। মার্কেট ক্যাপের দিক থেকে এর আগে রয়েছে কেবল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। তাই টাটার নতুন আইপিও নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। অপেক্ষার প্রহর গুণছেন তাঁরা।

    টাটার এই আইপিও খোলা হবে ২২ নভেম্বর। বিড করা যাবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ৩০ নভেম্বর টাটা টেক শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। যে বিনিয়োগকারীরা আইপিওয় ইউনিট পাবেন না, তাঁদের জন্য ফেরত দেওয়া শুরু হবে ১ ডিসেম্বর। সফল দরদাতাদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট শেয়ার জমা হবে। লিস্টিং হবে ৫ ডিসেম্বর।   

    আরও পড়ুুন: বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট শুরু আজ, এবারও কি কেবল ‘নকল মউ স্বাক্ষর’?

    আইপিওর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭৫ থেকে ৫০০ টাকা। এক-একটি আইপিও ব্লকে রয়েছে ৩০টি শেয়ার। অর্থাৎ এই আইপিওতে লগ্নি করতে একজন ব্যক্তিকে বিনিয়োগ করতে হবে ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ অর্থবর্ষে টাটা কোম্পানির আয় বেড়ছে ২৫ শতাংশ। টাকার অঙ্কে আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। কোম্পানির মুনাফা ছিল ৭০৮ কোটি টাকা (Tata Technologies IPO)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বাজারে আসছে এলআইসি-র আইপিও (LIC IPO)। ৪ মে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (Life Insurance Corporation) বা এলআইসি-র এই ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও)। 

    ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের তরফে জানানো হয়েছে, মে মাসের ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আইপিও কেনাবেচা চলবে। খুচরো বিনিয়োগকারী (retail investors) থেকে শুরু করে পলিসিহোল্ডার (LIC policyholders) এবং বিমা কর্মীরা (LIC employees) এই সময় আবেদন করতে পারবেন। তবে, প্রতিষ্ঠানিক এবং বড় বিনিয়োগকারীরা (institutional investors) এই সুবিধা ২ মে থেকেই লাভ করতে পারবেন। বুধবার সেবি থেকে বরাদ্দ শেয়ারের পরিমাণ-সহ আইপিও সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও জানানো হয়েছে। ৫ শতাংশের পরিবর্তে বর্তমানে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে বলে আগেই জানিয়েছে সংস্থা।

    প্রতিটি ইক্যুইটি শেয়ারের (equity share) মূল্য ৯০২ টাকা থেকে শুরু করে ৯৪৯ টাকা পর্যন্ত ধার্য করেছে সংস্থা (LIC IPO price band) ৷ সেক্ষেত্রে একটি লটে থাকা ১৫টি শেয়ার কিনতেই হবে বিনিয়োগকারীদের ৷ অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করতে হচ্ছে ১৪ হাজার টাকার কিছু বেশি ৷ তবে, বিনিয়োগকারীরা ১৫ এবং তার গুণিতকে শেয়ারের আবেদন জানাতে পারেন। জীবনবিমাকারী গ্রাহকদের জন্য ২.২১ কোটি এবং কর্মচারীদের জন্য ১.৫৮ কোটি শেয়ার সংরক্ষিত রাখা হবে। কর্মচারীরা শেয়ারের উপর ৪৫ টাকা ও জীবনবিমাকারী গ্রাহকরা ৬০ টাকা ছাড় পাবেন।

    চূড়ান্ত জমাপত্র অনুযায়ী, ১৬ মে-র মধ্যে আবেদনকারীদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে (Demat account) বিতরণ শেষ করবে সেবি। ১৭ মে থেকে এলআইসি শেয়ার বাজারে (share market) তাদের নাম নথিভুক্ত করবে এবং স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রাথমিকভাবে সংস্থার বাজারে সংস্থার ৩১ কোটি শেয়ার ছেড়ে তা থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা কোষাগারে আনার পরিকল্পনা ছিল সরকারের ৷ সেক্ষেত্রে সংস্থার ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল সরকার ৷ কিন্তু বাজার অস্থিরতার কারণে সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচিত হয় ৷ স্থির হয়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ৫ শতাংশের বদলে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে।  এর ফলে ভ্যালুয়েশনও কমে দাঁড়ায় ২২.১৩ কোটি শেয়ার ৷ 

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আয়তনে কমলেও দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও হতে চলেছে জীবন বিমা নিগমের ৷  ডিআইপিএএম (DIPAM) সেক্রেটারি তুহিনকান্ত পাণ্ডে (Tuhin Kanta Pandey) বলেন, “আয়তন কমলেও জীবন বিমা নিগমের আইপিও-ই দেশের সর্ববৃহৎ আইপিও হতে চলেছে ৷” চলতি বছর বাজেট ঘোষণায় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার বিক্রির কথা ঘোষণা করেছিলেন নির্মলা সীতারমণ ৷

     

     

LinkedIn
Share