Tag: Iran sanctions

  • Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির (Gautam Adani) বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডেরাল আদালত। ১০ অগাস্ট আদালতের (US Court) এই রায়ের জেরে মার্কিন ফেডেরাল কৌঁসুলিরা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন। তবে মামলা খারিজের অনুমোদন দেওয়ার সময় বিচারক মার্কিন বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেছেন। ব্রুকলিনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক নিকোলাস গারাউফিস মামলাটি খারিজের অনুমোদন দেন। তবে তিনি বিশেষভাবে মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তা ট্রেন্ট ম্যাককটারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগ প্রত্যাহারের আগে আদানির আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন ম্যাককটার। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, মামলাটিতে আগে কাজ করা একাধিক ফেডেরাল কর্তা ও তদন্তকারীর মতামতকে ম্যাককটার উপেক্ষা করেছেন বলে মনে হয়েছে। পরিবর্তে তিনি নিজের মূল্যায়নের ওপর বেশি নির্ভর করেছেন বলে বিচারক মন্তব্য করেন।

    আদানির ১০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন (Gautam Adani)

    আদালতে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল আমেরিকায় আদানি গোষ্ঠীর ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে প্রায় ১৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে বলেও তখন জানানো হয়েছিল। ২০২৬ সালের এপ্রিলে গৌতম আদানির হয়ে মামলা লড়া আইনজীবী রবার্ট জে জিউফ্রা জুনিয়রের নেতৃত্বাধীন একটি দল মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে জিউফ্রা ১০০ পাতার একটি নথি উপস্থাপন করেন। সেখানে যুক্তি (US Court) দেওয়া হয়, আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ কৌঁসুলিদের হাতে নেই। পাশাপাশি অভিযোগে উল্লেখ করা ঘটনাগুলি সম্পূর্ণভাবে ভারতে ঘটেছে বলে এই মামলার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার্য এক্তিয়ারও নেই বলে দাবি করা হয়েছিল। আদানির (Gautam Adani) পক্ষে আরও যুক্তি দেওয়া হয়, মামলায় উল্লেখ করা ঋণপত্রগুলি মার্কিন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ছিল না এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনও বিনিয়োগকারীর আর্থিক ক্ষতি হয়নি।

    ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    ১০০ পাতার ওই নথির একটি পাতায় আমেরিকায় আদানির ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির উল্লেখ ছিল। এর পরেই বিচারক প্রশ্ন তুলেছিলেন, এই বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি কি মার্কিন বিচার বিভাগের মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল? ম্যাককটার অবশ্য দাবি করেন, বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেনি। এই বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনও তিনি অস্বীকার করেন। তবে ১৫ জুলাই আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় গৌতম আদানি স্বীকার করেন, তাঁর আইনজীবীরা মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিলেন যে এই বিনিয়োগ মামলাগুলির নিষ্পত্তির অংশ হতে পারে। জিউফ্রাও আদালতকে জানান, অভিযুক্ত পক্ষ মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিল যে সম্ভাব্য নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে আদানি গোষ্ঠী ওই বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত। বিচারক গারাউফিস বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব দেওয়া যথাযথ কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না। তবে তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বিবেচনা করতে হবে—এই ধরনের প্রস্তাব সমান বিচার এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে কী অর্থ বহন করতে পারে (US Court)।

    ২০২৪ সালে আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২০২৪ সালে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, আদানি গোষ্ঠীর একটি সহযোগী সংস্থার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন নিশ্চিত করতে তিনি ভারতীয় সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দিতে রাজি হয়েছিলেন (Gautam Adani)। মার্কিন কৌঁসুলিরা আরও অভিযোগ করেছিলেন, সংস্থার দুর্নীতিবিরোধী নীতি ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। তবে আদানি গোষ্ঠী প্রথম থেকেই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ৪ জুলাই আদালতে দেওয়া এক নথিতে ম্যাককটার বলেন, মামলাটি মূলত বিদেশকেন্দ্রিক, অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন এবং এটি মার্কিন বিচার বিভাগের বর্তমান আইন প্রয়োগের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক, বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ এবং নিজের আইনি গবেষণা ও বিশ্লেষণের পরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আদানি পরিবারের সদস্য ও সংস্থার বিরুদ্ধেও আলাদা মামলা

    এদিকে, আদানি পরিবারের সদস্য এবং গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থাকে ঘিরে মার্কিন বিচার বিভাগে আরও কয়েকটি পৃথক আইনি বিষয় রয়েছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলায় গৌতম আদানি ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে রাজি হয়েছেন। তাঁর ভাইপো সাগর আদানি ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড মার্কিন অর্থ দফতরকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়েছে।

    আদালতের সিদ্ধান্তে স্বস্তি আদানির

    আদালতের রায়ের পর গৌতম আদানি (Gautam Adani) সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি বিনয় ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এই মামলা খারিজের ফলে আপাতত গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফৌজদারি অভিযোগের আইনি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও, মামলাটি খারিজের পেছনে (US Court) বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিচারকের মন্তব্য নতুন করে জন্ম দিয়েছে একরাশ প্রশ্নের (Gautam Adani)।

     

  • Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ইরান (Iran Protests)। দেশটির জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের নজিরবিহীন পতনে এক মার্কিন ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ রিয়ালের কাছাকাছি। লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধজনিত ধাক্কা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক (Rial vs Dollar) অস্থিরতার সম্মিলিত প্রভাবে ইরানের অর্থনীতি গভীর মন্দার দিকে এগোচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে।

    মুদ্রা-পতন (Iran Protests)

    বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণির জন্য এই মুদ্রা-পতন কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি টিকে থাকার লড়াই। বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার ধাক্কা সামাল দিলেও ২০২৫ সালের শেষ দিকে রিয়ালের এই পতন নজিরবিহীন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানের বাজারে এক ডলার রিয়ালের দর ১৪ লাখ ছুঁয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে রিয়াল তার প্রায় ৯০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টানছেন বিশ্লেষকেরা। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের সময় এক ডলারের দাম ছিল মাত্র ৭০ রিয়াল। চার দশকে ইরানের মুদ্রাটির অবমূল্যায়ন হয়েছে প্রায় ২০ হাজার গুণ। শুধু ২০২৫ সালেই রিয়ালের দর কমেছে প্রায় ৪৫ শতাংশ, যার ফলে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ হুড়োহুড়ি করে সঞ্চয় ভেঙে ডলার, সোনা ও অন্যান্য নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগ করতে শুরু করে (Iran Protests)।

    অর্থনৈতিক বিপর্যয়

    ইরানের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ত্বরান্বিত করেছে একাধিক ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সঙ্কট। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষ, এরপর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং নতুন করে রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা, সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা ও আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের প্রবেশ কার্যত বন্ধ হয়ে যায় (Rial vs Dollar)। এর আগেই ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় তেল রফতানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, যার জেরে ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার প্রায় শূন্য হয়ে গিয়েছে।এই সম্মিলিত চাপ সামলাতে না পেরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পদত্যাগ করেন ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর মহম্মদ রেজা ফারজিন। এটি সরকারের ব্যর্থতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সরকারি হিসাবে ইরানের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৪২.২ শতাংশ হলেও অর্থনীতিবিদদের মতে প্রকৃত হার আরও অনেক বেশি। অথচ বেতন ও মজুরি কার্যত স্থবির, ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে ভয়াবহভাবে (Rial vs Dollar)।

    বিপদে মধ্যবিত্তরা

    খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সরকার যখন জরুরি পণ্যের জন্য থাকা বিশেষ বিনিময় হার বাতিল করে, তখন সঙ্কট আরও তীব্র হয়। রাতারাতি ভোজ্যতেল, গমজাত পণ্য ও মুরগির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে লাখো পরিবার দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যায় (Iran Protests)। এই মুদ্রা বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণি। শহুরে স্থিতিশীলতার স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত মধ্যবিত্তরা দেখছে, দশকের পর দশক ধরে জমানো সঞ্চয় কয়েক মাসেই উবে গিয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, পেনশন ও বাড়ির স্বপ্ন, সবই অনিশ্চিত। শ্রমজীবীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার, যাতায়াত ও ভাড়া মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক পরিবার সন্তানদের স্কুল থেকে তুলে নিচ্ছে, চিকিৎসা পিছিয়ে দিচ্ছে। দৈনিক মজুরিই হয়ে উঠছে বেঁচে থাকার কৌশল (Rial vs Dollar)।

    কালোবাজারে ডলার কেনা

    রিয়ালের ওপর আস্থা হারিয়ে বহু মানুষ কালোবাজারে ডলার কেনা, সোনা কেনাবেচা ও সঞ্চয়ের দিকে ঝুঁকছে, যার জেরে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে সে দেশের অর্থনীতি। অর্থনৈতিক ক্ষোভের এই বহিঃপ্রকাশ হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে ধর্মঘটে নামেন। জোমহুরি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ছাত্র, শ্রমিক ও নানান পেশাজীবীদের মধ্যে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশের ৩১টি প্রদেশেই। অর্থনৈতিক দাবির গণ্ডি পেরিয়ে আন্দোলন রূপ নেয় সরাসরি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে (Iran Protests)। ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো ‘শাহের জয় হোক’—পাহলভি রাজতন্ত্র পুনর্বহালের স্লোগান শোনা যাচ্ছে মাশহাদ ও কুমের মতো ধর্মীয় শহরেও (Rial vs Dollar)। বিশ্লেষকদের মতে, এটি রিয়ালের পতনের সঙ্গে সঙ্গে শাসনব্যবস্থার ভিত্তিও ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত।

    ইন্টারনেট বন্ধ

    বিদ্রোহীদের দমনে সরকার প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। বাসিজ মিলিশিয়া ও বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী টিয়ার গ্যাস এবং গুলিও ব্যবহার করছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলির হিসেব অনুযায়ী, ইতিমধ্যে বহু মানুষ নিহত ও হাজারো মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন। তবুও আন্দোলন থামেনি। বিশ্বব্যাঙ্কের পূর্বাভাস, ২০২৫ সালে ইরানের জিডিপি ১.৭ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ২.৮ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা শিথিল, বিদেশি বিনিয়োগ ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রিয়ালের এই পতন অপরিবর্তনীয় হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবীদের কাছে এখন প্রশ্ন আর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নয়, স্রেফ শুধু কীভাবে টিকে থাকা যায়। রিয়ালের (Rial vs Dollar) এই দরের পতন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে শুধু আর্থিক নয়, বরং শাসনব্যবস্থা, বৈধতা ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সঙ্কট (Iran Protests)।

LinkedIn
Share