Tag: Iran talks

  • Trump: “ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে’’! হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    Trump: “ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে’’! হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁকে হত্যার চেষ্টা হলে ইরানের বিরুদ্ধে অভূতপূর্ব সামরিক হামলার নির্দেশ আগে থেকেই দেওয়া রয়েছে বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে করা এক পোস্টে তিনি জানান, ইরান যদি তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকার পক্ষ থেকে তৎক্ষণাৎ ভয়াবহ সামরিক জবাব দেওয়া হবে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Trump)

    ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি কার্যকর করা হলে বা একজন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে।’’ তাঁর আরও দাবি, প্রথম দফার হামলার পরপরই হাজার হাজার অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক বছরের জন্য, প্রয়োজনে যার মেয়াদ আরও বাড়ানো যেতে পারে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের সব এলাকা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম।” এর আগে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমি অনেক দিন ধরেই তাদের টার্গেট। এটাই বাস্তবতা। যদি আমার সঙ্গে কিছু ঘটে, তা হলে এমন মাত্রায় ইরানে বোমাবর্ষণের নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যা তারা আগে কখনও দেখেনি।’’

    ইরানের পয়লা নম্বর টার্গেট

    তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁকে হত্যার নতুন কোনও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য নেই। ইজরায়েল এই ধরনের নতুন কোনও তথ্য পেয়েছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “না, না। ইজরায়েল এমন কিছুই পায়নি। আমি বহু দিন ধরেই ইরানের হত্যার তালিকায় এক নম্বরে আছি। এটাই বাস্তবতা।” চলতি সপ্তাহেই নিজেকে ইরানের পয়লা নম্বর টার্গেট বলে উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প। এদিন তিনি ফের জানান, ইরানকে কখনওই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। তবে ভবিষ্যতে ইরানের সঙ্গে কোনও সংঘাত হলেও, তা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে ইরান। পরে মার্কিন প্রশাসন ট্রাম্পকে হত্যার একাধিক কথিত ইরান-যোগের ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ করলেও, তেহরান বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    যুদ্ধবিরতির অধ্যায় শেষ!

    এদিকে ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরান ফের আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ওয়াশিংটন তেহরানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধবিরতির অধ্যায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান আমাদের কাছে আবার আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা তাতে সম্মত হয়েছি। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গিয়েছে।’’

  • US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান। পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তার প্রেক্ষিতেই এমনতর দাবি করেছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। পাকিস্তানের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়ে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাক নেতৃত্বাধীন এমন কোনও প্রচেষ্টার (US Iran War) সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। সোমবার মুম্বইয়ে ইরানের কনসুলেট জেনারেল জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি জানানো হয়েছে। কনসুলেট আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের যে কোনও মঞ্চ তাদের নিজস্ব বিষয়, সেখানে ইরান অংশ নেয়নি।

    কনসুলেট জেনারেলের বক্তব্য (US Iran War)

    এক বিবৃতিতে কনসুলেট জেনারেল জানান “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। শুধুমাত্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কিছু দাবি এসেছে। আমেরিকার ‘কূটনীতি’ বারবার অবস্থান বদলায়। তবে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের মঞ্চ তাদের নিজস্ব। আমরা তাতে অংশ নিইনি। আঞ্চলিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান স্বাগত, তবে মনে রাখতে হবে—কে এই যুদ্ধ শুরু করেছে!”  রবিবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠক করার পর এই ঘোষণা করেন। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে সমুদ্র পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ছিল।

    পাক মন্ত্রীর বক্তব্য

    টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দার বলেন, “আগত মন্ত্রীরা ইসলামাবাদে সম্ভাব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।” দারের দাবি, তিনি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্তাদের সঙ্গে, যেমন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। তিনি আরও জানান, পাকিস্তান আমেরিকা প্রশাসনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রাখছে। রবিবারের ইসলামাবাদ বৈঠকটি কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না (US Iran War)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার কথা স্বীকার করেনি। তবে ইসলামাবাদের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনার একটি প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছে (US Iran War)। এদিকে, সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর তাদের হামলা অব্যাহত রাখে। এর জবাবে ইরান কুয়েতের একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ জল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ফাটায় এবং উত্তর ইসরায়েলের একটি তৈল শোধনাগারেও আঘাত হানে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে, যা তিনি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সময়ে, ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন রয়েছে (US Iran War) এবং সমসংখ্যক আরও একটি বাহিনী পথে রয়েছে। এর (Pakistan) মধ্যে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল টার্মিনাল দখলের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

     

LinkedIn
Share